05/14/20

করোনায় আক্রান্ত ছিলেন অধ্যাপক আনিসুজ্জামান
ডেস্ক: জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের শরীরে করোনাভাইরাস পাওয়া গেছে। যার ফলে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শুক্রবার (১৫ মে) সরকারি ব্যবস্থাপনায় তার দাফন সম্পন্ন হবে।

আজ বৃহস্পতিবার রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন তার ছেলে আনন্দ জামান।

তিনি বলেন, আব্বার করোনাভাইরাসের প্রমাণ পাওয়া গেছে। যার কারণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে তার দাফন সম্পন্ন করা হবে। পূর্বঘোষিত কর্মসূচি পালন করা হবে না।

-কেকে

ajkerdeshbidesh.com
ডেস্ক: প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস হানা দিয়েছে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শিবিরেও। আজ বৃহস্পতিবার উখিয়ার কুতুপালং আশ্রয়শিবিরে দুইজন রোহিঙ্গা শরণার্থীর নমুনা পরীক্ষায় করোনার জীবাণু পাওয়া গেছে।

এ নিয়ে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত কক্সবাজারে আক্রান্ত হলো দুই রোহিঙ্গাসহ ১৩৬ জন। মারা গেছেন রামুর স্থানীয় একজন নারী।

কক্সবাজার সরকারি মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অনুপম বড়ুয়া বলেন, বৃহস্পতিবার এই ল্যাবে পরীক্ষা হয়েছে ১৮৬ জনের নমুনা। এর মধ্যে ১৭ জনের নমুনায় করোনাভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। এদের মধ্যে দুইজন রোহিঙ্গা শরণার্থী। অপর ১৫ জনের মধ্যে কক্সবাজার সদর উপজেলার ৯জন, চকরিয়ার চারজন, পেকুয়ার একজন এবং রামুর একজন।

২০১৭ সালের ২৫ আগস্টের পর মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে সেদেশের সেনাবাহিনীর নির্যাতনের মুখে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয় আট লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা। এর আগেও বিভিন্ন সময়ে আশ্রয় নিয়েছে কয়েক লাখ। বর্তমানে উখিয়া ও টেকনাফের ৩৪টি আশ্রয়শিবিরে নিবন্ধিত রোহিঙ্গার সংখ্যা সাড়ে ১১ লাখ।

-পিএ

ঈদের প্রধান জামাত রাজধানীর জাতীয় ...
ডেস্ক: করোনাভাইরাসের মহামারীর মধ্যে এবার রোজার ঈদের দিন ঈদগাহ বা খোলা জায়গার বদলে বাড়ির কাছে মসজিদে ঈদের নামাজ পড়তে বলেছে সরকার।

সেই সঙ্গে মসজিদে ঈদ জামাত আয়োজনের ক্ষেত্রে সুরক্ষার ব্যবস্থা এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বেশ কিছু শর্ত দিয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয় বলেছে, এসব নির্দেশনা না মানলে ‘আইনগত ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার ধর্ম মন্ত্রণালয়ের এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ইসলামী শরিয়তে ঈদগাহ বা খোলা জায়গায় ঈদুল ফিতরের নামাজ পড়তে উৎসাহ দেওয়া হয়েছে।

“কিন্তু বর্তমানে সারা বিশ্বসহ আমাদের দেশে করোনাভাইরাস পরিস্থিতিজনিত ওজরের কারণে মুসল্লিদের জীবন ঝুঁকি বিবেচনা করে এবছর ঈদগাহ বা খোলা জায়গার পরিবর্তে ঈদের নামাজের জামাত নিকটস্থ মসজিদে আদায় করার জন্য অনুরোধ করা হল।” 

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরুর পর গত ৬ এপ্রিল দেশের সব মসজিদে বাইরে থেকে মুসল্লি ঢোকার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয় সরকার। ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ মসজিদের খাদেমরা মিলে মোট কতজন ভেতরে জামাতে অংশ নিতে পারবেন, তার সীমা বেঁধে দেওয়া হয়। রোজার শুরুতে তারাবির নামাজের ক্ষেত্রেও একই নির্দেশনা দেওয়া হয়।

এক মাসের মাথায় গত ৬ মে থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে মসজিদে আবার জামাতে নামাজ পড়ার অনুমতি দেওয়া হয়।

সে সময় মসজিদের নামাজ পড়ার ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি মানার যে শর্তগুলো দেওয়া হয়েছিল, সেগুলো ঈদের জামাতের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।

যেহেতু এবার ঈদগাহে যেতে নিষেধ করা হচ্ছে, সেহেতু এবার একই মসজিদে একাধিক ঈদের জামাত হবে বলে জানানো হয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে।

শর্তগুলো
  • ঈদ জামাতের সময় মসজিদে কার্পেট বিছানো যাবে না। নামাজের আগে সম্পূর্ণ মসজিদ জীবাণুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে। সবাই নিজ দায়িত্বে জায়নামাজ নিয়ে মসজিদে যাবেন।
  • মসজিদের প্রবেশদ্বারে হ্যান্ড স্যানিটাইজার অথবা হাত ধোয়ার ব্যবস্থাসহ সবান-পানি রাখতে হবে।
  • প্রত্যেকে নিজের বাসা থেকে ওজু করে মসজিদে যাবেন এবং ওজু করার সময় কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নেবেন।
  • ঈদের জামাতে অংশ নিতে সবাইকে অবশ্যই মাস্ক পরে মসজিদে যেতে হবে। মসজিদে সংরক্ষিত জায়নামাজ বা টুপি ব্যবহার করা যাবে না।
  • নামাজের সময় কাতারে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্য বিধি অনুসরণ করে দাঁড়াতে হবে; এক কাতার অন্তর অন্তর কাতার করতে হবে।
  • শিশু, বয়োবৃদ্ধ, যে কোনো অসুস্থ ব্যক্তি এবং অসুস্থদের সেবায় নিয়োজিত ব্যক্তিরা জামাতে অংশ নিতে পারবেন না।
  • সবার সুরক্ষা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন এবং আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণকারী বাহিনীর নির্দেশনা অবশ্যই অনুসরণ করতে হবে।
  • সংক্রমণ রোধে ঈদের জামায়াত শেষে সবাইকে কোলাকুলি এবং হাত মেলানো পরিহার করার অনুরোধ করা হচ্ছে।
  • করোনাভাইরাস মহামারী থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য ঈদের নামাজ শেষে আল্লাহর কাছে দোয়া করতে খতিব ও ইমামদের প্রতি অনুরোধ করা হয়েছে।
  • খতিব, ইমাম এবং মসজিদ পরিচালনা কমিটি এসব নির্দেশনার বাস্তবায়ন নিশ্চিত করবে।


এসব নির্দেশনা লংঘিত হলে স্থানীয় প্রশাসন ও আইন-শৃখলা নিয়ন্ত্রণকারী বাহিনী সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবে বলে সতর্ক করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।

-বিএন

তিন জেলার কেন্দ্রস্থল চুয়াডাঙ্গা ...
ডেস্ক: চুয়াডাঙ্গায় ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ১১ জন করোনা পজিটিভ বলে শনাক্ত হয়েছেন। এই নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৪৩ জন। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে জেলা প্রশাসনের একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের দুজন কর্মচারী রয়েছেন।
জেলার সিভিল সার্জন এ এস এম মারুফ হাসান জানান, করোনায় আক্রান্তদের মধ্যে সদর ও দামুড়হুদা উপজেলায় চারজন করে এবং আলমডাঙ্গা উপজেলার তিনজন বাসিন্দা রয়েছেন। ওই ১১ জনের মধ্যে আটজনই সামাজিকভাবে সংক্রমিত।

সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, আজ বৃহস্পতিবার যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চুয়াডাঙ্গা জেলার মোট ৩৯ জনের নমুনা পরীক্ষার ফলাফল হাতে পাওয়া যায়। যার মধ্যে ২৮ জনই নেগেটিভ। বাকি ১১ জন করোনা পজিটিভ।

সূত্রমতে চুয়াডাঙ্গা জেলা থেকে এ পর্যন্ত ৫৯৩ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। আজকে পর্যন্ত ৪৮৪ জনের নমুনা পরীক্ষার ফল পাওয়া গেছে। প্রাপ্ত ফল অনুযায়ী ৪৪১ জন করোনা নেগেটিভ এবং ৪৩ জন করোনা পজিটিভ। সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত সদর উপজেলায়, ২৩ জন। এ ছাড়া আলমডাঙ্গায় ১৩ জন ও দামুড়হুদায় সাতজন রয়েছে। তবে জীবননগর উপজেলায় এখন পর্যন্ত কোনো করোনা রোগী শনাক্ত হয়নি।
আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে দুজন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন, একজন মারা গেছেন এবং বাকিরা সদর হাসপাতালের করোনা ইউনিটের আইসোলেশনে ও হোম আইসোলেশনে আছেন।

-পিএ

ল্যাব থেকে এসেছে করোনাভাইরাস, এবার ভারতীয় মন্ত্রীর দাবি
অনলাইন ডেস্ক: প্রকৃতি থেকে নয়, ল্যাব থেকে এসেছে করোনাভাইরাস।এমনটাই দাবি করেছেন ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতিন গডকড়ি। 

এই প্রথম ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের কোনও সিনিয়র মন্ত্রী করোনাভাইরাসের উত্পত্তি নিয়ে মতামত রাখলেন।

নীতিন গডকড়ি বলেন, কীভাবে ভাইরাসের সঙ্গে থাকতে হবে, সেটা বোঝা দরকার। এটা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়; কারণ এটি প্রাকৃতিক ভাইরাস নয়। 

তিনি দাবি করেন, করোনাভাইরাস কৃ্ত্রিম ও ভ্যাক্সিনের জন্যসারা বিশ্বে রিসার্চ চলছে। 

গডকড়ি জানান, তিনি আত্মবিশ্বাসী যে, ভারতসহ বিভিন্ন দেশ করোনা মোকাবেলার জন্য প্রস্তুত।

তবে এই সমস্যা সম্পূর্ণ নির্মূল করতে গেলে যে প্রতিষেধক খুবই জরুরি সে কথাও বলেন তিনি। 

প্রসঙ্গত, চীনের দাবি, উহানের পশু বাজার থেকে ছড়িয়েছে এই ভাইরাস। কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য অনেক দেশ বলেছে যে ওই বাজার সংলগ্ন ল্যাব থেকেই ভাইরাসের জন্ম। তবে এখনও নির্দিষ্ট কোনও প্রমাণ কেউ দেখাতে পারেনি তাদের দাবির স্বপক্ষে। 

সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস 

ভয়াবহ! প্রতিদিন ৬ হাজার শিশুর মৃত্যু হতে পারে সারা বিশ্বে
ডেস্ক: আগামী ছয় মাসে বিশ্বজুড়ে প্রতিদিন ছয় হাজার শিশুর মৃত্যু হতে পারে। বুধবার গভীর উদ্বেগের সঙ্গে এমনটাই জানাল ইউনিসেফ। করোনার প্রভাব ও নিয়মিত স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা ভেঙে যাওয়ায় এই ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে। এই মৃত্যুর বেশির ভাগই ঘটবে অপেক্ষাকৃত আর্থিকভাবে দুর্বল দেশগুলোতে, যেসব দেশ পরিকাঠামোগত কারণে করোনা মোকাবেলায় খুব বেশি সক্ষম নয়।

ইউনিসেফের একজিকিউটিভ ডিরেক্টর হেনরিয়েট্টা ফোর বলেন, গত কয়েক দিনে আমরা একটা বিষয় লক্ষ্য করছি। গত কয়েক দশকে প্রথম বার পাঁচ বছরের জন্মদিন পেরোনোর আগেই মারা যাচ্ছে বহু শিশু। করোনার কারণে মা শিশু দু’জনেরই মৃত্যু হচ্ছে। আমরা উন্নয়নের দশকে এমন হতে দিতে পারি না।

ইউনিসেফ এই সতর্কতা জারি করছে জন হপকিন্সের স্কুল অব পাবলিক হেলথ-এর একটি গবেষণার ওপর ভিত্তি করেই। দিন কয়েক আগেই বিল গেটস ও মেলিন্ডা গেটসের অনুদান ভিত্তিক এই গবেষণার রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে ল্যানসেট গ্লোবাল হেলথ জার্নালে।

ওই রিপোর্টে দেখানো হয়েছে আগামী ছয় মাসে ১১ লাখ পঞ্চাশ হাজারের বেশি শিশুর মৃত্যু হতে পারে  ছয় মাসে। মৃত্যু হতে পারে অন্তত ৫৬ হাজার ৭০০ জন মায়ের। এমনকি পরিস্থিতি আরো খারাপ হলে অতিরিক্ত দুই লাখ ৫৩ হাজার শিশুর মৃত্যুও হতে পারে বলে অনুমান ইউনিসেফের।

ইউনিসেফের যুক্তরাজ্যের নির্বাহী পরিচালক সাচা ডেশমুখ বলেন, বিশ্বজুড়ে শিশুদের অবস্থা করুণ। তাদের সহায়ত ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। তাদের খেলার বা মন খুলে আনন্দ করার খোলা জায়গা বন্ধ হয়ে গেছে। নিজেদের শিক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। তাদের যে খাবার দেওয়ার এক ব্যবস্থা ছিল; সেটাও ভেঙে পড়েছে। শিশুরা হামের প্রকোপ পড়ার হুমকির মধ্যে রয়েছে। স্কুল বন্ধ হওয়ায় দুর্বল শিশুদের ঝুঁকি বাড়ছে।

সূত্র: গার্ডিয়ান।

Sylhet Mirror | অধ্যাপক আনিসুজ্জামান ...
ডেস্ক: আজ ১৪ মে থেকে আবারও টাঙ্গাইল জেলাকে লকডাউন ঘোষণা করে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।
জাতীয় অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টা ৫৫ মিনিটে ঢাকায় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। তিনি বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছিলেন।


আনিসুজ্জামানের ছেলে আনন্দ জামান বলেন, আজ বিকেল ৪টা ৫৫ মিনিটে তাঁর বাবার মৃত্যু হয়।


প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ড. আনিসুজ্জামানের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শোক প্রকাশ করেছেন।

অসুস্থ হলে জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামানকে ইউনিভার্সেল কার্ডিয়াক হাসপাতাল থেকে গত শনিবার ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচে) স্থানান্তর করা হয়। সেখানেই তিনি আজ বিকেলে মারা যান। ড. আনিসুজ্জামানের পরিবারের সদস্যরা জানান, অসুস্থ হয়ে পড়লে গত ২৭ এপ্রিল বরেণ্য এই শিক্ষাবিদকে রাজধানীর ইউনিভার্সেল কার্ডিয়াক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। তাঁর হার্ট, কিডনি, ফুসফুস, উচ্চ রক্তচাপসহ নানা শারীরিক জটিলতা ছিল। এর আগেও গত মাসের প্রথম সপ্তাহেও একবার তিনি আরেকটি হাসপাতালে ভর্তি হন।

আনিসুজ্জামানের জন্ম ১৯৩৭ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি, অবিভক্ত ভারতের চব্বিশ পরগনা জেলার বসিরহাটে। তিনি চট্টগ্রাম ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃতী শিক্ষক। মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতে গিয়ে বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য হিসেবে কাজ করেন। বর্তমানে বাংলা একাডেমির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।

আনিসুজ্জামান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ইমেরিটাস অধ্যাপক। তিনি ভাষা আন্দোলন (১৯৫২), ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান (১৯৬৯) ও ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। এছাড়াও বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালে ডঃ কুদরাত-এ-খুদাকে প্রধান করে গঠিত জাতীয় শিক্ষা কমিশনের সদস্য ছিলেন। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস নিয়ে তার গবেষণা সবিশেষ উল্লেখযোগ্য।

আনিসুজ্জামান শিক্ষা ও সাহিত্যে অবদানের জন্য একাধিক পুরস্কার লাভ করেছেন। প্রবন্ধ গবেষণায় অবদানের জন্য ১৯৭০ সালে তিনি বাংলা একাডেমি থেকে প্রদত্ত বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন। শিক্ষায় অবদানের জন্য তাকে ১৯৮৫ সালে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদকে ভূষিত করা হয়। শিক্ষা ও সাহিত্যে অবদানের জন্য তাকে ভারত সরকার কর্তৃক প্রদত্ত তৃতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদ্মভূষণ পদক প্রদান করা হয়। সাহিত্যে অবদানের জন্য ২০১৫ সালে তাকে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান করা হয়।

এছাড়া তিনি ১৯৯৩ ও ২০১৭ সালে দুইবার আনন্দবাজার পত্রিকা কর্তৃক প্রদত্ত আনন্দ পুরস্কার, ২০০৫ সালে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডি. লিট. ডিগ্রি এবং ২০১৮ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জগত্তারিণী পদক লাভ করেন। ২০১৮ সালের ১৯ জুন বাংলাদেশ সরকার তাকে জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ দেয়।

-পিএ

আনসারকে ২৫ হাজার মাস্ক ও তিন হাজার পিপিই দিল বসুন্ধরা গ্রুপ
অনলাইন ডেস্ক: প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস সংক্রমণ মোকাবেলায় এবার বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীকে ২৫ হাজার মাস্ক ও তিন হাজার ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম (পিপিই) দিল দেশের শীর্ষ শিল্পগোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপ।

গতাকাল বুধবার সকাল ১১টার দিকে ঢাকা মহানগর আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর কার্যালয়ে বাহিনীর উপমহাপরিচালক (অপারেশন) মো. মাহবুবুল ইসলামের কাছে এসব মাস্ক ও পিপিই হস্তান্তর করেন বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সায়েম সোবহান আনভীর।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল কাজী শরীফ কায়কোবাদ, বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদক ও নিউজ টোয়েন্টিফোরের সিইও নঈম নিজাম, বাংলাদেশ আনসারের উপমহাপরিচালক (অপারেশন্স) মো. মাহবুব-উল-ইসলামসহ আনসার ব্যাটালিয়নের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর উপমহাপরিচালক (অপারেশন) মাহবুবুল ইসলাম বলেন, করোনাভাইরাস পরিস্থিতির শুরু থেকেই আমরা মহাপরিচালক স্যারের নির্দেশে সারা দেশে স্বাধীনভাবে কাজ করছি। প্রাথমিকভাবে যখন আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী বিমানবন্দরে ডিউটি শুরু করে তখন মহাপরিচালক স্যার নিজের উদ্যোগে পিপিই, মাস্ক ও অন্যান্য সামগ্রী বিতরণ করেছেন। এর পর সারা দেশে আমাদের বাহিনীকে নিরাপত্তা সামগ্রী দিয়ে বসুন্ধরা গ্রুপ যে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। শুধু এখনই না, দেশে যখন কোনো দুর্যোগ আসে তখনই বসুন্ধরা গ্রুপ অকাতরে সাহায্যের  হাত বাড়িয়ে দেয়। বসুন্ধরা গ্রুপের সুরক্ষা সামগ্রীতে আমরা উপকৃত হয়েছি। এসব সামগ্রী করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় আনসার সদস্যদের উৎসাহিত ও সহায়তা করবে।

বৈশ্বিক মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস মোকাবেলার লড়াইয়ে প্রথম থেকেই দেশ ও মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বসুন্ধরা গ্রুপ। এর অংশ হিসেবে করোনা রোগীদের চিকিৎসায় হাসপাতাল তৈরিতে স্থাপনা দিয়ে সরকারকে সহযোগিতা করেছে এই শিল্প গ্রুপ। এ ছাড়া করোনা মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রীর তহবিলে ১০ কোটি টাকার চেক হস্তান্তর করেন বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান।

অন্যদিকে, সামরিক চিকিৎসা সার্ভিস মহাপরিদপ্তরকে এক হাজার পিপিই ও ৫০ হাজার মাস্ক দেয় বসুন্ধরা গ্রুপ। ঢাকা মহানগর পুলিশের ট্রাফিক (উত্তর) বিভাগকেও ২৫ হাজার মাস্ক দেয় প্রতিষ্ঠানটি। নৌবাহিনীকে ৫০ হাজার মাস্ক, ৫০০ পিপিই ও দুই ট্রাক (৭০০ প্যাকেট) খাদ্যসামগ্রী দেয় তারা। এ ছাড়া র‌্যাবকে ৫০ হাজার মাস্ক ও চার ট্রাক খাদ্যসামগ্রী হস্তান্তর করা হয়। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশকে (ডিএমপি) ৫০ হাজার মাস্ক দেয় বসুন্ধরা গ্রুপ। এরপর বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবিকে ২৫ হাজার মাস্ক ও এক হাজার পিপিই দেয় বসুন্ধরা গ্রুপ।

উল্লেখ্য, বসুন্ধরা গ্রুপের পক্ষ থেকে রাজধানীর দুস্থ ও নিম্ন আয়ের কয়েক হাজার পরিবারকে খাদ্য সহায়তাও দেওয়া হয়েছে।

-কেকে

টাঙ্গাইলে গার্মেন্টকর্মী করোনা ...
বিশেষ প্রতিবেদক: আজ ১৪ মে বৃহস্পতিবার থেকে দ্বিতীয় দফায় টাঙ্গাইল জেলাকে লকডাউন ঘোষণা করে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক

জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শহিদুল ইসলাম সাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পবিত্র রমজান ও ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে সরকারীভাবে নির্ধারণকৃত শর্তসমূহ মেনে সীমিত পরিসরে দোকান ও শপিংমল খোলা রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছিল। কিন্তু সরেজমিন প্রদর্শন করে প্রতীয়মান হয় যে, ৯০% ক্রেতা-বিক্রেতা সরকার কর্তৃক বেধে দেয়া শর্তসমূহ মেনে চলার বিষয়ে অবহেলা প্রদর্শন করছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, টাঙ্গাইলবাসীর সার্বিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আজ ১৪ মে থেকে আবারও সকল দোকান-পাট ও শপিংমল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হল।

তবে প্রয়োজনীয় নিত্যপণ্যের দোকান, কাঁচাবাজার ও অসুধের দোকান এই নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে জানানো হয়।

প্রবচন/কেএইচ

ফরিদগঞ্জে স্বামীর হাতে স্ত্রী খুন, ঘাতক স্বামী  আটক
ডেস্ক: পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার গৃদকালিন্দিয়া এলাকার বাপের বাড়িতে তানজিনা আক্তার রিতু (২০) নামে এক গৃহবধূকে খুন করেই ক্ষান্ত হয়নি ঘাতক স্বামী বিদেশ ফেরত আল মামুন মোহন (৩০)। ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়ার আগে মোহন তার শ্বাশুড়ীকেও এলোপাথাড়ি ছুরিকাঘাত করেছে।

বুধবার ( ১৩ মে) সন্ধ্যায় উপজেলা গৃদকালিন্দিয়া এলাকার খাঁন বাড়িতে এই ধরনের ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় তিন বছর পূর্বে গৃদকালিন্দিয়া এলাকার প্রবাসী সেলিম খাঁনের মেয়ে তানজিনা আক্তার রিতুর (২০) সাথে পার্শ্ববর্তী লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুর উপজেলার দেবীপুর গ্রামের মোঃ মমতাজ মাষ্টারের ছেলে আলমামুন মোহনের সাথে পারিবারিক ভাবেই বিয়ে হয়। বিয়ের কয়েক মাস পর থেকেই স্বামী- স্ত্রীর মনোমালিন্য দেখা দেয়। বুধবার সন্ধ্যায় তাদের দুজনের সাথে তর্কবিতর্কের এক পর্যায়ে আল মামুন মোহন ধারালো ছুরি দিয়ে এলোপাথাড়ি ছুরিকাঘাত করে।

এক পর্যায়ে তার ছুরির আঘাতে রিতুর বাম চোখ উপড়ে ফেলে। তার চিৎকার শুনে পার্শ্ববর্তীরা এগিয়ে এসে রক্তাক্ত অবস্থায় রিতুকে উদ্ধার করে ফরিদগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত ডাক্তার রিতুকে মৃত ঘোষণা করে।

অপরদিকে একই সময়ে রিতুর চিৎকার শুনে তার মা এগিয়ে আসলে শাশুড়িকেও এলোপাথাড়ি ছুরিকাঘাত করেন। পরে গুরুতর আহত রিতুর মা পারভিন আক্তারকে মুমুর্ষ অবস্থায় প্রথমে ফরিদগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনার পর তার অবস্থার অবনতি দেখে তাকে দ্রুত চাঁদপুর সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

ঘটনার পর ঘাতক স্বামী মোহন পালিয়ে যাওয়ার সময় এলাকাবাসীর সহযোগিতায় ফরিদগঞ্জ থানার ওসি আব্দুর রকিবের নেতৃত্বে তাৎক্ষনিক ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘাতক মোহনকে গৃদকালিন্দিয়া বাজার থেকে আটক করতে সক্ষম হয়েছে।

এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানার ওসি আব্দুর রকিব বলেন, পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে নিজ স্ত্রীকে হত্যার দ্বায়ে ঘাতক আল মামুন মোহনকে আটক করা হয়েছে। আটক মোহনের বিরুদ্ধে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়েরর প্রস্তুতি চলছে।

-আইএফ

করোনাভাইরাস: মহামারির 'গতি বাড়ছে ...
অনলাইন ডেস্ক: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম গেব্রেয়েসাস বলেছেন, কিছু দেশে লকডাউন জারি করায় সংক্রমণ কমেছে এবং অনেক জীবন রক্ষা পেয়েছে। তবে এই লকডাউনের কারণে আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। এ অবস্থায় জীবন-জীবিকা রক্ষায় ধীর-স্থিরভাবে লকডাউন তুলতে হবে। অর্থনীতি সচল করার পাশাপাশি নতুন করে ভাইরাসের সংক্রমণ হলে যেন তা নিয়ন্ত্রণ করা যায় সে পদক্ষেপ নিতে হবে। সম্প্রতি জেনেভা থেকে অনলাইন সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। আলজাজিরার এক খবরে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

মহাপরিচালক আধানম গেব্রেয়েসাস বলেন, কিছু দেশে লকডাউন প্রাথমিকভাবে সফল হয়েছে। কিন্তু লকডাউন তুলে নেওয়ার পর দক্ষিণ কোরিয়া, জার্মানি ও চীনে আবারও আক্রান্ত বেড়েছে। তাই পুনরায় সংক্রমণ ঠেকাতে লকডাউন শিথিলের আগে থেকেই চরম সতর্ক অবস্থান নেওয়ার কোনো বিকল্প নেই।

তার মতে, লকডাউনের বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া জটিল ও কঠিন চ্যালেঞ্জ। জার্মানি ও দক্ষিণ কোরিয়ার মতো চীনের উহানেও ফের গুচ্ছ সংক্রমণ দেখা গেছে। তবে পুনরায় সংক্রমণ ঠেকাতে পুরো প্রস্তুতি এই তিনটি দেশের আছে।

তিনি বলেন, যতক্ষণ না কোনো টিকা আবিষ্কার হচ্ছে ততক্ষণ সতর্কতামূলক নানা পদক্ষেপের মাধ্যমে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখার কোনো বিকল্প নেই।

তবে যেসব দেশ সতর্কতামূলক পদক্ষেপ না নিয়ে ‘হার্ড ইমিউনিটি’র পথে হাঁটছে তাদের সতর্ক করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক বলেন, সাম্প্রতিক সেরোলজিকাল গবেষণায় দেখা গেছে, খুব অল্প মানুষের শরীরেই নতুন করোনা ভাইরাস প্রতিরোধী অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে। ফলে বিশ্বের বেশির ভাগ মানুষ এ ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারেন।

এদিকে লকডাউন তুলে নেওয়ার আগে দেশগুলোকে তিনটি প্রশ্নের জবাব খুঁজতে বলেছেন তিনি। এগুলো হলো: সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে এসেছে কি? সংক্রমণ বাড়লে স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় বাড়তি চাপ নিতে তারা সক্ষম কি না? এবং জনস্বাস্থ্য নজরদারি ব্যবস্থা রোগী ও তার সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে ও সংক্রমণ বৃদ্ধি চিহ্নিত করতে সক্ষম কি না? মহাপরিচালক বলেন, এই তিন প্রশ্নের উত্তর ইতিবাচক হলেও লকডাউন প্রত্যাহারের বিষয়টি জটিল ও কঠিন।

একই সাংবাদিক সম্মেলনে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার জরুরি কর্মসূচির প্রধান ডা. মাইক রায়ান বলেন, অনেক দেশ লকডাউন তুলে নেওয়ায় আমরা কিছু আশা দেখতে পাচ্ছি। তবে এর সঙ্গে চরম সতর্কতাও মেনে চলতে হবে।

Niger | Facts, Geography, & History | Britannica
ডেস্ক: নাইজারের সংঘাতকবলিত সাহিল রাজ্যের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল এবং পার্শবর্তী নাইজেরিয়ায় পৃথক অভিযানে বোকো হারামের ৭৫ জঙ্গি নিহত হয়েছে।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয় বুধবার এক বিবৃতিতে এ কথা জানায়।
নাইজারের দক্ষিন-পূর্বাঞ্চলীয় প্রধান শহর ডিফার দক্ষিনে সোমবার ২৫ জঙ্গি নিহত হয়। ঔ দিনই নাইজেরিয়ার লেক চাঁদ এলাকায় ৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয় জানায়, বোকো হারাম বিরোধী আঞ্চলিক বাহিনীর যৌথ অভিযানে দুইটি পৃথক রক্তাক্ত সংঘর্ষে এই জঙ্গিরা নিহত হয়।
নিরপেক্ষ কোন সূত্র থেকে নিহতের এই সংখ্যা যাচাই করা যায়নি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যত পুরস্কার
ডেস্ক নিউজ: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ সারাদেশে করোনা ভাইরাসে ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ লাখ হত দরিদ্র পরিবারের মাঝে এককালীন আড়াই হাজার টাকা করে ১ হাজার ২৫০ কোটি টাকা নগদ সহায়তা বিতরণ উদ্বোধন করবেন।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডাঃ মো. এনামুর রহমান আজ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কাল ভ্রাম্যমাণ আর্থিক সেবার মাধ্যমে ‘কোভিড-১৯’এর প্রাদুর্ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ লাখ দরিদ্র পরিবারের মধ্যে ২ হাজার ৫শ’ টাকা করে বিতরণ উদ্বোধন করবেন।’
তিনি বলেন, ‘বিকাশ, রকেট, নগদ ও সিওর ক্যাশের মতো মোবাইল আর্থিক সেবার মাধ্যমে ৫০ লাখ পরিবারের মধ্যে সাড়ে ১২শ’ কোটি টাকার তহবিল বিতরণ করা হবে।

প্রতি পরিবারে ধরা হয়েছে চারজন সদস্য, সেই হিসাবে এই নগদ সহায়তায় উপকার ভোগী হবে ২ কোটি মানুষ।
জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন, ইউনিয়ন চেয়ারম্যান, সদস্য, শিক্ষক, সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত কমিটি এই তালিকা তৈরি করেছেন।

ভাতা পাওয়ার তালিকায় আছেন রিকশাচালক, ভ্যানচালক, দিনমজুর, নির্মাণশ্রমিক, কৃষিশ্রমিক, দোকানের কর্মচারী, ব্যক্তি উদ্যোগে পরিচালিত বিভিন্ন ব্যবসায় কর্মরত শ্রমিক, পোলট্রি খামারের শ্রমিক, বাস-ট্রাকের পরিবহন শ্রমিক ও হকারসহ নিম্ন আয়ের নানা পেশার মানুষ।

তালিকাভুক্তদের মধ্যে নগদ, বিকাশ, রকেট, এবং শিউরক্যাশ এর মাধ্যমে সরাসরি চলে যাবে এই টাকা, ফলে বাড়তি কোন ঝামেলা পোহাতে হবে না তাদের। টাকা পাঠানোর খরচ সরকার বহন করবে। এই টাকা উত্তোলন করতে ভাতাভোগীদের কোন খরচ দিতে হবে না।

এই ৫০ লাখ পরিবারের বাইরে আরও ৫০ লক্ষ পরিবারের প্রায় ২ কোটি সদস্য আগে থেকেই রয়েছে ভিজিএফ কার্ডের আওতায়। এছাড়াও রয়েছে মুক্তিযোদ্ধা ভাতা, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, শিক্ষা ভাতা ও প্রতিবন্ধী ভাতা।

ডাঃ মোঃ এনামুর রহমান বলেন, ‘প্রতিদিন ১০ লাখ মানুষ নগদ সহায়তা পাবেন এবং পুরো তহবিল ১৪ থেকে ১৮ মে’র মধ্যে বিতরণ করা হবে।’
পরিবার নির্বাচনের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এখন সরকারের ত্রাণ সহায়তা পাচ্ছে এমন ১ কোটি ২৫ লাখ পরিবারের মধ্যে দরিদ্রতম ৫০ লাখ পরিবারের সমন্বয়ে এই তালিকা তৈরি করা হয়েছে।

এর আগে, সোমবার সরকারের অর্থ বিভাগ ৫০ লাখ মানুষকে নগদ সহায়তার জন্য ১ হাজার ২৫৭ কোটি টাকার তহবিল ছাড় করে। 

অর্থ বিভাগের কর্মকর্তাদের মতে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের জন্য বাজেট-১ শাখা থেকে ৬২৭ কোটি টাকা এবং বাজেট-৩ শাখা থেকে ৬৩০ কোটি টাকা ছাড় করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই বিতরণ কার্যক্রম তদারকি করছে।

-বাসস

 বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর নামে অপপ্রচার, সাবেক ছাত্রদল নেতা আটক
ডেস্ক: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিয়ে অপপ্রচার করায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে আমিনুর হক রিপন (২৮) নামের এক ছাত্রদল নেতাকে আটক করেছে র‌্যাব। আটক রিপন পূর্ব ভেলাবাড়ী গ্রামের মনোয়ার হোসেনের পুত্র।

বুধবার ভোরে সাবেক এ ছাত্রদল নেতাকে আটকের পর আদিতমারী থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। থানা পুলিশ জানায়, আটক আমিনুল হক রিপন (২৮) দীর্ঘদিন যাবৎ তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন দ্বারা “ছাত্রদল ভেলাবাড়ী ইউনিয়ন শাখা” নামীয় ফেইসবুক আইডি ব্যবহার করে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সম্পর্কে মিথ্যা, অশ্লীল ও মানহানিকর তথ্য এবং রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক তথ্য প্রচার, লাইক, কমেন্ট এবং শেয়ার করে আসছিল।

আটককৃতের বিরুদ্ধে আদিতমারী থানায় বুধবার ডিজিটাল আইনে মামলা হয়েছে। রংপুর র‌্যাব-১৩ এর সিপিএসসি ক্যাম্পের একটি দল অভিযান করে সাবেক ছাত্রদল নেতাকে আটক করে। তার কাছ থেকে রাষ্ট্র ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয় এমন তথ্যাদি সংযুক্ত ফটোকপি ১০ পাতা, দুইটি মোবাইল ফোন, চারটি সীমকার্ড ও একটি মেমোরীকার্ড পাওয়া গেছে ।

আদিতমারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, র‌্যাব-১৩ বুধবার সন্ধ্যায় আসামীকে থানায় সোপর্দ করেছে। তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। তিনি আরো জানান, বৃহস্পতিবার তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।

-আইএফ

লাকসামে স্বাস্থ্যকর্মী সহ ৩ জনের ...
অনলাইন ডেস্ক: কুমিল্লার লাকসামে আরো ৪ জন করোনা জয়ী হয়েছেন। তারা হলেন- লাকসাম পৌর শহরের সাহাপাড়ার সেই নোয়াখালীর চৌমুহনী থেকে আসা দুই যুবকের পরিবারের সদস্য। গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় লাকসাম উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

লাকসাম উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এই পর্যন্ত ১৪ জনের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। তন্মধ্যে ৬ জনই সুস্থ হয়েছে।

লাকসাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সর চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. মো. আবদুল মতিন ভূঁইয়া জানান, লাকসামে এই পর্যন্ত মোট ২৬৩ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এতে ২৪৯ জনের রিপোর্ট পাওয়া গেছে এবং ১৪ জনের রিপোর্ট প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। প্রাপ্ত ২৪৯ জনের মধ্যে ১৪ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।

তিনি জানান, আক্রান্ত ১৪ জনের মধ্যে উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ চাঁদপুর (দোখাইয়া) গ্রামের প্রথম করোনা রোগী এবং পৌরসভার উত্তর লাকসাম বেলতলী এলাকার একটি মসজিদের অস্থায়ী মুয়াজ্জিন দ্বিতীয় করোনা আক্রান্ত রোগী এবং সাহাপাড়ার একই পরিবারের ৪ জনসহ মোট ৬ জন সুস্থ হয়েছেন।

লাকসাম উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ আবদুল আলী বলেন, করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে উপজেলা প্রশাসন এবং স্বাস্থ্য বিভাগ কঠোর পরিশ্রম করছেন। কিন্তু জনসাধারণ এখনো অনেকটা অসচেতন। তারা সামাজিক দূরত্ব মেনে চলছেন। এছাড়া হাট-বাজারে মানুষের অবাধে বিচরণ রয়েছে। যা করোনা সংক্রমণের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। তিনি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলে সবাইকে আবারও ঘরে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।

-কেকে

মতিঝিল আইডিয়াল স্কুলের বালকদের ...
অনলাইক ডেস্ক: দেশের করোনা পরিস্থিতির মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যেও শিক্ষার্থীদের বেতন ও টিউশন ফি পরিশোধের নির্দেশ দিয়েছে রাজধানীর মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ। বুধবার এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে প্রতিষ্ঠানটির এক সাধারণ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাসের কারণে সরকারি নির্দেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি অনলাইনে ডাচ বাংলা ব্যাংক লিমিটেডের রকেট ও নেক্সাসপের মাধ্যমে আদায়ের জন্য গভর্নিং বডি সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ বিষয়ে শ্রেণি শিক্ষকরা সংশ্লিষ্ট সবাইকে বিস্তারিত জানাবেন।

প্রতিষ্ঠানটির এই ধরনের অমানবিক সিদ্ধান্ধের জন্য তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে অভিভাবক ঐক্য ফোরাম। ফোরামের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউল কবির দুলু তার প্রতিক্রিয়ায় জানান, দেশের এমন পরিস্থিতিতে যেখানে অভিভাবকরা বর্তমান অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন। অনেকে কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। দেশের দুর্যোগের এই অবস্থায় টিউশন ফি চাওয়া অনৈতিক এবং অমানবিকও বটে।

এ বিষয়ে মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ ড. শাহান আরা বেগম জানান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিয়ম অনুযায়ী তিন মাস অন্তর শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি পরিশোধ করতে হয়। সেই মোতাবেক গত এপ্রিল থেকে জুন মাসের বেতন পরিশোধের জন্য নোটিশ জারি করা হয়েছে। এ নোটিশ শ্রেণি শিক্ষকের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কাছে পাঠানো হয়েছে। অনেক শিক্ষার্থী এপ্রিলের আগের মাসগুলোর বেতন পরিশোধ করেনি। তাদেরকে এসব বকেয়া পরিশোধ করার জন্য বলা হয়েছে।

-এনডি

প্রবচন অনলাইন: স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করে ব্যবসা পরিচালনা করায় বন্দর নগরী চট্টগ্রামের নন্দনকানন এলাকার রাইফেল ক্লাব ও মুসাফির খানা মার্কেটের একশটি দোকান বন্ধ করে দিয়েছে কোতোয়ালি থানা পুলিশ।

বুধবার অভিযান পরিচাললনা করে দোকানগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়। দুপুর আড়াইটা থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে এ সব দোকান বন্ধ করা হয় বলে জানান সিএমপি’র কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসিন।

তিনি বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে ব্যবসা করলে মিলবে সহযোগগিতা। অন্যথায় ঝুলবে তালা। জনসাধারণের কাছ থেকে থেকে অভিযোগ পেয়ে এই দুটি মার্কেটে অভিযানে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়। এক পর্যায়ে দুটি মার্কেটের একশ দোকান বন্ধ করে দেয়া হয়। তারা কেউ সরকারের আরোপ করা স্বাস্থ্যবিধি মেনে ব্যবসা পরিচালনা করছিল না।

কোতোয়ালি থানা সুত্র জানান, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার শর্তে ব্যবসায়ীদের ব্যবসা করতে দেয়া হয়েছিল। যেটা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কতৃক প্রেরিত শর্ত। এ শর্ত মেনে ব্যবসা করাই নিয়ম। কিন্তু দেখা যাচ্ছে অনেকে তা মানতে চাচ্ছে না।

সূত্র: বাসস

আন্তর্জাতিক সংস্থার রিপোর্টে দাবি ...
ডেস্ক: করোনাভাইরাসের প্রভাব পড়েছে ভারতের চাকরির বাজারেও। সম্প্রতি মোদি সরকার আর্জি জানিয়েছিল, ‘কাউকে চাকরি থেকে তাড়াবেন না।’ কিন্তু কার্যক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে আরো বাড়ছে বেকারত্বের হার।

ভারতে মোট ১১ কোটি ৪০ লাখ চাকরি লকডাউনের বাজারে অবলুপ্ত হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে সেন্টার ফর মনিটরিং ইন্ডিয়ান ইকোনমি (সিএমআইই)।

সিএমআইই জানায়, সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ছোটো ব্যবসায়ী ও দিনমজুররা। মঙ্গলবারের তথ্য অনুযায়ী, ৩ মে-র পর এক সপ্তাহে দেশে বেকারত্বের হার বেড়ে হয়েছে ২৭.১ শতাংশ, যেটা এখনো পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি। ভারতে শিল্পোৎপাদন কমেছে ১৬.৭ শতাংশ। ম্যানুফ্যাকচারিংয়ে উৎপাদন কমেছে ২০.৬ শতাংশ, বিদ্যুৎ উৎপাদন কমেছে ৬.৮ শতাংশ। ২৬ এপ্রিলের সপ্তাহে বেকারত্ব ছিল ২১.১ শতাংশ, তার আগের সপ্তাহে ২৬.২ শতাংশ।

-এনডি

ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ...
অনলাইন ডেস্ক: ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা যে গতিতে বাড়ছে তাতে আগামী ৭ দিনের মধ্যে আক্রান্তের সংখ্যা এক লাখ ছাড়িয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন পরিসংখ্যান বিশেষজ্ঞরা। এই আশঙ্কা সত্যি প্রমাণিত হলে আগামীদিনে ভারতের সামগ্রিক স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর উপরে প্রবল চাপ পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।

গত রবি ও সোমবারে ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুসারে, গত আড়াই দিনের মধ্যেই আক্রান্তের সংখ্যা ৬০ হাজার থেকে ৭০ হাজারে পৌঁছেছে। ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের বুলেটিন অনুযায়ী, বুধবার পর্যন্ত দেশে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৪ হাজার ২৮১। এই মুহূর্তে দেশটির বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি সক্রিয় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৪৭,৪৮০ জন। গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে শনাক্ত করা হয়েছে ৩ হাজার ৫২৫ জনকে। এই সময়ে মৃত্যু হয়েছে ১২২ জনের।

ফলে এ পর্যন্ত মোট মৃত্যু হয়েছে ২৪১৫ জনের। ভারতে সর্বাধিক সক্রিয় আক্রান্তের ঘটনা মহারাষ্ট্রে। সেখানে সক্রিয় আক্রান্তের সংখ্যা ১৮,৩৮১ জন। সক্রিয় আক্রান্তের নিরিখে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে তামিলনাড়–, সেখানে করোনা রোগী ৬,৫২৩ জন। তৃতীয় স্থানে থাকা গুজরাটে ৫,১২০ জনের চিকিৎসা চলছে। চতুর্থ স্থানে দিল্লি। সেখানে এই মুহূর্তে ৫,০৪১ জন চিকিৎসাধীন। পঞ্চম স্থানে থাকা মধ্যপ্রদেশে সক্রিয় করোনা রোগী ১,৯০১ জন। এই পাঁচ রাজ্যে রয়েছেন দেশের মোট সক্রিয় করোনা রোগীর ৭৭ শতাংশ।

এদিকে, করোনা সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে রণকৌশলে বদল এনেছে বিভিন্ন দেশ। ব্যতিক্রম নয় ভারতও। এদেশে টেস্ট ভিত্তিক এবং সময় ভিত্তিক কৌশলে বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব লভ আগরওয়াল। তিনি বলেছেন, অতি মৃদু, মৃদু ও মাঝারি উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের উপসর্গ দেখা দেয়ার ১০ দিনের মাথায় ছুটি দেওয়া যাবে।

তবে এই ১০ দিনের মধ্যে শেষ তিন দিন জ্বর না-থাকলে তবেই ছুটি পাবেন আক্রান্তরা। বাড়ি ফিরে সাত দিন আইসোলেশনে থাকতে হবে।

-এমজেড

ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে আদালতের ...
বিশেষ প্রতিবেদক: আদালতে ভার্চুয়াল কার্যক্রম চালুর প্রতিবাদে এবং পূর্বের মতো ম্যানুয়াল পদ্ধতি চালুর দাবীতে বরিশালে বিক্ষোভ মিছিল করেছে আইনজীবীরা।
মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১২টায় জেলা জজ আদালত চত্ত্বরের আইনজীবী সমিতি ভবনের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে সাধারন আইনজীবীরা। মিছিলটি আদালতপাড়ার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন করে ফের আইনজীবী সমিতি ভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

এ সময় আইনজীবীরা ভার্চুয়াল আদালতের বিরুদ্ধে বিভিন্ন শ্লোগান দেয়। এ ব্যাপারে আলাপকালে জেলা আইনজীবী সমিতির সম্পাদক অ্যাডভোকেট কাইয়ুম খান কায়ছার বলেন, বরিশালে ইন্টারনেটের গতি খুবই কম। এছাড়া আইনজীবীদের বড় একটি অংশ প্রবীন হওয়ায় ফেসবুক, ইন্টারনেট ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পারদর্শী নয় তারা। এ কারনে অনেক আইনজীবী ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে আদালতের কার্যক্রম চায় না।

জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট আফজালুল করিম জানান, ভার্চুয়াল আদালত শুরুর আগে প্রশিক্ষণ ও পূর্ব প্রস্তুতি প্রয়োজন। সেটি না করে হঠাৎ ভার্চুয়াল আদালতের কার্যক্রম চালু করায় আইনজীবীরা বিপাকে পড়েছেন। এ কারণে আজ তারা মিছিল করেছে।

-এমজেড

সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ...
ডেস্ক: ইংলিশ ক্লাব নিউক্যাসল ইউনাইটেড কিনতে একের পর এক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছেন প্রিন্স মুহাম্মদ বিন সালমান (এমবিএস)। বৃটিশ সংবাদমাধ্যম এমবিএসের নিউক্যাসল কেনার খবর প্রকাশ করার পর থেকেই মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল প্রতিবাদ করে আসছে। প্রতিবাদ করছে অন্যান্য মানবাধিকার সংগঠনগুলোও। সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে কাতারভিত্তিক টিভি নেটওয়ার্ক বিইন স্পোর্টস। কয়েক বছর ধরেই তাদের অভিযোগ, সৌদি কর্তৃপক্ষের সহায়তায় বিইন স্পোর্টসের লিংক পাইরেসি করে ব্যবসা করছে চ্যানেল নেটওয়ার্ক ‘বিআউটকিউ’ । সৌদির ক্রাউন প্রিন্স সালমানকে নিউক্যাসলের মালিকানায় তাই ঘোর আপত্তি বিইন স্পোর্টসের। ‘দ্য সান’ জানিয়েছে, পাইরেসির ব্যাপারে ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগ কর্তৃপক্ষের কাছে প্রমাণাদি সম্বলিত নথিপত্র পেশ করেছে বিইন স্পোর্টস। ফলে আইনী প্রক্রিয়ার কারণে সহসাই নিউক্যাসলের মালিক হতে পারছেন না এমবিএস।

গত মার্চে বৃটিশ সংবাদমাধ্যমগুলো জানায় ৩০০ মিলিয়ন পাউন্ডে নিউক্যাসল ইউনাইটেডের ৮০ শতাংশ মালিকানা কিনতে যা”েছ সৌদির একটি কনসোর্টিয়াম গ্রুপ। যার দেখভাল করেন প্রিন্স সালমান। তার এই প্রচেষ্টাকে ‘আইওয়াশ’ হিসেবে অভিহিত করে মানবাধিকার সংঘটনগুলো। তাদের দাবি, যাবতীয় কুকর্ম ঢাকতে খেলাধুলাকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করার চেষ্টা করছেন ক্রাউন প্রিন্স সালমান।

বিইন স্পোর্টসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইউসুফ আল ওবাইদলি প্রিমিয়ার লীগের প্রধান নির্বাহী রিচার্ড মাস্টার্স এবং প্রতিটি ক্লাবের হেডের কাছে গত মাসের শেষদিকে চিঠি পাঠান। যেকোনো মূল্যে সৌদি মালিকানা বন্ধের অনুরোধ জানান তিনি। তার আশঙ্কা সৌদি আরবের প্রত্যক্ষ মালিকানা বিইন স্পোর্টসের সম্প্রচার সত্ত্বের জন্য হুমকি বাড়াবে। এতে আর্থিকভাবেও ক্ষতিগ্রস্ত হবে প্রতিষ্ঠানটি।

২০১৮ সালে ৪০০ মিলিয়ন পাউন্ডে তিন বছরের জন্য ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগের সম্প্রচার সত্ত্ব কেনে কাতারের বিইন স্পোর্টস। বিশ্বের ১৬টি দেশের ফুটবল প্রেমীরা তাদের চ্যানেলের মাধ্যমে উপভোগ করছেন প্রিমিয়ার লীগের ম্যাচ। কিন্তু ২০১৭ সালে সৌদি-কাতার রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব প্রকট আকার ধারণ করলে সৌদিতে বিইন স্পোর্টসের সম্প্রচার বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে সৌদিতে প্রিমিয়ার লীগের ম্যাচগুলো সম্প্রচার করে ‘বিআউটকিউ’ চ্যানেল নেটওয়ার্ক। তারা ‘আরবসাত’ নামে যে স্যাটেলাইট ব্যবহার করে সেটির বিরুদ্ধে অবৈধভাবে বিইন স্পোর্টসের স্ট্রিমিং লিংক ব্যবহার করার অভিযোগ রয়েছে। আরো আগেই ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগ কর্তৃপক্ষের কাছে সৌদি আরবের এই পাইরেট স্ট্রিমিংয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আবেদন জানিয়েছিল বিইন স্পোর্টস। কিন্তু পাইরেসি বন্ধের ব্যাপারে কোনো কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে পারেনি প্রিমিয়ার লীগ কর্তৃপক্ষ।

-এমজেড

নিজের জীবনের কথা বলবেন ড. আতিউর ...
ডেস্ক: স্বাস্থ্যখাতে দীর্ঘদিন ‘অবহেলার’ পথে না হেঁটে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের মধ্যে আসা বাজেটে এই খাতকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন সাবেক গভর্নর আতিউর রহমান। বলেন, আমাদের স্বাস্থ্যখাতে আমরা দীর্ঘদিন নজর দিতে পারিনি বা অবহেলিত থেকেছে। আমি বলব, এবারের বাজেট যেটা হবে, সেটা হবে স্বাস্থ্য বাজেট। পুরো চিত্রই হবে স্বাস্থ্য ঘিরে, অর্থনীতিও হবে স্বাস্থ্যকে ঘিরে। স্বাস্থ্য খাতকে খোলনলচে বদলে ফেলার বাজেট আসবে আগামীতে।

মঙ্গলবার বেসরকারি গবেষণা সংস্থা ’উন্নয়ন সমন্বয়’ আয়োজিত প্রাক-বাজেট আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন। উন্নয়ন সমন্বয়ের এমরিটার ফেলো খন্দকার সাখাওয়াত আলীর সঞ্চালনায় প্রাক-বাজেট আলোচনায় অংশ নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক তৈয়বুর রহমান, কলকাতার গবেষণা প্রতিষ্ঠান অ্যাকাসিয়া গ্লোবাল কনসাল্টিংয়ের প্রধান নির্বাহী ড. অরূপ চৌধুরী, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক মাহফুজুর রহমান।

আগামী তিন বছর স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ জিডিপির ৪ শতাংশে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু চেয়ার অধ্যাপক আতিউর বলেন, গত বছরগুলোতে আমরা স্বাস্থ্যখাতে যা খরচ করি, তা জিডিপির মাত্র ১ শতাংশ এবং বাজেটের ৫ শতাংশ।

এটা এই বছরই জিডিপির ২-৩ শতাংশ হয়ে যাওয়া উচিত। তারপর আমাদের টার্গেট থাকবে আগামী তিন বছরের জন্য জিডিপির ৪ শতাংশ আমরা স্বাস্থ্যখাতে ব্যয় করব।
এবার হয়ত বাজেটের ২০ শতাংশে নিতে পারবেন না। কিন্তু ১০ শতাংশের কম কোনো অবস্থাতেই যাতে না হয়।

সবার জন্য খাদ্য প্রশ্নে আপস করার সুযোগ নেই মন্তব্য করে আয়োজক প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান আতিউর বলেন, দুর্ভিক্ষ না হোক, বুভুক্ষা যাতে আমাদের পেয়ে না বসে সেদিকে নজর দিতে হবে।

আমাদের ১০ শতাংশ গরিব মানুষ আছে। তার সঙ্গে যদি ৮-১০ শতাংশ নতুন গরিব যদি যুক্ত হয়, তাদের বিষয়ে আমাদের ভাবতে হবে।

পঞ্চগড় ও ঈশ্বরদীতে মতো স্থানীয় বাজার থেকে সবজি কিনে তা ত্রাণের সঙ্গে বিতরণের প্রসঙ্গ টেনে আতিউর বলেন, খাদ্য সহায়তার ক্ষেত্রে উদ্ভাবনী পদ্ধতি আমরা নিতে পারি। স্থানীয় বাজার থেকে পণ্য কিনে তাদের হাতে পৌঁছে দেয়ার মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতি সচল করা যেতে পারে।

সংশোধিত বাজেটের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য ও মানুষের খাদ্য নিরাপত্তার দিকে নজর দেয়ার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, বাজেটের পুনর্বিবেচনা ক্ষেত্রে আমাদের খাদ্য নিরাপত্তা ও ‍কৃষির জন্য যেখানে যেখানে দরকার, সেখানে বাজেটটাকে নিয়ে আসা। অনেক প্রকল্‌প আছে, সেগুলো এক বছর পরে শুরু করলেও হয়ত খুব বড় ক্ষতি হবে না। সেগুলো আমরা ভাবতে পারি। তবে অর্থনীতি চাঙ্গা করার স্বার্থে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের জন্য বরাদ্দ বাড়ানার সুপারিশও করেন তিনি।

করোনা ভাইরাসের পরীক্ষা জোরদারের সুপারিশ করে আতিউর বলেন, বেশি বেশি পরীক্ষা করতে পারলে সেটা আমাদের অর্থনীতির চালিকা শক্তি হিসাবে কাজ করতে পারে।

গত ৮ অর্থবছরের বাজেটের ১৬ শতাংশ বাস্তবায়ন করতে না পারার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এবার আমাদেরকে বাজেটের পূর্ণ বাস্তবায়নের দিকে নজর দেয়া উচিত। প্রয়োজনে তার সঙ্গে ব্যক্তি খাত ও এনজিওকে সম্পৃক্ত করার কথা ভাবা যেতে পারে।

ভার্চুয়াল ওই আলোচনায় অংশ নিয়ে বিআইডিএসের সিনিয়র রিসার্চ ফেলো নাজনীন আহমেদ বলেন, মানুষের আয় ও খরচের বিবেচনা নিয়ে করমুক্ত আয়ের সীমা ৪ লাখ টাকা করা উচিত। অনলাইন শিক্ষা প্রসারের জন্য জন্য ইন্টারনেটের খরচ কমাতে হবে।

দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হিসাবে ‘ভ্যাকসিন ফান্ড’ করার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ভ্যাকসিন আবিষ্কার হলে সেটা গরিব মানুষের নাগালের বাইরে থাকতে পারে। এ কারণে গরিব মানুষকে ভর্তুকি দেয়ার প্রয়োজন পড়বে।

-এমজেড

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে কুড়িগ্রাম ...
ডেস্ক: উলিপুরে বিড়ি শ্রমিক মুকুল মিয়ার খুনীদের দ্রুত গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ উপলক্ষে বুধবার সকাল ১১টার দিকে মুকুলের গ্রামের বাড়ি ধরনীবাড়ি ইউনিয়নের দক্ষিণ মধুপুর এলাকা থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে উলিপুর উপজেলা শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে মসজিদুল হুদা মোড়ে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এরপর সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ধরনীবাড়ি ইউপি সদস্য আয়নাল হক আকন্দ, জাবেদ আলী, হাবলু মিয়া ও পেয়ারা বেগমসহ এলাকাবাসীরা। 

শেষে তারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল কাদেরের নিকট মুকুল হত্যার বিচারের দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান করেন।

মেয়র আতিক: চালকদের 'ডোপ টেস্ট' করা ...
ডেস্ক: সকল প্রকার নাগরিক সুবিধা নিশ্চিতকল্পে ও নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে জনগণকে সাথে নিয়েই আগামীর ঢাকা গড়ার ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটির মেয়র আতিকুল ইসলাম। এছাড়া সিটির উন্নয়নে যে কারো যে কোন প্রকার সুন্দর মতামত গ্রহণ করবেন বলেও জানান। বুধবার দুপুর ১২ টায় মেয়র হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) দায়িত্ব গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের সাথে জুম ভিডিও কনফারেন্সে করা এক সংবাদ সম্মেলনে মেয়র এসব কথা বলেন। করোনা মহামারীর পরিস্থিতিতে স্বল্প পরিসরে কম লোক সমাগম করে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব হস্তান্তর করেন প্যানেল মেয়র মো. জামাল মোস্তফা। এসময় ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো.আবদুল হাই,সচিব রবীন্দ্র শ্রী বড়ুয়া ও বিভাগীয় প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।

ভবিষষ্যত ডিএনসিসি কেমন হবে তার পরিকল্পনা তুলে ধরেন আতিকুল ইসলাম। এ সময় রাজধানীর দখলে থাকা বিভিণœ খাল দখলমুক্ত করে খনন করা, রাস্তাঘাট সংস্কার করা, সড়কবাতি সর্বাবস্থায় চালূ রাখা, ডেঙ্গু চিকনগুণিয়া সহ সকল প্রকার মশক নিধনে বছরব্যাপি কাজ করা, নিয়মিত শরীরচর্চা,খেলাধুলা, হাঁটাচলা করতে পার্ক ও খেলার মাঠ তৈরী ও সংস্খার করা, ৩৬টি ওয়ার্ডে মশা নিধন, প্রাথমিক চিকিৎসা ব্যবস্থা সহ অগ্নি নির্বাপণে ১টি করে স্যাটেলাইট অগ্নি নির্বাপণ স্টেশন স্থাপন, রাস্তায় আধুনিক এলইডির সড়কবাতি লাগানো, জলঅবদ্ধতা নিরসনে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা,নাগরিকদের কাছ থেকে ডিজিটাল পদ্ধতিতে অভিযোগ গ্রহণ ও তথ্য প্রদান করা, ডিজিটালি নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতকল্পে সবার ঢাকা অ্যাপ এর কার্যক্রম চালূ করা, অনলঅইনে হোল্ডিং ট্যাক্স প্রদান, ট্রেড লাইসেন্স, জন্ম নিবন্ধন সনদ প্রদান করার কথাও বলেন। এছাড়া ফেইসবুক লাইভে প্রতিমাসে একবার নাগরিকদের সমস্যা শোনাও সাথে সাথেই সমাধানের ব্যবস্থা সহ নির্বাচনী প্রতিটি ইশতেহার বাস্তবায়নের আম্বাস প্রদান করেন। তিনি যে কোন প্রকার নাগরিক সমস্যায় সরকারের সহযোগীতা নিয়ে কাজ করবেন বলেও জানান।

মেয়র আতিক বলেন, ঘন বসতিপুর্ণ আমাদের এই নগরীতে মশাবাহিত ডেঙ্গু এবং চিকুনগুনিয়া প্রতি বছরের সমস্যা। প্রতি বছর বর্ষাকালীন সময়ে ডেঙ্গুর ভয়াবহ প্রকোপ দেখা দেয়। করোনা ভাইরাসের মত ডেঙ্গু এবং চিকুনগুনিয়াও প্রাণঘাতী রোগ। ডেঙ্গু এবং চিকুনগুনিয়া যেন অন্যান্য বছরের মত ভয়াবহ রূপ নিতে না পারে সেইজন্য আগে থেকেই সর্বোচ্চ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছি। ডেঙ্গু এবং চিকুনগুনিয়া থেকে শহরবাসীকে রক্ষা করতে আমাদের মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। তিনি বলেন,করোনা ভাইরাস সংক্রমণ কমাতে আপনারা যেমন বাসায় থাকছেন, স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলছেন, ঠিক তেমনি ডেঙ্গু এবং চিকুনগুনিয়া রোধেও সহযোগীতা করুন। আমরা ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া থেকে রক্ষা পেতে নিয়মিত লার্ভিসাইডিং, অ্যাডাল্টিসাইডিংসহ সচেতনতামুলক কার্যক্রম যেমন মাইকিং, ডিএনসিসির ফেইসবুক পেইজ এবং গণমাধ্যমে নিয়মিত প্রচারণা চালানো হচ্ছে। জনসাধারণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছানোর লক্ষ্যে ডিএনসিসি একটি হটলাইন চালু করেছে। নগরবাসীকে ডেঙ্গু থেকে সুরক্ষা দিতে বিনামূল্যে ডিএনসিসি এলাকার ৫টি নগর মাতৃসদন ও ২২টি নগর স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ১১ মে থেকে ডেঙ্গু পরীক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শুক্রবার ব্যতীত প্রতিদিন সকাল ৯ টা থেকে বেলা ২ টা পর্যন্ত এই স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোতে বিনামূল্যে ডেঙ্গু পরীক্ষা করা যাবে। এছাড়া আগামী ১৬ মে থেকে পরিচ্ছন্নতা ও মশককর্মী দ্বারা চিরুনী অভিযান পরিচালনা করার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।

বিদ্যমান এই মহামারী পরিস্থিতিতে আমি নগরবাসীকে আশ্বস্থ করে মেয়র আতিক বলেন, ডিএনসিসির প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় ফগার মেশিনের সাহায্যে নিয়মিত মশার ওষুধ ছিটানো হচ্ছে। এছাড়া বছরব্যাপি মশক নিধনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এই পরিকল্পনায় ডেঙ্গু রোগবাহী এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে গত ৭ অক্টোবর থেকে মশার প্রজননস্থল অর্থাৎ হটস্পট চিহ্নিত করার জন্য ২জন কীটতত্ত্ববিদ এবং ১০জন শিক্ষানবিস কীটতত্ত্ববিদ নিয়োজিত করা হয়েছে। তারা ইতিমধ্যে গবেষণা করে কোন এলাকায় মশার তীব্রতা কত তা নির্ধারণ করেছেন এবং সে অনুযায়ী মশকনিধন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। সেই সাথে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ওয়াসা, রাজউক, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়সহ সকল প্রতিষ্ঠানের সাথে সমন্বয় করে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা হচ্ছে। প্রতিটি ওয়ার্ডের কাউন্সিলরগণও এই কাজের সাথে যুক্ত হবেন। নিজ-নিজ ওয়ার্ডের মশক নিয়ন্ত্রণ, পরিছন্নতাসহ যে কোনো বিষয়ে কাউন্সিলরগণ ব্যক্তিগতভাবে মনিটরিং করবেন। যদি কেউ তার দায়িত্ব পালনে গাফিলতি করেন বা ব্যর্থ হন তবে তাকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে।

জলাবদ্ধতা নিরসনে ডিএনসিসি’র কর্মকা- তুলে ধরে বলেন, বর্ষা মৌসুমে নগরবাসীর যাতায়াত ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে ডিএনসিসির আওতাধীন সকল রাস্তাঘাট সংস্কার করা হচ্ছে। বর্ষাকালে রাস্তায় যেন পানি না জমে সেই জন্য নগরীর ড্রেন, খাল পরিষ্কার এবং খনন করা হয়েছে। ইতিমধ্যে কালশি খাল খনন করা হয়েছে। ধীরে ধীরে সিটি কর্পোরেশনের ভিতরে থাকা বাকি খালগুলো দখলমুক্ত করে খনন করা হবে। নগরীর রাস্তাঘাটে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ডিএনসিসির রাস্তায় বসানো হচ্ছে আধুনিক এলইডিবাতি। নগরবাসী যেন নিয়মিত শরীরচর্চা খেলাধুলা হাঁটাচলা করতে পারে সেই লক্ষ্যে অনেকগুলো পার্কের কাজ ইতিমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে।বাকি পার্কগুলোর সংস্কার কাজ অব্যাহত রয়েছে। তিনি বলেন,ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৩৬টি ওয়ার্ডে ১টি করে ৩৬টি স্যাটেলাইট অগ্নি নির্বাপণ স্টেশন স্থাপন করা হবে। এর ফলে অল্প সময়ের মধ্যে অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে। এ স্যাটেলাইট স্টেশনে মশা নিধন, প্রাথমিক চিকিৎসা ইত্যাদির ব্যবস্থাও থাকবে।

মেয়র বলেন, ডিজিটালি নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতকল্পে “সবার ঢাকা” অ্যাপ এর কার্যক্রম শুরু হবে। ‘সবার ঢাকা’ অ্যাপের মাধ্যমে নগরবাসী যে কোনো স্থান থেকে উত্তর সিটি কর্পোরেশনের সেবা এবং কাজের ব্যাপারে অভিযোগ জানাতে পারবেন। অভিযোগ সমাধানের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন। তাছাড়া নাগরিকরা যাতে অনলাইনে যে কোনো স্থান থেকে হোল্ডিং ট্যাক্স প্রদান, ট্রেড লাইসেন্স, জন্ম নিবন্ধনসহ অনেক নাগরিক সেবা গ্রহণ করতে পারেন, সেই ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এছাড়া প্রতি মাসে একবার ফেসবুক লাইভের মাধ্যমে নগরবাসীর অভিযোগ, চাওয়া-পাওয়া, সমস্যা ইত্যাদি নিয়ে সরাসরি তাদের সাথে কথা বলবো। ফলে নগরবাসীর সমস্যাগুলোর ব্যাপারে তাৎক্ষণিক বা দ্রুততম সময়ে সমাধান করা সম্ভব হবে।

আতিক বলেন, দেশ, দেশের জনগণ এবং এ ঢাকা শহরকে ভালোবেসে নগরবাসীর সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করেছি। গত মেয়াদের ৯ মাসে আমি অনেক কাজ করেছি। কিছু কাজ চলমান রয়েছে। আমার পূর্বের অসম্পন্ন কাজ এবং নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। তিনি সবাইকে নিয়েই সবার ঢাকা বাস্তবায়নে যা যা প্রয়োজন তাই করবেন বলে জানান।

-জেকে

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget