July 2020

আব্দুল্লাহ আল মাসনুন:বাংলাদেশের ক্ষণজন্মা একজন মহামনীষী হচ্ছেন আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী। ইসলাম ও মুসলিম উম্মাহর অকুতোভয়-সৎসাহসী ও বীর কাণ্ডারী এই আলেমে দ্বীন একটি ঐতিহ্যময় ও ইলমী-দ্বীনী পরিবারের একজন সুসন্তান। উনার পরিবারের সুখ্যাতি ও  বংশ মর্যাদা পুরো দেশ জুড়ে সমাদৃত এবং মানুষের কাছে গৌরবান্বিত।  পারিবারিক  সিলসিলায় আল্লামা বাবুনগরী অত্যন্ত প্রখর মেধা এবং বিরল প্রতিভার অধিকারী একজন স্বনামধন্য মুহাদ্দিস। 

ইলম, আমল, তাযকিয়া, আত্মশুদ্ধি, তাকওয়া এবং ন্যায়নীতির অনন্য উচ্চশিখরে অধিষ্ঠিত আছেন আল্লামা বাবুনগরী।

দেশ ও জাতির সত্যিকারের একজন শুভাকাঙ্ক্ষী এবং মিল্লাতে ইসলামিয়ার একজন পরম হিতাকাঙ্ক্ষী আলেম আল্লামা বাবুনগরী। উনি আজীবন সত্য ও ন্যায়ের পথে সংগ্রাম করে যাচ্ছেন। দেশ-জাতি ও মুসলিম উম্মাহর বৃহৎ স্বার্থে উনি প্রতিনিয়ত নিজের ক্ষুদ্র স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে আসছেন। উনি সবসময় উম্মাহর কল্যাণ কামনা করেন। যে দিকে ইসলামের বৃহৎ স্বার্থ রয়েছে, উনি সেদিকেই ধাবিত থাকেন। কখনোই তিনি নিজের স্বার্থ দেখেন না, সর্বদা পদ-পদবি ও জাগতিক মোহ থেকে নিজেকে বিরত রাখেন৷ দুনিয়াবি চাকচিক্য ও লোভ-লালসা উনার অন্তরে কখনোই প্রভাব ফেলতে পারে না। 

আল্লামা বাবুনগরীর অতীত ইতিহাস ইসলাম ও মুসলিম উম্মাহর জন্য নিজেকে বিলিয়ে দিয়ে অনেক ত্যাগ স্বীকার করার অসংখ্য ঘটনায় ভরপুর। উনার জীবনের প্রতিটি প্রহর কেটেছে দ্বীন ও মিল্লাতের খেদমতে। উনি নিজেকে সদা নিয়োজিত রেখেছেন ইসলামের সুমহান খাদেম হিসেবে। কর্মজীবনে ব্যস্ত রয়েছেন ইলমে হাদীসসহ অন্যান্য শরয়ী জ্ঞানের পাঠদানে। বিশেষভাবে তিনি ইলমে হাদীস ও উলুমে হাদীসের উপর গভীর পাণ্ডিত্য অর্জন করেছেন বিশ্ববিখ্যাত মুহাদ্দিস আল্লামা ইউসুফ বান্নুরী রাহ. এর সান্নিধ্যে।  বয়ান-বক্তৃতা ও কাব্য-প্রবন্ধসহ বিভিন্ন লেখালেখির মাধ্যমে প্রতিনিয়ত ইসলামের বার্তা মানুষের সমাজে তুলে ধরছেন এবং তাগুত-বাতিলের যাবতীয় অপতৎপরতার জবাব দিয়ে আসছেন। 

আল্লামা বাবুনগরী কখনোই কোনো বাতিলের সাথে আপোষ করেন না। হক কথা বলতে এবং সত্য উচ্চারণ কর‍তে উনি আপোষহীন। শিরক-বিদআত, কাদিয়ানি ও দুশমনে সাহাবাসহ নাস্তিক্যবাদী অপশক্তির সমুহ কুযুক্তি ও অপব্যাখ্যার দাঁতভাঙা জবাব দিয়ে আসছেন তিনি৷ দেশের স্বাধীনতা এবং দেশের শান্তি টিকিয়ে রাখার জন্য, দেশের মানুষের ন্যায্য অধিকার পূর্ণরূপে আদায়ের জন্য আল্লামা বাবুনগরী সদাসর্বদা সক্রিয়ভাবে ভূমিকা পালন করে আসছেন৷ উনি একজন দেশপ্রিয় বাঙালি নাগরিক। উনি প্রিয় মাতৃভূমির একজন পরম শুভাকাঙ্ক্ষী। দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য উনি খুবই তৎপর থাকেন। 

আল্লামা বাবুনগরীর হৃদয় অত্যন্ত প্রশস্ত।  উনি সাময়িক পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য কৌশলগত কারণে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন। উনার চিন্তার প্রখরতা অনেক গভীর৷ উনি স্বপ্ন দেখেন ইসলামি খেলাফতের৷ উনি আজীবন সংগ্রাম করে আসছেন আল্লাহর যমীনে আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠা করার জন্য। ইসলাম বিরোধী সকল অপতৎপরতা এবং তাগুতশক্তির যাবতীয় চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্রকে রুখে দিয়ে আল্লাহর দ্বীন কায়েম করে শান্তি-সম্প্রীতির অনন্য নজির স্থাপন করতে চান তিনি। বৃহৎ এ স্বার্থের জন্য তিনি অনেক ক্ষুদ্র স্বার্থ কুরবানি দিয়ে আসছেন। জেল-জুলুম, শারিরীক  নির্যাতন এবং মানসিক নিপীড়ন সহ্য করে আসছেন গত এক দশক ধরে৷ 

এই দেশের ইসলামপ্রিয় তাওহিদী জনতার আশা এবং আস্থার প্রতীক হচ্ছেন আল্লামা বাবুনগরী। ঈমানদীপ্ত তারুণ্যের আশাজাগানিয়া কাণ্ডারী এই আলেমে দ্বীন সত্য ও ন্যায়ের পথে সংগ্রাম চালিয়ে যাবেন ইনশাআল্লাহ। কখনো কোনো কারণে নিরাশ কিংবা হতাশ হওয়ার কিছু নেই। তিনি ইসলাম ও মুসলিম উম্মাহর বৃহৎ স্বার্থে এবং মাদ্রাসায় শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ভিডিওবার্তায় অংশগ্রহণ করেছেন। কারো ভুল বুঝাবুঝি যেন না হয়।  উনার ইসলামী চেতনা ও তাগুতের মোকাবেলায় দৃঢ় মনোভাব ছিল, আছে এবং থাকবে ইনশাআল্লাহ।

ভিডিওবার্তায় অংশগ্রহণ ছিল একটি সাময়িক সিদ্ধান্ত। আল্লামা বাবুনগরী উনার আদর্শ ও চেতনা থেকে সরে আসেন নি৷ 
আকাবির-আসলাফের জীবন্ত প্রতিচ্ছবি আল্লামা বাবুনগরী নিজের কার্যক্রম চালিয়ে যাবেন। জুলুম ও নির্যাতন উনার উপর অতীতেও চালানো হয়েছে, উনি দমে যান নি। বরং উনার প্রতিবাদী কণ্ঠ আরো বেগবান হয়েছে। ইনশাআল্লাহ আজীবন উনার তেজস্বী চেতনা এবং উচ্চকণ্ঠ আরও প্রসারিত হবে। বাতিলের হৃদপিণ্ড কাঁপিয়ে দেবে উনার সাহসী পদক্ষেপ। বিজাতীয় দুশমন ও স্বজাতীয় গাদ্দার মুনাফেকদের কোনো ষড়যন্ত্র আল্লামা বাবুনগরীর অভিযাত্রা রুখতে পারবে না। 


ফাজেল: দারুল উলুম হাটহাজারী মাদ্রাসা।

ডেস্ক: হেফাজতের ত্যাগী নেতৃবৃন্দ,  আল্লামা শফী ও তাঁর ছেলের বিরুদ্ধে একটি সিন্ডিকেট অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে বলে অভিযোগ করেন আল্লামা শফী। গত সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।

আল্লামা শফী বলেন, ‘হযরত রাসুলে কারিম স. শান-মান, সাহাবায়ে কিরামের আজমতসহ ইসলামের ইজ্জত-সম্মান ও প্রাধান্য সুরক্ষায় হেফাজতে ইসলামের আত্মপ্রকাশ। জাতির এক ক্রান্তিলগ্নে দেশের নাস্তিক্যবাদী অপশক্তি যখন প্রকাশ্যভাবে আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (স) এবং ইসলামের বিভিন্ন মৌলিক বিষয়াবলীর সুস্পষ্ট বিদ্রোহ ঘোষণা করে, অপমানকর বক্তব্য প্রদান করে, তখনই হেফাজতে ইসলাম এসবের বিরুদ্ধে গর্জে উঠে।’

তিনি বলেন, ‘দেশের কোটি কোটি মানুষের ঈমান-আকিদা ও ইসলামী মূল্যবোধ সুরক্ষায় রাজপথে বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দেয় এই সংগঠনের কর্মীরা। আবারও যদি কেউ আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (স), সাহাবায়ে কিরাম তথা ইসলামের বিরুদ্ধে কোন কথা বলে হেফাজতে ইসলাম পুনরায় গর্জে উঠবে।’

আল্লামা শাহ আহমদ শফী বলেন, ‘নাস্তিক্যবাদী অপশক্তি প্রকাশ্যভাবে হেফাজতে ইসলামের মোকাবিলা করতে পারবেনা। ইসলাম বিরোধী ওই অপশক্তি প্রকাশ্য মোকাবিলায় ব্যর্থ হয়ে ইদানিং পেছনের দরজায় হামলা করছে বলে মনে হয়। হেফাজতের ভেতরে ঘাপটি মেরে বসে থাকা একটি সিন্ডিকেট জ্ঞাতে-অজ্ঞাতে আজ নাস্তিক্যবাদীর খেলনায় পরিণত হয়েছে। তারা ভেতরে থেকে হেফাজতে ইসলাম, হেফাজতের ত্যাগী নেতাদের, আমার ও আমার ছেলের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘ভেতর থেকে এসব অপপ্রচার করে তারা হেফাজতে ইসলামকে দুর্বল করতে চায়, সংগঠনটির ইমেজ নষ্ট করতে চায় এবং জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা চালাতে চায়।’

বিবৃতিতে আল্লামা শফী বলেন, ‘কোন সিন্ডিকেট, অপশক্তির ষড়যন্ত্র এ দেশের ঈমান রক্ষার আন্দোলন হেফাজতে ইসলামকে ধ্বংস করতে পারবে না ইনশাআল্লাহ। বরং তারাই ধ্বংস হয়ে যাবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘হেফাজতের বিরুদ্ধে কোন দুষ্টচক্রের ষড়যন্ত্র বরদাশত করা হবে না।’

তিনি ষড়যন্ত্রকারী দুষ্টচক্র কর্তৃক হেফাজতে ইসলামের ভেতরকার কল্পিত বিরোধের অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য সকলকে আহবান জানান। পাশাপাশি ইসলামের শত্রুদের ব্যাপারে সতর্ক ও সজাগ দৃষ্টি রাখারও আহবান জানিয়েছেন বিবৃতি।


হাটহাজারী মাদরাসার স্বনামধন্য মুহাদ্দিস ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব শায়খুল হাদীস আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী সম্পর্কে মাওলানা  আনাস মাদানীর ফোনালাপ ডাহামিথ্যে ও ভূয়া। ধারাবাহিক ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই আল্লামা বাবুনগরী সম্পর্কে এমন ডাহামিথ্যে ও ভূয়া অপপ্রচার করছেন আনাস মাদানী।

আজ ২ রা জুলাই বৃহস্পতিবার সংবাদমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ হাটহাজারী শাখার সাধারণ সম্পাদক ও মেখল মাদরাসার সিনিয়র শিক্ষক মাওলানা জাকারিয়া নোমান ফয়জী।

তিনি আরো বলেন,আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী একজন বয়োবৃদ্ধ হাদীস বিশারদ হওয়া সত্বেও হেফাজতের জন্য তিনি কারানির্যাতন ভোগ করে রিমান্ডে অমানুষিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। শাপলা চত্বরে সেই ভয়াল রাতে নিজের প্রাণের ঝুঁকি নিয়েও তিনি মঞ্চে থেকে লক্ষ লক্ষ  তৌহিদি জনতাকে বুকে আগলে রেখেছেন। নিজের প্রাণ বাচানোর চিন্তা তিনি সেদিন করেননি। আর আজ এতোদিন পর আল্লামা বাবুনগরী শাপলা চত্বরে মানুষকে মার খাইয়িছেন বলে নির্জলা মিথ্যাচার করছেন আনাস মাদানী।

মাওলানা জাকারিয়া নোমান ফয়জী বলেন,মাওলানা আনাস মাদানীর এমন মিথ্যাচারে পুরো জাতি আজ মর্মাহত। তার এই মিথ্যাচার জাতি ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে। আমি এই মিথ্যাচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। আশা করি,মাওলানা আনাস মাদানী তার এই মিথ্যাচারের জন্য ভুল স্বীকার করে জাতির কাছে মুক্তি চাইবে।

আনাস মাদানীর ফোনালাপে জামাতের সাথে আল্লামা বাবুনগরীর সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে জাকারিয়া নোমান ফয়জী বলেন, জামাতের সাথে হেফাজত মহাসচিব আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীর নুন্যতম সম্পর্ক বা সংশ্লিষ্টতা নেই। বাবুনগরী সাহেব সব সময় তার লেখনী ও বয়ান বক্তৃতার মধ্যে জামাতের ভ্রান্ত আকিদা সম্পর্কে জাতীকে সচেতন করে আসছেন।এমনকি হাটহাজারী মাদরাসার বার্ষিক মাহফিলে আল্লামা বাবুনগরীর আলোচ্য বিষয়ও ছিলো জামাতের ভ্রান্ত আকিদার অপনোদন। যেই আল্লামা বাবুনগরী পুরোটা জীবন জামাতের ভ্রান্ত মতাদর্শের বিরুদ্ধে জাতিকে সচেতন করে আসছেন তার ব্যাপারে জামাত সংশ্লিষ্টতার মিথ্যা অভিযোগ শুধু ভিত্তিহীনই নয় বরং রীতিমতো হাস্যকর। অর্বাচীন বালকের মতো এসব মিথ্যাচার করে মাওলানা আনাস মাদানী নিজের পায়েই কুড়াল মারছেন।
তিনি আরো বলেন, জামাতে সাথে আল্লামা বাবুনগরীর কোন সংশ্লিষ্টতা নেই মর্মে গত রমজানে হেফাজতের একজন দায়িত্বশীল হিসেবে আমি বাবুনগরীর পক্ষ থেকে ৫০ লক্ষ টাকার চ্যালেঞ্জ করেছিলাম।কিন্তু আজকের দিন পর্যন্ত কেহই জামাতের সাথে বাবুনগরীর সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ দিয়ে আমার চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে পারেনি।

মাওলানা জাকারিয়া নোমান ফয়জী বলেন,আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী সম্পর্কে মাওলানা আনাস মাদানীর এই মিথ্যাচার গভীর ষড়যন্ত্র বলে আমি মনে করি। ২০১৩ সালের হেফাজতের অবরোধের সময় কারা সরকারী ও বিরোধী দলের সাথে আঁতাত করে নবীপ্রেমিকদের এই ঈমানি আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত তা সকলের জানা। তারাই আজ কওমী মাদরাসার ইতিহাস ঐতিহ্য,  অবদানকে ধূলিসাৎ করে দিচ্ছে। তারাই আজ সরকারের পদলেহনে ব্যস্ত। 

গুটি কয়েক চিহ্নিত ষড়যন্ত্রকারী আল্লামা বাবুনগরীর ক্লিন ইমেজকে নষ্ট করতে উঠেপড়ে লেগেছে। তাই দেশবিদেশের হেফাজতের নেতৃবৃন্দ ও শুভাকাঙ্খীরা ষড়যন্ত্রকারীদের মিথ্যাচার, অপপ্রচার থেকে বিরত থাকার আহবান রইলো।

বার্তা প্রেরক

মাওলানা ইমরান শিকদার, প্রচার সম্পাদক হেফাজতে ইসলাম হাটহাজারী উপজেলা

পাঠ্যপুস্তক থেকে অবিলম্বে ...
বিশেষ প্রতিবেদক: রাজধানীর বুড়িগঙ্গা নদীতে লঞ্চডুবির ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন হাটহাজারী মাদরাসার স্বনামধন্য মুহাদ্দিস ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব, শায়খুল হাদীস আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী।

১ লা জুলাই বুধবার সংবাদ মাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে এ ঘটনায় নিহতদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে স্থানীয় জেলা প্রশাসনও জনপ্রতিনিধিদের 
দুর্ঘটনার শিকার ব্যক্তিদের সহায়তায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান আল্লামা বাবুনগরী । নিহতদের পরিবারের খোঁজখবর নেওয়া সহ সাধ্যমতো ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে এগিয়ে আসতে হেফাজত নেতাকর্মীদের প্রতি বিশেষ আহবান জানান তিনি।

বিবৃতিতে আল্লামা বাবুনগরী বলেন, বুড়িগঙ্গা নদীতে লঞ্চডুবির মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় ৩৩ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। শরীয়তের পরিভাষায় নিহত মুসলমানরা শাহাদাতের মর্যাদা পাবে। আমি নিহতদের মাগফিরাত কামনা করছি ও তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি।

সরকারের পক্ষ থেকে নিহতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ এবং আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার দাবী জানান হেফাজত মহাসচিব। 

একটি দেশের উন্নতি নির্ভর করে ওই দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতির ওপর এমনটা দাবি করে হেফাজত মহাসচিব বলেন,নৌ পরিবহনের চালক ও দায়িত্বশীলদের অবহেলায় কিছুদিন পর পর লঞ্চডুবি ও নৌকাডুবির দুর্ঘটনা ঘটে। এর  ফলে দেশের নৌপথ যাতায়াত ব্যবস্থা জনগণের আস্থা হারাচ্ছে। 

সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে লঞ্চডুবির ঘটনায়
প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে নৌ মন্ত্রণালয় সহ সংশ্লিষ্ট সকলকে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করার দাবী জানান হেফাজত মহাসচিব আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী ।

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget