একটি উজ্জ্বল তারকা মিলে গেলো তারকাদের মিলনমেলায়

তাওহীদ আদনান কাসেমী: তিনি আঁধারে জ্বালতেন আলো। শিখাতেন জীবন-সমাচার। দু:খ-দুর্দশা ও কষ্ট-ক্লেশের মাঝেও দিতেন পথের দিশা। সে পথের পথিক হয়ে কত-শত পথিক সফল হয়েছে, কত অনুর্বর ভূমি ফসল দিয়েছে, কত হৃদয় আলোকিত হয়েছে, কত জীবন বিকশিত হয়েছে, তার ইলমের শাখা-প্রশাখা ও তাদরীসী খেদমতের প্রবাহিত বাতাসে কত সমুদ্রে জোয়ার বয়েছে, তার উজ্জ্বল প্রদীপ শিখায় কত আঁধার দূরিভূত হয়েছে, তার কল্পনা করাও দায়। আকাশ থেকে যখন বৃষ্টি ঝরে, তার ফোঁটা কী আর গণনা করা যায়? আর আলোকরশ্মির পরিমাপ করতে যাওয়া তো বোকামী বৈ কিছু নয়।
বলছি আমার প্রিয় উস্তাদে মুহতারাম মুফতী সাঈদ আহমাদ পালনপুরী রহ.-এর কথা। গতকালও বাদ ফজর হুজুরকে দামাত বারাকাতুহু বলেছি। আজ বাদ ফজর বলতে হচ্ছে ‘রাহিমাহুল্লাহ’। গতকালকের সকাল আর আজকের সকাল, মাত্র একদিনের ব্যবধান। গতকাল ২৫ রমজান ১৪৪১ হিজরী মোতাবেক ১৯ মে ২০২০ মঙ্গলবার বাদ ফজরও তাকে নিয়ে লিখেছি। তখন তিনি ছিলেন। আজও বাদ ফজর তাকে নিয়ে লিখছি, অথচ আজ তিনি নেই।

পালনপুরী রহ.-কে নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। তাঁর পরিচিতি ছিলো বিশ্বময়। তাঁর নামের সাথে পরিচিত হয়েছিলাম ইবতেদায়ী জামাত পড়াকালেই। দারুল উলুম দেওবন্দে ভর্তি হওয়ার পর তাঁর মর্যাদা ও গুরুত্ব অনুধাবনে আসে পূর্ণাঙ্গ রূপে। তখন থেকেই হৃদয়ের গহীনে জায়গা দিয়েছি তাঁকে; গহীন থেকেও গহীনে। দেওবন্দের প্রথমদিন থেকেই তাঁর প্রতি মুগ্ধতা পেয়ে বসে আমায়। মাঝারি গড়ন। সুঠাম দেহ। স্বচ্ছ অবয়ব। শুভ্র ললাট। চেহারায় ঈমানের দ্যূতি। মধ্যম দাড়ি। মাথায় সাদা আরবী রুমাল। গায়ে আরবি জুব্বা। কথা-বার্তায় দৃঢ়তা। কাজে-কর্মে ধীরস্থিরতা। চলা-ফেরায় মাধুর্যতা। উন্নত রুচিশীলতা। স্বভাব-চরিত্রে গাম্ভীর্যতা, যেখানে রুক্ষতার লেশ মাত্র নেই।

দরসের মসনদে সবসময় দেখা যেতো তাঁর আলোর ঝলক। আলোচিত বিষয়ের আলোকে হাস্য-রসের মাধ্যমে মাতিয়ে রাখতেন তিনি সকলকে যাদুময়তার সাথে। দেওবন্দে গিয়ে ভর্তি হয়েছিলাম মেশকাতে। মেশকাতে তাঁর কোনো দরস না থাকলেও তাঁর চুম্বকীয় আকর্ষণ মাঝে মাঝেই আমাকে টেনে নিয়ে যেতো তাঁর দরসে হাদিসের মসনদ পানে। পরের বছর দাওরা হাদিসে ভর্তি হওয়ার পর নিয়ম মাফিক তাঁর ছাত্রত্ব গ্রহণের সৌভাগ্য অর্জন হয়। দরসের মসনদে তাঁর অনন্যতা, ইলমের প্রশস্ততা ও মুহাদ্দিসী শান সূর্যের ন্যায় আলোর বিচ্ছুরণ ঘটাতো প্রতিনিয়তই। পাঠদানের ক্ষেত্রে ছিলো তাঁর অনন্য দক্ষতা। হাদিস হোক আর ফিকাহ হোক, রিজাল শাস্ত্র হোক আর ইলমে কালাম হোক, যে কোনো বিষয়ের আলোচনা এলে সমানতালেই তিনি আলোচনা করে যেতেন অনায়সে। আলোচনার স্বচ্ছতা ছিলো আয়নার মতো। যে বিষয়ে আলোচনা করতেন তার সূক্ষ্ম থেকে সূক্ষ্ম বিষয়েও জ্ঞান অর্জন করে ফেলতো শ্রবণকারীরা৷

তাঁর চতুর্মুখী এই অসীম যোগ্যতার কারণে ছাত্র অবস্থাতেই দেওবন্দের ইন্তেজামিয়া কমিটি তাঁকে মুঈনে মুদাররিস হিসেবে বাছাই করে নেন৷ আর ফারাগাতের কয়েক বছর পরই মজলিসে শুরা তাকে উস্তাদ হিসেবে নিয়োগ দিয়ে গুজরাত থেকে ডেকে আনে৷ তিনি একজন গুণবান মুহাদ্দিস ছিলেন৷ এ কারণেই তো তাঁর দরসের সময়ে কোনো ছাত্রের সামান্য দেরি হলেই আর জায়গা পাওয়া সম্ভব হতো না দরসগাহে৷ শুধু হিন্দুস্তান নয় বরং পুরো বিশ্বের আনাচে-কানাচেও ছড়িয়ে আছে তাঁর ছাত্র ও শিষ্যগণ৷

তিনি শুধু একজন শিক্ষকই ছিলেন না বরং হাদিসের মসনদে একজন অভিজ্ঞ মুহাদ্দিস, ফিকহের মাসআলায় একজন বিজ্ঞ ফকিহ আর লেখালেখির ময়দানে ছিলেন একজন সাহসী কলম সৈনিক৷ ছিলেন হাদিসের একজন কিংবদন্তি ব্যাখ্যাকার, যুগশ্রেষ্ঠ মুহাক্কিক। তিনি ছিলেন ইলমে কালামের ময়দানে লড়াকু সৈনিক৷ ছিলেন দেওবন্দিয়াতের এক উজ্জ্বল নমুনা। দেওবন্দিয়াতের ফিকরী ও নযরিয়্যাতী মধ্যমপন্থার ধারকবাহক৷ এর ফলেই তাঁকে বলা হতো তরজুমানে দারুল উলুম দেওবন্দ৷ হাদিসের শরাহের পাশাপাশি সমসাময়িক বিবিধ বিষয়ে তিনি অসামান্য সাক্ষর রেখেছেন স্বীয় ক্ষুরধার লিখনির মাধ্যমে৷ তাঁর প্রতিটি বিষয়ের কিতাবই গ্রহণযোগ্যতার চরম শিখরে পৌঁছে যেতো লেখার সাথে সাথেই৷

তাঁর লিখিত অনন্য গ্রন্থাবলীর মধ্যে অন্যতম হলো তাফসিরের কিতাব হেদায়াতুল কুরআন, আলফাউযুল কাবীরের তাশরীহ ও তা’লীক, মাবাদিউল উসুল, মাবাদিউল ফালসাফা, মিফতাহুত তাহযীব, মাহফুযাত, হায়াতে ইমাম দাউদ, মাশাহিরে মুহাদ্দিসীন, হায়াতে ইমাম ত্বহাবী, ইসলাম তাগাইয়ুর পযীর দুনিয়া মে, কেয়া মুকতাদী পর ফাতিহা ওয়াজিব হ্যায়? নবুওয় নে ইনসানিয়াত কো কেয়া দিয়া? হুরমতে মুসাহার, তাহযীবুল মুগনী, তুহফাতুল আলমায়ী শরহে তিরমিযী ৮ খ-ে, তুহফাতুল কারী শরহে বুখারী ১২ খ-ে। রহমাতুল্লাহিল ওয়াসিআহ শরহে হুজ্জাতিল্লাহিল বালিগাহ ৭ খ-ে ইত্যাদি৷ এগুলো ছাড়াও আরো বহু কিতাব তিনি লিখেছেন বিভিন্ন বিষয়ে৷ রহমাতুল্লাহিল ওয়াসিআ তো হুজ্জাতুল্লাহিল বালিগার এমন একটি শরাহ যার অপেক্ষায় ছিল মানুষ প্রায় তিনশো বছর যাবৎ৷

হযরত শাহ ওয়ালী উল্লাহ মুহাদ্দিসে দেহলভী রহ.-এর কিতাব হুজ্জাতিল বালিগা প্রায় তিনশো বছর ধরে এমন একজন কলম সৈনিকের দিকে চেয়ে ছিলো চাতক পাখির ন্যায় যেখানে কুরআন ও হাদিসের ইলমের পাশাপাশি ইসলামি ফালসাফা ও আহকামে শরঈয়্যাহ এরও আলোচনা থাকবে সমানভাবে৷ তিনি উক্ত শরাহটি এমনভাবেই লিখেছেন যে, শাহ সাহেবের সমস্ত মুরাদ এবং সকল কঠিন ও দুর্বোধ্য ইবারত সহজ হয়ে গিয়েছে পানির মতো৷ এই শরাহ লেখার আগে তো কিতাবের মুরাদ উদঘাটনের জন্য সকলকে শারিরীক শ্রমের পাশাপাশির কঠিন যেহনী শ্রম ব্যয় করতে হতো৷ তদুপুরি এর মানজিলে মাকসাদে যাওয়া ছিল দূরহ ব্যাপার৷ এই শরাহ সে সকল দুর্বোধ্যতা ও কষ্ট দূর করে দিয়েছে এখন৷ আল্লাহর রহমতে সেই কিতাবের একসেট সংগ্রহও করে নিয়ে নেওয়া হয়েছে অধমের৷ বাস্তবেই এই শরাহটা মুফতি সাহেব রহ.-এর একটি কালজয়ী রচনা৷ এটি তাঁর এমন একটি শরাহ বা রচনা যে, ইলমের গভীরতাকে যদি এই একটি কিতাবের মাঝেও সীমাবদ্ধ ধরে নেওয়া হয় তদুপুরি তার ইলমের উজ্জ্বল আলোকমালা ইলমী ময়দানে চিরদিন জ্বলজ্বল করতে থাকবে অনবরত৷

হযরত মুফতী সাহেব রহ. ১৩৬০ হিজরী মোতাবেক ১৯৪০ ঈসায়ী সনে পিতৃভূমি গুজরাতের কালিরায় পালনপুর নামক এলাকায় জন্ম গ্রহণ করেন৷ পরিবারে যদিও ইলমের বিবেচনায় বিশেষ কেউ ছিলেন না কিন্তু দ্বীনদার ছিলেন৷ দ্বীনদারী পরিবেশের কারণে ছোট থেকেই মাদরাসার আঙ্গিনায় আসা-যাওয়া শুরু হয় তাঁর৷ জন্মভূমি পালনপুরেই প্রাথমিক পড়ালেখা ও মকতব ইত্যাদি শেষ করেন৷ এরপর আরবি ও ফারসি পড়ার জন্য দারুল উলুম গুজরাত গমন করেন৷ সেখানে মামা মাওলানা আবদুর রহমান কিতাব বিভাগের উস্তাদ ছিলেন৷ তাঁর কাছেই ফারসি পড়েন৷ এরপর পালনপুরের এক মাদরাসায় শরহে জামী পর্যন্ত পড়েন৷ সেখান থেকে পড়ালেখা শেষ করে এসে মাযাহেরে উলুম সাহারানপুরে ভর্তি হন এবং টানা তিন বছর পড়েন এখানে৷

১৩৮০ হিজরীতে দারুল উলুম দেওবন্দে এসে ভর্তি হন এবং দারুল দেওবন্দের ইলমের ঝর্ণায় গোসল করেন৷ বিশেষভাবে তিনি যাঁদেও কাছ থেকে ইলমী দক্ষতা অর্জন করেন তাঁদের মধ্যে অন্যতম হলেন, মাওলানা সাইয়্যেদ হাসান দেওবন্দী, মাওলানা আবদুল জলীল কিরানভী, মাওলানা আসলামুল হক আজমী, মাওলানা ক্বারী তৈয়্যব সাহেব দেওবন্দী, মাওলানা ফখরুদ্দীন মুরাদাবাদী, আল্লামা ইবরাহীম বালিয়াভী, শায়েখ মাহমুদ আবদুল ওয়াহহাব মিসরী এবং মুফতী মাহদী হাসান শাহজাহানপুরী অন্যতম৷ 

১৩৮২ সালে নম্বরে আউয়াল হয়ে ফারাগাত হাসিল করেন৷ অন্তরে ইলমের জযবা ছিল অধিক পরিমাণে৷ রব্বে কারীম যোগ্যতাও দিয়েছিলেন৷ তাই তাকাযা ছিলো ইলমের সাগরে আরো কিছুদিন ডুবে থাকবেন৷ অবস্থাদৃষ্টে দেওবন্দেই ইফতার দরখাস্ত দিয়ে দেন এবং মঞ্জুরিও এসে যায়৷ ফলে ইফতায় ভর্তিও হয়ে যান তখনই৷ আর তখনই ইন্তেজামিয়া কমিটি তাকে মুঈনে মুদাররিস হিসেবে নির্বাচন করে বসেন৷

শিক্ষাজীবন শেষ হলে আল্লামা ইবরাহীম বালিয়াভী রহ. দারুল উলুম আশরাফিয়া গুজরাতে খেদমতে দিয়ে দেন৷ ১৩৮৪ থেকে ১৩৯৩ পর্যন্ত সেখানে ইলমী আলোকরশ্মির বিচ্ছুরণ ঘটান৷ এরপর দেওবন্দের ইন্তেজামিয়া কমিটি তাঁকে উস্তাদ হিসেবে নিয়োগ দিয়ে সেখান থেকে ডেকে আনেন৷ তিনি নিজের সৌভাগ্য ভেবে ডাকে সাড়া দেন এবং শেষ নিশ্বাস পর্যন্ত এখানেই নিয়োজিত থাকেন দরস ও তাদরিসের খেদমতে৷ এখানে বসেই তিনি ইলমী ও ফিকরী গবেষণার দুর্ভেদ্য কাজ আঞ্জাম দেন৷ এখানেই তিনি কুরআন ও হাদিসের তাশরীহাতে নিযুক্ত থাকেন; তাফসীর ও হাদিসের দরস ও তাদরীসে মশগুল থাকেন৷ শিক্ষকতার জীবনে তিনি এমন মণি-মুক্তার চমক ঘটিয়েছেন যে, বিশাল একটা জগত তাঁর প্রতি মোহিত হয়ে গেছে, এক বিশাল দুনিয়া তাঁর প্রেমাসক্তিতে প্রেমিক বনে গেছে৷ তার তাদরীসী, তাশরীহী, তাকরীরী, তাসনীফী, ইসলাহী ও তারবিয়াতী খেদমতের মূল্যায়ণ এই সংক্ষিপ্ত পরিসরে সম্ভব নয়৷

ভাগ্য নির্ধারক তাঁর ভাগ্যে মৃত্যুর ফায়সালা তখনই করে রেখেছিলেন, যখন দুনিয়াবাসী তাকে নতুন করে অস্তিত্বে আনয়নের ইচ্ছায় হাবুডুবু খাচ্ছিল, যখন তাঁকে দুনিয়াবাসীর আরো বেশি প্রয়োজন ছিল।

আসলে পৃথিবীর সবকিছু তার চিরাচরিত নিয়মেই চলমান৷ পাহাড় থেকে ঝর্ণা বয়ে যাচ্ছে৷ ঝর্ণা আবার সমুদ্রের সাথে মিশে একাকার হয়ে যাচ্ছে৷ আকাশ থেকে বৃষ্টি নামছে৷ জমিন থেকে উদ্ভিত উঠছে৷ চাঁদ-সূর্য তার আলো বিলিয়ে যাচ্ছে৷ দুনিয়ার সব কিছুই নিয়ম মাফিক চলছে৷ প্রতিটি সূচনারই একটি অন্ত রয়েছে৷ ফলে ছোট থেকে বেড়ে উঠতে উঠতে সব কিছুই আবার বিলীন হয়ে যাচ্ছে৷ পৃথিবীর এই চিরাচরিত নিয়মের আওতায়ই মুফতি সাহেব রহ.-এর ছায়াও আজ বিলীন হয়ে গেলো আমাদের থেকে৷ তাঁর সুশীতল ছায়া সরে গেলো আমাদের মাথার উপর থেকে৷ আমরা হয়ে গেলাম আশ্রয়হীন; ছায়াহীন৷ এখন শুধু সান্ত¡নার বাণীস্বরূপ বলতে হয়, তিনি যাওয়ার জন্যই এসেছিলেন৷ ফলে তিনি চলে গেছেন৷ সান্ত¡নার বাণীস্বরূপ বলতে হয়, তিনি চলে গেছেন তবে আমাদের মাঝে রেখে গেছেন তাঁর ইলমী খেদমত ৷

মুফতি সাহেব হুজুর রহ. যদিও দুনিয়া থেকে চলে গিয়েছেন কিন্তু তাঁর ইলমী খেদমতের কারণে তিনি আমাদের মাঝে জীবন্ত হয়ে থাকবেন চিরদিন৷ মৃত্যু যদিও সকলকে দুনিয়ার বুক থেকে অচেনা বানিয়ে দেয় কিন্তু মুফতী সাহেব রহ.-এর মতো মানুষেরা ইলমী খেদমতের কারণে মরেও বেঁচে থাকেন দুনিয়াবাসীর অন্তরে৷ এমন মানুষর জন্য মৃত্যুই আসল জীবনের দরজা, অভীষ্ট লক্ষ্যে সোপান। সে জীবনের জন্য তারা মানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকেন যুগের পর যুগ, সে জীবনের জন্য মানুষের অন্তরে ভালোবাসার প্রদীপ শিখা প্রজ্জ্বলিত হয় এবং আলোর পিদিম আরো আলোকিত হয়৷

মুফতী সাহেব রহ. ছিলেন একটি ফুটন্ত ফুল। দুনিয়াবাসী আজ তার সুঘ্রাণ থেকে বঞ্চিত৷ তিনি ছিলেন ইলমী অভিভাবক৷ ইলমী বিবেচনায় দুনিয়াবাসী আজ ইয়াতীম৷ ইলমের খাজানা ছিলেন তিনি৷ ইলমে নবুওয়াত অর্জনকারীরা এক মহান ব্যক্তিত্ব হারালো৷ ফিকর ও তাহকীকের সূর্য ছিলেন, যা চিরতরে অস্তমিত হয়ে গেলো৷ গতকালও বাদ ফজর হুজুরের খবর নিলাম৷ দোয়া করলাম৷ শুনলাম স্বাস্থ্য অনেক বেশি খারাপ৷ ফুসফুসে পানি এসে গিয়েছিলো৷ শ্বাসকষ্ট শুরু হয়েছে৷ মনটা খারাপ হয়েছিল৷ কিন্তু আশাহত ছিলাম না৷ দোয়া-মোনাজাত করে ঘুমুতে গেলাম৷ ঘুম থেকে জেগেই খবর পেলাম তিনি ঘুমিয়ে গেছেন চিরতরে৷ আল্লাহ পাক হুজুরকে জান্নাতবাসী করুন, আমিন৷

লেখক:
আলেম ও সাংবাদিক
ফাজেল, দারুল উলুম দেওবন্দ

Post a Comment

[blogger]

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget