September 2020

প্রবচন ডেস্ক: ‘আল্লামা আহমদ শফী রহ. নাস্তিক-মুরতাদ ও কাদিয়ানী বিরোধী আন্দোলনে সিপাহসালারের ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি ছিলেন বিপ্লবী চেতনার নায়ক। নাস্তিক্যবাদ গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে হেফাজতের আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে দেশকে খোদাদ্রোহী হিন্দুত্ববাদী ষড়যন্ত্র থেকে রক্ষা করেছেন। ইতিহাসে তিনি বিপ্লবী চেতনা সৃষ্টি করে গেছেন।’

আজ ২৬ (সেপ্টেম্বর) বিকাল ৩টায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম চত্বরে ‘আল্লামা শাহ আহমদ শফী রহ. এর জীবনী আলোচনা ও দোয়া মাহফিল’ এ স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বক্তারা এসব কথা বলেন।

সভায় বক্তরা বলেন, তালীম-তারবিয়াত এর সাথে মানুষের ইহকালীন জীবন যাতে শিরক বিদআত ও কুসংস্কার মুক্ত হয় তার জন্য আজীবন চেষ্টা চালিয়ে গেছেন তিনি। ওয়াজ নসিহতের মাধ্যমে সাধারণ ধর্মপ্রাণ জনসাধারণকে অন্যায়-অনাচার, সন্ত্রাস ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার শিক্ষা দিয়েছেন। আল্লামা শাহ আহমদ শফি রহ. এর মত একজন মহান ব্যক্তির ইন্তেকালে জাতি একজন নিবেদিতপ্রাণ অভিভাবক হারাল।

আন্তর্জাতিক মজলিসে তাহাফফুজে খতমে নবুওয়াত বাংলাদেশ এর উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা হাফেজ মোঃ নুরুল ইসলাম।

সভাপতির ভাষণে মাওলানা নুরুল ইসলাম বলেন আল্লামা শাহ আহমদ শফীর জীবনের শেষ ইচ্ছা ছিল, ভন্ড নবী ভন্ড নবী ইসলাম মির্জা গোলাম কাদীয়ানির অনুসারীদেরকে রাষ্ট্রীয়ভাবে অমুসলিম ঘোষণা করা। তিনি প্রধানমন্ত্রীকে বারবার এই বিষয়ে অনুরোধ করেছেন।

মাওলানা নূরুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি, অবিলম্বে কাদিয়ানীদেরকে রাষ্ট্রীয়ভাবে অমুসলিম ঘোষণা করা হোক। অন্যথায় দেশের সর্বস্তরের ওলামায়ে কেরাম ও তৌহিদি জনতাকে সাথে নিয়ে কাদিয়ানীদের অমুসলিম ঘোষণার দাবি আদায়ে সরকারকে বাধ্য করা হবে।

দোয়া মাহফিলে আরও বক্তব্য রাখেন মাওলানা আবুল কালাম, মাওলানা মাহফুজুল হক, মাওলানা জুনাইদ আল হাবিব, এডভোকেট মিসবাহুর রহমান চৌধুরি, মাওলানা মহিউদ্দীন রব্বানী, মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী, মাওলানা মামুনুল হক, মাওলানা জহুরুল ইসলাম, মাওলানা খোরশেদ আলম কাসেমী, মুফতি সাখাওয়াত হুসাইন রাজী, মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম সুবহানি, মাওলানা মুসা বিন ইজহার, মাওলানা মোঃ ইউনুছ ঢালী, মাওলানা আশেক উল্লাহ, মাওলানা রাশেদ বিন নূর, মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী প্রমূখ।


প্রবচন ডেস্ক: সিলেটের এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে এক গৃহবধূকে গণধর্ষণের ঘটনা স্থানীয় কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করেছিলেন বলে অভিযোগ ওঠেছে।

একটি সূত্র জানায়, এই ধর্ষণের ঘটনা ধাপাচাপা দেয়ার চেষ্টা করেন স্থানীয় কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতা । তারা আপস মীমাংসারও চেষ্টা চালান। প্রথমদিকে পুলিশও বিষয়টি গণমাধ্যমের কাছে এড়িয়ে যায়। পরে গণমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে বিষয়টি জানাজানি হয়ে যাওয়ায় ধাপাচাপা দেয়ার চেষ্টা বিফলে যায়। তবে, দীর্ঘ সময়ক্ষেপণের কারণে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয় অভিযুক্তরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেলে স্ত্রীকে নিয়ে প্রাইভেটকারে করে এমসি কলেজে বেড়াতে যান দক্ষিণ সুরমা এলাকার এক যুবক। বিকেলে এমসি কলেজের ছাত্রলীগের ছয়জন নেতা তাদের ধরে ছাত্রাবাসে নিয়ে আসেন। এই ছাত্রনেতাদের প্রত্যেকেই ছাত্রাবাসে থাকেন। ছাত্রাবাসে এনে ওই দম্পত্তিকে প্রথমে মারধর করেন তারা। পরে ওই স্ত্রীকে গণধর্ষণ করেন।

সন্ধ্যার পর এই খবর পেয়ে টিলাগড় এলাকার একাধিক আওয়ামী লীগ নেতা ও কয়েকজন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। প্রথমে তারা বিষয়টি ধাপাচাপা দেয়ার চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যাওয়ার পর তারা বিষয়টি আপসের চেষ্টা চালান। এসময় ধর্ষণের শিকার নারী ও তার স্বামীকে আপস মীমাংসার জন্য চাপ দেয়া হয় বলেও জানা গেছে।

তবে ধর্ষণের খবর পেয়ে গণমাধ্যমকর্মীরা ঘটনাস্থলে হাজির হওয়ায় ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যায়। এসময় আওয়ামী লীগ নেতারাও ঘটনাস্থল থেকে সরে পড়েন। তবে আপসের চেষ্টায় অনেক সময় ক্ষেপণের সুযোগে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয় অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতারা।

আপস মীমাংসার চেষ্টার অভিযোগ অস্বীকার করে সিলেট মহানগরের শাহপরাণ থানার ওসি কাইয়ুম চৌধুরী জানান, এক দম্পতিকে আটকে রাখা হয়েছে খবর পেয়েই আমরা এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে যাই। এরপর সেখান থেকে তাদের উদ্ধার করি। পরে ধর্ষণের শিকার হওয়া নারীকে ওসমানী হাসপাতালের ওসিসি সেন্টারে ভর্তি করা হয়। এঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে।

ওসি বলেন, আমরা রাতে অভিযান চালালেও কাউকে গ্রেফতার করতে পারিনি। তবে ভোর ৩টার দিকে এমসি কলেজের হোস্টেলে অভিযান চালিয়ে সাইফুর রহমানের কক্ষ থেকে একটি পাইপগান, চারটি রামদা, একটি চাকু ও দুটি লোহার পাইপসহ বিভিন্ন জিনিস জব্দ করি। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলা দায়ের করা হবে।


প্রবচন ডেস্ক: বাংলাদেশের অবিস্মরণীয় প্রভাবশালী আলেম ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমীর আল্লামা শাহ্ আহমদ শফী রহ. এর জীবনের শেষ দুইদিনের ঘটনাবলী ও হাটহাজারী মাদরাসায় ছাত্রদের আন্দোলন নিয়ে ‘বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি’ করে ৮ দফা প্রস্তাবনা আকারে ঘোষণাপত্র প্রকাশ করেছেন দেশের শীর্ষ একাধিক আলেম ও আল্লামা শফী রহ. এর খলিফাবৃন্দরা।

আজ ২৫ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার)  বিকাল ০৩ টায় বাংলাদেশ কওমি মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত সদ্যপ্রয়াত হেফাজত আমির আল্লামা আহমদ শফীর জীবন ও কর্ম শীর্ষক আলোচনা ও দোয়া মাহফিলে এই ঘোষণাপত্র পাঠ করা হয়।

ঘোষণাপত্রে বিচারবিভাগীয় তদন্ত ও আল্লামা শফী রহ. শেষ জীবনে মৃত্যুকালে কিছু ছাত্রদের হাতে নিজ কক্ষ ভাংচুর হতে দেখা, জীবন দিয়ে যে মাদ্রাসা গড়েছেন সেখান থেকে তাকে পদত্যাগের ঘোষণা দিতে বাধ্য করাসহ আরও বেশ কিছু বিষয়ের প্রতিবাদ করা হয়েছে।


গণমাধ্যমে প্রেরিত ৮ দফা ঘোষণাপত্র নিম্নরুপ :

সর্বজন শ্রদ্ধেয় আলেম হাটহাজারী মাদ্রাসার মহাপরিচালক ও হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফীর ভক্ত ও খলিফাদের পক্ষ থেকে ঘোষিত প্রস্তাবনা।

১. আল্লামা শাহ আহমদ শফী বাংলাদেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিশ্বজুড়েই সমাদৃত ছিলেন। কিন্তু তার সঙ্গে শেষ সময়ে যে আচরণ করা হয়েছে তা ছিল অত্যন্ত দুঃখজনক। সারা জীবনের তালিম দেয়ার পরিণতিতে মৃত্যুকালে তিনি কিছু ছাত্রদের হাতে কক্ষ ভাংচুর দেখে গেলেন। জীবন দিয়ে যে মাদ্রাসা গড়েছেন সেখান থেকে তাকে পদত্যাগের ঘোষণা দিতে বাধ্য করা হয়েছে। আমরা এ পুরো বিষয়টির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

২. জীবনের শেষ দুই দিন আল্লামা আহমদ শফী কোন অবস্থার মধ্যদিয়ে অতিবাহিত করেছেন, সেটি এখন বিভিন্নভাবে আমরা প্রকাশ হতে দেখছি। অত্যন্ত লজ্জার কথা, হাটহাজারী মাদ্রাসার মতো স্থানে শাইখুল ইসলাম আল্লামা আহমদ শফীর কক্ষে ভাঙচুর চালানো হয়েছে। যেহেতু আল্লামা শফীর রুমসহ হাটহাজারী মাদ্রাসার বিভিন্ন শিক্ষকদের রুমে তাণ্ডবের বিষয়টি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ হয়েছে, তাই আমরা পুরো বিষয়টির বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করছি।

৩. পারিবারিক ও বিভিন্ন সূত্রে আল্লামা আহমদ শফীর মৃত্যুর বিষয় নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন রয়েছে। আমরা বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে পেরেছি যে, হযরতের কক্ষে ভাঙচুরের সময় তাকেও শারীরিকভাবে হেনস্তা করা হয়েছে এবং এর মধ্যে বিভিন্ন সময় তিনি অক্সিজেন নিতে পারেন নি। এর সঙ্গে কারা জড়িত তাদের অবিলম্বে খুঁজে বের করে প্রতিটি অপরাধীকে আইনের আওতায় এনে উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। কারণ হযরতের পরিবার ও ভক্তরা মনে করেন, যে পরিস্থিতে হযরতের ইন্তেকাল হয়েছে এটি স্বাভাবিক ছিলো না।

মেডিসিন নিতে না দেয়া, অক্সিজেন খুলে ফেলা , হাসপাতাল নিতে বাধা প্রদান, মাদ্রাসার গেইটে দুই ঘন্টা এম্বুলেন্স আটকে রাখা- এসব বিষয় সে বিষয়টিই প্রমাণ করে।

৪. আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই, অভ্যন্তরীণ সমস্যার কারণে কোনো প্রতিষ্ঠানের ছাত্র বা শিক্ষকরা প্রতিবাদ করতে পারেন। কিন্তু হাটহাজারী মাদ্রাসার সাম্প্রতিক ছাত্র বিক্ষোভে আমরা গভীরভাবে লক্ষ্য করেছি, সেখানে অভ্যন্তরীণ বিষয়ের পাশাপাশি অন্যান্য বিষয়েও দাবি তোলা হয়েছে। তাই এটির সঙ্গে বহিরাগত কোনো উস্কানি বা পরিকল্পনা ছিল কি না, তা তদন্তের দাবি রাখে।

৫. উদ্বেগের বিষয় হলো- একটি মহল থেকে হাটহাজারীতে কোনো ভাঙচুর হয়নি বলে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, এছাড়া বিভিন্নভাবে ভাঙচুরের আলামত বিনষ্ট করা হয়েছে। তাই সরকারিভাবে তদন্ত কমিটি করার আগে আলেমদের উদ্যোগে নিজস্বভাবে তা তদন্ত ও অপরাধীদের শনাক্ত করতে হবে। অন্যথায় ইতিহাস আমাদের ক্ষমা করবে না।

৬. আল্লামা শফীর পরিবার, খাদেম ও ভক্তদের এখনই পূর্ণ নিরাপত্তা ও সুরক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে। আমরা জানতে পেরেছি, তাদের ওপর বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করে সত্য প্রকাশ থেকে বিরত থাকতে তাদের হুমকির অভিযোগ উঠেছে।

৭. আমরা খুবই উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি যে, হাটহাজারী মাদ্রাসার এ ঘটনার পর কিছু মানুষ সারাদেশে একটি উত্তেজনা ছড়িয়ে দেয়ার অপচেষ্টা করছেন। ‘হাটহাজারী স্টাইলে সারাদেশের মাদ্রাসাগুলোতে তারা বিপ্লবের আহ্বানও জানিয়েছেন। এ ছাড়া দেশবরেণ্য আলেমদের ব্যাপারে সরাসরি বক্তৃতাসহ সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্নভাবে উস্কানি দেয়া হচ্ছে। এ ধরণের হিংসাত্মক মনোভাব জাতির জন্য ক্ষতিকর। তাই এগুলো পরিহার করে আমরা সবাইকে ইসলামের শাশ্বত উদারতা ও শান্তির পথে আহ্বান জানাই।

৮. আজকের এ সভা খুব শিগগিরই আল হাইয়াতুল উলয়ার উদ্যোগে আল্লামা আহমদ শফীর জীবন ও কর্ম শীর্ষক আন্তর্জাতিক একটি সম্মেলনের আহ্বান জানাচ্ছে। এ ছাড়া বাংলা, আরবি ও ইংরেজিতে হযরতের জীবনী ও স্মারকগ্রন্থ প্রকাশের অনুরোধ করছে।


অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন – মুফতি মুহাম্মদ ওয়াক্কাস, মুফতি নুরুল আমিন, মাওলানা ইয়াহইয়া মাহমুদ, মাওলানা ওয়াহিদুজ্জামান, মাওলানা গোলাম মহিউদ্দিন ইকরাম,  মাওলানা মুখলেছুর রহমান কাসেমী, মাওলানা মাসউদুর রহমান বিক্রমপুরী, মাওলানা রেজাউল করিম, মাওলানা আতাউর রহমান আতিকী প্রমূখ।


wj‡L‡Qb: gvIjvbv Avkivd Avjx wbRvgcyix

(kvBLyj Bmjvg Avjøvgv kvn Avng` kdx in. Ggb GKwU BwZnvm, hv evievi Av‡m bv| K‡qKhyM wgwj‡q GKeviB Av‡m| Avgiv Zvu‡K Rvb‡Z PvB, eyS‡Z PvB Ges Zvui Rxeb †_‡K wKQz mÂq K‡i wb‡RivI Av‡jvwKZ n‡Z PvB| Avgv‡`i‡K †mB gnvmy‡hvMwUB K‡i w`‡q‡Qb `viæj Djyg nvUnvRvixi wmwbqi D¯Ív`, †jLK I M‡elK gvIjvbv Avkivd Avjx wbRvgcyix nvwd.| Ñm¤úv`K)

 

Rb¥ I †e‡o IVv

Avjøvgv kvn Avng` kdx| 1930 wLÖ÷vã †gvZv‡eK 1351 wnRix‡Z evi AvDwjqvi c~Y¨f‚wg L¨vZ PÆMÖvg †Rjvi iv½ywbqv _vbvaxb cvwLqvi wUjv bvgK MÖv‡g wcZv eiKZ Avjx I gvZv †gvQv¤§vr †g‡niæ‡bœQv †eM‡gi Ji‡m GK m¤£všÍ `xb`vi cwiev‡i GB gnvgbxlx Rb¥MÖnY K‡ib|

wcZv-gvZvi ¯^cœ wQj Av`y‡i mšÍvb‡K D¤§‡Z gynv¤§v`xi aviK-evnK wn‡m‡e M‡o Zzj‡eb| gnvb Avjøvn ZvAvjv wcZv-gvZv‡K wbivk K‡ibwb| Keyj K‡i‡Qb D¤§vni hyM‡kÖô ivnevi wn‡m‡e| nhi‡Zi wcZv wkï Avng` kdx‡K cÖv_wgKfv‡e KziAvb wk¶vi Rb¨ †gŠjfx AvwRRyi ingvb in. Gi Kv‡Q †cÖiY K‡ib| mv‡_ mv‡_ wkï Avng` kdx PZz_© †kÖYx ch©šÍ mvaviY wk¶vI jvf K‡ib| Zvici midfvUv gv`ivmvq cÖv_wgK wKZve cv‡V g‡bvwb‡ek K‡ib|

Avjøvgv kvn Avng` kdx †QvU‡ejv †_‡KB AZ¨šÍ b¤ª-f`ª, webqx, wPšÍvkxj, cÖLi †gav I Zxÿè eyw×i AwaKvix wQ‡jb| Lye Aí mg‡qi e¨eav‡b cweÎ KziAv‡bi weï× wZjvIqvZ I cÖv_wgK wk¶vq K…wZZ¡ AR©b K‡ib| Zvici cÖwZfvevb GB wK‡kvi Ávb Avni‡Yi A`g¨ ¯ú„nv wb‡q Qz‡U hvb PÆMÖv‡gi HwZn¨evnx wRwi gv`ivmvq| †mLv‡b 5/6 gvm Aa¨qb K‡ib| Gici e„wUk I Rvg©vwbi hy× `vgvgv †e‡R IVvq wZwb 1361 wnRix‡Z Rbve nv‡dR BgwZqvR mv‡n‡ei cÖ‡Póvq fwZ© nb Gwkqv gnv‡`‡ki wØZxq e„nËg `xwb cÖwZôvb `viæj Djyg gyCbyj Bmjvg nvUnvRvix gv`ivmvq| ZLb nhi‡Zi eqm gvÎ 10 eQi|

wZwb `viæj Djyg nvUnvRvix‡Z cig AvZ¥Z¨vM I †Lv`vcÖ`Ë †gav, m`vPvi I †jLvcovq GKvMÖZv cÖf…wZ ¸Yvejxi gva¨‡g GKvav‡i 10 eQi AwZµg K‡ib| mv‡_ mv‡_ hyM‡kÖô AvmvwZhv‡q †Kiv‡gi fvjevmv Ges cÖZ¨¶ ZË¡veav‡b AZ¨šÍ K…wZ‡Z¡i mv‡_ D`©©y, dvwm©, Aviwe mvwnZ¨, Bj‡g bvû, Bj‡g mid, Bj‡g wdKn, gvbwZK (hyw³we`¨v), dvjmvdv (`k©bwe`¨v) I evjvMjvZ (Aj¼viwe`¨v) BZ¨vw` wel‡q ey¨rcwË AR©b K‡ib|

Avjøvgv Avng` kdxi evj¨wkÿv, cÖv_wgK I D”PZi wk¶vi ¯Íi¸‡jv wQj LyeB Awfbe I PvÂj¨Ki NUbvq ficyi|

†`Ie‡›` Avjøvgv Avng` kdx

nvUnvRvix gv`ivmvq wgkKvZ, RvjvjvBb I Kvwh †gveviK BZ¨vw` wKZve †kl K‡ib| Gici mKj cÖwZK‚jZv I cÖwZeÜKZvi cvnvo wWwO‡q mZ¨ b¨v‡qi Drm mÜv‡b e¨vKzj n‡q I‡Vb wZwb| d‡j Bj‡g nvw`m I Bj‡g Zvdwm‡ii D”PZi wk¶v jv‡fi A`g¨ AvMÖn wb‡q 1371 wnRix‡Z Qz‡U hvb Gwkqv gnv‡`‡ki †kÖôZg `xwb wk¶v‡K›`ª fvi‡Zi `viæj Djyg †`Ie‡›`| †mLv‡b wZwb `vIiv‡q nvw`m (gv÷vm©) Ges D”PZi Zvdwmikv‡¯¿i Dci cvwÐZ¨ AR©b K‡ib|

†`Ie‡›` _vKve¯’vq wZwb eû eyRy‡M©i mvwbœ‡a¨ wb‡Ri Cgvb-Avg‡ji Dci †gnby K‡ib| Zvu‡`i g‡a¨ D‡jøL‡hvM¨Ñ kvqLyj Avie Iqvj Avhg AvIjv‡` ivmyj mv., hyM‡kÖô I wek¦e‡iY¨ gynvwÏm, Ávb I †Lv`vfxwZ‡Z myD”P gh©v`vi AwaKvix, e„wUk‡L`vI Av‡›`vj‡bi AKz‡Zvfq wmcvnmvjvi gvIjvbv ûmvBb Avng` gv`vbx in.| Avjøvgv kvn Avng` kdx †`Ie‡›` Aa¨qbiZ Ae¯’v‡ZB Zvui evBAvZ MÖnY I Pvi ZwiKvi Dci †LjvdZcÖvß nIqvi †mŠfvM¨ jvf K‡ib| wZwb `viæj Djyg †`Ie‡›` gvIjvbv Beivnxg ewjqvex in., gvIjvbv dLiæj nvmvb in., kvBLyj Av`e gvIjvbv GRvh Avjx in., gvIjvbv †gveviK in., gvIjvbv Rwniæj nvmvb in. I gvIjvbv Rwjj Avng` in. cÖgyL wek¦e‡iY¨ Djvgv‡q †Kiv‡gi KvQ †_‡K ÁvbvR©b K‡ib|

Bjg-Avgj I Ava¨vwZ¥KZvq ab¨ GB gbxlx GKvav‡i 4 eQi Aa¨qb I hyM‡kÖô Av‡jg‡`i mvwbœ‡a¨ †_‡K KziAvb-nvw`m, Zvdwmi I wdKvnkv¯¿mn ¸iæZ¡c‚Y© wel‡q ey¨rcwË AR©b K‡i hy‡Mi Ab¨Zg ivnevi nhiZ gv`vbx in. Gi Bjgx I Avgjx cÖwZwbwa n‡q ¯^‡`‡k cÖZ¨veZ©b K‡ib|

†`‡k wd‡i wZwb Zvui wcÖq D¯Ív` nvUnvRvix gv`ivmvi ZrKvjxb cwiPvjK Avjøvgv Avãyj Iqvnnve in. Gi mv‡_ mv¶vZ Ki‡j wZwb Zvui Ávb, cÖÁv, cvwÐZ¨c~Y© `„wófw½, PwiÎgvayix, DrK…ó †evakw³, mZZv, D`©viZv, AvZ¥Z¨vM, BLjvm I `vwqZ¡ m‡PZbZv; m‡e©vcwi Bj‡gi MfxiZv Ae‡jvKb K‡i we‡gvwnZ n‡q hvb| djkÖæwZ‡Z `viæj Djyg nvUnvRvix‡Z Zvu‡K wk¶K c‡` wb‡qvM †`b| Zvui kÖæwZgayi, cÖvÄj I mij fvlvq Aa¨vcbvi mybvg-myL¨vwZ Lye `ªæZ Qwo‡q c‡o me©Î| Zvui GB mybvg-myL¨vwZ ï‡b cÖZ¨šÍ AÂj †_‡K kZkZ Ávbwccvmy c½cv‡ji gZ Qz‡U Av‡m Zvui Ávb-fvÐvi I Áv‡bi Mfxi mgy`Ö †_‡K Z…òv wbevi‡Yi Rb¨| beex Av`‡k©i cÖwZ”Qwe e‡jB Avmgvbx †R¨vwZi wKiY AR©b K‡i ZvhwKiv‡q bdm ev AvZ¥ïw×i DrKl© mva‡bi j‡¶¨ cÖZ¨šÍ AÂj †_‡K AvRI nvRvi nvRvi mZ¨mÜvbxiv Qz‡U Avm‡Q `‡j `‡j|

`viæj Djyg nvUnvRvixi gynZvwg‡gi `vwq‡Z¡

1407 wnRix‡Z Z`vbxšÍb Rvwgqvi cwiPvjK Avjøvgv K¡vix nv‡g` in. ci‡jvK Mgb Ki‡j Rvwgqvi gRwj‡m ïivi me©m¤§wZµ‡g Rvwgqv cwiPvjbvi ¸iæ`vwqZ¡ Ac©Y Kiv nq eZ©gvb mg‡qi jÿ jÿ gvby‡li ü`‡qi ¯ú›`b, kvBLyj nvw`m Avjøvgv kvn Avng` kdx nvwdhvûjøvni Dci| `vwqZ¡ Awc©Z nIqvi ci †_‡KB AZ¨šÍ mybvg I `¶Zvi mv‡_ Rvwgqvi A_©‰bwZK-cÖkvmwbK I QvÎ-wk¶K‡`i Bjgx-Avgjx my›`i cwi‡ek ˆZixmn me©‡¶‡ÎB DbœwZ mvab K‡i P‡j‡Qb wZwb| ïay nvUnvRvix gv`ivmvB bq, mviv‡`‡ki AmsL¨ gv`ivmv-gmwR`I `vwqZ¡kxjZvi mv‡_ cwiPvjbv K‡i Avm‡Qb| GQvovI mw¤§wjZ KIwg gv`ivmv wk¶v‡evW© Avj-nvBAvZzj Djqv wjj-RvwgÕAvwZj KIwgqv evsjv‡`‡ki mfvcwZ Ges evsjv‡`k KIgx gv`ivmv wk¶v‡evW© (†edvK) Gi †Pqvig¨v‡bi ¸iæ`vwqZ¡ AvÄvg w`‡q Avm‡Qb wZwb|

Zvui mdj D‡`¨vM I cÖ‡Póvq `viæj Djyg nvUnvRvixi bwRiwenxb m¤cÖmviY I ms¯‹v‡ii KvR n‡q‡Q| Zvui mg‡qB Qv·`i Avevmb-msKU wbimbK‡í K‡qKwU AvevwmK QvÎvevm wbg©vY Kiv n‡q‡Q| GKK_vq nhi‡Zi gva¨‡gB Rvwgqvi Dbœqb I AMÖMwZ‡Z e¨vcK DbœwZ n‡q‡Q| GQvov 1995 wLÖ÷v‡ã Zvui my`¶ cwiPvjbvq Rvwgqv cÖwZôvi kZel©c‚wZ© Dcj‡¶¨ ÔkZevwl©Kx `¯Íview›` gnvm‡¤§jbÕ mdjfv‡e AbywôZ n‡q‡Q|

D³ m‡¤§j‡b †`k-we‡`‡ki cÖw_Zhkv Djvgv‡q †Kivg I Bmjvwg †bZ…e„›` AskMÖnY K‡ib| m‡¤§j‡b Rvwgqvi cÖvq 10 mnmÖvwaK dzhvjv‡q †Kivg‡K `¯Ív‡i dwhjZ cÖ`vb Kiv nq| D³ kZevwl©Kx gnvm‡¤§jb-cieZ©x 2002 wLÖ÷v‡ã Zvui ZË¡veav‡b mdjfv‡e AbywôZ nq Ômßevwl©Kx `¯Íview›` gnvm‡¤§jbÕ| G m‡¤§jbI mdjfv‡e AbywôZ nq Ges me©Î e¨vcK cÖksmv jvf K‡i| Rvwgqvi `vIiv‡q nvw`m (gv÷vm©) K¬v‡mi dzhvjv‡q †Kiv‡gi msL¨v DˇivËi e„w× nIqv‡Z mßevwl©Kx gnvm‡¤§j‡bi ci †_‡K wb‡q cÖwZ eQi evwl©K gvnwd‡ji mv‡_ nhi‡Zi ZË¡veav‡b `¯Ívie›`x m‡¤§jbI AbywôZ n‡q Avm‡Q| eZ©gv‡b cÖwZ eQi cÖvq wZbnvRvi QvÎ `vIiv‡q nvw`m mgvß K‡i `x‡bi gkvj wb‡q we‡k¦i Avbv‡P-Kvbv‡P Qwo‡q co‡Q| GQvovI nhi‡Zi HKvwšÍK cÖ‡Póv I AvMÖ‡n `viæj Djy‡gi wk¶vwefv‡M D”PZi †KivZ-ZvRwe` wefvM, Zvnwdhyj KziAvb wefvM, D”PZi nvw`m M‡elYv wefvM, Aviwe mvwnZ¨ wefvM, Av` `vIqvn Iqvj Bikv` wefvM, evsjv fvlv I mvwnZ¨ wefvM I Kw¤úDUvi wefvM Pvjy i‡q‡Q| nhiZ `vwqZ¡ MÖn‡Yi ci †_‡K gvwmK gyCbyj Bmjv‡gi wbqwgZ cÖKvkbv, d‡Zvqv‡q `viæj Djyg I wdKwn cÖeÜ Ô`imyj wdKnÕ BZ¨vw` cÖKvk n‡q‡Q| i‡q‡Q gvRwjmy wdK¡wnj Bmjvgx I mvßvwnK mvwnZ¨ gRwjm|

nhi‡Zi cwiPvjbvq Rvwgqvi mvd‡j¨i wdwiw¯Í GZ ¯^ícwim‡i †`qv m¤¢e bq| GKK_vq nhi‡Zi mg‡q Rvwgqvq †hb DbœwZi †Rvqvi e‡q †M‡Q| Rvwgqvi D¯Ív` Ges QvÎ mK‡ji Rb¨B wZwb †hb GK QvZv m`„k| †h Kv‡iv wec`-Avc` I mgm¨vq cig ggZvi nvZ evwo‡q †`b wZwb|

Aciw`‡K mgvR-iv‡óÖi me©¯Í‡i Bmjvwg Av`k© cÖwZôvi e¨vcv‡iI Zvui cÖ‡Póv Kg bq| ¯^xq D¯Ív` I cxi kvBLyj Avie Iqvj Avhg nhiZ gvIjvbv mvBwq` ûmvBb Avng` gv`vbx in. Gi msMÖvgx Av`‡k© AbycÖvwYZ n‡q e„wUkwe‡ivax Av‡›`vj‡b kwiK n‡q‡Qb wZwb| mgvR I ivóÖxq ch©v‡q `xb cÖwZôvi gnr D‡Ï‡k¨ wewfbœ Bmjvwg ivR‰bwZK `j I Av‡›`vj‡bi mg_©K I mn‡hvMx wn‡m‡e KvR Ki‡Qb|

†ndvR‡Z Bmjvg evsjv‡`k MVb

eZ©gvb we‡k¦i Av‡jvwPZ AivR‰bwZK ag©xq msMVb Ô‡ndvRZ Bmjvg evsjv‡`kÕ A‡bKUvB Avjøvgv Avng` kdxi Agi m„wó| wZwb GB msMV‡bi m¤§vwby Avwgi| Zvui nv‡Z cÖwZwôZ G msMV‡bi e¨vbv‡i Bmjv‡gi eûwea †L`GZ n‡q‡Q| Bmjvg I Bmjvwg fveavivi weiæ‡× hLbB evwZjkw³ gv_vPvov w`‡q‡Q, wZwb GB msM‡Vi e¨vbv‡i †R‡M D‡V‡Qb| ag©nxb wk¶vbxwZ I KziAvbwe‡ivax bvixbxwZi weiæ‡× mdj Av‡›`vjb K‡i‡Qb| Avjøvn-ivmyj I Bmjvwg wewa-weav‡bi weiæ‡× bvw¯ÍK¨ev`x eøMvi‡`i Kzrmv iUbvi weiæ‡× 2013 mv‡ji 6 GwcÖj wZwb †h HwZnvwmK jsgvP© K‡i‡Qb, Zv BwZnv‡mi gvBjdjK n‡q _vK‡e|

Bmjvg I GZmjgv‡bi †h‡Kvb cÖ‡qvR‡b I `zw`©‡b hLbB †hLv‡b Zv‡K Avnevb Kiv nq wZwb mv‡_ mv‡_ jveŸvBK e‡jb| mn‡R ejv hvq †h, wZwb †`‡ki wewfbœ ivR‰bwZK `j-msMVb I Bmjvwg Av‡›`vj‡bi mgš^q¯’j| †h‡Kvb mgm¨vq Bmjvwg †by…e„›` nhi‡Zi Kv‡Q Qz‡U Av‡mb Ges nhi‡Zi civgk© mevB mv`‡i MÖnY K‡i †bb| 

KIgx wkÿvmb‡`i ¯^xK…wZ Av`v‡q mdj KvwiMi

eû Z¨vM-Zx¶v I Av‡›`vj‡bi c‡i Ae‡k‡l KIwg gv`ivmvi `vIiv‡q nvw`‡mi mb`-¯^xK…wZi wej RvZxq msm‡` cvk n‡q‡Q| `vIiv‡q nvw`m‡K BmjvwgK ÷¨vwWR I Aviwe mvwn‡Z¨ gv÷v‡m©i gvb cÖ`vb Kiv n‡q‡Q|

ch©‡e¶K I Bmjvwg e¨w³eM© g‡b K‡ib, 

G ¯^xK…wZ Lye mn‡R AR©b nqwb| GRb¨ A‡bK Av‡jvPbv-chv©‡jvPbv n‡q‡Q, A‡bK Av‡›`vjb I Av‡µv‡ki wkKvi n‡Z n‡q‡Q| ¶GZvi cvjve`j Avi ivR‰bwZK K~U‡KŠk‡j `vex Av`v‡q e¨_© n‡Z n‡q‡Q evievi| A‡bK msMÖvg I Av‡›`vj‡bi c‡i 2017 mv‡ji 11 GwcÖj MYfe‡b Avjøvgv Avng` kdx I Ab¨vb¨ †evW©cÖavbmn kxl©¯’vbxq Djvgv‡q †Kiv‡gi GK Abyôv‡b KIwg wkÿvmb‡`i miKvix ¯^xK…wZi AvbyôvwbK †NvlYv †`b MYcÖRvZš¿x evsjv‡`k miKv‡ii gvbbxq cÖavbgš¿x †kL nvwmbv| wZwb Zvui e³‡e¨ KIwg gv`ivmvi †MŠiegq HwZn¨ I Bmjvwg wk¶vi ¸iæ‡Z¡i K_v Zy‡j a‡ib|

2017 mv‡ji 13 GwcÖj| KIwg gv`ivmvi ¯^Zš¿ ˆewkó¨ eRvq †i‡L Ges `viæj Djyg †`Ie‡›`i g~jbxwZ Z_v Dmy‡j nvk‡ZMvbvi wfwˇZ KIwg gv`ivmvi m‡e©v”P ¯Íi `vIiv‡q nvw`m‡K mœvZ‡KvËi wWMÖxi mggvb  †NvlYv w`‡q cÖÁvcb Rvwi K‡i wk¶vgš¿Yvjq|

`xN©w`b a‡i ¯^xK…wZ Av`v‡qi Av‡›`vjb P‡j G‡jI Zv wewfbœ Kvi‡Y Av‡jvi gyL †`‡Lwb| B‡Zvc~‡e© ¯^xK…wZi Rb¨ wgwQj-wgwUs, ivRc‡_ MYAe¯’vbmn A‡bK Av‡›`vjb n‡q‡Q| ZeyI miKvignj †_‡K Zv Av`vq Kiv m¤¢e nqwb| Gi wecix‡Z †Kvb Av‡›`vjb-wgwQj QvovB Av‡jvPbvi gva¨‡g mb‡`i ¯^xK…wZ Av`vq Kiv Avjøvgv kvn Avng` kdxi GKK K…wZZ¡ ejv P‡j| Zvui e¨w³Z¡B Gi g~j PvwjKvkw³ wn‡m‡e KvR K‡i‡Qb gšÍe¨ we‡kølKiv| †m wn‡m‡e wZwbB mb‡`i ¯^xK…wZ Av`v‡qi mdj KvwiMi|

wek¦Ry‡o RbwcÖqZv I m¤§vbbv AR©b

BD‡ivc, Av‡gwiKv, A‡÷ªwjqv, jÛb, `zevB, KvZvi I evnivBb Z_v cÖvP¨-ga¨cÖvP¨mn mviv we‡k^ nhi‡Zi Bjg I cÖÁvi Drm †_‡K Aby‡cÖiYv jvfKvix QvÎ, wkl¨, GZwi` I Abymvixiv `x‡bi †L`GZ K‡i hv‡”Qb| we‡kl K‡i Avie †`k¸‡jv‡Z i‡q‡Q nhi‡Zi AvKvkPz¤^x RbwcÖqZv| Zvui bgÖZv, †Lv`vfxiæZv, Bjg I cÖÁv †`‡L cweÎ nvivg kwi‡di BgvgMY Zvu‡K Ôkv‡qLÕ e‡j m‡¤^vab K‡i _v‡Kb| D‡jøL¨, weMY 19 AvM÷ 2001 Zvwi‡L jÛb †_‡K †`‡k †divi c‡_ cweÎ Igiv cvj‡bi D‡Ï‡k¨ †mŠw` Avie Mgb Ki‡j nvivgvBb kwidvB‡bi gnvcwiPvjK kvqL mv‡jn web Avj ûgvB‡`i mv‡_ †mŠRb¨ mv¶v‡Z wgwjy n‡j wZwb nhiZ‡K cweÎ Kvev kwi‡di wMjv‡di GKwU Ask nvw`qv ¯^iƒc cÖ`vb K‡i m¤§vwby K‡ib| 2005 mv‡j Ôevsjv‡`k RvZxq mxivZ KwgwUÕ KZ©…K Zvu‡K 2005 mv‡ji Ô†kÖô Bmjvwg e¨w³Z¡Õ †NvlYv K‡i ¯^Y©c`K cÖ`vb K‡i, hv Zvui eY©vX¨ Rxe‡bi Ab¨Zg ¯^xK…wZ| GQvovI Zvui fvÐv‡i i‡q‡Q †`k-we‡`‡ki eû msMVb I ms¯’vi AmsL¨ m¤§vbbv|

wkiK-we`AvZ I Kzms¯‹vigy³ mgvR MV‡b wb‡ew`ZcÖvY GKRb kvBLyj Bmjvg

m~‡h©i Av‡jvKiwk¥ †hgwbfv‡e wek¦evmx‡K c_ †`Lvq, wVK †Zgwb GKRb mwZ¨Kv‡ii bv‡q‡e bexI wek¦evmx‡K m‡Z¨i mÜvb w`‡Z m¶g| GZmwjg D¤§vni GB Z¨vMx, msMÖvgx, wk¶vbyivMx I wecøex mgvRms¯‹viK Avjøvgv kvn Avng` kdx nvwd. Rxe‡bi m~Pbv †_‡K wkiK, we`AvZ, Keic~Rv, gvRvic~Rv Z_v mKjcÖKvi Kzms¯‹vi D‡”Q‡`i †¶‡Î m`v RvMÖZ| nhi‡Zi Av‡eMNb, `i`gvLv, R¡vjvgqx I mviMf© Dc¯’vcbv †`kRz‡o e¨vcK Av‡jvob m„wó K‡i‡Q| evsjvi me©‡kÖYxi Rbmvavi‡Yi gvbmc‡U ZvIwn‡`i evYx †cŠu‡Q †`qvi j‡¶¨ cÖwZwbqZ IqvR, e³…Zv I ¸iæZ¡c‚Y© fvlY cÖ`vb K‡i hv‡”Qb wZwb| Zvui Pz¤^Kxq AvKl©Yxq e³…Zv ï‡b AmsL¨ gvbyl wd‡i G‡m‡Qb Kzms¯‹vi I AÜ Abymi‡Yi †eóbx †_‡K| wVK †Zgwbfv‡e Cgvb-AvwK`v I Kvw•LY c‡_i mwVK mÜvb †c‡q ab¨ n‡”Q wfwËnxb aviYvq RR©wiZ wKsKZ©e¨weg~p AMwYZ Av`g mšÍvb|

nhiZ cÖvqmgq Rvwgqvi cÖavb (evBYzj Kwig Rv‡g gmwR`) kvwn gmwR‡` Rvwgqvi wk¶v_©x‡`i gv‡S KziAvb-mybœvni Av‡jv‡K w`Kwb‡`©kbvg~jK mviMf© bwmNy cÖ`vb Ki‡Z wM‡q e‡jb, Ô†n Rv‡gqvi my‡hvM¨ mšÍv‡biv, †Zvgv‡`i‡K Aek¨B ¯§iY ivL‡Z n‡e †h, †ZvgivB †`k I RvwZi fwel¨Z-KY©avi| †`‡ki j¶-†KvwU ag©cÖvY ZvIwn`x Rbyv‡K ag©xq åvšÍ AvwK`v-wek¦vm, cwðgv K…wó-KvjPvi I Zvnwhe-ZvgvÏy‡bi KivjMÖvm †_‡K GZ³ Kivi fqsKi P¨v‡j‡Äi †gvKv‡ejv †Zvgv‡`i‡KB Ki‡Z n‡e| Bmjvwg SvÐvi aviK I evnK n‡q Bmjv‡gi my`„p mxgvbv i¶vq AZ›`ÖcÖnwii f~wgKvq †Zvgv‡`i‡KB AeZxY© n‡Z n‡e| Kv‡RB Bjg-Avgj I m”Pwi‡Îi Avmgvbx kw³ mÂq K‡i Zv¸Z Z_v mKj Ackw³i weiæ‡× wRnv‡` AeZxY© nIqvi cÖ¯ÍzwZ MÖn‡Y wb‡R‡`i‡K ˆZwi K‡i bvI|Õ

GQvovI †`ke¨vcx evnvm-gyevnvmv Z_v ZK©-weZ‡K©i gva¨‡g mgvR †_‡K Kzms¯‹vi I we`AvZ‡K `‚ixf‚Z Kivi e¨vcv‡i nhi‡Zi Ae`vb AZzjbxq|

Ava¨vwZ¥KZvi gq`v‡b kvBLyj Bmjvg

Kg©gq Rxe‡bi nvRv‡iv e¨¯ÍZv m‡Ë¡I mgq I wbqgvbyewZ©Zv nhi‡Zi Rxe‡bi GK Awe‡”Q`¨ Ask| w`biv‡Zi g~j¨evb mgq¸‡jv‡K wewfbœ fv‡M wef³ K‡i Aa¨vcbv, gv`ivmv cwiPvjbv, mv‡_ mv‡_ bvgvh-wZjvIqvZ, whwKi-AvhKvi Ges `k©bv_©x I ïfvKv•Lx‡`i mv¶vZ`vb BZ¨vw` m¤úv`b K‡i _v‡Kb|

Mfxi iRbx‡Z Aebx hLb Mfxi wb`Övq Av”Qbœ, kvBLyj Bmjvg ZLb `vuwo‡q hvb Rvqbvgv‡h| GKvšÍ wbR©‡b e‡m Av`vq K‡ib wewfwbœ AwRdv| †`vqv K‡ib wb‡Ri Rb¨, †`‡ki Rb¨ Ges GZmwjg D¤§vni Rb¨| P‚ovšÍ ch©v‡qi GZËvwK I ci‡nRMvi, †Lv`vfxiæZv I ci‡nRMvixi g~Z©cÖwZK I Ab~miYxq G gnvb e¨w³ Avjøvni cÖwZ c~Y© AvbyMY¨ Ges hveZxq cvc-cw¼jyv †_‡K GZ³ _vK‡Z mvabvq wb‡R‡K eÖZ iv‡Lb memgq|

cÖKvk¨-†Mvc‡b, kqb I ¯^c‡b, mi‡e-bxi‡e, Avb›`-†e`bvq, my‡L-`yt‡L, nvwm-Kvbœvq, my¯’Zv I Amy¯’Zvq, md‡i-BKvgv‡Z; Rxe‡bi cÖwZwU †¶‡Î nhi‡Zi ZvKIqvi AZzjbxq `„óvšÍ fwel¨Z cÖR‡b¥i Rb¨ wPi AbyiYxq I AbyKiYxq n‡q _vK‡e| nhi‡Zi Bj‡g Rv‡nwii gva¨‡g †hgb AmsL¨ †jvK wn`vqv‡Zi w`Kwb‡`©kbv cv‡”Q, †Zgwbfv‡e Zvui Bj‡g ev‡Zwb A_©vr Ava¨vwZ¥K Áv‡bi gva¨‡gI eû  †jvK AvZ¥ïw×i GZ †`Šjy jvf K‡i‡Q Ges Ki‡Q| Ava¨vwZ¥K avivq nhi‡Zi KvQ †_‡K G ch©šÍ cÖvq evi mnmÖvwaK fvM¨evb e¨w³ mivmwi BRvhZcÖvß nIqvi †mŠfvM¨ jvf K‡i‡Qb| Gi AvswkK ZvwjKv Zvui wjwLY ÔdqyRv‡Z Avngw`qvÕ bvgK MÖ‡š’ mwbœ‡ewkZ Kiv n‡q‡Q|

wjLbxi gq`v‡b kvBLyj Bmjvg

Kjgx wRnv‡`i gq`v‡bI i‡q‡Q nhi‡Zi AmvaviY Ávb-cÖÁv I Zxÿè M‡elYvi `yj©f cÖwZfvi ev¯Íe cÖwZdjb| whwb nvRv‡iv e¨¯ÍZvi gv‡SI wkiK-we`AvZ I AmsL¨ åvšÍ GZev‡`i `vuZfvOv Reve w`‡q iPbv K‡i‡Qb AwZ g~j¨evb MÖš’mg~n| wjLbxi gq`v‡b nh‡Zi ¶ziavi Kjg evwZ‡ji AvZ¼ ¯^iƒc| nhi‡Zi iwPZ A‡bK wKZve evwZ‡ji wfZ‡K boe‡o K‡i w`‡q‡Q| Gme MÖš’vewj †_‡K mvaviY GZmjgv‡bi cvkvcvwk Djvgv‡q †KivgI h‡_ô DcK…Z n‡”Qb| nhi‡Zi iwPZ åvšÍ GZev‡`i GZ‡Lvk D‡¤§vPbKvix †hme MÖš’ Av‡jg-Djvgvmn me©¯Í‡ii cvVKgn‡j mgv`„Z, mv‡_ mv‡_ MÖnb‡hvM¨ZviI kx‡l©, †m¸‡jv nj:

* Avj-evqvbyj dvwmj evBbvj nvw° Iqvj evwZj (D`©©y)

* Avj-dqhyj Rvix (eyLvwi kwid GKvs‡ki D`©©y e¨vL¨vMÖš’)

* Avj-ûRvRyj K¡vwZqvn& wj`vdwqb bvnwRj LvwZqvn (D`©y)

* Avj-LvBiæj Kvmxi dx Dm~wjZ Zvdmxi (D`©©y)

* Bmjvg Iqv wQqvQZ (D`©©y)

* Bhnv‡i nvwKKZ (D`©©y)

* ZvKwd‡i GZmwjg (D`©©y)

* Pv›`Ö-I‡qRvu (D`©©y)

* dzqyhv‡Z Avngw`qv (D`©©y)

* nK I evwZ‡ji wPišÍb Ø›Ø

* Bmjvwg A_©e¨e¯’v

* Bhnv‡i nvwKKZ ev ev¯Íe `„wó‡Z gI`yw` GZev`

* ZvKwd‡i GZmwjg ev GZmjgvb‡K Kvwdi ejvi cwiYvg

* m‡Z¨i w`‡K KiæY AvnŸvb

* azgcvb wK Avwke©v` bv Awfkvc

* GKwU m‡›`‡ni Aemvb

* GKwU ¸iæZ¡c‚Y© d‡Zvqv

* ZvejxM GKwU Ab¨Zg wRnv`

* BQg‡Z Avw¤^qv I wgÕqv‡i nK

* evqAv‡Zi nvwKKZ

* mybœvZ-we`Av‡Zi mwVK cwiPq

GQvovI D`©©y I evsjv fvlvq nhi‡Zi Av‡iv A‡bK¸‡jv g~j¨evb MÖš’ cÖKv‡ki A‡c¶vq i‡q‡Q|

 

Dcmsnvi

AvR Avgiv Z_v mgMÖ RvwZ Ávb-weÁvb I Ava¨vwZ¥KZvi †¶‡Î Av‡jvob m„wóKvix GB eyRzM© kvBLyj Bmjvg Avjøvgv kvn Avng` kdx nvwdhwûjøvn‡K †c‡q †MŠie †eva KiwQ| wZwb †Kej MYvbyMwZK GKRb GZNyvwgg ev kvBLyj nvw`m bb, eis BwZnvm m„wóKvix cÖwZfvevb e¨w³ MV‡bi GK Awfbe KvwiMiI e‡U| ZvB †Zv AvR wek¦evmx cyjK`„‡ó Ae‡jvKb Ki‡Qb †h, nhi‡Zi nv‡Z Mov AmsL¨ f³ I kvMwi` we‡k¦i Avbv‡P-Kvbv‡P ¸iæZ¡c~Y© wewfbœ cÖwZôv‡b Kg©iZ †_‡K `x‡bi Qwo‡q w`‡”Qb| †h Av`k© cyiæ‡li cÖÁvgq AvPi‡Y-e¨w³‡Z¡ wcÖq bexi wk¶v I Av`‡k©i cwic‚Y© cÖwZdjb N‡U, hvu‡`i †`‡L nhiZ mvnvev‡q †Kiv‡gi Aeqe †Pv‡Li mvg‡b †f‡m D‡V, †m iKgB GKRb e¨w³Z¡ nhiZ Avjøvgv kvn Avng` kdx nvwdhvûjøvn|

eZ©gvb ˆbwZK I PvwiwÎK Ae¶‡qi †Zv‡o †f‡m hvIqv gvbe‡Mvwô‡K GKUv w¯’i I cyZtcweÎ c‡_ †U‡b Avbvi j‡¶¨ AK¬všÍ KvR K‡i hv‡”Qb wZwb| Av`k© I AbyKiYxq e¨w³ Movi Rb¨ †h ai‡bi e¨w³‡Z¡i cÖ‡qvRb, Avjøvgv kvn Avng` kdxi Rxeb cÖevn †m Pvwn`v c~iY Ki‡Z m¤ú‚Y© m¶g|

gnvb iveŸyj Avjvwg‡bi `iev‡i cÖv_©bv, wZwb †hb nhi‡Zi AvwdqvZgq nvqv‡Z eiKZ `vb K‡ib Ges nhiZi‡K Rxe‡bi †kl wbtk¦vm ch©šÍ Awc©Z `vwq‡Z¡ eÖZ iv‡Lb| hv‡Z K‡i nhi‡Zi d‡qR-eiKZ Ges w`Kwb‡`©kbv Av‡iv `xN©Kvj Avgiv jvf Ki‡Z cvwi| ZvQvov nhi‡Zi AbjSiv IqvR-bwmn‡Z eû c_nviv gvbyl mwVK c‡_i w`kv jvf KiæK| eZ©gv‡bi Bmjvg I GZmjgv‡bi Pig msKUKv‡j c_nviv GZmjgvbiv †hb nhi‡Zi KvQ †_‡K c‡_i w`K-w`kv cvq, †m KvgbvB Kwi|


†jLK:
M‡elK I wmwbqi wkÿK,
`viæj Djyg gyCbyj Bmjvg nvUnvRvix, PÆMÖvg|

রংপুরের পীরগঞ্জে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হলো। 

রংপুর ডেস্ক: রংপুরের পীরগঞ্জে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা থেকে অনলাইনের মাধ্যমে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত হয়ে ভিত্তিপ্রস্তর ফলক উন্মোচন করেন তিনি।

আইটি খাতে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির লক্ষে দেশের আটটি স্থানে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপন করছে বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ। এরই অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম, সিলেট, রংপুর, নাটোর, কুমিল্লা, নেত্রকোণা, বরিশাল ও মাগুরায় স্থাপন করা হচ্ছে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার। বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে প্রায় ৫৩৩ কোটি টাকা ব্যয়ে এই প্রকল্পের কাজ ২০১৭ সালে শুরু হয়।

উদ্বোধনী বক্তব্যে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, প্রতিযোগিতার এই যুগে আমাদের তরুণদের টিকে থাকতে হলে প্রযুক্তি শিক্ষার বিকল্প নাই। আর এজন্যই আমরা একটি প্রযুক্তি নির্ভর জাতি গড়ে তুলতে চাই।

তিনি বলেন, রংপুর সবসময়ই অবহেলিত এলাকা ছিল, এখানে কখনো শিল্পায়ন হয়নি। রংপুরবাসীর উন্নয়নে সরকার নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার থেকে ট্রেনিং নিয়ে এখানকার তরুণ-তরুণীরা নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারবে, অনেক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এখন থেকে আর চাকরির পেছনে ছুটতে হবে না, নিজেরাই উদ্যোক্তা হয়ে মানুষকে চাকরি দিবে।

ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ এর ব্রেইন চাইল্ড এই প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে একদিকে যেমন বেকারত্ব দূর হবে, একইসঙ্গে তথ্যপ্রযুক্তিতে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে একরকম উল্লম্ফন সৃষ্টি হবে। মূলত এসএসসি ও এইচএসসি পর্যায়ে ছাত্র-ছাত্রীদের আইটিতে দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তোলার মাধ্যমে মানবসম্পদ উন্নয়নের লক্ষ্যে এই প্রকল্প গৃহীত হয়। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতে নতুন নতুন উদ্যোক্তা তৈরি করে একাডেমিয়া এবং আইটি ইন্ডাস্ট্রির মধ্যে সেতুবন্ধন প্রতিষ্ঠা করা হবে এই প্রকল্পের মাধ্যমে। ফলে আইটি/আইটিইএস খাতে বাংলাদেশের যুব সমাজের আত্ম-কর্মসংস্থানের ব্যাপক সুযোগ সৃষ্টি হবে।

বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (সচিব) হোসনে আরা বেগম জানান, দেশে এই মুহূর্তে ৫টি হাই-টেক পার্ক বিনিয়োগের জন্য প্রস্তুত। গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ইতিমধ্যে বঙ্গবন্ধু হাই-টেক সিটিতে ৩৫৫ একর জমিতে বিভিন্ন কোম্পানি কাজ করছে। এখান থেকে উৎপাদিত পণ্য বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন পার্কগুলোতে বেসরকারি খাত থেকে প্রায় ৩২৭ কোটি টাকা বিনিয়োগ হয়েছে। এর বিপরীতে ২০১৬ সাল থেকেই হাই-টেক পার্ক থেকে আয় শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যেই হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ ৫০কোটি টাকার বেশি আয় করেছে।

রংপুর জেলা প্রশাসক মো. আসিব আহসানের সভাপতিত্বে এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন রংপুর বিভাগীয় কমিশনার মো. আব্দুল ওয়াহাব ভূঞা, শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপন প্রকল্পের পরিচালক (যুগ্মসচিব) মো. মোস্তফা কামাল, রংপুর পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার সরকার ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রংপুর জেলা শাখার সভাপতি মমতাজ উদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।

প্রবচন ডেস্ক: পদ্মা সেতু হয়ে রেল সংযোগ বরিশাল, কুয়াকাটা, পায়রাবন্দর পর্যন্ত নেওয়া হবে। আর আগামী বছর ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসেই যান চলাচলের জন্য পদ্মা সেতু খুলে দেওয়া হবে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী মো. নুরুল ইসলাম সুজন। 

বৃহস্পতিবার দুপুরে মাদারীপুরের শিবচরের পাঁচ্চরে অ্যামিটি ক্যাফে রেস্তরায় পদ্মা সেতুর রেল লাইনে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে পুনর্বাসন সুবিধার চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় ক্ষতিগ্রস্ত ২৮ পরিবারের মাঝে ১ কোটি ১২ লাখ টাকার পুনর্বাসন সুবিধার চেক প্রদান করা হয়। এর আগে মন্ত্রী মুন্সিগঞ্জের মাওয়া ও শরীয়তপুরের জাজিরা পয়েন্টে পদ্মা সেতুর রেল সংযোগের কাজ পরিদর্শন করেন। 

প্রকল্প পরিচালক ও অতিরিক্ত সচিব প্রকৌশলী গোলাম ফখরুদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সেলিম রেজা, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. শামছুজ্জামান, সিএসসির প্রধান সমন্বয়ক মেজর জেনারেল এফ এম জাহিদ হোসেন, র্ডপ চেয়ারম্যান মো. আজহার আলী তালুকদার, মাদারীপুর জেলা প্রশাসক ড. রহিমা খাতুন, পুলিশ সুপার মাহবুব হাসান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

প্রবচন ডেস্ক: রোহিঙ্গাদের ভোটার তালিকাভুক্তি ও জাতীয় পরিচয়পত্র জালায়াতির ঘটনা তদন্তে গঠিত কমিটি ‘শিগগির’ প্রতিবেদন দেবে বলে জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সাইদুল ইসলাম জানিয়েছেন।

ওই প্রতিবেদন হাতে পাওয়া পর জালিয়াত চক্রে জড়িতদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার ‘দুর্নীতি ও এনআইডি জালিয়াতি রোধে নেওয়া পদক্ষেপ’ তুলে ধরতে এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন সাইদুল ইসলাম।

প্রায় ১০ লক্ষাধিক রোহিঙ্গার বায়োমেট্রিক তথ্যসহ আলাদা রোহিঙ্গা ডেটাবেজ স্থাপন করা হয়েছে। এরমধ্যেও জালিয়াতির মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি প্রকাশ্যে এলে গত বছর ঘটনা তদন্তে কক্সবাজার ও চট্টগ্রামে অনুসন্ধান টিম পাঠানো হয়। তাদের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে অধিকতর তদন্তে একটি কারিগরি এবং একটি প্রশাসনিক কমিটি গঠন করা হয়।

এনআইডি উইং ডিজি সাইদুল বলেন, “গেল শুক্র, শনি, রবি ও সোমবার তদন্ত কমিটি সরেজমিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ডেটা এন্ট্রির কাজের ল্যাপটপ খোয়া যাওয়ার পর সেগুলো কে কে ব্যবহার করেছে, কীভাবে তা ব্যবহৃত হয়েছে, ঘরে-বাইরে কারা সম্পৃক্ত ছিল এ জালিয়াতিতে- প্রতিটি বিষয় আমরা এনালাইসি করছি। এখন তদন্ত কমিটি দ্রুততম সময়ে প্রতিবেদন দেবে।”

প্রতিবেদনের ভিত্তিতে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানিয়ে তিনি বলেন, “অনৈতিক কাজ করলে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। নির্বাচন কমিশন বা এনআইডি উইংয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হোক এটা আমরা কিছুতেই চাই না। জালিয়াতিতে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।”


রোহিঙ্গাদের এনআইডি জালিয়াতির তদন্তে ৩ কমিটি  

তদন্ত কমিটিতে বুয়েট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের প্রতিনিধি রয়েছে। অপরদিকে অধিকতর তদন্তের সুবিধার্থে একজন যুগ্মসচিবের নেতৃত্বে প্রশাসনিক কমিটি গঠন করা হয়।

এনআইডি জালিয়াতিতে সম্পৃক্ত দুই ডেটা এন্ট্রিঅপারেটেরকে প্রকল্প থেকে চাকরিচ্যুতি ছাড়াও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানান এনআইডি উইং মহাপরিচালক।

তিনি বলেন, আউট সোর্সিংয়ের মাধ্যমে নিয়োগকৃত এসব লোকবল অনিয়মে জড়িত হলে চাকরিচ্যুত করা হয়।

“কিন্তু এরপরও অনেকে কৌশলে জালিয়াতিতে জড়িয়ে পড়ে। এজন্য দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো জালিয়াতকারীকেই ছাড় দেব না।”

ঢাকায় এনআইডি জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত আইডিইএ প্রকল্পের আউটসোর্সিং ডেটা এন্ট্রি অপারেটর দুইজনকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।

এছাড়া বিভিন্ন অনৈতিক কাজে জড়িত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় গত ৮ বছরে সর্বমোট ৩৯ জনকে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করা হয় এবং কালো তালিকাভুক্ত করা হয়।


লাখো দ্বৈত ভোটারের বিষয়ে তৎপরতা

ভোটার তালিকা হালনাগাদে প্রায় দুই লাখের মতো দ্বৈত ভোটার শনাক্ত করেছে নির্বাচন কমিশন। তাদের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান এনআইডি উইং মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সাইদুল ইসলাম ।

তিনি বলেন, “আমরা ইতোমধ্যে দুই লাখ সাত হাজার দ্বৈত ভোটার শনাক্ত করেছি। যারা দ্বৈত হয়েছে আমরা তাদের নোটিফাই করছি। এসএমএসের মাধ্যমেও তাদের জানিয়ে দিচ্ছি। তবে সবার মোবাইল নম্বর না থাকায় উপজেলা নির্বাচন অফিসের মাধ্যমে তাদের অবহিত করার ব্যবস্থা করছি।”

দ্বৈত ভোটার পাওয়া গেলে প্রাথমিকভাবে বিধি মোতাবক প্রথমটি রেখে পরবর্তী ভোটার তথ্য ব্লক করে দেওয়া হয়। উদ্দেশ্যমূলকভাবে তথ্য গোপন করে দ্বৈত ভোটার হওয়ার প্রমাণ পাওয়ায় ইতোমধ্যে ৯৩৭ জনের এনআইডি লক করাসহ ‌আইন অনুসারে নির্বাচন কমিশন ফৌজদারি মামলা দায়ের করার নির্দেশনা দিয়েছে। এ কাজে সম্পৃক্ততা ও  অবহেলার বিপরীতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

“দ্বৈত ভোটারের সবার বিষয়গুলো আমরা অবজার্ভ করছি। আমরা দেখছি উদ্দেশ্য কী ছিল। তবে আমরা সবার বিরুদ্ধে মামলা করিনি, করবও না। যারা উদ্দেশ্যমূলকভাবে এটি করেছে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করব। তবে কেউ যদি সে বিষয়ে কমিশনে আবেদন করে, সেটি আমরা যাচাই-বাছাই করে কারণ জানব, যে কোন উদ্দেশ্যে তারা এটি করেছে। সেটি আমরা কমিশনকে অবহিত করে ব্যবস্থা নেব,” বলেন এনআইডি উইং মহাপরিচালক।

ইতোমধ্যে দেশব্যাপী এনআইডি সেবা কার্যক্রম তদারকিতে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনার জন্য পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট চারটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে দেশব্যাপী ১০টি টিমের মাধ্যমে সাঁড়াশি ও ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করা হবে।

 

অনলাইন ডেস্ক: হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির, বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ ও আল হাইয়াতুল উলিয়ার চেয়ারম্যান, মঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদরাসার সাবেক মহাপরিচালক আল্লামা শাহ আহমদ শফীর রুহের মাগফিরাত কামনা করে সৌদি আরবের মসজিদে নববিতে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ মদিনা মোনাওয়ারা শাখার উদ্যোগে বুধবার বাদ মাগরিব এ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। বৃহস্পতিবার সংগঠনটির এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

দোয়া পরিচালনা করেন, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ মদিনা মোনাওয়ারা শাখার আমির ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয়  মজলিশে শুরার সদস্য মাওলানা রফিকুল ইসলাম মাদানী। উপস্থিত ছিলেন জয়েন্ট সেক্রেটারি মাওলানা লুৎফর  রহমান মাদানী,  মাওলানা মিছবাহুজ্জামান, হাফেজ শহীর উদ্দীন, হাফেজ মাওলানা মুহিবুর রহমান মাছুম, মাওলানা আজিমুল ইসলাম সেলিম। এসময় দেশে-বিদেশের মুসল্লিরা উপস্থিত ছিলেন।

 দোয়া মাহফিলে বক্তারা বলেন, আল্লামা শাহ আহমদ শফী (রহ.) আমাদের অভিভাবক ছিলেন। তিনি আমৃত্যু দ্বীন ইসলামের বহুমুখী খেদমত আন্জাম দিয়ে গেছেন। ইসলাম বিদ্বেষী নাস্তিক্যবাদীদের বিরুদ্ধে আন্দোলনে তিনি মহাজাগরন তৈরি করেছিলেন। তার অবদান দেশ ও জাতি আজীবন শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ রাখবে। তার ইন্তেকালে মুসলিম উম্মাহ দরদি একজন অভিভাবক হারিয়েছে। 

 

হাবীব আনওয়ার, হাটহাজারী: বৃহত্তর চট্টলার ঐতিহ্যবাহী দীনি ও সেবামূলক সংগঠন আল আমিন সংস্থার আয়োজনে সদ্য প্রয়াত আমীরে হেফাজত শায়খুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফী রহ. এর জীবন, কর্ম ও অবদান শীর্ষক আলোচনা সভা ও দুআ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

২৪ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার আসর নামাযের পরে সংস্থার হাটহাজারীস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ আলোচনা ও দুআ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে দুআ পরিচালনা করেন সংস্থার উপদেষ্ঠা পরিষদের সদস্য মাওলানা ক্বারী মঈনুদ্দীন। 

আলোচনা সভায় বক্তাগণ বলেন, আল্লামা শাহ আহমদ শফী রহ. তাঁর বর্ণাঢ্য জীবনে ইসলাম, দেশ ও জাতির বহুমুখী খেদমত আঞ্জাম দিয়েছেন। বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ইজ্জত রক্ষায় শাহবাগী নাস্তিক ব্লগারদের বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক হেফাজত আন্দোলনে তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ও ভূমিকা ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লিখা থাকবে।

বক্তাগণ আরো বলেন, শাইখুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফী রহ. আল আমিন সংস্থার প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। সংস্থার দীনি ও সেবামূলক কাজে তিনি আমাদের সবসময় উৎসাহ অনুপ্রেরণা যোগাতেন। পরামর্শ দিতেন। তাঁর ইন্তেকালে আমরা একজন যোগ্য অভিভাবক হারালাম। তাঁর শূণ্যস্থান কখনো পূরণ হবার নয়।

তারা বলেন, আল্লামা শাহ আহমদ শফী রহ. অত্যন্ত দক্ষতা ও বিচক্ষণতার সাথে দীর্ঘদিন হাটহাজারী মাদরাসার মহাপরিচালকের গুরু দায়িত্ব আঞ্জাম দিয়েছেন। তিনি স্বীয় এহতেমামীর সময়ে  সাততলা বিশিষ্ট দৃষ্টিনন্দন বায়তুল করীম জামে মসজিদ, বিশাল শিক্ষা ভবন ও আহমদ মঞ্জিলসহ একাডেমিক  বহু উন্নয়নমূলক কাজ করে গেছেন। মাদরাসার শিক্ষাব্যবস্থা সংস্কারেও তিনি বহু অবদান রেখে গেছেন। আল্লামা শাহ আহমদ শফী সাহেব রহ. তাঁর কাজে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন মানুষের হৃদয়ে। বিশেষ করে শাইখুল ইসলাম রহ. দলমত নির্বিশেষে সকলকে এক পতাকা তলে এনে যেভাবে দীনের বহুমুখী  কাজ করে গেছেন ইতিহাসে তার  দৃষ্টান্ত  বিরল। 

বক্তারা বলেন, আল্লামা শাহ আহমদ শফী রহ. এর চিন্তা চেতনা ও  আদর্শ বুকে ধারণ করে ইসলাম ও মুসলমানদের কল্যাণে সকল বাতিল ও ইসলামবিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আমাদের সামনের জীবনে পথ চলতে হবে।

আলোচনা সভা ও দুআ মাহফিলে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংস্থার সেক্রেটারি জেনারেল জনাব মুহাম্মদ আহসান উল্লাহ, সহ-সভাপতি মাওলানা আবু আহমদ, মাওলানা হাবিবুল হক বিন খালেদ, মাওলানা আবদুস সমি, মাওলানা মাহমুদুল হোসাইন, মাওলানা মুফতি নাছির উদ্দীন, মাওলানা আনোয়ার, মাওলানা হোসাইন আহমদ, মাস্টার জাহিদ হোসেন, হাফেজ রিজওয়ান আরমান, আবুল হাসেম, হাফেজ ওসমান, হাফেজ শফিউল আজম, মাওলানা আজম উদ্দীন, মাওলানা ফয়জুল্লাহ,মাওলানা শোয়াইব বিন ইয়াহিয়া, মাওলানা কামরুল ইসলাম, মুফতি সোলাইমান প্রমুখ।

রংপুর ডেস্ক: রংপুর নগরের গুরুত্বপূর্ণ জুম্মাপাড়ার সড়ক সংস্কারের জন্য খোঁড়াখুঁড়ি করে ফেলে রাখা হয়েছে। এতে এই সড়ক দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে ওই এলাকার লোকজন এক মাস ধরে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। সড়কের এই দুরবস্থার কারণে ওই এলাকার ব্যবসায়ীরাও পণ্য আনা–নেওয়া করতে পারছেন না।

সিটি করপোরেশন সূত্র জানায়, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে প্রায় এক কোটি টাকা ব্যয়ে নগরের মিঠুর গলি থেকে নিউ জুম্মাপাড়া পাকার মাথা পর্যন্ত এক কিলোমিটার সড়ক সংস্কার ও দুই পাশে নালা নির্মাণের দরপত্র আহ্বান করা হয়। দরপত্র অনুযায়ী সড়কটির প্রস্থ ১৬ দশমিক ৪ ফুট। এই সড়কটির নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার কথা আগামী ডিসেম্বর মাসে। কিন্তু এই সময়ের মধ্যে সড়কের নির্মাণকাজ শেষ হবে না বলে আশঙ্কা করছে এলাকাবাসী। কারণ এখনো সড়কটির কাজ শুধু খোঁড়াখুঁড়ির মধ্যে সীমাবন্ধ রয়েছে। অনেক আগে কাজ শুরু করার কথা থাকলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আগস্ট মাসে কাজ শুরু করেছে। এ পর্যন্ত সড়কের ২০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে।

নগরের জুম্মাপাড়া এলাকাসহ আরও অনেক এলাকার লোকজন নগরের মিঠুর গলি এলাকা দিয়ে চলাচল করে। এখানে সোনালী ব্যাংকের একটি শাখা, ইলেকট্রনিক সামগ্রী, ওষুধের দোকানসহ বিভিন্ন পণ্যের শতাধিক দোকান রয়েছে।

 সরেজমিনে দেখা গেছে, নগরের জুম্মাপাড়া এলাকাসহ আরও অনেক এলাকার লোকজন নগরের মিঠুর গলি এলাকা দিয়ে চলাচল করে। এখানে সোনালী ব্যাংকের একটি শাখা, ইলেকট্রনিক সামগ্রী, ওষুধের দোকানসহ বিভিন্ন পণ্যের শতাধিক দোকান রয়েছে। সংস্কারের জন্য সড়কের দুই পাশ খুঁড়ে রাখায় ব্যবসাীয়রা নিজ উদ্যোগে কাঠ ও বাঁশ ফেলে চলাচল করছেন। এক মাসের বেশি সময় ধরে সড়কের কাজ বন্ধ।

 ইলেকট্রনিক সামগ্রীর দোকানের ব্যবসায়ী মেরাজুস সালাম বলেন, ‘রাস্তার কাজ না করে এভাবে খুঁড়ে রাখার কারণে আমাদের ব্যবসার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এর চেয়ে আগেই ভালো ছিল।’

লাইনুর নাহার নামের এক ক্রেতা বলেন, ‘যেভাবে রাস্তা খুঁড়ে রাখা হয়েছে, তাতে চলাচল করা কষ্টকর ব্যাপার। যেকোনো সময় গর্তে পড়ে যাওয়ার ভয় থাকে।’

সোনালী ব্যাংকে অবসর ভাতার টাকা তুলতে এসেছেন অনেক বয়স্ক ব্যক্তি। রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি করে রাখায় তাঁদেরও অনেক কষ্ট ও দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সড়কের খানাখন্দ পেরিয়ে ব্যাংকে প্রবেশ করতে গিয়ে অনেকে পা পিছলে পড়েও গেছেন। এ সময় একজন বৃদ্ধ বলেন, ‘এভাবে জনগণকে ভোগান্তি দিয়ে উন্নয়ন না করাই ভালো।’

এ ব্যাপারে ঠিকাদার খাইরুল কবির বলেন, ‘শর্ত সাপেক্ষে এই কাজটি সাব ঠিকাদারকে করতে দিয়েছি। এর বেশি কিছু তিনি বলতে চাননি।’

সাব ঠিকাদার লিটন পারভেজ বলেন, এ এলাকায় কিছু দোকানপাট ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থাকায় কাজ করতে গিয়ে অনেক অসুবিধা হচ্ছে। তাই কাজে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে।

 সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এমদাদ হোসেন বলেন, সড়ক এভাবে খোঁড়াখুঁড়ি করে ফেলা রাখায় নগরবাসীর কষ্ট হচ্ছে এ কথা ঠিক। তবে শিগগিরই এ সমস্যার সমাধান হবে।

এ বিষয়ে রংপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র মোস্তাফিজার রহমান বলেন, ‘রাস্তার কাজের ধীরগতির কারণে মানুষের কষ্ট হচ্ছে। এ জন্য আমি নগরবাসীর কাছে দুঃখ প্রকাশ করছি। যত দ্রুত সম্ভব কাজটি শেষ করার জন্য ঠিকাদারকে তাগাদা দেওয়া হয়েছে।’ 

প্রবচন ডেস্ক: রংপুরে অনুমোদনহীন চিকিৎসা যন্ত্রপাতি বিক্রির দায়ে পাঁচটি সার্জিক্যাল ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। ওষুধ প্রশাসন থেকে আমদানিকারক বা ব্যবসায়ীরা কোনো অনুমোদন না নেওয়ায় এই জরিমানা করা হয়।

 

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নগরীর ধাপ এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদ হাসান মৃধা।অভিযানে উত্তরা, তাহের, ঢাকা, রংপুর ও আকিব সার্জিক্যালকে ৫ হাজার টাকা করে মোট ২৫ হাজার টাকা জরিমানা ও তাদের সতর্ক করে দেওয়া হয়।


নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদ হাসান মৃধা জানান, পাঁচটি প্রতিষ্ঠানে অভিযানকালে বেশ কিছু অসঙ্গতি দেখা যায়। এসব প্রতিষ্ঠানে ব্লাড প্রেশার মেশিন, অক্সিমিটার, ডিজিটাল থার্মোমিটারসহ বেশ কিছু চিকিৎসা যন্ত্রপাতি বিদেশ থেকে আমদানি করা হলেও ওষুধ প্রশাসন থেকে সংশ্লিষ্ট আমদানিকারক বা ব্যবসায়ীরা কোনো অনুমোদন নেয়নি। বরং তারা বিভিন্ন অজুহাতে আমদানি করা বিদেশি চিকিৎসা যন্ত্রপাতি অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রি করে আসছে। ওইসব প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করাসহ সতর্ক করা হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের এই অভিযানে ওষুধ প্রশাসনের সহকারী পরিচালক মো. তৌহিদুল ইসলাম, ওষুধ তত্ত্বাবধায়ক ও মেট্রোপলিটন পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।


অনলাইন ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে রাইসিন নামক মারাত্মক বিষাক্ত পদার্থ মেশানো চিঠি পাঠানোর অভিযোগে সন্দেহভাজন এক নারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দেশটির আইনপ্রয়োগকারী এক কর্মকর্তা রবিবার এই তথ্য জানিয়েছে।

ওই কর্মকর্তা জানান, নিউ ইয়র্ক সীমান্তে ওই নারী কানাডা থেকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের চেষ্টা করছিলেন, সেসময় তার সঙ্গে বন্দুক ছিল।

এফবিআই অফিসের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সন্দেহজনক চিঠি পাঠানোর অভিযোগে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, এ নিয়ে তদন্ত চলছে।

গতকাল মার্কিন গণমাধ্যম জানায়, ট্রাম্পের নামে পাঠানো একটি চিঠিতে রাইসিন নামক এক মারাত্মক বিষাক্ত পদার্থ মেশানো ছিল। তবে হোয়াইট হাউজে পৌঁছানোর আগেই সেই চিঠি জব্দ করা হয়। বিবিসি,

 

প্রবচন ডেস্ক: নারায়ণগঞ্জের পশ্চিম তল্লার বায়তুস সালাত জামে মসজিদে ভয়াবহ গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় এখন পর্যন্ত ৯ জন গ্রেফতার হয়েছেন। তাদের মধ্যে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির চার প্রকৌশলীসহ আটজন রয়েছেন। গ্রেফতার ৯ জনকেই রিমান্ডে নিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা সিআইডি। এই ঘটনার সাথে কারোর সম্পৃক্ততা পেলে তাদেরও গ্রেফতার করা হবে বলে জানিয়েছে সিআইডি।


এদিকে বিস্ফোরণের ঘটনায় প্রশাসন, তিতাস, ফায়ার সার্ভিসের পৃথক তদন্ত প্রতিবেদনে মসজিদ কমিটির গাফিলতির বিষয়টি উঠে এসেছে। এমন অবস্থায় গ্রেফতার আতঙ্কে আছেন মসজিদ পরিচালনা কমিটির লোকজন। যদিও বিস্ফোরণে মারা গেছেন মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক হান্নান সাউদ ও কোষাধ্যক্ষ জেলা প্রশাসনের কর্মচারী শামীম হাসান। গত ৪ সেপ্টেম্বর রাতে বায়তুস সালাত জামে মসজিদে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৩৩ জনের প্রাণহানি ঘটে।


এ ঘটনায় পৃথক তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে তিতাস গ্যাস কোম্পানি, জেলা প্রশাসন ও ফায়ার সার্ভিস। বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে উৎসারিত আগুন এবং তিতাসের গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে মসজিদের অভ্যন্তরে জমা হওয়া গ্যাস থেকে বিস্ফোরণটি হয়েছে। ঘটনার পর টানা তিনদিন মসজিদের পাশে খোঁড়াখুড়ির পর তিতাসের গ্যাস লাইনের পাইপে ছয়টি লিকেজ পাওয়া যায়। তদন্ত কমিটিগুলোর প্রতিবেদনে তিতাস ছাড়াও ডিপিডিসি ও মসজিদ কমিটির অবহেলার বিষয়টিও উঠে এসেছে।


অপরদিকে এই দুর্ঘটনার পর বিভিন্ন মিডিয়াতে গ্যাস লিকেজ মেরামতের জন্য তিতাস গ্যাসের লোকজন ৫০ হাজার টাকা চেয়েছে বলে মসজিদ কমিটির সভাপতি একটি অভিযোগ এনেছিলেন। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য তিতাস গ্যাস নারায়ণগঞ্জ অফিসের গত ছয় মাসের অভিযোগ রেজিস্টার পরীক্ষা করে কোনও কিছু পাওয়া যায়নি। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তাদের কাছে তিতাসের কোন লোক টাকা চেয়েছে, তার নাম, পদবি, ফোন নম্বর ইত্যাদি চাওয়া হয়। তবে তারা এ বিষয়ে কোনও তথ্য দিতে পারেননি। স্থানীয় কমিশনার, মসজিদের মুসল্লিসহ স্থানীয় বাসিন্দাদের সাক্ষাৎকারে এই অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। কিন্তু মসজিদ কমিটির সভাপতির এ ধরনের মিথ্যা বক্তব্যে তিতাস গ্যাসের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে বলে তিতাস তার প্রতিবেদনে উল্লেখ করে।


বিস্ফোরণের ঘটনার পরদিন ৫ সেপ্টেম্বর দুপুরে ফতুল্লা মডেল থানায় পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করে। মামলায় অজ্ঞাত আসামি করা হলেও বিদ্যুৎ, গ্যাস কর্মকর্তাসহ মসজিদ কমিটির বিরুদ্ধে অবহেলা গাফিলতির অভিযোগ করা হয়েছে। ৭ সেপ্টেম্বর মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব সিআইডির কাছে হস্তান্তর করা হয়। গত শনিবার ভোরে তিতাসের সাময়িক বরখাস্ত ৮ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে গ্রেফতার করে তদন্তকারী সংস্থা সিআইডি। তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুই দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চালায় সিআইডি।


গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন-তিতাস গ্যাস কোম্পানির নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা জোনের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, উপ-ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদুর রহমান রাব্বী, সহকারী প্রকৌশলী এসএম হাসান শাহরিয়ার, সহকারী প্রকৌশলী মানিক মিয়া, সিনিয়র সুপারভাইজার মনিবুর রহমান চৌধুরী, সিনিয়র উন্নয়নকারী আইউব আলী, সাহায্যকারী হানিফ মিয়া, ওয়েল্ডার ইসমাইল প্রধান।


গত ৪ সেপ্টেম্বর রাতে বিস্ফোরণের ঘটনার পর ৭ সেপ্টেম্বর দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে তাদের সাময়িক বরখাস্ত করে তিতাস। গত শনিবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জে সিআইডির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে সিআইডির ডিআইজি মাইনুল হাসান বলেন, ‘তিতাস, বিদ্যুৎ বিভাগ, স্থানীয় মসজিদ কমিটির অবহেলা আছে কিনা সেই বিষয়গুলো আমরা তদন্ত করে দেখছি। আমরা বিভিন্ন বিষয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছি, স্থানীয় লোকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছি। এছাড়া অন্যান্য সাক্ষ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করেছি। সেসবের ভিত্তিতে তিতাসের স্থানীয় যে কর্মকর্তা-কর্মচারী ছিলেন তাদের মধ্যে ৮ জনকে আমরা গ্রেফতার করেছি। এই তদন্ত কাজ চলাকালে আরও যে ব্যক্তিবর্গের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া যাবে তাদেরকেও আইনের আওতায় আনা হবে।’


এদিকে গত শনিবার রাতেই গ্রেফতার করা হয় মোবারেক হোসেন নামে পশ্চিম তল্লা এলাকার স্থানীয় বিদ্যুৎ মিস্ত্রিকে।


এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক বাবুল হোসেন বলেন, ‘পশ্চিম তল্লার ওই মসজিদে দু’টি বিদ্যুৎ সংযোগ ছিল। যার মধ্যে একটি বৈধ এবং অপরটি অবৈধ। অভিযোগ রয়েছে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগটি স্থানীয় বিদ্যুৎ মিস্ত্রি মোবারক হোসেনের মাধ্যমে নেওয়া হয়েছে। এতে ডিপিডিসির সম্পৃক্ততা আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তাকে দুই দিনের রিমান্ডে নিয়েছি। বাকিটা জিজ্ঞাসাবাদের পর জানা যাবে।’


এদিকে গ্রেফতার হতে পারেন বায়তুস সালাত জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির লোকজনও। বিদ্যুৎ মিস্ত্রি মোবারক হোসেনের পর গ্রেফতারের আশঙ্কা করছেন তারা।


বর্তমানে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন ফতুল্লা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য আব্দুল গফুর। তিনি বলেন, ‘শনিবার সকালে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে নিয়ে যাওয়া হয় বিদ্যুতের মিস্ত্রিকে। পরে গ্রেফতার করছে শুনলাম। আমরাও গ্রেফতারের আশঙ্কা করছি। আমরা তো ডিপিডিসিকে জানিয়েই গত রোজায় বিদ্যুতের লাইনটি নিয়েছিলাম। সব মসজিদই এই কাজটি করে।’

প্রবচন ডেস্ক: মধ্যরাতে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সাবেক সহ-সভাপতি (ভিপি) নুরুল হক নুরকে আবারো হেফাজতে নিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ। সোমবার রাত ১১.৪৫ মিনিটে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পিছনের গেট থেকে গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল নুরকে তাদের হেফাজতে নিয়ে একটি গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়।

এসময় গোয়েন্দা পুলিশ ঢাকা মেডিকেল-এর পকেট গেট দিয়ে গাড়িতে তুলে নুরকে নিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার সময় নুরের সমর্থকরা সেই গাড়িতে বাধা সৃষ্টির চেষ্টা করেন। এক পর্যায়ে পুলিশ নুরকে নিয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করে।

এর আগে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৮টার দিকে নুরের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলার প্রতিবাদে মিছিল বের করে বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ। মিছিলটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্য ভবন এলাকায় গেলে পুলিশ তাতে বাধা দেয়। এসময় পুলিশের কাজে বাধা দেয়ার অভিযোগে নুরকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের কিছুক্ষণ পরেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সাবেক সহ-সভাপতি (ভিপি) নুরুল হক নুরকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। ডিবির যুগ্ম কমিশনার মাহবুব আলম গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) এক শিক্ষার্থী লালবাগ থানায় এ মামলাটি করেন। মামলায় মোট ছয়জনকে আসামি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ধর্ষণে সহযোগী হিসেবে নুরুল হক নুরের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। নুরসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে লালবাগ থানায় ঢাবি ছাত্রীর করা ধর্ষণের মামলার প্রতিবাদে রাজু ভাস্কর্যের সামনে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বিক্ষোভ করে বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ। এদিকে ছাত্র পরিষদের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ায় আহত পাঁচজন পুলিশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

এদিকে এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ৭ অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন আদালত। সোমবার ঢাকা মহানগর হাকিম বেগম ইয়াসমিন আরা মামলার এজাহার গ্রহণ করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য এ দিন ধার্য করেন।

মামলার প্রধান আসামি করা হয়েছে বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুনকে। ধর্ষণের স্থান হিসেবে লালবাগ থানার নবাবগঞ্জ বড় মসজিদ রোডে হাসান আল মামুনের বাসার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

নুর ও মামুন ছাড়া মামলার অন্য আসামিরা হলেন- বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ম-আহ্বায়ক নাজমুল হাসান সোহাগ, বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ম-আহ্বায়ক (২) মো. সাইফুল ইসলাম, ছাত্র অধিকার পরিষদের সহ-সভাপতি মো. নাজমুল হুদা এবং ঢাবি শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ হিল বাকি।

প্রবচন ডেস্ক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সাবেক সহ-সভাপতি (ভিপি) নুরুল হক নুরকে আটকের পর মুক্তি নিয়ে বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে। আটকের পর মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়েছে বলা হলেও  ঢাকা মেডিকেলে নুর ও সোহরাব হোসেনকে ডিবি প্রহরায় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে। সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলেও জানা গেছে।

সোমবার রাতে ধর্ষণের অভিযোগে মামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ থেকে নূরসহ সাতজনকে আটক করে পুলিশ।

পুলিশের কাজে বাধা দেয়া এবং পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে শাহবাগ থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এর ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই তাকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে খবর এলেও বিষয়টি নিয়ে বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে।

এ বিষয়ে রমনা জোনের এডিসি হারুন অর রশিদ গণমাধ্যমকে বলেন, তাকে ছেড়ে দেয়া হবে কি না সে বিষয়ে এখনও সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি।

ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক মশিউর রহমান জানান, নুরুল হক নুরসহ আমাদের সহযোদ্ধারা এখনও পুলিশের হাত থেকে মুক্তি পেয়েছেন কিনা, সেই বিষয়ে আমরা নিশ্চিত করে কিছু জানি না।

এর আগে, রাত ১০টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেয়া হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ বাচ্চু মিয়া।

তিনি জানান, নুরসহ দুইজনকে ডিবি পুলিশের সদস্যরা ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসেন। আরেক জনের নাম সোহরাব হোসেন। জরুরি বিভাগে তাদের চিকিৎসা চলছে।


প্রবচন ডেস্ক: ধর্ষণের অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক ভিপি নুরুল হক নূরকে আটক করেছে পুলিশ। আজ সোমবার সন্ধ্যায় ‘হয়রানিমূলক মামলা’র প্রতিবাদে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বিক্ষোভ মিছিল থেকে ভিপি নুর আটক বিষয়টি গণমাধ্যমকে শ্চিত করেছেন ছাত্র অধিকার পরিষদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি বিন ইয়ামীন মোল্লা।

তিনি বলেন, ভিপি নুরসহ আমাদের কয়েকজন সহযোদ্ধার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক ধর্ষণ মামলার প্রতিবাদে আমরা বিক্ষোভ মিছিল করছিলাম।

বিক্ষোভ মিছিলের শেষের দিকে শাহবাগ থেকে পুলিশ ভিপি নুরকে আটক করে। এসময় পুলিশের অতর্কিত আক্রমণে নুরকে বাঁচাতে গিয়ে আমাদের অনেকেই আহত হয়েছেন। আমি নিজেও আহত হয়েছি।

এর আগে রোববার নুরসহ কোটা সংস্কার আন্দোলনের ৬ নেতার বিরুদ্ধে মামলা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্রী।

মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী হাসান আল মামুনকে। ধর্ষণে সহযোগী হিসাবে ভিপি নুরকে করা হয়েছে ৩ নম্বর আসামি।

চলতি বছরের ৩ জানুয়ারি ধর্ষণ এবং এতে সহযোগিতার অভিযোগে এনে লালবাগ থানায় তাদের নামে এ মামলা করা হয়।

সোমবার গণমাধ্যমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন লালবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম আশরাফ উদ্দিন।

মামলার বিষয়ে ওসি বলেন, অভিযোগকারী ও অভিযুক্তদের সবাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। এ ঘটনায় ছয়জনকে আসামি করে রোববার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের স্নাতকোত্তর শ্রেণির এক ছাত্রী বাদী হয়ে লালবাগ থানায় মামলা করেন।

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ওই ছাত্রীকে একই বিভাগের শিক্ষার্থী হাসান আল মামুন ধর্ষণ করেছেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

ওসি আরও জানান, মামলার প্রধান আসামি হাসান আল মামুন কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীদের প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক। তার সঙ্গে আরও পাঁচজনকে সহযোগী হিসেবে আসামি করা হয়েছে। যাদের মধ্যে নুরুল হক নুর রয়েছেন। মামলায় ঘটনাস্থল দেখানো হয়েছে লালবাগের নবাবগঞ্জ এলাকা।

আসামিদের তালিকায় সহযোগী হিসেবে বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক নূরের সঙ্গে একই সংগঠনে যুক্ত নাজমুল হাসান সোহাগ, সাইফুল ইসলাম, নাজমুল হুদা ও আবদুল্লাহ হিল বাকির নাম রয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে হাসান আল মামুন বলেন, মামলার বিষয়ে কিছুই জানি না। এমন কিছুই হয়নি। এ বিষয়ে বিস্তারিত জেনে কথা বলব।

তবে মামলার খবর গণমাধ্যমে আসার পর পরই ফেসবুক লাইভে আসেন ডাকসু ভিপি নুর। মামলার বিষয়ে তেমন কিছু জানেন না এবং বাদী সেই নারীকেও তিনি চেনেন না বলে দাবি করেন ভিপি নুর। মামলাটি তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অংশ বলে মনে করছেন তিনি।

লাইভ ভিডিওতে ভিপি নুর বলেন, লালবাগ থানায় না কোথায় মামলা হয়েছে সেটি আমি জানি না। এমনকি কোন মেয়ে মামলাটি করেছে তাকেও চিনি না। আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা তো নতুন কিছু নয়। এসব মামলা-হামলা ধারাবাহিক ষড়যন্ত্রের অংশ। আমার বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক মামলা হয়েছে। চুরির মামলা, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের মামলাও হয়েছে।

 
প্রবচন ডেস্ক: মালয়েশিয়ার বিরোধীদলীয় নেতা আনোয়ার ইবরাহীম হেফাজতে ইসলামের আমীর আল্লামা শাহ আহমদ শফীর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন। আজ সোমবার তার ফেসবুক পাতায় আল্লামা আহমদ শফীর জন্যে শোক প্রকাশ করে তার মাগফিরাত কামনা করেন।


আনোয়ার  ইবরাহীম তার ফেসবুক পোস্টে লেখেন, আল্লামা আহমদ শফী অনেক বড় একজন আলেম হওয়ার পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশের কওমী মাদরাসা বোর্ডের প্রধান। তার মৃত্যু গোটা মুসলিম জাতির জন্যে অনেক বড় ক্ষতি। আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দিন এবং জান্নাতের উচুঁ মাকাম দান করুন।

স্টাফ রিপোর্টার: আজ ২০ সেপ্টেম্বর রবিবার রংপুরের আলেম-উলামা ও ইমাম-মুয়াযযিনগণের যৌথ উদ্দ্যোগে নগরীর সদর হাসপাতাল জামে মসজিদে বাদ আছর সদ্য প্রয়াত আল্লামা শাহ আহমদ শফী রহ. এর রুহের মাগফিরাত কামনা করে এক দোয়া-মাহফিলের আয়ােজন করা হয়। এতে উপস্থিত হয়েছিলেন রংপুর জুম্মাপাড়া মাদরাসার মুহতামিম হাফেজ ইদ্রিস আলী ও নায়েবে মুহতামিম মাওলানা ইউনুস আলীসহ  রংপুরের শীর্ষস্থানীয় উলামা-মাশায়েখ ও ইমাম-খতিবগণ।


দোয়া মাহফিলে আলেমগণ বলেন, শাইখুল ইসলাম রহ. ছিলেন বাংলাদেশের কোটি জনতার হৃদয়ের স্পন্দন ও মুকুটিবিহীন সম্রাট। তিনি ছিলেন এদেশের সকল উলামায়ে কেরামের অভিভাবক এবং বাতিলের বিরুদ্ধে আপসহীন বীর সিপাহসালার। একাধারে হাদীস, তাফসির ও ফিকাহ শাস্ত্রসহ বিভিন্ন বিষয়ে পাণ্ডিত্য ছিল তাঁর অনন্য বৈশিষ্ট্য । এদেশে তাঁর অবদান অতুলনীয়। তিনি আওলাদে রাসুল আল্লামা হুসাইন আহমদ মাদানী রহ. এর একান্ত  শাগরিদ ও খলিফা ছিলেন।


তারা বলেন, আল্লামা আহমদ শফী রহ. প্রায় চার যুগ ধরে হাদীসের দরস দিয়ে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়েছে তাঁর লাখ লাখ ছাত্র-শাগরিদ। তিনি ছিলেন একাধারে চট্টগ্রামের আল জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদরাসার মহাপরিচালক, কওমী মাদরাসা শিক্ষা বাের্ড  (বেফাক) ও  আল হাইয়াতুল উলয়া-লিল জামিয়াতিল কওমীয়া বাংলাদেশের চেয়ারম্যান।


বক্তারা আরো বলেন, আল্লামা আহমদ শফী রহ. এর আহ্বানেই ২০১৩ সালে  বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ গণজমায়েত হয় ঢাকার শাপলা চত্তরে। সেসময় নাস্তিক্যবাদী সমাজের বিরুদ্ধে তাঁর এই আন্দোলন সাড়া ফেলেছিল গোটা পৃথিবীতে।

দোয়া মাহফিলের প্রধান অতিথি হাফেজ ইদ্রিস আলী বলেন, শাইখুল ইসলাম রহ. এর বিদায়ে বাংলাদেশে যে শূন্যতা সৃষ্টি হলো তা কোনদিনই পূরণ হবার নয়। আমরা উত্তরসূরী হিসেবে তাঁর রেখে যাওয়া মিশন বাস্তবায়নের সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাবো ইনশাআল্লাহ।


দোয়া-মাহফিলে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রংপুর জুম্মাপাড়া মাদরাসার শাইখুল হাদিস মুফতি জসিম উদ্দিন, জুম্মাপাড়া সদর জামে মসজিদের খতিব  মাওলানা মাহমুদুর রহমান, দারুল আমান মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা সাইফুল ইসলাম,  মাওলানা সাইফুল ইসলাম জিহাদী,  মাওলানা আবু সাঈদ,  কারী আতাউল হক, মাওলানা কাজী হামদুল্লাহ, মাওলানা হাবীবুল্লাহ, মাওলানা নিয়ামুল হক বিপ্লবী, হাফেজ আমজাদ হােসেন, মাওলানা জোবায়ের আহমদ ও হাফেজ জয়নাল আবেদীন প্রমুখ। 


দোয়া-মাহফিলে দোয়া পরিচালনা করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ও জুম্মাপাড়া মাদরাসার পরিচালক হাফেজ ইদ্রিস আলী। 

 

উল্লেখ্য, শাইখুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফী গত ১৮ সেপ্টম্বর  শুক্রবার সন্ধ্যা ৬ টা২০ মিনেটে ঢাকার আজগর আলী হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন। পরদিন শনিবার বেলা ২টায় হাটহাজারী মাদরাসার মাঠে তাঁর জানাযা শেষে মাদরাসার প্রাতিষ্ঠানিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়।



হেফাজত ইসলামের আমীর বাংলাদেশ কওমী শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান শাইখুল হাদিস আল্লামা শাহ আহমদ শফীর জানাজায় লাখো মানুষের ঢল নামে। আজ শনিবার জোহরের নামাজের পর বেলা দু’টায় আল-জামিয়াতুল আহালিয়া দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদ্রাসায় তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।


হেফাজত ইসলামের আমীর বাংলাদেশ কওমী শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান শাইখুল হাদিস আল্লামা শাহ আহমদ শফীর জানাজায় লাখো মানুষের ঢল নামে। আজ শনিবার জোহরের নামাজের পর বেলা দু’টায় আল-জামিয়াতুল আহালিয়া দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদ্রাসায় তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

মাদ্রাসার প্রান্তর ছাড়িয়ে জানাজার সারি দীর্ঘ হয় চট্টগ্রাম- হাটহাজারী খাগড়াছড়ি- রাঙ্গামাটি মহাসড়কের প্রায় চার কিলোমিটার উত্তর দক্ষিণে। এতে প্রায় আট লক্ষের অধিক মানুষ জানাজায় অংশগ্রহণ করেন। হাটহাজারী মাদ্রাসার ময়দান, ঈদগা ময়দান,বাজার সড়ক, বাস স্টেশন জিরো পয়েন্ট মোড়, কলেজ গেইট, ফায়ার সার্ভিস মোড়, সরকারি মেডিকেল গেটসহ খাগড়াছড়ি রাঙ্গামাটি মহাসড়কের ওপর, বিভিন্ন বিল্ডিং এর ছাদে দাঁড়িয়ে নামাজে জানাজায় মানুষ শরিক হন।

 

দেশ-বিদেশের ও জেলার শীর্ষ আলেমরা ছাড়াও মাদ্রাসার ছাত্র এবং সাধারণ মানুষ এতে যোগ দেন। জানাজায় ইমামতি করেন আল্লামা শাহ আহমদ শফীর বড় ছেলে মাওলানা ইউসুফ। অন্যদের মধ্যে যোগ দেন চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) আসনের এমপি সাবেক বন ও পরিবেশমন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এমপি।


জানাজাকে ঘিরে পুরো হাটহাজারীতে অতিরিক্ত পুলিশ, র্যা ব, বিজিবি মোতায়েন করা হয়। মাঠে ছিলেন সাতজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

শনিবার সকাল সাড়ে ছয়টা থেকে চট্টগ্রাম-হাটহাজারী রাঙ্গামাটি খাগড়াছড়ি মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।


জানাযার শেষে লাখো ভক্তবৃন্দ ও শিক্ষার্থীদের অশ্রুসিক্ত শ্রদ্ধায় হাটহাজারী মাদ্রাসার ভেতরে উত্তর পাশে বায়তুল আতিক জামে মসজিদ সংলগ্ন ‘মাকবারায়ে জামেয়া’ নামক কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন আল্লামা শাহ আহমদ শফী।


উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে বারোটার দিকে হাটহাজারী মাদ্রাসা থেকে ফায়ার সার্ভিসের অ্যাম্বুলেন্সে করে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তার অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় শুক্রবার বিকেল চারটার দিকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স হেলিকপ্টারযোগে ঢাকার আজগর আলী হসপিটালে নিয়ে গেলে সেখানে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের সময় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। দেশের শীর্ষ কওমী আলেম আল্লামা আহমদ শফীর শরীরে বাসা বেঁধেছিলো নানা রোগ। ১০৫ বছর বয়সী এ প্রবীণ আলেম ডায়াবেটিকস, উচ্চ রক্তচাপসহ বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন।



রাশিদুল ইসলাম


এক. শাইখুল ইসলামের সন্ধান

তখন নাহবেমীর জামাতে পড়ি। বয়সে অনেক ছোট। তাই দেশ-বিদেশের বিখ্যাত মাদরাসা ও যুগশ্রেষ্ঠ আলেম উলামা সম্পর্কে অবগত ছিলাম না। গ্রামের এক ছোট্ট মাদরাসায় লেখাপড়া করতাম। এতকিছু জানার উপায়ও ছিল না। উস্তাদগণ সেসব ইতিহাস শোনালেও স্মরণ রাখতে পারতাম না। কারণ আমার বয়স কম। 


ছুটির সময় আমাদের মাদরাসায় এক সাথীর সাক্ষাত হল। সে মোবাইল থেকে একটি ছবি দেখিয়ে আমাকে বলল, ছবিটি কার বলতে পারবি? 

ছবিটি দেখে বললাম, চিনি না তো! কে ইনি? সে অবাক হয়ে বলল, ইনি হলেন বাংলাদেশের সবচে’ বড় আর সর্বপ্রথম মাদরাসা; হাটহাজারী মাদরাসার মুহতামিম আল্লামা আহমদ শফী সাহেব। এ বছর আমার বড়ভাই তাঁর কাছে বুখারি শরিফ পড়ে মাওলানা হয়েছে।


তার কথাগুলো খুব মনযোগ দিয়ে শুনলাম। ভাবতে লাগলাম, ইস! আমিও যদি শাইখকে দেখতে পেতাম, আমিও তার কাছে বুখারি পড়তে পারতাম!

সাথীকে বললাম, আমিও তাঁর কাছে বুখারি শরিফ পড়বো ইনশাআল্লাহ!


দুই. শাইখুল ইসলামের সন্ধান দর্শন লাভ 

ইসলামবিরোধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদ-সহ ১৩ দফা দাবী নিয়ে মাঠে নেমেছে হেফাজতে ইসলাম। তখন আমি কুড়িগ্রাম জেলার অন্যতম মাদরাসা হামিচ্ছুন্নাহতে কাফিয়া পড়ি। একদিন আমাদের দরসে একজন উস্তাদ বললেন, দেশের দুই সিংহপুরুষ শাইখুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফী ও আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীর হাতে হাত রেখে হেফাজতের ব্যানারে দেশের শীর্ষ উলামায়ে কেরাম ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন। ৬ এপ্রিল ঐতিহাসি ঢাকা লংমার্চ করা হয়েছে। লংমার্চ পরবর্তী সমাবেশে দেশের প্রতিটি বিভাগেও সমাবেশ কর্মসূচির ঘোষণা এসেছে। সেই অনুযায়ী উত্তরবঙ্গে বগুড়ার কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে ফকিহুল মিল্লাত আল্লামা মুফতী আব্দুর রহমান রহ. এর সভাপতিত্বে ২৯ এপ্রিল ২০১৩ শানে রেসালাত মহাসম্মেলনের তারিখ দেয়া হয়। এতে আমিরে হেফাজত শাইখুল ইসলাম আল্লামা আহমদ শফী ও মহাসচিব আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীসহ দেশের বড় বড় উলামায়ে কেরাম যোগ দেবেন।


সংবাদটি শুনে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত হই। কুড়িগ্রাম থেকে শানে রেসালাত সম্মেলনে যোগ দিতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিই। সবার প্রস্তুতির চেয়ে আমার প্রস্তুতিটা ছিল একটু ভিন্ন। কারণ এটাই ছিল আমার জীবনে সর্বপ্রথম কোন আন্দোলনে যোগদান। দ্বিতীয়ত প্রাণপ্রিয় শাইখদের একনজর দেখার জন্য বহুদিনের অপেক্ষা। শাইখুল ইসলামের মত আধ্যাত্মিক রাহবার; যাকে না দেখেও প্রতিদিন তাঁর প্রতি মুগ্ধতা আর ভালবাসা বেড়েই চলেছে। 


শতবাধা উপেক্ষা করে একপর্যায় আমরা মাঠে পৌঁছলাম। আল্লাহু আকবার! শাইখুল ইসলামের আহ্বানে শানে রেসালাত সম্মেলনে লক্ষাধিক ধর্মপ্রাণ তাওহিদী জনতার ঢল নেমেছে। পুরো ময়দান কানায় কানায় পূর্ণ। আমরা কয়েকজন স্টেজের সামনে গিয়ে বসলাম। এখনো মাঠে পৌঁছেননি আমিরে হেফাজত, মহাসচিব ও ফকিহুল মিল্লাত। অপেক্ষার প্রহর গুণতে গুণতে একসময় সংবাদ এল, তাঁরা মাঠের দিকে রওনা দিয়েছেন। তাঁদের আগমন সংবাদে নারায়ে তাকবির স্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠল পুরো ময়দান। তিন শায়খকে স্টেজে তোলা হল। এ সম্মেলন উপলক্ষ্যে তিন জীবন্ত আকাবিরকে জীবনে সর্বপ্রথম দেখার সৌভাগ্য হল আলহামদুলিল্লাহ।


 তিন. প্রথম বাইআত এবং তাসবিহ কথন

যেদিন শুনেছি আল্লামা শাহ আহমদ শফী হাফি. তাসাউফের প্রসিদ্ধ চার তরিকার পীর ও মুরশিদ সেদিন থেকেই তাঁর কাছে ‘বাইআত আলাত তাওবা’ করে আমলের মাধ্যমে জীবন পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। হৃদয়ে সর্বোচ্চ সম্মানের স্থানে জায়গা দিয়েছি তাঁেক। 


কবে তাঁর সোহবত পাবো এইই ছিল ভাবনা। একদিন শুনতে পেলাম, শাইখুল ইসলাম রংপুর হাজীপাড়া মাদরাসায় মেশকাতের সমাপনী দরস দিতে আসবেন। এদিকে শাইখুল ইসলামের আগমনে আমাদের মাদরাসা থেকে দু’টি বাস রিজার্ভ করা হয়েছে। ছাত্রদেরও যাওয়ার সুযোগ আছে। আমি শুনে অত্যন্ত খুশি হলাম। ভাবলাম আজ মাহেন্দ্রক্ষণ। আজ শাইখের হাতে বাইআত হতে পারবো। 

হাজীপাড়ায় পৌঁছার কিছুক্ষণ পর শাইখ এলেন। অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে মুসাফাহা করা সম্ভব হয়নি। সংক্ষিপ্ত সময়ে আলেম-উলামা এবং ছাত্রদের উদ্দেশ্যে তিনি সময়োপযোগী মূল্যবান নসিহত করলেন। এরপর সবার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে চলে গেলেন। সেদিন আর  কোন কিছুর সুযোগ হল না।


একসময় উস্তাদগণের পরামর্শে ঢাকার যাত্রাবাড়ী মাদরাসায় হিদায়া জামাতে ভর্তি হলাম। আমাদের কিছু সাথী উম্মুল মাদারিস হাটহাজারীতে ভর্তি হল। তাদের সাথে যোগাযোগ রেখে শাইখের খোঁজ-খবর রাখতাম। একদিন সাথীরা ফোনে জানালো, এবার হাটহাজারী মাদরাসার বার্ষিক মাহফিলে সফরে আসতে পারো। মাহফিলের দিন শাইখের হাতে বাইআত হওয়ার সুযোগ মিলতে পারে। 

দারুণ উৎসাহিত হলাম। ট্রেনের দীর্ঘ সফর শেষে হাটহাজারী এলাম। মাদরাসার গেটের সামনে আসতেই মনটা জুড়িয়ে গেল। আশ্চর্যের বিষয় হল, গেট দিয়ে প্রবেশ করা মাত্রই দেখতে পেলাম, এহাতা ভবনের দ্বিতীয় তলায় আমাদের প্রাণপ্রিয় শাইখ বসে আছেন। লাইনে দাঁড়িয়ে মানুষ মুসাফাহা করছে। আমরা আনন্দে দৌঁড়ে গিয়ে মুসাফাহার জন্য লাইনে দাঁড়ালাম। সালাম দিয়ে দু’হাত বাড়িয়ে মুসাফাহা করলাম।

এরপর আমার শাইখে সানি আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীর দেখা পেলাম। দুঃখজনক কথা হল, সে সফরেও শাইখের কাছে বাইআত হওয়ার সুযোগ হল না।


বছরের শেষে একবার শুনতে পেলাম শাইখ ঢাকা ফরিদাবাদ মাদরাসায় বুখারি শরিফের আখেরি দরস দেবেন এবং বাইআত করাবেন। হয়তো এবার আল্লাহ তাআলা দিলের আশাটুকু পূরণ করবেন। মাগরিব নামায শেষে হাজার হাজার আলেম উলামা এবং ছাত্রদের নিয়ে শাইখ বুখারি শরিফের আখেরি দরস দিলেন। সবশেষে এলান করা হল, ফজরের পরে বাইআত করানো হবে। বাদ ফজর বাইআতের উদ্দেশ্যে শাইখ রুমাল বাড়িয়ে দিলে তাঁর হাতের সাথে হাত লাগিয়ে রুমাল ধরার সুযোগ হয়। বাইআত শেষে তিনটি আমলের সবক দিয়ে তিনি বলেন, ‘বাদবাকি আমল কখনো হাটহাজারী গেলে আমার সাথে দেখা করে নিবেন অথবা মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস সাহেবকে আমি বলে রাখবো তাঁর কাছে নিয়ে নিবেন’। আমি শাইখের সামনে বসা ছিলাম, শাইখ আমার দিকে তাকিয়ে বললেন,ও মিয়া, তোমার তাসবিহ আছে ? হালকা মাথা নাড়িয়ে ক্ষীণ আওয়াজে বললাম, নেই। শাইখ বলেন, ‘এখান থেকে যাওয়ার পর একশত দানার তাসবিহ খরিদ করবেন, সকাল-সন্ধা ছয়শত বার আল্লাহর যিকির করবেন’। আমি বললাম, জী ইনশাআল্লাহ। শেষ বারের মত শাইখের সাথে মুসাফাহা করে যাত্রাবাড়ীর দিকে রওনা হলাম এবং পৌঁছেই শাইখের কথামত জীবনের প্রথম তাসবিহ ক্রয় করলাম। 


বছর শেষ হলে আসাতেযায়ে কেরামের পরামর্শে হাটহাজারীতে ভর্তি হই এবং শাইখের নিসবতে খানকায়ে মাদানীতে যথাসাধ্য সময় দেয়ার চেষ্ট করি। ২০১৮ সালে শাইখের কাছে রাসুল সা. এর ঐশী বাণী হাদিসের সর্বোচ্চ কিতাব বুখারি শরিফ ও শামায়েল তিরমিযি এবং মসনবী শরিফ দরসান পড়ার সৌভাগ্য হয়। এছাড়াও বেশকিছু কিতাবের ইজাযত পেয়ে তাঁর নগন্য শাগরিদ হওয়ার সৌভাগ্য হয়, যেটা আমার বহুদিনের সাধনা এবং জীবনের সবচেয়ে বড় পাওয়া।


শাইখুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফী নিছক একটি নাম নয় একটি পরিবর্তনের ইতিহাস। তাঁর মেহনতের বদৌলতে হাজারো মানুষের অন্তরে আল্লাহর ধ্যান ও মুরাকাবার দৌলত অর্জিত হয়, যারা রাতের শেষাংশে জাগ্রত হয়ে আল্লাহ কুদরতি পায়ে সিজদায় লুটে পড়ে, যিকিরে মাশগুল হয়। তাঁর সাহসিকতায় আজ আলেম উলামা একতাবদ্ধভাবে দীনের কাজ আঞ্জাম দেয়ার হিম্মত পায়। 


লেখক, ফাজেলে দারুল উলুম হাটহাজারী


Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget