প্রবচন ডেস্ক: ‘আল্লামা আহমদ শফী রহ. নাস্তিক-মুরতাদ ও কাদিয়ানী বিরোধী আন্দোলনে সিপাহসালারের ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি ছিলেন বিপ্লবী চেতনার নায়ক। নাস্তিক্যবাদ গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে হেফাজতের আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে দেশকে খোদাদ্রোহী হিন্দুত্ববাদী ষড়যন্ত্র থেকে রক্ষা করেছেন। ইতিহাসে তিনি বিপ্লবী চেতনা সৃষ্টি করে গেছেন।’

আজ ২৬ (সেপ্টেম্বর) বিকাল ৩টায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম চত্বরে ‘আল্লামা শাহ আহমদ শফী রহ. এর জীবনী আলোচনা ও দোয়া মাহফিল’ এ স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বক্তারা এসব কথা বলেন।

সভায় বক্তরা বলেন, তালীম-তারবিয়াত এর সাথে মানুষের ইহকালীন জীবন যাতে শিরক বিদআত ও কুসংস্কার মুক্ত হয় তার জন্য আজীবন চেষ্টা চালিয়ে গেছেন তিনি। ওয়াজ নসিহতের মাধ্যমে সাধারণ ধর্মপ্রাণ জনসাধারণকে অন্যায়-অনাচার, সন্ত্রাস ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার শিক্ষা দিয়েছেন। আল্লামা শাহ আহমদ শফি রহ. এর মত একজন মহান ব্যক্তির ইন্তেকালে জাতি একজন নিবেদিতপ্রাণ অভিভাবক হারাল।

আন্তর্জাতিক মজলিসে তাহাফফুজে খতমে নবুওয়াত বাংলাদেশ এর উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা হাফেজ মোঃ নুরুল ইসলাম।

সভাপতির ভাষণে মাওলানা নুরুল ইসলাম বলেন আল্লামা শাহ আহমদ শফীর জীবনের শেষ ইচ্ছা ছিল, ভন্ড নবী ভন্ড নবী ইসলাম মির্জা গোলাম কাদীয়ানির অনুসারীদেরকে রাষ্ট্রীয়ভাবে অমুসলিম ঘোষণা করা। তিনি প্রধানমন্ত্রীকে বারবার এই বিষয়ে অনুরোধ করেছেন।

মাওলানা নূরুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি, অবিলম্বে কাদিয়ানীদেরকে রাষ্ট্রীয়ভাবে অমুসলিম ঘোষণা করা হোক। অন্যথায় দেশের সর্বস্তরের ওলামায়ে কেরাম ও তৌহিদি জনতাকে সাথে নিয়ে কাদিয়ানীদের অমুসলিম ঘোষণার দাবি আদায়ে সরকারকে বাধ্য করা হবে।

দোয়া মাহফিলে আরও বক্তব্য রাখেন মাওলানা আবুল কালাম, মাওলানা মাহফুজুল হক, মাওলানা জুনাইদ আল হাবিব, এডভোকেট মিসবাহুর রহমান চৌধুরি, মাওলানা মহিউদ্দীন রব্বানী, মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী, মাওলানা মামুনুল হক, মাওলানা জহুরুল ইসলাম, মাওলানা খোরশেদ আলম কাসেমী, মুফতি সাখাওয়াত হুসাইন রাজী, মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম সুবহানি, মাওলানা মুসা বিন ইজহার, মাওলানা মোঃ ইউনুছ ঢালী, মাওলানা আশেক উল্লাহ, মাওলানা রাশেদ বিন নূর, মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী প্রমূখ।