হাবীব আনওয়ার: গভীর রাতে হাটহাজারীর বিভিন্ন  ওলামায়ে কেরাম ও তৌহিদি জনতার বাসা ঘেরাও করে পুলিশের হয়রানি চরম উদ্বেগজনক উল্লেখ করে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব ও হাটহাজারী মাদরাসার সহযোগী পরিচালক আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী। 

আজ ১০ জুন বুধবার সংবাদ মাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে আল্লামা বাবুনগরী বলেন, হাটহাজারী একটি শান্তিপূর্ণ থানা।হাটহাজারীর মানুষ অত্যন্ত শান্তিপ্রিয়।হাটহাজারীতে দলমত নির্বিশেষে সকল মানুষের সহাবস্থান নিশ্চিত রয়েছে।সম্প্রতি হাটহাজারীর ওলামায়ে কেরাম ও তৌহিদি জনতার বাসায় গভীর রাতে পুলিশের হয়রানির খবর পাওয়া যাচ্ছে, যা চরম উদ্বেগজনক। এতে হাটহাজারীর শান্তি শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হচ্ছে।

আল্লামা বাবুনগরী বলেন,দেশের শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষায় সরকার যেভাবে কাজ করে যাচ্ছে তা প্রশংসনীয়।  আমি সর্বসময় লাখো মানুষের বিশাল সমাবেশে দেশের আইন কানুন মেনে চলার ও শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষায় সরকারকে সহযোগিতা করতে জনগনকে উদ্বুদ্ধ করে আসছি। 

তিনি আরো বলেন,হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ একটি অরাজনৈতিক ধর্মীয় সংগঠন। হেফাজত প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে ইসলাম,মুসলমান, দেশ ও জাতীর কল্যাণে কাজ করে আসছে। হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীগণ এখলাছ ও নিষ্ঠার সাথে দ্বীনের জন্যই কাজ করেন।হেফাজতের মধ্যে কোন গ্রুপ নেই।আমীরে হেফাজত শায়খুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফী সাহেব হুজুর আমাদের সকলের মুরুব্বি। আমি দেশবাসীর নিকট হুজুরের পরিপূর্ণ সুস্থতার জন্য দুআর আবেদন করছি।

আল্লামা বাবুনগরী বলেন, অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে বলতে হচ্ছে, একটি কুচক্রী মহল অসৎ উদ্দেশ্যে হেফাজত আমীর ও মহাসচিবের গ্রুপ বলে বিভ্রান্তি চড়াচ্ছে। বাস্তবে গ্রুপ কথাটির কোন ভিত্তি নেই। এটি মিথ্যা,ভিত্তিহীন ও নির্জলা মিথ্যাচার।

তিনি আরো বলেন,হাটহাজারী মাদরাসা এশিয়া বিখ্যাত একটি মাদরাসা।পুরো বিশ্বে এর গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। ইসলামি অঙ্গনে হাটহাজারীর গুরুত্ব অনেক বেশি।দেশবাসী ইসলামিক বিভিন্ন বিষয়ে হাটহাজারী মাদরাসা ও হাটহাজারীর ওলামায়ে কেরামের সিদ্ধান্তকে গুরুত্বের সাথে গ্রহণ করেন।হাটহাজারীর শান্তি শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হলে পুরো দেশে এর বিরূপ প্রভাব পড়বে। তাই আমি আশা করবো হাটহাজারীর ওলামায়ে কেরাম ও তৌহিদি জনতার উপর পুলিশি হয়রানি বন্ধ করে হাটহাজারীর শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার,প্রশাসন সহ সংশ্লিষ্ট সকলে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।