04/23/20

সহীহ হাদীছ দ্বারা তারাবীর নামায বিশ ...রমযানে দেশের সব মসজিদে তারাবির নামায চালু থাকবে। তবে করোনার কারণে এতে ইমাম, মুয়াযিযন, দুইজন হাফেজসহ সর্বমোট ১২ জন মুসল্লি অংশ নেবেন। এছাড়া ইফতার মাহফিলের নামে কোনো অনুষ্ঠান করা যাবে না।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনাসহ শুক্রবার একটি সার্কুলার জারি করা হবে বলেও জানিয়েছে মন্ত্রণালয় সূত্র।
ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মুহা. আব্দুল্লাহ বলেছেন, করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে সীমিত আকারে দেশের মসজিদগুলোতে তারাবি চালু থাকবে। প্রত্যেক মুসল্লি ঘর থেকে অজু করে আসবেন। অসুস্থ বা সন্দেহভাজন ব্যক্তিরা মসজিদে না এসে ঘরে নামাজ আদায় করবেন। তারাবিতে সর্বোচ্চ ১২ জন মুসল্লি উপস্থিত থাকতে পারবেন।
ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার মোহাম্মদ আনোয়ার হোসাইন এক বার্তায় জানান, করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতিতে ১০ জন মুসল্লি ও দুইজন হাফেজসহ মোট ১২ জনের অংশগ্রহণে রমজান মাসে মসজিদগুলোতে এশা ও তারাবির নামায আদায়ের সুযোগ থাকবে। এর সাথে ইতোপূর্বে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় জারিকৃত মসজিদে জুমা ও জামাত বিষয়ক নির্দেশনা কার্যকর থাকবে। এছড়া রমযান মাসে ইফতার মাহফিলের নামে কোনো ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা যাবে না। এ বিষয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় বিস্তারিত নির্দেশনাসহ শুক্রবার একটি সার্কুলার জারি করবে।
সূত্র মতে, করোনা ভাইরাস পরিস্থিতির কারণে গত ৬ এপ্রিল ধর্ম মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে দেশের মসজিদগুলোকে মুসল্লি সংখ্যা সীমিত করা হয়। মসজিদে ইমাম, মুয়াযিযন ও খাদেমদের সমন্বয়ে পাঁচ ওয়াক্তের জামাতে সর্বোচ্চ পাঁচজন করে এবং জুমার জামাতে ১০ জন করে অংশ নেয়ার অনুমতি দেয়া হয়।
এর আগে গত মঙ্গলবার এক বিবৃবিতে ১৪টি শর্তে সুস্থদের জন্য মসজিদ উন্মুক্ত করে দেয়ার দাবি জানায় কওমি মাদরাসার শীর্ষ সংস্থা আল হাইয়াতুল উলইয়া। বুধবার ওই সংস্থাটির প্রতিনিধিদলের সঙ্গে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মুহা. আবদুল্লাহ বৈঠক করেন।
বৈঠক থেকে আলেমদের সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ প্রশাসনের শীর্ষ কয়েকজন কর্মকর্তা ফোনে মতবিনিময় করেন। সেই আলোচনায় মক্কা-মদিনায় মসজিদুল হারামাইনের আদলে রমযানে তারাবিসহ অন্যান্য নামাযের জামাতের অনুমতি দেয়ার বিষয়ে অনুরোধ জানান আলেমরা।
-এএ

অত্যন্ত পরিতাপের সঙ্গে বলতে হয়, কওমি মাদরাসার ডালভাত, নেমক খেয়ে, কওমি মাদরাসার পাঠাগার থেকে সাহিত্য শিখে কিছু কুলাঙ্গার কওমি মাদরাসারই শেকড় কাটার কাজে ব্যস্ত। আমি বলছি না যে, এই অঙ্গনের অসঙ্গতি নিয়ে আলোচনা করা যাবে না। দেখুন, আলোচনা আর শেকড় কাটা এক নয়, তা সবাই খুব সহজেই জানে।
লেখালিখি যখন শুরু করি, সেই ২০০২/২০০৩ সালের কথা। তখন হাসানুল কাদির নামের একজন লেখক সেলেব্রিটি ছিলেন এই অঙ্গনে। মজবুত ছিলো তার লেখার হাত। নবীন লেখকদের কিছুটা আইডল ছিলেন তিনি। অনেক নবীন স্বপ্ন দেখতো, তার মতো লেখক হবে। এই লেখক শেষ পর্যন্ত বিভিন্ন বামপন্থী পত্র-পত্রিকায় ঘুরে ঘুরে তাদের টোপের শিকার হয়ে কওমি মাদরাসার শেকড় কাটতে ব্যস্ত হয়ে পড়লো।
তার পরিণতিটা আপনারা সবাই ভালো করেই জানেন। এখন সে পুরোপুরি উন্মাদ-পাগল। রাস্তায় পড়ে থাকেন। নর্দমার খাবার খান। শেকল দিয়ে তাকে বেঁধে রাখা হয়। আল্লাহপাক আমাদেরকে এমন অপদস্থ জীবন থেকে হেফাজত করুন, আমীন।
এ রকম ভ্রষ্টদের তালিকা অনেক। সেদিকে যাচ্ছি না। এবার আসি মূল কথায়।
করোনার মতো বৈশ্বিক মহামারীতে যখন বাংলাদেশও ক্রমশ ভয়াবহ পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে চললো, করোনায় আক্রান্ত মৃতদেহ ফেলে আদরের স্বজনরা পর্যন্ত ভয়ে পালিয়ে যায়, লাশ দাফন করার মতো কেউ এগিয়ে আসে না; দেশ ও জাতির এমন নাজুক সময়ে আল মারকাযুল ইসলামী নামের সংগঠনটির একদল নিবেদিতপ্রাণ আলেম এগিয়ে এলেন। কওমির এসব আলেম মৃত্যুভয় ভুলে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে করোনায় মৃতদের লাশ দাফন-কাফনে এগিয়ে এলেন।
তাদের এই মহানুভবতার কাজগুলো প্রায় প্রত্যেকটি জাতীয়মানের টিভি চ্যানেলে ফলাও করে প্রচারিত হতে লাগলো। রিপোর্টারদের ভাষ্যমতে, এইসব আলেমের কাজ দেখে এটাই প্রমাণিত হচ্ছে, পৃথিবী থেকে এখনো মানবতা নামক শব্দটির বিদায় হয়নি...।
এমন এক সময়ে ‘বাংলা ট্রিবিউন’ নামের জনপ্রিয় অনলাইন পোর্টালে বন্ধুবর সালমান তারেক শাকিল আল মারকাযুল ইসলামীর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মুফতি শহীদুল ইসলাম সাহেবকে ‘হুজিনেতা’ ট্যাগ লাগিয়ে কাকে/কাদেরকে খুশি করতে চাইছে বুঝলাম না। বুঝলাম না বললে ভুল হবে, হাসানুল কাদির যেই ভ্রষ্টপথে হাঁটছিলো, সালমান তারেকেও সেই পথে হাঁটছে। এবং বামপন্থী দাদাবাবুদের খুশি করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। যারা ইসলাম ও ইসলামপন্থীদের কোনো উন্নতি দেখলেই এলার্জিতে ভোগে।
ওর সঙ্গে রাত জেগে দেয়ালিকা লিখতাম, তখন দেয়ালিকার সম্পাদক ছিলাম আমি। গল্প করতাম। মাদরাসার সব সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে আমরা একসঙ্গে কাজ করতাম। সেই দলের অনেক বন্ধুই এখন বিভিন্ন জায়গায় প্রতিষ্ঠিত। তবে কখনোই ভাবিনি, সালমান তারেক এতোটা বিগড়ে যাবে।
ভাবিনি, তবে কিছুটা আঁচ করেছিলাম। সে সময়কার জনপ্রিয় একটা সাপ্তাহিক ছিলো ‘এখন’ নামে। সেই পত্রিকায় সব আলেমদের জড়িয়ে ছড়া লিখলো সালমান। ছড়াটি সম্পাদকীয় পাতায় ছেপে অনন্য মূল্যায়ন করেছিলেন ওই পত্রিকার সম্পাদক। এবং সালমানের ওই আলেমবিরোধী ছড়ার জন্য প্রশংসা করে সম্পাদক সাহেব কলামও লিখেছিলেন।
এরই জেরে আরজাবাদ মাদরাসার কিছু ছাত্র ওকে ‘সাইজ’ করতে আমাদের মাদরাসায় চলে এলো। তখনকার প্রিন্সিপাল মাওলানা ইমরান মাযহারী সাহেব তখন সামলে নিলেন এবং সালমানকে ডেকে আমাদের সামনে তওবা পড়ালেন, যেন আর কখনোই এরকম ভ্রষ্ট লেখালিখি না করে।
সালমান কিছুদিন পর জনপ্রিয় দৈনিক আমাদের সময়ের সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টারের দায়িত্ব পায়। সেখানে গিয়েও কম করেনি। হেফাজত নিয়ে অনেক মনগড়া তথ্য প্রকাশ করেছে। আল্লাহ আমাদের হেফাজত করুন।
প্রিয় বন্ধু! তোমার মতো কিংবা তোমার চেয়েও অনেক বড় সেলেব্রিটি সময়ের স্রোতে হারিয়ে যায়। বামঘরানার সাময়িক বাহবা পাওয়ার জন্য তোমার এতো বড় পদস্খলন মেনে নিতে কষ্ট হচ্ছে। এখনো সূর্য ডুবে যায়নি, ফিরে এসো নীড়ে। কওমি মাদরাসা বা ইসলামের বিরুদ্ধে কলম ধরে তুমি টিকবে না, হাজারবার সত্য। বরং সময়ের আস্তাকুড়ে নিক্ষিপ্ত হবে। হাসানুল কাদির আমাদের জন্য বড় শিক্ষা।
তুমি তোমার কলমের গতি পাল্টাও। আমরা তোমাকে বরণ করে নেবো সময়ের নদভী, আবু তাহের মিসবাহ, যায়নুল আবিদীনের মতো। সময় ফুরিয়ে যায়নি।
লেখক: আবৃত্তিকার ও উপস্থাপক, কলরব


এবারের রমযান কবে থেকে শুরু? | 629262 ...

রমযান মাসের তারিখ নির্ধারণে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হবে আগামীকাল শুক্রবার (২৪ এপিল)সন্ধ্যায়।
ধর্ম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট শেখ মো. আব্দুল্লাহর সভাপতিত্বে শুক্রবার সন্ধ্যায়  ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হবে।
সভায় ১৪৪১ হিজরি সনের পবিত্র রমযান মাসের চাঁদ দেখার সংবাদ পর্যালোচনা এবং এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। বাংলাদেশের আকাশে কোথাও পবিত্র রমযান মাসের চাঁদ দেখা গেলে তা নিম্নোক্ত টেলিফোন ও ফ্যাক্স নম্বরে অথবা সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসক অথবা উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে জানানোর জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
টেলিফোন নম্বর-৯৫৫৯৪৯৩, ৯৫৫৫৯৪৭, ৯৫৫৬৪০৭ ও ৯৫৫৮৩৩৭।
আগামীকাল চাঁদ দেখা গেলে শনিবার (২৫ এপ্রিল) থেকে রোযা শুরু হবে।



১. মুসলিম উম্মাহর অভিজ্ঞ সদা কর্মতৎপর পরম সচেতন পরীক্ষিত ও আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন মুরব্বী মাওলানা সাইয়্যেদ আরশাদ মাদানী দামাত বারাকাতুহুম এর পরামর্শ হলো, 'অন্যান্য নামাযের মত তারাবীও ঘরে পড়া ৷ মসজিদে পড়বেন ইমাম- মুয়াজ্জিন ও খাদেমগণ৷'
২. পাকিস্তানের করোনা পরিস্থিতি এই মুহূর্তে বাংলাদেশের পর্যায়ে নয়। বিশ্ব মুসলিমের আস্থাভাজন মুখপাত্র ও যুগের সেরা ফকীহ আল্লামা মুফতি তাকী উসমানী দা বা বর্তমানে তাঁর দেশের পরিস্থিতি অনুযায়ী নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। যা সারা দুনিয়ায় পালন করা সম্ভব নয়, যেমন আরবের উলামায়ে কেরামের সব সিদ্ধান্ত অক্ষরে অক্ষরে পালন করা সম্ভব নয়।
তাছাড়া, মুফতি তাকী উসমানী সাহেবের বর্তমান সিদ্ধান্ত পাকিস্তানের নানা মত ও পথের ধর্মীয় ও রাজনৈতিক নেতাদের সাথে সমন্বিত। হযরতের প্রথম সিদ্ধান্তের মতো ফিকহী স্বাতন্ত্র্য ও অসাধারণত্ব এ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে স্বাধীনভাবে কার্যকর থাকেনি।
৩. বাংলাদেশের জন্য উলামায়ে কেরামের প্রথম দুই মিটিংয়ে প্রদত্ত দীনি নির্দেশনা সবদিক থেকে উত্তম ও গ্রহণযোগ্য, যা তারা ইসলামিক ফাউণ্ডেশনে বসে স্বাক্ষর করে জারি করে ছিলেন। এতে মসজিদে আজান ও সীমিত আকারে জামাত জুমা চালু রাখার ব্যাপারে আলেমগণ রায় দেন। তবে উল্লেখিত শর্ত ও নিয়ম মুসল্লীদের অনেকে না মানায় সরকার জামাত ও জুমা 'সীমিত' কথাটির ব্যাখ্যা মসজিদের ইমাম খতীব মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের ৫ এবং ১০ জন আদায় করবেন বলে করে দেয়। অবশ্য এ সিদ্ধান্তটি কেবল মন্ত্রী সচিব ও কর্মকর্তা পর্যায়ে নেওয়ায় এতে মাসআলাগত একটি টেকনিক্যাল সমস্যা থেকে যায়। যে বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মুফতিয়ানে কেরাম সরকারের সমালোচনা করেন। এসময় কোনো ফকীহের সাথে যোগাযোগ করে নিলে ব্যাখ্যাটি ৫ জন ১০ জন না হয়ে হতে পারতো 'জামাত ও জুমা শুদ্ধ হওয়া পরিমাণ নামাজি'। তাইলে আর সংখ্যা নির্ধারণ করার অনিয়মটি নিয়ে সমালোচিত হতে হতোনা। তাছাড়া এর আগে থেকেই দেশব্যাপী মানুষের জন্য সাধারণ চলাচল ও সমাগমও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সারাদেশে দীর্ঘ ছুটি ও সহনীয় পর্যায়ের লকডাউনও শুরু হয়ে গিয়েছে । এখানে বাইরে বের হওয়া সরকারের নিষেধ , নিজে না বুঝতে পেরে মারাত্মক রোগাক্রান্ত হওয়া বা পরিবার পরিজন সহ অন্যদের রুগ্ন করার সমূহ সম্ভাবনা ও ব্যাপক প্রাণহানির ভয়, মসজিদের জামাতে না গিয়ে নিজ নিজ অবস্থানে নামাজ পড়ার এমন বেশ ক'টি কারণে মসজিদে না যাওয়ার কথা সাব্যস্ত হতে পারে। মসজিদে যেতে বাধা দেওয়ার প্রসঙ্গ এখানে আসে কিনা তা উলামায়ে কেরামের জানা বিষয়।
৪. সরকারের জামাত সীমিত করার সিদ্ধান্ত শুরুতেই অমান্য বা প্রয়োজনীয় সংশোধন না করে মুরব্বিদের অনেকে এটি মেনে নিয়ে একে শরীয়তসম্মত আখ্যা দিয়ে সরকারকে স্বাগত জানান। এরপর প্রয়োজনীয় সংশোধনী দিয়ে এ সিদ্ধান্তটি আরো ত্রুটিমুক্ত করা ছাড়া সংশ্লিষ্ট আলেমদের নীতিগতভাবে আর বেশী কিছু বলার সুযোগ থাকে না।
৫. আরেক দল মুরব্বি এ সিদ্ধান্তকে ইসলাম বিরোধী আখ্যা দিয়ে কঠোর ভাষায় সরকারের নিন্দা ও প্রতিবাদ করেছেন। তারা একে সরাসরি কুফরি ও হারাম সিদ্ধান্ত বলে ফতওয়া দিয়েছেন।
৬. এরপর ভিন্নমত পোষণকারী আলেমগণের সাথে এক হয়ে প্রথম দিকনির্দেশদানকারী আলেমরাও নতুন করে সরকারের প্রতি শর্ত ও নিয়ম দিয়ে মসজিদে ব্যাপকভাবে মুসল্লী যাতায়াত উন্মুক্ত করে দেওয়ার দাবী তোলেন। আজ রমজানের দুই অথবা তিন দিন আগে পর্যন্ত মানুষ জানে না, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কী আসবে।
৭. আলেমরা এক হয়ে একইসাথে একটি শরীয়াসম্মত, স্বাস্থ্যসম্মত, রাষ্ট্রীয় আইনসম্মত সিদ্ধান্ত নিতে পারলে খুবই ভালো হতো। চোখের সামনে মহামারীতে রাতদিন মানুষ মরছে, সুচিকিতসা পাচ্ছে না, আক্রান্তের সংখ্যা বিপজ্জনক হারে বেড়ে চলেছে, কোভিড১৯ মহামারী নতুন রূপ নিয়ে এসেছে যার সাথে অতীতের মহামারীর চরিত্রগত কোনো মিল নেই, লাশ দাফনে জড়িত আলেমদের সাথে কথা বলে মুরব্বিরা পরিস্থিতি জানতে পারেন, চিকিৎসার সাথে জড়িত লোকজনের মাধ্যমে মহামারীর বিস্তার ও মৃত্যুর ভয়াল রূপ সম্পর্কে জানতে পারেন। এসব তথ্য আদান-প্রদান করা ও কোভিড১৯ বিশেষজ্ঞ পর্যায়ে মতবিনিময় ফতওয়া এবং সিদ্ধান্ত দিতে সহায়ক হবে।
৮. দেশের ৯০% মানুষ কষ্ট করে হলেও লকডাউন মেনে চলছে। পেটের তাগিদে, বাজার, ব্যাংক, ওষুধ, ত্রাণ, চিকিৎসা, মৃত্যু ইত্যাদি প্রয়োজন আর কিছু অপ্রয়োজনে বাইরে বের হচ্ছে। এসব আমাদের জন্য দলিল হতে পারে না। আমাদের দলিল শরীয়তের জীবনমুখী পরম বিজ্ঞানময় নির্দেশনা। জনগণ আশা করে, উলামায়ে কেরাম এক হয়ে বাস্তব পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে এমন একটি সমাধান দিতে সক্ষম হবেন, যাতে ইসলামের মূল প্রেরণা, সৌন্দর্য্য এবং বিধান দানে শরীয়তের মহান মানবিক উদ্দেশ্যের প্রতিফলন ঘটে ।

পরিশিষ্ট
৯. সময় খুবই কম। হাফেজ সাহেবগণ মনস্থির করার মতো সময় পাবেন না। সরকারের উচিৎ সব মসজিদের ৩/৪ জন দায়িত্ব পালনরত ব্যক্তির জন্য দুই মাসের খাদ্য ও জরুরী সামগ্রী উপহার হিসেবে পৌঁছে দেয়া। এদের মধ্যে যারা নিজের জন্য নেবেন না, অন্য কোনো লোককে দিয়ে দিবেন। বড়ো আকারে তারাবী না হলেও প্রতি মসজিদের কর্তৃপক্ষ, যাদের মসজিদে হাদিয়া দেওয়ার নিয়ম আছে, তারা গতবারের মতোই আগের হাফেজ সাহেবদের এবারও হাদিয়া উপহার বা সম্মানী দিয়ে দিবেন। বৈশ্বিক সংকট মুহূর্তে, জাতীয় বিপর্যয়ের সময় এটি রাষ্ট্র সরকার এবং আমার আপনার সবার কর্তব্য।
*আমাদের সকলের মুরব্বি শাইখুল ইসলাম আল্লামা আহমদ শফী দা বা এর সিহ্হতে কামিলা আজিলা দায়িমা এবং দীর্ঘ নেক হায়াতের জন্য সবাই দোয়া করবেন।

মাওলানা উবায়দুর রহমান খান নদভীভাইস চেয়ারম্যান, গ্লোবাল কন্সাল্টেটিভ কমিটি, ইন্টারন্যাশনাল ফিকাহ অ্যান্ড ফতওয়া কাউন্সিল (আইএফএফসি)


সারাবিশ্ব কাঁপছে করোনা আতঙ্কে। করোনার উৎপত্তিস্থল চীনে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হতে শুরু করলেও আবারো নতুন করে ১০ জন করোনা রোগী শনাক্ত করা হয়েছে।  যা গেলো দিনের শনাক্ত ৩০ জনের চেয়ে কম। এদিকে টানা ৬ দিনের মত চীনে নতুন কোন মৃত্যু রেকর্ড করা হয়নি।
চীনা ন্যাশনাল হেলথ কমিশন বলছে, ১০ জনের মধ্যে ৬ জন বাইরের দেশ থেকে এসেছে। করোনা আক্রান্ত যাদের মধ্যে কোন লক্ষণ প্রকাশ পায়নি সেই সংখ্যাও ৪২ থেকে নেমে ২৭ এ দাঁড়িয়েছে।
এতে চীনে মোটা করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাড়িয়েছে ৮২ হাজার ৭৯৮। প্রাণহানি হয়েছে ৪ হাজার ৬৩২ জনের।

তিন নম্বরে ব্যাটিং ফিরে পেয়ে ...করোনা মোকাবিলায় তামিম-মুশফিকদের মতো তারকাদের ক্রীড়া সামগ্রী বিক্রি করে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান করেছিলেন সাকিব আল হাসান। সেই আহ্বান শুনে মুশফিকুর রহিম তার প্রথম ডাবল সেঞ্চুরির ব্যাট নিলামে তুলেছেন। সাকিবও জানিয়েছিলেন, তিনিও তার ব্যাট নিলামে তুলতে চান। মঙ্গলবার ফেসবুক লাইভে এসে ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে দুই সেঞ্চুরি ও পাঁচ ফিফটি পাওয়া ব্যাটটি নিলামে তোলার ঘোষণা দেন সাকিব।
বুধবার বসে ওই ব্যাটের নিলাম অনুষ্ঠান। বিশ্বকাপের আগে ও পরে খেলা ওই ব্যাটের ভিত্তি মূল্য রাখা হয়েছিল ৫ লাখ টাকা। নিলামে দর কষাকষি শেষে সাকিবের প্রিয় ব্যাটটি ২০ লাখ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এই অর্থের পুরোটাই সাকিব আল হাসান ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে করোনার প্রাদুর্ভাবে পড়া অসহায় মানুষের সহায়তায় খরচ করা হবে।
নিলামে সাকিবের ব্যাটটি কিনেছেন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী রাজ নামের এক বাংলাদেশি। বুধবার রাত ১১টা ১৫ মিনিটে এই নিলাম অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্বকাপে সাকিব এই ব্যাট দিয়ে আট ইনিংসে করেছিলেন ইংল্যান্ড বিশ্বকাপের তৃতীয় সর্বোচ্চ ৬০৬ রান। অনলাইন প্ল্যাটফর্মে নিলাম হয়েছে সাকিবের ব্যাটটি।
বুধবার রাতে নিলাম শেষ হওয়ার আগে সাকিব তার ওই ব্যাটের গল্পটাও শোনান সবাইকে, '২০১৯ আইপিএলে দুটি ব্যাট দিয়ে অনুশীলন করতাম। সাধারণত  প্র্যাকটিসের ব্যাটে আমরা ম্যাচে খেলি না। আইপিএলের পর যখন আয়ারল্যান্ডে গেলাম কাছে নতুন ম্যাচ ব্যাট ছিল, তারপরও এই ব্যাট ধরে মনে হলো, খুব ভালো অনুভব করছি। এজন্য ওই ব্যাট দিয়ে ম্যাচে খেললাম। ভালো করতে থাকার পর ওই ব্যাট দিয়েই খেলে গেলাম। বিশ্বকাপেও মনে হলো, এটি দিয়েই খেলি।'
তিনি জানান, বিশ্বকাপে ওই ব্যাটে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করেন তিনি। ১২০ রান করার পর অন্য ব্যাট নিয়ে শুরু করেন এবং এক রান যোগ করেই আউট হয়ে যান। এরপর ওই ব্যাটের প্রতি তার ভালোবাসা আরও বাড়ে। তার ভাষায় ব্যাট দিয়ে তিনি নিষেধাজ্ঞা পাওয়ার আগ পর্যন্ত খেলেছেন। সেই অর্থে এখনও ব্যাটটা নট আউট আছে।

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget