05/06/20


৫ মে গভীর রাতে তাহাজ্জুদের সময় নামাযরত, জিকিররত নবীপ্রেমিক তৌহিদি জনতার উপর ইতিহাসের নিকৃষ্টতম বর্বরতা চালিয়েছিল আওয়ামী প্রশাসন। গুলির মুহুর্মুহু আওয়াজে প্রকম্পিত হয়ে উঠেছিল শাপলা চত্বরের আকাশ-বাতাস।

ভয়াবহ পরিস্থিতিতেও গভীর রাত পর্যন্ত নেতাকর্মীদের সাথেই স্টেজে ছিলেন মহাসচিব আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী হাফিযাহুল্লাহু। নেতাকর্মীদের বিপদের মুখে ফেলে তিনি কোথাও যেতে রাজি হননি। চতুর্দিক থেকে যখন বুলেটের বুক কাঁপানো আওয়াজ আসছিলো তখনো
আল্লামা বাবুনগরী স্টেজেই। আগ থেকেই ওজু করে পবিত্র অবস্থায় ছিলেন। মৃত্যু হলে শাপলা চত্বরেই হবে, প্রয়োজনে শাহাদাত বরণ করবেন কিন্তু নেতাকর্মীদের রেখে তিনি নিজে কোথাও যাবেন না। 

আহ! উম্মহর কী দরদি একজন নেতা। হ্যাঁ, প্রকৃত নেতা এমনি হওয়া চাই, যিনি নিজের নিরাপত্তার চেয়ে কর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে ভাববেন।

অবস্থা মুহূর্তের মধ্যে ভয়াবহ আকার ধারণ করলো । বুলেটের আঘাতে শাপলার জমিনে লুটিয়ে পড়ছিল নবীপ্রেমিকের দেহ। প্রায় কোটি মানুষের বিশাল জমায়েত , চাইলেই কী মুহূর্তের মধ্যে স্থান ত্যাগ করা যায়? জল কামান, বুলেট ও লাঠিচার্জে দিগ্বিদিক ছুটতে হয়েছে নবীপ্রেমিকদের। 

পরিস্থিতির ভয়াবহতা দেখে কিছু নেতাকর্মী আল্লামা বাবুনগরীকে স্টেজ থেকে নামিয়ে একটি মসজিদে নিয়ে গেলেন। যাওয়ার পথে হোঁচট খেয়ে রাস্তায় পড়ে গেলেন আল্লামা বাবুনগরী। এক সাক্ষাৎকারে আল্লামা বাবুনগরীকে বলতে শুনেছি- হোঁচট খেয়ে রাস্তায় পড়ে যাওয়ার পর দৌঁড়াদৌঁড়ির মধ্যে প্রায় দেড়শ থেকে দুইশ মানুষ আল্লামা বাবুনগরীর গায়ের উপর দিয়ে অতিক্রম করেছিল। তখন আল্লামা বাবুনগরীর দম বন্ধ হয়ে আসছিলো। প্রাণ বের হয়ে যাবার উপক্রম। তিনি কালেমা পড়ছিলেন। আল্লাহ তাআলার অশেষ রহমতে তিনি বেঁচে ছিলেন সেদিন।

সামান্য পথ অতিক্রম করার পর বিদ্যুতের বিশাল এক তার ছিঁড়ে আল্লামা বাবুনগরীর গায়ে পড়লো। হায়! মসিবতের পর মসিবত! পুরো শরীর কারেন্ট হয়ে গেলো। যেই আল্লামা বাবুনগরীকে ধরছিল তাকেই কারেন্ট শক করছিল। এই মহাবিপদেও আল্লাহ তাআলা গায়েবী নুসরত করেছেন, বাঁচিয়েছেন তাঁকে।

আল্লামা বাবুনগরীর উভয় হাঁটুতে তখন বেশ জখম। গায়ের কাপড় ছেঁড়া, চোখে ছিল না চশমাও। দেড় থেকে দুইশ মানুষ কারো গায়ের উপর দিয়ে অতিক্রম করলে সেই মানুষটার অবস্থা কী হয় তা সহজেই অনুমেয়।

যাক, কোনমত আল্লামা বাবুনগরীকে একটি মসজিদে নিয়ে যাওয়া হলো। সেখান থেকে নেয়া হলো হসপিটালে। তখন বাইরের পরিস্থিতি খুবই নাযুক। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে আল্লামা বাবুনগরীকে অ্যাম্বুলেন্সে লালবাগ মাদরাসায় নিয়ে গেলেন কর্মীরা। দেশবাসীর সামনে সে রাতের বাস্তবচিত্র তুলে ধরে সাংবাদিক সম্মেলন করতে চাইলেন আল্লামা বাবুনগরী। কিন্তু প্রশাসনের পক্ষ থেকে অনুমতি দেয়া হলো না।

৬ মে সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম আসার উদ্দেশ্যে লালবাগ মাদরাসা থেকে বের হলেন আল্লামা বাবুনগরী। প্রায় ২০০ গজ অতিক্রম করার পর ঢাকেশ্বরী মন্দির এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হলো আল্লামা বাবুনগরীকে। ডিবি পুলিশ আল্লামা বাবুনগরীকে তাঁর বহন করা গাড়ি থেকে নামিয়ে তাদের (ডিবির)
গাড়িতে উঠিয়ে নিলো। 

বয়োবৃদ্ধ এ মুহাদ্দিসকে রিমান্ডের পর রিমান্ড দেয়া হলো। হেফাজত আন্দোলনে কেবলমাত্র বিশ্বনবী সা. এর ইজ্জত রক্ষায় আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি অর্জনের জন্যই ত্যাগ তিতিক্ষা করেছেন তিনি। তাই আজও জেলজীবন, রিমান্ড ইত্যাদি বিষয়ে মুখ খুলে তেমন কিছুই বলেন না আল্লামা বাবুনগরী। 

একদিন কথা প্রসঙ্গে জেলজীবনের স্মৃতিচারণ করে বড় আফসোসের সাথে আল্লামা বাবুনগরীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছিলেন- গ্রেফতার হওয়ার পর আমার শারীরিক অবস্থা বিশেষ করে পায়ের অবস্থা খুব খারাপ হয়ে গিয়েছিলো। দাঁড়াতে খুবই কষ্ট হতো। দাঁড়িয়ে নামায পড়তে পারতাম না। তাই জেলখানায় একদিন বসে নামায পড়ার জন্য আমি একটি চেয়ার চেয়েছিলাম।কিন্তু সেদিন নামাযের জন্য একটি চেয়ারও দেয়া হয়নি। বলা হয়েছিল- আপনি আসামি, আসামির জন্য আবার চেয়ার কীসের! আহ!

স্রেফ আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য এসব ত্যাগ স্বীকার করেছেন তাই হয়ত আল্লামা বাবুনগরী জেল জীবনের দুঃখ কষ্ট বলেন না। বললে জানতে পারতাম যে, জালিমের বন্দিশালায় আল্লামা বাবুনগরী কতই না জুলুম সহ্য করেছেন। না জানি কত অমানবিক নির্যাতনের স্বীকার হয়েছেন জগদ্বিখ্যাত এ মুহাদ্দিস। 

হেফাজত আন্দোলনের সকল ত্যাগ-তিতিক্ষা আল্লাহ তাআলা কবুল করুন এবং সুস্থতার সাথে আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী হাফিযাহুল্লাহুকে দীর্ঘ নেক হায়াত দান করুন, আমিন।

লেখক: শিক্ষার্থী, দারুল উলুম হাটহাজারী, চট্টগ্রাম।


নাস্তিক থেকে মুফাস্সির হওয়া একজন কিংবদন্তির গল্প অবলম্বনে আমাদের আজকের ভিডিও। সেই কিংবদন্তির নাম মাওলানা আব্দুল মাজেদ দরিয়াবাদী। তিনি প্রথম দিকে নাস্তিক ছিলেন। পরে পূর্ণ ইসলােমে ফিরে এসে কালজয়ী তাফসিরগ্রন্থ ‘তফিসিরে মাজেদী রচনা করেন। এই মহান ব্যক্তির গল্প অবলম্বনে আজ দেখুন ইশতিয়াক সিদ্দিকীর ভিডিও।


Download Lagu ] শেরে মিল্লাত মুফতি এ আযম ...

নিউজ ডেস্ক: ‘আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা’আত বাংলাদেশ’ নামক সংগঠনের চেয়ারম্যান ও জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়া মাদ্রাসার মুহাদ্দিস মুফতী ওবাইদুল হক নঈমীকে প্রধান করে একটি নতুন ফতোয়া বোর্ড গঠনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

গতকাল (৫ এপ্রিল) মঙ্গলবার আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা’আত বাংলাদেশের দায়িত্বশীলদের ঐক্যমতে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন সংগঠনের মুখপাত্র অ্যাডভোকেট মোছাহেব উদ্দিন বখতিয়ার ।

তিনি বলেন, প্রত্যেক বিভাগীয় ও জেলার সুন্নিয়তের আলেমগণের সমন্বয়ে পূর্ণাঙ্গ বোর্ড গঠনের পর সদস্যদের নাম তালিকা খুব শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে।
-সিপি

আল্লামা আহমদ শফী ভালো আছেন: মুফতি ...


ডেস্ক: আল হাইআতুল উলয়া লিল- জামিআতিল কওমিয়ার চেয়ারম্যান ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমীর শাইখুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফি ও দেশের শীর্ষ উলামায়ে কেরামের আহ্বানে সাড়া দিয়ে মসজিদ খুলে দেয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তারা।

রমজান মাসের ফযীলতের কথা বিবেচনায় নিয়ে সুস্থ ব্যক্তিদের জন্য গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ৭ মে থেকে ৫ ওয়াক্ত নামাজের জামাত, জুমা, ও তারাবি ও ইতিকাফের জন্য দেশের সকল মসজিদ খুলে দেওয়ার নির্দেশ জারি করায় আল্লামা আহমদ শফি ও দেশের শীর্ষ আলেম মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদেরকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

আজ বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

মসজিদ কর্তৃপক্ষ যথাযথ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে এবং সরকার কর্তৃক আরোপিত শর্তসমূহ যথাযথভাবে পালন করে আজ থেকে মসজিদে পাঁচ ওয়াক্তের জামাত, জুমা, ও তারাবি আদায়ের পদক্ষেপ গ্রহণ এবং করোনাভাইরাস থেকে মুক্তির জন্য মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের দরবারে তাওবা ও ইসতেগফার করার উদাত্ত আহবান জানান আল্লামা শাহ আহমদ শফী ও আলেমগণ।
-ওআই



৫ মে রাতের ভয়াবহ নারকীয়  হামলার খবরে সারাদেশের মত হাটহাজারীবাসীও মর্মাহত। শোকে কাতর সবাই। রাস্তাঘাট প্রায় ফাঁকা। রাস্তার মোড়ে মোড়ে পুলিশি পাহারা। সবার মাঝে আতংক আর উৎকণ্ঠা। বিভিন্ন জনকে নাজেহাল করার খবরও পাওয়া যাচ্ছে। নিরাপত্তা বলতে কোন কিছু আছে বল মনে হচ্ছিল না।

৫ মে শাপলার মোবারক মজমায় আমরা যারা শরীক হতে পারিনি তারা ৬ মে ক্লাসে বসে বিভিন্ন দুআ দরুদ পড়ছিলাম। সবার মাঝে চাপা ক্ষোভ। প্রতিশোধের আগুনে সবাই দগ্ধ হচ্ছে। সকাল থেকে আমাদের সাথেই ছিল শাহাদাত। বিভিন্ন আমলে শরীক হলো। অনেক সময় বসে বসে গল্প করলাম। রাতের নৃশংসতার কথা স্মরণ করে কেঁদে উঠেছিল। দুপুরের বিরতিতে বাড়িতে গিয়েছিল খাবার খেতে। পরিস্থিতি বিবচনায় আমরা নিষেধ করলাম। আজকের খবারে আমাদের দস্তরখানায় শরীক হওয়ার আমন্ত্রণ জানালাম। কিন্তু, শাহাদাতের পিয়ালা হাতে বেহেশতের হুর যখন আহবান জানায় তখন দুনিয়ার সকল কিছুই তুচ্ছ মনে হওয়াটাই স্বাভাবিক। কোন বাধা বা সম্পর্ক শাহাদাতকে ফিরাতে পারলো না। কিন্তু এটাই যে শেষ যাওয়া তাও জানা ছিল না। প্রতিদিনের মত দুপুরের খাবার খেয়ে মাদ্রাসার পথ ধরেছে "শাহাদত হোসেন"। 

হাটহাজারী বাসস্ট্যান্ডে  পৌঁছাতেই খবর পেলো আল্লামা শাহ আহমাদ শফীকে গ্রেফতার করেছে প্রশাসন। থমকে দাঁড়ায় শাহাদত। এমন দুঃসংবাদ কোনভাবেই মেনে নিতে পারে না। কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে রাস্তার পাশে। কী করবে কিছুই বুঝে উঠতে পারছে না! এমন সময় দেখতে পায় হাজার-হাজার তৌহিদী জনতা প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে এসেছে। নারায়ে তাকবিরের ধ্বনিতে আকাশ-বাতাশ প্রকম্পিত করে তুলছে। 

শাহাদাত চৈতন্য ফিরে পেল। সারা শরীরে তারুণ্যের প্রবাহ বয়ে গেল। প্রতিশোধের দিপ্ত শপথ নিল। আল্লাহ, রাসূল ও দীনের ধারক-বাহক উলামায়ে কেরামের বিরুদ্ধাচারণকারীদের শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত ঘরে ফিরবে না। প্রয়োজনে শহিদ হবে, তবুও পিছু হাটবে না। যেমন ভাবনা তেমন কাজ। মুষ্টিবদ্ধ হাত। হৃদয়ে শাহাদাতের তামান্না। দু'চোখে জান্নাতের স্বপ্ন। যেন হুরদের হাতছানি আর দুই কানে ভেসে আসছে  গিলমানদের অভ্যর্থনা। মুখে নাস্তিকদের বিরুদ্ধে শ্লোগান। ছুটে গিয়ে শরীক হলো মোবারকময় মিছিলে। মিসে গেলো শহিদী তামান্নায় উজ্জবিত  হাজারো মানুষ ভিরে। মনের একটাই আশা, হয়তো শাহাদত, না হয় রাসূলের দুশমনের ফাঁসি। 

চলছে প্রতিবাদ মিছিল। মেখল থেকে হাটহাজারীর পথ খানিকটা দূর হওয়ায় আমরা যেতে একটু দেরি হয়ে যায়। আমি থানার সামনে আর মিছিলকারীরা হাটহাজারী মাদ্রাসার সামনে। পুলিশের এলোপাথাড়ি গুলিবর্ষণ। চোখের সামনে যেন কিয়ামতের বিভীষিকা। চারপাশ অন্ধকার। মুহূর্তে ভয়াল পরিস্থিতি। আমরা কয়েকজন কলেজ গেটের দিকে মোড় নিলাম কাচারি রোড হয়ে। মুখে শ্লোগান বুকে ঈমানী বল।

বর্তমান  আমির এরশাদ প্লাজার সামনে যেতে না যেতেই আমাদের উপর গুলিবর্ষণ আর টিয়ারশেল নিক্ষেপ শুরু হলো। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে নিজেকে মার্কেটের এক গলিতে আবিস্কার করি। এভাবেই ফিল্মি স্টাইলে নবীপ্রেমিক তৌহিদী জনতার আবেগ আর ভালোবাকে বুলেটের আঘাতে ঝাঁঝড়া করে দেয়ার চেষ্টা করা হলো। ঝরে পড়লো ৬টি তরুতাজা প্রাণ। জীবনের তরে পঙ্গু হয়ে যায় বেশ কিছু রাসূল প্রেমিক। মুহুর্মুহু গুলির শব্দে ভারি হয়ে ওঠে ইলমের নগরী হাটহাজারীর আকাশ-বাতাশ। ডুকরে কেঁদে উঠে হাজারো পরিবার।

সেদিন শহীদ হয় প্রিয় বন্ধু শাহাদাত। সেই স্মৃতি আজো আমায় কাঁদায়। আজো বাতাসের সাথে ভেসে আসে টিয়ারশেল আর বারুদের গন্ধ। চোখ বন্ধ করলেই দেখতে পাই হায়েনাদের পৈশাচিক উল্লাস। মুহুর্মুহু গুলির শব্দে এখনো কানে ভাসে। যখনই প্রিয় বন্ধুর গুলিবিদ্ধ শরীরটা চোখের সামনে ভেসে ওঠে তখনই ডুকরে কেঁদে উঠি। অনুশোচনার আগুনে দগ্ধ হই। লজ্জায় দু'চোখ বেয়ে নেমে আসে অশ্রুর ধারা।

হে শহিদ বন্ধু, ক্ষমা করে দিয়ো! তোমার জন্য আমরা কিছু করতে পারিনি। বিচার চাওয়ার পরিবর্তে নিমকহারাম কিছু গাদ্দারকে আঁতাত করতে দেখেছি। শহীদদের রক্তের উপর দাঁড়িয়ে বিক্রি হতে দেখছি মঞ্চ কাঁপানো অনেক মুনাফিককে। একটা আসন পাবার আশায় খুনিকে জননী ডাকতে দেখেছি। খুনির সামনে দাঁড়িয়ে বিচার চাওয়ার বিপরীতে  দাঁত কেলিয়ে মনোরঞ্জন করতে দেখছি প্রতিনিয়ত। এত এত হতাশার মাঝেও বিচারের আশায় আজ অপেক্ষায় করছি। কারণ,  আল্লাহ তাআলা বলেছেন, ‘লা তাহযান’ হতাশ হয়ো না। আমি হাতাশ হইনি। আর মুমিন কখনো হতাশ হতে পারে না। দুআ করি আল্লাহ তোমাকেসহ সকল শহিদদের কবুল করুন।

লেখক: শিক্ষার্থী, হাটহাজারী মাদরাসা চট্টগ্রাম।

ইতিহাসের সেই ২০১৩ সাল। উত্তপ্ত রাজনীতির রোষানলে দাউ দাউ করে জ্বলছিল পুরো দেশ। দেশদ্রোহী রাজাকারের অভিযোগে একের পর এক ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলানো হচ্ছিলো জামা‌ত নেতা‌দের। বিরোধীদল বিএনপির জন্য আন্দোলনে নামা ছিল বড় দুষ্কর। সুযোগ মত পেলেই গ্রেফতার, এরপর রিমান্ড। ফলে তারা শক্ত‌িশালী হওয়া সত্ত্ব‌েও ‌ছিল নিষ্ক্রিয়। এদিকে রাজাকারদের ফাঁসির দাবিতে ঢাকার শাহবা‌গে গড়ে ওঠে গণজাগরণমঞ্চ। তাদের দেখা‌দে‌খি অপরাপর জেলাগুলোতেও গড়ে ওঠে গণজাগরণমঞ্চের শাখা। পুরো দেশ রাজাকারদের ফাঁসির দাবিতে প্রকম্পিত করে তুলেছিল তারা। প্রথম দিকে নিজস্ব গতিতে চললেও কিছুদিন অতিবাহিত হওয়ার পর তাদের দাবী ঘুরে গিয়ে ধর্মভি‌ত্তিক রাজনী‌তি নি‌ষি‌দ্ধের দাবীও যুক্ত হয়। একপর্যা‌য়ে তাদের অনেকেই ইসলাম ধর্মের অবমাননা শুরু করে এবং রাসূল সা. এর ব্যঙ্গ করতে থাকে। নারী-পুরু‌ষের এক‌ত্রে রা‌ত্রিযাপন ও অবাধ মেলা‌মেশায় গণজাগরণমঞ্চ একপর্যায় বেহায়াপনা ও বেলেল্লাপনার আখড়ায় পরিণত হয়।

তাদের এমন অবস্থা ও অবস্থান দেখে ঘরে বসে থাকতে পারেননি শায়খুল আরব ওয়াল আযম আল্লামা হোসাইন আহমদ মাদানী রহ. এর খাছ শাগরিদ, বাংলার সিংহপুরুষ, শায়খুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফী হাফিযাহুল্লাহ। তিনি বাংলাদেশের শীর্ষ ওলামা-মাশায়েখ এবং ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের সাথে নিয়ে নবীর ইজ্জত রক্ষার্থে তথাকথিত গণজাগরণমঞ্চের বিরুদ্ধে এবং নাস্তিক ব্লগার‌দের সর্বোচ্চ শা‌স্তি ফাঁসির দাবিসহ মোট ১৩ দফা দাবি নিয়ে দেশের প্রতিটি জেলায় আন্দোলন গড়ে তোলেন। আন্দোলনের তীব্রতা এবং তাওহীদি জনতার গণজাগরণ দেখে সরকার হত‌বিহ্বল হ‌য়ে পড়‌ে। বাংলার জমিনে এমন আন্দোলনের দ্বিতীয় কোন নজির ছিল না। হেফাজতের অগ্রগ‌তি আটকা‌তে পা‌রে‌নি কেউ। কারণ এ আন্দোলন ছিল ঈমান, ইখলাস ও নবীপ্র‌ে‌মের। এরপরও আওয়ামী সরকার হেফাজ‌তের দাবী না মে‌নে উ‌ল্টো প্রশাসনিক সু‌বিধার মাধ্য‌মে শাহবাগী‌দের সা‌পোর্ট ‌দি‌তে থা‌কে এবং হেফাজতের বিরুদ্ধে তাদেকে খেপিয়ে তোলে।

এমন একটি মুহুর্তে সুযোগসন্ধানী হয়ে হেফাজত নেতাদের পিছু নেয় বিএনপি ও জামাত‌। সরাস‌রি টাইমলাই‌নে না এ‌সে বি‌ভিন্ন সু‌যোগ-সু‌বিধা দেয় হেফাজ‌তের সমা‌বে‌শে। এমন‌কি মুরুব্বীদের অগোচরে কিছু হেফাজত নেতাদের সাথে আতাঁত করতে সক্ষম হয়। ক্ষমতালোভী ও রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত কিছু আলেম তাদ‌ের দেয়া অফার ও সু‌যোগ সু‌বিধা গ্রহণ ক‌রে।

এভা‌বে চল‌তে চল‌তে একপর্যায়ে আন্দোলনের না‌স্তিক‌বিরোধী আন্দোলনের একটা অংশ সরকার পতন আন্দোলনে রূপ নেয়। হেফাজতের পুরো আন্দোলনটা ঘোলাটে করে নি‌জে‌দের ম‌তো ব্যবহার ক‌রে ক্ষমতালোভি সেই মহলটি।

বিশেষ করে ৫ মে ঢাকা অব‌রো‌ধে লক্ষ লক্ষ তৌহিদী জনতা ঢাকার রাজপথে বি‌ভিন্ন প‌য়েন্ট‌ে অবস্থান করছিল। এমন পরিস্থিতিতে বিএনপি ঘোষণা দেয় নেতা-কর্মীদের হেফাজতের পা‌শে দাঁড়া‌তে। তাঁর এই বক্তব্যে আওয়ামী সরকার আতঙ্কিত ও ন‌ড়েচ‌ড়ে বস‌লে হেফাজতকে সন্ধ্যার আগেই শাপলাচত্তর ত্যাগ করার নির্দেশ দেয়। এদিকে সরকারের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে রাসূল সা. এর ইজ্জত রক্ষার্থে দাবি আদায়ের জন্য ময়দান ছাড়তে রাজি নয় হেফাজতের সরল মুখ‌লিস ওলামামাশায়েখ ও তাওহীদি জনতা। পরামর্শক্রমে এবং বিভিন্ন দিক বিবেচনা করে রাত্রিযাপনের ঘোষণা দেয় হেফাজত নেতৃবৃন্দ।

অন্যদিকে হেফাজতের কিছু ক্ষমতালোভী নেতা বিএনপির সাথে আঁতাত করে গদি দখলের স্বপ্ন দেখতে শুরু করে এবং আন্দোলনের মোড় ভিন্নভা‌বে নেয়ার অপচেষ্টা চালায় এবং তাওহী‌দি জনতাকে রাত্রিযাপনের ব্যাপা‌রে বোঝা‌তে সক্ষম হয় তারা। এ‌দি‌কে পরেরদিন রাত পেরোলেই ৬ মে ঢাকায় পল্টনে বিএনপির জনসভা। তাদের লক্ষ্য ছিল, রাত অতিবাহিত হলে হেফাজতের জনসমুদ্র‌ে সকলেই যোগদান করবে। দল ভারি করে সরকার পতনের শেষ ঘণ্টা বাজাবে তারা! কিন্তু আওয়ামী সরকার তা আঁচ কর‌তে পেরে। হা‌তে নেয় নতুন প্লান। আর ক্ষমতা‌লোভী দু'দলের খেলার গু‌টি হয় হেফাজ‌তের নিষ্পাপ-নিরাপরাধ কর্মীরা।

হেফাজত কর্মীদের উপর ৬ মে রাত দু'টায় ধর্মপ্রাণ তাওহিদী জনতার কেউ যখন তাহাজ্জুদে আর কেউ বিশ্র‌াম কর‌ছে ঠিক সে সময় বিদ্যুৎ সং‌যোগ বিচ্ছিন্ন ক‌রে তাওহিদী জনতা এবং আলেম-ওলামা পীর-মাশায়েখদের উপর নির্মম হত্যাযজ্ঞ চলায় সম্মিলিত বাহিনী। নে‌মে আস‌ে তাঁদের উপর ভয়াবহ কেয়ামত। যৌথবা‌হিনী ও আওয়ামী সরকা‌রের পোষা কুকুরগুলো হাম‌লে প‌ড়ে তা‌দের উপর। ই‌তিহা‌সের বর্বরতম পাশবিক নির্যাতন করে রাতেই ঢাকা ত্যাগ করতে বাধ্য করে আওয়ামী সরকার।

যৌথবা‌হিনী রাতভর মুহুর্মুহু গু‌লি ও হামলা চা‌লি‌য়ে শতাধিক মুসল্লীকে শহীদ এবং হাজার হাজার আলেম-ওলামা ও তাওহিদী জনতাকে আহত ও পঙ্গু ক‌রে দেয়। এমন বর্বরো‌চিত হামলা স্বাধীনতার পর বাংলার জমিনে দ্বিতীয়বার সংঘটিত হয়নি। সে ক্ষত এখ‌নো আ‌ছে, থাক‌বে সারা জীবন!

এ অমানবিক হামলার দায় যেমনটি আওয়ামী সরকারের, ঠিক তেমনটি বিএনপি-জামাত জোটের। কিয়ামতের দিন উভয় ক্ষমতাধরকে আল্লাহর কাঠগড়ায়  দাঁড়াতে হবে। দাঁড়াতে হবে ঐ সমস্ত ক্ষমতালোভীদেরও যারা সেদিন হেফাজতের ভেতরেই ঘাপটি মেরে ছিল। সেইদিন আল্লাহ তাআলা এর উপযুক্ত বিচার করবেন ইনশাআল্লাহ।

৫ মে হামলার পূর্বমুহূর্ত পর্যন্ত হেফাজত থেকে স্বার্থ হাসিলের অপচেষ্টা চালিয়েছে বিএনপি-জামাত। একথ‌া ব‌াস্তব‌ যে, সেদিন সরকার পতনের জন্য হেফাজতকে ব্যবহার করতে চেয়েছে বিএনপি। এদিকে আওয়ামী সরকার বিএনপির অবস্থান জেনে ক্ষমতার জন্য অমানবিক নির্যাতনের মাধ্যমে নির্দোষ নিরাপরাধ তাওহিদী জনতা এবং আলেম- ওলামাদের শাপলা চত্বর ছাড়তে বাধ্য করে।
যোগ বি‌য়োগ কর‌লে একথা প‌রিষ্কার, হেফাজতকে ক্ষমতার জন্য উভয় দল ব্যবহার করেছে। কেউ গদির পাওয়ার জন্য, কেউ গদি রক্ষার জন্য।

গতানুগতিক কথা বলছি না। এ বিষয়ে হেফাজতে শীর্ষ এক নেতার  ভিডিও সাক্ষাৎকার আমার কা‌ছেও আছে। সেখানে তিনি সুস্পষ্টভাবে বলেছেন, ফরহাদ মজহারের উপস্থিতিতে বেগম জিয়ার সম্মতিক্রমে আমি এই হাতে ইসলামী রাষ্ট্রের রূপরেখা লিখেছি।
তিনি আরো বলেন, হাটহাজারী হযরতকে বলেছি, হুজুর কোন চিন্তা করবেন না, পরশু আপনি হবেন রাষ্ট্রপতি এবং বেগম জিয়াকে প্রধানমন্ত্রী করে আমরা ইসলামী হুকুমত কায়েম করবো।
তিনি আরো বলেন, অপারেশন চলাকালীন অর্থাৎ ৫মে রাতে বারবার হুজুর আমাকে বলেন ‌‌'এখন কী করব?' আমি হুজুরকে বলেছি, আপনি চিন্তা করবেন না।
হেফাজত নেতা বলেন, হঠাৎ আমি শুনতে পাই হুজুর নাকি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলে দুটি টিকিট সংগ্রহ করে চট্টগ্রাম চলে যাচ্ছে। এ কথা বলে দুঃখ প্রকাশ করে তিনি বলেন, কেন হুজুর চলে গেলেন তিনি না গেলে কেউ কী তাঁকে জোর করে নিয়ে যেতে পারতো?
হুজুর যদি ওই রাতে না গিয়ে মিডিয়ার সামনে বলতো ভাইয়েরা, তোমরা যে যেখানে অবস্থান করছো তোমরা থাকো, ইনশাআল্লাহ  সকালে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। তাহলে পরের দিন আমরা ইসলামী রাষ্ট্র কায়েম করতে পারতাম।

সে হেফাজত নেতার কথায় সুস্পষ্ট বোঝা যায়, তারা তাওহিদী জনতার আস্থা, বিশ্বাস ও রক্তের সাথে গাদ্দারী করে নিজেদের বিক্রি করে দিয়েছিল। না হয় বেগম জিয়াকে প্রধানমন্ত্রী করে ইসলামী রাষ্ট্র কায়েমের স্বপ্ন দেখে কী করে?

যুগে যুগে এভা‌বে ক্ষমতালোভী আলেমই নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থে ইসলামকে কুলষিত করেছে।  

আমরা দেখেছি
-ক্ষমতার জন্য কাউকে তারা রাবেয়া বসরী উপাধি দিতে দ্বিধা‌বোধ করে না।
-আবার বেগম জিয়াকে গদিতে বসিয়ে ইসলামী রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখতেও তাদের বুক কাঁপে না।
-আবার কেউ কওমী জননী উপাধি দিতেও পরোয়া করে না।
-কেউ ক্ষমতা ও পদের লোভে গোমরাহী আকীদা পোষণকারীদের অনুসরণ-অনুকরণ করে।
-কখনো স্বার্থ হাসিলের জন্য কওমী মাদরাসার ইতিহাস-ঐতিহ্য ও স্বকীয়তা ভূলুণ্ঠিত করতেও তারা দ্বিধাবোধ করে না।

আমার দৃঢ় বিশ্বাস, বিএনপি যদি সেদিন তাদের চক্রান্তে স্বার্থক হতো, হেফাজত‌কে সিঁ‌ড়ি হি‌সে‌বে ব্যবহার কর‌ে নতুন সরকার গঠন কর‌তো, তার পরও আলেম-ওলামাদের নেতৃত্ব প্রদান তো দূরের কথা বরং বি‌ভিন্ন মামলায় হেফাজতকে জেলে ভরে তারা একক ক্ষমতা প্রতিষ্ঠা করতো।

পরিশেষে, মহান আল্লাহর কাছে মিনতি করি, মুসলিম জাতিকে যেন আদর্শিকভাবে পদস্খলন না করেন। ঈমান এবং নীতি-নৈতিকতার উপর অটুট রাখেন।

লেখক: শিক্ষার্থী, দারুল উলুম হাটহাজারী, চট্টগ্রাম।


করোনা মোকাবিলায় জাতীয় কমিটি করতে ...

ডেস্ক: মসজিদ উন্মুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন দেশের শীর্ষ ও বিশিষ্ট ২০০ ওলামায়ে কেরাম। এক বিবৃতিতে দেশের বিশিষ্ট ওলামায়ে কেরাম বলেন, শর্ত সাপেক্ষে শপিংমল-মার্কেট, গার্মেন্টস-ইন্ডাস্ট্রি খুলে দেয়ার পরও সরকার রমজান মাসে মসজিদ উন্মুক্তের ঘোষণা না দেয়ায় দেশবাসী মর্মাহত হয়েছেন।

এক যৌথ বিবৃতিতে এ দাবি জানিয়েছেন দেশের বিশিষ্ট আলেমরা।

বিবৃতিতে ওলামায়ে কেরাম বলেন, দেশের সর্বজন শ্রদ্ধেয় আলেম আল্লামা শাহ আহমদ শফীসহ শীর্ষ ওলামায়ে কেরামের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তের প্রতি সরকার শ্রদ্ধাশীল হয়ে মসজিদ খুলে দিবেন বলে আমরা আশাবাদী ছিলাম। কিন্তু দেশের বেশ কয়েকটি মন্ত্রণালয়, শপিংমল-মার্কেট, গার্মেন্টস, কল-কারখানা চালু করার ঘোষণা আসলেও সরকারের পক্ষ থেকে সুস্থ্য সকল মুসল্লীদের মসজিদে নামাজ আদায়ের ঘোষণা আসেনি। রমজান মাস সত্ত্বেও মুসল্লীরা মসজিদে গিয়ে ৫ ওয়াক্ত নামাজ, জুমা, তারাবিহ ও ইবাদত-বন্দেগী করতে না পেরে আর্ত চিৎকার করছে। রোযাদারদের হৃদয়ের কান্নায় সরকার বেকায়দায় পড়তে পারে।

বিবৃতিতে ওলামায়ে কেরাম আরো বলেন, মসজিদ ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান কুরআন-সুন্নাহর আলোকে ওলামায়ে কেরামের পরামর্শ মোতাবেক পরিচালিত হওয়াই যুক্তিসঙ্গত। শর্ত সাপেক্ষে কল-কারখানা, গার্মেন্টস, হাট-বাজার, ব্যাংক ইত্যাদি চালু থাকলে সতর্কতার সাথে রহমতের স্থান মসজিদ খুলে দিতে বাঁধা কোথায়?

তারা বলেন,  উন্নত রাষ্ট্রসমূহে মসজিদের সংখ্যা খুবই স্বল্প হওয়া সত্ত্বেও সেখানে করোনায় সর্বাধিক আক্রান্ত হচ্ছে কেন? করোনা ভাইরাস থেকে মুক্তির জন্য স্বাস্থ্যবিধিও মেনে চলা এবং আল্লাহর কাছে খালেস দিলে তাওবা-এস্তেগফার, নামাজ-রোজা, দোয়ায়ে ইউনুসসহ অন্যান্য দোয়া অব্যাহত রেখে সবধরনের পাপ কাজ থেকে বিরত থাকার জন্য তাঁরা সকলের প্রতি অনুরোধ জানান।

বিবৃতিদাতা বিশিষ্ট আলেমগণ হলেন, হাটহাজারী মাদরাসার প্রধান মুফতি আল্লামা আব্দুস সালাম চাটগামী, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আমীরে শরীয়ত মাওলানা আতাউল্লাহ হাফেজ্জী, বারিধারা মাদরাসার প্রিন্সিপাল ও শায়খুল হাদিস আল্লামা নূর হুসাইন কাসেমী, সাবেক মন্ত্রী, শায়খুল হাদীস মুফতি মোহাম্মদ ওয়াক্কাস, বাবুনগর মাদরাসার প্রিন্সিপাল ও শায়খুল হাদিস আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী, শায়খুল হাদিস আল্লামা নুরুল ইসলাম (আদীব সাহেব হুজুর), মহাপরিচালক ওলামা বাজার মাদরাসা ফেনী, মাওলানা নুরুল ইসলাম শায়খুল হাদিস ও প্রিন্সিপাল, মাখজানুল উলূম খিলগাঁও, ঢাকা, শায়খুল হাদিস আল্লামা মুনিরুজ্জামান সিরাজী (বড় হুজুর) ব্রাক্ষণবাড়িয়া, জামিয়া ইউনুসিয়া ব্রাক্ষণবাড়িয়ার প্রিন্সিপাল আল্লামা মুফতি মুবারকুল্লাহ, আল্লামা শাহ মোহাম্মদ তৈয়্যব, মহাপরিচালক, জিরি মাদরাসা চট্রগ্রাম, শায়খুল হাদিস মাওলানা ইসমাঈল নূরপুরী আমীর, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, শায়খুল হাদিস আল্লামা আব্দুল হক, খতিব ময়মনসিংহ বড় মসজিদ।

এছাড়াও বিবৃতিতে আরো সাক্ষর করেন শায়খুল হাদীস আল্লামা উবায়দুল্লাহ ফারুক, বারিধারা, অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান চৌধুরী, পীর সাহেব কাপাসিয়া,গাজিপুর, শায়খুল হাদিস মুফতি আব্দুল বারী, প্রিন্সিপাল, জামিয়া আশরাফিয়া সাইনবোর্ড,্মাওলানা মাহফুজুল হক প্রিন্সিপাল জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া, মারকাজূল  উলুম খুলনার প্রিন্সিপাল মুফতি গোলাম রহমান, শায়খুল হাদিস আল্লামা সোলায়মান নোমানী, হযরত হাফেজ্জী হুজুর রহ. এর সুযোগ্য খলিফা শায়খুল হাদিস আল্লামা ইসমাঈল বরিশালী, মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজী মহাসচিব, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, শায়খুল হাদিস আল্লামা শেখ আজীমুদ্দীন, শায়খুল হাদিস মুফতি মহিবুল হক, মুহতামিম,দরগাহ মাদরাসা সিলেট, মুফতি জসীমুদ্দীন হাটহাজারী মাদরাসা,  জামিয়া নুরিয়ার প্রধান মুফতি আল্লামা মুজিবুর রহমান, মাওলানা আব্দুর রহমান, শায়খুল হাদিস উজানী মাদরাসা চাঁদপুর ,মুফতি ইয়াহইয়া, প্রধান মুফতি লালবাগ মাদরাসা,  মুফতি রশীদুর রহমান ফারুক, পীরসাহেব বরুণা, মাওলানা আবুল কালাম প্রিন্সিপাল, জামিয়া মুহাম্মদিয়া, মোহাম্মদপুর, শায়খুল হাদিস মাওলানা আব্দুল আউয়াল, খতিব, ডি আইটি মসজিদ, নারায়নগঞ্জ মাওলানা আবু তাহের জিহাদী, প্রিন্সিপাল দেওভোগ মাদরাসা,নারায়ানগঞ্জ, মুফতি মুশতাকুন্নবী কাসেমী, মুহতামিম, দারুল ঊলূম সুধন্যপুর, কুমিল্লা।

বিবৃতিদাতা আলেমদের মধ্যে আরো রয়েছেন মাওলানা আব্দুর রব ইউসুফী, সহ-সভাপতি জমিয়তে ওলামায়ে ইসলাম,ড  মাওলানা মোহাম্মদ ঈসা শাহেদী, আমীর ইসলামী ঐক্য আন্দোলন,মাওলানা জুনায়েদ আল-হাবিব, যুগ্ম মহাসচিব হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ,  মাওলানামুজিবুর রহমান হামিদী, নায়েবে আমীর বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন,মাওলানা খোরশেদ আলম কাসেমী, নায়েবে আমীর বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, মুফতি সাখাওয়াত হোসাইন রাযী, ঢাকা, মাওলানা সারোয়ার কামাল আজিজী সভাপতি, নেজামে ইসলাাম পার্টি,মাওলানা সাখাওয়াত হুসাইন নায়েবে আমীর, খেলাফত মজলিস, মাওলানা হাজী ফারুক আহমাদ, শায়খুল হাদিস ইশাআতুল উলূম লক্ষীপুর, শায়খুল হাদিস শাইখ নাসিরুদ্দিন সিলেট ও মুফতি ওমর ফারুক বিন মুফতি নুরুল্লাহ বরিশাল, মাওলানা মুফতি কুতুবুদ্দিন, শায়খুল হাদিস নানুপুর মাদরাসা চট্রগ্রাম, মাওলানা শিব্বির আহমাদ, চরমটুয়া, নোয়াখালী, মুফতি শেখ নাঈম রেজওয়ান, পেশ ইমাম, চকবাজার শাহী মসজিদ ঢাকা, মাওলানা মাসুদুল করিম, প্রিন্সিপাল দারুল উলুম টঙ্গী, মুফতি কেফায়েতুল্লাহ আজহারী, প্রিন্সিপাল ও শায়খুল হাদিস, জামিয়াতুল মানহাল, উত্তরা, ঢাকা, মুফতি আবুল হাসান শামসাবাদী, সম্পাদক মাসিক আদর্শ নারী, মুফতি গোলাম রব্বানী, নীলফামারী, মুফতি নুরুল ইসলাম খান, শায়খুল হাদিস ও প্রিন্সিপাল দরগাপুর মাদরাসা, সুনামগঞ্জ, মুফতি ইফতেখারুল ইসলাম, মুহাদ্দিস, তেঘরিয়া মাদরাসা সুনামগঞ্জ, শায়খুল হাদিস মুফতি আবুল হাসান, রংপুর, মুফতি বশিরুল্লাহ মাদানীনগর মাদরাসা।,মাওলানা আনোয়ারুল করীম, মুহতামিম, রেল স্টেশন মাদরাসা যশোর,মুফতি রফিকুর রহমান খুলনা। মুফতি গোলামুর রহমান প্রিন্সিপাল ইমদাদুল উলুম খুলনা।,মাওলানা আব্দুল হামিদ, সভাপতি বৃহত্তর কুষ্টিয়া ওলামা পরিষদ, মাওলানা আকরাম আলী, বাহিরদিয়া মাদরাসা, ফরিদপুর, মাওলানা ইসমাঈল ইবরাহীম, প্রিন্সিপাল ও শায়খুল হাদীস, ভবানীপুর মাদরাসা, গোপালগঞ্জ, মুফতি মুনির হুসাইন, প্রিন্সিপাল রাণীরবাজার মাদরাসা কুমিল্লা, মাওলানা আব্দুল বাসেত আজাদ (বড় হুজুর বানিয়াচং) হবিগঞ্জ,মুফতি লিহাজ উদ্দিন, মুহতামিম জামিয়া নূরিয়া, গাজিপুর, মাওলানা ইউসুফ সাদেক হক্কানী, সভাপতি, সাভার উপজেলা ওলামা পরিষদ, মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, প্রিন্সিপাল জামিয়া মাআরিফুল কোরআন ঢাকা,মুফতি সুলতান মহিউদ্দিন, মুহতামিম, হুসনুল কুরআন মাদরাসা, ঢাকা, মুফতি শেখ মজিবুর রহমান, শায়খুল হাদিস জামিয়া আশরাফিয়া পটুয়াখালী, মাওলানা গোলাম মহিউদ্দিন ইকরাম, প্রিন্সিপাল দারুল উলুম নতুনবাগ রামপুরা ঢাকা, মুফতি সাঈদুর রহমান, মুহতামিম আল কাউসার আল ইসলামিয়া, কল্যাণপুর ঢাকা, মাওলানা যাকারিয়া নোমান ফয়জী, মেখল মাদরাসা চট্টগ্রাম, মুফতি আব্দুল্লাহ ইয়াহইয়া, মহাসচিব ইত্তিফাকুল মুসলিমীন বাংলাদেশ, জাতীয় ইমাম পরিষদ বাংলাদেশের সেক্রেটারী জেনারেল মুফতি আ ফ ম আকরাম হুসাইন, মুফতি সাইফুল ইসলাম, প্রিন্সিপাল মোস্তফাগঞ্জ মাদরাসা মুন্সিগঞ্জ, শায়খুল হাদিস মুফতি হাসান ফারুক মুহতামিম জামিয়া ফারুকিয়া, গজারিয়া মুন্সিগঞ্জ, মাওলানা বশিরুদ্দিন, শায়খুল হাদিস দত্তপাড়া মাদরাসা নরসিংদী, মাওলানা আব্দুল হালিম, মুহতামিম খাজা মঈনুদ্দিন মাদরাসা,বরিশাল, মাওলানা আলী আহমাদ পীরসাহেব চন্ডিবর্দী, মাদারীপুর, মুফতি শফিউল্লাহ খান, সভাপতি, শরীয়তপুর উলামা পরিষদ, মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস তালুকদার, প্রিন্সিপাল ও শায়খুল হাদিস, মনুয়া মাদরাসা, শরীয়তপুর, মুফতি রশিদ আহমদ, প্রধান মুফতি বৌয়াকুর মাদরাসা, নরসিংদী, মুফতি রঈসুল ইসলাম, প্রধান মুফতি জামিয়া ফয়জুর রহমান, ময়মনসিংহ, মাওলানা আব্দুর রহমান খান তালুকদার, সভাপতি, সর্বদলীয় মুসলিম ঐক্য পরিষদ ভোলা, মাওলানা আবুল কাসেম, প্রিন্সিপাল, জামিয়া মিফতাহুল উলুম নেত্রকোনা, মাওলানা আব্দুল মতিন, সহকারী প্রিন্সিপাল নেত্রকোনা কামিল মাদরাসা, মুফতি আব্দুল বারী, নেত্রকোনা, মুফতি আবু দাউদ, প্রিন্সিপাল মঙ্গলবাড়ীয়া মাদরাসা কুষ্টিয়া, মুফতি মাসউদুর রহমান, প্রধান মুফতি ভবানীপুর মাদরাসাম গোপালগঞ্জ। মাওলানা আব্দুর রাশেদ ফরিদপুর,মাওলানা আব্দুল মতিন, খলিফা হাফেজ্জী হুজুর রহ.।

এছাড়া আরো বিবৃতি দিয়েছেন, মুফতি শিহাবুদ্দিন কাসেমী, কাশিয়ানী, গোপালগঞ্জ, মুফতি আরিফ বিল্লাহ, সভাপতি ঝিনাইদহ ওলামা পরিষদ, মাওলানা শফিউল্লাহ, মুহতামিম জামিয়া ইসলামিয়া চৌমুহনী নোয়াখালী, মুফতি আব্দুস সালাম, মুহাদ্দিস ধুলেরচর মাদরাসা টাঙ্গাইল, মাওলানা গাজী ইউসুফ, ফেনী, মাওলানা আব্দুল হাই উত্তরা, ঢাকা, মাওলানা আব্দুল হক, কক্সবাজার, মাওলানা সিরাজুল ইসলাম, রামু, কক্সবাজার, মাওলানা আশরাফ উদ্দিন চৌধুরী, টেকনাফ কক্সবাজার, মাওলানা আব্দুল হক কাউসারী পটুয়াখালী, মুফতি আজমল হুসাইন, সভাপতি, ইত্তেহাদুল উলামা, রাজশাহী, মুফতি আব্দুল্লাহ শায়খুল হাদীস ও প্রধান মুফতি, জামিয়া ইশাআতুল উলূম, নেত্রকোনা। মাওলানা ইসমাঈল মাহমূদ, শিক্ষাসচিব, রেলওয়ে মাদরাসা, সিরাজগঞ্জ, মাওলানা শরীফুল ইসলাম,মুহতামিম, নিউটাউন মাদরাসা, দিনাজপুর, মাওলানা মতিউর রহমান কাসেমী দিনাজপুর।

যৌথ বিবৃতিদাতা হিসেবে আরো ছিলেন,  মাওলানা আরিফুল ইসলাম, সভাপতি, ইশাআতে ইসলাম, দিনাজপুর, মাওলানা মহিউদ্দিন রাব্বানী, সভাপতি বাংলাদেশ আইম্মা পরিষদ, মাওলানা জয়নুল আবেদীন, প্রিন্সিপাল চরিতাবাড়ী মাদরাসা লালমনিরহাট, মুফতি আব্দুল আজীজ, হাটহাজারী, মাওলানা এনামুল হক মুসা, সভাপতি সচেতন ওলামা সমাজ, মাওলানা সাজেদুর রহমান ফয়েজী, সভাপতি ইমাম ও ওলামা পরিষদ, মুফতি ইলিয়াস মাদারীপুরী, সভাপতি জাতীয় ইমাম সমাজ কামরাঙ্গীরচর, মুফতি আবুল কালাম, প্রিন্সিপাল, দারুল উলূম মিরপুর-৬, মাওলানা মীর ইদরীস, প্রিন্সিপাল দারুল হুদা, চট্রগ্রাম, মুফতি সামসুদ্দিন বড়াইলী, মারকাজুল হুদা ঢাকা, মুফতি আখতারুজ্জামান, প্রধান মুফতি দারুল উলুম মাহমুদিয়া ঢাকা, মাওলানা আশরাফুজ্জামান পাহাড়পুরী, পরিচালক, আল মারকাযুল ইলমী বাংলাদেশ।

মসজিদ খোলার পক্ষে আরো বিবৃতি দিয়েছেন,  মাওলানা আহসান উল্লাহ, প্রিন্সিপাল মাহফুজুল কোরআন মাদরাসা, ঢাকা, মাওলানা মুফতি রেজাউল করিম, সেক্রটারী বৃহত্তর কুষ্টিয়া ওলামা পরিষদ, মুফতি আব্দুল বারী, প্রধান মুফতি মদিনাতুল উলুম আমীনবাজার ঢাকা, মাওলানা মাসউদুর রহমান বিক্রমপুরী, মুফতী ইলিয়াস মাদারীপুরী, মুফতী আঃ হাফিজ গোপালগঞ্জ, মুফতি আব্দুর রহমান আজাদ বাগেরহাট, মুফতী আব্দুর রহমান বেতাগী পটুয়াখালী, মুফতী রাইহান ফরহাত ঢাকা, মাওলানা সাইফুল ইসলাম সুনামগঞ্জ, মুফতী আফজাল হুসাইন শরীয়তপুর, মুফতী হাবিবুর রহমান শরীয়তপুর, মুফতি আবু মূসা শরীয়তপুর, মুফতি জাকির বিল্লাহ মাদারীপুর, মুফতি খায়রুজ্জামান ফরিদপুর, মাওলানা বেলাল মাদারীপুর প্রমুখ।

Videos on social media purportedly of the fire showed burning debris falling from a tower engulfed in flames [Screenshot]
মঙ্গলবার রাতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজায় একটি আবাসিক টাওয়ারে আগুন লাগে। এসময় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার বিগ্রেডের সদস্যরা।

শারজাহের আল নাহদা এলাকার ৪৮ তলা অ্যাবকো টাওয়ারে অগ্নিকাণ্ডের ফলে সাতজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে ফায়ার বিগ্রেডের মিডিয়া সেল জানিয়েছে।

ভবনটিতে আগুন লাগার পরে তার লেলিহান শিখা আকাশে দেখা যায় এবং থেকে তা চারদিকে ছড়িয়ে পড়তে থাকে, যা সোশ্যাল মিডিয়ার বিভিন্ন ছবি ও ভিডিওতে স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান ছিল। কর্তৃপক্ষ অগ্নিসংযোগের তাত্ক্ষণিক কারণ জানাতে পারেনি।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, শারজাহ সিভিল ডিফেন্সের (এসসিডি) সদস্যরা ক্রমবর্ধমান পরিস্থিতি দ্রুত ছিল নিয়ন্ত্রণে আনতে তৎপর ছিল।

গাল্ফ নিউজ পত্রিকার খবরে বলা হয়েছে, এসসিডি জানিয়েছে,  স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৯. টা নাগাদ বাংলাদেশ জিএমটি) আগুন শুরু হয়েছিল।

খালিজ টাইমস জানিয়েছে, আগুনে আবাসিক টাওয়ারটির নিকটবর্তী অন্তত পাঁচটি বিল্ডিং ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে এবং  ভবনের বিভিন্ন অংশ ভেঙে পড়ে বেশ কয়েকটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে, যা পরে সরিয়ে নেয়া হয়।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে সাম্প্রতিক বছরগুলিতে উঁচু উঁচু টাওয়ারগুলো প্রায়ই অগ্নিকাণ্ডের কবলে পড়েছে।

ভবন সুরক্ষা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং অন্যান্য যেসব স্থানে আগুন ধরেছে সেসব জায়গার ভবনগুলোতে ভবন নিরাপত্তা নিশ্চিতের আইন অনুযায়ী নকশা করা হয়নি এবং দ্রুত আগুন নির্বাপনেরও তেমন কোন বিশেষ ব্যবস্থা নেই।
সূত্র- আল জাজিরা ও নিউজ এজেন্সি

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget