Articles by "করোনা"


স্টাফ রিপোর্টার :করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধ ও গ্রাহকদের সুরক্ষায় ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড রংপুর শাখা লকডাউন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে রংপুর সিটি করপোরেশনের স্বাস্থ্য বিভাগ ওই ব্যাংকের শাখাটিতে লাল পতাকা উত্তোলন করে লকডাউন ঘোষণা করেন।

রংপুরের ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক শাখায় কর্মরত চারজন করোনা আক্রান্ত রোগী হিসাবে শনাক্ত হয়েছে। একারণে ওই শাখার গ্রাহকসহ কর্মরত সকলের সুরক্ষা ও করোনা সংক্রমণ ঝুঁকি রোধে লকডাউন করা হয়েছে বলে জানান সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. কামরুজ্জামান তাজ। :করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধ ও গ্রাহকদের সুরক্ষায় ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড রংপুর শাখা লকডাউন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে রংপুর সিটি করপোরেশনের স্বাস্থ্য বিভাগ ওই ব্যাংকের শাখাটিতে লাল পতাকা উত্তোলন করে লকডাউন ঘোষণা করেন।

রংপুরের ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক শাখায় কর্মরত চারজন করোনা আক্রান্ত রোগী হিসাবে শনাক্ত হয়েছে। একারণে ওই শাখার গ্রাহকসহ কর্মরত সকলের সুরক্ষা ও করোনা সংক্রমণ ঝুঁকি রোধে লকডাউন করা হয়েছে বলে জানান সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. কামরুজ্জামান তাজ।

গুপ্তহত্যার মাধ্যমে দেশ অস্থির করার ...
নিজস্ব প্রতিনিধি: করোনা মহামারিতে অসহায় মানুষদের সহযোগিতায় এগিয়ে আসার আহবান জানিয়েছেন হেফাজত ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী৷

গতকাল ২১ জুন রবিবার সংবাদ মাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে আল্লামা বাবুনগরী এ আহবান জানান ৷

তিনি বলেন,করোনা আতংকে কার্যত মানুষ আজ গৃহবন্দী হয়ে পড়েছে। নেই কাজের কোন উৎস। এই পরিস্থিতিতে বহু মানুষ অসহায় অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছে। তাই এই উদ্ভুত পরিস্থিতিতে দূর্দশাগ্রস্থ পরিবারের পাশে খাদ্যদ্রব্য, নগদ অর্থসহ জরুরী ত্রাণসামগ্রী নিয়ে এগিয়ে আসা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব ও কর্তব্য। 

স্থানীয় প্রশাসন,সমাজের বিত্তবান, জনপ্রতিনিধি,সামাজিক ও সেবামূলক সংগঠন এবং বিশেষভাবে হেফাজত ইসলামের নেতৃবৃন্দকে যার যার অবস্থানে থেকে সাধ্যমত ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে অসহায়দের সহযোগিতায় এগিয়ে আসার আহবান জানান হেফাজত মহাসচিব।

হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে আল্লামা বাবুনগরী বলেন,আপনারা করোনায় আক্রান্ত রোগীদের সেবায় এগিয়ে আসুন। তাদের সেবা করুন। তাদের চিকিৎসায় সহযোগিতা করুন। এখলাছ ও নিষ্ঠার সাথে সেবার মহৎ কাজ করলে আল্লাহ তায়া’লার নিকট এর উত্তম বিনিময় পাওয়া যাবে। 

রোগীর দেখাশোনা ও সেবা-শুশ্রূষাও একটি ইবাদত উল্লেখ করে করোনায় আক্রান্ত রোগীদের যথাযথ চিকিৎসা সেবা দিতে ডাক্তারদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে আল্লামা বাবুনগরী বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) রোগীর সেবা-শুশ্রূষা করা, তাকে সান্ত্বনা দেওয়াকে সর্বোচ্চ সৎকাজ এবং গ্রহণযোগ্য ইবাদত হিসেবে ঘোষণা করেছেন।তাই আপনারা করোনায় আক্রান্ত রোগীদের যথাযথ চিকিৎসা সেবা প্রদান করুন।

তিনি আরো বলেন,এই মহামারিতে কোন মুসলমান মারা গেলে রাসুল সা. এর হাদীস অনুযায়ী সে অবশ্যই শহীদ হবে। তাকে ইসলামি বিধানানুযায়ী জানাযা ও দাফন কাফন করতে হবে। দুঃখজনকভাবে বলতে হয় করোনায় আক্রান্ত হয়ে যারা মারা যাচ্ছে আজ তাদের দাফন কাফনে অনেক অবহেলা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এটা কভু কাম্য নয়। করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বরণকারীদেরকে ইসলামের বিধান অনুযায়ী জানাযা ও দাফন-কাফনে সেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করতে হেফাজত নেতাকর্মীদের প্রতি আহবান জানান তিনি ।

আল্লামা বাবুনগরী বলেন, করোনা ভাইরাসে আতংকিত না হয়ে শরঈ বিধানকে প্রাধান্য দিয়ে সরকার, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও অভিজ্ঞ ডাক্তাররা যেসব পরামর্শ দেন তা যথাযথ ভাবে মেনে চলতে হবে।

মাশরাফি কি যুবলীগের চেয়ারম্যান ...
ডেস্ক: করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বাংলাদেশের সফলতম ওয়ানডে অধিনায়ক ও নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মুর্তজা। দু’দিন ধরেই জ্বর মাশরাফির। সঙ্গে গা ব্যথা ও মাথা ব্যথাও আছে বেশ। শুক্রবার তার পরীক্ষা করান। ফলাফল পজিটিভ এসেছে আজ শনিবার।

জানা গেছে, মাশরাফির শ্বাশুড়ি ও স্ত্রীর বোন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন আগেই। ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন তারা। তবে তাদের সংস্পর্শে আসেননি মাশরাফি। আক্রান্ত হয়েছে অন্য কোনোভাবে। করোনাভাইরাসের প্রকোপ শুরুর পর এলাকার মানুষের সহায়তার জন্য দুই দফায় নড়াইল গিয়েছিলেন মাশরাফি। তবে সেটিও বেশ আগে।

তখন নড়াইল থেকে ঢাকায় ফিরে আলাদা একটি বাসায় কোয়ারেন্টাইনে ছিলেন দুই সপ্তাহ মাশরাফি। তারপর বাসায় ফিরে সাবধানেই ছিলেন। বাইরে খুব-একটা যাননি। তারপরও রক্ষা পেলেন না আক্রান্ত হওয়া থেকে। জ্বর ও গা ব্যথা ছাড়া আপাতত কোনো সমস্যা আপাতত তার নেই। আপাতত নিজের বাসাতেই আইসোলেশনে আছেন তিনি।

অনলাইন ডেস্ক: পাকিস্তানে কোভিড-১৯-এ বৃহস্পতিবার মৃতের সংখ্যা মোট ৩ হাজার ৯৩ জনে পৌঁছেছে সেখানে বর্তমানে আক্রান্তের সংখ্যা মোট ১ লাখ ৬০ হাজার ১১৮ জন।

সরকারি তথ্য অনুয়ায়ী, দেশটিতে কোভিট-১৯-এ মোট ৫৯ হাজার ২১৫ জন এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে উঠেছে। দেশটিতে কোভিড-১৯-এর মৃত্যু হার শতকরা ১ দশমিক ৯ শতাংশ ও সুস্থতার হার ৩৭ শতাংশ। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ পাঞ্জাব প্রদেশে মোট ৬০ হাজার ১৩৮ জনের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে এবং পাঞ্জাবের পরেই অবস্থান করছে দক্ষিণাঞ্চলীয় সিন্ধু প্রদেশ। সেখানে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা মোট ৫৯ হাজার ৯৮৩ জন।

অর্থনৈতিক ক্ষতি ও নিম্ন-আয়ের জনসাধারণের সমস্যার কথা ভেবে পাকিস্তানে লকডাউন সহজ করার পর সংক্রমণের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞগণ ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সেখানে পুনরায় লক-ডাউনের পরামর্শ দিয়েছেন।

তবে, ভাইরাসের বিস্তার প্রতিরোধে কেন্দ্রীয় এবং প্রাদেশিক সরকারগুলো সারাদেশে লকডাউন না দিয়ে হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত বাছাইকৃত এলাকাগুলোয় লকডাউনের নতুন কৌশল অবলম্বন করছে। বাসস

বাংলাদেশে করোনায় মৃত্যু ১, ৩০ ...
ডেস্ক: বাংলাদেশে লকডাউনের কারণে করোনা ভাইরাসে সর্বোচ্চ আক্রান্ত ও মৃত্যুর সময় পিছিয়েছে বলে জানিয়েছে ইমপেরিয়াল কলেজের গবেষকরা। 'ইমপেরিয়াল কলেজ কভিড ১৯ অ্যানালাইসিস টুলস'-এর দেয়া তথ্যানুসারে বাংলাদেশে সর্বোচ্চ আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা থাকবে সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে। এ সময় দিনে ১০ হাজার করে মানুষ মারা যেতে পারে বলে এই গবেষকরা ধারণা পোষণ করেন। অবশ্য এর আগে এই টুলস অনুসারে জুন-জুলাই মাসে হওয়ার কথা ছিল সর্বোচ্চ মৃত্যুর হার। কিন্তু লকডাউন ও সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কারণে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা ৭৫ ভাগ কম হয়েছে, যার ফলে পিছিয়েছে সর্বোচ্চ আক্রান্ত ও মৃত্যুর সময়।

নেত্রানিউজের গত ৯ জুনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইম্পেরিয়াল কলেজের টুলসের বিশ্লেষণ অনুসারে বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসের মহামারি পরিস্থিতি গত সাত দিন আগের চেয়ে এ সপ্তাহে আলাদা দেখাচ্ছে। প্রথমের দিকে বাংলাদেশের করোনা পরিস্থিতি অনেক নিয়ন্ত্রিত মনে হয়েছিল।

১ জুন ইম্পেরিয়াল কলেজের কোভিড১৯ বিশ্লেষণ টুলস নতুন করে বাংলাদেশের জন্য সর্বোচ্চ আক্রান্তের সময় হিসেব করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়, যদি কেউ ধরে নেয় যে বাংলাদেশের চলমান লকডাউনের ফলে করোনার সংক্রমণ ৭৫ ভাগ কমে যাবে এবং এটি দীর্ঘয়িত হবে, তাহলে আমাদের টুলস বলছে আগামী অক্টোবরেই দেশে করোনা মহামারি সর্বোচ্চ শিখরে উঠে যাবে এবং এর ফলে একদিনে ৬ হাজার ৫০০ মানুষের মৃত্যু হবে।

সর্বশেষ ৭ জুন ইমপেরিয়াল কলেজের পূববর্তী ভবিষ্যৎবাণী থেকে করোনায় মৃত্যু এবং সংক্রমণ কম হওয়ায় নতুন করে ধারণা হচ্ছে, পূববর্তী ঘোষণা থেকে সংক্রমণ ও মৃত্যু কম হওয়ায় এবার ধরে নেয়া হয়েছে বাংলাদেশে আগামী কয়েক মাসে ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত কম হবে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা। কিন্তু এরপর জুনের শেষ ভাগে প্রতিদিনে করোনায় ৮২ জনের মৃত্যু হবে। যা পূর্ববর্তী ভবিষ্যৎবাণী থেকে অনেক কম।

তবে দুর্ভাগ্যক্রমে ইম্পেরিয়াল কলেজের মতে, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ কমে যাওয়ার মাত্রা এখন আর ৭৫ শতাংশের কাছাকাছি নেই। পূর্বে ধারণা করা হয়েছিল লকডাউনের কারণে সংক্রমণ ও মৃত্যু যে হারে হ্রাস পাচ্ছে সে হারেই হ্রাস পাবে, কিন্তু বাংলাদেশ সরকার লকডাউন শিথিল করায় এখন এই সংক্রমণ কমার হার একই রকম থাকছে না। যা বিগত এক সপ্তাহের তথ্যানুসারে ৭৫ ভাগের পরিবর্তে ৪১ ভাগ আক্রান্ত কম হয়েছে। আর সেই বিশ্লেষণ থেকে ধারণা করা হচ্ছে সেপ্টেম্বরের শুরুতে দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যায় শীর্ষের দিকে থাকবে বাংলাদেশ এবং একদিনে ১০ হাজার মানুষের মৃত্যু হতে পারে। আর এই মহামারি ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে গিয়ে শেষ হবে।

অবশ্য এই ধরণের কোনও গাণিতিক মডেলে ফেলে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা হিসেব করাকে অনুমান নির্ভর বলে মনে করেন অধিকাংশ বিশেষজ্ঞরা। কেননা শুধু সংখ্যার গড় হার এবং অনুপাত বিশ্লেষণ করে ভবিষ্যৎ আক্রান্তের সংখ্যা বের করা সম্ভব নয়, এখানে আরও অনেকগুলো বিষয় রয়েছে যা হিসেবে আসছে না। সরকার যেভাবে এপ্রিল ও মে মাসে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছে একইভাবে যদি আগামী কয়েক মাসেও দৃঢ় লকডাউনের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারে, তাহলে কখনই মৃত্যুর হার এত বেশি হবে না।

লকডাউনের আওতায় পড়া বেইজিংয়ের একটি মহল্লার লোকজন অনলাইনে অর্ডার দেওয়া খাবার নিতে বাড়ির বাইরে এসেছেন
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: প্রায় দুই মাস পর নতুন করে করোনাভাইরাসের প্রকোপ বাড়তে থাকায় চীনের রাজধানী বেইজিংয়ের লাখ লাখ মানুষ আবারো লকডাউনের কব্জায় আটকা পড়েছেন। রাজধানী ২৭টি মহল্লার মানুষকে বাইরে না যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বেইজিং থেকে ১২০০ ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। ৯ জুলাই পর্যন্ত ট্রেন সার্ভিস অনেক কমিয়ে দেওয়া হয়েছে।

রাজধানীর প্রাথমিক এবং মাধ্যমিক স্কুলগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বন্ধ হয়ে গেছে সুইমিং পুল, জিম এবং অনেক রকম খেলাধুলো।
বুধবার বেইজিংয়ে নতুন করে ৩১ জনের দেহে ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে গত এক সপ্তাহে শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩৭।

নতুন দফা এই সংক্রমণের আগে টানা ৫৭ দিন ধরে বেইজিংয়ের বাসিন্দাদের মধ্যে কোনো করোনা পজিটিভ রোগী পাওয়া নি।

ধারণা করা হচ্ছে বেইজিংয়ের শিনফানদি নামে বিশাল এক পাইকারি খাদ্যের বাজার থেকে নতুন করে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ছে। এই বাজার থেকে বেইজিংয়ের ৮০ শতাংশ মাংস এবং সবজি সরবরাহ হয়।

নতুন দফা বিধিনিষেধের শর্ত

চীনের রাজধানীর কমপক্ষে ২৭টি এলাকাকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তার মধ্যে ২৬টিতে ঝুঁকির মাত্রা মাঝারি, আর একটি এলাকা উঁচু মাত্রার ঝুঁকিপূর্ণ।

এই ২৭টি এলাকার বাসিন্দারা বেইজিংয়ের বাইরে যেতে পারবেনা। এমনকি কম ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মানুষজনকেও রাজধানীর বাইরে যেতে গেলে ভাইরাসের পরীক্ষা করে দেখাতে হবে তারা সংক্রমিত নন।

তবে বেইজিংয়ে এখন ভাইরাস পরীক্ষা করা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনটি টেস্টিং সেন্টার বিবিসিকে জানিয়েছে তাদের কাছে এত মানুষ আসছে যে জুলাইয়ের আগ পর্যন্ত তারা নতুন কারো কাছ থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে পারবে না। অন্যান্য কেন্দ্রের সামনেও পরীক্ষার জন্য লম্বা লাইন চোখে পড়ছে।

নতুন করে নানা বিধিনিষেধ চালু করা হলেও, রাস্তা-ঘাট খোলা রয়েছে। কল-কারাখানা খোলা।

বেইজিংয়ে বিবিসির সংবাদদাতা স্টিভেন ম্যাকডোনেল বলছেন, গত ৫০ দিনেরও বেশি সময় ধরে চীনের রাজধানীতে নতুন কোনো সংক্রমণ না হওয়ায় রেঁস্তরা-পানশালাগুলো গমগম করে চলছিল, ট্রেনগুলো সকাল-বিকাল যাত্রীতে ভর্তি থাকতো।

“কিন্তু সেই প্রায়-স্বাভাবিক অবস্থা হঠাৎ করে যেন উধাও। একটি বাজার থেকে ছড়িয়ে পড়া সংক্রমণে আবার বেইজিংকে বিধিনিষেধের বুদবুদে ঢুকে পড়তে হচ্ছে।“

সংবাদদাতা জানাচ্ছেন, একেকটি মহল্লাকে এমনভাবে নজরদারি করা হচ্ছে, নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে যেন সেগুলো শহরের ভেতর আরেক শহর। তিনি বলছেন, ফেব্রুয়ারির লকডাউনের সাথে নতুন করে চাপানো এই লকডাউনের মূল পার্থক্য যে সরকারি অফিস এবং কল-কারখানা এখনো খোলা।
নতুন সংক্রমণের শুরু যেভাবে

চীনা মিডিয়াগুলো বলছে, শহরের শিনফানদি পাইকারি বাজারে আমদানি করার স্যামন মাছ কাটার একটি বোর্ডের ওপর প্রথম ভাইরাস শনাক্ত হয়।

ঐ বাজারের জেনারেল ম্যানেজারকে বরখাস্ত করা হয়েছে। ঐ বাজারে কাজ করতেন বা গিয়েছিলেন এমন অনেক মানুষকে শহর ছাড়তে নিষেধ করা হয়েছে।প্রতিদিন বেইজিংয়ের এই পাইকারি বাজারে লাখ লাখ মানুষের সমাগম হয়।

বাকি চীনের পরিস্থিতি কী

চীন গত মাসগুলোতে সাফল্যের সাথে ভাইরাসের সংক্রমণ বাগে আনতে সক্ষম হয়েছে। মার্চের প্রথম দিকে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৮০,০০০ ছাড়িয়ে গিয়েছিল, কিন্তু তারপর গত সাড়ে তিন মাসে নতুন করে মাত্র ৩২০০ জন শনাক্ত হয়েছে। মঙ্গলবার সারাদেশে নতুন করে ৩২জন সংক্রমিত রোগী শনাক্ত হয়েছে, যার মধ্যে ২৭ জনই বেইজিংয়ের চারটি মহল্লার বাসিন্দা। 

সূত্র: বিবিসি বাংলা

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় সর্বোচ্চ মৃত্যু ও আক্রান্তের রেকর্ড
ডেস্ক: করোনা ভাইরাসে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৩ জনের মৃত্যু হয়েছেন। এ নিয়ে করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল এক হাজার ২৬২ জনে। একই সময়ে নতুন করে আরও তিন হাজার ৮৬২ জনের মধ্যে করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। ফলে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ৯৪ হাজার ৪৮১ জনে।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস বিষয়ক নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা অনলাইনে বুলেটিন পড়েন।

তিনি মোট ৬১টি ল্যাবে নমুনা পরীক্ষার তথ্য তুলে ধরে জানান, করোনা ভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৮ হাজার ৪০৩টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ১৭ হাজার ২১৪টি নমুনা। এ নিয়ে দেশে মোট নমুনা পরীক্ষা করা হলো পাঁচ লাখ ৩৩ হাজার ৭১৭টি। নতুন নমুনা পরীক্ষায় করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে আরও তিন হাজার ৮৬২ জনের দেহে। ফলে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ৯৪ হাজার ৪৮১ জনে। আক্রান্তদের মধ্যে মারা গেছেন আরও ৫৩ জন। এ নিয়ে মোট মৃত্যু হলো এক হাজার ২৬২ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরও দুই হাজার ২৩৭ জন। সব মিলিয়ে মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা এখন ৩৬ হাজার ২৬৪ জন।

বরাবরের মতো করোনা ভাইরাস থেকে সুরক্ষিত থাকতে সবাইকে সাবান দিয়ে হাত ধোয়া, মুখে মাস্ক পরা এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানান ডা. নাসিমা।

করোনার নমুনা সংগ্রহে অস্থায়ী ক্যাম্প পরিচালনা করছে রংপুর সিটি কর্পোরেশন
প্রবচন: রংপুরে করোনা ভাইরাসের নমুনা পরীক্ষায় সাধারণ মানুষের উৎসাহ বেড়েছে। তাই চাপ বেড়েছে সাধারণ মানুষের। রংপুর মহানগরীর সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে নভেল করোনা ভাইরাসের নমুনা সংগ্রহে অস্থায়ী ক্যাম্প পরিচালনা শুরু করেছে রংপুর সিটি কর্পোরেশনের স্বাস্থ্য বিভাগ।

সোমবার (১৫ জুন) নগরীর ইঞ্জিনিয়ারপাড়াস্থ বিদ্যালয় স্বাস্থ্য কেন্দ্রে রংপুর সিটি কর্পোরেশনের নভেল করোনা ভাইরাসের নমুনা সংগ্রহে অস্থায়ী ক্যাম্পে নমুনা দিতে আসা মানুষের দীর্ঘ লাইন লক্ষ্য করা যায়। নমুনা সংগ্রহের প্রথম দিনে মহানগরীর বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা সাধারণ মানুষ, ফায়ার সার্ভিসের সদস্যবৃন্দ নমুনা প্রদান করেন। আর এই নমুনা রংপুর সিটি কর্পোরেশনের স্বাস্থ্য বিভাগের চুক্তিভিত্তিক ল্যাব টেকনিশিয়ান দিয়ে নমুনা গ্রহণ হচ্ছে।

রংপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো. মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা সাংবাদিকদের জানান, দেশের ১২টি সিটি কর্পোরেশনের মধ্যে একমাত্র রংপুর সিটি কর্পোরেশন বাড়ি বাড়ি গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করছে। কিন্তু পরীক্ষায় বিলম্বের কারণে এ ভাইরাস দ্রুত নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ছড়াচ্ছে। রংপুর সিটি কর্পোরেশন এলাকায় প্রায় ১০লাখ মানুষের বসবাস। নগরবাসীর সুবিধার্থে একটি অস্থায়ী ক্যাম্প পরিচালনা করা হচ্ছে। নমুনা প্রদানে মানুষের আগ্রহ যেভাবে বেড়েছে, এতে কমপক্ষে আরো দু’তিনটি ক্যাম্প স্থাপন করা প্রয়োজন। সেই তুলনায় জনবল দক্ষ টেকনিশিয়ান রংপুর সিটি কর্পোরেশনে নেই। রেড জোন রংপুরের সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে আরো দু’টি নমুনা পরীক্ষার জন্য ল্যাব স্থাপন করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও স্বাস্থ্য মন্ত্রীর প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি।

রংপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. কামরুজ্জামান তাজ জানান, রংপুর নগরীতে ভয়াবহ অবস্থা, কিন্তু আমরা অসহায়। আমাকে মাত্র ৪০ জনের নমুনা সংগ্রহ করার আদেশ দেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে ২০টি পুরাতন রোগী এবং নতুন ২০টি রোগী।

করোনা প্রতিরোধ কমিটির আহ্বায়ক শিক্ষাবিদ ফখরুল আনাম বেঞ্জুসহ সাধারণ মানুষ রংপুর সিটি মেয়রের এ উদ্যোগকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘ক্যাম্প স্থাপন করে নমুনা সংগ্রহ করার এই উদ্যোগ অত্যন্ত মহৎ কাজ। রংপুর মেডিকেল কলেজের পাশাপাশি সিটি কর্পোরেশনে নমুনা পরীক্ষার জন্য দুটি ল্যাব স্থাপন করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।’

প্রবচন ডেস্ক: রাজধানীতে ৫ থেকে ৭ হাজার টাকায় মিলছে করোনার নেগেটিভ কিংবা পজিটিভের জাল সনদ। রাজধানীর মুগদা এলাকা থেকে এমনি এক প্রতারক চক্রের ৪ সদস্যকে আটক করেছে পুলিশের এলিট ফোর্স র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।

সোমবার (১৫ মে) সকালে উত্তর মুগদা এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করে র‍্যাব-৩ এর একটি দল। এসময় বিপুল পরিমাণ ভুয়া সনদ ও সনদ তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।

করোনায় মহামারিতে যখন অসহায় নগরবাসী, তখন ফায়দা লুটতে ব্যস্ত কিছু মানুষ। মুগদা এলাকায় ছোট্ট একটি স্টুডিও। যেখানে চলে ফটোকপির কাজও। এরই আড়ালে চলছে, করোনা পরীক্ষার জাল সনদ বেচাকেনার রমরমা ব্যবসা।

মাত্র পাঁচ থেকে সাত হাজার টাকায়, নেগেটিভ কিংবা পজিটিভ ফলের সনদ দিচ্ছিলেন দোকানের ৪ কর্মী। খবর পেয়ে আজ সোমবার অভিযান চালায় র‍্যাব। গ্রেপ্তার করে তাদের।

বিষয়টি নিশ্চিত করে র‍্যাব-৩ এর অতিরিক্ত এসপি ফাইজুল ইসলাম বলেন, চক্রটি মুগদা হাসপাতাল থেকে দেয়া করোনা রোগীর করোনা পজিটিভ রিপোর্টের কপি সংগ্রহ করে তা স্ক্যান করে সেখানে নাম বসিয়ে বিক্রি করছে। যাদের নেগেটিভ রিপোর্ট দরকার তাদের কাছে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে ভুয়া করোনার সনদ তৈরি করে বিক্রি করে আসছিল।

আটকদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। বিকেলে এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানানো হবে বলে র‍্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

এর আগে গত ৪ জুন করোনা নেগেটিভের জাল সনদ বিক্রির দায়ে সাভার থেকে দুই যুবককে গ্রেফতার করা হয়।

এদের মধ্যে সাঈদ মিয়া নামে এক যুবক সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ সায়েমুল হুদার স্বাক্ষর ও সিল জাল করে করোনা পরীক্ষার ভুয়া প্রত্যয়নপত্র বিক্রি করছিলেন।

এ ঘটনায় সাঈদ মিয়া ও তার সহযোগীকে পুলিশে সোপর্দ করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এর আগে মালয়েশিয়ায় করোনার নেগেটিভ রিপোর্টের জাল সনদ বিক্রির ঘটনায় দুই দফায় মোট ৫ বাংলাদেশিকে গ্রেফতার করেছে দেশটির পুলিশ।

দেশে করোনায় নতুন ৩১৪১ জন শনাক্ত
প্রবচন ডেস্ক: বাংলাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩,১৪১ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে এবং মৃত্যু হয়েছে ৩২ জনের। গতকাল শনিবারের চেয়ে আজ রবিবার ২৮৫ জন বেশি শনাক্ত হয়েছেন। গতকাল শনাক্ত হয়েছিলেন ২,৮৫৬ জন। এনিয়ে দেশে মোট শনাক্তের সংখা দাঁড়ালো ৮৭,৫২০ জন।

আজ রবিবার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। অনলাইনে বুলেটিন উপস্থাপন করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

অনলাইন বুলেটিনে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ১৪,৫০৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়।

আপনার সুস্থতা আপনার হাতে উল্লেখ করে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সকলকে স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে মেনে চলতে সকলের প্রতি আহবান জানানো হয়।

দেশে নভেল করোনাভাইরাসে (কভিড-১৯) সংক্রমিত প্রথম রোগী শনাক্ত হয় গত ৮ মার্চ। আর ১৮ মার্চ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।


ডেস্ক নিউজ: মহামারি করোনা ভাইরাসের ভয়াল আক্রমণ হতে শরীয়তপুরবাসীকে সুরক্ষিত রাখতে পুনরায় জেলা প্রশাসন কতৃক নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী, ঔষধের দোকান এবং প্রয়োজনীয় পণ্যের দোকান ব্যতিত সকল মার্কেট, শপিংমল এবং অন্যান্য সকল ধরনের দোকানপাট বন্ধ ঘোষনা করা হয়েছে। 

আজ শনিবার (১৬ই মে) দুপুরে জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কাজী আবু তাহের এর স্বাক্ষরিত গনবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আগামী কাল ১৭ই মে রোববার থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত শরীয়তপুর জেলার নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী, ঔষধের দোকান এবং প্রয়োজনীয় পণ্যের দোকান ব্যতিত সকল মার্কেট, শপিংমল এবং অন্যান্য সকল ধরনের দোকানপাট বন্ধ ঘোষনা করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক কতৃক স্বাক্ষরিত গনবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে যে, গত ১০ই মে হতে সরকারি নির্দেশনা মতে দেশব্যাপী মার্কেট, শপিংমল এবং অন্যান্য সকল ধরনের দোকানপাট সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত খোলার অনুমতি প্রদান করা হয় এবং সকল মার্কেট, শপিংমল এবং অন্যান্য সকল ধরনের দোকানপাট কে স্বাস্থ্যসুরক্ষার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা রেখে ও সামজিক দুরত্ব বজায় রেখে কার্যক্রম পরিচালনা করার নির্দেশ প্রদান করা হয়।  
সে মোতাবেক সকল মার্কেট, শপিংমল এবং অন্যান্য সকল ধরনের দোকানপাটে বিক্রয় কার্যক্রম শুরু হয়। কিন্তু গত এক সপ্তাহের পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে যে, মার্কেট, শপিংমল এবং অন্যান্য সকল ধরনের দোকানপাটে কোন ধরনের স্বাস্থ্য সুরক্ষার উপকরণ রাখা হচ্ছেনা এবং ক্রেতা-বিক্রেতাগণের মধ্যে সামাজিক দুরত্ব একেবারেই বজায় রাখা হচ্ছে না। 


এমতাবস্থায়, সচেতন ব্যক্তিবর্গের অনুরোধে এবং করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ কমিটি, শরীয়তপুরের সিন্ধান্ত মোতাবেক আগামীকাল ১৭ই মে রোজ রোববার হতে সমগ্র শরীয়তপুর জেলায় নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী, ঔষধের দোকান এবং অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের দোকান ব্যতিত সকল মার্কেট, শপিংমল এবং অন্যান্য সকল ধরনের দোকানপাট পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। 

সকল ধরনের গণপরিবহন, একজেলা হতে অন্য জেলায় এবং এক উপজেলা হতে অন্য উপজেলায় জনচলাচল বন্ধ থাকবে। তবে, জরুরী পরিসেবা, চিকিৎসা সেবা, কৃষি পণ্য, খাদ্যদ্রব্য সরঞ্জাম সংগ্রহ ও পরিবহন ইত্যাদি এর আওতাবহির্ভূত থাকবে। এ আদেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।


 এজা

কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ...
ডেস্ক: করোনা পরিস্থিতির কারণে এ বছর কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠে ঈদ জামাত স্থগিত করা হয়েছে। শুক্রবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও শোলাকিয়া ঈদগাহ কমিটির সভাপতি মো. সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী।

কোভিড-১৯ সংক্রমণের বিষয়টি মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, দেশের সবচেয়ে বড় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয় কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠে। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কারণে এবারের ১৯৩তম ঈদুল ফিতরের জামাত হচ্ছে না।

সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী জানান, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে জানানো হয়েছে উন্মুক্ত স্থানে ঈদের জামাত করা যাবে না। ১৮৪ নম্বর বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট বলা হয়েছে, মুসল্লিদের জীবনের ঝুঁকি ও নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে ঈদের জামাত খোলা জায়গার পরিবর্তে নিকটস্থ মসজিদে আদায় করতে হবে। তাই একই মসজিদে একাধিক জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

প্রসঙ্গত, জনশ্রুতি আছে ১৮২৮ সালে এই মাঠে ঈদের জামাতে সোয়া লাখ মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করেছিলেন। সেই থেকে এই মাঠের নাম হয় ‘সোয়া লাখিয়া’। যা এখন শোলাকিয়া নামে পরিচিত।

করোনায় আক্রান্ত ছিলেন অধ্যাপক আনিসুজ্জামান
ডেস্ক: জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের শরীরে করোনাভাইরাস পাওয়া গেছে। যার ফলে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শুক্রবার (১৫ মে) সরকারি ব্যবস্থাপনায় তার দাফন সম্পন্ন হবে।

আজ বৃহস্পতিবার রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন তার ছেলে আনন্দ জামান।

তিনি বলেন, আব্বার করোনাভাইরাসের প্রমাণ পাওয়া গেছে। যার কারণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে তার দাফন সম্পন্ন করা হবে। পূর্বঘোষিত কর্মসূচি পালন করা হবে না।

-কেকে

ajkerdeshbidesh.com
ডেস্ক: প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস হানা দিয়েছে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শিবিরেও। আজ বৃহস্পতিবার উখিয়ার কুতুপালং আশ্রয়শিবিরে দুইজন রোহিঙ্গা শরণার্থীর নমুনা পরীক্ষায় করোনার জীবাণু পাওয়া গেছে।

এ নিয়ে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত কক্সবাজারে আক্রান্ত হলো দুই রোহিঙ্গাসহ ১৩৬ জন। মারা গেছেন রামুর স্থানীয় একজন নারী।

কক্সবাজার সরকারি মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অনুপম বড়ুয়া বলেন, বৃহস্পতিবার এই ল্যাবে পরীক্ষা হয়েছে ১৮৬ জনের নমুনা। এর মধ্যে ১৭ জনের নমুনায় করোনাভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। এদের মধ্যে দুইজন রোহিঙ্গা শরণার্থী। অপর ১৫ জনের মধ্যে কক্সবাজার সদর উপজেলার ৯জন, চকরিয়ার চারজন, পেকুয়ার একজন এবং রামুর একজন।

২০১৭ সালের ২৫ আগস্টের পর মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে সেদেশের সেনাবাহিনীর নির্যাতনের মুখে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয় আট লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা। এর আগেও বিভিন্ন সময়ে আশ্রয় নিয়েছে কয়েক লাখ। বর্তমানে উখিয়া ও টেকনাফের ৩৪টি আশ্রয়শিবিরে নিবন্ধিত রোহিঙ্গার সংখ্যা সাড়ে ১১ লাখ।

-পিএ

তিন জেলার কেন্দ্রস্থল চুয়াডাঙ্গা ...
ডেস্ক: চুয়াডাঙ্গায় ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ১১ জন করোনা পজিটিভ বলে শনাক্ত হয়েছেন। এই নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৪৩ জন। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে জেলা প্রশাসনের একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের দুজন কর্মচারী রয়েছেন।
জেলার সিভিল সার্জন এ এস এম মারুফ হাসান জানান, করোনায় আক্রান্তদের মধ্যে সদর ও দামুড়হুদা উপজেলায় চারজন করে এবং আলমডাঙ্গা উপজেলার তিনজন বাসিন্দা রয়েছেন। ওই ১১ জনের মধ্যে আটজনই সামাজিকভাবে সংক্রমিত।

সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, আজ বৃহস্পতিবার যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চুয়াডাঙ্গা জেলার মোট ৩৯ জনের নমুনা পরীক্ষার ফলাফল হাতে পাওয়া যায়। যার মধ্যে ২৮ জনই নেগেটিভ। বাকি ১১ জন করোনা পজিটিভ।

সূত্রমতে চুয়াডাঙ্গা জেলা থেকে এ পর্যন্ত ৫৯৩ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। আজকে পর্যন্ত ৪৮৪ জনের নমুনা পরীক্ষার ফল পাওয়া গেছে। প্রাপ্ত ফল অনুযায়ী ৪৪১ জন করোনা নেগেটিভ এবং ৪৩ জন করোনা পজিটিভ। সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত সদর উপজেলায়, ২৩ জন। এ ছাড়া আলমডাঙ্গায় ১৩ জন ও দামুড়হুদায় সাতজন রয়েছে। তবে জীবননগর উপজেলায় এখন পর্যন্ত কোনো করোনা রোগী শনাক্ত হয়নি।
আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে দুজন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন, একজন মারা গেছেন এবং বাকিরা সদর হাসপাতালের করোনা ইউনিটের আইসোলেশনে ও হোম আইসোলেশনে আছেন।

-পিএ

ভয়াবহ! প্রতিদিন ৬ হাজার শিশুর মৃত্যু হতে পারে সারা বিশ্বে
ডেস্ক: আগামী ছয় মাসে বিশ্বজুড়ে প্রতিদিন ছয় হাজার শিশুর মৃত্যু হতে পারে। বুধবার গভীর উদ্বেগের সঙ্গে এমনটাই জানাল ইউনিসেফ। করোনার প্রভাব ও নিয়মিত স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা ভেঙে যাওয়ায় এই ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে। এই মৃত্যুর বেশির ভাগই ঘটবে অপেক্ষাকৃত আর্থিকভাবে দুর্বল দেশগুলোতে, যেসব দেশ পরিকাঠামোগত কারণে করোনা মোকাবেলায় খুব বেশি সক্ষম নয়।

ইউনিসেফের একজিকিউটিভ ডিরেক্টর হেনরিয়েট্টা ফোর বলেন, গত কয়েক দিনে আমরা একটা বিষয় লক্ষ্য করছি। গত কয়েক দশকে প্রথম বার পাঁচ বছরের জন্মদিন পেরোনোর আগেই মারা যাচ্ছে বহু শিশু। করোনার কারণে মা শিশু দু’জনেরই মৃত্যু হচ্ছে। আমরা উন্নয়নের দশকে এমন হতে দিতে পারি না।

ইউনিসেফ এই সতর্কতা জারি করছে জন হপকিন্সের স্কুল অব পাবলিক হেলথ-এর একটি গবেষণার ওপর ভিত্তি করেই। দিন কয়েক আগেই বিল গেটস ও মেলিন্ডা গেটসের অনুদান ভিত্তিক এই গবেষণার রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে ল্যানসেট গ্লোবাল হেলথ জার্নালে।

ওই রিপোর্টে দেখানো হয়েছে আগামী ছয় মাসে ১১ লাখ পঞ্চাশ হাজারের বেশি শিশুর মৃত্যু হতে পারে  ছয় মাসে। মৃত্যু হতে পারে অন্তত ৫৬ হাজার ৭০০ জন মায়ের। এমনকি পরিস্থিতি আরো খারাপ হলে অতিরিক্ত দুই লাখ ৫৩ হাজার শিশুর মৃত্যুও হতে পারে বলে অনুমান ইউনিসেফের।

ইউনিসেফের যুক্তরাজ্যের নির্বাহী পরিচালক সাচা ডেশমুখ বলেন, বিশ্বজুড়ে শিশুদের অবস্থা করুণ। তাদের সহায়ত ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। তাদের খেলার বা মন খুলে আনন্দ করার খোলা জায়গা বন্ধ হয়ে গেছে। নিজেদের শিক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। তাদের যে খাবার দেওয়ার এক ব্যবস্থা ছিল; সেটাও ভেঙে পড়েছে। শিশুরা হামের প্রকোপ পড়ার হুমকির মধ্যে রয়েছে। স্কুল বন্ধ হওয়ায় দুর্বল শিশুদের ঝুঁকি বাড়ছে।

সূত্র: গার্ডিয়ান।

আনসারকে ২৫ হাজার মাস্ক ও তিন হাজার পিপিই দিল বসুন্ধরা গ্রুপ
অনলাইন ডেস্ক: প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস সংক্রমণ মোকাবেলায় এবার বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীকে ২৫ হাজার মাস্ক ও তিন হাজার ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম (পিপিই) দিল দেশের শীর্ষ শিল্পগোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপ।

গতাকাল বুধবার সকাল ১১টার দিকে ঢাকা মহানগর আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর কার্যালয়ে বাহিনীর উপমহাপরিচালক (অপারেশন) মো. মাহবুবুল ইসলামের কাছে এসব মাস্ক ও পিপিই হস্তান্তর করেন বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সায়েম সোবহান আনভীর।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল কাজী শরীফ কায়কোবাদ, বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদক ও নিউজ টোয়েন্টিফোরের সিইও নঈম নিজাম, বাংলাদেশ আনসারের উপমহাপরিচালক (অপারেশন্স) মো. মাহবুব-উল-ইসলামসহ আনসার ব্যাটালিয়নের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর উপমহাপরিচালক (অপারেশন) মাহবুবুল ইসলাম বলেন, করোনাভাইরাস পরিস্থিতির শুরু থেকেই আমরা মহাপরিচালক স্যারের নির্দেশে সারা দেশে স্বাধীনভাবে কাজ করছি। প্রাথমিকভাবে যখন আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী বিমানবন্দরে ডিউটি শুরু করে তখন মহাপরিচালক স্যার নিজের উদ্যোগে পিপিই, মাস্ক ও অন্যান্য সামগ্রী বিতরণ করেছেন। এর পর সারা দেশে আমাদের বাহিনীকে নিরাপত্তা সামগ্রী দিয়ে বসুন্ধরা গ্রুপ যে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। শুধু এখনই না, দেশে যখন কোনো দুর্যোগ আসে তখনই বসুন্ধরা গ্রুপ অকাতরে সাহায্যের  হাত বাড়িয়ে দেয়। বসুন্ধরা গ্রুপের সুরক্ষা সামগ্রীতে আমরা উপকৃত হয়েছি। এসব সামগ্রী করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় আনসার সদস্যদের উৎসাহিত ও সহায়তা করবে।

বৈশ্বিক মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস মোকাবেলার লড়াইয়ে প্রথম থেকেই দেশ ও মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বসুন্ধরা গ্রুপ। এর অংশ হিসেবে করোনা রোগীদের চিকিৎসায় হাসপাতাল তৈরিতে স্থাপনা দিয়ে সরকারকে সহযোগিতা করেছে এই শিল্প গ্রুপ। এ ছাড়া করোনা মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রীর তহবিলে ১০ কোটি টাকার চেক হস্তান্তর করেন বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান।

অন্যদিকে, সামরিক চিকিৎসা সার্ভিস মহাপরিদপ্তরকে এক হাজার পিপিই ও ৫০ হাজার মাস্ক দেয় বসুন্ধরা গ্রুপ। ঢাকা মহানগর পুলিশের ট্রাফিক (উত্তর) বিভাগকেও ২৫ হাজার মাস্ক দেয় প্রতিষ্ঠানটি। নৌবাহিনীকে ৫০ হাজার মাস্ক, ৫০০ পিপিই ও দুই ট্রাক (৭০০ প্যাকেট) খাদ্যসামগ্রী দেয় তারা। এ ছাড়া র‌্যাবকে ৫০ হাজার মাস্ক ও চার ট্রাক খাদ্যসামগ্রী হস্তান্তর করা হয়। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশকে (ডিএমপি) ৫০ হাজার মাস্ক দেয় বসুন্ধরা গ্রুপ। এরপর বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবিকে ২৫ হাজার মাস্ক ও এক হাজার পিপিই দেয় বসুন্ধরা গ্রুপ।

উল্লেখ্য, বসুন্ধরা গ্রুপের পক্ষ থেকে রাজধানীর দুস্থ ও নিম্ন আয়ের কয়েক হাজার পরিবারকে খাদ্য সহায়তাও দেওয়া হয়েছে।

-কেকে

টাঙ্গাইলে গার্মেন্টকর্মী করোনা ...
বিশেষ প্রতিবেদক: আজ ১৪ মে বৃহস্পতিবার থেকে দ্বিতীয় দফায় টাঙ্গাইল জেলাকে লকডাউন ঘোষণা করে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক

জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শহিদুল ইসলাম সাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পবিত্র রমজান ও ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে সরকারীভাবে নির্ধারণকৃত শর্তসমূহ মেনে সীমিত পরিসরে দোকান ও শপিংমল খোলা রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছিল। কিন্তু সরেজমিন প্রদর্শন করে প্রতীয়মান হয় যে, ৯০% ক্রেতা-বিক্রেতা সরকার কর্তৃক বেধে দেয়া শর্তসমূহ মেনে চলার বিষয়ে অবহেলা প্রদর্শন করছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, টাঙ্গাইলবাসীর সার্বিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আজ ১৪ মে থেকে আবারও সকল দোকান-পাট ও শপিংমল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হল।

তবে প্রয়োজনীয় নিত্যপণ্যের দোকান, কাঁচাবাজার ও অসুধের দোকান এই নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে জানানো হয়।

প্রবচন/কেএইচ

করোনাভাইরাস: মহামারির 'গতি বাড়ছে ...
অনলাইন ডেস্ক: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম গেব্রেয়েসাস বলেছেন, কিছু দেশে লকডাউন জারি করায় সংক্রমণ কমেছে এবং অনেক জীবন রক্ষা পেয়েছে। তবে এই লকডাউনের কারণে আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। এ অবস্থায় জীবন-জীবিকা রক্ষায় ধীর-স্থিরভাবে লকডাউন তুলতে হবে। অর্থনীতি সচল করার পাশাপাশি নতুন করে ভাইরাসের সংক্রমণ হলে যেন তা নিয়ন্ত্রণ করা যায় সে পদক্ষেপ নিতে হবে। সম্প্রতি জেনেভা থেকে অনলাইন সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। আলজাজিরার এক খবরে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

মহাপরিচালক আধানম গেব্রেয়েসাস বলেন, কিছু দেশে লকডাউন প্রাথমিকভাবে সফল হয়েছে। কিন্তু লকডাউন তুলে নেওয়ার পর দক্ষিণ কোরিয়া, জার্মানি ও চীনে আবারও আক্রান্ত বেড়েছে। তাই পুনরায় সংক্রমণ ঠেকাতে লকডাউন শিথিলের আগে থেকেই চরম সতর্ক অবস্থান নেওয়ার কোনো বিকল্প নেই।

তার মতে, লকডাউনের বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া জটিল ও কঠিন চ্যালেঞ্জ। জার্মানি ও দক্ষিণ কোরিয়ার মতো চীনের উহানেও ফের গুচ্ছ সংক্রমণ দেখা গেছে। তবে পুনরায় সংক্রমণ ঠেকাতে পুরো প্রস্তুতি এই তিনটি দেশের আছে।

তিনি বলেন, যতক্ষণ না কোনো টিকা আবিষ্কার হচ্ছে ততক্ষণ সতর্কতামূলক নানা পদক্ষেপের মাধ্যমে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখার কোনো বিকল্প নেই।

তবে যেসব দেশ সতর্কতামূলক পদক্ষেপ না নিয়ে ‘হার্ড ইমিউনিটি’র পথে হাঁটছে তাদের সতর্ক করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক বলেন, সাম্প্রতিক সেরোলজিকাল গবেষণায় দেখা গেছে, খুব অল্প মানুষের শরীরেই নতুন করোনা ভাইরাস প্রতিরোধী অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে। ফলে বিশ্বের বেশির ভাগ মানুষ এ ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারেন।

এদিকে লকডাউন তুলে নেওয়ার আগে দেশগুলোকে তিনটি প্রশ্নের জবাব খুঁজতে বলেছেন তিনি। এগুলো হলো: সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে এসেছে কি? সংক্রমণ বাড়লে স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় বাড়তি চাপ নিতে তারা সক্ষম কি না? এবং জনস্বাস্থ্য নজরদারি ব্যবস্থা রোগী ও তার সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে ও সংক্রমণ বৃদ্ধি চিহ্নিত করতে সক্ষম কি না? মহাপরিচালক বলেন, এই তিন প্রশ্নের উত্তর ইতিবাচক হলেও লকডাউন প্রত্যাহারের বিষয়টি জটিল ও কঠিন।

একই সাংবাদিক সম্মেলনে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার জরুরি কর্মসূচির প্রধান ডা. মাইক রায়ান বলেন, অনেক দেশ লকডাউন তুলে নেওয়ায় আমরা কিছু আশা দেখতে পাচ্ছি। তবে এর সঙ্গে চরম সতর্কতাও মেনে চলতে হবে।

লাকসামে স্বাস্থ্যকর্মী সহ ৩ জনের ...
অনলাইন ডেস্ক: কুমিল্লার লাকসামে আরো ৪ জন করোনা জয়ী হয়েছেন। তারা হলেন- লাকসাম পৌর শহরের সাহাপাড়ার সেই নোয়াখালীর চৌমুহনী থেকে আসা দুই যুবকের পরিবারের সদস্য। গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় লাকসাম উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

লাকসাম উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এই পর্যন্ত ১৪ জনের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। তন্মধ্যে ৬ জনই সুস্থ হয়েছে।

লাকসাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সর চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. মো. আবদুল মতিন ভূঁইয়া জানান, লাকসামে এই পর্যন্ত মোট ২৬৩ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এতে ২৪৯ জনের রিপোর্ট পাওয়া গেছে এবং ১৪ জনের রিপোর্ট প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। প্রাপ্ত ২৪৯ জনের মধ্যে ১৪ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।

তিনি জানান, আক্রান্ত ১৪ জনের মধ্যে উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ চাঁদপুর (দোখাইয়া) গ্রামের প্রথম করোনা রোগী এবং পৌরসভার উত্তর লাকসাম বেলতলী এলাকার একটি মসজিদের অস্থায়ী মুয়াজ্জিন দ্বিতীয় করোনা আক্রান্ত রোগী এবং সাহাপাড়ার একই পরিবারের ৪ জনসহ মোট ৬ জন সুস্থ হয়েছেন।

লাকসাম উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ আবদুল আলী বলেন, করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে উপজেলা প্রশাসন এবং স্বাস্থ্য বিভাগ কঠোর পরিশ্রম করছেন। কিন্তু জনসাধারণ এখনো অনেকটা অসচেতন। তারা সামাজিক দূরত্ব মেনে চলছেন। এছাড়া হাট-বাজারে মানুষের অবাধে বিচরণ রয়েছে। যা করোনা সংক্রমণের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। তিনি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলে সবাইকে আবারও ঘরে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।

-কেকে

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget