05/07/20


৬০ দিনে তিনবার করোনা পজিটিভ, পাগলের মতো অবস্থা তরুণের!

প্রবচন ডেস্ক: গত দুমাসে তিনি তিনবার করোনা পজিটিভ হয়েছেন। টেক্সাসের হাউস্টন নামক অঞ্চলের বাসিন্দা ২৬ বছর বয়সী ক্রিস্টিয়ান বার্মিয়া আর ধৈর্য ধরে রাখতে পারছেন না। প্রাণঘাতী ভাইরাসের ভয়াবহ অবস্থা দেখে তিনি বুঝতে পারছেন না, আদৌ সুস্থ হবেন কি-না!

১৯ মার্চ তার শরীরে প্রথম করোনার উপস্থিতির ধরা পড়ে। মার্চ মাস থেকে এখনো পর্যন্ত ৫২ দিন আইসোলেশনে রয়েছেন তিনি। বার্মিয়া ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাত্কারে বলেছেন, আগের মতো আর ঘ্রাণশক্তি নেই। নাকে কোনো গন্ধ আর তেমন লাগে না। শরীর মারাত্মক দুর্বল থাকে সব সময়। মাথা ঘোরে। জ্বর, গলাব্যথা লেগেই রয়েছে। এতদিন ধরে ভুগছি। এবার মনে হচ্ছে যেন আর বাঁচব না। 

চলতি সপ্তাহে আরও একবার করোনা টেস্ট হবে বার্মিয়ার। সামনের কয়েক মাস তার আরও বেশ কয়েকবার টেস্ট হবে বলে জানিয়েছেন টেক্সাসের এই যুবক। আপাতত তাকে আইসোলেশনে থাকতে হবে। তবে ঠিক কতদিন তাকে আইসোলেশনে থাকতে হবে সেই সম্পর্কে ডাক্তাররাও কিছু বলতে পারছেন না।

বার্মিয়া জানিয়েছেন, এই ভাইরাস মানসিক দিক থেকেও মানুষকে শেষ করে দেয়। তিনি বললেন, সব সময় মন হয় যেন আমার শরীরে ভাইরাস রয়েছে এখনও। একটা অজানা ভয় চেপে ধরে। শরীর তো ভেঙে যাবেই, সেইসঙ্গে মানসিক দিক থেকেও দুর্বল করে দেবে এই ভাইরাস। নিজেকে পাগলের মতো মনে হবে। 

আমেরিকায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে। মৃত্যু এবং আক্রান্তের সংখ্যায় গোটা বিশ্বে আমেরিকা এখন শীর্ষে রয়েছে। ৭১ হাজার ৯২১ জনের মৃত্যু হয়েছে ট্রাম্পের দেশে। মোট আক্রান্ত ১২ লাখ ৩৩ হাজার ১৪৬। সুস্থ হয়েছেন ১ লাখ ৬৩ হাজার ৮৪১ মানুষ।
-কেকে


আরও আগে সেনাবাহিনী নামানো উচিত ছিল ...

নিউজ ডেস্ক: করোনা মহামারীর মধ্যে গার্মেন্ট শ্রমিকদের নিয়ে টানাহেঁচড়ার পর ঈদের কেনাকাটার জন্য শপিং মল খুলে দেওয়ার কড়া সমালোচনা করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি অভিযোগ করেন, সরকার জনগণের বেঁচে থাকার মৌলিক অধিকারের ওপর আঘাত করছে। এটা ক্রিমিনাল অফেন্স (ফৌজদারি অপরাধ)।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে গণমাধ্যম কর্মীদের ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম (পিপিই) প্রদান অনুষ্ঠানে মির্জা ফখরুল ইসলাম এ অভিযোগ করেন।

বিএনপির মহাসচিব বক্তব্যেও শুরুতেই বলেন, 'কী বলব, নির্বাক হয়ে যাচ্ছি। কারণ চারদিকে সরকারের ব্যাপার-স্যাপার দেখে এটাকে তুঘলকি বলব, না কি বলব বুঝতে পারছি না। তারা যেভাবে পরিস্থিতিকে একেবারে চূড়ান্ত বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিয়েছেন, তা অবিশ্বাস্য। কোনো ন্যূনতম দায়িত্বশীল সরকার এই ভাবে জনগণকে নিয়ে খেলা করতে পারে না।

মির্জা ফখরুল ইসলামের অভিযোগ সরকার দেশের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, অর্থনীতিবিদ, রাজনীতিক, বিজ্ঞানী কারো কাছ থেকেই কোনো পরামর্শ নিচ্ছে না। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, কিছু অযোগ্য, অপদার্থ আমলা এবং চাটুকার কিছু স্বাস্থ্যসেবার কর্মকর্তা ছাড়া অন্য কারও মতামত গ্রহণ করছেন বলে শুনিনি। মানুষের জীবনকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিয়ে ওনারা কী করতে চাচ্ছেন।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, আজকে শপিং মল খুলে দিয়েছেন, কারণ ঈদের বাজার করতে হবে, ইকোনমিকে চালু রাখতে হবে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, তাহলে এতদিন কী করলেন। এই যে মধ্য আয়ের দেশে চলে গেলেন, ইকোনমিতে বিশ্বের রোল মডেল হলেন। সেখানে আপনারা কী করেছেন, কেনো ইকোনমিকে ধারণ করার শক্তি উপার্জন করতে পারলেন না এই কয় দিনের জন্য। কারণ আপনারা পুরোটাই মিথ্যা কথা বলে এসেছেন, মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন।

আজকে প্রতিটি মানুষ জীবনের ঝুঁকির মধ্যে-এমন দাবি করে মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, গার্মেন্টগুলো নিয়ে কী হয়েছে। যারা সংক্রমিত হয়ে ফিরে গিয়েছিল, তারা আবার ঢাকায় ফিরেছে। জাতিকে এভাবে ভয়াবহ ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দেওয়া ক্ষমাহীন অপরাধ। আমিতো মনে করি, এটা ভুল নয়, ক্রিমিনাল অফেন্স। আপনারা মানুষের বেঁচে থাকার মৌলিক অধিকারের জায়গায় আঘাত করছেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে 'টিপটপ জেন্টেলম্যান' উল্লেখ করে বিএনপির মহাসচিব বলেন, তিনি সুযোগ পেলেই বিএনপিকে আক্রমণ করেন সুন্দর এবং তাঁর সুলতিত ভাষায়। আমি একটাই কথা বলতে চাই, আপনি যে কথাগুলো বলেন, আপনি কী সেটা পরে আবার শোনেন যে কী বলছেন। শোনা উচিত এজন্য যে, শুনলে আপনি নিজেই বুঝবেন জনগণ কথাগুলো বিশ্বাস করছে না। নিজেই বুঝবেন যে কথাগুলো সঠিক নয়। তিনি বলেন, আজকে সরকারের তরফ থেকে আক্রান্ত ও সুস্থ এবং মৃত্যুর যে ডেটা দেওয়া হচ্ছে আমার তো মনে হয় না বাংলাদেশের কোনো মানুষ তা বিশ্বাস করে।'

বিএনপির মহাসচিব বলেন, যারা এই চরম দুর্দিনে জনগণকে সঠিক তথ্য দিচ্ছে না, বিভ্রান্ত করছে, এটা ক্রিমিনাল অফেন্স না তো কি বলব। কারণ প্রশ্নটা হচ্ছে জীবনের।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, 'আজকে এই দু:সহ অনিশ্চয়তা, ভীতি, এবং জীবনের ঝুঁকির মধ্যেও সাংবাদিকদের হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে, তাদের কারাগারে পাঠানো হচ্ছে। আজকে সকালেই দেখলাম, একজন কার্টুনিস্ট এবং একজন ব্লগারকে কারাগারে নেওয়া হয়েছে। গতকালই দিনে দেখলাম কয়েকজন সাংবাদিককে কারাগারে নেওয়া হয়েছে।'

মির্জা ফখরুল বলেন, কী দেশ, কী রাষ্ট্র, কী সরকার। যেই সাংবাদিককে গুম করে ফেলা হলো, তাঁর পরিবার অস্থির হয়ে খোঁজ করেও পলে না। যখন তাঁকে পাওয়া গেল বেনাপোলে, তখন তাঁকে হাতকড়া পরিয়ে মামলা দেওয়া বেআইনি অনুপ্রবেশের। আজকে সত্য প্রকাশের দায়ে সংবাদকর্মীদের কারাগারে নেওয়া হচ্ছে। তারা কোনো ভিন্নমত তারা সহ্য করছে না।

বিএনপির মহাসচিব এই সময়ে সাংবাদিকদের চাকরিচ্যুতির নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে চাকরিচ্যুত সাংবাদিকদের চাকরি ফেরত দিতে মালিকদের প্রতি আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সরকারের ৯৫ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনায় সাংবাদিকদের জন্য কোনো বরাদ্দ না রাখার সমালোচনা করেন।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, 'কেন, এত সফল সরকার, এত রাজস্ব আয় তাদের; সেগুলো থেকে কী একটু আলাদা করে সাংবাদিকদের বিশেষ বেতন-ভাতার জন্য বরাদ্দ দেওয়া যায় না?'

অনুষ্ঠানে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, করোনা পরিস্থিতি দিনকে দিন চরম পরিণতির দিকে যাচ্ছে। কিন্তু দুর্যোগের মধ্যেও সরকারের ফ্যাসিবাদের আঘাত থামছে না। বিরোধী দলের গঠনমূলক সমালোচনাকে তারা বিকৃত করে উপহাস করে, তুচ্ছতাচ্ছিল্যভাবে উপস্থাপন করছে।


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবনে সীমিত পরিসরে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।ঢাকা, ৭ মে। ছবি: পিআইডি

নিউজ ডেস্ক: ভিডিও কনফারেন্সিংসহ অন্যান্য ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে বিচারকাজ করা যাবে। এমন সুযোগ রেখে 'আদালত কর্তৃক তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার অধ্যাদেশ,২০২০' এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। 

আজ বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে সভার সিদ্ধান্ত জানান মন্ত্রপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

করোনাভাইরাসের কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতির জন্য এই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব। আর এখন যেহেতু সংসদ অধিবেশন নেই , তাই এটি অধ্যাদেশ আকারে জারি হচ্ছে। এখন আইন মন্ত্রণালয় আরেকটু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে রাষ্ট্রপতির অনুমোদন নিয়ে অধ্যাদেশ আকারে এটি জারি করবে। পরে সংসদ অধিবেশন বসলে প্রথম দিনেই সেটি আইন আকারে পাস হবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, বিদ্যমান বিধান অনুযায়ী আদালতে মামলার পক্ষ বা তাদের পক্ষে নিযুক্ত আইনজীবীদের এবং স্বাক্ষীদের স্বশরীরে উপস্থিতির মাধ্যমে বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন হয়ে থাকে। কিন্তু সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও কোভিড-১৯ মহামারী রোধ কল্পে মাসেরও বেশি সময় ধরে কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া আদালতসহ সরকারি,বেসরকারি সব ধরনের প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। মানুষের সমাগম হয় এমন কর্মকান্ড নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

দীর্ঘ সময় ধরে আদালত বন্ধ থাকায় মামলাজট যেমন বৃদ্ধি পাচ্ছে, তেমনি বিচারপ্রার্থীরা বিচার পাওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণের জন্য ও বিচার কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে ভিডিও কনফারেন্সিংসহ অন্যান্য ডিজিটাল মাধ্যমে বিচার কার্যক্রম করতে আইনি বিধান প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

অধ্যাদেশটি কার্যকর হলে বিদ্যমান প্রেক্ষাপটে ভিডিও কনফারেন্সিংসহ অন্যান্য ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে বিচার কার্যক্রম করা সম্ভব হবে বলে মন্তব্য করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব।


টিভি দেখে ইমামের অনুসরণ জায়েজ নেই ...

ডেস্ক: মসজিদগুলোর মতো দীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও খুলে দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামার চেয়ারম্যান, ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহের গ্র্যান্ড ইমাম, শাইখুল হাদীস আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ।

বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ এ আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, আমি সীমিত আকারে হলেও মসজিদ খুলে দেয়ার আহ্বান জানিয়েছিলাম। মসজিদের দ্বার উন্মুক্ত করে দেয়ায় সরকারের সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানাই। মসজিদের মতোই দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ কওমী মাদরাসাগুলোকে খুলে দেয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। দীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো ইলম ও আমলের মারকাজ। যেখানে মহান আল্লাহর স্তুতি গাওয়া হয়। আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, জল–স্থলে বিপর্যয় মানুষের কৃতকর্মের ফল। সূরা রুম : আয়াত ৪১। এই মানুষকে আল্লাহর দিকে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজন এই দীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাভাবিক অগ্রযাত্রা। যত দ্রুত দীনচর্চার মারকাজ খুলে দেয়া হবে তত দ্রুত আল্লাহ তায়ালা বালা মসিবত থেকে দেশকে রক্ষা করবেন।

দেশের দীনদরদি মুসল্লিদের উদ্দেশে আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ বলেন, মসজিদ খুলে দেয়ায় আমাদের যেমন আনন্দ হচ্ছে তেমনি আমাদের অসতর্কতায় যেনো করোনা রোগ ছড়িয়ে না যায়। আমরা সতর্ক থাকবো। স্বাস্থ্যবিধি মেনেই মসজিদে যাবো ইনশাআল্লাহ। দেশ ও মানুষের স্বার্থে আমরা কিছুতেই অসতর্ক হবো না ইনশাআল্লাহ।

আল্লামা মাসঊদ বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে মাদরাসা পরিচালনা করা কঠিন কিছু নয়। সতর্ক থেকে মাদরাসা পরিচালনা করা সম্ভব। কারণ মাদরাসাগুলোর বেশির ভাগ স্টুডেন্ট আবাসিক থাকে। রাস্তায় বের হয়ই না। সুতরাং মাদরাসা শিক্ষার্থীরা ঝুঁকিমুক্তই পড়ালেখা করতে পারবে বলে আমরা মনে করি। কওমী মাদরাসার পড়ালেখা শুরু হলে দেশের জন্যই মঙ্গল হবে বলে মন্তব্য করেন আল্লামা মাসঊদ।

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget