Articles by "সাম্প্রতিক"

 

প্রবচন ডেস্ক: নারায়ণগঞ্জের পশ্চিম তল্লার বায়তুস সালাত জামে মসজিদে ভয়াবহ গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় এখন পর্যন্ত ৯ জন গ্রেফতার হয়েছেন। তাদের মধ্যে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির চার প্রকৌশলীসহ আটজন রয়েছেন। গ্রেফতার ৯ জনকেই রিমান্ডে নিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা সিআইডি। এই ঘটনার সাথে কারোর সম্পৃক্ততা পেলে তাদেরও গ্রেফতার করা হবে বলে জানিয়েছে সিআইডি।


এদিকে বিস্ফোরণের ঘটনায় প্রশাসন, তিতাস, ফায়ার সার্ভিসের পৃথক তদন্ত প্রতিবেদনে মসজিদ কমিটির গাফিলতির বিষয়টি উঠে এসেছে। এমন অবস্থায় গ্রেফতার আতঙ্কে আছেন মসজিদ পরিচালনা কমিটির লোকজন। যদিও বিস্ফোরণে মারা গেছেন মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক হান্নান সাউদ ও কোষাধ্যক্ষ জেলা প্রশাসনের কর্মচারী শামীম হাসান। গত ৪ সেপ্টেম্বর রাতে বায়তুস সালাত জামে মসজিদে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৩৩ জনের প্রাণহানি ঘটে।


এ ঘটনায় পৃথক তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে তিতাস গ্যাস কোম্পানি, জেলা প্রশাসন ও ফায়ার সার্ভিস। বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে উৎসারিত আগুন এবং তিতাসের গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে মসজিদের অভ্যন্তরে জমা হওয়া গ্যাস থেকে বিস্ফোরণটি হয়েছে। ঘটনার পর টানা তিনদিন মসজিদের পাশে খোঁড়াখুড়ির পর তিতাসের গ্যাস লাইনের পাইপে ছয়টি লিকেজ পাওয়া যায়। তদন্ত কমিটিগুলোর প্রতিবেদনে তিতাস ছাড়াও ডিপিডিসি ও মসজিদ কমিটির অবহেলার বিষয়টিও উঠে এসেছে।


অপরদিকে এই দুর্ঘটনার পর বিভিন্ন মিডিয়াতে গ্যাস লিকেজ মেরামতের জন্য তিতাস গ্যাসের লোকজন ৫০ হাজার টাকা চেয়েছে বলে মসজিদ কমিটির সভাপতি একটি অভিযোগ এনেছিলেন। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য তিতাস গ্যাস নারায়ণগঞ্জ অফিসের গত ছয় মাসের অভিযোগ রেজিস্টার পরীক্ষা করে কোনও কিছু পাওয়া যায়নি। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তাদের কাছে তিতাসের কোন লোক টাকা চেয়েছে, তার নাম, পদবি, ফোন নম্বর ইত্যাদি চাওয়া হয়। তবে তারা এ বিষয়ে কোনও তথ্য দিতে পারেননি। স্থানীয় কমিশনার, মসজিদের মুসল্লিসহ স্থানীয় বাসিন্দাদের সাক্ষাৎকারে এই অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। কিন্তু মসজিদ কমিটির সভাপতির এ ধরনের মিথ্যা বক্তব্যে তিতাস গ্যাসের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে বলে তিতাস তার প্রতিবেদনে উল্লেখ করে।


বিস্ফোরণের ঘটনার পরদিন ৫ সেপ্টেম্বর দুপুরে ফতুল্লা মডেল থানায় পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করে। মামলায় অজ্ঞাত আসামি করা হলেও বিদ্যুৎ, গ্যাস কর্মকর্তাসহ মসজিদ কমিটির বিরুদ্ধে অবহেলা গাফিলতির অভিযোগ করা হয়েছে। ৭ সেপ্টেম্বর মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব সিআইডির কাছে হস্তান্তর করা হয়। গত শনিবার ভোরে তিতাসের সাময়িক বরখাস্ত ৮ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে গ্রেফতার করে তদন্তকারী সংস্থা সিআইডি। তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুই দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চালায় সিআইডি।


গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন-তিতাস গ্যাস কোম্পানির নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা জোনের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, উপ-ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদুর রহমান রাব্বী, সহকারী প্রকৌশলী এসএম হাসান শাহরিয়ার, সহকারী প্রকৌশলী মানিক মিয়া, সিনিয়র সুপারভাইজার মনিবুর রহমান চৌধুরী, সিনিয়র উন্নয়নকারী আইউব আলী, সাহায্যকারী হানিফ মিয়া, ওয়েল্ডার ইসমাইল প্রধান।


গত ৪ সেপ্টেম্বর রাতে বিস্ফোরণের ঘটনার পর ৭ সেপ্টেম্বর দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে তাদের সাময়িক বরখাস্ত করে তিতাস। গত শনিবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জে সিআইডির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে সিআইডির ডিআইজি মাইনুল হাসান বলেন, ‘তিতাস, বিদ্যুৎ বিভাগ, স্থানীয় মসজিদ কমিটির অবহেলা আছে কিনা সেই বিষয়গুলো আমরা তদন্ত করে দেখছি। আমরা বিভিন্ন বিষয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছি, স্থানীয় লোকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছি। এছাড়া অন্যান্য সাক্ষ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করেছি। সেসবের ভিত্তিতে তিতাসের স্থানীয় যে কর্মকর্তা-কর্মচারী ছিলেন তাদের মধ্যে ৮ জনকে আমরা গ্রেফতার করেছি। এই তদন্ত কাজ চলাকালে আরও যে ব্যক্তিবর্গের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া যাবে তাদেরকেও আইনের আওতায় আনা হবে।’


এদিকে গত শনিবার রাতেই গ্রেফতার করা হয় মোবারেক হোসেন নামে পশ্চিম তল্লা এলাকার স্থানীয় বিদ্যুৎ মিস্ত্রিকে।


এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক বাবুল হোসেন বলেন, ‘পশ্চিম তল্লার ওই মসজিদে দু’টি বিদ্যুৎ সংযোগ ছিল। যার মধ্যে একটি বৈধ এবং অপরটি অবৈধ। অভিযোগ রয়েছে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগটি স্থানীয় বিদ্যুৎ মিস্ত্রি মোবারক হোসেনের মাধ্যমে নেওয়া হয়েছে। এতে ডিপিডিসির সম্পৃক্ততা আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তাকে দুই দিনের রিমান্ডে নিয়েছি। বাকিটা জিজ্ঞাসাবাদের পর জানা যাবে।’


এদিকে গ্রেফতার হতে পারেন বায়তুস সালাত জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির লোকজনও। বিদ্যুৎ মিস্ত্রি মোবারক হোসেনের পর গ্রেফতারের আশঙ্কা করছেন তারা।


বর্তমানে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন ফতুল্লা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য আব্দুল গফুর। তিনি বলেন, ‘শনিবার সকালে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে নিয়ে যাওয়া হয় বিদ্যুতের মিস্ত্রিকে। পরে গ্রেফতার করছে শুনলাম। আমরাও গ্রেফতারের আশঙ্কা করছি। আমরা তো ডিপিডিসিকে জানিয়েই গত রোজায় বিদ্যুতের লাইনটি নিয়েছিলাম। সব মসজিদই এই কাজটি করে।’

ডেস্ক: হেফাজতের ত্যাগী নেতৃবৃন্দ,  আল্লামা শফী ও তাঁর ছেলের বিরুদ্ধে একটি সিন্ডিকেট অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে বলে অভিযোগ করেন আল্লামা শফী। গত সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।

আল্লামা শফী বলেন, ‘হযরত রাসুলে কারিম স. শান-মান, সাহাবায়ে কিরামের আজমতসহ ইসলামের ইজ্জত-সম্মান ও প্রাধান্য সুরক্ষায় হেফাজতে ইসলামের আত্মপ্রকাশ। জাতির এক ক্রান্তিলগ্নে দেশের নাস্তিক্যবাদী অপশক্তি যখন প্রকাশ্যভাবে আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (স) এবং ইসলামের বিভিন্ন মৌলিক বিষয়াবলীর সুস্পষ্ট বিদ্রোহ ঘোষণা করে, অপমানকর বক্তব্য প্রদান করে, তখনই হেফাজতে ইসলাম এসবের বিরুদ্ধে গর্জে উঠে।’

তিনি বলেন, ‘দেশের কোটি কোটি মানুষের ঈমান-আকিদা ও ইসলামী মূল্যবোধ সুরক্ষায় রাজপথে বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দেয় এই সংগঠনের কর্মীরা। আবারও যদি কেউ আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (স), সাহাবায়ে কিরাম তথা ইসলামের বিরুদ্ধে কোন কথা বলে হেফাজতে ইসলাম পুনরায় গর্জে উঠবে।’

আল্লামা শাহ আহমদ শফী বলেন, ‘নাস্তিক্যবাদী অপশক্তি প্রকাশ্যভাবে হেফাজতে ইসলামের মোকাবিলা করতে পারবেনা। ইসলাম বিরোধী ওই অপশক্তি প্রকাশ্য মোকাবিলায় ব্যর্থ হয়ে ইদানিং পেছনের দরজায় হামলা করছে বলে মনে হয়। হেফাজতের ভেতরে ঘাপটি মেরে বসে থাকা একটি সিন্ডিকেট জ্ঞাতে-অজ্ঞাতে আজ নাস্তিক্যবাদীর খেলনায় পরিণত হয়েছে। তারা ভেতরে থেকে হেফাজতে ইসলাম, হেফাজতের ত্যাগী নেতাদের, আমার ও আমার ছেলের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘ভেতর থেকে এসব অপপ্রচার করে তারা হেফাজতে ইসলামকে দুর্বল করতে চায়, সংগঠনটির ইমেজ নষ্ট করতে চায় এবং জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা চালাতে চায়।’

বিবৃতিতে আল্লামা শফী বলেন, ‘কোন সিন্ডিকেট, অপশক্তির ষড়যন্ত্র এ দেশের ঈমান রক্ষার আন্দোলন হেফাজতে ইসলামকে ধ্বংস করতে পারবে না ইনশাআল্লাহ। বরং তারাই ধ্বংস হয়ে যাবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘হেফাজতের বিরুদ্ধে কোন দুষ্টচক্রের ষড়যন্ত্র বরদাশত করা হবে না।’

তিনি ষড়যন্ত্রকারী দুষ্টচক্র কর্তৃক হেফাজতে ইসলামের ভেতরকার কল্পিত বিরোধের অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য সকলকে আহবান জানান। পাশাপাশি ইসলামের শত্রুদের ব্যাপারে সতর্ক ও সজাগ দৃষ্টি রাখারও আহবান জানিয়েছেন বিবৃতি।

প্রবচন ডেস্ক: রাজধানীতে ৫ থেকে ৭ হাজার টাকায় মিলছে করোনার নেগেটিভ কিংবা পজিটিভের জাল সনদ। রাজধানীর মুগদা এলাকা থেকে এমনি এক প্রতারক চক্রের ৪ সদস্যকে আটক করেছে পুলিশের এলিট ফোর্স র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।

সোমবার (১৫ মে) সকালে উত্তর মুগদা এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করে র‍্যাব-৩ এর একটি দল। এসময় বিপুল পরিমাণ ভুয়া সনদ ও সনদ তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।

করোনায় মহামারিতে যখন অসহায় নগরবাসী, তখন ফায়দা লুটতে ব্যস্ত কিছু মানুষ। মুগদা এলাকায় ছোট্ট একটি স্টুডিও। যেখানে চলে ফটোকপির কাজও। এরই আড়ালে চলছে, করোনা পরীক্ষার জাল সনদ বেচাকেনার রমরমা ব্যবসা।

মাত্র পাঁচ থেকে সাত হাজার টাকায়, নেগেটিভ কিংবা পজিটিভ ফলের সনদ দিচ্ছিলেন দোকানের ৪ কর্মী। খবর পেয়ে আজ সোমবার অভিযান চালায় র‍্যাব। গ্রেপ্তার করে তাদের।

বিষয়টি নিশ্চিত করে র‍্যাব-৩ এর অতিরিক্ত এসপি ফাইজুল ইসলাম বলেন, চক্রটি মুগদা হাসপাতাল থেকে দেয়া করোনা রোগীর করোনা পজিটিভ রিপোর্টের কপি সংগ্রহ করে তা স্ক্যান করে সেখানে নাম বসিয়ে বিক্রি করছে। যাদের নেগেটিভ রিপোর্ট দরকার তাদের কাছে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে ভুয়া করোনার সনদ তৈরি করে বিক্রি করে আসছিল।

আটকদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। বিকেলে এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানানো হবে বলে র‍্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

এর আগে গত ৪ জুন করোনা নেগেটিভের জাল সনদ বিক্রির দায়ে সাভার থেকে দুই যুবককে গ্রেফতার করা হয়।

এদের মধ্যে সাঈদ মিয়া নামে এক যুবক সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ সায়েমুল হুদার স্বাক্ষর ও সিল জাল করে করোনা পরীক্ষার ভুয়া প্রত্যয়নপত্র বিক্রি করছিলেন।

এ ঘটনায় সাঈদ মিয়া ও তার সহযোগীকে পুলিশে সোপর্দ করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এর আগে মালয়েশিয়ায় করোনার নেগেটিভ রিপোর্টের জাল সনদ বিক্রির ঘটনায় দুই দফায় মোট ৫ বাংলাদেশিকে গ্রেফতার করেছে দেশটির পুলিশ।


মাওলানা ইন'আমুল হাসান ফারুকী: ২০১৮ সালের রমজানে আল্লামা বাবুনগরী হুজুর ঢাকায় যান হাটহাজারী  মাদরাসার চাঁদা কালেকশন করতে। প্রায় ১০ দিন হুজুর ঢাকাতেই ছিলেন এবং মাদরাসার জন্য কালেশন করেছেন।

মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী সাহেব আমাদেরকে জানালেন, পুরানা পল্টনের সুবহান ম্যানশনে এস.এম.এম নামে একটি নতুন কুরিয়ার সার্ভিস হয়েছে। সে কুরিয়ার সার্ভিসের মালিকদের একজন মাওলানা হানিফ সাহেব। যার বাড়ি হাটহাজারীতে। তিনি কুরিয়ার সার্ভিস কোম্পানীর পক্ষ থেকে হাটহাজারী মাদরাসার জন্য কিছু অনুদান দেবেন। তাই মাওলানা হানিফ সাহেব বাবুনগরী হুজুরকে সেখানে ইফতারের দাওয়াত দেন।

২০১৮ সালের ১৯ রমজান। ওইদিন এসএমএম অফিসে যাওয়ার জন্য সময় ঠিক করা হলো। অন্যান্য কালেকশন শেষ করে আসরের পরে হুজুরকে নিয়ে কুরিয়ার সার্ভিসটির অফিসে যাই। তারা হুজুরকে দেখে অত্যন্ত আনন্দিত হলেন। কোম্পানির সকল শেয়ার হোল্ডার সেখানে ইফতারের জন্য উপস্থিত হন এবং সবাই তাদের রিলেটিভদের আমন্ত্রণ জানান। 

সেদিন ইসলামাবাদী সাহেবের আরেকটি প্রোগ্রাম ছিলো ছাত্রসমাজের ইফতার মাহফিলে। তিনি বক্তব্য দিয়ে হুজুরের সাথে ইফতার করার জন্য চলে আসেন।

ইফতারের ঠিক আগ মুহূর্তে একজন ব্যক্তি আসলো। আমি তাঁকে চিনতাম না। উপস্থিত অফিসের একজন ডাইরেক্টর আওয়ামী লীগ নেতা জানালেন তিনি সাঈদী সাহেবের ছেলে শামীম সাঈদী।শামীম সাঈদী জুনায়েদ বাবুনগরী সাহেব হুজুরকে নিজের পরিচয় দেন, বাবুনগরী সাহেব হুজুর তাকে চিনতেন না। তিনি  হুজুরের পায়ের কাছে বসেন। 

মাগরীবের নামাজের পর শামীম সাঈদী জুনায়েদ বাবুনগরী হুজুরের সাথে কথা বলতে চান। তিনি বাবুনগরী হুজুরের পাশে বসা অবস্থায় ওনার এক সহকারী আমাদের সকলের অজান্তে ছবি তুলে ফেলেন। তখন বাবুনগরী হুজুর বিষয়টা জানতে পেরে তার ওপর প্রচণ্ড রাগ হন এবং ছবিটি ডিলেট করতে বলেন।

তিনি বললেন, ছবিটা শুধু স্মৃতি হয়ে থাকবে, অন্য কিছু না। তখন উপস্থিত আজীজুল হক ইসলামাদী সাহেব এবং আমি (ইনআমুল হাসান) তাকে ছবিটি ডিলেট করার জন্য বললে তিনি বললেন ‘আচ্ছা ডিলেট করে দিচ্ছি’। কিন্তু তা ডিলিট করেননি, বরং মিথ্যা কথা বলেছে। এটাই ছিলো ছবির মূল কাহিনী।

ইফতার মাহফিলে শামীম সাঈদীর উপস্থিতিতে বাবুনগরী হুজুর বিব্রতবোধ করছিলেন। মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদীও শামীম সাঈদী উপস্থিত হওয়ায় বিরক্তি প্রকাশ করেন। কয়েক মিনিটের মধ্যে মাদরাসার জন্য অনুদানের চেকটি গ্রহণ করে আমরা চলে আসি। এটা আদৌ কোন জামাত শিবিরের মিটিং ছিলো না।

এটা ছিলো এস.এম.এম. কুরিয়ার সার্ভিস কোম্পানির ইফতার মাহফিল। এখানে সব রাজনৈতিক ঘরানার লোক উপস্থিত ছিলেন। আওয়ামী লীগের অনেক রাজনৈতিক নেতাও এখানে ছিলেন।

দুঃখজনক বিষয় হল, রমজানের কিছুদিন পরই শামীম সাঈদী বাবুনগরী হুজুরের সাথে সেদিন ইফতারের সময়ে তোলা ছবিটা ফেসবুকে ছেড়ে দেন। এই কারণে পরের বছর হুজুর আর সেখানে অনুদানের জন্য যাননি। 

এখন প্রশ্ন হলো, ২০১৮ সালের এই ছবিকে পুঁজি করে এখন কেন নানা মিথ্যা কল্পকাহিনী সাজানো হচ্ছে? কেন সরকার বিরোধী প্রমাণ করার জন্য মিডিয়ায়  মিথ্যা নিউজ করানো হচ্ছে এবং বাবুনগরী হুজুরকে জামাতি বানানোর মিথ্যা পরিকল্পনা করা হচ্ছে। ইফতার মাহফিলে বসার কারণে যদি হুজুর জামাতী হন তাহলে সেখানে অনেক অনেক বড় আওয়ামী লীগের নেতারাও ছিলো তাহলে তো হুজুরকে আওয়ামীলীগও বলা যাবে? 

আসলে এগুলো চক্রান্তমূলক ভাবে করা হচ্ছে। হুজুরকে আমরা চিনি, উনি সারাজীবন জামাতের বিরুদ্ধে ছিলেন, আছেন এবং থাকবেন। বাবুনগরী হুজুর মৌদুদী সাহেবের ভ্রান্ত মতবাদের বিরুদ্ধে এখনো সবসময় ছাত্রদের সামনে ক্লাসে আলোচনা করেন। এখনো বাবুনগরী হুজুর তাঁর বয়ান বক্তৃতায় ও লিখনীতে জামাতের ভ্রান্ত মতাদর্শ সম্পর্কে জাতিকে সচেতন করে আসছেন। গত ১ জানুয়ারী ২০২০ সনে দারুল উলুম হাটহাজারী মাদরাসার বার্ষিক মাহফিলে হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতির বিশাল সমাবেশে মৌদুদী ভ্রান্ত মতাদর্শ সম্পর্কে চুলচেড়া বিশ্লেষণ করেছেন। 

কিন্তু বিষয় হলো যখন ২০১৮ সালে শামীম সাঈদী ফেসবুকে ছবিটি পোস্ট করেছিলো, এতদিন কেন কোন প্রশ্ন করা হলো না? কেন কোন তাহকিক না করে ৩ বছর পর এই ছবি সামনে আনা হলো একটি বিশেষ মুহূর্তে? আসলে গোপন বৈঠক বলে সেই পুরান ছবি ফেসবুকে প্রচার করে আলেম ও মানুষদেরকে বিভ্রান্ত করার একটি পরিকল্পনার বাস্তবায়ন চলছে।

কিন্তু এখন একটি কুচক্রী মহল হুজুরকে সমালোচিত করার জন্য এই ছবিটি দিয়ে জল ঘোলাটে করার জন্য বিভিন্ন পায়তারা করে যাচ্ছে। অথচ বিষয়টি সম্পুর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বানোওয়াট ও অবাস্তব ।

আরেকটি আজীব ব্যাপার, মাসুদ সাঈদীর সাথে বৈঠকের যে কথাটি কুচক্রী মহল প্রচার করেছে তারা সম্পুর্ণ মিথ্যাবাদি। কারণ মাসুদ সাঈদী নামক কাউকে বাবুনগরী হুজুর চিনেনও না, কখনো নামও শুনেননি, দেখাও হয়নি।  কথাবার্তা বৈঠক এটা কল্পনাপ্রসূত এবং দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর মুক্তির ব্যাপারে কোন দাবী বাবুনগরী হুজুর কখনো করেননি ও করবেনও না। 

আসল কথা হলো, যারে দেখতে নাই তার চলন বাঁকা। জেনে রাখুন সত্যকে মিথ্যা দিয়ে ঢেকে সাময়িক সুবিধা নেয়া যায়। কিন্তু সত্য একদিন কথা বলবে।

মোটকথা হলো, একটি কুচক্রি মহল নিজেদের কুপরিকল্পনা বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়ে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে ২০১৮ সনের ইফতার মাহফিলের এ ছবিটি প্রচার করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছে। যেসব চিহ্নিত ষড়যন্ত্রকারীরা এসব কাজ করছে শামীম সাঈদীসহ  আরো বহু মানুষের সাথে তাদেরও ছবি রয়েছে এবং অনলাইনে তাদেরও ছবি ভাইরাল হয়েছে। বাবুনগরী হুজুরের সাথে শামীম সাঈদীর ছবি থাকার কারণে যদি বাবুনগরী হুজুর জামাতি হয়ে যান তাহলে ওইসব ষড়যন্ত্রকারীরাও তো বড় জামাতি কারণ জামাতের অনেকের সাথে তাদেরও ছবি রয়েছে । 

আমি দীর্ঘ পাঁচ বছর যাবত আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী হুজুরের খেদমতে থেকে দেখেছি- বাবুনগরী হুজুর সদা সত্য ও ন্যায়ের ওপর অটল-অবিচল আছেন, আমরণ থাকবেন, ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ সবাইকে মিথ্যা থেকে বাঁচার তাওফীক দান করুন,আমিন। 


লেখক:
আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীর একান্ত খাদেম

[এই লেখার সত্যাসত্য এবং বাস্তবতার সম্পূর্ণ দায়ভার লেখকের নিজের]

অতীতের যেসব রেকর্ড ভেঙ্গে-চূড়ে ...
আবহাওয়া ডেস্ক: শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় আম্পান বাংলাদেশ উপকূল অতিক্রম শুরু করে দিয়েছে। আজ বুধবার বিকেল চারটা থেকে এটি সাগর উপকূলের পূর্ব দিকে সুন্দরবন ঘেঁষা পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশ দিয়ে অতিক্রম করছে।

অতিক্রমের সময় বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ১৬০ থেকে ১৮০ কিলোমিটারের মধ্যে রয়েছে। জানিয়েছেন আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক সামছুদ্দীন আহমেদ। তিনি বলেন, বিকেল চারটা থেকে রাত আটটার মধ্যে আম্পান বাংলাদেশের সাতক্ষীরা, খুলনা অঞ্চল অতিক্রম করবে। এ সময় বাতাসের গতিবেগ ক্রমান্বয়ে কমতে থাকবে।

এর আগে, আবহাওয়া দপ্তরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় আম্পান বঙ্গোপসাগরে উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হয়েছে। এটি আজ বুধবার দুপুর চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর থেকে ৪৮০ কিলোমিটার, কক্সবাজার উপকূল থেকে ৪৭০ কিলোমিটার, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ২৯০ ও পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৩২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল। এ কারণে মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত এবং চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর ও কক্সবাজার উপকূলীয় এলাকাকে ৯ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

আজ সকালে আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ঘূর্ণিঝড় আম্পান আজ সন্ধ্যার মধ্যে সুন্দরবনের কাছ দিয়ে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশ উপকূল অতিক্রম করতে পারে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৮৫ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ২০০ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ২২০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

-পিএ

বিশেষ প্রতিবেদক: ভোলার মনপুরায় শ্রীরাম নামে এক যুবক মহানবী (সা.) ও বিবি আয়শাকে জড়িয়ে কটূক্তিমূলক ফেসবুকে পোস্ট শেয়ারকে কেন্দ্র করে পুলিশ ও মুসল্লিদের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ১০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুক্রবার জুম্মার পর মনপুরা উপজেলার রামনেওয়াজ জামে মসজিদের মুসল্লি, কাউয়ারটেক কিল্লার পাড় জামে মসজিদের মুসল্লি ও চৌমুহনী জামে মসজিদের মুসল্লিরা রামনেওয়াজ চৌমুহনী বাজারে মিছিলসহ একত্র হয়ে প্রতিবাদ করে।

এ সময় চৌমুহনী বাজারে শ্রীরাম দাসের  দোকান ঘর ভাঙচুর করে উত্তেজিত কিছু যুবক। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাধা দিলে উত্তেজিত মানুষের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে পুলিশ ২০ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে।

এদিকে ফেইসবুকে মহানবী ও বিবি আয়েশাকে নিয়ে কটূক্তিমূলক পোস্ট শেয়ার দেওয়া যুবক শ্রীরামকে গ্রেপ্তার করেছে মনপুরা থানা পুলিশ। শ্রীরাম মনপুরা উপজেলা রামনেওয়াজ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার দুলাল চন্দ্র দাসের ছেলে। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার, উপজেলা চেয়ারম্যান ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন।

পুলিশের ছোড়া গুলিতে মনপুরা উপজেলার বাসিন্দা জহির, সাইফুল, করিম, আল আমিন, রাহাত ও ছোট করিম আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ঘটনার তিন ঘণ্টা পর আবারও মাগরিবের নামাজের পর হাজিরহাট ইউনিয়নে ফকিরহাটে কয়েকটি দোকানে উত্তেজিত জনতা ভাঙচুর করে বলে জানা যায়।

একাধিক সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার মনপুরা উপজেলার রামনেওয়াজ ইউনিয়নের সাত নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার দুলাল দাসের ছেলে শ্রীরাম চন্দ্র দাস তার ফেসবুকে মহানবী (সা.) ও বিবি আয়শাকে নিয়ে কটূক্তিমূলক মন্তব্যের একটি পোস্ট শেয়ার করে। তা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা দেখা দেয়।

শুক্রবার সকালে উপজেলার ইমামদেরকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শ্রীরামের শাস্তি নিশ্চিত করবেন বলে আশ্বস্ত করেন। পরে শ্রীরামকে আটকে দেরি হলে শুক্রবার জুমার পর রামনেওয়াজ বাজার জামে মসজিদের মুসল্লি, কাউয়ারটেক কিল্লারপাড়া জামে মসজিদের মুসল্লি ও চৌমুহনী বাজার জামে মসজিদের মুসল্লিরা এই ঘটনার প্রতিবাদে মিছিলসহকারে মনপুরার রামনেওয়াজ বাজারে একত্রিত হয়ে প্রতিবাদ করে।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই যুবককে আটকসহ উত্তেজিত জনতাকে শান্ত করার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে কিছুসংখ্যক উত্তেজিত জনতা শ্রীরামের চৌমুহনী বাজারে ভাড়া দেয়া দোকান ঘরে হামলা করলে পুলিশ বাধা দেয়।

পরে পুলিশের সঙ্গে মুসল্লিদের ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ বাঁধে। এই ঘটনায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পুলিশ ২০ রাউন্ড ফাঁকা গুলি করে। পুলিশের গুলিতে ১০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া য়ায়। আহতদেরকে মনপুরা হাসপাতালসহ স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

এ বিষয়ে মনপুরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জানান, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মহানবী (সা.) ও বিবি আয়শা রাযি. কে জড়িয়ে কটূক্তিমূলক পোস্ট শেয়ার দেয়া শ্রীরাম নামে এক যুবককে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এখন অবস্থা স্বাভাবিক আছে।

মনপুরা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিপুল চন্দ্র দাস জানান, ফেসবুকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে মনপুরায় কিছুটা উত্তেজনা দেখা দেয়। শ্রীরাম নামে এ যুবককে আটক করা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রশাসন সজাগ দৃষ্টি রাখছে। এলাকাবাসী, ইমামদের ও প্রশাসকের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক চলছে। 

প্রধানমন্ত্রী: ২১ লাখ টন ...
অনলাইন ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোভিড-১৯ এর বিস্তাররোধে সরকারের পদক্ষেপ তুলে ধরে বলেছেন, ‘অন্যান্য দেশে যেভাবে করোনা আক্রান্তের ঘটনা ঘটেছে এবং মানুষ মারা যাচ্ছে সেই তুলনায় আমরা কিন্তু অনেকটা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেরেছি। উন্নত দেশের সঙ্গে তুলনা করলে আমাদের স্বাস্থ্যসেবা যথেষ্ট দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে। শিথিলতার জন্য হয়তো সংক্রমণ একটু বেড়ে গেছে। তবে আশা করি, এটাও আমরা নিয়ন্ত্রণে আনতে পারব। দেশের জনগণকে বলব নিজেরা একটু সুরক্ষিত থাকুন।’


গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে করোনা ভাইরাসে ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ লাখ পরিবারকে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে সরাসরি নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান কর্মসূচি উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন। প্রতি পরিবারকে আড়াই হাজার টাকা করে নগদ অর্থ প্রদানে ইতিমধ্যেই সাড়ে ১২০০ কোটি টাকা ছাড় করেছে সরকার। মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে বিনা খরচে প্রত্যেক পরিবারের হাতে ঈদের আগেই এই টাকা পৌঁছে দেওয়া হবে। একই সঙ্গে অনলাইন মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবস্থায় স্নাতক ও সমমান পর্যায়ের ২০১৯ সালের শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি ও টিউশন ফি বিতরণ কার্যক্রমেরও উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। একইসঙ্গে সুইচ চেপে দুটি কর্মসূচির উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এটাই হলো আমাদের ডিজিটাল বাংলাদেশ। কারো কাছে যেতে হবে না, ধরনা দিতে হবে না, কিন্তু সবার কাছে টাকা হেঁটে পৌঁছে যাবে। মানে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ডিজিটাল পদ্ধতিতে পৌঁছে যাবে।’

জানা গেছে, বিকাশ, নগদ, রকেট ও শিওরক্যাশের মাধ্যমে পরিবারগুলোর কাছে টাকা পৌঁছে যাবে। মোট ৫০ লাখ পরিবারের কাছে টাকা পাঠানোর কাজের মধ্যে বিকাশের ভাগে রয়েছে ১৫ লাখের দায়িত্ব। সবচেয়ে বেশি ১৭ লাখ পরিবারের কাছে টাকা পাঠাবে নগদ। বাকি ১৮ লাখ পরিবারের কাছে পৌঁছাবে রকেট ও শিওরক্যাশ। উদ্যোগটির সঙ্গে জড়িত রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগ। আর পরিবার চিহ্নিত করা হয়েছে স্থানীয় সরকার অর্থাত্ জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন ও ইউনিয়ন পরিষদের সাহায্যে। তালিকায় রিকশাচালক, ভ্যানচালক, দিনমজুর, নির্মাণশ্রমিক, কৃষি শ্রমিক, দোকানের কর্মচারী, ব্যক্তি উদ্যোগে পরিচালিত বিভিন্ন ব্যবসায় কর্মরত শ্রমিক, পোলট্রি খামারের শ্রমিক, বাস-ট্রাকসহ পরিবহন শ্রমিক, হকারসহ নানা পেশার মানুষকে রাখা হয়েছে। প্রতি পরিবারে ধরা হয়েছে চার জন সদস্য, সেই হিসাবে এই নগদ সহায়তায় উপকারভোগী হবে প্রায় ২ কোটি মানুষ।

শেখ হাসিনা বলেন, তার সরকার সাহায্য প্রদানের ক্ষেত্রে দ্বৈততা পরিহারের চেষ্টা করেছে এবং আসন্ন ঈদ ও রমজানকে উপলক্ষ্য করেই এই সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে। তিনি একেবারে বেকার ঘরে বসে না থেকে করোনার জন্য সাবধানতা অবলম্বন করে এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখেই কিছু কিছু কাজ-কর্ম করার জন্য মেহেনতি মানুষকে পরামর্শ দেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এ অর্থ প্রয়োজনের তুলনায় সামান্য। আমরা হয়তো অনেক বেশি দিতে পারব না। কিন্তু কেউ যাতে বঞ্চিত না হয়, সবাই যাতে সামান্য হলেও সহায়তা পায় আমাদের সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘মানুষের জীবনে প্রয়োজন অনেক বেশি। মানুষদের ক্ষুধার জ্বালা আমরা বুঝি। এ জন্য অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ও চিকিত্সার ব্যবস্থা করতে হবে। শিক্ষার পরিবেশ তৈরি করতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা বিজয়ের জাতি। যতই ঝড়-ঝাপটা আসুক, যত আঘাত আসুক, যাই আসুক না কেন আমাদের সবসময় বিজয়ী জাতি হিসেবে এ কথা চিন্তা করে মাথা উঁচু করে চলতে হবে। তিনি বলেন, জীবন তো কখনো অচল হয়ে থাকতে পারে না। রোজার মাসে অনেকেরই জীবন-জীবিকার প্রয়োজন রয়েছে সে জন্য কিছু কিছু শিথিল করেছি।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছিল। ৮ দশমিক ১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছিলাম। আমাদের দুর্ভাগ্য, এমন সময় একটি অদৃশ্য শক্তির আঘাত, যার ফলে সমগ্র বিশ্ব একেবারে থমকে গেছে। সারা বিশ্ব অর্থনৈতিকভাবে আক্রান্ত।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এটা বলব না সারাক্ষণ মাস্ক পরে থাকেন। কেননা আপনাদের কিন্তু অক্সিজেন নিতে হবে, নিঃশ্বাস নিতে হবে। কারও সঙ্গে কথা বলার সময় বা যখন জনসমাগমে যাবেন বা বাজার-ঘাটে যাবেন তখন পরবেন। যখন এমনি থাকেন তখন কিন্তু এটা পরবেন না। এটা কিন্তু অনেক সময় ভালোর চেয়ে ক্ষতিও করে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে কর্মহীন হয়ে পড়া লোকজন এবং বিদেশ ফেরত জনগণ যাতে স্বল্প সুদে ঋণ নিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্য করতে পারেন, সেজন্য, কর্মসংস্থান ব্যাংকে ২ হাজার কোটি এবং প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকে ৫০০ কোটি টাকা আমানত হিসেবে দেবে সরকার। এছাড়া ঈদ ও রমজান উপলক্ষ্যে দেশের সব মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিনকে আর্থিক সহায়তার এবং একই সঙ্গে ঈদের আগে আরো ৭ হাজার কওমি মাদরাসাকে আর্থিক সহায়তা প্রদানের কথাও তিনি ঘোষণা করেন।

প্রবাসীদের বিষয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের যারা প্রবাসী, তারা রেমিট্যান্স পাঠায়। প্রবাসী কল্যাণ নামে আরেকটি বিশেষায়িত ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। সেখানে আমরা অতিরিক্ত ৫০০ কোটি টাকা দেব। এর আগে ওখানে আমরা প্রায় ৪০০ কোটি টাকা দিয়েছি।’ করোনা ভাইরাস আক্রান্তদের চিকিত্সাসেবা সুনিশ্চিত করার জন্য চিকিত্সক ও নার্সদের মতো মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট নিয়োগ দেওয়ার জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী।

ভিডিও কনফারেন্স সঞ্চালনা করেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস। শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে সংযুক্ত হয়ে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দিপু মনি অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন। শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী এ সময় উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া গণভবন প্রান্তে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, পিএমও এবং গণভবনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সে বরগুনা, শরিয়তপুর, সুনামগঞ্জ এবং লালমনিরহাটের উপকারভোগী জনগণের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

সূত্র-ইত্তেফাক


বিশেষ প্রতিবেদক: গতকাল ১২ মে দুপুরে বাংলাদেশের দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকার অনলাইন সংস্করণে রকি বড়ুয়া নামে এক ব্যক্তি গ্রেপ্তার হওয়ার খবর প্রকাশ করা হয়। ‘সাঈদী পুত্রের সাথে বৈঠক করা বিতর্কিত সেই রকি বড়ুয়া গ্রেফতার’ শিরোনামের ওই খবরের একটি অংশে বলা হয়-

হাবীব আনওয়ার: বর্ষীয়ান রাজনীতিক, বুদ্ধিজীবী, স্কলার, দৈনিক সরকার সম্পাদক, নেজামে ইসলাম পার্টির সভাপতি,
ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যানআল্লামা আব্দুল লতিফ নেজামীর ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন জাতীয় লেখক পরিষদ।

গণমাধ্যমে পাঠানো এক শোকবার্তায় তারা বলেন, আল্লামা আব্দুল লতিফ নেজামী একজন সজ্জন রাজনীতিবিদ ছিলেন। সাদামাটা জীবনের অধিকারী তবে সববিষয়ে প্রাজ্ঞ ছিলেন। যে কোন বিষয়ে দূরদর্শী চিন্তার পরিচয় দিতেন। অনেকের থেকে ব্যতিক্রম আল্লামা

নেজামী জীবনভর রাজনীতি করেছেন। আজম্ম আগাগোড়া ছিলেন একজন সফল রাজনীতিক। জাতীয় লেখক পরিষদ প্রতিষ্ঠালগ্নে তিনি আমাদের ছায়া ছিলেন। পরিষদ গঠন ও গঠন পরবর্তী সময়ে সার্বিক সহযোগিতা করেছেন।  স্বাধীনতা পরবর্তী এবং পূর্ববর্তী বহু রাজনীতির স্বাক্ষী ছিলেন। আন্দোলন-সংগ্রামে ছিলেন অকুতোভয়। ঠান্ডা মাথায় কথা বলতেন তবে প্রত্যেকটি কথা ছিলো তীরের মতো। তার ইন্তেকালে রাজনীতির ময়দানে যে শূন্যতা সৃষ্টি হলো তা কখনো পূরণ হবার নয়।
আল্লাহ তাকে জান্নাতুল ফিরদাউস নসিব করুন। আমরা তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।

মারা গেলেন ইসলামী ঐক্যজোটের ...
ডেস্ক: ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মাওলানা আবদুল লতিফ নেজামী ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। সোমবার (১১ মে) রাত সাড়ে আটটায় কাকইরাইলে অবস্থিত ইসলামি ব্যাংক হাসপাতালে তিনি ইন্তেকাল করেন।

ইফতারের আগে হঠাৎ অসুস্থতাবোধ করলে তাকে কাকরাইলে অবস্থিত ইসলামি ব্যাংক হাসপাতালে নেয়া হয় এবং সেখানেই রাত সাড়ে আটটায় তিনি ইন্তেকাল করেন।

সাদামাটা জীবনের অধিকারী ও সহজ সরল মানুষ হিসেবে মাওলানা আবদুল লতিফ নেজামীর খ্যাতি রয়েছে। রাজনীতির পাশাপাশি তিনি দৈনিক সরকার পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।

মাওলানা নেজামীকে ইসলামি রাজনীতির জীবন্ত কোষ বলা হয়। নেজামে ইসলামে যোগদানের মধ্য দিয়ে তার রাজনীতি শুরু। ইসলামি আন্দোলনের বিভিন্ন বাঁক ও প্রতিকূল মুহূর্তেও তিনি আক্রমণাত্মক বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর হাসিমুখে দিতেন। এটা তার বিশেষ বৈশিষ্ট্য ছিলো।

তার মৃত্যুতে ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব মুফতি ফয়জুল্লাহ বলেন, ‘দেশের অন্যতম শীর্ষ আলেমে দীন, দীন-মিল্লাতের অতন্দ্রপ্রহরী, মাখদুমুল উলামা, আমার অত্যন্ত শ্রদ্ধাভাজন আবদুল লতিফ নেজামী সাহেব (রহ.) -এর ইন্তেকালের খবরটি খুবই দুঃখ ও বেদনার। তাঁর মরহুম হয়ে যাওয়ার সংবাদে মনটা ভেঙ্গে যাচ্ছে। স্মৃতির আয়নায় ভেসে উঠছে টুকরো টুকরো অনেক ঘটনা। আহ এত দ্রুত তাঁকে হারিয়ে ফেললাম!

মাওলানা নেজামী (রহ.) একজন হক্কানী আলেম এবং প্রচার বিমুখ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তাঁর ইন্তেকালে দেশ একজন প্রতিথযশা মুরুব্বী হারাল। হযরতের ইন্তিকাল নিশ্চয় আলেম সমাজ ও দেশের জন্য অনেক বড় ক্ষতি। আমি মাওলানা নেজামী (রহ.)-এর বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবন ও অনুকরণীয় দৃষ্টান্তসমূহ গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি। স্বরণ করছি, বহু ঈমানী আন্দোলনে তাঁর অবিস্মরণীয় ভূমিকার কথা।’

মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ২ ছেলে ও ২ মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন রেখে গেছেন। তার মৃত্যুতে ইসলামি রাজনীতির অঙ্গণে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার জানাজার স্থান ও সময়ের বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি।

বিএসটিআই সম্প্রসারণ : ৩ বছরের ...
ডেস্ক: ড্যানিশ, সুরেশ, প্রমি, পূবালী সল্টসহ ৪৩ ব্র্যান্ডের পণ্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে পণ্যের মান প্রণয়ন এবং নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন (বিএসটিআই)। 

খোলাবাজার থেকে পণ্য কিনে বিএসটিআই ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করে বাংলাদেশ মান (বিডিএস)  থেকে নিম্নমানের পাওয়ায় এসব পণ্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে  প্রতিষ্ঠানগুলোকে কারণ দর্শানোর নোটিশের পাশাপাশি পরবর্তীতে এসব পণ্যের মানোন্নয়ন করে পুণঃঅনুমোদন ছাড়া  সংশ্লিষ্ট উৎপাদনকারী, সরবরাহকারী, পাইকারী ও খুচরা বিক্রেতাদের বিক্রি-বিতরণ ও বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন প্রচার হতে বিরত থাকা এবং উৎপাদনকারীদের বাজার থেকে বিক্রিত মালামাল প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

সোমবার বিএসটিআই এর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে বিএসটিআই সার্ভিল্যান্স টিমের মাধ্যমে বিভিন্ন পণ্যের ৫২১টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। তার মধ্যে প্রথম ধাপে প্রাপ্ত ২৫১টি নমুনার পরীক্ষণ প্রতিবেদনের মধ্যে ১৭টি পণ্য নিম্নমানের পাওয়ায় ইতোমধ্যে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। বাকি ২৭০টি নমুনার পরীক্ষণ প্রতিবেদনের মধ্যে ৪৩টি নমুনা নিম্নমানের পাওয়া গেছে। 

বিএসটিআই ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় যেসব পণ্য নিম্নমানের পাওয়া যায় সেগুলো হলো: নরসিংদীর অন্নপূর্ণা অয়েল মিলসের সুরেশ ব্র্যান্ডের সরিষার তেল, ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার বেঙ্গল অয়েল মিলসের চাওলি ফ্লাওয়ার ব্র্যান্ডের সরিষার তেল, ময়মনসিংহের বিএল অয়েল মিলসের রুবি ব্র্যান্ডের সরিষার তেল, ময়মনসিংহের পদ্মা অয়েল মিলসের হিলসা ব্র্যান্ডের সরিষার তেল, ময়মনসিংহের রূপন অয়েল মিলসের রিং ব্র্যান্ডের সরিষার তেল, নরসিংদীর লোকনাথ অয়েল মিলসের টাইগার ব্র্যান্ডের সরিষার তেল, জামালপুরের আলী ন্যাচারাল অয়েল মিলসের কল্যাণী ব্র্যান্ডের ফর্টিফাইড এডিবল রাইস ব্রান অয়েল, গাজীপুরের ময়মনসিংহ এগ্রোর সান ড্রপ ব্র্যান্ডের ফ্রূট এন্ড ভেজিটেবল জুস (এলোভেরা), নারায়ণগঞ্জের ড্যানিশ ফুডসের ড্যানিশ ব্র্যান্ডের ধনিয়ার গুড়া, কারি পাউডার, নারায়ণগঞ্জের বোম্বে সুইটস এন্ড কোম্পানির বোম্বে আলুজ ব্র্যান্ডের চিপস , নারায়নগঞ্জের আইডিয়াল এগ্রোর আইডিয়াল ব্র্যান্ডের কারি পাউডার, নেত্রকোনার প্রিয়া ফুড প্রোডাক্টসের প্রিয়া স্পেশাল ব্র্যান্ডের প্রিয়া লাচ্ছা সেমাই, ধামরাইয়ের সাউদিয়া ফুড প্রোডাক্টস (প্রাঃ) লিঃ এর সাউদিয়া ব্র্যান্ডের লাচ্ছা সেমাই, ঢাকার ফোর স্টার ফুড প্রোডাক্টসের ফোর স্টার ব্র্যান্ডের কারি পাউডার, ঢাকার এ জেড আইডিয়াল ব্র্যান্ডের কারি পাউডার, নারায়ণগঞ্জের সুরভী সল্ট আয়োডেশনের ডলফিন ব্র্যান্ডের আয়োডিনযুক্ত লবণ, নারায়ণগঞ্জের সপ্তডিঙ্গা সল্ট ইন্ডাস্ট্রিজের মেয়র ব্র্যান্ডের আয়োডিনযুক্ত লবণ, পূবালী সল্ট ইন্ডাস্ট্রিজের পূবালী ব্র্যান্ডের আয়োডিনযুক্ত লবণ,  আলী সল্ট ইন্ডাস্ট্রিজের টমেটো ব্র্যান্ডের আয়োডিনযুক্ত লবণ, নিউ কোয়ালিটি সল্ট ইন্ডাস্ট্রিজের তৃপ্তি ব্র্যান্ডের আয়োডিনযুক্ত লবণ, প্রগতি সল্ট ইন্ডাস্ট্রিজের দিগন্ত ব্র্যান্ডের আয়োডিনযুক্ত লবণ, আলী সল্ট ইন্ডাস্ট্রিজের আলী ব্র্যান্ডের আয়োডিনযুক্ত লবণ, শক্তি এডিবল প্রোডাক্টসের শক্তি ব্র্যান্ডের সরিষার তেল, গাজীপুরের তুরাগ অয়েল মিলসের তুরাগ ব্র্যান্ডের সরিষার তেল, নারায়ণগঞ্জের এস কে এগ্রো ফুড প্রসেসরের সরিষার তেল, ঢাকার প্রমি এগ্রো ফুডসের প্রমি ব্র্যান্ডের সরিষার তেল, রংপুরের বদরগঞ্জের আনিস স্টোরের নামবিহীন খোলা ড্রামের ফর্টিফাইড পাম অলিন, লালমনিরহাটের পাটগ্রামের ঈসমাইল স্টোরের নামবিহীন খোলা ড্রামের ফর্টিফাইড পাম অলিন, লালমনিরহাটের পাটগ্রামের গরিবুল্লাহ শাহ স্টোরের নামবিহীন খোলা ড্রামের ফর্টিফাইড সয়াবিন অয়েল, ঢাকার আরামবাগের ফিহাত ইন্টারন্যাশনাল ট্রেডার্সের আমদানি করা রিফাইন্ড সুগার,  অটোগি কারি হটব্র্যান্ডের কারি পাউডার , রাজশাহীর নওদাপাড়ার ছন্দা ফিলিং স্টেশনের হাই স্পিড ডিজেল, রাজশাহীর নওদাপাড়ার জিএম ফিলিং স্টেশনের হাই স্পিড ডিজেল,  পবার মতিউর ফিলিং স্টেশনের হাই স্পিড ডিজেল, নওদাপাড়ার ছন্দা ফিলিং স্টেশনের আনলেডেড মোটর গ্যাসোলিন-প্রিমিয়াম (অকটেন), ছন্দা ফিলিং স্টেশনের আনলেডেড মোটর গ্যাসোলিন- রেগুলার (পেট্রোল),  নওদাপাড়ার জিএম ফিলিং স্টেশনের আনলেডেড মোটর গ্যাসোলিন-প্রিমিয়াম (অকটেন), নওদাপাড়ার জিএম ফিলিং স্টেশনের আনলেডেড মোটর গ্যাসোলিন-রেগুলার (পেট্রোল), পবার আসাদুল্লাহ এন্ড ব্রাদার্স ফিলিং স্টেশনের আনলেডেড মোটর গ্যাসোলিন-প্রিমিয়াম (অকটেন),  পবার আসাদুল্লাহ এন্ড ব্রাদার্স ফিলিং স্টেশনের আনলেডেড মোটর গ্যাসোলিন- রেগুলার (পেট্রোল) এবং  পবার মতিউর ফিলিং স্টেশনের আনলেডেড মোটর গ্যাসোলিন- রেগুলার (পেট্রোল)।

ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মুমিনকে ...
ডেস্ক: বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি তরিকুল ইসলাম মুমিনকে চাঞ্চল্যকর জালিয়াতি মামলায় ভোলা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ভোলা সদর মডেল থানা পুলিশের সহায়তায় বুধবার রাতে ভোলার গাজীপুর রোডের বাসা থেকে তরিকুল ইসলাম মুমিনকে গ্রেফতার করে তেজগাঁও থানা পুলিশ। পরে তাকে সড়কপথে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরিবারের পক্ষে তাকে গ্রেফতারের কথা স্বীকার না করলেও আজ শুক্রবার ভোলা সদর মডেল থানার ওসি এনায়েত হোসেন খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেন।

একাধিক তথ্যসূত্রে জানা যায়, রাজধানী ঢাকার কোতয়ালি থানায় একটি চাঞ্চল্যকর জালিয়াতির মামলা দায়ের করার প্রেক্ষিতে তাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঢাকার কয়েকজন ব্যবসায়ীর কাছ থেকে প্রকল্পের কাজের তদবির করে দিবে বলে কোটি টাকা হাতিয়ে নেন তরিকুল ইসলাম মুমিন। এ ছাড়াও সরকারের বিশেষ কোনো ব্যক্তির স্বাক্ষর জালিয়াতি করে একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একজন অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তাকে ভিসি পদে নিয়োগ দেওয়ার নামে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মুমিনসহ একটি চক্রের বিরুদ্ধে। সেই চক্রে একজন মন্ত্রীর পিএস সহায়তা করার অভিযোগ উঠেছে।

পরে সে টাকা নিয়ে মমিন উধাও হয়ে জন্মস্থান ভোলায় পলাতক হন। পরে তার অবস্থান নিশ্চিত করার পর বুধবার রাতে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

ভোলা সদর মডেল থানার ওসি মো. এনায়েত হোসেন বলেন, কোন মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে তা জানা যায়নি, তবে তেজগাঁও থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতারের সহায়তা চাইলে ভোলা সদর মডেল থানা পুলিশের মোবাইল টিম সহায়তা করে। মামলাটি চাঞ্চল্যকর না হলে এ করোনার মধ্যে তাকে গ্রেফতারের জন্য ভোলায় ঢাকা পুলিশ আশার কথা নয় বলে জানান ওসি।

-ডিআই

কোরআনে হাফেজকে পিটিয়ে হত্যা করল কিশোর গ্যাং, আটক ৬
ডেস্ক রিপোর্ট: নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা প্রকাশ্যে পিটিয়ে এক কোরআনে হাফেজকে হত্যা করেছে। এ ঘটনায় মো. ওমর (১৮), নামে আরো একজন গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে কিশোর গ্যাংয়ের ৬ সদস্যকে আটক করে পুলিশ।

শুক্রবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার রামপুর ইউনিয়ের ২নং ওয়ার্ডের কেজি রোডে এ ঘটনা ঘটে। পরে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নেয়ার পথে রাত ১০টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

নিহতের নাম শেখ জাহেদ (১৮), সে ওই ওয়ার্ডের মুহরীরটেক এলাকার জয়নাল আবেদীন সারেং বাড়ির মো. রফিক উল্যার ছেলে। নিহত জাহেদ একজন কোরআনে হাফেজ এবং ইলেকট্রিক মিস্ত্রী ছিল।

নিহতের মামা রেজাউল হক সোহাগ জানান, পূর্ব শক্রতার জের ধরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে একই ওয়ার্ডের কিশোর গ্যাং হৃদয় গ্রুপের সদস্য আমির হোসেন, নূর হোসেন, রাসেদ, হৃদয়, অপুসহ ১৫ থেকে ২০ জন প্রকাশ্যে পিটিয়ে জাহেদকে হত্যা করে। এ ছাড়াও আগে থেকে হামলাকারী এলাকায় বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিল।

এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আরিফুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, হত্যাকাণ্ডের সঠিক কারণ অনুসন্ধান ও হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। নিহতের লাশ নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। পরবর্তীতে পুলিশ এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

সেতু' আর 'লাইভ' নিয়ে আছেন যে ...
ডেস্ক: দেশে যখন লকডাউন ছিল না তখন প্রায় ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ শিশু জন্ম হতো সিজারে। আর ক্লিনিকগুলোতে ৯৫ শতাংশ ইনকাম ছিল সিজার থেকে। করোনার মধ্যে বাংলাদেশে সিজারের সংখ্যা কমে গেছে। কিন্তু প্রসূতি মায়ের মৃত্যুর হার বাড়েনি। এ থেকে শিক্ষা নেয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।

তিনি বলেন, বিদেশে চার শতাংশ শিশুর জন্ম হয় সিজারে। আর বাংলাদেশে সিজারে জন্ম হয় ৯৬ শতাংশ শিশু। নরমাল ডেলিভারি হয় চার শতাংশ। অথচ লকডাউনে ৯৬ শতাংশ শিশুর জন্ম হয়েছে নরমাল ডেলিভারিতে।

শুক্রবার (৮মে) ফেসবুকে লাইভে এসে এসব কথা বলেন ব্যারিস্টার সুমন। লাইভের শুরুতে ফেসবুকে অসমর্থিত একটি সূত্রের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, করোনার সময় লকডাউনে দেশে এক লাখ ৭৫ হাজার শিশুর জন্ম হয়েছে, এর মধ্যে মাত্র চার শতাংশ শিশুর জন্ম সিজার অপারেশন হয়েছে। আর বাদ বাকি ৯৬ শতাংশ শিশুর জন্ম হয়েছে নরমালে।

তিনি আরও বলেন, যখন লকডাউন ছিল না তখন ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ শিশুর জন্ম হতো সিজারে। প্রসূতি নারীকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে গেলে ডাক্তার এমনভাবে বোঝাতেন সিজার না করলে বাচ্চা বা মাকে বাঁচানো সম্ভব না। করোনাভাইরাস আমাদেরকে কতকিছু শেখাচ্ছে?

প্রসূতির অপ্রয়োজনীয় সিজার বন্ধে হাইকোর্টে একটি রিট করেছিলাম ব্যারিস্টার সুমন। এ প্রসঙ্গকে টেনে তিনি বলেন, তখন হাইকোর্ট একটি রুল দিয়েছিল অপ্রয়োজনীয় সিজার বন্ধে সরকার কেন ব্যবস্থা গ্রহণ করবে না। এখন আমি জানি না সরকার কী ব্যবস্থা নিয়েছেন। কিন্তু দেখুন, প্রকৃতি এমন ব্যবস্থা নিয়েছে যে ক্লিনিকগুলো খোলাই রাখা যাচ্ছে না।

তিনি বলেন, ক্লিনিকগুলোতে ডেকে নিয়ে যেভাবে ব্যবসা করত এখন সেগুলো বন্ধ রয়েছে। এখন আর ব্যবসা করার সুযোগ নাই। দেশে শিশুর জন্ম কিন্তু বন্ধ থাকছে না লকডাউনে। নির্দিষ্ট তারিখে শিশু জন্ম হচ্ছে। সিজার না হওয়ার একমাত্র কারণ এখন ক্লিনিকগুলো বন্ধ। আপনারা জানেন কি-না আমি তখন (রিট আবেদনে) বলেছিলাম যে, ক্লিনিকগুলোর ৯৫ শতাংশ ইনকাম হয় এই অপ্রয়োজনীয় সিজার থেকে।

‘ক্লিনিকগুলো বন্ধ থাকার কারণে এবং আজকের দুঃসময় আসার কারণে আপনারা কী দেখলেন? স্বার্থপরতা দেখলেন। ক্লিনিক বন্ধ থাকার কারণে অপ্রয়োজনীয় সিজারও বন্ধ হয়ে গেছে। আমি জানি না, কোভিড নাইনটিন পরবর্তীতে আমরা বাঁচব কি না। তবে যারা বাঁচবে তাদের জন্যেই এই ভিডিও বার্তাটি রেখে যেতে চাই’-যোগ করেন সুপ্রিম কোর্টের এই আইনজীবী।

ব্যারিস্টার সুমন বলেন, সিজার বন্ধ হওয়ার কারণে যে প্রসূতি মায়ের মৃত্যুর হার বেড়ে গেছে তাও কিন্তু না। এর মানে হচ্ছে প্রোপার রেস্ট নিলে বাড়ি ঘরে থাকলে আমাদের মা বোনদের নরমাল ডেলিভারি সম্ভব।

‘আপনারা এমন একটা বাস্তবতা দেখবেন যে ডাক্তাররা একটা কমন কথা বলেই, আমার বাচ্চার জন্মের সময় ডাক্তারের কাছে যাওয়ার পর একই কথা শুনেছিলাম ডাক্তারের কাছ থেকে। তারা বলেন, গর্ভের শিশু শুকনাতে পড়ে গেছে পানি ভেঙে গেছে। এই দু-একটা কথা বললেই যারা নতুন বাবা হন তাদের মাথা ঠিক থাকে না, তাদের হুশ নষ্ট হয়ে যায়। এই অবস্থায় বলেন, যা ইচ্ছা করেন কিন্তু তো আমার বাচ্চাটাকে বাঁচিয়ে রাখেন।’

তিনি বলেন, এই সুযোগ নিয়ে কিছু কিছু গাইনি ডাক্তার, সুস্থ প্রসূতির সিজার করতেও দ্বিধাবোধ করেন না। আমি এই ভিডিওটা রেখে যাচ্ছি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য। আপনারা এটা থেকে যদি কিছু শিক্ষা দিতে পারেন।

তিনি আরও বলেন, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই চার শতাংশ সিজার প্রয়োজন হয়, বাকি ৯৬ শতাংশ সিজার প্রয়োজন পড়ে না। বিদেশে আত্মীয়-স্বজনের কাছে শুনবেন না কখনও প্রসূতির সিজারের প্রয়োজন হয়।

‘প্রকৃতির বিচারেই আমরা এখন কিছুটা মানুষ হতে শিখছি। করোনাভাইরাস হয়তো থাকবে না, আমরাই মানুষ হওয়াটা যেন জারি রাখি। আপনারা ভবিষ্যতে যারা বাবা এবং মা হবেন তাদেরকে আহ্বান জানিয়ে বলছি, আপনারা এসব অনৈতিক সিজার থেকে দূরে থাকবেন। এই ক্লিনিকগুলো থেকে দূরে থাকবেন। সাথে সাথে সরকারকেও বলছি, এটা (করোনাকালীন সময়) থেকে শিক্ষাগ্রহণ করেন, করোনা-পরবর্তী বাংলাদেশে যেন সিজারে কম শিশু জন্ম নেয়।’

-জিএন

বসিয়ে বসিয়ে খাওয়াতে পারব না ...
ডেস্ক: ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অধীনে গ্রেপ্তার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ এবং মত মপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাত দেশের কূটনৈতিকদের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড.এ কে আব্দুল মোমেন।

যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ এবং ঢাকায় কর্মরত কূটনীতিকদের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে শুক্রবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ ধরনের বক্তব্য দুর্ভাগ্যজনক।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতরের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক ব্যুরোর প্রিন্সিপ্যিাল ডেপুটি অ্যাসিস্যান্ট সেক্রেটারি এলিস ওয়েলস এক টুইট বার্তায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ডিজিটাল আইনের অধীনে নতুন করে গ্রেপ্তারের মাধ্যমে  বাংলাদেশে মত প্রকাশে রুদ্ধ হওয়ার বিষয়টি উদ্বেগজনক।

বাংলাদেশের মানুষ যেন স্বাধীনভাবে মতামত প্রকাশ করতে পারে সেটি নিশ্চিত করার আহবান জানিয়ে টুইট বার্তায় তিনি বলেন, বাক স্বাধীনতাই গণতন্ত্রের ভিত্তি এবং এই মহামারির সময়ে এটি মানুষের জীবন রক্ষা করতে পারে।

ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল মিলার অপর এক টুইট বার্তায় লিখেছেন, জনস্বাস্থ্য রক্ষার ক্ষেত্রে মুক্ত ও স্বাধীন মিডিয়ার নির্ভরযোগ্য ও বাস্তবভিত্তিক তথ্য পরিবেশন করতে পারার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণেই কোভিড-১৯ মহামারির সময়ে বাকস্বাধীনতা সমুন্নত রাখা এবং সাংবাদিকদের ঠিকমতো কাজ করতে দেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং সাংবাদিকদের স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেওয়ার আহবান জানিয়ে শুক্রবার আরও টুইট করেন ঢাকায় নিযুক্ত ইউরোপিয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত রেনসে তেরিঙ্ক,যুক্তরাজ্যের রাষ্ট্রদূত রবার্ট ডিকসন, নরওয়ের রাষ্ট্রদূত সিডসেল ব্লেকেন, নেদারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত হ্যারি ভেরওয়েজ, সুইডেনের রাষ্ট্রদূত শার্লোট স্লাইটার এবং ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত উইনি এসট্রাপ পিটারসন। 

রাষ্ট্রদূত রেনসে তেরিঙ্ক তার টুইট বার্তায় বলেন, এই সংকটজনক সময়ে বাক স্বাধীনতা অন্য যেকোন সময়ের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এ জন্যই সাংবাদিকদের স্বাধীন ও মুক্তভাবে তাদের কাজ করতে দিতে হবে, যদিও ফেক নিউজ একটি বড় ধরনের সমস্যা।  

রবার্ট চ্যাটারটন ডিকসন টুইট বার্তায় লিখেছেন, জনস্বাস্থ্য রক্ষার জন্য নির্ভরযোগ্য ও তথ্যভিত্তিক সংবাদ অপরিহার্য। অন্য চারজন রাষ্ট্রদূতও একই ধরনের টুইট বার্তা দিয়েছেন। তারা আরও লিখেছেন, তথ্যভিত্তিক সংবাদের জন্য স্বাধীন সাংবাদিকতার নিশ্চিত হওয়া জরুরি।

ইউএনবি জানিয়েছে, ঢাকায় কর্মরত কূটনীতিকদের টুইট বার্তার প্রতিক্রিয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমন বলেন, কূটনীতিকদের এ ধরনের বক্তব্য দুর্ভাগ্যজনক। তাদের কিছু বলার থাকলে সেটা কূটনৈতিক রীতিতে সরকারকে বলতে পারতেন। তারা যেভাবে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন সেটা কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

হিউম্যান রাইট ওয়াচের বিবৃতি: করোনাভাইরাস নিয়ে সরকারের গৃহীত ব্যবস্থার সমালোচনা করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ার অভিযোগে কার্টুনিস্ট, লেখক সহ ১১ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার করে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে নিউ ইয়র্কভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)।

শুক্রবার সংস্থার ওয়েব সাইটে এই বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে।

বিৃতিতে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এশিয়া পরিচালক ব্র্যাড অ্যাডামস বলেন, কেবলমাত্র ব্যাঙ্গ-বিদ্রুপ পোস্ট করার কারণে মামলা দায়ের না করে বরং আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচনাগুলো গ্রহণ করা উচিত। একই সঙ্গে কোভিড -১৯-এর বিষয়ে সরকারের গৃহীত ব্যবস্থায় কোন কোনো ফাঁক থাকলে তা বন্ধ করার চেষ্টা করা উচিত। সাংবাদিক, ডাক্তার এবং নার্স ও অ্যাক্টিভিস্টদের সরকারের হয়রানি করা বন্ধ করা উচিত এবং এর পরিবর্তে সহায়তা, স্বচ্ছতা এবং সম্পদ নিয়ে তাদের উদ্বেগ প্রকাশ করা যায়গাগুলোতে কাজ করা উচিত।'

বিবৃতিতে আরও বলা হয়,  মত প্রকাশের স্বাধীনতা লঙ্ঘন করে এমন যেকানো পদক্ষেপ গ্রহণ বন্ধ করতে হবে। ১১ জনের বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অবিলম্বে বাতিল করতে হবে  এবং কারাগারে থাকা চারজনকে মুক্তি দিতে হবে। এ ছাড়া বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবি জানায় হিউম্যান রাইট ওয়াচ। 


Download Lagu ] শেরে মিল্লাত মুফতি এ আযম ...

নিউজ ডেস্ক: ‘আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা’আত বাংলাদেশ’ নামক সংগঠনের চেয়ারম্যান ও জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়া মাদ্রাসার মুহাদ্দিস মুফতী ওবাইদুল হক নঈমীকে প্রধান করে একটি নতুন ফতোয়া বোর্ড গঠনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

গতকাল (৫ এপ্রিল) মঙ্গলবার আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা’আত বাংলাদেশের দায়িত্বশীলদের ঐক্যমতে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন সংগঠনের মুখপাত্র অ্যাডভোকেট মোছাহেব উদ্দিন বখতিয়ার ।

তিনি বলেন, প্রত্যেক বিভাগীয় ও জেলার সুন্নিয়তের আলেমগণের সমন্বয়ে পূর্ণাঙ্গ বোর্ড গঠনের পর সদস্যদের নাম তালিকা খুব শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে।
-সিপি

Videos on social media purportedly of the fire showed burning debris falling from a tower engulfed in flames [Screenshot]
মঙ্গলবার রাতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজায় একটি আবাসিক টাওয়ারে আগুন লাগে। এসময় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার বিগ্রেডের সদস্যরা।

শারজাহের আল নাহদা এলাকার ৪৮ তলা অ্যাবকো টাওয়ারে অগ্নিকাণ্ডের ফলে সাতজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে ফায়ার বিগ্রেডের মিডিয়া সেল জানিয়েছে।

ভবনটিতে আগুন লাগার পরে তার লেলিহান শিখা আকাশে দেখা যায় এবং থেকে তা চারদিকে ছড়িয়ে পড়তে থাকে, যা সোশ্যাল মিডিয়ার বিভিন্ন ছবি ও ভিডিওতে স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান ছিল। কর্তৃপক্ষ অগ্নিসংযোগের তাত্ক্ষণিক কারণ জানাতে পারেনি।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, শারজাহ সিভিল ডিফেন্সের (এসসিডি) সদস্যরা ক্রমবর্ধমান পরিস্থিতি দ্রুত ছিল নিয়ন্ত্রণে আনতে তৎপর ছিল।

গাল্ফ নিউজ পত্রিকার খবরে বলা হয়েছে, এসসিডি জানিয়েছে,  স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৯. টা নাগাদ বাংলাদেশ জিএমটি) আগুন শুরু হয়েছিল।

খালিজ টাইমস জানিয়েছে, আগুনে আবাসিক টাওয়ারটির নিকটবর্তী অন্তত পাঁচটি বিল্ডিং ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে এবং  ভবনের বিভিন্ন অংশ ভেঙে পড়ে বেশ কয়েকটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে, যা পরে সরিয়ে নেয়া হয়।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে সাম্প্রতিক বছরগুলিতে উঁচু উঁচু টাওয়ারগুলো প্রায়ই অগ্নিকাণ্ডের কবলে পড়েছে।

ভবন সুরক্ষা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং অন্যান্য যেসব স্থানে আগুন ধরেছে সেসব জায়গার ভবনগুলোতে ভবন নিরাপত্তা নিশ্চিতের আইন অনুযায়ী নকশা করা হয়নি এবং দ্রুত আগুন নির্বাপনেরও তেমন কোন বিশেষ ব্যবস্থা নেই।
সূত্র- আল জাজিরা ও নিউজ এজেন্সি


রাজধানীতে ধর্ষণ-খুনের অভিযোগে ...

নিউজ ডেস্ক: এই রমজানেই ইমাম মাহাদী আসবেন । প্রথম ৩১৩ সেনার তালিকায় নাম ঢোকাতে যেতে হবে সৌদি আরব। প্রকৌশলী সৈয়দ মোস্তাক মো. আরমান খানের এই আহ্বানে সাড়া দিয়ে একটি দল আগেই দেশ ছেড়েছিল। আরেক দল আগেই ধরা পড়েছে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ক্রাইমের হাতে।

কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ক্রাইমের (সিটিটিসি) উপকমিশনার সাইফুল ইসলাম বলেন, ১৭ জনের একটি দলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে এ দলে আরও দুজন ছিলেন। তাঁরা পালিয়ে গেছেন। ওই দুজনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

দলটিতে ছাত্ররা ছাড়াও সরকারি হাসপাতালের একজন চিকিৎসক, চারজন প্রকৌশলী ও কৃষিবিদ রয়েছেন বলে জানান সাইফুল ইসলাম।

৪ মে কাকরাইল থেকে যে ১৭ জন গ্রেপ্তার হয়েছেন, তাঁরা হলেন মো. হায়দার আলী (৪৪), মো. মাহমুদুল হাসান ওরফে মাসুম, মো. জামিরুল ইসলাম (২৪), মো. বিল্লাল হোসেন (৩৮), মো. শেখ আরাফাত ওরফে জনি (৪৮), মো. ইমরুল হাসান ওরফে ইমন (২৫), মো. সাইফুল ইসলাম (২৫), মো. মোজাম্মেল হক (৩৩), মো. শাহজালাল(৩৪), মো. আক্তারুজ্জামান (৩০), মো. মাহমুদুল হাসান ওরফে সাব্বির (২৩), মো. আবিদ উল মাহমুদ ওরফে আবিদ (২২), মো. সোহাইল সরদার (৩৩), মো. ওবায়দুল ইসলাম ওরফে সুমন (৩০), মাহমুদ হাসান ওরফে শরীফ (১৮), মো. মাজেদুল ইসলাম ওরফে মুকুল ( ২৮) ও মো. সোহাগ হাসান (২০)।

এই সময় তাঁদের কাছ থেকে বিভিন্ন ধরনের ১৯টি মুঠোফোন, ২ লাখ ৩৪ হাজার বাংলাদেশি টাকা ও ৯২২ আমেরিকান ডলার জব্দ করা হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দানকারী অতিরিক্ত উপকমিশনার তহিদুুল ইসলাম জানান, প্রকৌশলী সৈয়দ মোস্তাক বিন আরমান বাংলাদেশ থেকে ২০১৭ সালে সৌদি আরবে যান এবং সেখানে অবস্থান করছেন। তিনি ইমাম মাহাদীর সৈনিক হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করেন এবং এবং গাজওয়াতুল হিন্দে মুসলিমদের পক্ষে জিহাদ করার আহ্বান জানিয়ে অডিও–ভিডিও প্রকাশ করেন।

গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা সৈয়দ মোস্তাক বিন আরমানের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং ইমাম মাহাদীর সৈনিক হিসেবে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে সৌদি আরব যাওয়ার চেষ্টা করেন। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা জানান, তাঁরা সৈয়দ মোস্তাক বিন আরমানের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন এবং গত মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময় তাঁরা হিজরতের সিদ্ধান্ত নেন।

দলটির পরিকল্পনা ছিল তাবলিগ-জামাত পরিচয়ের আড়ালে সাতক্ষীরা বা বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে তারা ভারত-কাশ্মীর সীমান্ত হয়ে সৌদি আরব পৌঁছাবেন। তাঁদের বলা হয়েছিল, করোনার দুর্যোগে আকাশ থেকে এক ধরনের গজব নেমে আসবে এবং সবকিছু ধোঁয়াচ্ছন্ন হয়ে যাবে, তখন সীমান্তে কোনো পাহারা থাকবে না। ইমানদারদের শুধু হালকা কাশি হবে। এই সময় তাঁরা যেন চলে আসেন।

এই বিশ্বাস নিয়ে গত ১৮ মার্চ তাঁরা প্রথমে সাতক্ষীরা ও পরে যশোর সীমান্তের কাছে বিভিন্ন মসজিদে অবস্থান করেন। এসব কিছুই না ঘটায় তাঁরা সাতক্ষীরা ও যশোর সীমান্ত দিয়ে পার হতে ব্যর্থ হন। পরে ঢাকা হয়ে সিলেট সীমান্ত দিয়ে ভারতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। কিন্তু তার আগেই ধরা পড়ে যান।

তহিদুুল ইসলাম বলেন, সৈয়দ মোস্তাক বিন আরমানের প্ররোচনায় এবং তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করে ইতিমধ্যে ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের চার ছাত্র গত জানুয়ারি মাসে ওমরা করতে গিয়ে আর ফিরে আসেননি।

এ ছাড়া বিভিন্ন সময় সাদ, কাউসার, শরীফ, তোফাজ্জল, গিয়াসউদ্দিন, আলী আজম ও রাশেদ নামের আরও সাতজন ইমাম মাহাদীর সৈনিক হিসেবে যোগদানের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে হিজরত করেছেন বলে গ্রেপ্তারকৃতরা জানিয়েছেন।


ব্রাহ্মণবাড়িয়ার প্রশাসন ব্যর্থ ...

নিউজ ডেস্ক: তৈরি পোশাক কারখানা খোলায় ও দোকানপাটে আনাগোনা বেড়ে যাওয়ায় সংক্রমণ বাড়তে পারে বলে মনে করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। আজ মঙ্গলবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে করোনাভাইরাস–সংক্রান্ত জাতীয় টেকনিক্যাল পরামর্শ কমিটির বৈঠক শেষে সংবাদ ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী এই কথা বলেন। 

প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘মৃত্যু হচ্ছে, তার জন্য দুঃখিত, তবে মৃত্যুর হার অন্য দেশের তুলনায় কম আছে। সংক্রমণ কিছু বেড়েছে। গত আট–দশ দিনে ৪০০-৫০০ করে দেখেছি। এখন ৭০০। যেহেতু কিনা এখন স্বাভাবিকভাবেই মার্কেট খোলা হয়েছে (খোলার সিদ্ধান্ত হয়েছে), গার্মেন্টস খোলা হয়েছে, দোকানপাটে আনাগোনা বাড়ছে। কাজেই সংক্রমণ যে বৃদ্ধি পাবে, এটি আমরা ধরেই নিতে পারি। আমাদের যতটুকু সম্ভব এটি নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। জীবন-জীবিকা দুটোই পাশাপাশি যাবে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় চেষ্টা করবে যাতে রোগী না বাড়ে। আমাদের ম্যান্টেড হলো যাতে রোগীগুলো অধিক চিকিৎসা পায়।'

উল্লেখ্য, গত ২৬ এপ্রিল থেকে রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক কারখানা খোলা হয়েছে। গতকাল সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ১০ মে থেকে হাটবাজার, ব্যবসাকেন্দ্র, দোকানপাট ও শপিং মলগুলো শর্ত সাপেক্ষে সীমিত পরিসরে খোলা হবে। সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দোকানপাটও হয়তো খুলে যাবে। এ বিষয়ে কারিগরি কমিটি যে সুচিন্তিত পরামর্শ দেবে, সেগুলো যথাযথ জায়গায় পৌঁছে দেওয়া হবে। তারপর সরকারের যে নির্দেশনা থাকবে, সে অনুযায়ী কাজ করা হবে।

বৈঠকে কারিগরি কমিটির পক্ষ থেকে হাসপাতালগুলোতে সব ধরনের রোগীর চিকিৎসা নিশ্চিত করার ওপর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কোনো রোগীকে যেন কোনো হাসপাতাল থেকে ফিরিয়ে না দেওয়া হয়, সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে বলেছে কমিটি। এ বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, কোভিড রোগীদের পাশাপাশি অন্য রোগীদের সুচিকিৎসা বজায় রাখতে হবে।

এ ছাড়া করোনাভাইরাস শনাক্তে নমুনা পরীক্ষার ব্যবস্থা আরও বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছে কমিটি। এ বিষয়ে জোরালো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে বলে জানান মন্ত্রী।

চিকিৎসকদের বেশি আক্রান্ত হওয়া নিয়েও কারিগরি কমিটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে। কমিটি হাসপাতালে যাঁরা কাজ করছেন তাঁদের আরও উৎসাহ দেওয়া, সমস্যগুলো দূর করার পরামর্শ দিয়েছে। ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রী ব্যবহারে বেশি নজর দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে কমিটি। এ ছাড়া ঈদের সময় যাতায়াতের বিষয়েও কমিটি মতামত দেবে।
-পিএ


প্রবচন ডেস্ক: গত কয়েকদিন আগে খবর রটে বলিউড সুপারস্টার আমির খান দিল্লির একটি বস্তি এলাকার অসহায় পরিবারকে আটার ব্যাগের মধ্যে ১৫ হাজার টাকা করে সাহায্য পাঠিয়েছেন। এমন খবর ছড়িয়ে পড়ার পর আমিরের প্রশংসায় মেতে উঠেন অনেকে। ভক্তরা এই তারকার প্রশংসা করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন।

কিন্তু সব শেষে এটি আমির খানের কাজ নয় বলেই জানালেন তিনি।  কাজটি তার নয় বলে মন্তব্য করে টুইট বার্তায় জানান আমির খান। পাঠানো ব্যক্তি তিনি নন বলেও জানিয়েছেন।

টুইটারে আমির খান লেখেন, আটার ব্যাগের মধ্যে টাকা দেওয়ার মানুষটি আমি নই। হয় এটা সম্পূর্ণ গুজব, নয় তো সেই রবিনহুড নিজের নাম প্রকাশ করতে অনিচ্ছুক। সবাই সুস্থ থাকুন, ভালোবাসা রইলো।

ঘটনাটির সূত্রপাত হয় এক টিকটক ব্যবহারকারীর মাধ্যমে। ওই ব্যক্তি দাবি করেন, আমির খান দিল্লির বস্তি এলাকায় আটার ব্যাগের মধ্যে ১৫ হাজার টাকা পাঠিয়েছেন। মুহূর্তেই বিষয়টি ভাইরাল হয়ে যায়। চলে আসে আলোচনায়।

আমির খান ব্যাগের মধ্যে টাকা না পাঠালেও করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরুর পর ভারতের প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে এবং মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রীর রিলিফ ফান্ডে বড় অংকের সহায়তা দিয়েছেন। এছাড়া সিনেমার শ্রমিকদের পাশেও দাঁড়িয়েছেন তিনি।

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget