Articles by "খেলা"

মাশরাফি কি যুবলীগের চেয়ারম্যান ...
ডেস্ক: করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বাংলাদেশের সফলতম ওয়ানডে অধিনায়ক ও নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মুর্তজা। দু’দিন ধরেই জ্বর মাশরাফির। সঙ্গে গা ব্যথা ও মাথা ব্যথাও আছে বেশ। শুক্রবার তার পরীক্ষা করান। ফলাফল পজিটিভ এসেছে আজ শনিবার।

জানা গেছে, মাশরাফির শ্বাশুড়ি ও স্ত্রীর বোন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন আগেই। ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন তারা। তবে তাদের সংস্পর্শে আসেননি মাশরাফি। আক্রান্ত হয়েছে অন্য কোনোভাবে। করোনাভাইরাসের প্রকোপ শুরুর পর এলাকার মানুষের সহায়তার জন্য দুই দফায় নড়াইল গিয়েছিলেন মাশরাফি। তবে সেটিও বেশ আগে।

তখন নড়াইল থেকে ঢাকায় ফিরে আলাদা একটি বাসায় কোয়ারেন্টাইনে ছিলেন দুই সপ্তাহ মাশরাফি। তারপর বাসায় ফিরে সাবধানেই ছিলেন। বাইরে খুব-একটা যাননি। তারপরও রক্ষা পেলেন না আক্রান্ত হওয়া থেকে। জ্বর ও গা ব্যথা ছাড়া আপাতত কোনো সমস্যা আপাতত তার নেই। আপাতত নিজের বাসাতেই আইসোলেশনে আছেন তিনি।

মুশফিককে সত্যিকারের নায়ক বললেন ...
ডেস্ক: পাঁচ দিনের নিলাম শেষ, মুশফিকুর রহিমের অপেক্ষাটা ছিল শুধু ফলের। সেই অপেক্ষা আজ শেষ হয়েছে। মুশফিকের ব্যাট কিনেছে শহীদ আফ্রিদি ফাউন্ডেশন। পাকিস্তানি অলরাউন্ডারের ফাউন্ডেশন মুশফিকের ব্যাট কিনেছে প্রায় ১৭ লাখ টাকায়।

করোনায় দুর্গত ব্যক্তিদের সহায়তা করতে ২০১৩ সালের মার্চে গলে দেশের প্রথম টেস্ট ডাবল সেঞ্চুরি করা ব্যাটটি নিলামে তুলেছিলেন বাংলাদেশের সবচেয়ে সফল উইকেটকিপার। ৯ মে শুরু হয়ে ১৪ মে রাত ১০টায় শেষ হয়েছে মুশফিকের ব্যাটের নিলাম। আজ ফেসবুক লাইভে এসে সেটির আনুষ্ঠানিক ফল জানিয়েছেন মুশফিক নিজেই। মুশফিকের ব্যাটের নিলাম তত্ত্বাবধান করেছে ই-কমার্সভিত্তিক প্রতিষ্ঠান 'পিকাবু'।

আফ্রিদি কেন কিনেছেন, সেটির ব্যাখ্যা দিয়েছেন মুশফিক, 'খবরটি দেখে আফ্রিদি ব্যক্তিগত আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। আমি লিঙ্ক দিই। ১৩ মে তারিখে প্রস্তাবপত্র পাঠান। তিনি ২০ হাজার ইউএস ডলারে ( ১৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা প্রায়) কিনে নেওয়ার প্রস্তাব দেন। পরে এ দামেই তিনি কিনে নিয়েছেন। এ ক্ষেত্রে তামিম ইকবালকেও ধন্যবাদ দিতে হবে। সে আমাকে অনেক সহায়তা করেছে।'

একই প্ল্যাটফর্মে নিলামে ওঠা যুব বিশ্বকাপজয়ী আকবর আলীর জার্সি-গ্লাভস ২ হাজার ডলারে (বাংলাদেশি টাকায় ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা) কিনেছেন জুয়েল নামের এক প্রবাসী । মোসাদ্দেক হোসেন, মোহাম্মদ নাঈমের ব্যাট আর মাশরাফি বিন মুর্তজার স্বাক্ষরিত টুপির দাম ঘোষণা করা হয়নি। এটা নিয়ে কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন পিকাবুর প্রধান নির্বাহী মরিন তালুকদার।

-পিএ

সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ...
ডেস্ক: ইংলিশ ক্লাব নিউক্যাসল ইউনাইটেড কিনতে একের পর এক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছেন প্রিন্স মুহাম্মদ বিন সালমান (এমবিএস)। বৃটিশ সংবাদমাধ্যম এমবিএসের নিউক্যাসল কেনার খবর প্রকাশ করার পর থেকেই মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল প্রতিবাদ করে আসছে। প্রতিবাদ করছে অন্যান্য মানবাধিকার সংগঠনগুলোও। সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে কাতারভিত্তিক টিভি নেটওয়ার্ক বিইন স্পোর্টস। কয়েক বছর ধরেই তাদের অভিযোগ, সৌদি কর্তৃপক্ষের সহায়তায় বিইন স্পোর্টসের লিংক পাইরেসি করে ব্যবসা করছে চ্যানেল নেটওয়ার্ক ‘বিআউটকিউ’ । সৌদির ক্রাউন প্রিন্স সালমানকে নিউক্যাসলের মালিকানায় তাই ঘোর আপত্তি বিইন স্পোর্টসের। ‘দ্য সান’ জানিয়েছে, পাইরেসির ব্যাপারে ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগ কর্তৃপক্ষের কাছে প্রমাণাদি সম্বলিত নথিপত্র পেশ করেছে বিইন স্পোর্টস। ফলে আইনী প্রক্রিয়ার কারণে সহসাই নিউক্যাসলের মালিক হতে পারছেন না এমবিএস।

গত মার্চে বৃটিশ সংবাদমাধ্যমগুলো জানায় ৩০০ মিলিয়ন পাউন্ডে নিউক্যাসল ইউনাইটেডের ৮০ শতাংশ মালিকানা কিনতে যা”েছ সৌদির একটি কনসোর্টিয়াম গ্রুপ। যার দেখভাল করেন প্রিন্স সালমান। তার এই প্রচেষ্টাকে ‘আইওয়াশ’ হিসেবে অভিহিত করে মানবাধিকার সংঘটনগুলো। তাদের দাবি, যাবতীয় কুকর্ম ঢাকতে খেলাধুলাকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করার চেষ্টা করছেন ক্রাউন প্রিন্স সালমান।

বিইন স্পোর্টসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইউসুফ আল ওবাইদলি প্রিমিয়ার লীগের প্রধান নির্বাহী রিচার্ড মাস্টার্স এবং প্রতিটি ক্লাবের হেডের কাছে গত মাসের শেষদিকে চিঠি পাঠান। যেকোনো মূল্যে সৌদি মালিকানা বন্ধের অনুরোধ জানান তিনি। তার আশঙ্কা সৌদি আরবের প্রত্যক্ষ মালিকানা বিইন স্পোর্টসের সম্প্রচার সত্ত্বের জন্য হুমকি বাড়াবে। এতে আর্থিকভাবেও ক্ষতিগ্রস্ত হবে প্রতিষ্ঠানটি।

২০১৮ সালে ৪০০ মিলিয়ন পাউন্ডে তিন বছরের জন্য ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগের সম্প্রচার সত্ত্ব কেনে কাতারের বিইন স্পোর্টস। বিশ্বের ১৬টি দেশের ফুটবল প্রেমীরা তাদের চ্যানেলের মাধ্যমে উপভোগ করছেন প্রিমিয়ার লীগের ম্যাচ। কিন্তু ২০১৭ সালে সৌদি-কাতার রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব প্রকট আকার ধারণ করলে সৌদিতে বিইন স্পোর্টসের সম্প্রচার বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে সৌদিতে প্রিমিয়ার লীগের ম্যাচগুলো সম্প্রচার করে ‘বিআউটকিউ’ চ্যানেল নেটওয়ার্ক। তারা ‘আরবসাত’ নামে যে স্যাটেলাইট ব্যবহার করে সেটির বিরুদ্ধে অবৈধভাবে বিইন স্পোর্টসের স্ট্রিমিং লিংক ব্যবহার করার অভিযোগ রয়েছে। আরো আগেই ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগ কর্তৃপক্ষের কাছে সৌদি আরবের এই পাইরেট স্ট্রিমিংয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আবেদন জানিয়েছিল বিইন স্পোর্টস। কিন্তু পাইরেসি বন্ধের ব্যাপারে কোনো কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে পারেনি প্রিমিয়ার লীগ কর্তৃপক্ষ।

-এমজেড

কে এই 'ক্রিকেট পাগল' আকবর আলী
ডেস্ক: তাদের বৃহস্পতি ছিল তুঙ্গে, প্রজাপতির মত ডান মেলে ওড়ার কথা ছিল এখন। কিন্তু করোনা এসে সব লণ্ডভণ্ড করে দিয়েছে। খেলাধুলা একদমই বন্ধ। কেমন যাচ্ছে দিনকাল? কোয়ারেন্টাইনের সময় কাটছে কীভাবে, সে কথা জানিয়েছিলেন যুব বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক আকবর আলী।

এখনও তাই বলছেন, ‘বিকেএসপিতে ২০১২ সালে ভর্তির পর থেকে এত বড় ছুটি পাইনি আমরা। একমাসের ওপরে বাসায় থাকা হয়নি কখনও। সেদিক থেকে এ ছুটি অন্যরকম। রমজানের আগে মুভি দেখে সময় কাটানোর চেষ্টা করেছি। তবে রোজা শুরুর পর থেকে আর মুভি দেখা হয় না। ওসব বাদ দিয়ে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে কুরআন শরীফ তেলাওয়াতের চেষ্টা করি।’

যুব বিশ্বকাপের ফাইনালে ব্যবহৃত জার্সি ও ব্যাটিং গ্লাভস নিলামে তোলা উপলক্ষে করা ফেসবুক লাইভেও নিজের ব্যাটিংয়ের মতই পরিপাটি ও সাজানো গোছানো আকবর। নিজের স্মারক নিলামে তোলার ব্যাপারে তার ব্যাখ্যা, ‘বিশ্বকাপের সবগুলো স্মারকই স্পেশাল। এগুলো দিয়ে যদি কারও সাহায্য হয়, তাহলে অন্যরকম সন্তুষ্টি। আমার এ ক্ষুদ্র প্রয়াসে যদি একটু হলেও কারও সাহায্য হয় সেটাও অনেক বড়।’

ফাইনালে ব্যাটিংয়ের সময় কি খুব নার্ভাস ছিলেন? ফেসবুক লাইভে এমন প্রশ্নের মুখোমুখি হয়ে আকবর আলী জানিয়ে দিলেন, ‘নাহ! নার্ভাস না ঠিক। ঐ সময়টা বাড়তি চাপ ছিল, ফাইনাল ম্যাচ। শুধু ফাইনাল না, ঐ কন্ডিশনে একটু তো চাপ থাকারই কথা। তবে আমরা নার্ভটা ঠিক রাখার চেষ্টা করেছিলাম। বল প্রচুর ছিল। রান কম দরকার ছিল। চেষ্টা করেছিলাম যাতে বেশি সময় উইকেটে থেকে বেশি বল খেলা যায়।’

যুব বিশ্বকাপে শিরোপা জেতানোর নায়ক ভাবা হচ্ছে তাকে। কিন্তু শুনে অবাক হবেন, আকবর মোটেও নিজের কৃতিত্বকে বড় করে দেখছেন না। তার বিশ্বাস, ওটা মহান সৃষ্টিকর্তার দয়া ও কৃপার ফল।

ফাইনালে দল জেতানো ব্যাটিং সম্পর্কে বলতে গিয়ে আকবর আলী বলেন, ‘আল্লাহর রহমত ছিল। আল্লাহর ইচ্ছেতেই হয়েছে। আমরা বিশ্বকাপের অগে দুই বছর অনেক প্র্যাকটিস করেছি। কষ্ট করেছি। আল্লাহ সেটারই ফল দিয়েছেন। আমি সৌভাগ্যবান যে ঐ সময়ে পারফরম করতে পেরেছি।’

শিরোপা জেতার পরের অনুভূতি সম্পর্কে আকবরের মন্তব্য, ‘ফাইনাল জেতার পরের দুই-তিন ঘন্টার অনুভুতি বলে বোঝাতে পারব না। তবে একটি কথা বলে রাখি, তা হলো আসলে আমি তো আর একা জিতিনি। খেলেছে আমাদের দল। পুরো দলের কষ্ট ও পরিশ্রমের ফসল ছিল ঐ বিশ্বকাপ জয়। এ কৃতিত্ব প্রতিটি ক্রিকেটারের । আমার একার না।’

দুস্থদের সাহায্যে মুশফিকের ব্যাট ...
ডেস্ক: বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের মধ্যে সবার আগে স্মারক নিলামে তোলার ঘোষণাটা মুশফিকুর রহিমই দিয়েছিলেন। ২০১৩ সালের মার্চে বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে টেস্টে ডাবল সেঞ্চুরি করেছিলেন যে ব্যাট দিয়ে সেটিই মুশফিক নিলামে তুলতে চান। অবশেষে তাঁর মূল্যবান স্মারকটা নিলামে উঠছে আজ। সেটিও আবার তাঁর জন্মদিনে। 

আজ রাত ১০টায় মুশফিকের ব্যাট নিলামে উঠছে 'স্পোর্টস ফর লাইফে'র ফেসবুক পেজে। নিলাম নিয়ে ভক্তদের প্রতি একটি অনুরোধ আছে মুশফিকের, 'নিলামে তুলতে একটু দেরি হয়েছে কারণ, নিজের মধ্যে দ্বিধাদন্ধ কাজ করছিল। সবার প্রতি আমার অনুরোধ, শুধু আমার ব্যাট হিসেবে না, সবাই যেন ভাবে এটা অনেক বড় ব্যাটসম্যানের ব্যাট; যাতে অনেক টাকা দিয়ে কিনতে পারে। টাকাটা করোনায় ক্ষতিগ্রস্থদের পেছনে ব্যয় হবে।' এর আগে ২০১৯ বিশ্বকাপে ব্যবহৃত সাকিবের ব্যাট নিলামে ২০ লাখ টাকায় বিক্রি হয়েছিল।

কাল নিলামে উঠছে দেশের ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা ফুটবলার মোনেম মুন্নার জার্সিও। ১৯৮৯ সালে ঢাকায় প্রেসিডেন্ট গোল্ডকাপে চ্যাম্পিয়ন হওয়া বাংলাদেশ লাল দলে মুন্নার '২' নম্বর জার্সিটা নিলামে তোলা হচ্ছে। 'অকশন ফোর অ্যাকশনের' ফেসবুক পেজে রাত সাড়ে দশটায় শুরু হবে মুন্নার নিলাম। জার্সির ভিত্তিমূল্য ২ লাখ টাকা।

কাল রাতে 'স্পোর্টস ফর লাইফ' নিলামে তুলছে যুব বিশ্বকাপজয়ী আকবর আলীর জার্সি ও গ্লাভস। এই নিলামে থাকছে মোহাম্মদ নাঈমের ভারতের বিপক্ষে ৮১ রান করা ব্যাট আর মোসাদ্দেক হোসেনের ২০১৯ সালে ডাবলিনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২৭ বলে অপরাজিত ৫২ রান করে ফাইনাল জেতানো ব্যাটও।
সব মিলিয়ে কাল রাতটা যেন নিলাম-রাত!

-পিএ

তিন নম্বরে ব্যাটিং ফিরে পেয়ে ...করোনা মোকাবিলায় তামিম-মুশফিকদের মতো তারকাদের ক্রীড়া সামগ্রী বিক্রি করে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান করেছিলেন সাকিব আল হাসান। সেই আহ্বান শুনে মুশফিকুর রহিম তার প্রথম ডাবল সেঞ্চুরির ব্যাট নিলামে তুলেছেন। সাকিবও জানিয়েছিলেন, তিনিও তার ব্যাট নিলামে তুলতে চান। মঙ্গলবার ফেসবুক লাইভে এসে ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে দুই সেঞ্চুরি ও পাঁচ ফিফটি পাওয়া ব্যাটটি নিলামে তোলার ঘোষণা দেন সাকিব।
বুধবার বসে ওই ব্যাটের নিলাম অনুষ্ঠান। বিশ্বকাপের আগে ও পরে খেলা ওই ব্যাটের ভিত্তি মূল্য রাখা হয়েছিল ৫ লাখ টাকা। নিলামে দর কষাকষি শেষে সাকিবের প্রিয় ব্যাটটি ২০ লাখ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এই অর্থের পুরোটাই সাকিব আল হাসান ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে করোনার প্রাদুর্ভাবে পড়া অসহায় মানুষের সহায়তায় খরচ করা হবে।
নিলামে সাকিবের ব্যাটটি কিনেছেন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী রাজ নামের এক বাংলাদেশি। বুধবার রাত ১১টা ১৫ মিনিটে এই নিলাম অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্বকাপে সাকিব এই ব্যাট দিয়ে আট ইনিংসে করেছিলেন ইংল্যান্ড বিশ্বকাপের তৃতীয় সর্বোচ্চ ৬০৬ রান। অনলাইন প্ল্যাটফর্মে নিলাম হয়েছে সাকিবের ব্যাটটি।
বুধবার রাতে নিলাম শেষ হওয়ার আগে সাকিব তার ওই ব্যাটের গল্পটাও শোনান সবাইকে, '২০১৯ আইপিএলে দুটি ব্যাট দিয়ে অনুশীলন করতাম। সাধারণত  প্র্যাকটিসের ব্যাটে আমরা ম্যাচে খেলি না। আইপিএলের পর যখন আয়ারল্যান্ডে গেলাম কাছে নতুন ম্যাচ ব্যাট ছিল, তারপরও এই ব্যাট ধরে মনে হলো, খুব ভালো অনুভব করছি। এজন্য ওই ব্যাট দিয়ে ম্যাচে খেললাম। ভালো করতে থাকার পর ওই ব্যাট দিয়েই খেলে গেলাম। বিশ্বকাপেও মনে হলো, এটি দিয়েই খেলি।'
তিনি জানান, বিশ্বকাপে ওই ব্যাটে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করেন তিনি। ১২০ রান করার পর অন্য ব্যাট নিয়ে শুরু করেন এবং এক রান যোগ করেই আউট হয়ে যান। এরপর ওই ব্যাটের প্রতি তার ভালোবাসা আরও বাড়ে। তার ভাষায় ব্যাট দিয়ে তিনি নিষেধাজ্ঞা পাওয়ার আগ পর্যন্ত খেলেছেন। সেই অর্থে এখনও ব্যাটটা নট আউট আছে।

ছবি: সংগৃহীত
করোনা ভাইরাসের কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দেশের সব খেলাধুলা আপাতত স্থগিত থাকবে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল এমপি।
গাজীপুর থেকে নির্বাচিত এ সংসদ সদস্য বলেছেন, সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ছে। এ সময়ে আমাদের সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। সচেতন থাকতে হবে। জনসমাগম এড়িয়ে চলতে দেশের জনগণকে সচেতন করতে হবে। যে কোনো পর্যায়ের খেলাধুলাতে জনসমাগম ঘটে। তাই পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত দেশের সব ধরনের খেলাধুলা বন্ধ থাকবে।
করোনা মোকাবেলায় ইতিমধ্যে দেশের সব স্টেডিয়াম, ইনডোর স্টেডিয়াম ও জিমনেসিয়ামে অস্থায়ী হাসপাতাল বা আইসোলেশন সেন্টার করতে স্বাস্থ্য বিভাগকে অনুমতি দেয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগকে চাইলে এগুলো ব্যবহার করতে পারে।
ঢাকাসহ বিভাগীয় এবং জেলা পর্যায়ে মোট ৮০টি স্টেডিয়াম, উপজেলা পর্যায়ে ১২৫টি মিনি স্টেডিয়াম রয়েছে। এ ছাড়া দেশে ২২টি জিমনেসিয়াম, ৭টি ইনডোর স্টেডিয়াম এবং ৫টি মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্স রয়েছে।

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget