Articles by "জাতীয়"



বিশেষ প্রতিনিধি, চট্টগ্রাম: গতকাল শনিবার চট্টগ্রাম’সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে উগ্র কর্মীদের হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ,চরমোনাই, আলেম-উলামা ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে উস্কানীমূলক সন্ত্রাসী শ্লোগানের কড়া সমালোচনা করে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন হেফাজত মহাসচিব, হাটহাজারী মাদরাসার শায়খুল হাদীস ও শিক্ষা পরিচালক আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী।

আজ (৮ নভেম্বর) রবিবার রাতে গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে আল্লামা বাবুনগরী বলেন,হেফাজতে ইসলাম দেশের সর্ববৃহৎ অরাজনৈতিক ঈমান-আকিদা ভিত্তিক সংগঠন। লক্ষ কোটি মুমিন মুসলমানের প্রাণের সংগঠন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। হেফাজতকে নিয়ে উস্কানিমূলক সন্ত্রাসী শ্লোগান দিয়ে চরম ধৃষ্টতা দেখিয়েছে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ। হেফাজতকে নিয়ে কোন রাম বামদের উস্কানি আর আস্ফালন সহ্য করা হবে না।

হেফাজত মহাসচিব আরো বলেন, ক'দিন আগে শাহবাগে বাম সংগঠনসমূহের অনুষ্ঠিত একটি সমাবেশ শেষে ‘প্রগতিশীল গণসংগঠনসমূহ’ ব্যানারে উদীচী, ছাত্র ইউনিয়ন, যুব ইউনিয়নসহ কিছু সংগঠনের নেতাকর্মীদের একটি মশাল মিছিল শহীদ মিনারে যাওয়ার পথে ‘হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ'-এর বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়ানোর উদ্দেশ্যে  বিদ্বেষ ও উস্কানীমূলক শ্লোগান দিয়েছিল। ওরা মূলত এসব উস্কানিমূলক শ্লোগানের মাধ্যমে দেশে বিরাজমান সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও শান্তি-শৃঙ্খলা বিনষ্ট করতে চায়। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে হুমকির মুখে ঠেলে দিতে চায়। ওরা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির মাধ্যমে দেশবিরোধী আধিপত্যবাদি শক্তির হাতে আগ্রাসনের অজুহাত তুলে দিতে চায়। দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় সরকারের কর্তব্য, এসব উগ্রপন্থী সংগঠনের বিরুদ্ধে যথাযথ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা। 

আল্লামা আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী বলেন, হেফাজতে ইসলাম বৃহত্তর অরাজনৈতিক ধর্মীয় সংগঠন। ইসলাম, মুসলমান, দেশ ও জাতীর কল্যাণে সংগঠনটি শান্তিপূর্ণভাবে কাজ করে যাচ্ছে। হেফাজতকে নিয়ে বাম রামদের আস্ফালনের আড়ালে ইসলাম ও দেশবিরোধী গভীর ষড়যন্ত্র নিহীত বলে মনে করি। কোন আধিপত্যবাদি শক্তির হয়ে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং ইসলাম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে কোন ধরনের ষড়যন্ত্র দেশবাসী সফল হতে দিবে না। অনতিবিলম্বে এদের আস্ফালন বন্ধ করা না হলে তৌহিদি জনতা ঈমান, ইসলাম ও দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা ও স্বাধীনতা রক্ষায় ষড়যন্ত্রকারীদেরকে সমূচি জবাব দিতে বাধ্য হবে। 

হেফাজত মহাসচিব আল্লামা বাবুনগরী  বলেন, পৃথিবীর বুকে ইসলাম একমাত্র শান্তির ধর্ম। হযরত মুহাম্মদ (সা.) বিশ্ববাসীর জন্য শান্তির বার্তাবাহক হিসেবে প্রেরিত হয়েছেন। হাদীস শরীফে রাসুল (সা.) সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার বিধান বর্ণনা করেছেন। সংখ্যালঘুদের জান, মাল ও ইজ্জত- আব্রু রক্ষার আদেশ দিয়েছেন। কেবলমাত্র শান্তিরধর্ম ইসলামই সংখ্যালঘুদের সার্বিক নিরাপত্তা এবং সুখ-সমৃদ্ধি নিশ্চিত করেছে। বাংলাদেশে সকল ধর্মের মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত রয়েছে। মুসলমানরা কখনো হিন্দু ও সংখ্যালঘুদের উপর হামলা করেনি। হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ, জাগো হিন্দু পরিষদ এসব উস্কানিমূলক শ্লোগান দিয়ে দেশে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টি করে আধিপত্যবাদি শক্তির ছত্রছায়ায় হিন্দুত্ববাদ প্রতিষ্ঠা করতে চায়।

হেফাজত মহাসচিব বলেন, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ বাংলাদেশের জন্য চরম হুমকি। এই সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক প্রিয়া সাহা বাংলাদেশ নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে ভুল তথ্য প্রকাশ এবং বানোয়াট ও ডাহা মিথ্যা অভিযোগ করে রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুন্ন করেছিল। বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নকারী এ উগ্র সংগঠন আবারো মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে চাচ্ছে। দেশে অরাজকতা সৃষ্টির পায়তারা করছে। সরকারকে এদের বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।


প্রবচন ডেস্ক: হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের ডাকে আবারো ঢাকায় লাখো জনতার গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। ফ্রান্সে রাসূল সা. এর ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শনের ঘটনায় পূর্ব ঘোষিত ফ্রান্স দূতাবাস ঘেরাও কর্মসূচিতে সোমবার (২ নভেম্বর) সকাল ৭টা থেকেই রাজধানীর বাইতুল মোকাররমে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা হেফাজত  কর্মীরা জড়ো হতে থাকেন। ১০ টা নাগাদ নেতৃবৃন্দ আসতে শুরু করেন মঞ্চে। দেখতে দেখতেই বাইতুল মোকাররম, পল্টন ও আশপাশের পুরো এলাকা লোকে লোকারণ হয়ে যায়। 

বেলা ১১ টায় হেফাজতের মঞ্চ থেকে জানানো হয়, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ঢাকাগামী হেফাজতকর্মীরা পুলিশকর্তৃক বাধার শিকার হন।

কিছুক্ষণের মধ্যেই মঞ্চে এসে উপস্থিত হন হেফাজত মহাসচিব আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী ও হেফাজত ঢাকা মহানগরের আমির আল্লামা নুর হোসাইন কাসেমী।

ঘেরাও কর্মসূচির পূর্বে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ফ্রান্সের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক সম্পূর্ণরূপে ছিন্ন করার দাবী জানিয়ে আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী বলেন, নবীর সঙ্গে ও কোরআনের সঙ্গে যারা বেয়াদবি করে তাদের মৃত্যুদণ্ডের জন্য আমাদের জাতীয় সংসদে আইন পাশ করতে হবে। এছাড়া সকল মুসলমানকে তিনি ফ্রান্সের পণ্য বর্জনের আহ্বানও জানান।

সভাপতির বক্তব্যে আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী বলেন, ফ্রান্স সরকার নবীর সঙ্গে বেয়াদবি করে বিশ্বের ২’শ কোটি মুসলমানের অন্তরে আঘাত করেছে। এর একমাত্র সমাধান বিশ্বের কাছে তাদের ক্ষমা চাইতে হবে। সরকারের প্রতি আহবান জানিয়ে আর।রামা কাসেমী বলেন, ফ্রান্সের পণ্য বরজন করুন। সব ধরনের কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করুন। দূতাবাস বন্ধ করুন। যদি সরকার আমাদের দাবি না মানে তাহলে আমরা আরো কঠিন আন্দোলনে যাবো ইনশাআল্লাহ।

আল্লামা মামুনুল হক উক্ত সমাবেশে বলেন, ফ্রান্সের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন না করলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। সেই সাথে মসজিদের শহর ঢাকার বিভিন্ন রাস্তার মোড়ে মূর্তি স্থাপনের বিরোধীতা করে তিনি বলেন, মসজিদের শহরে মোড়ে মোড়ে মূর্তি বসানো হেফাজত কখনো মেনে নেবে না।

বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেট থেকে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের পর হেফজতের মহাসচিব আল্লামা জুনাইদ বাবুনগরীর নেতৃত্বে একটি বিশাল মিছিল নিয়ে ফ্রান্স দূতাবাস ঘেরাওয়ের উদ্দেশ্যে গুলশানের দিকে রওনা হয় হেফাজত ইসলাম বাংলাদেশের হাজার হাজার নেতাকর্মী। মিছিলটি শান্তিনগর মোড়ে পৌঁছালে পূর্ব ঘোষিত ফ্রান্স দূতাবাস ঘেরাও কর্মসূচিতে পুলিশ বাধা প্রদান করে। তবে বাধা পেরিয়ে কিছুদূর অগ্রসরও হয় হেফাজত কর্মীরা এবং সেখানে বক্তব্য রাখেন হেফাজত নেতারা। এখানেই আল্লামা বাবুনগরী ও আল্লামা নুর হোসাইন কাসেমীর সংক্ষিপ্ত বক্তব্যের মাধ্যমে সমাপ্তি টানা হয় হেফাজতের ঘেরাও কর্মসূচির।

ঘেরাও কর্মসূচির পূর্বে বাইতুল মোকাররম উত্তর গেটের সংক্ষিপ্ত সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন আল্লামা মাহফুজুল হক, মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব, মাওলানা আব্দুর রব ইউসুফী, আহমদ আবদুল কাদের, মাওলানা কেফায়াতুল্লাহ আজহারী,  মাওলানা মামুনুল হক, মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী, মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী, মাওলানা জয়নাল আবেদীন, মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন রাজি, মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী, মাওলানা হাসান জামিলসহ হেফাজতের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।


প্রবচন ডেস্ক :  ফ্রান্সের সরকারী বহুতল ভবনে প্রজেক্টরের মাধ্যমে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শনের প্রতিবাদে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ ঢাকা মহানগরীর উদ্যোগে ফ্রান্স দুতাবাস ঘেরাও কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আজ ৩১ অক্টোবর জামিয়া রহমানিয়ায় মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব এর সভাপতিত্বে জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে আগামী ২ নভেম্বর সোমবার সকাল ১১ টায় ফ্রান্স দূতাবাস ঘেরাও কর্মসূচি  এবং ঘেরাও পূর্বক বায়তুল মোকাররম উত্তর গেটে সমাবেশ করার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের নানা দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

ফ্রান্স দূতাবাস ঘেরাও কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করবেন, আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন, হেফাজত মহাসচিব আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, মাওলানা খুরশিদ আলম কাসেমী, মাওলানা মাহফুজুল হক, মাওলানা ফজলুল করিম, মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, মুফতী মুনির হোসাইন কাসেমী, মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী, মুফতী কেফায়েতুল্লাহ আজহারী, মুফতী আজহার,  মাওলানা জালালুদ্দিন, মাওলানা ফয়সাল, মাওলানা শরীফুল্লাহ প্রমুখ।

বৈঠকে নেতৃবৃন্দ ফ্রান্স দূতাবাস ঘেরাও কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সর্বস্তরের তৌহিদী জনতাকে উপস্থিত থেকে ঈমানী দায়িত্ব পালন করার আহ্বান জানান। 


প্রবচন ডেস্ক: ফ্রান্সে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ সা. এর অবমাননাকর কার্টুন প্রদর্শনের প্রতিবাদে দেশের সর্ববৃহৎ অরাজনৈতিক ধর্মীয় সংগঠন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ চট্টগ্রাম মহানগর শাখা আজ (৩০ অক্টোবর) দুপুরে চট্টগ্রামে আন্দরকিল্লায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করে। 

বিক্ষোভ সমাবেশে সরকারিভাবে ফ্রান্সের সকল পণ্য আমদানী নিষিদ্ধ ও কুটনৈতিক সম্পর্ক বর্জন আহ্বান জানান হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব শায়খুল হাদিস আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী।

ফ্রান্স সরকার কর্তৃক মহানবী হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর অবমাননা সহ্য করার মতো নয় উল্লেখ করে হেফাজত মহাসচিব বলেন, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ হযরত রাসূলূল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কার্টুন প্রকাশ করে মুসলিম উম্মাহর হৃদয়ে চরম আঘাত হেনেছে। এ জন্য ফ্রান্সকে বিশ্ব মুসলিমের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে।


চট্টগ্রাম মহানগর হেফাজতের সভাপতি মাওলানা হাফেজ তাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন, মাওলানা সরোয়ার কামাল আজিজী, মাওলানা আলী ওসমান, মুফতী হারুন ইজহার, মাওলানা নাছির উদ্দিন মুনির, মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী, মাওলানা মীর ইদরিস, মাওলানা হাফেজ তৈয়ব, মাওলানা কারী ফজলুল করিম জিহাদী, মাওলানা জিয়াউল হোসাইন, মুফতী হাসান মুরাদাবাদী, মাওলানা জালালউদ্দিন,মাওলানা আনিসুর রহমান, মাওলানা আনোয়ার হোসেন রববানী, মাওলানা ইকবাল খলিল, মাওলানা সায়েম উল্লাহ, মাওলানা কামরুল ইসলাম কাসেমী প্রমূখ।


হেফাজতের আহবানে সাড়া দিয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম, সিলেট, খুলনা বিভাগসহ দেশের বিভিন্ন জেলা শহর ও গ্রামগঞ্জে শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ সমাবেশ কর্মসূচি সর্বাত্মক সফল করায় হেফাজত নেতৃবৃন্দ, দেশবাসী ও নবীপ্রেমিক তৌহিদি জনতাকে মোবারকবাদ জানিয়ে হেফাজত মহাসচিব আল্লামা বাবুনগরী বলেন, বাংলাদেশ সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম অধ্যুষিত দেশ। এ দেশের মানুষ ধর্মপ্রাণ, ইসলাম ও নবীপ্রেমিক আমি দেশবাসীর প্রতি আশাবাদী, ভবিষ্যতেও হেফাজতের যে কোন কর্মসূচি বাস্তবায়নে আপনারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করবেন।

আল্লামা বাবুনগরী আরো বলেন, হেফাজতের কর্মসূচিতে দেশের সর্বস্তরের জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণই এ কথা প্রমাণ করে যে, বিশ্বের যে কোন প্রান্তে আমাদের কলিজার টুকরা নবী হযরত মুহাম্মদ সা.কে নিয়ে কোন কুলাঙ্গার কটুক্তি করলে, অবমাননা করলে পৃথিবীর দেড়শ কোটি মুসলমান তা কখনো মেনে নেবে  না। প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠবে গোটা বিশ্ব।

বিশ্বনবীর ইজ্জত রক্ষায় হেফাজতে ইসলামের ঈমানী আন্দোলন ছিল, আছে, থাকবে উল্লেখ করে আল্লামা বাবুনগরী আরো বলেন, বিশ্বনবী সা.এর অবমাননাকারীদের বিরুদ্ধে হেফাজতে ইসলামের ঈমানী আন্দোলন চলবেই। রাসূল সা. এর অবমাননার প্রতিবাদে প্রয়োজনে আরো কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। 

আল্লামা বাবুনগরী বলেন, ইসলামের শি’আর তথা নিদর্শনকে অবমাননা, রাসুল সা.এর শানে কটুক্তি ও অবমাননাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে বিশ্বের সকল দেশের পার্লামেন্টে বিল পাশ করা উচিত।

অনতিবিলম্বে ফ্রান্স সরকার রাসূল সা. এর ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শন বন্ধ না করলে বিশ্বনবীর ইজ্জত রক্ষায় পৃথিবীর দেড়শ  কোটি নবীপ্রেমিক মুমিন মুসলমান ফ্রান্সের বিরোদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দূর্বার আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবে বলেও হুশিয়ারী উচ্চারণ করেন হেফাজত মহাসচিব আল্লামা বাবুনগরী।

বাইতুল মোকাররম উত্তর গেটে ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ



প্রবচন ডেস্ক: ধর্ষণ প্রতিরোধে ৬ দফা দাবি জানিয়েছেন বিভিন্ন ইসলামি দলের নেতারা। তাঁরা বলেছেন, কেবল কঠোর শাস্তির বিধান করলেই ধর্ষণ রোধ হবে না, ধর্ষণের উৎসমুখগুলোও বন্ধ করতে হবে। 

আজ শুক্রবার জুমার নামাজের পর সমমনা ছয়টি ইসলামি দল বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ থেকে মিছিল নিয়ে বিজয়নগরে বিক্ষোভ সমাবেশ করে। ‘সারা দেশে ধর্ষণ, যিনা ব্যভিচারের’ বিরুদ্ধে এই কর্মসূচি পালন করা হয়। 

সমাবেশে ধর্ষণ ও যিনা-ব্যভিচার প্রতিরোধে সমমনা ইসলামি দলগুলোর পক্ষ থেকে ৬ দফা দাবি তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে রয়েছে জেনা, ব্যভিচার ও ধর্ষণ প্রতিরোধে জনসমক্ষে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা। পর্নোগ্রাফির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা। মাদকদ্রব্যের অবাধ প্রাপ্তি ও ব্যবহার কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা। নারীদের অশ্লীলভাবে উপস্থাপনা ও পণ্য হিসেবে ব্যবহার বন্ধ করা। আইনের নিরপেক্ষ প্রয়োগ, বিচারকাজকে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক হস্তক্ষেপমুক্ত রাখা এবং নারীর মর্যাদা ও অধিকার সংরক্ষণে কোরআন-হাদিসের শিক্ষা জাতীয় শিক্ষা কারিকুলামে অন্তর্ভুক্ত করা।

এদিকে দেশব্যাপী ক্রমবর্ধমান যিনা-ব্যভিচার, গণধর্ষণ, নারী নির্যাতন, আইন-শৃঙ্খলার চরম অবনতি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য-মূল্যের ঊর্ধগতির প্রতিবাদে  রাজধানীর বাইতুল মোকাররমসহ সারাদেশে বিক্ষোভ ও গণমিছিল কর্মসূচি পালন করেছে চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। 

 

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget