05/12/20


 ইসলামী ঐক্যজোট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নায়েবে আমীর মাওলানা আব্দুল লতিফ নেজামীর ইন্তেকালে গভীর শোক ও সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন দারুল উলূম হাটহাজারীর মহাপরিচালক, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ এর আমীর আল্লামা আহমদ শফী।

আজ ১২ মে মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক শোকবার্তায় তিনি বলেন, মাওলানা আব্দুল লতিফ নেজামী ছিলেন দেশের ইসলামী রাজনীতির অন্যতম শীর্ষ ব্যক্তিত্ব। আশির্ধ্ব এ ইসলামী রাজনীতিবিদ জীবনের উল্লেখযোগ্য সময় দেশের রাজনীতির পটপরিবর্তন ও ধর্মীয় অনুশাসন কায়েমের চেষ্টা করে গেছেন।আমৃত্যু তিনি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

আমীরে হেফাজত আরো বলেন, হেফাজতে ইসলামের অধিকাংশ বৈঠক ও আন্দোলনে উনি শামিল থাকতেন। সাদামাঠা জীবন-যাপন করতেন। এ রাজনীতিবিদ ছিলেন অন্যান্য রাজনীতিবিদ থেকে আলাদা গুণের অধিকারী। এই আলেম রাজনীতিবিদের মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার, আত্মীয়,স্বজন, তাঁর কর্মি ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমাবেদনা জানাচ্ছি।

প্রসঙ্গত,  গতকাল সোমবার রাত সাড়ে আটটার দিকে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি ইন্তেকাল করেন।

যুদ্ধাহত-শহীদদের স্ত্রীর সড়কে ...
ডেস্ক: আসন্ন ঈদুল ফিতরে সব অফিস-আদালতে টানা ১০ দিন ছুটি দেওয়ার চিন্তা করছে সরকার। পূর্ব নির্ধারিত সরকারি দিনপঞ্জিতে ঈদের সম্ভাব্য তারিখ ধরা আছে ২৫ মে। এবার করোনার কারণে ঈদের ছুটি হতে পারে ২১ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত। ঈদের আগে-পরের দুটি সাপ্তাহিক ছুটির চার দিন ও শবেকদরের এক দিনের ছুটি এর সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে।

ফলে সাধারণ ছুটির মেয়াদ ঈদের ছুটির সঙ্গে মিলে ৩০ মে পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে জনপ্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

করোনা মহামারির কারণে গত ২৬ মার্চ থেকে ১৬ মে পর্যন্ত টানা সাধারণ ছুটি চলছে। আজ মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে সাধারণ ছুটি এবং ঈদ ছুটিসংক্রান্ত প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর কাছে যাওয়ার কথা।

প্রতি ডিসেম্বরে নতুন বছরের সরকারি ছুটি মন্ত্রিসভায় অনুমোদন করা হয়। অন্যান্য বছরের রীতি অনুযায়ী সরকারি ক্যালেন্ডারে চলতি বছরের পূর্বনির্ধারিত সম্ভাব্য ঈদ ছুটি হিসেবে বরাদ্দ আছে ২৪, ২৫ ও ২৬ মে। এর আগে ২১ মে শবেকদর এবং ২২ ও ২৩ মে সাপ্তাহিক ছুটি মিলে সাধারণভাবেই ঈদের মোট ছুটি দাঁড়ায় ছয় দিন। করোনার কারণে স্বাভাবিক সব ক্যালেন্ডার এলোমেলো হয়ে গেছে। এ কারণে সরকার ভাবছে ২৬ মের পরের দুই কার্যদিবস অর্থাৎ ২৭ ও ২৮ মে-ও ছুটি ঘোষণা করবে। এতে করে ২৯ ও ৩০ মের সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে ঈদের ছুটি দাঁড়াবে ১০ দিনে। এতে বিশেষজ্ঞদের প্রক্ষেপণ অনুযায়ী, মের শেষ দুই সপ্তাহের চূড়ান্ত সংক্রমণের সময়ে মানুষে মানুষে মেলামেশা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল সূত্রগুলো জানিয়েছে, ১৬ মে’র পর ঈদের ছুটির আগে সরকারি কার্যদিবস পড়ে মাত্র চার দিন অর্থাৎ ১৭, ১৮, ১৯ ও ২০ মে। এরপর থেকেই ঈদ ছুটি শুরু হয়ে যাবে। করোনা বিষয়ে সরকারি বিশেষজ্ঞ দলের প্রক্ষেপণ অনুযায়ী, চলতি মাসের শেষ দুই সপ্তাহ বাংলাদেশে করোনা পরিস্থিতি সবচেয়ে বেশি খারাপ থাকতে পারে। গত কয়েক দিনের করোনা শনাক্তের হারে সে পূর্বাভাসেরই প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। সব কিছু মিলিয়েই ঈদ উপলক্ষে টানা ছুটির বিষয়টিকে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকেও জনপ্রশাসনকে উল্লিখিত ছকে ছুটির প্রস্তাব পাঠাতে বলা হয়েছে বলে জানা গেছে।

শেষ দফা ছুটির মেয়াদ বাড়ানোর সময় সবাইকে নিজ নিজ অবস্থানে ঈদ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়। প্রকারান্তরে ঈদ পর্যন্ত গণপরিবহন না খোলারও ইঙ্গিত দেওয়া হয়। তখনই ঈদ পর্যন্ত ছুটি চালিয়ে নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হয়েছিল বলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়।

সূত্র মতে, সরকার একবারে মাসব্যাপী ছুটি ঘোষণা করতে পারে না। তাই সাত দিন, ১০ দিন করে ছুটি ঘোষণা করা হচ্ছে।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘চলতি ছুটি শেষ হতে আরো কয়েক দিন লাগবে। আশা করি বৃহস্পতিবারের মধ্যেই সাধারণ ছুটি ও ঈদের ছুটির বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে।’ তবে ঠিক কত দিন ঈদের ছুটি হবে তা নির্দিষ্টভাবে বলতে তিনি রাজি হননি।

ঈদ সামনে রেখে ছুটির নতুন পরিকল্পনা চলছে কি না জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার বিভিন্নভাবে চিন্তা করে দেখছে। সিদ্ধান্ত হলে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।’

-কেকে

বোরকা হিজাব নিয়ে ...
ডেস্ক: চট্টগ্রামের হালদা নদীতে যাতে আর ডলফিন শিকার বা হত্যা না হয়, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। ডলফিন শিকার বা হত্যা রোধে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তা ই-মেইলের মাধ্যমে আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বিবাদীদের জানাতে বলা হয়েছে।

তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে ভার্চ্যুয়াল উপস্থিতিতে এক রিটের শুনানি নিয়ে আজ মঙ্গলবার বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। দেশের বিচার বিভাগের ইতিহাসে উচ্চ আদালতে ভার্চ্যুয়াল উপস্থিতিতে শুনানি নিয়ে দেওয়া প্রথম আদেশ এটি।

পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, পরিবেশ অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক, চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ও রাউজান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার প্রতি ওই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি ১৯ মে পরবর্তী আদেশের জন্য আসবে।

পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় চট্টগ্রামের হালদা নদীতে ডলফিন হত্যা রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশনা চেয়ে ভার্চ্যুয়াল মাধ্যমে শুনানির জন্য গতকাল সোমবার হাইকোর্টের ওই বেঞ্চে ই-মেইলের মাধ্যমে রিটটি দাখিল করেন আইনজীবী এম আব্দুল কাইয়ূম। ভার্চ্যুয়াল মাধ্যম ব্যবহার করে করা প্রথম রিট এটি।

এই রিটের ওপর আজ শুনানি হয়। শুরুতে বিচারপতি ওবায়দুল হাসান তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে মামলা শুনানি ও নিষ্পত্তির জন্য ভার্চ্যুয়াল কোর্টব্যবস্থা প্রবর্তন করায় রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ও আইনমন্ত্রী আনিসুল হককে ধন্যবাদ জানান। বিচারপতি বলেন, দেশে ই-জুডিশিয়ারি প্রতিষ্ঠার প্রথম পদক্ষেপ হচ্ছে এই ভার্চ্যুয়াল আদালত।

রিটের পক্ষে আবেদনকারী এম আব্দুল কাইয়ূম নিজে ভার্চ্যুয়াল উপস্থিতিতে শুনানিতে অংশ নেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন অ্যার্টনি জেনারেল মাহবুবে আলম, ডেপুটি অ্যার্টনি জেনারেল সমরেন্দ্র নাথ বিশ্বাস ও অমিত তালুকদার।

পরে আইনজীবী এম আব্দুল কাইয়ূম বলেন, হালদা নদীতে ইতিমধ্যে ২৪টি ডলফিন মারা গেছে। এর মধ্যে অনেক ডলফিন হত্যার শিকার বলে হালদা গবেষকদের বরাতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে এসেছে। যে কারণে বিপন্নপ্রায় ওই সব ডলফিন রক্ষায় নির্দেশনা চেয়ে রিটটি করা হয়। আদালত ভার্চ্যুয়াল মাধ্যমে শুনানি নিয়ে ওই নির্দেশ দেন। ভার্চ্যুয়াল শুনানির পর দেওয়া প্রথম আদেশ এটি।


 হাবীব আনওয়ার: ঐতিহ্যবাহী সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ক্রীড়া ও আদর্শ ছাত্র সংগঠন  রাউজান থানার অন্তর্গত পশ্চিম গহিরা ঐকতানের উদ্যোগে গরীব, অসহায়, মধ্যবিত্ত ও কর্মহীনদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়।

গতকাল ১১ মে সোমবার  প্রায় ১৯০ পরিবারের মাঝে  উপহার বিতরণ করা হয়।
উপহার সমগ্রীর তালিকায় ছিল, চাউল৫কেজি, আলু ৫ কেজি, সয়াবিন১ লিটার, পিয়াজ ১কেজি, চিনি ২কেজি, লাচ্চা সেমাই ৫ প্যাকেট, নুডলুস১ প্যাকেট, সাবান ৩টি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ঐকতান  সভাপতি রোকন উদ্দীন আহমেদ, সেক্রেটারি জমির উদ্দীনসহ কার্যনির্বাহী পরিষদের  দায়িত্বশীলগণ।

হাবীব আনওয়ার: বর্ষীয়ান রাজনীতিক, বুদ্ধিজীবী, স্কলার, দৈনিক সরকার সম্পাদক, নেজামে ইসলাম পার্টির সভাপতি,
ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যানআল্লামা আব্দুল লতিফ নেজামীর ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন জাতীয় লেখক পরিষদ।

গণমাধ্যমে পাঠানো এক শোকবার্তায় তারা বলেন, আল্লামা আব্দুল লতিফ নেজামী একজন সজ্জন রাজনীতিবিদ ছিলেন। সাদামাটা জীবনের অধিকারী তবে সববিষয়ে প্রাজ্ঞ ছিলেন। যে কোন বিষয়ে দূরদর্শী চিন্তার পরিচয় দিতেন। অনেকের থেকে ব্যতিক্রম আল্লামা

নেজামী জীবনভর রাজনীতি করেছেন। আজম্ম আগাগোড়া ছিলেন একজন সফল রাজনীতিক। জাতীয় লেখক পরিষদ প্রতিষ্ঠালগ্নে তিনি আমাদের ছায়া ছিলেন। পরিষদ গঠন ও গঠন পরবর্তী সময়ে সার্বিক সহযোগিতা করেছেন।  স্বাধীনতা পরবর্তী এবং পূর্ববর্তী বহু রাজনীতির স্বাক্ষী ছিলেন। আন্দোলন-সংগ্রামে ছিলেন অকুতোভয়। ঠান্ডা মাথায় কথা বলতেন তবে প্রত্যেকটি কথা ছিলো তীরের মতো। তার ইন্তেকালে রাজনীতির ময়দানে যে শূন্যতা সৃষ্টি হলো তা কখনো পূরণ হবার নয়।
আল্লাহ তাকে জান্নাতুল ফিরদাউস নসিব করুন। আমরা তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget