October 2020


প্রবচন ডেস্ক :  ফ্রান্সের সরকারী বহুতল ভবনে প্রজেক্টরের মাধ্যমে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শনের প্রতিবাদে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ ঢাকা মহানগরীর উদ্যোগে ফ্রান্স দুতাবাস ঘেরাও কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আজ ৩১ অক্টোবর জামিয়া রহমানিয়ায় মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব এর সভাপতিত্বে জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে আগামী ২ নভেম্বর সোমবার সকাল ১১ টায় ফ্রান্স দূতাবাস ঘেরাও কর্মসূচি  এবং ঘেরাও পূর্বক বায়তুল মোকাররম উত্তর গেটে সমাবেশ করার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের নানা দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

ফ্রান্স দূতাবাস ঘেরাও কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করবেন, আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন, হেফাজত মহাসচিব আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, মাওলানা খুরশিদ আলম কাসেমী, মাওলানা মাহফুজুল হক, মাওলানা ফজলুল করিম, মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, মুফতী মুনির হোসাইন কাসেমী, মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী, মুফতী কেফায়েতুল্লাহ আজহারী, মুফতী আজহার,  মাওলানা জালালুদ্দিন, মাওলানা ফয়সাল, মাওলানা শরীফুল্লাহ প্রমুখ।

বৈঠকে নেতৃবৃন্দ ফ্রান্স দূতাবাস ঘেরাও কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সর্বস্তরের তৌহিদী জনতাকে উপস্থিত থেকে ঈমানী দায়িত্ব পালন করার আহ্বান জানান। 


প্রবচন ডেস্ক: ৩১ অক্টোবর শনিবার রংপুরের আলেম-উলামা ও ইমাম খতিবদের সংগঠন `ইমাম উলামা পরিষদ রংপুর’ এর কার্যকরী কমিটির এক সভা জুম্মাপাড়াস্থ অস্থায়ী কার্যালয়ে পরিষদের সভাপতি মাওলানা ইউনুস আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।

এতে ফ্রান্সের রাষ্ট্রীয় মদদে বিশ্বনবী সা. এর অবমাননার প্রতিবাদে ২৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার রংপুর প্রেসক্লাব চত্বরে ইমাম উলামা পরিষদ রংপুরের ডাকে প্রতিবাদী মানববন্ধন কর্মসূচি সুষ্ঠুভাবে সফল করায় সর্বস্তরের তৌহিদী জনতা, স্থানীয় প্রশাসন ও সাংবাদিকবৃন্দের প্রতি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন জানানো হয়।

সেইসাথে লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রামের বুড়িমারী ইউনিয়নে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ঘটনা অনাকাঙ্খিত ও দুঃখজনক বলে জানানো হয়। এই ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তসাপেক্ষে সত্য উন্মোচনের মাধ্যমে প্রকৃত দোষী ব্যক্তিদেরকে দ্রুত শাস্তির আওতায় আনার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবী জানানো হয়।


প্রবচন ডেস্ক: হযরত মুহাম্মদ সা. ও তাঁর স্ত্রী আয়েশা সিদ্দীকাকে রা. নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে কটূক্তি করায় ফেনীতে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাতে মিঠুন দে ওরফে পিকলু নীল (৩২) নামের ওই যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়।

মিঠুন দে ওরফে পিকলু নীল ফেনী শহরের ডাক্তার পাড়ার বাসিন্দা কালি প্রসাদ ওরফে বাচ্চু দে’র ছেলে।

ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) ওমর হায়দার  জানান, গ্রেপ্তার পিকলু তার ব্যবহৃত ফেসবুক আইডি ‘পিকলু নীল’ থেকে ধর্মীয় উসকানিমূলক বিভিন্ন প্রচারণা চালিয়ে আসছিল। এসব পোস্ট ছড়িয়ে পড়লে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের মধ্যে ক্ষোভ ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তারা প্রশাসনের কাছে তাকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে প্রশাসনের কাছে দাবি জানায়।

এরপর বৃহস্পতিবার রাতে পিকলুকে আটক করা হয়। আটকের পর ফেনী সদর উপজেলার ধলিয়া ইউনিয়নের ফজল উদ্দিন ক্বারি বাড়ির আশেক এলাহীর ছেলে ছানা উল্লাহ বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে ফেনী মডেল থানায় মামলা করেন। মামলা দায়েরের পর পিকলুকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

ওসি আরও জানান, আজ শনিবার পিকলুকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আরটিভি নিউজ


প্রবচন ডেস্ক: লালমনিরহাটের পাটগ্রামের বুড়িমারীতে গুজব ছড়িয়ে যুবককে পিটিয়ে হত্যা করে মরদেহ আগুনে পোড়ানোর ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রধান করে তদন্ত কমিটি গঠন করেন জেলা প্রশাসক মো. আবু জাফর। আগামী ৩ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। অপরদিকে র‍্যাবের পক্ষ থেকেও ছায়া তদন্ত করা হচ্ছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত যুবক শহিদুন্নবী জুয়েল রংপুর শহরের শালবন মিস্ত্রীপাড়া এলাকার আব্দুল ওয়াজেদ মিয়ার ছেলে। তিনি রংপুর ক্যান্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের সাবেক গ্রন্থাগারিক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, শহিদুন্নবী জুয়েল বৃহস্পতিবার বিকেলে সুলতান যোবাইয়ের আব্দার নামে একজন সঙ্গীসহ বুড়িমারী বেড়াতে আসেন। বিকেলে বুড়িমারী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে আসরের নামাজ আদায় করেন তারা।

নামাজ শেষে পাঠ করার জন্য মসজিদের সানসেটে রাখা কোরআন শরীফ নামাতে গিয়ে অসাবধনাতাবশত কয়েকটি কোরআন ও হাদিসের বই তার তার পায়ের ওপর পড়ে যায়। এ সময় তুলে চুম্বনও করেন জুয়েল। বিষয়টি নিয়ে তার সঙ্গে মুয়াজ্জিনের কথা কাটাকাটি হয়। এরপর আশপাশের লোকজন ছুটে এসে সন্দেহবশত জুয়েল ও সুলতান যোবাইয়েরকে পাশে ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের একটি কক্ষে আটকে রাখে। খবর পেয়ে পাটগ্রাম উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউএনও, ওসি বুড়িমারী ইউনিয়ন পরিষদে উপস্থিত ছিলেন ।

সন্ধ্যায় পুরো বাজারে এবং পাশের গ্রামে গুজব ছড়িয়ে পড়ে কোরআন অবমাননার দায়ে দুই যুবককে আটক করা হয়েছে। এ সময় উত্তেজিত হয়ে বিক্ষুব্ধ জনতা ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের দরজা জানালা ভেঙে প্রশাসনের কাছ থেকে জুয়েলকে ছিনিয়ে নিয়ে পিটিয়ে হত্যা করে। পরে মরদেহ টেনে পাটগ্রাম বুড়িমারী মহাসড়কে নিয়ে আগুনে পুড়িয়ে ছাই করে দেয়। এ সময় বিক্ষুব্ধ জনতা মহাসড়কে আগুন জ্বালিয়ে অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল করে।

সন্ধ্যা থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পাটগ্রাম ও হাতীবান্ধা থানা পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দফায় দফায় চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। এ সময় বিক্ষুব্ধ জনতার ছোড়া ইট পাথরের আঘাতে পাটগ্রাম থানার ওসি সুমন্ত কুমার মোহন্তসহ ১০ জন পুলিশ সদস্য আহত হন। জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে ১৭ রাউন্ড ফাঁকাগুলি ছোড়ে পুলিশ।

রাত সাড়ে ১০টার দিকে লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক আবু জাফর ও পুলিশ সুপার (এসপি) আবিদা সুলতানা অতিরিক্ত পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। নিহত জুয়েলের সঙ্গী সুলতান যোবাইয়েরকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছে পুলিশ। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের পাশাপাশি র‌্যাবের সদস্যরা টহল অব্যাহত রেখেছেন।

পাটগ্রাম থানার ওসি সুমন্ত কুমার মোহন্ত সাংবাদিকদের বলেন, এ ঘটনায় নিহতের পরিবার, পুলিশের ওপর হামলা ও ইউনিয়ন পরিষদ ভাঙচুরের দায়ে পৃথক তিনটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। অপরাধীদের চিহ্নিত করতে কাজ করছে পুলিশ।

লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক মো. আবু জাফর সাংবাদিকদের বলেন, এ ঘটনায় মামলা করা হচ্ছে। তদন্ত প্রতিবেদন পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


প্রবচন ডেস্ক: ফ্রান্সে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ সা. এর অবমাননাকর কার্টুন প্রদর্শনের প্রতিবাদে দেশের সর্ববৃহৎ অরাজনৈতিক ধর্মীয় সংগঠন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ চট্টগ্রাম মহানগর শাখা আজ (৩০ অক্টোবর) দুপুরে চট্টগ্রামে আন্দরকিল্লায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করে। 

বিক্ষোভ সমাবেশে সরকারিভাবে ফ্রান্সের সকল পণ্য আমদানী নিষিদ্ধ ও কুটনৈতিক সম্পর্ক বর্জন আহ্বান জানান হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব শায়খুল হাদিস আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী।

ফ্রান্স সরকার কর্তৃক মহানবী হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর অবমাননা সহ্য করার মতো নয় উল্লেখ করে হেফাজত মহাসচিব বলেন, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ হযরত রাসূলূল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কার্টুন প্রকাশ করে মুসলিম উম্মাহর হৃদয়ে চরম আঘাত হেনেছে। এ জন্য ফ্রান্সকে বিশ্ব মুসলিমের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে।


চট্টগ্রাম মহানগর হেফাজতের সভাপতি মাওলানা হাফেজ তাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন, মাওলানা সরোয়ার কামাল আজিজী, মাওলানা আলী ওসমান, মুফতী হারুন ইজহার, মাওলানা নাছির উদ্দিন মুনির, মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী, মাওলানা মীর ইদরিস, মাওলানা হাফেজ তৈয়ব, মাওলানা কারী ফজলুল করিম জিহাদী, মাওলানা জিয়াউল হোসাইন, মুফতী হাসান মুরাদাবাদী, মাওলানা জালালউদ্দিন,মাওলানা আনিসুর রহমান, মাওলানা আনোয়ার হোসেন রববানী, মাওলানা ইকবাল খলিল, মাওলানা সায়েম উল্লাহ, মাওলানা কামরুল ইসলাম কাসেমী প্রমূখ।


হেফাজতের আহবানে সাড়া দিয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম, সিলেট, খুলনা বিভাগসহ দেশের বিভিন্ন জেলা শহর ও গ্রামগঞ্জে শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ সমাবেশ কর্মসূচি সর্বাত্মক সফল করায় হেফাজত নেতৃবৃন্দ, দেশবাসী ও নবীপ্রেমিক তৌহিদি জনতাকে মোবারকবাদ জানিয়ে হেফাজত মহাসচিব আল্লামা বাবুনগরী বলেন, বাংলাদেশ সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম অধ্যুষিত দেশ। এ দেশের মানুষ ধর্মপ্রাণ, ইসলাম ও নবীপ্রেমিক আমি দেশবাসীর প্রতি আশাবাদী, ভবিষ্যতেও হেফাজতের যে কোন কর্মসূচি বাস্তবায়নে আপনারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করবেন।

আল্লামা বাবুনগরী আরো বলেন, হেফাজতের কর্মসূচিতে দেশের সর্বস্তরের জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণই এ কথা প্রমাণ করে যে, বিশ্বের যে কোন প্রান্তে আমাদের কলিজার টুকরা নবী হযরত মুহাম্মদ সা.কে নিয়ে কোন কুলাঙ্গার কটুক্তি করলে, অবমাননা করলে পৃথিবীর দেড়শ কোটি মুসলমান তা কখনো মেনে নেবে  না। প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠবে গোটা বিশ্ব।

বিশ্বনবীর ইজ্জত রক্ষায় হেফাজতে ইসলামের ঈমানী আন্দোলন ছিল, আছে, থাকবে উল্লেখ করে আল্লামা বাবুনগরী আরো বলেন, বিশ্বনবী সা.এর অবমাননাকারীদের বিরুদ্ধে হেফাজতে ইসলামের ঈমানী আন্দোলন চলবেই। রাসূল সা. এর অবমাননার প্রতিবাদে প্রয়োজনে আরো কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। 

আল্লামা বাবুনগরী বলেন, ইসলামের শি’আর তথা নিদর্শনকে অবমাননা, রাসুল সা.এর শানে কটুক্তি ও অবমাননাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে বিশ্বের সকল দেশের পার্লামেন্টে বিল পাশ করা উচিত।

অনতিবিলম্বে ফ্রান্স সরকার রাসূল সা. এর ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শন বন্ধ না করলে বিশ্বনবীর ইজ্জত রক্ষায় পৃথিবীর দেড়শ  কোটি নবীপ্রেমিক মুমিন মুসলমান ফ্রান্সের বিরোদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দূর্বার আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবে বলেও হুশিয়ারী উচ্চারণ করেন হেফাজত মহাসচিব আল্লামা বাবুনগরী।


প্রবচন: ফ্রান্সে মহানবী সা. এর ব্যাঙ্গ কার্টুন তৈরি করে রাষ্ট্রীয় মদদে প্রচার ও প্রদর্শনের প্রতিবাদে রংপুর জেলার আলেম-উলামা ও ইমাম-খতিবদের সংগঠন ইমাম উলামা পরিষদ রংপুর প্রতিবাদী মানববন্ধন করে। 

২৯ অক্টোবর ২০২০ বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় ইমাম উলামা পরিষদ রংপুর এর আহ্বানে রংপুর প্রেসক্লাব চত্বরে এ মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

এতে সভাপতিত্ব করেন পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা হাফেজ মাওলানা ইদ্রীস আলী।




মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ফ্রান্সে প্রেসিডেন্ট ইম্যানুয়েল ম্যাক্রোঁর প্রত্যক্ষ মদদে রাষ্ট্রীয় সহযােগিতায় পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ মানব, মুসলমানদের হৃদয়স্পন্দন বিশ্বনবী মুহাম্মাদ সা. এর ব্যাঙ্গচিত্র তৈরি করে পৃথিবীর দুইশাে কোটি মুসলমানের হৃদয়ে কুঠারাঘাত করা হয়েছে। সেই সাথে এসব ব্যাঙ্গচিত্র প্রদর্শন করা বন্ধ করবে না বলে জানিয়ে বিশ্বের সকল মুসলমানের মানবিক ও মৌলিক অধিকার চরমভাবে খর্ব করেছে ম্যাক্রোঁ।


বক্তারা আরাে বলেন, একজন মুসলমান কখনাে কোন গুস্তাখে রাসুলের সহযােগী হতে পারে না। তাই মুসলমানদের ইমানী দায়িত্ব হয়ে দাঁড়িয়েছে ফ্রান্সের যাবতীয় পণ্য বর্জন করা।


ফ্রান্সের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক বর্জন করে তাদেরকে সমুচিত জবাব দেয়ার জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রতিও তারা জোর দাবী জানান।


এসময় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন পরিষদের সহ-সভাপতি মুফতি জসিম উদ্দীন, মাওলানা রবিউল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মাহমুদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক হাফেজ আমজাদ হােসাইন, প্রধান মিডিয়া সম্পাদক ক্বারী আতাউল হক, মাওলানা ইউছুফ আলী, ক্বারী আশরাফ আলী, মাওলানা নেয়ামুল হক, মাওলানা কাজী হামদুল্লাহ ও হাফেজ জয়নাল আবেদীনসহ পরিষদের অন্যান্য নেতারা।





স্টাফ রিপোর্টার: রংপুর নগরীর মডার্ন মোড় এলাকা থেকে গতকাল ২৭ অক্টোবর মাদকাসক্ত ছয় যুবককে আটক করা হয়েছে। তাদের প্রত্যেককে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে তিন মাসের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। 

দুপুরে নগরীর তাজহাট থানাধীন মর্ডান মোড় এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের এক অভিযানের সময় তাদেরকে আটক করা হয় বলে জানান অভিযানে নেতৃত্বদানকারী জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদ হাসান মৃধা।


আটককৃতরা হলেন- নগরীর তাজহাট আলহাজ্ব নগরের মজিবর রহমানের ছেলে মইনুল হাসান মামুন (২৫), সূত্রাপুরের মৃত মাহাবুল আলমের ছেলে গোলাম রব্বানী (৩৩), একই এলাকার আকবর আলীর ছেলে আমিনুল ইসলাম সোহাগ (২২), তাজহাট আদর্শপাড়ার দিলীপ চন্দ্র রায়ের ছেলে বিনোদ চন্দ্র রায় (২৬), স্টেশন রোড এলাকার মৃত নূর ইসলাম নুরুর ছেলে নুরুল হক মিলন ওরফে হিজড়া মিলন (৩৪) ও নূরপুরের মৃত হুমায়ুন কবিরের ছেলে আসাদুজ্জামান অনিক (২৭)।


নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদ হাসান মৃধা জানান, মঙ্গলবার সকালে তাজহাট থানা পুলিশের সহযোগিতায় নগরীর মর্ডান মোড় এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালানো হয়। এ সময় ছয়জনকে আটক করা হয়। পরে তাদের প্রত্যেককে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পাঁচ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে তিন মাসের করাদণ্ড প্রদান করা হয়।

তবে আটক হওয়া মাদকসেবীদের কাছ থেকে কোনো মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা যায়নি।


প্রবচন: ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁকে বিদ্রূপ করে কার্টুন আঁকায় মৌরতানিয়ার বিখ্যাত কার্টুনিস্ট খালিদ ওলেদ মাওলা ইদরিসের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করেছে ফ্রান্সের দূতাবাস।

এই কার্টুনকে আপত্তিকর ও ফরাসি প্রজাতন্ত্রের প্রতীকের প্রতি অবমাননা বিবেচনা করেই এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। রিমটুডে ডট নেটের খবরে এমন তথ্য জানা গেছে।

ফ্রান্সে মহানবীকে (সা.) নিয়ে পরিহাসমূলক কার্টুন ও ম্যাক্রোঁর ইসলাম বিদ্বেষ উসকে দেয়ার প্রতিক্রিয়ায় তিনি কার্টুনটি এঁকেছিলেন।

তবে ফরাসি দূতাবাসের এই সিদ্ধান্তে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। 

ম্যাক্রোঁ যেখানে মত ও বাকস্বাধীনতার সুরক্ষার জোর দাবি করে আসছেন, এই ঘটনা একেবারেই তার বিপরীত বলে মনে করছেন তারা। বাকস্বাধীনতার প্রতি ফ্রান্সের পরিহাস হিসেবে দেখছেন এই ঘটনাকে।

ম্যাক্রোঁ মৌলবাদী ইসলামের বিপরীতে দেশের ধর্মনিরপেক্ষ মূল্যবোধ সমুন্নত রাখা নিয়ে দৃঢ়কণ্ঠে কথা বলেন। ফ্রান্স ব্যঙ্গচিত্র দেখানো বন্ধ করবে না বলেও জানান তিনি। অথচ তিনিই ধর্মবিদ্বেষী কাজ করে যাচ্ছেন প্রতিনিয়ত।  

এতে বিশ্বজুড়ে মুসলমানদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন দেশে ফরাসি পণ্য বয়কটেরও ডাক দেয়া হয়েছে।

এদিকে বিশ্বাসের স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন না করার জন্য ও ফ্রান্সের লাখ লাখ মুসলিমকে অবজ্ঞা করার জন্য ফরাসি প্রেসিডেন্টের তীব্র সমালোচনা করেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানসহ বিশ্বের প্রভাবশালী অনেক দেশ ও দেশের নেতারা।

স্টাফ রিপোর্টার: দেশের অন্যতম বিভাগীয় শহর রংপুরে স্থানীয় ইমাম ও আলেমদের সমন্বয়ে একটি নতুন সংগঠন আত্মপ্রকাশ করে।

২৬ অক্টোবর সোমবার সকাল ১০টায় বিভাগীয় শহর রংপুরের এতিহ্যবাহী আল জামিয়াতুল কারিমিয়া নুরুল উলুম জুম্মাপাড়া মাদরাসায় রংপুর সিটি কর্পোরেশনের সকল ওয়ার্ড ও জেলার সকল উপজেলার আলেম-ইমামদের সমন্বয়ে ‘ইমাম উলামা পরিষদ রংপুর’ নামে সংগঠনটির উদ্বোধন হয় বলে জানান এর এক নেতা কারী আতাউল হক।

তিনি বলেন, একই দিন বেলা ২ টা পর্যন্ত ইমাম উলামা পরিষদের প্রথম সাধারণ সভাও অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশগ্রহণ করেন জেলার সকল উপজেলা ও সিটি কর্পোরেশনের সকল ওয়ার্ডের ইমাম ও আলেমগণ।

জুম্মাপাড়া মাদরাসার পরিচালক হাফেজ ইদ্রিস আলীর সভাপতিত্বে ওই সাধারণ সভায় রংপুর সিটির সকল ওয়ার্ড ও সকল উপজেলার জন্য সংগঠনের পক্ষ থেকে পৃথক পৃথক আহ্বায়ক কমিটি গঠন করে দেয়া হয়।


সংগঠনের আরেক নেতা জয়নাল আবেদীন জানান, সম্প্রতি ফ্রান্সে সরকারের প্রত্যক্ষ মদদে মহানবী হযরত মুহাম্মাদ সা. এর কাল্পনিক ও বিকৃত ব্যাঙ্গ কার্টুন প্রদর্শনের প্রতিবাদে আগামী ২৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় রংপুর প্রেসক্লাব চত্বরে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে সংগঠনটি। এই কর্মসূচির মাধ্যমেই তাদের সাংগঠনিক কাজের সূচনা হবে বলে জানান তিনি। 


পরিষদের একজন শীর্ষ নেতা মাওলানা মাহমুদুর রহমান বলেন, সংগঠনটিতে প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন রংপুর জুম্মাপাড়া মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক হাফেজ ইদ্রিস আলী। অন্যান্যের মধ্যে দায়িত্বে রয়েছেন সভাপতি হিসেবে মাওলানা ইউনুস আলী, সহসভাপতি মুফতি জসিম উদ্দীন ও মুফতী নাজমুল হক, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মাহমুদুর রহমান, সহকারী সম্পাদক মাওলানা সাইফুল ইসলাম জিহাদী ও কারী আশরাফ আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক হাফেজ আমজাদ হোসাইন, মিডিয়া সম্পাদক কারী আতাউল হক, মাওলানা কাজী হামদুল্লাহ ও হাফেজ জয়নাল আবেদীন । 

বাইতুল মোকাররম উত্তর গেটে ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ



প্রবচন ডেস্ক: ধর্ষণ প্রতিরোধে ৬ দফা দাবি জানিয়েছেন বিভিন্ন ইসলামি দলের নেতারা। তাঁরা বলেছেন, কেবল কঠোর শাস্তির বিধান করলেই ধর্ষণ রোধ হবে না, ধর্ষণের উৎসমুখগুলোও বন্ধ করতে হবে। 

আজ শুক্রবার জুমার নামাজের পর সমমনা ছয়টি ইসলামি দল বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ থেকে মিছিল নিয়ে বিজয়নগরে বিক্ষোভ সমাবেশ করে। ‘সারা দেশে ধর্ষণ, যিনা ব্যভিচারের’ বিরুদ্ধে এই কর্মসূচি পালন করা হয়। 

সমাবেশে ধর্ষণ ও যিনা-ব্যভিচার প্রতিরোধে সমমনা ইসলামি দলগুলোর পক্ষ থেকে ৬ দফা দাবি তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে রয়েছে জেনা, ব্যভিচার ও ধর্ষণ প্রতিরোধে জনসমক্ষে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা। পর্নোগ্রাফির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা। মাদকদ্রব্যের অবাধ প্রাপ্তি ও ব্যবহার কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা। নারীদের অশ্লীলভাবে উপস্থাপনা ও পণ্য হিসেবে ব্যবহার বন্ধ করা। আইনের নিরপেক্ষ প্রয়োগ, বিচারকাজকে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক হস্তক্ষেপমুক্ত রাখা এবং নারীর মর্যাদা ও অধিকার সংরক্ষণে কোরআন-হাদিসের শিক্ষা জাতীয় শিক্ষা কারিকুলামে অন্তর্ভুক্ত করা।

এদিকে দেশব্যাপী ক্রমবর্ধমান যিনা-ব্যভিচার, গণধর্ষণ, নারী নির্যাতন, আইন-শৃঙ্খলার চরম অবনতি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য-মূল্যের ঊর্ধগতির প্রতিবাদে  রাজধানীর বাইতুল মোকাররমসহ সারাদেশে বিক্ষোভ ও গণমিছিল কর্মসূচি পালন করেছে চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। 

 


মুহা.জয়নাল আবেদীন স্টাফ রিপোর্টার: দেশব্যাপী ক্রমবর্ধমান যিনা-ব্যভিচার, গণধর্ষণ, নারী নির্যাতন, আইন-শৃঙ্খলার চরম অবনতি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য-মূল্য ঊর্ধগতির প্রতিবাদে, শুক্রবার বিকাল ৩টায় দেশ রংপুর সিটি পার্ক চত্বরে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ রংপুর মহানগরের উদ্যোগে বিক্ষোভ সমাবেশ ও গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

এতে মাও. আব্দুর রহমান কাসেমীর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন রংপুর জেলা শাখার সভাপতি মাও. খাইরুল ইসলাম, সেক্রেটারি মাহমুদুর রশিদ রিপন, শ্রমিক আন্দোলনের কেন্দ্রীয়সহ সভাপতি আমিরুজ্জামান পিয়াল, মহানগর সেক্রেটারি আব্দুর রহমান ফারুকী, ইশা ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আল আমিন, জেলা সভাপতি লিয়াকত বিন সিদ্দিকসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

সমাবেশে বক্তারা ধর্ষণের শাস্তিরূপে সদ্য বর্ধিত আইন বাস্তবায়নের দাবী জানান। এছাড়া দ্রব্যমূল্যের দাম বৃদ্ধি এবং আইন-শৃঙ্খলার চরম অবনতি কথা উল্লেখ এর তীব্র প্রতিবাদ জানান। 

তারা আরো বলেন, দেশের জনগণের প্রকৃত অধিকার সঠিকভাবে বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চালিয়ে যাবো।



প্রবচন ডেস্ক: পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ঢাকাকে দিল্লির চোখ দেখে না। বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আজ বৃহস্পতিবার সকালে সফররত মার্কিন উপ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ষ্টিফেন বিগানের সঙ্গে আলোচনার পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এ মন্তব্য করেন। তিনি এদিন রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় ষ্টিফেন বিগানের সঙ্গে আলোচনা করেন।

বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র ভারতের দৃষ্টিভঙ্গিকে বিবেচনায় নেয় কি না— এমন প্রশ্নের উত্তরে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র দিল্লির চোখ দিয়ে বাংলাদেশকে  দেখে, এটি আমাদের মিডিয়া বলে। আসলে তারা দিল্লির চোখে দেখে না।

আমরা স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ। সবাই জানে আমাদের মূল্যবোধ ও নীতি আছে।

আমাদের অবস্থান সব সময় স্বাধীন। আমরা দেশের স্বার্থের জন্য যা যা দরকার, তাই করব।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সে জন্য তারা আমাদের স্বাধীনভাবে দেখছে, দিল্লির চেহারা দিয়ে আমাদের দেখে না। শুধু দিল্লির চেহারা দিয়ে দেখলে এখানে আসতেন না। এখানে তারা এসেছেন আমাদের ভূ-রাজনৈতিক অবস্থানের জন্য। বাংলাদেশের সঙ্গে তারা বন্ধুত্বটা আরও গভীর করতে চান।’

প্রবচন ডেস্ক: আল্লাহর রাসূল হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর শানে এবং ইসলাম নিয়ে কটূক্তির বিরুদ্ধে করা মামলায় পিরোজপুরের এক দর্জির মাত্র সাত বছর কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনাল।

সুজন দে নামের ওই দর্জিকে কারাদণ্ডের পাশাপাশি এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে এক মাসের কারাভোগের আদেশ দিয়েছেন বিচারক।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আশ-শামস জগলুল হোসেন এই রায় ঘোষণা করেন।

রায় ঘোষণার আগে সুজন দে ট্রাইব্যুনালে হাজির হন। রায় ঘোষণার পর সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

ট্রাইব্যুনালের পেশকার শামিম আল মামুন এ তথ্য জানান।

রায়ের বিবরণে জানা যায়, আসামি সুজন দে’র বাড়ি পিরোজপুর জেলায়। তিনি দর্জি দোকানের কর্মচারী। ২০১৭ সালের ২০ মে তিনি ফেসবুক আইডিতে হজরত মোহাম্মদ (সা.) ও ইসলাম ধর্মকে নিয়ে কটূক্তি করে স্ট্যাটাস দেন, যা ধর্মানুভূতিতে আঘাত হানে।

ওই ঘটনায় রাঙামাটির লংগদু থানার এসআই সালাউদ্দিন সেলিম মামলাটি দায়ের করেন।

তদন্ত শেষে ওই বছরের ৩০ অগাস্ট সুজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। এরপর ২৬ অক্টোবর আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে ট্রাইব্যুনাল।

মামলায় আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন সাতজন।

জয়নাল আবেদীন, স্টাফ রিপোর্টার: নােয়াখালীর বেগমগঞ্জ ও সিলেটের এমসি কলেজসহ সারাদেশে ক্রমাগত ধর্ষণের প্রতিবাদ ও ধর্ষকদের ফাঁসির দাবীতে শুক্রবার বেলা ৩ টায় রংপুর সিটিপার্ক চত্তরে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বিক্ষোভ সমাবেশ করে।

জানা যায়, 

দেশব্যাপী বিক্ষোভ সমাবেশের অংশ হিসেবে রংপুর মহানগর শাখার ডাকে এ বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। 

সমাবেশে বক্তারা ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে ফাঁসির আইন বাস্তবায়নের দাবী জানান। এছাড়া ঘটে যাওয়া ধর্ষণের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্যর্থতার কথা উল্লেখ করে তার পদত্যাগও চাওয়া হয়। 

বক্তারা বলেন, তাদের দাবী আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চলবে।


সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ রংপুর জেলা ও মহানগর শাখাসহ অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

সমাবেশ শেষে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে দলটি বিক্ষোভ মিছিল করে।

ভিডিও

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget