Articles by "শোকবার্তা"


হেফাজত ইসলামের আমীর বাংলাদেশ কওমী শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান শাইখুল হাদিস আল্লামা শাহ আহমদ শফীর জানাজায় লাখো মানুষের ঢল নামে। আজ শনিবার জোহরের নামাজের পর বেলা দু’টায় আল-জামিয়াতুল আহালিয়া দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদ্রাসায় তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।


হেফাজত ইসলামের আমীর বাংলাদেশ কওমী শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান শাইখুল হাদিস আল্লামা শাহ আহমদ শফীর জানাজায় লাখো মানুষের ঢল নামে। আজ শনিবার জোহরের নামাজের পর বেলা দু’টায় আল-জামিয়াতুল আহালিয়া দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদ্রাসায় তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

মাদ্রাসার প্রান্তর ছাড়িয়ে জানাজার সারি দীর্ঘ হয় চট্টগ্রাম- হাটহাজারী খাগড়াছড়ি- রাঙ্গামাটি মহাসড়কের প্রায় চার কিলোমিটার উত্তর দক্ষিণে। এতে প্রায় আট লক্ষের অধিক মানুষ জানাজায় অংশগ্রহণ করেন। হাটহাজারী মাদ্রাসার ময়দান, ঈদগা ময়দান,বাজার সড়ক, বাস স্টেশন জিরো পয়েন্ট মোড়, কলেজ গেইট, ফায়ার সার্ভিস মোড়, সরকারি মেডিকেল গেটসহ খাগড়াছড়ি রাঙ্গামাটি মহাসড়কের ওপর, বিভিন্ন বিল্ডিং এর ছাদে দাঁড়িয়ে নামাজে জানাজায় মানুষ শরিক হন।

 

দেশ-বিদেশের ও জেলার শীর্ষ আলেমরা ছাড়াও মাদ্রাসার ছাত্র এবং সাধারণ মানুষ এতে যোগ দেন। জানাজায় ইমামতি করেন আল্লামা শাহ আহমদ শফীর বড় ছেলে মাওলানা ইউসুফ। অন্যদের মধ্যে যোগ দেন চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) আসনের এমপি সাবেক বন ও পরিবেশমন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এমপি।


জানাজাকে ঘিরে পুরো হাটহাজারীতে অতিরিক্ত পুলিশ, র্যা ব, বিজিবি মোতায়েন করা হয়। মাঠে ছিলেন সাতজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

শনিবার সকাল সাড়ে ছয়টা থেকে চট্টগ্রাম-হাটহাজারী রাঙ্গামাটি খাগড়াছড়ি মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।


জানাযার শেষে লাখো ভক্তবৃন্দ ও শিক্ষার্থীদের অশ্রুসিক্ত শ্রদ্ধায় হাটহাজারী মাদ্রাসার ভেতরে উত্তর পাশে বায়তুল আতিক জামে মসজিদ সংলগ্ন ‘মাকবারায়ে জামেয়া’ নামক কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন আল্লামা শাহ আহমদ শফী।


উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে বারোটার দিকে হাটহাজারী মাদ্রাসা থেকে ফায়ার সার্ভিসের অ্যাম্বুলেন্সে করে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তার অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় শুক্রবার বিকেল চারটার দিকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স হেলিকপ্টারযোগে ঢাকার আজগর আলী হসপিটালে নিয়ে গেলে সেখানে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের সময় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। দেশের শীর্ষ কওমী আলেম আল্লামা আহমদ শফীর শরীরে বাসা বেঁধেছিলো নানা রোগ। ১০৫ বছর বয়সী এ প্রবীণ আলেম ডায়াবেটিকস, উচ্চ রক্তচাপসহ বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন।


ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সাবেক ডিজি সামীম আফজাল আর নেই
ডেস্ক নিউজ: ইসলা‌মিক ফাউন্ডেশনের সাবেক ডিজি সামীম আফজাল আর নেই। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর গ্রিন রো‌ডের সেন্ট্রাল হাসপাতা‌লে তিনি মারা যান (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নাইলাইহি রাজিউন)।

তি‌নি দীর্ঘ‌দিন ক্যান্সা‌রে ভুগ‌ছি‌লেন। বৃহস্পতিবারই তা‌কে হাসপাতা‌লে নেয়া হ‌য়ে‌ছিল। ইসলা‌মিক ফাউ‌ন্ডেশ‌নের প্রকাশনা প‌রিচালক নূর মোহাম্মদ আলম বিষয়‌টি নি‌শ্চিত ক‌রে‌ছেন।

শুক্রবার বাদ ফজর জহুরী মহল্লা মসজিদে, সকাল ৯:০০টায় নারিন্দা শাহসাহেব বাড়ি মসজিদ প্রাঙ্গনে এবং বাদ জুম্মা গ্রামের বাড়িতে তার জানাযা হবে।

Mufti Naeem, Jamia Binoria: Profile, Wiki, Family and Death
অনলাইন ডেস্ক: পাকিস্তানের প্রসিদ্ধ আলেম, জামিয়া বিন্নুরিয়াহ করাচির মোহতামিম মুফতি মোহাম্মদ নাঈম হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

শনিবার রাত ৯টা ৩২ মিনিটে তিনি ইন্তেকাল করেন। তার ইন্তেকালের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার ছেলে মুফতি নোমান। তিনি জানান, হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ায় বাবাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। পথিমধ্যে তিনি ইন্তেকাল করেন।

ইমরান খানের বিশেষ সহকারী ডা. শাহবাজ গুল জানিয়েছেন, বিশিষ্ট আলেম মুফতি নাঈমের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী গভীর প্রকাশ করেছেন।

তিনি টুইটারে লিখেছেন, তিনি মরহুমের জান্নাতের উচ্চ মাকামের জন্য দোয়া করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

শোক প্রকাশ করে সিন্ধু গভর্নর ইমরান ইসমাইল বলেছেন, তিনি তার পুরো জীবন ইসলামের শিক্ষায় ব্যয় করেছেন।মুফতি নাঈম জামিয়া বিনুরকে একটি বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান বানিয়েছেন।

তার ইন্তেকালে সংসদীয় ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক আফতাব জাহাঙ্গীর ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম (জেবিআই)-এর নেতা আল্লামা রশিদ সমরভী, আসলাম ঘুরি শোক প্রকাশ করেছেন এবং তার জান্নাতের উচ্চ মাকামের জন্য দোয়া করেছেন। 

সূত্র: পাকিস্তান টুডে


ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মুহাম্মদ আব্দুল্লাহর ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব ও হাটহাজারী মাদরাসার সহযোগী পরিচালক আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী। 

আজ ১৪ ই জুন রবিবার সংবাদমাধ্যমে প্রেরিত এক শোকবার্তায় আল্লামা বাবুনগরী বলেন,ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ একজন উদার মনের মানুষ ছিলেন। মসজিদ- মাদরাসা ও  ওলামায়ে কেরামের সাথে ছিলো তাঁর সুসম্পর্ক। ওলামায়ে কেরামকে তিনি অনেক বেশি ইজ্জত সম্মান ও মুহাব্বত করতেন। ওলামায়ে কেরামের প্রতি তিনি ছিলেন যথেষ্ট আন্তরিক। 

তার জীবনী থেকে জানা যায়,গওহরডাঙ্গা মাদরাসায় পবিত্র কোরআন হেফজের মাধ্যমে তিনি তার শিক্ষাজীবন শুরু করেছিলেন। মুজাহিদে আযম খ্যাত আল্লামা শামছুল হক ফরিদপুরী রহমতুল্লাহি আলাইহির সাথে তিনি সুসম্পর্ক রাখতেন।

আল্লামা বাবুনগরী বলেন,ইসলাম,
মুসলমান,ওলামায়ে কেরাম ও মাদারিসে কওমীয়ার জন্য তিনি যেসব কল্যাণের কাজ করেছেন মহান প্রভুর দরবারে এর উত্তম বিনিময় পাবেন।

আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী মরহুমের শোক সন্তপ্ত পরিবারবর্গের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বলেন, মহান প্রভুর দরবারে আমি দুআ করি, আল্লাহ তাআলা তাঁর সকল দ্বীনি খেদমতকে কবুল করুন এবং ত্রুটি-বিচ্যুতি ক্ষমা করে জান্নাত দান করুন,আমিন।

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ আব্দুল্লাহ মারা গেছেন
প্রবচন ডেস্ক: ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শেখ মো. আব্দুল্লাহ মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শনিবার রাত ১১টা ৪৫ মিনিটে রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) তার ‍মৃত্যু হয়। প্রতিমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব শেখ নাজমুল হক সৈকত এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তার মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

এর আগে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় শনিবার রাত ১০টায় সিএমএইচ এর আইসিউতে ভর্তি করা হয় তাকে। পরে তার অবস্থার অবনতি ঘটে।

শেখ আব্দুল্লাহ ২০১৯ সালের ৭ জানুয়ারি ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব লাভ করেন।

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মো. আব্দুল্লাহ ১৯৪৫ সালের ৮ সেপ্টেম্বর গোপালগঞ্জের মধুমতী নদীর তীরবর্তী কেকানিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা শেখ মো. মতিউর রহমান এবং মাতা মোসাম্মৎ রাবেয়া খাতুন। চার ভাই ও তিন বোনের মধ্যে তিনি দ্বিতীয়।

শেখ মো. আব্দুল্লাহ স্থানীয় গওহরডাঙ্গা হাফেজিয়া মাদ্রাসা থেকে কোরআনে হেফজের মাধ্যমে শিক্ষা জীবন শুরু করেন। এরপর একই মাদ্রাসার কওমি ধারায় পড়াশোনা করেন। ১৯৬১ সালে মেট্রিক, ১৯৬৩ সালে উচ্চ মাধ্যমিক এবং ১৯৬৬ সালে বি কম (অনার্স) ডিগ্রি লাভ করেন। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৭২ সালে এম কম এবং ১৯৭৪ সালে অর্থনীতিতে এমএ ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৭৭ সালে ঢাকা সেন্ট্রাল ‘ল’ কলেজ থেকে এলএলবি ডিগ্রিও নেন শেখ আব্দুল্লাহ।

শিক্ষা জীবন শেষে সুলতানশাহী কেকানিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। পরে আইনজীবী হিসেবে গোপালগঞ্জ জজ কোর্ট ও ঢাকা জজ কোর্টে প্র্যাকটিস করেন।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ ধারণ করে ছাত্রজীবনেই রাজনীতির সাথে যুক্ত হন আব্দুল্লাহ। যুব লীগের প্রতিষ্ঠাতা শেখ ফজলুল হক মনির নেতৃত্বে তিনি আওয়ামী যুব লীগে যোগ দেন। গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী যুব লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতিরও দায়িত্বে ছিলেন তিনি। এরপর কেন্দ্রীয় আওয়ামী যুবলীগের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৭১ সালে মুজিব বাহিনীর সাথে সম্পৃক্ত হয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন। দেশ স্বাধীনের পর ১৯৭৩ সালে অনুষ্ঠিত বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। তবে রাজনীতিতে ঝুঁকে পড়েন শেখ আব্দুল্লাহ। দীর্ঘদিন গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। সবশেষ আওয়ামী লীগের বিগত কেন্দ্রীয় কমিটিতে ধর্ম বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মো. আব্দুল্লাহ।

ছেলে তানভীর জানালেন: মারা গেছেন নাসিম
প্রবচন ডেস্ক: সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ নাসিম আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। আজ শনিবার বেলা ১১টা ১০ মিনিটে তাঁর মৃত্যুর কথা ঘোষণা করা হয়। টানা দুই সপ্তাহ হাসপাতালে জীবন-মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে চলে গেলেন তিনি। রাজধানীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি।

হাসপাতালের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আল ইমরান চৌধুরী সাংবাদিকদের এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, বেলা ১১টা ১০ মিনিটে নাসিমের মৃত্যুর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

মোহাম্মদ নাসিমের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রক্তচাপজনিত সমস্যা নিয়ে ১ জুন হাসপাতালে ভর্তি হন মোহাম্মদ নাসিম। ওই দিনই তাঁর করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এরপর ৪ জুন তাঁর অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলেও ৫ জুন ভোরে তিনি স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের কারণে দ্রুত অস্ত্রোপচার করে তাঁকে আইসিইউতে রাখা হয়। এরপর দুই দফায় ৭২ ঘণ্টায় করে পর্যবেক্ষণে রাখে মেডিকেল বোর্ড। এর মধ্যেই পরপর তিনবার নমুনা পরীক্ষা করে করোনাভাইরাস পাওয়া যায়নি তাঁর শরীরে।

কয়েক দিন স্থিতিশীল থাকলেও গত বৃহস্পতিবার রক্তচাপ অস্বাভাবিক ওঠানামা করতে থাকে নাসিমের। এরপর গতকাল শুক্রবার পরিস্থিতি আরও জটিল হতে থাকে। হৃদ্‌যন্ত্রে জটিলতা দেখা দেয়।

মোহাম্মদ নাসিমের বয়স হয়েছিল ৭২ বছর। তিনি স্ত্রী ও তিন সন্তান রেখে গেছেন।

১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর কারাগারের অভ্যন্তরে নিহত জাতীয় চার নেতার একজন এম মনসুর আলীর ছেলে মোহাম্মদ নাসিম। তিনি সংসদে পঞ্চমবারের মতো সিরাজগঞ্জের কাজীপুরের মানুষের প্রতিনিধিত্ব করছিলেন।

মোহাম্মদ নাসিম বর্তমান সরকারের খাদ্য মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি। তিনি আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য। এ ছাড়া আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের মুখপাত্রও তিনি।

২০১৪ সালের নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান মোহাম্মদ নাসিম। এর আগে ১৯৯৬-২০০১ সালের আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তিনি একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন।


প্রবচন ডেস্ক: চট্টগ্রামের নাজিরহাট বড় মাদরাসার মুহতামিম ও শায়খুল হাদিস আল্লামা শাহ মুহাম্মদ ইদ্রিস ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। দীর্ঘ দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে তিনি নাজিরহাট বড় মাদরাসার মুহতামিমের দায়িত্ব পালন করেন।

বুধবার দিবাগত রাত ১২টা ৩০ মিনিটে চট্টগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন।

আজ বৃহস্পতিবার ফজরের নামাজের পর জামিয়া নাজিরহাট বড় মাদরাসার মাঠে আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর ইমামতিতে মরহুমের জানাজার নামাজ সম্পন্ন হয়। জানাজা শেষে মাদরাসা সংলগ্ন কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে।


আল জামিয়াতুল আরাবিয়াতুল ইসলামিয়া জিরি মাদরাসার মহাপরিচালক, পীরে কামেল আল্লামা শাহ মুহাম্মদ তৈয়্যবের ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব ও হাটহাজারী মাদরাসার সহযোগী পরিচালক আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী।

আজ ২৫ মে সোমবার সংবাদ মাধ্যমে প্রেরিত এক শোকবার্তায় আল্লামা বাবুনগরী বলেন, আল্লামা শাহ মুহাম্মদ তৈয়্যব রহ. বাংলাদেশের একজন প্রথিতযশা শীর্ষ আলেম ও বুজুর্গ ব্যক্তি ছিলেন। তিনি আত্মশুদ্ধির লাইনে ছিলেন একজন হক্কানী পীর। চট্টগ্রামবাসীর জন্য তিনি ছিলেন রত্নতুল্য ৷ তার ইন্তেকালে বাংলার ইলমাকাশের একটি উজ্জ্বল নক্ষত্র ঝরে পড়েছে ৷

চট্টগ্রামবাসী হারিয়েছে একজন নিবেদিতপ্রাণ আলেমে দ্বীনকে ৷ তাঁর ইন্তেকালে ইলমী অঙ্গনে যে শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে তা কভু পূরণ হবার নয়। ইতিহাস তার অমর কীর্তি চিরকাল স্মরণ রাখবে। আমি তার ইন্তেকালে গভীরভাবে শোকাহত।

তিনি ছাত্রদের আমাল আখলাকের প্রতি ছিলেন অত্যন্ত গুরুত্ববান।আমালের ব্যপারে কারো সামান্য গাফলতি দেখলে তিনি সাথে সাথে তা সংশোধনী দিতেন। সুন্নতের নববীর উপর তিনি ছিলেন অটল-অবিচল। খানকায় থেকে আত্মশুদ্ধির লাইনে যারা মেহনত করতেন তিনি সব সময় তাদের তদারকি করতেন। হাদিয়া দিতেন।

আল্লামা বাবুনগরী বলেন, দীর্ঘ ৩৬ বছর অত্যন্ত দক্ষতা ও বিচক্ষণতার সাথে তিনি জামিয়া জিরির মহাপরিচালকের গুরু দায়িত্ব আঞ্জাম দিয়েছেন। দীর্ঘদিন হাদীসের সর্বোচ্চ কিতাব বুখারী শরীফের পাঠদান করেছেন। সাবলীল উপস্থাপনা, মধুময় বাক্যশৈলী ও সর্ববোধগম্য দরস প্রদানে তিনি ছিলেন একজন আদর্শ উস্তাদ।

দরস-তাদরীস ও আত্মশুদ্ধির লাইনে মেহনতের পাশাপাশি মুসলিম উম্মাহর ঈমান আকিদা রক্ষায় ওয়াজ-নসিহতের ময়দানেও অসাধারণ খেদমত করে গেছেন তিনি। ওয়াজের ময়দানে তিনি ছিলেন একজন জনপ্রিয় ও নন্দিত ওয়ায়েজ।

স্মৃতিচারণ করে আল্লামা বাবুনগরী বলেন, আল্লামা তৈয়ব রহ. আমাকে অনেক বেশি মুহাব্বত করতে। আমার বয়ানের ভূয়সী প্রশংসা করতেন তিনি। একবার জিরি মাদরাসার মাহফিলে আমাকে দুই বয়ান করতে দিয়েছিলেন। আমার জামাতা ও জিরি মাদরাসার মুহাদ্দিস মুফতী মুহাম্মদ এরশাদুল্লাহ থেকে সবসময় আমার খোঁজ খবর নিতেন। সদা আমাকে সাহস যোগাতেন এবং উৎসাহ দিয়ে বলতেন যোগ্য ব্যক্তির কোন সমস্যা নেই। যোগ্য ব্যক্তি শত বাঁধা ডিঙিয়ে প্রত্যেক কাজেই সফল হয়। সফলতা সব সময় যোগ্য ব্যক্তির পদ চুম্বন করে।

স্মৃতিচারণ করে আল্লামা বাবুনগরী আরো বলেন, আল্লামা শাহ তৈয়্যব রহ আমাদের বংশের প্রশংসায় ছিলেন পঞ্চমুখ। তিনি সব সময় আমার বড় আব্বা আল্লামা সূফী আজিজুর রহমান রহ., আমার নানা আরেফ বিল্লাহ আল্লামা শাহ হারুন বাবুনগরী রহ. এবং আব্বাজান মেশকাত শরীফের বিশ্ববিখ্যাত ব্যাখ্যাগ্রন্থ তানজিমুল আশতাতের রচয়িতা দারুল উলুম হাটহাজারীর প্রখ্যাত মুহাদ্দিস দরস জগতের সম্রাট আল্লামা আবুল হাসান রহ. এর প্রশংসা করতেন। তিনি বলতেন এমন উচ্চ মর্যাদা সম্পন্ন বংশ পাওয়া বড় দুস্কর।এমন উচ্চ বংশের প্রতি আসক্ত হয়েই আমি আত্মীয়তা সম্পর্ক করেছি।

আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী মরহুমের শোক সন্তপ্ত পরিবারবর্গের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বলেন, মহান প্রভুর দরবারে আমি দুআ করি, আল্লাহ তাআলা তাঁর সকল দ্বীনি খেদমতকে কবুল করুন এবং ত্রুটি-বিচ্যুতি ক্ষমা করে জান্নাতের সর্বোচ্চ স্থান দান করুন, আমিন।

উল্লেখ্য, আল্লামা তৈয়ব রহ. ২৪ মে রোববার দিবাগত রাত সিজদারত অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেলে ইন্তেকাল করেন। আজ ২৫ মে সোমবার জিরি মাদরাসার মাঠে হাটহাজারী মাদরাসার সহযোগী পরিচালক আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীর ইমামতিতে নামাযে জানাযা সম্পন্ন হয়।


ভারত উপমহাদেশের অন্যতম ও প্রাচীন দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দারুল উলুম দেওবন্দ মাদরাসার শাইখুল হাদীস আল্লামা মুফতি সাঈদ আহমদ পালনপুরীর ইন্তিকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন,হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ হাটহাজারী উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও 
বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন হাটহাজারী উপজেলা শাখার সভাপতি মাওলানা জাকারিয়া নোমান ফয়জী৷

মাওলানা জাকারিয়া নোমান ফয়জী বলেন:ভারত উপমহাদেশের বিখ্যাত আলেমে দ্বীন 
আল্লামা মুফতি সাঈদ আহমদ পালনপুরী রহ. মঙ্গলবার (১২ মে ) অসুস্থ হয়ে তিনি আইসিইউতে ছিলেন। আজ ১৯ মে মোতাবেক ২৫ রমযান মঙ্গলবার সকালে চাশতের সময় তিনি ইন্তিকাল করেন।

তিনি আরো বলেন, ইলমী অঙ্গনে কঠিন বিষয়কে সহজভাবে উপস্থাপনার জন্য তার বিশেষ প্রসিদ্ধি রয়েছে। তার সামান্য আলোচনায়ও ইলমী বিভা ঝরতে থাকে। তিনি তার শুরু জীবনে ‘ইফাদাতে নানুতবী’ কিতাব রচনার মধ্য দিয়ে আত্মপ্রকাশ করলেও শেষে এসে হিকমাহ তথা দর্শন শাস্ত্রে শাহ ওয়ালী উল্লাহ রহ. এর কালজয়ী কিতাব ‘হুজ্জাতুল্লাহিল বালিগাহ’ এর ব্যাখ্যাগ্রন্থ ‘রহমাতুল্লাহিল ওয়াসিআহ’ আরও অনেক কিতাব লেখেছেন। আমি হযরতের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রেসালা হুরমতে মোছাহেরাত বাংলা অনুবাদ কর‍তে গিয়ে দেখেছি হযর‍তের অসম্ভব ইলমি গভীরতা, এছাড়া পৃথিবীব্যাপী ছড়িয়ে রয়েছে তাঁর অসংখ্য ছাত্র ও শুভাকাংক্ষী।

তিনি আরো বলেন,আল্লামা মুফতি সাঈদ আহমদ পালনপুরী রহ. ইন্তেকালে দেশবাসী একজন নিবেদিতপ্রাণ দ্বীনের খাদেমকে হারাল৷ইতিহাস তাঁর অমর কীর্তি চিরকাল স্মরণ রাখবে।তাঁর ইন্তেকালে আমি গভীরভাবে শোকাহত।

এসময় তিনি আল্লামা মুফতি সাঈদ আহমদ পালনপুরী রহ. আত্মার মাগফিরাত কামনা ও শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান৷


দারুল উলুম দেওবন্দের শায়খুল হাদীস আল্লামা মুফতী সাঈদ আহমদ পালনপুরীর ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব ও হাটহাজারী মাদরাসার সহযোগী পরিচালক আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী।

আজ ১৯ মে মঙ্গলবার সংবাদমাধ্যমে প্রেরিত এক শোকবার্তায় আল্লামা বাবুনগরী বলেন,আল্লামা পালনপুরী রহ. অনেক উঁচু মাপের একজন আলেম ও বুজুর্গ ব্যক্তি ছিলেন। তিনি ছিলেন ইলমী অঙ্গনের একটি উজ্জল নক্ষত্র,প্রখ্যাত হাদীস বিশারদ। তার দারস-পাঠদান ছিলো অত্যন্ত জনপ্রিয় ও চিত্তাকর্ষক এবং তথ্যপূর্ণ। ইলমী অঙ্গনে কঠিন বিষয়কে সহজভাবে উপস্থাপনার জন্য তার বিশেষ প্রসিদ্ধি রয়েছে। মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত তিনি দেওবন্দের শাইখুল হাদিস পদে সমাসীন ছিলেন। তার ইন্তেকালে  ইলমাকাশের একটি উজ্জ্বল নক্ষত্র ঝরে পড়েছে। তাঁর ইন্তেকালে ইলমী অঙ্গনে যে শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে তা কভু পূরণ হবার নয়। লেখালেখীর ময়দানেও অসাধারণ খেদমত করে গেছেন তিনি। বিভিন্ন বিষয়ে  ছোট বড় প্রায় পঞ্চাশের কাছাক কিতাব রচনা করেছেন তিনি। আমি তাঁর মৃত্যুতে গভীরভাবে শোকাহত।

স্মৃতিচারণ করে আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী বলেন, ১৯৮০ সালে দারুল উলুম দেওবন্দের সদ সালা (শতবার্ষিকী) অনুষ্ঠানে আমার আব্বাজান মেশকাত শরীফের বিশ্ববিখ্যাত ব্যখ্যা গ্রন্থ তানজিমুল আশতাতের রচয়িতা আল্লামা আবুল হাসান রহ. এর সাথে আমিও শরীক হয়েছিলাম। সে সময় তিনি আমার আব্বাজান রহ. এর রচিত তানজিমুল আশতাত কিতাবের খুব বেশী প্রশংসা করেছিলেন। কিতাবটিকে তিনি অনেক পছন্দ করেছিলেন। তাঁর বাসায় আব্বাজান ও আমাকে নিমন্ত্রণ করে অনেক আপ্যায়ন করেছিলেন। তাঁর আতিথেয়তায় আমরা সেদিন মুগ্ধ হয়েছিলাম।

অতপত: আমার স্বরচিত কিতাব ইসলাম আওর সাইন্স এবং আত-তাওহিদ ওয়াশ শিরক ওআকসামুহুমা কিতাব দুটি তার নিকট পাঠিয়েছিলাম। কিতাব দু'টি পাঠ করে তিনি অত্যন্ত মুগ্ধ হয়ে বলেছিলেন-
আমি মনে করতাম জুনায়েদ বাবুনগরী সাহেবের উর্দূ ভাষায় দক্ষতা আছে কিন্তু এখন আরবী ভাষায় লিখিত" আত তাওহিদ ওয়াশ শিরক কিতাবটি পড়ে বুঝতে পারলাম আরবী ভাষায়ও অসাধারণ দক্ষতা ও পাণ্ডিত্য রয়েছে। এবং ইসলাম আওয়ার সাইন্স কিতাবে তিনি অত্যন্ত মূল্যবান তাকরিয
(অভিমতও) লিখেছিলেন। যা প্রকাশ হয়েছে।

স্মৃতিচারণ করে আল্লামা বাবুনগরী আরো বলেন-গত ৪ ঠা আগস্ট ২০১৯ ইংরেজীর রবিবারে আমার মুহতারামাহ আম্মাজান ইন্তেকাল করলে তিনি এ সংবাদ পেয়ে ছাত্রদেরকে নিয়ে একনিষ্ঠভাবে আম্মাজানের জন্য মাগফিরাত ও দারাজাত বুলন্দির জন্য দুআ করেছিলেন।

পরিষেশে আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী মরহুমের শোক সন্তপ্ত পরিবারবর্গের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বলেন, মহান প্রভুর দরবারে আমি দুআ করি, আল্লাহ তাআলা তাঁর সকল দ্বীনি খেদমতকে কবুল করুন এবং ত্রুটি-বিচ্যুতি ক্ষমা করে জান্নাতের সর্বোচ্চ স্থান দান করুন,আমিন।


বিশ্ববিখ্যাত ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দারুল উলূম দেওবন্দ, ভারতের স্বনামধন্য শাইখুল হাদীস আল্লামা মুফতী সাঈদ আহমদ পালনপুরী রহ. এর ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন, দারুল উলূম হাটহাজারীর মুহাদ্দিস, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা আশরাফ আলী নিজামপুরী। 

আজ মঙ্গলবার (১৯ মে) এক শোকবার্তায় তি‌নি ব‌লেন, মুসলিম জাহানের খ্যাতিমান আলেমে দ্বীন দারুল উলুম দেওবন্দের শাইখুল হাদীস এবং দারুল উলূম দেওবন্দের আমার সবচেয়ে প্রিয় ও কাছের উস্তাদ শাইখুল হাদীস আল্লামা মুফতী  সাঈদ আহমদ পালনপুরী রহ. আজ সকাল ৭টার দিকে মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতালে তিনি ‌ইন্তেকাল করেন! ইন্না-লিল্লাহ...! আল্লামা মুফতী  সাঈদ আহমদ পালনপুরী ও আল্লামা উমর পালনপুরী রহ. এর নাম সেই ছোটকাল থেকে শুনে আসছি। আলহামদুলিল্লাহ!  আমার উভয় হযরতের সান্নিধ্য অর্জনের সৌভাগ্য হয়েছে।

 মাওলানা নিজামপুরী আরো বলেন, বিশ্বের শীর্ষ আলেমদের এভা‌বে চ‌লে যাওয়া খুবই বেদনাদায়ক। ধা‌পে ধা‌পে ইলম ও আমলদার আলেম‌দের উ‌ঠি‌য়ে নেয়ার মাধ্য‌মে মূলত ইলম উ‌ঠিয়ে নেয়া হ‌চ্ছে। হাদীস জগতের উজ্জ্বল নক্ষত্র আমার উস্তাদে মুহতারামের ইন্তেকালে আমি গভীরভাবে শোকাহত। 

মাওলানা আশরাফ আলী নিজামপুরী আরো বলেন, আল্লামা মুফতী সাঈদ আহমদ পালনপুরী রহ. ছিলেন আমার সবচেয়ে শফিক উস্তাদ। দেওবন্দে হযরতের কাছে তিরমিজী ও তহাবী শরীফ পড়ার সৌভাগ্য হয়েছে। তিনি আমাকে খুব স্নেহ করতেন। হযরতের বাড়িতেও আমি যাওয়া আসা-করতাম। আজ হযরত ইন্তেকাল করেছেন। আমি তাঁর রুহের  মাগফিরাত কামনা করছি এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবার, আত্মীয়-স্বজন, ছাত্র, মুরীদ ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। অাল্লাহ তায়ালা তাঁ‌কে জান্না‌তের স‌র্বোচ্চ স্থান দান করুন। তাঁর খেদমাত‌কে সদকা‌ হি‌সে‌বে জা‌রি রাখুন, অামীন! 

উ‌ল্লেখ্য, বিশ্ব বরেণ্য শাইখুল হাদীস মুফতী  আল্লামা সাঈদ আহমদ পালনপুরী রহ.  ভারতের উত্তর গুজরাটে বেনাস কাঁথা জেলায় ১৩৬২ হি. মোতাবেক ১৯৪২ ইংরেজিতে জন্মগ্রহণ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর।


হেফাজত আমীর ও দারুল উলুম হাটহাজারীর মহাপরিচালক ও শাইখুল হাদীস আল্লামা শাহ আহমদ শফী হাফিযাহুল্লাহ সাংবাদ মাধ্যমে প্রেরিত এক শোকবার্তায় উপমহাদেশের অন্যতম ও প্রাচীন দ্বীনি এদারাহ ভারতের দারুল উলুম দেওবন্দের শাইখুল হাদীস আল্লামা মুফতি সাঈদ আহমদ পালনপুরীর ইন্তিকালে গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং মরহুমের শোকাহত পরিবার-পরিজন, শাগরেদ-ভক্তদের প্রতি সমবেদনা জানান। তিনি সকলকে সবরে জমিল দান করার জন্য পরম করুনাময় আল্লাহর দরবারে দোআ করেন।
হেফাজত আমীর আল্লামা মুফতি সাঈদ আহমদ পালনপুরী রহ. প্রসঙ্গে বলেন ইলমী অঙ্গনে কঠিন বিষয়কে সহজভাবে উপস্থাপনার জন্য তার বিশেষ প্রসিদ্ধি রয়েছে। তার সামান্য আলোচনায়ও ইলমী বিভা ঝরতে থাকে। তিনি তার শুরু জীবনে ‘ইফাদাতে নানুতবী’ কিতাব রচনার মধ্য দিয়ে আত্মপ্রকাশ করলেও শেষে এসে হিকমাহ তথা দর্শন শাস্ত্রে শাহ ওয়ালী উল্লাহ রহ. এর কালজয়ী কিতাব ‘হুজ্জাতুল্লাহিল বালিগাহ’ এর ব্যাখ্যাগ্রন্থ ‘রহমাতুল্লাহিল ওয়াসিআহ’ লিখে দুনিয়ার আহলে ইলমদের দৃষ্টি কাড়েন। এজন্য দারুল উলুম দেওবন্দের মজলিসে শুরা তাকে রেজুলেশনের মাধ্যমে বিশেষ সম্মানে ভুষিত করেন। এমন শত গুনের অধিকারী দেওবন্দের শাইখুল হাদীস মুফতী সাইদ আহমদ পালনপুরী।

আল্লামা শাহ আহমদ শফী হাফিযাহুল্লাহ স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বলেন- ২০১৭ সালে আমি যখন চিকিত্‌সার জন্য ভারত গমন করি তখন দারুল উলুম দেওবন্দ কর্তৃপক্ষ ও তাঁর আমন্ত্রণে দারুল উলুম দেওবন্দ গমন করলে তিনি সরাসরি প্রধান তোরণে উপস্থিত হয়ে আমাকে অভ্যার্থনা জানান এবং আতিথিয়তা করেন। তখন দারুল উলুমের শিক্ষক ও ছাত্ররা জানান তিনি কখনো কাউকে এভাবে গিয়ে অভ্যার্থনা জানাননি যা আপনার জন্য করেছেন। সেদিন আমি তাঁর আন্তরিক আতিথিয়তায় মুগ্ধ হয়েছি।

আল্লামা পালনপুরীর মৃত্যুতে মুসলিম উম্মাহ একজন কিংবদন্তী আলেম দ্বীন, দাঈ ও বহু প্রতিবার অধিকারী আলেমকে হারিয়েছেন। তাঁর মৃত্যুতে উম্মাহর যে ক্ষতি হল তা পূরণ হবার নয়। মহান রাব্বুল আলামীন আল্লামা পালনপুরী জান্নাতে উচঁ মকাম দান করুন। আমীন

প্রসঙ্গত- কয়েকদিন যাবত শরীরের অবনতি হতে থাকে। আর আজ চাশতের সময় ইলমি জগতের এ মুকুটহীন সম্রাট লক্ষ লক্ষ ভক্তকুলকে শোক সাগরে ভাসিয়ে চলে যান না ফেরার পথে। 
মুফতি সাঈদ আহমদ পালানপুরী ১৩৬২ হিজরী মোতাবেক ১৯৪২ সালে জন্মগ্রহণ করেন।


 ইসলামী ঐক্যজোট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নায়েবে আমীর মাওলানা আব্দুল লতিফ নেজামীর ইন্তেকালে গভীর শোক ও সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন দারুল উলূম হাটহাজারীর মহাপরিচালক, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ এর আমীর আল্লামা আহমদ শফী।

আজ ১২ মে মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক শোকবার্তায় তিনি বলেন, মাওলানা আব্দুল লতিফ নেজামী ছিলেন দেশের ইসলামী রাজনীতির অন্যতম শীর্ষ ব্যক্তিত্ব। আশির্ধ্ব এ ইসলামী রাজনীতিবিদ জীবনের উল্লেখযোগ্য সময় দেশের রাজনীতির পটপরিবর্তন ও ধর্মীয় অনুশাসন কায়েমের চেষ্টা করে গেছেন।আমৃত্যু তিনি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

আমীরে হেফাজত আরো বলেন, হেফাজতে ইসলামের অধিকাংশ বৈঠক ও আন্দোলনে উনি শামিল থাকতেন। সাদামাঠা জীবন-যাপন করতেন। এ রাজনীতিবিদ ছিলেন অন্যান্য রাজনীতিবিদ থেকে আলাদা গুণের অধিকারী। এই আলেম রাজনীতিবিদের মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার, আত্মীয়,স্বজন, তাঁর কর্মি ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমাবেদনা জানাচ্ছি।

প্রসঙ্গত,  গতকাল সোমবার রাত সাড়ে আটটার দিকে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি ইন্তেকাল করেন।

হাবীব আনওয়ার: বর্ষীয়ান রাজনীতিক, বুদ্ধিজীবী, স্কলার, দৈনিক সরকার সম্পাদক, নেজামে ইসলাম পার্টির সভাপতি,
ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যানআল্লামা আব্দুল লতিফ নেজামীর ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন জাতীয় লেখক পরিষদ।

গণমাধ্যমে পাঠানো এক শোকবার্তায় তারা বলেন, আল্লামা আব্দুল লতিফ নেজামী একজন সজ্জন রাজনীতিবিদ ছিলেন। সাদামাটা জীবনের অধিকারী তবে সববিষয়ে প্রাজ্ঞ ছিলেন। যে কোন বিষয়ে দূরদর্শী চিন্তার পরিচয় দিতেন। অনেকের থেকে ব্যতিক্রম আল্লামা

নেজামী জীবনভর রাজনীতি করেছেন। আজম্ম আগাগোড়া ছিলেন একজন সফল রাজনীতিক। জাতীয় লেখক পরিষদ প্রতিষ্ঠালগ্নে তিনি আমাদের ছায়া ছিলেন। পরিষদ গঠন ও গঠন পরবর্তী সময়ে সার্বিক সহযোগিতা করেছেন।  স্বাধীনতা পরবর্তী এবং পূর্ববর্তী বহু রাজনীতির স্বাক্ষী ছিলেন। আন্দোলন-সংগ্রামে ছিলেন অকুতোভয়। ঠান্ডা মাথায় কথা বলতেন তবে প্রত্যেকটি কথা ছিলো তীরের মতো। তার ইন্তেকালে রাজনীতির ময়দানে যে শূন্যতা সৃষ্টি হলো তা কখনো পূরণ হবার নয়।
আল্লাহ তাকে জান্নাতুল ফিরদাউস নসিব করুন। আমরা তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget