05/13/20

একাকী ইবাদতের মাধ্যমে শবে বরাত পালন ...
বিশেষ প্রতিবেদক: শায়খুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফী বলেছেন, বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে দূরদূরান্ত থেকে হাটহাজারীতে ইতেকাফ করার উদ্দেশ্যে না আসার জন্য আমার খলিফা ও ভক্ত-মুরিদদের প্রতি বিশেষভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি।

আল্লামা শাহ আহমদ শফী আরো বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে আপনারা ইতেকাফের উদ্দেশ্যে হাটহাজারীতে না এসে নিজ নিজ এলাকার মসজিদে ইতেকাফ ও ইসলাহী মেহনত করুন। আল্লাহর দিকে রুজু হোন। আল্লাহর দিকে রুজু হওয়া ছাড়া এই চলমান মহামারী থেকে বাঁচার আর কোন উপায় নেই। বেশী বেশী তাওবা ইস্তেগফার করুন। আমার বাতানো তরীকতের ছয়টি অজিফা গুরুত্বসহ নিয়মিত পালন করুন। আমি নিজেও এবছর ইতেকাফ দিবো না।

আপনারা আমার জন্য এবং সারা বিশ্বের মুসলমানদের জন্য দোয়া করুন। বিশেষ করে চলমান মহামারী থেকে মুক্তির জন্য বিশেষ ভাবে আল্লাহর দরবারে দোয়া করুন।

জয়পুরহাটের পাঁচবিবি থেকে জব্দ করা আহাদ পরিবহনের বাস। ছবি: প্রথম আলো
ডেস্ক: করোনায় আক্রান্ত সন্দেহে এক ব্যক্তির লাশ নিয়ে তাঁর মাকে জোর করে সড়কের পাশে ফেলে যাওয়ার ঘটনায় দূরপাল্লার আহাদ পরিবহনের সেই বাসটি জব্দ করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে জয়পুরহাটের পাঁচবিবি থানার পুলিশ বাগজানা এলাকা থেকে বাসটি জব্দ করেছে। তবে বাসের চালক ও সহকারীকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।

পাঁচবিবি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনছুর রহমান আহাদ পরিবহনের বাসটি জব্দ করার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। ওসি বলেন, আহাদ পরিবহনের বাসটি থানায় আনা হয়েছে। বাসের চালক ও সহকারী পলাতক থাকায় তাঁদের আটক করা যায়নি।

প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তি ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দিবাগত রাতে নওগাঁগামী আহাদ পরিবহনের বাসটি যাত্রী নিয়ে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসে। বাসটিতে অসুস্থ ছেলে মিজানুর রহমানকে সঙ্গে নিয়ে তাঁর মা সোহাগী বেগম বাড়িতে আসছিলেন। বাসের ভেতর ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় মারা যান মিজানুর রহমান। বাসের চালক ও সহকারীকে মিজানুর রহমানের মা তাঁর ছেলের মৃত্যুর ঘটনাটি জানান। বিষয়টি জানতে পেরে তাঁরা মিজানুর করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন বলে সন্দেহ করেন। এ কারণে তাঁরা মিজানুরের লাশসহ তাঁর মাকে জয়পুরহাট-বগুড়া আঞ্চলিক মহাসড়কের জয়পুরহাট সদর উপজেলার হিচমি বাজারের সড়কের পাশে রাতেই জোর করে নামিয়ে দিয়ে যান। এই সময় সোহাগী বেগম ছেলের লাশসহ তাঁকে তাঁদের গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার জন্য বাসের চালক ও সহকারীর কাছে অনেক অনুরোধ করলেও তাঁরা তা রাখেননি।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, জয়পুরহাট সদর উপজেলার হিচমি বাজারের সড়কের পাশে নামিয়ে দেওয়ার পর সোহাগী বেগম একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সামনে ছেলের লাশ নিয়ে বসে ছিলেন। করোনায় মারা গেছেন সন্দেহে কেউ মিজানুরের লাশের কাছে যায়নি। মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত মা তাঁর ছেলের লাশের পাশে বসে বিলাপ করছিলেন। পরে স্থানীয় লোকজন ঘটনাটি প্রশাসনকে জানান।

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকাল সাতটার পর জয়পুরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিল্টন চন্দ্র রায় স্বাস্থ্য বিভাগের লোকজনকে নিয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। তাঁরা মারা যাওয়া ব্যক্তি ও তাঁর মায়ের নমুনা সংগ্রহ করেন। এরপর প্রশাসনের সহযোগিতায় ছেলের লাশসহ বৃদ্ধ মাকে নওগাঁর ধামইরহাটের জাহানপুরে গ্রামের বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। জয়পুরহাট পুলিশ সুপারের নির্দেশে আহাদ পরিবহনের বাসটি খুঁজে বের করার জন্য অভিযান শুরু করে পুলিশ। পরে পাঁচবিবি থানা-পুলিশ মঙ্গলবার রাতে বাগজানা এলাকা থেকে আহাদ পরিবহনের বাসটি জব্দ করে। বাসের চালক ও সহকারী আগেই পালিয়ে যাওয়ায় তাঁদের আটক করতে পারেনি পুলিশ।

ইউএনও মিল্টন চন্দ্র রায় বলেন, ‘মিজানুর রহমানের মা আমাকে জানিয়েছেন, তাঁর ছেলে হৃদ্‌রোগে ভুগছিলেন। মিজানুর তাঁকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকায় তাঁর মেয়েকে দেখতে গিয়েছিলেন। সোমবার রাতে আহাদ পরিবহনের বাসে বাড়ি ফিরছিলেন তাঁরা। বাসের ভেতর ঘুমের মধ্যে তাঁর ছেলে মারা যান। বাসচালক ও সহকারী ছেলের মরদেহসহ তাঁকে হিচমি বাজারের সড়কের পাশে নামিয়ে দিয়ে দ্রুত চলে যায়। আমি সকালে ঘটনাটি জানার পরপরই ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। স্বাস্থ্য বিভাগের লোকজন মৃত ব্যক্তি ও তাঁর মায়ের নমুনা সংগ্রহ করেছেন। মা তাঁর ছেলের লাশটি বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন। আমি ধামইরহাট উপজেলা প্রশাসনকে বিষয়টি জানিয়েছি। এরপর ছেলের লাশসহ মাকে তাঁদের বাড়িতে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।’


বিশেষ প্রতিবেদক: গতকাল ১২ মে দুপুরে বাংলাদেশের দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকার অনলাইন সংস্করণে রকি বড়ুয়া নামে এক ব্যক্তি গ্রেপ্তার হওয়ার খবর প্রকাশ করা হয়। ‘সাঈদী পুত্রের সাথে বৈঠক করা বিতর্কিত সেই রকি বড়ুয়া গ্রেফতার’ শিরোনামের ওই খবরের একটি অংশে বলা হয়-


ডেস্ক নিউজ: হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব ও হাটহাজারী মাদ্রাসার সহযোগী পরিচালক আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীর নামে মিথ্যা রিপোর্ট করায় দৈনিক পত্রিকা বাংলাদেশ প্রতিদিনের বিরুদ্ধে বাবুনগরীর পক্ষ থেকে ১০ লক্ষ টাকার চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে।


সংবাদ মাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে
বাবুনগরী পক্ষে দশ লক্ষ টাকার চ্যালেঞ্জ করেছেন হেফাজতে ইসলামেল বাংলাদেশ হাটহাজারী থানার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা জাকারিয়া নোমান ফয়জী।


তিনি বলেন,সাঈদির মুক্তি বা অন্য কোন বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর সাথে আল্লামা বাবুনগরীর রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেছেন মর্মে বাংলাদেশ প্রতিদিনে যেই রিপোর্ট করা হয়েছে তা নির্জলা মিথ্যাচার। আমরা এ নির্জলা মিথ্যাচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। 


জাকারিয়া নোমান ফয়জী আরও বলেন জামায়াতে ইসলামীর সাথে আল্লামা বাবুনগরীর নূন্যতম সম্পর্ক নেই। বরং সর্ব সময় আল্লামা বাবুনগরী তার বয়ান বক্তৃতা ও লেখনীর মাধ্যমে সর্ব সময় জামায়াতে ইসলামীর ভ্রান্ত আকিদা জাতির সামনে তুলে ধরে জাতিকে সতর্ক করে আসছেন।


সাঈদীর মুক্তির বিষয়ে জামায়াতের কোনো নেতা কর্মীর সাথে আল্লামা বাবুনগরী কোনো বৈঠক করেছে তা যদি কেহ প্রমাণ করতে পারে তাহলে তাকে দশ লক্ষ টাকা দেওয়া হবে।


তিনি আরো বলেন, দেশের সর্বজন শ্রদ্ধেয় আলেম আল্লামা বাবুনগরীর নামে নির্জলা মিথ্যাচার করে বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকা তার মানহানি করেছে। অনতিবিলম্বে যদি এই মিথ্যা রিপোর্টের জন্য যদি কর্তৃপক্ষ ক্ষমা না চায় তাহলে এই পত্রিকার বিরুদ্ধে কোটি টাকার মানহানী মামলা করব। এই নির্জলা মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে এ দেশের লক্ষ কোটি তৌহিদি জনতা দূর্বার আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবে।

হাবীব আনওয়ার: প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে একটি সুপ্ত আশা থাকে। থাকে কল্পনা ও সুদূরপ্রসারী চিন্তা চেতনা। নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে মানুষ কত কষ্ট করে! রাতদিন এক করে নিজেকে নিঃশেষ করে দেয়। অনেকে লক্ষ্য পৌঁছানোর আগেই এই পৃথিবী ছেড়ে চলে যায়। আবার অনেকে কষ্ট ছাড়াই সফলতার শীর্ষ চূড়ায় আহরণ করে।

আসলে আমি মাঝে মাঝে চিন্তা করি নানা ঘটনার জন্মদাতা এই পৃথিবীটা স্বার্থপর না পৃথিবীর মানুষগুলো। কিন্তু কখনো এর উত্তর খুঁজে পাই না।   গত ক'দিন আগে আমার পরিচিত একজন বললো, ভাই জীবনে অনেক কষ্ট আর সংগ্রাম করেছি। দিনের পর দিন, মাসের পর মাস ছুটেছি। কিন্তু তেমন কোন সফলতা পাইনি।

আমি তার কথা শুনে কৌতুহলী দৃষ্টিতে তার দিকে তাকিয়ে রইলাম। মনে মনে ভাবলাম, এত কষ্ট-সংগ্রাম করেও কেন সফল হতে পারলো না? তাকে জিজ্ঞেস করলাম, আপনার লক্ষ্য কী ছিল? গন্তব্য কোথায় ছিল? 

তিনি বললেন, আসলে সুনিশ্চিত কোন লক্ষ্য বা স্থির কোন গন্তব্য ছিল না। আমি তাকে বললাম, আপনি সফল না হওয়ার অন্তরায়ের একমাত্র করাণ এটাই যে, গন্তব্যহীন পথে ছুটে চলেছেন দিকহারা নাবিকের ন্যায়।

আমাদের প্রায় মানুষের বড় সমস্যা, আমরা গন্তব্যহীন চলতে থাকি। যার ফলে পথের কোন শেষ আমাদের চোখে পড়ে না। পরিণাম হতাশার আগুনে প্রতিনিয়ত দগ্ধ হই। তখন সম্ভবনার আকাশে হতাশারা ভেসে বেড়ায়। জীবন অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। অনেকে তো আত্মহত্যার পথও বেছে নেয়।

আমি অনেক বন্ধুকে দেখেছি, ঘুম ঘুম চোখ নিয়ে সারারাত জেগে পড়তে আর দিনের বেলায় ক্লাসে বসে ঝিমুতে! সারারাত জেগে অধ্যায়নের লাভটা কী হলো, যদি ক্লাসের পড়া না ধরতে পারি! তবে এই ক্ষেত্রে অনেকের সমস্যা হলো আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারা। আবেগ থাকাটা স্বাভাবিক। তবে তারও একটা সীমা  আছে। তবে সবচেয়ে বড় কথা হলো আমরা বড়ই সঙ্কীর্ণমনা! সফলতার জন্য সঙ্কীর্ণমনতা দূর করতে হবে। চিন্তার সঙ্কীর্ণতা দূর করে হৃদয়ের উদারতা আর চেতনার প্রশস্ততা থাকা খুবই জরুরী।

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget