05/01/20


Local Guides Connect - hathazari arbic univerchity - Local Guides ...

প্রবচন ডেস্ক: সম্প্রতি করোনা পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে দেশের ৬ হাজার ৯৫৯টি কওমি মাদরাসাকে ৮ কোটি ৩১ লাখ ২৫ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদানের ঘোষণা করা হয়। এই ঘোষণার পর থেকেই কওমী আলেম-ওলামা এবং ছাত্রদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেয়া দেয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা। 

এদিকে চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলায় ২৪ টি মাদরাসার জন্য অনুদান বরাদ্দের খবর প্রকাশ পায় এবং সেই ২৪ মাদরাসার তালিকায় হামিউচ্ছুন্নাহ মেখল মাদরাসার নামও উঠে আসে। পরে মাদরাসা কর্তৃপক্ষ সরকারী অনুদান গ্রহণ করবে না বলে তা প্রত্যাখ্যান করে।

এর একদিন পর আজ সন্ধ্যায় বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ কওমী মাদরাসা দারুল উলুম হাটহাজারী মাদরাসা থেকেও অফিসিয়াল বিবৃতির মাধ্যমে সরকারী অনুদান গ্রহণে অস্বীকৃতির কথা জানায়। বিবৃতিতে বলা হয়- কওমী মাদরাসার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও স্বকীয়তা সর্বজনবিদিত। কওমী মাদরাসা হলো, আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআত এবং দারুল উলূম দেওবন্দের আদর্শ, মূলনীতি ও মতপথের অনুসরণে মুসলিম জনসাধারণের আর্থিক সহায়তায় উলামায়ে কেরামের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত ইলমে ওহীর শিক্ষাকেন্দ্র।

কওমী মাদরাসা ঈমান, তাকওয়া ও তাওয়াক্কাল আলাল্লাহ এর উপর প্রতিষ্ঠিত এবং আকাবিরে দেওবন্দের চিন্তা-চেতনার অনুসরণ ও তালীম তরবিয়াতসহ জীবনের সকল ক্ষেত্রে দারুল উলূম দেওবন্দের মূলনীতি, আদর্শ ও কর্মপদ্ধতির অনুসরণকারী দীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

তাই জামেয়া দারুল উলূম হাটহাজারী ও তার (মুলহাকাহ) অনুসারী মাদরাসাসমূহ সরকার কর্তৃক ঘোষিত কোন অনুদান গ্রহণ করবে না। তাই কোন কওমী মাদরাসা কর্তৃপক্ষ যেন এই অনুদানের বিষয়ে সংশয় ও সন্দিহানের মধ্যে না থাকে। (এরপরও যদি কেউ গ্রহণ করে থাকেন এটা একান্তই তাদের ব্যক্তিগত ব্যাপার।)

তাছাড়া কওমী মাদরাসার সনদের স্বীকৃতির বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ঘোষিত গেজেটের ২ এর ১ নং ধারা এবং ২ এর (ঙ) এর ধারা অনুযায়ী কোন কওমী মাদরাসা সরকারি অনুদান গ্রহণ করতে পারে না।

বিবৃতির শেষে এটাও উল্লেখ করা হয় যে, এটা জামেয়া দারুল উলূম হাটহাজারীর কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত। অন্যদিকে সম্মিলিত কওমী মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড ‘আল-হাইআতুল উলয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়া বাংলাদেশ’ ও বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া (বেফাক) কর্তৃপক্ষ অন্যান্য মাদরাসার জন্য আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত জানাবে।

উল্লেখ্য, গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে জানা যায়, অনুদান বরাদ্দ পাওয়া প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ঢাকা বিভাগের ১ হাজার ৭৮০টি, চট্টগ্রাম বিভাগের ১ হাজার ৪৮১টি,  রংপুর বিভাগের ৭০৩টি, রাজশাহী বিভাগের ৭০৪টি, খুলনা বিভাগের ১ হাজার ১১টি, বরিশাল বিভাগের ৪০২টি, ময়মনসিংহ বিভাগের ৩৯৭টি এবং সিলেট বিভাগের ৪৮১টি মাদরাসা রয়েছে।


এমপি নদভীর গাড়িতে ঢিল!‌ :: BanglaNews24.com mobile

প্রবচন ডেস্ক: চট্টগ্রাম-১৫ (লোহাগড়া-সাতকানিয়া) আসনের সংসদ সদস্য আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দীন নদভী তার এলাকার জন্য বরাদ্দ ত্রাণের ২৫ শতাংশ চেয়েছেন। এজন্য তিনি একটি চিঠি (ডিও) পাঠিয়েছেন সাতকানিয়া ও লোহাগড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে। এ নিয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

তিনি চিঠিতে নির্দেশ দিয়েছেন, তার জন্য ২৫ শতাংশ পাঠানোর পর ১৫ শতাংশ উপজেলা চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানদের কাছে পাঠাতে। বাকি ৬০ শতাংশ পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের কাছে। সংসদ সদস্যের এমন নির্দেশনা সংক্রান্ত চিঠি পাওয়ার পর বিষয়টি জেলা প্রশাসককে অবহিত করেন দুই ইউএনও।

নিয়মানুযায়ী ত্রাণ বিতরণ করবেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা, পৌর এলাকার ক্ষেত্রে মেয়র। তাই সংসদ সদস্যের এমন চিঠিকে এখতিয়ারবহির্ভুত বলছেন জেলা প্রশাসক মুহা. ইলিয়াস হোসেন।

তিনি বলেন, নীতিমালায় রয়েছে ত্রাণ বিতরণ করবেন চেয়ারম্যানরা। সাংসদ কেন সেখান থেকে ২৫ শতাংশ চান, সেটা আল্লাহই ভালো জানেন।

এ নিয়ে সংসদ সদস্য আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দীন নদভী বলেন, সারা দেশে অনেক চেয়ারম্যান-মেম্বারদের ঘরে ত্রাণের পণ্য পাওয়া গেছে। এই চুরি ঠেকিয়ে বিষয়টিকে জবাবদিহির আওতায় আনার জন্য ত্রাণ ভাগ করে দিয়েছি। সেখানে আমার জন্য চেয়েছি ২৫ শতাংশ। তাছাড়া আমি স্থানীয় ত্রাণ সমন্বয় কমিটির উপদেষ্টা, তাই এমন নির্দেশনার মধ্যে দোষের কিছু দেখি না।

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget