06/15/20

প্রবচন ডেস্ক: রাজধানীতে ৫ থেকে ৭ হাজার টাকায় মিলছে করোনার নেগেটিভ কিংবা পজিটিভের জাল সনদ। রাজধানীর মুগদা এলাকা থেকে এমনি এক প্রতারক চক্রের ৪ সদস্যকে আটক করেছে পুলিশের এলিট ফোর্স র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।

সোমবার (১৫ মে) সকালে উত্তর মুগদা এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করে র‍্যাব-৩ এর একটি দল। এসময় বিপুল পরিমাণ ভুয়া সনদ ও সনদ তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।

করোনায় মহামারিতে যখন অসহায় নগরবাসী, তখন ফায়দা লুটতে ব্যস্ত কিছু মানুষ। মুগদা এলাকায় ছোট্ট একটি স্টুডিও। যেখানে চলে ফটোকপির কাজও। এরই আড়ালে চলছে, করোনা পরীক্ষার জাল সনদ বেচাকেনার রমরমা ব্যবসা।

মাত্র পাঁচ থেকে সাত হাজার টাকায়, নেগেটিভ কিংবা পজিটিভ ফলের সনদ দিচ্ছিলেন দোকানের ৪ কর্মী। খবর পেয়ে আজ সোমবার অভিযান চালায় র‍্যাব। গ্রেপ্তার করে তাদের।

বিষয়টি নিশ্চিত করে র‍্যাব-৩ এর অতিরিক্ত এসপি ফাইজুল ইসলাম বলেন, চক্রটি মুগদা হাসপাতাল থেকে দেয়া করোনা রোগীর করোনা পজিটিভ রিপোর্টের কপি সংগ্রহ করে তা স্ক্যান করে সেখানে নাম বসিয়ে বিক্রি করছে। যাদের নেগেটিভ রিপোর্ট দরকার তাদের কাছে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে ভুয়া করোনার সনদ তৈরি করে বিক্রি করে আসছিল।

আটকদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। বিকেলে এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানানো হবে বলে র‍্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

এর আগে গত ৪ জুন করোনা নেগেটিভের জাল সনদ বিক্রির দায়ে সাভার থেকে দুই যুবককে গ্রেফতার করা হয়।

এদের মধ্যে সাঈদ মিয়া নামে এক যুবক সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ সায়েমুল হুদার স্বাক্ষর ও সিল জাল করে করোনা পরীক্ষার ভুয়া প্রত্যয়নপত্র বিক্রি করছিলেন।

এ ঘটনায় সাঈদ মিয়া ও তার সহযোগীকে পুলিশে সোপর্দ করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এর আগে মালয়েশিয়ায় করোনার নেগেটিভ রিপোর্টের জাল সনদ বিক্রির ঘটনায় দুই দফায় মোট ৫ বাংলাদেশিকে গ্রেফতার করেছে দেশটির পুলিশ।

প্রিয় | ইন্টারনেট লাইফ
প্রবচন ডেস্ক: চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ৩০ জুলাই চলতি বছরের পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। কিন্তু মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে এ বছর হজ পালিত হবে কি না, সে ব্যাপারে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি সৌদি আরব। তবে এরই মধ্যে বিশ্বের সাতটি দেশ এ বছর হজে অংশ নেবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে।

গতকাল রোববার সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, অন্তত সাতটি দেশ চলতি বছরের হজযাত্রা বাতিল করার ঘোষণা দিয়েছে। সর্ব প্রথম এই ঘোষণা দেয় বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম প্রধান দেশ ইন্দোনেশিয়া। একই কথা জানিয়েছে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া এবং ব্রুনাই। আর সর্বশেষ এই কথা জানিয়েছে থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকা।

হজ পালনে নাগরিকদের অনুমতি দেবে না বলে এক বিবৃতিতে জানিয়ে দিয়েছে দেশগুলোর সরকার। এ ছাড়া আরো বেশ কয়েকটি দেশ ইতোমধ্যে হজযাত্রা বাতিলের আহ্বান জানিয়েছে।

এদিকে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, হজ নিয়ে সিদ্ধান্ত দিতে সারা পৃথিবীর মুসলমানদের যেমন একটা চাপ আছে, তেমনি সৌদি আরব নিজেও প্রাণান্তকর চেষ্টা করে যাচ্ছে একটা পরিষ্কার সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে। দেশটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অনেকেই এ বছর হজ বাতিল করার পক্ষে।

তবে সবদিক বিবেচনায় করোনাভাইরাসের টালমাটাল অবস্থার মধ্যেও সীমিত আকারে হজ আয়োজনের প্রাথমিক পরিকল্পনা করছে সৌদি সরকার। প্রতিটি দেশ থেকে নির্দিষ্ট কোটার ২০ শতাংশ মুসল্লিকে বিশেষ ব্যবস্থায় উড়িয়ে নেয়া হবে।

সেজন্য চলতি বছরের হজ নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করেছে সৌদি সরকার। দফায় দফায় বৈঠক করেও তারা কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারছিলেন না। বিশেষজ্ঞরাও দুই ভাগে ভাগ হয়ে যান, এক দল হজ অনুষ্ঠানের পক্ষে এবং আরেক দল বিপক্ষে।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো বলছে, বেশ কিছু দিক বিবেচনায় নিয়ে খুব সতর্কতার সঙ্গে বিষয়টি ভাবছে সৌদি সরকার। হজের ব্যাপারে এখন পর্যন্ত দুটি প্রস্তাব বিবেচনায় রাখা হয়েছে। একটি হচ্ছে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত সংখ্যক মুসল্লি নিয়ে হজ আয়োজন করা। অন্যটি হচ্ছে, হজ বাতিল করা হতে পারে।

দুটি প্রস্তাব নিয়েই বর্তমানে আলোচনা চলছে। তবে মুসল্লিদের স্বাস্থ্য এবং নিরাপত্তার বিষয়টি অগ্রাধিকার দিয়েই সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আগামী দুই একদিনের মধ্যে এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যাবে।


হাবীব আনওয়ার: করোনাভাইরাস পরিস্থিতি অবনতির  কারণে, চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী মেখল  হামিউচ্ছুন্নাহ মাদরাসার ছুটি বাড়লো আগস্টের ৮ তারিখ পর্যন্ত। 

আজ ১৫ জুন সোমবার মাদরাসার পরিচালক আল্লামা নোমান ফয়জী'র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে মাদরাসার সকল উস্তাদ উপস্থিত ছিলেন।

মাদরাসার সিনিয়র শিক্ষক ও সহকারী হল সুপার মাওলানা জাকারিয়া নোমান ফয়জী তাঁর ফেসবুক পোস্ট বলেন, ঐতিহ্যবাহী মেখল হামিয়ুচ্ছুন্নাহ মাদরাসায় ১৪৪১/৪২ হি. ২০২০/২১ ইংরেজি শিক্ষাবর্ষে ভর্তি ইচ্ছুক সকল ছাত্রদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, আজ ১৫ জুন জামিয়ার সকল শিক্ষকদের এক জরুরী বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে  নিম্ন লিখিত সিদ্ধান্ত গৃহিত হয় :
১/ আগামী ১৮ ই জিলহজ্ব ১৪৪১ হিজরি মোতাবেক ৮ ই আগষ্ট ২০২০ ইং শনিবার জামিয়া হামিউচ্ছুন্নাহ মেখল খোলা হবে। এবং আবাসিক ছাত্রদের সিট দেওয়া হবে।
২/ ৯ ই আগষ্ট ২০২০ রবিবার মাদ্রাসার ভর্তি আরম্ভ হবে। 
৩/ মাদরাসা খোলার আগে  কোন ছাত্রকে  মাদ্রাসায় উপস্থিত হতে নিষেধ করা হয়েছে।

মাওলানা ফয়জী প্রবচন মিডিয়াকে বলেন, দীর্ঘ সময় এই ছুটি যদিও ছাত্রদের জন্য ক্ষতি তবুও আমরা পরিস্থিতির কারণে এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছি। তবে আমরা ছাত্রদের প্রতি আহবান জানাচ্ছি,  নিজ ভবিষ্যতের জন্য নিজের অবস্থানে থেকে পড়াশোনায় নিয়জিত থাবেন। মুফতী আজম ফয়জুল্লাহ রহ. এর লিখিত নিজামুল আওকাত অনুযায়ী সময়গুলো অতিবাহিত করবেন। এবং বিশ্বিক মহামারি থেকে বাঁচার জন্য, নামাজ, রোজার মাধ্যমে আল্লাহর কাছে রোনাজারি করুন।

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget