06/21/20


জুনাইদ আহমদ :   আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া হামিয়ুচ্ছুনাহ মেখল মাদরাসা মহাপরিচালক আল্লামা নোমান ফয়জী সাহেব দা.বা.। তিনি  মুফতীয়ে আজম রহ. এর সুযোগ্য দৌহিত্র (মেয়ের ঘরের নাতি)। উচ্চ মর্যাদা সম্পন্ন ঐতিহ্যবাহী বংশের সন্তান তিনি । আল্লামা নোমান ফয়জী দা.বা. হাটহাজারী মাদরাসার সাবেক মোহতামীম আল্লামা হামেদ সাহেব রহ. এর জামাতা।

আল্লামা নোমান ফয়জী সাহেব দা.বা. হাটহাজারী মাদরাসার মজলিসে শূরার অন্যতম একজন সদস্য। গত ১৭ ই জুন বুধবার হাটহাজারী মাদরাসার মজলিসে শূরার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত বৈঠক শেষে এক বিশেষ বিবৃতিতে আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী হাফিযাহুল্লাহুর মুঈনে মোহতামীমের পদ ছেড়ে দেওয়ার সম্মতির বিষয়ে আল্লামা নোমান ফয়জী এর বরাতে একটি মিথ্যা বক্তব্য প্রচার করা হয়।

আল্লামা নোমান ফয়জীর দা.বা.এর বরাতে এমন একটি ডাহামিথ্যে বক্তব্য প্রচার হওয়ায় নোমান ফয়জী সাহেব দা.বা. তাৎক্ষণিক এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। অনলাইন পত্রিকা প্রবচনের সম্পাদক কাজী হামদুল্লাহ ভাই আল্লামা নোমান ফয়জী সাহেব হুজুর থেকে মুঠোফোনে এ বিষয়ে একটি অডিও সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেন। সাক্ষাৎকারে আল্লামা নোমান ফয়জী সাহেব হুজুর জানান, তাঁর বরাতে প্রচারিত বক্তব্যটি মিথ্যা ও ভূয়া।

আল্লামা বাবুনগরী বাবুনগরী সাহেব মুঈনে মোহতামীমের পদ থেকে পদত্যাগের কোন সম্মতি শূরার সদস্যদের নিকট পেশ করেননি এবং আল্লামা নোমান ফয়জী সাহেব হুজুরও বাবুনগরী সাহেবের পদত্যাগের বিষয়ে কোন কথা বলেননি।

প্রবচন মিডিয়ার সৌজন্যে সেই অডিও সাক্ষাৎকারটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফসবুকে ভাইরাল হয়। মিথ্যাচারের বিষয়টি ফাঁস হয়ে যাওয়ায় Kamrul hasan নামের একটি ফ্যাক আইডি থেকে আল্লামা নোমান ফয়জী সাহেব হুজুরের নামে কটুক্তিমূলক একটি পোস্ট করা হয়। এই ফ্যাক আইডি থেকে বিগত সময়েও হাটহাজারীর শীর্ষ ওলামায়ে কেরাম ও তৌহিদি জনতার নামে কটুক্তি করা হয়েছে। 

আল্লামা নোমান ফয়জী সাহেব হুজুরের নামে কটুক্তি করে বলা হয়েছে- তিনি হাটহাজারী মাদরাসার বহিস্কৃত উস্তাদ। মিথ্যাবাদীদের স্পর্ধা কত বড়!তিনি হাটহাজারী মাদরাসার বহিস্কৃত উস্তাদ এমন কথা আমরা আজো শুনিনি। এটা নির্জলা মিথ্যাচার। এমন ডাহা মিথ্যা আল্লামা নোমান ফয়জী সাহেব দা.বা. এর মানহানীর শামিল। আল্লামা  নোমান ফয়জী সাহেব হুজুর ছিলেন হাটহাজারী মাদরাসার স্বনামধন্য একজন শিক্ষক উস্তাদ । 

নোমান ফয়জী সাহেব হুজুরের পিতা আল্লামা মুজাফফর আহমদ (রহ.) মুফতীয়ে আজম রহ. এর পর ১৯৭৬ সন থেকে মেখল মাদরাসার মোহতামীম ছিলেন। ২০০৫ সাল তিনি ইন্তেকাল করলে আল্লামা নোমান ফয়জী সাহেব নিজ নানা মুফতীয়ে আজম রহ. ও পিতা আল্লামা মুজাফফর রহ. এর রেখে যাওয়া আমানত " মেখল মাদরাসার"  হাল ধরতে হাটহাজারী মাদরাসা থেকে সেচ্চায় বিদায় নিয়ে মেখল চলে যান। ২০০৫ ইং থেকে অদ্যাবধি  অত্যন্ত দক্ষতা ও বিচক্ষণতার সাথে  মেখল মাদরাসার মহাপরিচালকের গুরু দায়িত্ব পালন করে আসছেন আল্লামা নোমান ফয়জী দা বা.।

আমি মেখল মাদরাসার একজন প্রাক্তন ছাত্র। দীর্ঘ সাত বছর মেখলে পড়েছি। নোমান ফয়জী সাহেব হুজুরের নিকট মিজান কিতাব থেকে শুরু করে হেদায়া ১ ম খন্ড সহ বহু কিতাব আমি পড়েছি। তিনি আমার প্রাণপ্রিয় উস্তাদ। আজ ১০ বছর যাবত আমি হাটহাজারীতে আছি। আমার জানা ও দেখামতে আল্লামা নোমান ফয়জী সাহেব হুজুর বিতর্কের উর্ধ্বে একজন খাটি আল্লাহ ওয়ালা বুজুর্গ ব্যক্তি। নোমান ফয়জী সাহেব হুজুরের নামে  কোন সমালোচনা আজো শুনিনি।

আল্লামা নোমান ফয়জী সাহেব হাজার হাজার আলেমের কলিজার টুকরা উস্তাদ। সাড়া বাংলাদেশে তাঁর হাতে গড়া হাজার হাজার আলেম,মুফতী,মুহাদ্দিস,ইমাম-খতীব, লেখক ও গবেষক রয়েছে। তিনি অত্যন্ত নরম তবিয়তের একজন মানুষ। একজন বিদগ্ধ আলেম।সুমিষ্টভাষী ও জনপ্রিয় ওয়ায়েজ।

বাংলা ও উর্দূ ভাষায় অর্ধ শতাধিক কিতাবপত্র লিখেছেন তিনি। কওমী মাদরাসার পাঠ্যসূচির বহু কিতাবের ব্যখ্যাকার আল্লামা নোমান ফয়জী । সাবলীল উপস্থাপনা, মধুময় বাক্যশৈলী ও সর্ববোধগম্য দরস প্রদানে সকল ছাত্রদের প্রিয় উস্তাদ তিনি। তার মতো ক্লিন ইমেজের একজন বয়োবৃদ্ধ বুজুর্গ আলেম ব্যক্তিকে নিয়ে কটুক্তি করা চরম ধৃষ্টতার শামিল। মিথ্যাচারকারীদের কটুক্তিতে  আমরা যারপরনাই মর্মাহত। 

প্রশাসনের নিকট দাবী জানাই,
অনতিবিলম্বে Kamrul hasan নামে আইডি ব্যবহারকারীকে খোঁজে বের করে  তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। এবং কাদের ইন্দনে এ সব ফ্যাক আইডি থেকে এভাবে শীর্ষ ওলামায়ে কেরামের নামে কটুক্তি করা হচ্ছে তা অনুসন্ধান করে বের করার দাবী জানাচ্ছি 

আমি মেখলের একজন প্রাক্তন ছাত্র হিসেবে আমার উস্তাদ আল্লামা নোমান ফয়জী সাহেব হুজুরের শানে কামরুল হাসানের কটুক্তির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এবং কটুক্তিকারীদেরকে হুশিয়ারী উচ্চারণ করে বলছি,
অনতিবিলম্বে যদি কটুক্তি বন্ধ করা না হয় মেখলের সন্তানরা তোমাদের কটুক্তির দাঁতভাঙা জবাব দেবে,ইনশাআল্লাহ।

লেখক: 
প্রাক্তন ছাত্র মেখল মাদরাসা
ক্ষাবর্ষ-২০০৯ -২০১৫ ইংরেজি ]


কাজী হামদুল্লাহ :গতরাতে মাগরিবের নামায পড়ে কথা বলতে বলতে শ্রদ্ধেয় ডক্টর কিউ এম আতাউল হক আঙ্কেল একটি বহু পুরাতন মসজিদের কথা জানালেন। আমাদের এলাকা জুম্মাপাড়া থেকে দেড় কিলোমিটারের কিছু কম বা বেশি হবে; রংপুর দখিগঞ্জে। তিনি জানালেন মসজিদটি সম্ভবত মোঘল আমলের। এখন একেবারেই জঙ্গল হয়ে আছে। এলাকার মানুষ সেখানে ভয়ে যায় না। কেউ এটাকে মন্দির বলে আর কেউ বলে মসজিদ। ওই মসজিদটি একবার দেখে আসা যায়?
আমি আর আমার ফ্রেন্ড সাদিক তাৎক্ষণিক রাজি হয়ে তার সাথে পরামর্শ করে সিদ্ধান্ত নিলাম পরদিন সকাল (আজ সকালে) আমরা সেখানে যাবো। সেই অনুযায়ী আজ ফজরের নামায পড়ে তিনজন হেঁটে হেঁটে দখিগঞ্জে পৌঁছি। মসজিদটি প্রথম দেখাতেই মনটা একেবারে খারাপ হয়ে যায়। আল্লাহর ঘর মসজিদ, কিন্তু একেবারেই জঙ্গলের ভেতরে, মানুষের বাড়ির পেছন সাইডে। এর চেয়েও ভয়ের কথা হলো, মানুষ আল্লাহর ঘরে আসার চেয়ে বরং ভয় পায়। আমরা মসজিদটি ঘুরে ঘুরে দেখছিলাম, এমন সময়ই কয়েকজনকে দেখলাম দূর থেকে আমাদেরকে দেখছে কিন্তু কাছে আসছে না।

ঘরটি দেখে স্পষ্টই বোঝা যাচ্ছে যে, এটি একটি মসজিদ। স্থানীয় কেউ কেউ এটিকে মন্দির বললেও তা যে ভুল সেটা এর কাঠামো দেখলে যে কেউ বুঝতে পারবে।
স্বাভাবিকত মসজিদের দরজা হয় পূর্ব পাশে। পশ্চিমদিকের দেয়ালে থাকে মিম্বার/মিহরাব। পুরাতন মসজিদগুলোর পশ্চিম দেয়ালে বাতি রাখার জন্য মিহরাবের উভয় পাশে খোপ বানানো হয়। মসজিদের কাঠামোতে আরেকটি জিনিস বলতে গেলে তখনকার সময়ে বাধ্যতামূলক ছিলো, সেটা হলো গম্বুজ বা মিনার। এই মসজিদের উপরেও দেখলাম দুটি বড় বড় গম্বুজ রয়েছে। স্থানীয়রা জানালো এখানে মূলত গম্বুজ ছিল তিনটি। বেশ কয়েকবছর আগে একটি গম্বজ ভেঙে পড়ে গেছে।
ইট-সুরকির গাঁথুনীতে চমৎকার মোঘল কাঠামোতে তৈরি মসজিদটি সুন্দর সুন্দর কারুকাজ করে সাজানো।। কিন্তু উপরে-নিচে সবখানে প্রচুর ঝোঁপঝারের কারণে পূর্ব দিক ছাড়া অন্য কোনদিকেই সেটা এখন ততটা বোঝা যায় না।
আমি এখন পর্যন্ত এর সঠিক ইতিহাসটি জানতে পারিনি। কারণ সংবাদ পেয়েছি গতরাতেই। তবে দেখে বোঝা যাচ্ছে যে এটা কয়েকশো বছর আগে নির্মিত।
আমরা আমাদের মত করে দেখে-শুনে বিদায় হচ্ছিলাম একটা চাপা কষ্ট নিয়ে। তবে ডক্টর আঙ্কেল বললেন একবার এই জায়গার মালিকের সঙ্গে দেখা করে যেতে পারলে ভাল হতো। আমিও চিন্তা করলাম অবশ্যই, তার সাথে দেখা করলে হয়তো আরো কিছু তথ্য জানা যাবে।
খোঁজ নিয়ে জানলাম মসজিদ থেকে দেড়/দুইশো কদম দূরের বাড়িটির মালিকই এই জায়গার বর্তমান মালিক। তার সাথে আমরা দেখা করলাম। তিনি আমাদের জানালেন, তারা মোট পাঁচ ভাই। তাদের দাদা দরসিংদী থেকে রংপুরে এসে বসতি স্থাপন করেন। তখন স্থানীয় একজন জমিদার এই জায়গাটি তার দাদাকে রেজিস্ট্রেশন করে দেয়। দাদার পরে তাদের বাবা এই জায়গার মালিক হন।
তাদের বাবা সবসময় এই মসজিদটির পরিচর্যা করতেন। (যদিও এখানে নামায পড়তেন না, কিন্তু) দু-তিনমাস পর পর এখানে গজিয়ে ওঠা ঝোঁপঝাড় ও ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার করতেন। তবে তিনি ছাড়া অন্য কেউই মসজিদের আশপাশেই ঘেঁষতো না ভয়ে। তার পরিচর্যায় দীর্ঘদিন মসজিদটি নাকি কিছূটা হলেও পরিচ্ছন্ন ছিলো। গতবছর তাদের বাবা মারা যাবার পর থেকেই আর কেউ এদিকে ঘেঁষেনি।
তারা আমাদেরকে আরো জানান, অনেক আগে একবার রংপুর কেরামতিয়া মসজিদের কয়েকজন হুজুর মসজিদটি দেখার জন্য এসেছিলেন এবং একবার এক সাংবাদিক এসেছিলেন। সেবার পত্রিকায় কিছু হয়তো লিখেছিলেনও। কিন্তু এরপর থেকে আর কিছূ হয়নি। পড়ে আছে আগের মতই। এ যেন হারিয়ে যাবার সূচনালগ্ন।
আমরা এই মসজিদকে হারিয়ে যেতে দিতে চাই না। তাই আমরা কিছূ বিষয় ভাবছি। যদি আল্লাহ তাআলা কবুল করেন, তাহলে আশা করি আমরা সেটা পারবো। আল্লাহর ঘর মসজিদকে তার স্ব-রূপে ফিরিয়ে আনতে আমরা ইনশাআল্লাহ আমাদের সবটুকু সাধ্য ব্যয় করবো।
আপনারা আমাদের জন্য দোয়া করবেন, আল্লাহ তাআলা যেন আমাদের ইচ্ছাকে সফলতা দান করেন এবং স্বীয় ঘর হেফাজতে আমাদেরকে শরীক হবার তাওফিক দান করেন, আমিন।

লেখক

Mufti Naeem, Jamia Binoria: Profile, Wiki, Family and Death
অনলাইন ডেস্ক: পাকিস্তানের প্রসিদ্ধ আলেম, জামিয়া বিন্নুরিয়াহ করাচির মোহতামিম মুফতি মোহাম্মদ নাঈম হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

শনিবার রাত ৯টা ৩২ মিনিটে তিনি ইন্তেকাল করেন। তার ইন্তেকালের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার ছেলে মুফতি নোমান। তিনি জানান, হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ায় বাবাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। পথিমধ্যে তিনি ইন্তেকাল করেন।

ইমরান খানের বিশেষ সহকারী ডা. শাহবাজ গুল জানিয়েছেন, বিশিষ্ট আলেম মুফতি নাঈমের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী গভীর প্রকাশ করেছেন।

তিনি টুইটারে লিখেছেন, তিনি মরহুমের জান্নাতের উচ্চ মাকামের জন্য দোয়া করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

শোক প্রকাশ করে সিন্ধু গভর্নর ইমরান ইসমাইল বলেছেন, তিনি তার পুরো জীবন ইসলামের শিক্ষায় ব্যয় করেছেন।মুফতি নাঈম জামিয়া বিনুরকে একটি বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান বানিয়েছেন।

তার ইন্তেকালে সংসদীয় ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক আফতাব জাহাঙ্গীর ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম (জেবিআই)-এর নেতা আল্লামা রশিদ সমরভী, আসলাম ঘুরি শোক প্রকাশ করেছেন এবং তার জান্নাতের উচ্চ মাকামের জন্য দোয়া করেছেন। 

সূত্র: পাকিস্তান টুডে


বিনোদন ডেস্ক: মডেল ও অভিনেত্রী সুজানা জাফরের পর আরেক মডেল ও অভিনেত্রী এ্যানি খানও অভিনয় ছাড়ার ঘোষণা দিলেন।

ধর্মকর্মে মনোনিবেশ করতে সপ্তাহ খানেক আগে অভিনয় ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন সুজানা। এরপর এ্যানি খানও ফেইসবুক লাইভে এসে অভিনয় ছাড়ার ঘোষণা দেন।

প্রায় দুই যুগের ক্যারিয়ারের ইতি টানার ঘোষণা দিয়ে শুক্রবার বিকালে ফেইসবুক লাইভে এ্যানি জানান, তিনি কারো দ্বারা প্রভাবিত হয়ে নয়, স্বেচ্ছায় অভিনয় ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। অভিনয় ছাড়লেও এ জগতের মানুষদের প্রতি তার সম্মান থাকবে।

শিশুশিল্পী হিসেবে ক্যারিয়ার শুরুর পর টিভি নাটক ও উপস্থাপনায় নিজের ক্যারিয়ার বিস্তৃত করেছিলেন তিনি।

গত শনিবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই থেকে টেলিফোনে গ্লিটজকে সুজানা তার অভিনয় ছাড়ার সিদ্ধান্তের কথা জানান।

২০১৮ সালের নভেম্বরে ওমরাহ হজ পালনের পর থেকেই অভিনয়ে অনিয়মিত হয়ে পড়েন তিনি। তিনিও ধর্মকর্মেই মনোযোগ দিতে চান; পাশাপাশি বুটিক ব্যবসায় যুক্ত আছেন।

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget