August 2020

স্টাফ রিপোর্টার: কিছু অসাধু ব্যাবসায়ীর কারণে বাজার স্বাভাবিক থাকলেও  সবজির বাজারে মূল্য বৃদ্ধিতে হতাশ অনেক ক্রেতা। বাজারে অস্বাভাবিক দরপতন; মনিটরিংয়ে মাঠে নেই ভোক্তা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।

বিভিন্ন বাজারের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিভিন্ন এলাকায় বেশি সময় ধরে বন্যার কারণে সারাদেশে সবজির উৎপাদন নষ্ট হয়েছে। যার প্রভাবে বাজারে কিছু পণ্যের দাম বেড়েছে। রংপুরের বিভিন্ন বাজারে বিক্রি হওয়া আলু, পটল, বেগুন, বরবটি, ঢেঁড়স, ঝিঙা, করলা, কাচাকলা, লাউ, পেঁপেসহ প্রায় সব ধরনের সবজির মূল্য বেড়েছে। তবে চলতি সপ্তাহে মরিচের দাম কমেছে। 

নগরীর সিটি বাজার, ষ্টেশন, কামারপাড়া, সাতমাথা, মাহিগন্জ, মিস্ত্রীপাড়া, কামালকাছনা ও শাপলাসহ বিভিন্ন বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে মান ও বাজারভেদে বেগুন কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা, বরবটি কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা, ঝিঙ্গা ৪৫ টাকা, পেঁপে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, পটল ৪০ টাকা, করলা ৬০ টাকা, কচুর মুখী ৫০ টাকা, কাকরোল ৪৫ টাকা থেকে ৫০ টাকা, ঢেড়স ৫০ টাকা, দুধকুষি ৮০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। আলুর কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা।

গত সপ্তাহে কাঁচামরিচের কেজি ২০০ টাকা বিক্রি হলেও চলতি সপ্তাহে ১৪০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। সবজির মূল্য বৃদ্ধিতে অনেক ক্রেতা কেনাকাটার পরিমান কমিয়ে দিয়েছে। নুতন করে চলতি সপ্তাহে বিভন্ন প্রকার শাকের আটির মূল্য বেড়েছে। যেখানে কয়েক সপ্তাহ শাকের ২টি আটি ১৫ টাকা করে পাওয়া যেত সেখানে চলতি সপ্তাহে প্রতি আটি ১৫ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। দাম বৃদ্ধির জন্য বর্ষাকেই দুষছেন ব্যবসায়ীরা। বাজার করতে আসা কয়েকজন ক্রেতা জানান আসলে সবকিছুই কন্ট্রোলের বাইরে রয়েছে। করোনার সময় হাতের অবস্থাও ভালো নয়। এর সাথে পাল্লা দিয়ে দাম বাড়ছে। আমরা সাধারণ জনগনের নাভিশ্বাস উঠার উপক্রম।

অনলাইন ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিগত বিএনপি সরকার ‘দুর্নীতির বিষবৃক্ষ রোপণ’ করে গেছে এবং বাংলাদেশ এখন তার ফল ভোগ করছে।


তিনি বলেন, ‘বিএনপির কাছে ক্ষমতা হলো দুর্নীতির মাধ্যমে টাকা কামানোর উপায় এবং দেশ এখন তাদের পাঁচ বছরের দু:শাসন কালে রোপন করা বিষবৃক্ষের মূল্য দিচ্ছে।’


ভার্চুয়াল আলোচনায় সভাপতিত্বকালে প্রধানমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, তার সরকার একের পর এক দুর্নীতি এবং এর সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতার করছে।


২০০৪ সালে আওয়ামী লীগের সমাবেশে বর্বর গ্রেনেড হামলার ঘটনায় জড়িত থাকার জন্য বিএনপি জামায়াত জোটকে অভিযুক্ত করে তিনি বলেন, হত্যাকান্ড বিএনপির অভ্যাস।

তিনি বলেন, ‘(সত্যিকারেই) হত্যাকান্ড বিএনপি’র অভ্যাস, তারা দেশের স্বাধীনতা এবং স্বাধীনতা যুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস করে না।’


২০০৪ সালের ২১ আগস্ট রাজধানীতে একটি সন্ত্রাস বিরোধী শান্তি সমাবেশে ভয়াবহ বোমা হামলার ১৬ তম বার্ষিকী পালন উপলক্ষে আজ সকালে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ভার্চুয়াল আলোচনা সভার আয়োজন করে।


প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আলোচনায় অংশ নেন।


আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক যোগাযোগ ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের আলোচনা সভায় সূচনা বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন দলের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ।


দলের অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতারা দলীয় কার্যালয়ে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন।


অনুষ্ঠানের শুরুতে ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা এবং ১৫ আগস্টের হত্যাযজ্ঞে শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।


২১ আগস্টের হামলায় আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক এবং মরহুম রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের সহধর্মিনীসহ ২৪ জন প্রাণ হারিয়েছেন এবং ৫০০ বেশি লোক আহত হয়েছেন। আহতদের অনেকেই সারাজীবনের জন্য পঙ্গু হয়ে গেছেন।


সর্বশক্তিমান আল্লাহতায়ালার অশেষ রহমতে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের প্রথম সারির অন্যান্য নেতারা কোনরকমে প্রাণে রক্ষা পান।


সূত্র : বাসস

অনলাইন ডেস্ক: করোনা সংকটে গণপরিবহনে ৬০ শতাংশ বর্ধিত বাসভাড়া প্রত্যাহার করে আগের ভাড়া বহাল রাখার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রীকল্যাণ সমিতি।


মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনের মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী এ দাবি জানান।


বিবৃতিতে বলা হয়, করোনা সংকট রয়ে গেলেও দেশে এখন কোনো গণপরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না। যেসব শর্ত অনুসরণ করে বর্ধিত ভাড়া আদায়ের কথা বলা হয়েছিল, তার কোনোটাই মানা হচ্ছে না বাসগুলোতে। সেই পুরনো কায়দায় গাদাগাদি করে যাত্রী বহন করা হচ্ছে। আবার এই করোনাকালে ক্ষতি পুষিয়ে নেয়ার জন্য সরকারের বর্ধিত ৬০ শতাংশ ভাড়ার চেয়েও অধিকাংশ রুটে বেশি ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। এতে করোনা সংকটে কর্মহীন ও আয় কমে যাওয়া দেশের সাধারণ মানুষের যাতায়াত দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে।


বিবৃতিতে বলা হয়, সরকার যাত্রী প্রতিনিধি বাদ দিয়ে মালিকদের নিয়ে বৈঠক করে এই সংকটে জনগণের ওপর একচেটিয়াভাবে বাসের ভাড়া ৬০ শতাংশ বাড়িয়ে দেয়। এ ঘোষণার পর পরই দেশব্যাপী চলাচলরত বাস-মিনিবাসের সঙ্গে লেগুনা, হিউম্যান হলার, টেম্পো, অটোরিকশা, প্যাডেলচালিত রিকশা, ইজিবাইক, নসিমন-করিমন, টেক্সিক্যাবসহ সব যানবাহনের ভাড়া প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যায়। এতে যাত্রীস্বার্থ চরমভাবে উপেক্ষিত হয়।


বিবৃতিতে অনতিবিলম্বে স্বাস্থ্যবিধির নামে গণপরিবহনের বর্ধিত ভাড়া প্রত্যাহার করে দেশের প্রতিটি রুটে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানানো হয়। 

হাটহাজারী মাদরাসা (ফাইল ছবি)

নিজস্ব প্রতিবেদক: ১৩ আগস্ট বৃহস্পতিবার থেকে ভর্তি শুরু করছে চট্টগ্রাম দারুল উলুম হাটহাজারী মাদরাসা।


আজ মঙ্গলবার দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদরাসার মুহতামিম, পীরে কামেল আল্লামা শাহ আহমদ শফী হাফি. স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।


বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এতদ্বারা সকল ছাত্রদের অবগতির জন্য জানানাে যাচ্ছে, আগামী ২২ জিলহজ ১৪৪১ হি. মােতাবেক ১৩ আগস্ট ২০২০ রােজ বৃহস্পতিবার হইতে অত্র জামিয়ার সকল বিভাগের ভর্তি কার্যক্রম আরম্ভ হয়ে ২৩ আগস্ট ২০২০ পর্যন্ত চলবে ইনশাআল্লাহ।


উল্লেখ্য, ১৩ আগস্ট হতে সকল ছাত্রদেরকে জামিয়ার ছাত্রাবাসে সিট প্রদান করা হবে। বিঃদ্রঃ অনলাইনে আবেদনকারী ছাত্ররাও উক্ত তারিখের মধ্যেই স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে ভর্তি সংক্রান্ত অবশিষ্ট কার্যাদি সম্পন্ন করার জন্য অনুরােধ রইল।

জয়নাল আবেদীন: নীলফামারীর ডোমারে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের উদ্যোগে নদী ভাঙ্গন ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

বুধবার (৫আগষ্ট) বিকালে উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের ধনীপাড়া গ্রামে এ বিতরণ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর জমিয়তের সভাপতি মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী। এ সময় হরিণচড়া ইউনিয়নের নদী ভাঙ্গন ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ ১০টি পরিবারের মাঝে ৩ হাজার ৫শ টাকা করে মোট ৩৫ হাজার টাকা এবং ১৮ টি পরিবারের মাঝে ২ হাজার টাকা করে মোট ৩৬ হাজার টাকাসহ ১টি মসজিদে ১৪ হাজার টাকা বিতরণ করেন তিনি।

এ সময় রংপুর জেলা জমিয়তের সাধারণ সম্পাদক বিশিষ্ট ওয়ায়েজ মাও. মাহামুদুর রহমান, সংগঠক মুফতি আলহাজ্ব মাহমুদ বিন আলম, গোলাম আরশাদ, মাষ্টার তাজুল ইসলাম, যুব জমিয়ত ডোমার উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন। সার্বিক ব্যবস্থাপনায় জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্ন মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর জমিয়তের সভাপতি মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী ও তার ছোট ভাই আমেরিকা প্রবাসী ইঞ্জিনিয়ার জাহিদুল ইসলাম মুন।

এ ছাড়াও গত ঈদুল আযহার দিনে স্থানীয় ৩ শতাধীক গরীব ও দুস্থদের মাঝে কোরবানীর গোস্ত বিতরণের ব্যবস্থা করেন এবং ১৩টি ইউনিয়নে ১৩টি খাসি দলীয় কর্মীদের মাধ্যমে কোরবানী করিয়ে অসহায় মানুষের মাঝে বিতরণ করা হয়।

উল্লেখ্য, মহামারী করোনার কারনে দোকান পাট বন্ধ হয়ে মানুষ যখন কর্মহীন হয়ে পড়েছে সে সময় ডোমার-ডিমলা এলাকায় ৫ দফায় প্রায় ৩ হাজার পরিবারের মাঝে চাল, ডাল, তেল, চিনি , আটা ও লবনসহ অন্যান্য খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন বলে দলের মহাসচিব জানান।

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget