10/15/20


প্রবচন ডেস্ক: পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ঢাকাকে দিল্লির চোখ দেখে না। বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আজ বৃহস্পতিবার সকালে সফররত মার্কিন উপ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ষ্টিফেন বিগানের সঙ্গে আলোচনার পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এ মন্তব্য করেন। তিনি এদিন রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় ষ্টিফেন বিগানের সঙ্গে আলোচনা করেন।

বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র ভারতের দৃষ্টিভঙ্গিকে বিবেচনায় নেয় কি না— এমন প্রশ্নের উত্তরে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র দিল্লির চোখ দিয়ে বাংলাদেশকে  দেখে, এটি আমাদের মিডিয়া বলে। আসলে তারা দিল্লির চোখে দেখে না।

আমরা স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ। সবাই জানে আমাদের মূল্যবোধ ও নীতি আছে।

আমাদের অবস্থান সব সময় স্বাধীন। আমরা দেশের স্বার্থের জন্য যা যা দরকার, তাই করব।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সে জন্য তারা আমাদের স্বাধীনভাবে দেখছে, দিল্লির চেহারা দিয়ে আমাদের দেখে না। শুধু দিল্লির চেহারা দিয়ে দেখলে এখানে আসতেন না। এখানে তারা এসেছেন আমাদের ভূ-রাজনৈতিক অবস্থানের জন্য। বাংলাদেশের সঙ্গে তারা বন্ধুত্বটা আরও গভীর করতে চান।’

প্রবচন ডেস্ক: আল্লাহর রাসূল হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর শানে এবং ইসলাম নিয়ে কটূক্তির বিরুদ্ধে করা মামলায় পিরোজপুরের এক দর্জির মাত্র সাত বছর কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনাল।

সুজন দে নামের ওই দর্জিকে কারাদণ্ডের পাশাপাশি এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে এক মাসের কারাভোগের আদেশ দিয়েছেন বিচারক।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আশ-শামস জগলুল হোসেন এই রায় ঘোষণা করেন।

রায় ঘোষণার আগে সুজন দে ট্রাইব্যুনালে হাজির হন। রায় ঘোষণার পর সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

ট্রাইব্যুনালের পেশকার শামিম আল মামুন এ তথ্য জানান।

রায়ের বিবরণে জানা যায়, আসামি সুজন দে’র বাড়ি পিরোজপুর জেলায়। তিনি দর্জি দোকানের কর্মচারী। ২০১৭ সালের ২০ মে তিনি ফেসবুক আইডিতে হজরত মোহাম্মদ (সা.) ও ইসলাম ধর্মকে নিয়ে কটূক্তি করে স্ট্যাটাস দেন, যা ধর্মানুভূতিতে আঘাত হানে।

ওই ঘটনায় রাঙামাটির লংগদু থানার এসআই সালাউদ্দিন সেলিম মামলাটি দায়ের করেন।

তদন্ত শেষে ওই বছরের ৩০ অগাস্ট সুজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। এরপর ২৬ অক্টোবর আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে ট্রাইব্যুনাল।

মামলায় আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন সাতজন।

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget