Latest Post

মারা গেলেন ইসলামী ঐক্যজোটের ...
ডেস্ক: ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মাওলানা আবদুল লতিফ নেজামী ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। সোমবার (১১ মে) রাত সাড়ে আটটায় কাকইরাইলে অবস্থিত ইসলামি ব্যাংক হাসপাতালে তিনি ইন্তেকাল করেন।

ইফতারের আগে হঠাৎ অসুস্থতাবোধ করলে তাকে কাকরাইলে অবস্থিত ইসলামি ব্যাংক হাসপাতালে নেয়া হয় এবং সেখানেই রাত সাড়ে আটটায় তিনি ইন্তেকাল করেন।

সাদামাটা জীবনের অধিকারী ও সহজ সরল মানুষ হিসেবে মাওলানা আবদুল লতিফ নেজামীর খ্যাতি রয়েছে। রাজনীতির পাশাপাশি তিনি দৈনিক সরকার পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।

মাওলানা নেজামীকে ইসলামি রাজনীতির জীবন্ত কোষ বলা হয়। নেজামে ইসলামে যোগদানের মধ্য দিয়ে তার রাজনীতি শুরু। ইসলামি আন্দোলনের বিভিন্ন বাঁক ও প্রতিকূল মুহূর্তেও তিনি আক্রমণাত্মক বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর হাসিমুখে দিতেন। এটা তার বিশেষ বৈশিষ্ট্য ছিলো।

তার মৃত্যুতে ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব মুফতি ফয়জুল্লাহ বলেন, ‘দেশের অন্যতম শীর্ষ আলেমে দীন, দীন-মিল্লাতের অতন্দ্রপ্রহরী, মাখদুমুল উলামা, আমার অত্যন্ত শ্রদ্ধাভাজন আবদুল লতিফ নেজামী সাহেব (রহ.) -এর ইন্তেকালের খবরটি খুবই দুঃখ ও বেদনার। তাঁর মরহুম হয়ে যাওয়ার সংবাদে মনটা ভেঙ্গে যাচ্ছে। স্মৃতির আয়নায় ভেসে উঠছে টুকরো টুকরো অনেক ঘটনা। আহ এত দ্রুত তাঁকে হারিয়ে ফেললাম!

মাওলানা নেজামী (রহ.) একজন হক্কানী আলেম এবং প্রচার বিমুখ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তাঁর ইন্তেকালে দেশ একজন প্রতিথযশা মুরুব্বী হারাল। হযরতের ইন্তিকাল নিশ্চয় আলেম সমাজ ও দেশের জন্য অনেক বড় ক্ষতি। আমি মাওলানা নেজামী (রহ.)-এর বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবন ও অনুকরণীয় দৃষ্টান্তসমূহ গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি। স্বরণ করছি, বহু ঈমানী আন্দোলনে তাঁর অবিস্মরণীয় ভূমিকার কথা।’

মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ২ ছেলে ও ২ মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন রেখে গেছেন। তার মৃত্যুতে ইসলামি রাজনীতির অঙ্গণে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার জানাজার স্থান ও সময়ের বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি।

বিএসটিআই সম্প্রসারণ : ৩ বছরের ...
ডেস্ক: ড্যানিশ, সুরেশ, প্রমি, পূবালী সল্টসহ ৪৩ ব্র্যান্ডের পণ্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে পণ্যের মান প্রণয়ন এবং নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন (বিএসটিআই)। 

খোলাবাজার থেকে পণ্য কিনে বিএসটিআই ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করে বাংলাদেশ মান (বিডিএস)  থেকে নিম্নমানের পাওয়ায় এসব পণ্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে  প্রতিষ্ঠানগুলোকে কারণ দর্শানোর নোটিশের পাশাপাশি পরবর্তীতে এসব পণ্যের মানোন্নয়ন করে পুণঃঅনুমোদন ছাড়া  সংশ্লিষ্ট উৎপাদনকারী, সরবরাহকারী, পাইকারী ও খুচরা বিক্রেতাদের বিক্রি-বিতরণ ও বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন প্রচার হতে বিরত থাকা এবং উৎপাদনকারীদের বাজার থেকে বিক্রিত মালামাল প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

সোমবার বিএসটিআই এর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে বিএসটিআই সার্ভিল্যান্স টিমের মাধ্যমে বিভিন্ন পণ্যের ৫২১টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। তার মধ্যে প্রথম ধাপে প্রাপ্ত ২৫১টি নমুনার পরীক্ষণ প্রতিবেদনের মধ্যে ১৭টি পণ্য নিম্নমানের পাওয়ায় ইতোমধ্যে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। বাকি ২৭০টি নমুনার পরীক্ষণ প্রতিবেদনের মধ্যে ৪৩টি নমুনা নিম্নমানের পাওয়া গেছে। 

বিএসটিআই ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় যেসব পণ্য নিম্নমানের পাওয়া যায় সেগুলো হলো: নরসিংদীর অন্নপূর্ণা অয়েল মিলসের সুরেশ ব্র্যান্ডের সরিষার তেল, ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার বেঙ্গল অয়েল মিলসের চাওলি ফ্লাওয়ার ব্র্যান্ডের সরিষার তেল, ময়মনসিংহের বিএল অয়েল মিলসের রুবি ব্র্যান্ডের সরিষার তেল, ময়মনসিংহের পদ্মা অয়েল মিলসের হিলসা ব্র্যান্ডের সরিষার তেল, ময়মনসিংহের রূপন অয়েল মিলসের রিং ব্র্যান্ডের সরিষার তেল, নরসিংদীর লোকনাথ অয়েল মিলসের টাইগার ব্র্যান্ডের সরিষার তেল, জামালপুরের আলী ন্যাচারাল অয়েল মিলসের কল্যাণী ব্র্যান্ডের ফর্টিফাইড এডিবল রাইস ব্রান অয়েল, গাজীপুরের ময়মনসিংহ এগ্রোর সান ড্রপ ব্র্যান্ডের ফ্রূট এন্ড ভেজিটেবল জুস (এলোভেরা), নারায়ণগঞ্জের ড্যানিশ ফুডসের ড্যানিশ ব্র্যান্ডের ধনিয়ার গুড়া, কারি পাউডার, নারায়ণগঞ্জের বোম্বে সুইটস এন্ড কোম্পানির বোম্বে আলুজ ব্র্যান্ডের চিপস , নারায়নগঞ্জের আইডিয়াল এগ্রোর আইডিয়াল ব্র্যান্ডের কারি পাউডার, নেত্রকোনার প্রিয়া ফুড প্রোডাক্টসের প্রিয়া স্পেশাল ব্র্যান্ডের প্রিয়া লাচ্ছা সেমাই, ধামরাইয়ের সাউদিয়া ফুড প্রোডাক্টস (প্রাঃ) লিঃ এর সাউদিয়া ব্র্যান্ডের লাচ্ছা সেমাই, ঢাকার ফোর স্টার ফুড প্রোডাক্টসের ফোর স্টার ব্র্যান্ডের কারি পাউডার, ঢাকার এ জেড আইডিয়াল ব্র্যান্ডের কারি পাউডার, নারায়ণগঞ্জের সুরভী সল্ট আয়োডেশনের ডলফিন ব্র্যান্ডের আয়োডিনযুক্ত লবণ, নারায়ণগঞ্জের সপ্তডিঙ্গা সল্ট ইন্ডাস্ট্রিজের মেয়র ব্র্যান্ডের আয়োডিনযুক্ত লবণ, পূবালী সল্ট ইন্ডাস্ট্রিজের পূবালী ব্র্যান্ডের আয়োডিনযুক্ত লবণ,  আলী সল্ট ইন্ডাস্ট্রিজের টমেটো ব্র্যান্ডের আয়োডিনযুক্ত লবণ, নিউ কোয়ালিটি সল্ট ইন্ডাস্ট্রিজের তৃপ্তি ব্র্যান্ডের আয়োডিনযুক্ত লবণ, প্রগতি সল্ট ইন্ডাস্ট্রিজের দিগন্ত ব্র্যান্ডের আয়োডিনযুক্ত লবণ, আলী সল্ট ইন্ডাস্ট্রিজের আলী ব্র্যান্ডের আয়োডিনযুক্ত লবণ, শক্তি এডিবল প্রোডাক্টসের শক্তি ব্র্যান্ডের সরিষার তেল, গাজীপুরের তুরাগ অয়েল মিলসের তুরাগ ব্র্যান্ডের সরিষার তেল, নারায়ণগঞ্জের এস কে এগ্রো ফুড প্রসেসরের সরিষার তেল, ঢাকার প্রমি এগ্রো ফুডসের প্রমি ব্র্যান্ডের সরিষার তেল, রংপুরের বদরগঞ্জের আনিস স্টোরের নামবিহীন খোলা ড্রামের ফর্টিফাইড পাম অলিন, লালমনিরহাটের পাটগ্রামের ঈসমাইল স্টোরের নামবিহীন খোলা ড্রামের ফর্টিফাইড পাম অলিন, লালমনিরহাটের পাটগ্রামের গরিবুল্লাহ শাহ স্টোরের নামবিহীন খোলা ড্রামের ফর্টিফাইড সয়াবিন অয়েল, ঢাকার আরামবাগের ফিহাত ইন্টারন্যাশনাল ট্রেডার্সের আমদানি করা রিফাইন্ড সুগার,  অটোগি কারি হটব্র্যান্ডের কারি পাউডার , রাজশাহীর নওদাপাড়ার ছন্দা ফিলিং স্টেশনের হাই স্পিড ডিজেল, রাজশাহীর নওদাপাড়ার জিএম ফিলিং স্টেশনের হাই স্পিড ডিজেল,  পবার মতিউর ফিলিং স্টেশনের হাই স্পিড ডিজেল, নওদাপাড়ার ছন্দা ফিলিং স্টেশনের আনলেডেড মোটর গ্যাসোলিন-প্রিমিয়াম (অকটেন), ছন্দা ফিলিং স্টেশনের আনলেডেড মোটর গ্যাসোলিন- রেগুলার (পেট্রোল),  নওদাপাড়ার জিএম ফিলিং স্টেশনের আনলেডেড মোটর গ্যাসোলিন-প্রিমিয়াম (অকটেন), নওদাপাড়ার জিএম ফিলিং স্টেশনের আনলেডেড মোটর গ্যাসোলিন-রেগুলার (পেট্রোল), পবার আসাদুল্লাহ এন্ড ব্রাদার্স ফিলিং স্টেশনের আনলেডেড মোটর গ্যাসোলিন-প্রিমিয়াম (অকটেন),  পবার আসাদুল্লাহ এন্ড ব্রাদার্স ফিলিং স্টেশনের আনলেডেড মোটর গ্যাসোলিন- রেগুলার (পেট্রোল) এবং  পবার মতিউর ফিলিং স্টেশনের আনলেডেড মোটর গ্যাসোলিন- রেগুলার (পেট্রোল)।

হাটহাজারীতে রাস্তার কাজ না করেই ...
নিজস্ব প্রতিবেদক: হাটহাজারী মাদরাসা সংলগ্ন ডাকবাংলো রোডে ৩য় করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ কওমী মাদরাসা দারুল উলুম হাটহাজারী সংলগ্ন ডাকবাংলো রোডে হাটহাজারীর তৃতীয় করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় প্রশাসন সংশ্লিষ্ট সূত্র।
প্রাপ্ত সংবাদে জানা যায় আজ সোমবার সকালে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাবে হাটহাজারী প্রশাসন। 
উল্লেখ্য, এ নিয়ে হাটহাজারীতে মোট ৩ জন পুরুষ ও ১ জন মহিলা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলেন। এর আগে ধলই ইউনিয়নের ২জন ও হাটহাজারী থানাধীন ১নং দক্ষিণ পাহাড়তলি ওয়ার্ডের ১ জনসহ এ যাবত সব মিলিয়ে ৪ জন করোনা রোগী শনাক্ত হল হাটহাজারী উপজেলায়।

ওবামার ফোন কল ফাঁস, করোনা ইস্যুতে ধুয়ে দিলেন ট্রাম্পকে!
ডেস্ক: ডোনাল্ড ট্রাম্প যেভাবে করোনা মহামারি মোকাবেলা করছেন তা এককথায় ‘নৈরাজ্যকর’। ফলে মহামারির বিরুদ্ধে লড়তে আমরা ব্যর্থ হচ্ছি। যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্টকে নিয়ে এমন মন্তব্য করলেন সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। গত শনিবার একটি সূত্র জানায়, প্রশাসনের সাবেক সদস্যদের সঙ্গে এক কনফারেন্স কলে এ মন্তব্য করেন ওবামা। 

অথচ ট্রাম্পের সমালোচনা থেকে সবসময় দূরে ছিলেন তিনি। এমনকি যখন করোনা নিয়ে ওবামার সমালোচনা ট্রাম্প করেছিলেন তার জবাবেও কিছু বলেন নি। কিন্তু আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় ওবামা সক্রিয় হয়ে উঠেছেন। করোনায় আমেরিকায় এ পর্যণ্ত ৭৫ হাজারেরও বেশি মানুষ মারা গেছে। ওবামা অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ৩ হাজার সদস্যের সঙ্গে ওই ফোন কলে সবাইকে ডেমোক্রেট প্রেসিডেন্ট প্রার্থী জো বাইডেন এর পাশে দাঁড়ানোর আহবান জানিয়েছেন ওবামা। আগামী ৩ নভেম্বর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

 ওই কলে কি কথা হয়েছে তা প্রথম প্রকাশ করে ইয়াহু নিউজ। পরবর্তীতে রয়টার্স বিষয়টি নিশ্চিত হয় একটি সূত্র থেকে। ওবামা বলেন, ‘আমরা যে যুদ্ধে লড়তে যাচ্ছি তা কোন ব্যক্তি বা দলের বিরুদ্ধে নয় বরং স্বার্থপরতা, বর্ণবাদ, বিভক্তি এবং যারা অন্যদের শত্রু মনেকরে তাদের বিরুদ্ধে। আর এসব প্রবণতা ঢুকিয়ে দেয়া হয়েছে আমেরিকানদের জীবনযাত্রায়। এ মহামারির বিরুদ্ধে দাাঁড়ানোর ক্ষেত্রে আমাদের যে দূর্বলতা এটিও তার একটি কারণ।’

ওবামা বলেন, ‘আমার কি সুবিধা তা দেখব, বাকীরা গোল্লায় যাক- এ ধরণের মানষিকতা একটি উত্তম সরকারের জন্যও মন্দ। এমনকি এটি অত্যন্ত বিশৃংখল ও বিপর্যয়কর, যখন এ ধরণের মানষিকতা কাজ করে। আর তা আমাদের সরকারে এখন ক্রিয়াশীল।’ তিনি বলেন, ‘এ জন্য আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি বাকী যে সময় আছে নির্বাচন পর্যণ্ত ততদিন আমি জো বাইডেনের সঙ্গে কাজ করব এবং তার পাশে থাকব।’ 

এ ফোন কলের ব্যাপারে কোন মন্তব্য করেনি ওবামা অফিস। তবে হোয়াইট হাউজের তরফ থেকে বলা হয়েছে অসাধারণভাবে করোনা মোকাবেলা করছে ট্রাম্প প্রশাসন।

সূত্র: রয়টার্স

চীনে করোনা-ভাইরাস পরিস্থিতি ভয়াবহ ...
ডেস্ক: চীনের হুবেই প্রদেশের রাজধানী উহানকে করোনাভাইরাসের আঁতুরঘর হিসেবে বিবেচনা করা হয়।এদিকে, নতুন এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, চীনে করোনার কবল থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন যারা তাদের ৫ থেকে ১৫ শতাংশ মানুষ ফের এই ভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছেন। 

সংবাদমাধ্যম  ‘ব্লুমবার্গ’ এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। আর এই  তথ্যই চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশনের চিকি‍ৎসকদের রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছে।

‘ব্লুমবার্গ’ এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, করোনা নিয়ে চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশনের নিয়মিত সাংবাদিক সম্মেলনে বৃহস্পতিবার এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য জানিয়েছেন পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়ের সংক্রামক রোগ বিভাগের পরিচালক ওয়াং গুইকিয়াং। 

তিনি জানান, বিভিন্ন অঞ্চলে করোনা মুক্ত রুগীর ফের মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার হার ভিন্ন। কোথাও ৫ শতাংশ, আবার কোথাও ১৫ শতাংশ।  তাছাড়া যারা দ্বিতীয়বার করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন, তাদের অনেকের মধ্যেই রোগের কোনও উপসর্গ ছিল না। যা বেশ উদ্বেগজনক।

এদিকে, কেন ফের সুস্থ রুগীরা আক্রান্ত হচ্ছেন তা বুঝতে পারছেন না স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। 

তবে অনেকেই মনে করছেন যে, করোনা পরীক্ষার ফলাফলের ক্ষেত্রে সঠিক তথ্য মিলছে না।

দয়া করে ইদ উপলক্ষে লকডাউন শিথিল ...
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: করোনা লকডাউনের মধ্যেই বিশ্বজুড়ে চলছে মুসলমানদের পবিত্র রোজা পালন। ব্যতিক্রম নয় ভারতের পশ্চিমবঙ্গ। সেখানেও লকডাউনের মধ্যেই রোজা করছেন মুসলিমরা। কিন্তু ঈদে কী হবে তা নিয়ে প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে অনেকের মধ্যেই। ঈদে কি লকডাউন শিথিল হবে? না কি ঘরবন্দি হয়েই কাটবে এবারের খুশির ঈদ? এসব জল্পনার মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি দিল ইমামদের সংগঠন। চিঠিতে মুখ্যমন্ত্রীকে তাদের অনুরোধ, দয়া করে ঈদে লকডাউন শিথিল করবেন না।

আনুমানিক আগামী ২৫ মে ঈদ। মুসলিম সম্প্রদায়ের সব থেকে বড় এই উৎসবে এবার ঝুলছে লকডাউনের কাঁটা। এরই মধ্যে ঈদের কেনাকাটা লাটে উঠেছে। তাতে সাধারণ মানুষের সঙ্গে মন খারাপ ব্যবসায়ীদেরও। তবে করোনা সংক্রমণ যে হারে ছড়াচ্ছে তার মধ্যে লকডাউনের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করছেন না কেউ। মুসলমানরাও না।

বিশেষ করে রাজ্যের একাধিক মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় সংক্রমণের বয়াল চেহারা। এই পরিস্থিতিতে লকডাউন শিথিল হলে কী যে ভয়াবহ পরিণতি হতে পারে তা বিলক্ষণ জানা আছে ইমামদের। তাই মুখ্যমন্ত্রীকে ঈদ উপলক্ষে লকডাউন না তোলার বিনীত অনুরোধ করেছেন তারা।

সঙ্গে ইমামদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকার ৩০ মে-র আগে লকডাউন তুলে নিলেও রাজ্য সরকার যেন তা না করে।

চিঠির একটি অংশে লেখা হয়েছে, ‘পশ্চিমবঙ্গের স্বার্থে অন্তত ৩০ মে পর্যন্ত লকডাউন বাড়িয়ে দিন। আগে মানুষ বাঁচুক, তার পর উৎসব। আমরা এত ত্যাগ করেছি, আরো করব।’

সূত্র- হিন্দুস্তান টাইমস।

করোনা শনাক্তে মোবাইল অ্যাপ – www ...
প্রযুক্তি ডেস্ক: করোনাভাইরাস সংক্রমণের উপসর্গ যাচাইয়ে একটি মুঠোফোন অ্যাপ আনার পরিকল্পনা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। চলতি মাসেই অ্যাপটি চালুর কথা রয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান তথ্য কর্মকর্তা বার্নার্দো মারিয়ানো টেলিফোনে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে গত শুক্রবার বিষয়টি জানান। তিনি বলেন, মুঠোফোনে ইনস্টল করার পর অ্যাপটি ব্যবহারকারীর উপসর্গ সম্পর্কে জানতে চাইবে। এরপর তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে অ্যাপটি বলে দেবে, ব্যবহারকারীর করোনা সংক্রমণের আশঙ্কা আছে কি না।

বার্নার্দো মারিয়ানো বলেন, সংক্রমণের আশঙ্কা থাকলে কীভাবে পরীক্ষা করাতে হবে, তা–ও জানিয়ে দেবে অ্যাপটি। এ ক্ষেত্রে অবশ্য দেশভেদে তথ্যের ভিন্নতা থাকবে। অ্যাপের বৈশ্বিক একটি সংস্করণ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অ্যাপ স্টোরে ছাড়বে। এরপর যেকোনো দেশের সরকার চাইলে অ্যাপের প্রযুক্তি ব্যবহার করে এতে নতুন সুবিধা যোগ করে নিজেদের মতো সংস্করণ ছাড়তে পারবে।

করোনা মোকাবিলায় ভারত, অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাজ্য এরই মধ্যে সরকারিভাবে নিজস্ব প্রযুক্তি ব্যবহার করে মুঠোফোন অ্যাপ ছেড়েছে। এসব অ্যাপের মাধ্যমে ব্যবহারকারী উপসর্গের ভিত্তিতে কোথায় গিয়ে করোনা পরীক্ষা করানো যাবে, তা জানতে পারছেন। একই সঙ্গে রোগী ও সন্দেহভাজন রোগীর সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের শনাক্ত করার কাজেও সহায়ক হচ্ছে এসব অ্যাপ।


আব্দুর রহমান ইমন, সন্দ্বীপ প্রতিনিধি: কোভিড-১৯ এর প্রভাবে থমকে আছে পুরো বিশ্ব। চারদিকে হাহাকার আর বাতাসে লাশের গন্ধ। চীন থেকে উৎপত্তি হয়ে ইউরোপ, আমেরিকাসহ বিশ্বের প্রায় উন্নত দেশগুলো করোনায় নাকাল। বিশ্বে মৃত্যুর সংখ্যা ছড়িয়েছে লক্ষাধিক। কোন উপায় ভেবে পাচ্ছে না উন্নত দেশের চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা।

বাংলাদেশেও এর প্রভাব পড়েছে। বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত ১৪ হাজারেরও বেশি আক্রান্ত, মৃত্যুর সংখ্যা ২ শত  ছাড়িয়েছে। 

দেশের বিচ্ছিন্ন উপজেলা সন্দ্বীপ। নদী মাতৃক এই দ্বীপে ৪ লক্ষেরও অধিক মানুষের বসবাস। কোভিড-১৯ এই দ্বীপেও হানা দিয়েছে। গাছুয়া ইউনিয়নে নাহিদ নামে একজনকে প্রথম সনাক্ত করা হয়। ৩ মে নাহিদের বন্ধু সার্কেল অনেকের নমুনা সংগ্রহ করে আজ ঘোষাণা আসে তাদের মধ্যে ৬ জন আক্রান্ত।

আক্রান্ত বাড়ছে কিন্তু সচেতনতা নেই দ্বীপে। দ্বীপের বাসিন্দারা এখনো অনিরাপদভাবে রাস্তাঘাটে চলাচল করছে। এখনো হাট-বাজারে সামাজিক দূরত্ব না মেনে চলা হচ্ছে না। সরকার কর্তৃক নির্দেশনা মেনে সীমিত পরিসরে ঈদ উপলক্ষে দোকানপাট খোলার নির্দেশ আসলেও কোন দোকানদার মানছে না সেই নির্দেশনা। নিয়ম ভঙ্গ করে চলছে বেচাকেনা। করোনা প্রতিরোধে নেই কোন সচেতনতাও। 

সরেজমিন ঘুরে এমনও দেখা গেছে, অনেক ছোট ছোট দোকানে এক সাথে ১০/১৫জন ক্রেতার ভীড়। শুধু বাজারে নয় সচেতনতা নেই ব্যাংকেও। অনিরাপদভাবে চলছে ব্যাংকিং। সামাজিক দূরত্ব মানা হচ্ছে না সেখানেও। রাস্তাঘাটে লোকজন দেখে মনে হবার উপায় নেই যে, দেশে একটা ভয়াবহ অবস্থা চলছে। প্রশাসন টহল দিলে একটু সচেতনতার ভাব দেখালেও এর পর যার যার মতো চলছে সবাই। 

বিশিষ্টজনরা মনে করছেন, নিয়ম-নির্দেশনা না মেনে এরকম অনিরাপদ চলাচল সন্দ্বীপের জন্য ভয়াবহ পরিস্থিতি ডেকে আনতে পারে। এভাবে চলতে থাকলে আগামী ৭ দিনে আক্রান্তের সংখ্যা ৭ জন থেকে ৭ শতজন হয়ে যাওয়াটা আশ্চর্যের কিছু হবে না।

কর্মহীন জনগোষ্ঠীকে আর্থিক সহায়তা ...
ডেস্ক: করোনাভাইরাসের কারণে সারা দেশের ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ লাখ দরিদ্র পরিবারকে শেষ পর্যন্ত আড়াই হাজার টাকা করে নগদ সহায়তা দিচ্ছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ১৪ মে বৃহস্পতিবার এ টাকা দেওয়ার কার্যক্রম উদ্বোধন করার কথা। শুরু হওয়ার পর চলবে ঈদের আগ পর্যন্ত। এতে সরকারের এক হাজার ২৫০ কোটি টাকা খরচ হবে। 

অর্থ মন্ত্রণালয় এবং দুর্যোগ ও ত্রাণ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

দুর্যোগ ও ত্রাণ ব্যবস্থাপনা প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান গতকাল শনিবার বলেন, 'করোনাভাইরাসের কারণে যেসব পরিবার বিপদে পড়েছে, তাদের মধ্য থেকে ৫০ লাখ পরিবারের একটি তালিকা করা হয়েছে। সেসব পরিবারকে আড়াই হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। ঈদের আগে টাকাটা তাদের কাজে লাগবে।' গ্রাম-শহর নির্বিশেষে এ টাকা দেওয়া হবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।

জানা গেছে, উদ্যোগটির সঙ্গে জড়িত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, দুর্যোগ ও ত্রাণ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ। আর পরিবার চিহ্নিত করা হয়েছে স্থানীয় সরকার অর্থাৎ জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন এবং ইউনিয়ন পরিষদকে নিয়ে। গত মাসে প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দেওয়ার পর পরিবার প্রতি এক হাজার টাকা করে দেওয়ার কথা ভাবা হয়েছিল। পরে ভাবা হয় দুই হাজার টাকা করে দেওয়ার। কিন্তু শেষের দিকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় আড়াই হাজার টাকা করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। কাল সোমবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ এ টাকা ছাড় করবে।

তালিকায় রিকশাচালক, ভ্যানচালক, দিনমজুর, নির্মাণশ্রমিক, কৃষিশ্রমিক, দোকানের কর্মচারী, ব্যক্তি উদ্যোগে পরিচালিত বিভিন্ন ব্যবসায় কর্মরত শ্রমিক, পোলট্রি খামারের শ্রমিক, বাস-ট্রাকের পরিবহন শ্রমিক ও হকারসহ নানা পেশার মানুষকে তালিকার মধ্যে রাখা হয়েছে বলে জানান দুর্যোগসচিব মো. শাহ্‌ কামাল। সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির সহায়তায় দরিদ্র জনগোষ্ঠী বর্তমানে যেসব সহায়তা পাচ্ছে, এ তালিকায় তাদের অন্তর্ভূক্ত করা হয়নি বলে জানা গেছে। তালিকার কাজ শেষ করা হয়েছে গত ৭ মে। অবশ্য এখনও যাচাইয়ের কাজ চলছে।

যোগাযোগ করলে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব আহমদ কায়কাউস গতকাল শনিবার মোবাইল ফোনে বলেন, চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে এ কার্যক্রম উদ্বোধন হতে পারে। এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সবাইকে জানানো হবে।

জানা গেছে, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সহায়তায় ইতিমধ্যে টাঙ্গাইল জেলায় একটা মডেল দাঁড় করানো হয়েছে। সেই মডেল অনুসরণ করেই করা হয়েছে তালিকা। কত পরিবারকে নগদ টাকা দেওয়া হবে-এ জন্য জেলাওয়ারি কোটাও বেধে দেওয়া হয়। তবে সিটি করপোরেশনের তালিকা করা হয়েছে বিভাগীয় কমিশনারদের তত্ত্বাবধানে। 
তালিকা করার প্রক্রিয়া নিয়ে জানতে চাইলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক হায়াত খান শনিবার বলেন, তাঁর জেলায় নগদ টাকা পাবে ৭৫ হাজার পরিবার। আর তালিকা করার কাজটি করেছে একটি কমিটি। ইউনিয়ন চেয়ারম্যান, সদস্য, সমাজের গণমান্য ব্যক্তি ও প্রশাসনের ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত কমিটিগুলো প্রায় এক মাস ধরে এ তালিকা তৈরির কাজে যুক্ত ছিলেন। একইভাবে পেৌরসভা পর্যায়ে ওয়ার্ডভিত্তিক কমিটি কাজ করেছে। 
বিশ্বব্যাংকের হিসাবে দৈনিক ২ ডলারের নিচে আয় করেন-দেশে এমন লোক আছেন ১৫ শতাংশের মতো, সংখ্যায় যা আড়াই কোটির কাছাকাছি। সরকার প্রতি পরিবারের সদস্য ৪ জন ধরে দিয়ে এখানে দুই কোটি মানুষকে বিবেচনায় রেখেছে। 

সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে সাবেক তত্ত্বাবায়ক সরকারের উপদেষ্টা এবি র্মিজ্জা মো. আজিজুল ইসলাম বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর সংখ্যা আরও বাড়বে। তারপরও আমি বলব এটা অবশ্যই সরকারের একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ।

মির্জ্জা আজিজ তালিকা তৈরির স্বচ্ছতা বিষয়ে জোর দেন। বলেন, 'আগে দেখা গেছে, যারা সাহায্য পাওয়ার দরকার তাদের পরিবর্তে শুধুই রাজনৈতিক বিবেচনায় তালিকা করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে দলমত নির্বিশেষে তালিকা করা হয়েছে বলেই আমি আস্থা রাখতে চাই।'
মির্জ্জা আজিজের কথার সূত্র ধরে তালিকাটি রাজনৈতিক পক্ষপাতদুষ্ট কিনা জানতে চাইলে সচিব শাহ্‌ কামাল বলেন, প্রতিটি এলাকার তালিকা থেকে ১০ শতাংশ করে নমুনাভিত্তিতে ইতিমধ্যে তা যাচাইয়ের কাজ চলছে। অনিয়ম পাওয়া গেলে ওই এলাকার ১০০ শতাংশ তালিকা নতুন করে করা হবে।

পৌঁছানোর খরচ ৭৫ কোটি টাকা:
সূত্রগুলো জানায়, পরিবারগুলোকে টাকা দেওয়া হবে মূলত মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (এমএফএস) মাধ্যমে। এর মধ্যে রয়েছে বিকাশ, রকেট, নগদ এবং শিউরক্যাশ। অর্থাৎ নগদ সহায়তা হলেও কাউকে নগদে টাকা দেওয়া হবে না। এ ক্ষেত্রে এমএফএসগুলো বড় আকারের ভর্তুকি দিচ্ছে সরকার। টাকা পৌঁছানোর জন্য এমএফএসগুলো পাবে প্রতি হাজারে মাত্র ৬ টাকা। হাজারে ৬ টাকা হিসাবেই পৌঁছানোর মোট খরচ দাঁড়ায় ৭৫ কোটি টাকা। এ টাকা সরকার বহন করবে। পরিবারগুলোর কোনো টাকা দিতে হবে না। তারা পুরো আড়াই হাজার টাকাই পাবে।

মোট ৫০ লাখ পরিবারের কাছে টাকা পাঠানোর কাজের মধ্যে বিকাশের ভাগে রয়েছে ১৫ লাখের দায়িত্ব। সবচেয়ে বেশি ১৭ লাখ পরিবারের কাছে টাকা পাঠাবে নগদ। বাকি ১৮ লাখ পরিবারের কাছে পৌঁছাবে রকেট ও শিউরক্যাশ। 
বিকাশের করপোরেট কমিউনিকেশনস বিভাগের প্রধান শামসুদ্দিন হায়দার ডালিম আজ রোববার বলেন, ‌'বিকাশে লেনদেনের খরচ হাজারে ১৮ টাকা ৫০ পয়সা। আমরা পাব ৬ টাকা। বাকি ১২ টাকা ৫০ পয়সা ভর্তুকি দিতে হবে আমাদের। তবু আমরা এই শুভ উদে্যাগের সঙ্গে থাকতে পেরে খুশি।'

সীরাত সাহিত্যের প্রবর্তক মাওলানা ...
প্রবচন ডেস্ক: ইসলামী চিন্তাবিদ, সাহিত্যিক ও মাসিক মদীনার সম্পাদক মাওলানা মুহিউদ্দীন খান রহ.- এর সহধর্মীনি ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

আজ রোববার বিকেল ৪.২০ মিনিটে গ্যান্ডারিয়ার নিজ বাড়িতে তিনি ইন্তেকাল করেন বলে জানা গেছে।

মরহুমা দীর্ঘদীন কিডনীর রোগে আক্রান্ত ছিলেন বলে জানা যায়। মৃত্যুকালে এই মহিয়সী নারীর বয়স হয়েছিলো ৮০ বৎসর। তিনি দুই সন্তান রেখে পরপারে পাড়ি জমান।

জানা গেছে, এর আগে ফেব্রুয়ারি মাসের ২৫ তারিখে গুরুতর অসুস্থ হলে তাকে চিকিৎসার জন্য ঢাকার পান্থপথের সমরিতা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মাওলানা মুহিউদ্দীন খান রহ.-এর মতই তাঁর সহধর্মীনির ফুসফুসে পানি জমেছিলো।

মরহুমার রূহের মাগফিরাত কামনায় সকলের কাছে পরিবারের পক্ষ থেকে  দোয়ার আহ্বান করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,  মাওলানা মুহিউদ্দিন খান রহ. একজন সাংবাদিক, সাহিত্যিক, ইসলামী চিন্তাবিদ, বহু গ্রন্থ প্রণেতা ও মাসিক মদীনার সম্পাদক ছিলেন।  ২০১৬ সালের ২৫ জুন মারা যাওয়ার পূর্ব পর্যন্ত মাসিক মদীনার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বপালনের পাশাপাশি মুফতী মুহাম্মাদ শফী উসমানীর রচিত মা’রেফুল কোরআনের বাংলা অনুবাদ করেছেন তিনি।

কে এই 'ক্রিকেট পাগল' আকবর আলী
ডেস্ক: তাদের বৃহস্পতি ছিল তুঙ্গে, প্রজাপতির মত ডান মেলে ওড়ার কথা ছিল এখন। কিন্তু করোনা এসে সব লণ্ডভণ্ড করে দিয়েছে। খেলাধুলা একদমই বন্ধ। কেমন যাচ্ছে দিনকাল? কোয়ারেন্টাইনের সময় কাটছে কীভাবে, সে কথা জানিয়েছিলেন যুব বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক আকবর আলী।

এখনও তাই বলছেন, ‘বিকেএসপিতে ২০১২ সালে ভর্তির পর থেকে এত বড় ছুটি পাইনি আমরা। একমাসের ওপরে বাসায় থাকা হয়নি কখনও। সেদিক থেকে এ ছুটি অন্যরকম। রমজানের আগে মুভি দেখে সময় কাটানোর চেষ্টা করেছি। তবে রোজা শুরুর পর থেকে আর মুভি দেখা হয় না। ওসব বাদ দিয়ে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে কুরআন শরীফ তেলাওয়াতের চেষ্টা করি।’

যুব বিশ্বকাপের ফাইনালে ব্যবহৃত জার্সি ও ব্যাটিং গ্লাভস নিলামে তোলা উপলক্ষে করা ফেসবুক লাইভেও নিজের ব্যাটিংয়ের মতই পরিপাটি ও সাজানো গোছানো আকবর। নিজের স্মারক নিলামে তোলার ব্যাপারে তার ব্যাখ্যা, ‘বিশ্বকাপের সবগুলো স্মারকই স্পেশাল। এগুলো দিয়ে যদি কারও সাহায্য হয়, তাহলে অন্যরকম সন্তুষ্টি। আমার এ ক্ষুদ্র প্রয়াসে যদি একটু হলেও কারও সাহায্য হয় সেটাও অনেক বড়।’

ফাইনালে ব্যাটিংয়ের সময় কি খুব নার্ভাস ছিলেন? ফেসবুক লাইভে এমন প্রশ্নের মুখোমুখি হয়ে আকবর আলী জানিয়ে দিলেন, ‘নাহ! নার্ভাস না ঠিক। ঐ সময়টা বাড়তি চাপ ছিল, ফাইনাল ম্যাচ। শুধু ফাইনাল না, ঐ কন্ডিশনে একটু তো চাপ থাকারই কথা। তবে আমরা নার্ভটা ঠিক রাখার চেষ্টা করেছিলাম। বল প্রচুর ছিল। রান কম দরকার ছিল। চেষ্টা করেছিলাম যাতে বেশি সময় উইকেটে থেকে বেশি বল খেলা যায়।’

যুব বিশ্বকাপে শিরোপা জেতানোর নায়ক ভাবা হচ্ছে তাকে। কিন্তু শুনে অবাক হবেন, আকবর মোটেও নিজের কৃতিত্বকে বড় করে দেখছেন না। তার বিশ্বাস, ওটা মহান সৃষ্টিকর্তার দয়া ও কৃপার ফল।

ফাইনালে দল জেতানো ব্যাটিং সম্পর্কে বলতে গিয়ে আকবর আলী বলেন, ‘আল্লাহর রহমত ছিল। আল্লাহর ইচ্ছেতেই হয়েছে। আমরা বিশ্বকাপের অগে দুই বছর অনেক প্র্যাকটিস করেছি। কষ্ট করেছি। আল্লাহ সেটারই ফল দিয়েছেন। আমি সৌভাগ্যবান যে ঐ সময়ে পারফরম করতে পেরেছি।’

শিরোপা জেতার পরের অনুভূতি সম্পর্কে আকবরের মন্তব্য, ‘ফাইনাল জেতার পরের দুই-তিন ঘন্টার অনুভুতি বলে বোঝাতে পারব না। তবে একটি কথা বলে রাখি, তা হলো আসলে আমি তো আর একা জিতিনি। খেলেছে আমাদের দল। পুরো দলের কষ্ট ও পরিশ্রমের ফসল ছিল ঐ বিশ্বকাপ জয়। এ কৃতিত্ব প্রতিটি ক্রিকেটারের । আমার একার না।’

বখাটের উৎপাতে ভোগানিত্ম মাঠে কাজ ...
নিজস্ব প্রতিবেদক: করোনা পরিস্থিতিতে দুই মার্কেটের সকল দোকানের দুই মাসের ভাড়া মওকুফ করেছেন চট্টগ্রামের হাটহাজারীর এক মার্কেট মালিক। শনিবার সকালে এন জহুর শপিং সেন্টার এবং সিটি সেন্টারের মালিক সরওয়ার মোর্শেদ মার্কেটের দোকানদারদের সঙ্গে বৈঠক করে এ ঘোষণা দেন। সেই সাথে করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত মার্কেট বন্ধ রাখার কথাও বলেন তিনি।

সরওয়ার মোর্শেদ বলেন, ‘করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ রয়েছে। তাই মানবিক বিষয়ে চিন্তা করে আমার মালিকানাধীন দুই মার্কেটের পৌনে চারশ দোকানের এপ্রিল ও মে মাসের দোকান ভাড়া মওকুফ করা হয়েছে। একই সাথে করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত মার্কেট বন্ধ থাকবে।

সিটি সেন্টার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশিদ মামুন বলেন, প্রায় দুই মাস ধরে ব্যবসা হচ্ছে না। দোকানদাররা খুব কষ্টের সাথে জীবনযাপন করছে। ব্যবসায়ীদের কথা চিন্তা করে মার্কেট মালিক কর্তৃপক্ষ যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে তার কোন তুলনায় নেই।


First Clinical Trial for Potential COVID-19 Vaccine Approved in ...
ডেস্ক: করোনাভাইরাস মহামারীর থাবায় বিশ্ব আজ জবুথুবু হয়ে পড়েছে। একের পর এক দেশে চলছে লকডাউন, স্থবির হয়ে পড়েছে বিশ্ব অর্থনীতির চাকা। ঠিক এসম সময়ে সুখবর দিল চীন। সম্প্রতি বানরের শরীরে একটি নতুন উদ্ভাবিত ভ্যাকসিন (প্রতিষেধক) প্রয়োগ করে শতভাগ সাফল্য পেয়েছেন চীনা গবেষকরা। খবর ডিএনএ ইন্ডিয়ার।

তারা বলছেন, বানরের শরীরে একটি নতুন উদ্ভাবিত ভ্যাকসিন প্রয়োগ করে শতভাগ সাফল্য পেয়েছেন। ভ্যাকসিনটির নাম পিকোভ্যাক। বেইজিংভিত্তিক প্রতিষ্ঠান সিনোভ্যাক বায়োটেক এ ভ্যাকসিন তৈরি করেছে। প্রতিষ্ঠানটির বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, প্রচলিত ভাইরাসপ্রতিরোধী প্রক্রিয়াই অনুসরণ করেই ভ্যাকসিনটি তৈরি করা হয়েছে। কোনো প্রাণীর শরীরে এটি প্রয়োগ করলে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়, যা ভাইরাস ধ্বংস করতে সহায়তা করে।

টাইমস অব ইন্ডিয়াতে বলা হয়েছে, মার্চ মাসের শুরুতে রিসাস ম্যাকাকিউস প্রজাতির একদল বানরের শরীরে নতুন উদ্ভাবিত পিকোভ্যাক ভ্যাকসিনটি প্রয়োগ করেন চীনা গবেষকরা। এর তিন সপ্তাহ পরে বানরগুলোকে করোনাভাইরাসের সংস্পর্শে নেয়া হয়। এক সপ্তাহ পরে দেখা যায়, যেসব বানরের শরীরে ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হয়েছিল তারা করোনায় সংক্রমিত হয়নি।
আর যেসব বানরকে ভ্যাকসিন দেয়া হয়নি তাদের ফুসফুসে করোনাভাইরাসে উপস্থিতি পাওয়া যায়। তাদের মধ্যে কয়েকটির শরীরে নিউমোনিয়ার উপসর্গও দেখা দেয়। এপ্রিলের মাঝামাঝি পর্যায়ে এ গবেষণার ফলাফল লাভের পর মানবদেহেও পিকোভ্যাকের ট্রায়াল শুরু করে বিজ্ঞানীরা।

উল্লেখ্য, মহামারী করোনাভাইরাস প্রতিরোধে এর ভ্যাকসিন তৈরিতে গবেষণাগারে নিরলস শ্রম দিয়ে যাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। ভ্যাকসিনটির দ্রুত আবিষ্কারে ঝুঁকি নিয়েই সরাসরি মানবদের এর প্রাথমিক পরীক্ষা চালিয়েছেন যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্রের ভাইরোলজিস্টরা। সেসব পরীক্ষায় এখনও শতভাগ সাফল্য না আসলেও ভিন্ন এক সফলতার কথা জানাল চীনের বিজ্ঞানীরা।

-বিপি

ময়মনসিংহে অস্ত্রসহ গ্রেফতার যুবলীগ নেতা শাওনকে বহিষ্কার
ডেস্ক: বিপুল পরিমাণ অস্ত্রসহ গ্রেফতার ময়মনসিংহ মহানগর যুবলীগের সদস্য ইয়াসিন আরাফাত শাওনকে (৩৬) সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। 

মহানগর যুবলীগের আহবায়ক শাহীনুর রহমান শনিবার সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, কেন্দীয় যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন নিখিলের নির্দেশে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

এর আগে, শনিবার ভোরে মহানগরীর চামড়াগুদামের বাসায় অভিযান চালিয়ে ছয় সহযোগীসহ শাওনকে গ্রেফতার করা হয়। 
গ্রেফতার অন্যরা হচ্ছেন, মাসুদ পারভেজ (৩০), রায়হান আহমেদ রাজীব (২৮), মানিক মিয়া (২৭), হৃদয় আহমেদ (১৮), রাজীব (৩০) ও বাপ্পী খা (৩৬)।

শনিবার বিকালে র‌্যাব-১৪’র কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এমন তথ্য জানিয়ে অধিনায়ক লে. কর্নেল এফতেখার উদ্দিন বলেন, তাদের কাছ থেকে দুইটি পিস্তল, একটি রিভালভার, তিনটি ম্যাগাজিন দুইটি শর্টগান, একটি টেলিস্কোপিক সাইট, সাতটি রামদাসহ বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র, গোলাবারুদ, ইয়াবা এবং অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরও বলেন, ইয়াসিন আরাফাত শাওন ও তার ভাই মাসুদ পারভেজ ময়মনসিংহের শীর্ষ সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ। তাদের নামে বিভিন্ন থানায় অস্ত্র, চাঁদাবাজি, চোরাচালান, ছিনতাই ডাকাতি ও মাদকের সাত থেকে আটটি মামলা রয়েছে।

-বিপি

ঈদের ছুটি শেষে বেনাপোল বন্দর দিয়ে ...
ডেস্ক: শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সীমান্ত বাণিজ্য বন্ধ করেই দিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অভিযোগ, দেশে লকডাউন চলায় পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্ত বাণিজ্য খুলে দিলে কার্যত বিপদের মুখে পড়বে পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশ। দুই দেশেই এখন ছড়িয়ে আছে করোনাভাইরাস।

তাই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য সচিব রাজীব সিনহা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব অজয় ভাল্লাকে গতকাল শুক্রবার এক চিঠিতে জানিয়ে দেন, পশ্চিমবঙ্গের আন্তর্জাতিক সীমান্ত পথে পণ্যবাহী ট্রাক চলাচল করতে দেওয়া সম্ভব নয়। তিনি লিখেছেন, করোনা নিয়ে সীমান্ত এলাকায় আতঙ্ক রয়েছে। পণ্যবাহী গাড়ি বাংলাদেশে প্রবেশের পর পণ্য খালাস করে ফিরে আসার অনুমতি দিলে সীমান্তের নাগরিকদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হতে পারে। কারণ, করোনার প্রকোপ থেকে মুক্ত নয় প্রতিবেশী বাংলাদেশ। দেশের নাগরিকদের স্বার্থেই পশ্চিমবঙ্গ সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

ভারতে এখন তৃতীয় পর্যায়ের লকডাউন চলছে দেশব্যাপী। এই লকডাউন শেষ হওয়ার কথা ১৭ মে। কিন্তু এই লকডাউনের মধ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশে গত ৩০ এপ্রিল থেকে বেনাপোল-পেট্রাপোল সীমান্ত পথে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের স্থলবাণিজ্য শুরু হয়। তবে তা বন্ধ হয়ে যায় তিন দিনের মাথায় গত রোববার।

এতে ক্ষুব্ধ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এরপরেই গত মঙ্গলবার অবিলম্বে সীমান্ত বাণিজ্য শুরু করার নির্দেশ দেয়। ওই দিন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য সচিবকে লেখা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব অজয় ভাল্লার এক চিঠিতে বলা হয়, কেন্দ্রীয় সরকার গত ২৪ এপ্রিল জানিয়েছিল, বাংলাদেশ, নেপাল, ভুটান সীমান্ত দিয়ে জরুরি পণ্য আমদানি-রপ্তানিতে ছাড় দিতে হবে এবং এ-সংক্রান্ত নির্দেশ রূপায়ণে একটি রিপোর্টও পাঠাতে হবে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কোনো রিপোর্ট দেয়নি পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার। চিঠিতে আরও বলা হয়, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানতে পেরেছে, পশ্চিমবঙ্গ-বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে শুরু করা হয়নি আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য। ফলে অসংখ্য ট্রাক জরুরি পণ্য নিয়ে আটকে পড়েছে সীমান্তে। বহু ট্রাকচালক ফিরতে পারছেন না। তাঁরা অনেকেই আটকে আছেন সীমান্তে।

স্বরাষ্ট্রসচিব তাঁর চিঠিতে আরও বলেছেন, ১ মে লকডাউন বিধিসংক্রান্ত এক নির্দেশেও জানানো হয়েছিল, কোনো রাজ্য বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল নিজেদের এলাকার সীমান্ত দিয়ে প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে পণ্য চলাচল বা স্থলবাণিজ্য বন্ধ করতে পারবে না। বিষয়টি উল্লেখ করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব রাজ্যের মুখ্য সচিবকে লেখেন, এক তরফাভাবে পদক্ষেপ গ্রহণ করে পশ্চিমবঙ্গ সরকার সীমান্ত পথে জরুরি পণ্য চলাচল বন্ধ রেখেছে। এটা যে দেশের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের আইনি বাধ্যবাধকতার ওপর বিরাট প্রভাব ফেলতে পারে, তা উল্লেখ করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব লেখেন, রাজ্য সরকারের এহেন পদক্ষেপ দেশের বিপর্যয় মোকাবিলা আইন ও সংবিধানে দেওয়া অধিকার অমান্য করার শামিল। স্বরাষ্ট্রসচিব এরপর মুখ্য সচিবকে অনুরোধ জানান, সীমান্ত বাণিজ্যে পণ্য চলাচলে ছাড় দিতে।

এরপরই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য সচিব রাজীব সিনহা এক চিঠিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব অজয় ভাল্লাকে গতকাল জানিয়ে দেন, এই মুহূর্তে সীমান্ত বাণিজ্য শুরু করা সম্ভব নয় করোনার কারণে। যদিও গত ৩০ এপ্রিল বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশে পেট্রাপোল-বেনাপোল সীমান্তপথে বাংলাদেশের সঙ্গে স্থলবাণিজ্য শুরু হয়েছিল। কিন্তু গত রোববার ৩ মে স্থানীয় বাসিন্দাদের বিক্ষোভ ও অবরোধের মধ্যে বন্ধ হয়ে যায় বাংলাদেশের সঙ্গে এই আন্তর্জাতিক বাণিজ্য।

-পিএ

কুড়িগ্রামে খাবারের দাবিতে সড়ক ...
ডেস্ক: কুড়িগ্রামে ত্রাণের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করেছেন এলাকাবাসী। শনিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সদর উপজেলার কাঁঠালবাড়ী ইউনিয়নের বাজার এলাকায় কুড়িগ্রাম-রংপুর মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন প্রামানিকটারী, শিবরাম, ভানুরভিটা ও খামারসহ বিভিন্ন গ্রামের তিন শতাধিক মানুষ। 

অবরোধকারীদের অভিযোগ, ইউনিয়ন পরিষদ থেকে তাদের আইডি কার্ডের ফটোকপি নেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত ত্রাণ সহায়তা দেওয়া হয়নি। কর্মহীন থাকায় কষ্টে পড়ে তারা রাস্তায় নেমেছেন।  

এ অবস্থায় দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ময়নুল ইসলাম, থানার ওসি মো. মাহফুজার রহমান ও কাঁঠালবাড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রেদওয়ানুল হক দুলাল ঘটনাস্থলে যান। এ সময় ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের সঙ্গে ত্রাণ পাওয়া না পাওয়া নিয়ে তর্কাতর্কি শুরু হয়। এরই এক পর্যায় ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার গাড়ির পেছনের গ্লাস ভাংচুর করার ঘটনা ঘটলে তারা সেখান থেকে চলে আসেন। 

এরপর উপজেলা চেয়ারম্যান আমান উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু ও থানার ওসি মো. মাহফুজার রহমান অবরোধকারীদের শান্ত করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। এ সময় যারা পাননি তাদের ত্রাণ দেওয়া হবে বলে আশ্বাস দিলে অবরোধকারী বাড়ি ফিরে যান।  

এদিকে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রেদওয়ানুল হক দুলাল জানান, তার ইউনিয়নে কর্মহীন হওয়ার কারণে কষ্টে পড়েছেন এমন ৭ হাজার মানুষের তালিকা করা হয়েছে। এরমধ্যে ১ হাজার ৭৬১ জনকে সরকারি ত্রাণ সহায়তা দেওয়া হয়েছে। সরকারের মানবিক সহায়তার জন্য ১ হাজার ৩৪২ জনের তালিকা করা হয়েছে। এছাড়া এখানে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ১০ টাকা কেজি দরে চাল পাচ্ছেন ২ হাজার ৪৪১ জন। ভিজিডি কার্ডের আওতায় বিনামূল্যে ৩০ কেজি করে চাল পাচ্ছেন ৩০১ জন। সেইসাথে বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা ও প্রতিবন্ধী ভাতা পাচ্ছেন ১ হাজার ৩৮৭ জন। তারপরও কারও যদি ত্রাণ প্রয়োজন হয় তা চাইলে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানালেও অবরোধকারীরা তা মানেননি। 

তিনি অভিযোগ করেন, মহিলা সদস্য মর্জিনা বেগম ও তার ছেলে এলাকার লোকজন দিয়ে এ অবরোধ করিয়েছেন। 

ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ময়নুল ইসলাম জানান, কেউ ত্রাণ না পেয়ে থাকলে তাকে দেওয়া হবে- এমন কথা বলা হলেও তারা তা না শুনে চড়াও হওয়ার চেষ্টা করে। এরই এক পর্যায়ে গাড়ির পেছনের গ্লাস ভেঙ্গে দেয় তারা। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

-পিএ

দরুদ শরীফ : দুআ কবুলের গুরুত্বপূর্ণ ...
ডেস্ক: পাকিস্তানের সাবেক বিচারপতি, ফকিহুল আসর, মুফতি তাকি উসমানী দারুল উলুম করাচিতে মাহে রমজান বিষয়ক সেমিনারে বক্তব্য দিতে গিয়ে বলেন, রমজান শুধু তারাবি আর রোজা রাখার মাঝে যেন সীমাবদ্ধ না হয়। বরং রমজানে আরও দুটি কাজ গুরুত্বপূর্ণ, যেগুলো মেনে চললে মাসটি আমাদের জন্য সারাজীবনের খুশি আর আনন্দের মাধ্যম হতে পারে। পরকালে নাজাতের উসিলা হতে পারে।

[সে দুটি কাজের মধ্যে একটি হচ্ছে, এ নিয়ত করা যে আমি পবিত্র মাসটি তে কোনেও ধরনের গুনাহ করবো না। সব ধরনের গুনাহ থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখবো। এমন কোনো কাজও করবো না যেগুলো গুনাহের দিকে নিয়ে যায়।

রমজানে মানুষ আল্লাহর জন্যেই খাবার খাওয়া পানি পান করা ছেড়ে দেয়। খাবার পানীয় আমাদের জন্য হালাল ছিলো, আমরা সেগুলো আল্লাহর জন্য হারাম করে নিয়েছি। শুধু একমাত্র আল্লাহ তায়ালার জন্য। আবার এমন খাবার বা কাজ যেগুলো আগের থেকেই হারাম সেগুলো যদি আমরা না ছাড়ি তাহলেও এ রমজানে আমাদের সফলতা সম্ভব নয়।

যেমন কেউ গীবত করলো, অথবা মিথ্য বললো। সেগুলোও তার জন্য হারাম। আমরা রোজা রাখলাম ঠিকই, কিন্তু মিথ্যা ছাড়লাম না। গীবত ছাড়লাম না। তাহলে তো আমাদের তাকওয়া অর্জন হলো না।

এমনকি কোনো নারীর দিকে তাকালো যেটা তারজন্য হারাম। তাহলে কীভাবে রমজানে কীভাবে আমাদের তাকওয়া অর্জন হবে? কমপক্ষে আমরা সবাই এ ওয়াদা করতে পারি, এ রমজানে আমরা কোনও ধরেণের গুনাহ করবো না। কানে এমন কিছু শুনবো না যাতে গুনাহ হয়। মুখে এমন কিছু বলবো না যাতে গুনাহ হয়। হাতে এমন কিছু করবো না যাতে গুনাহ হয়।

আর সবচেয়ে বড় গুরুত্বের বিষয় হলো আমার মুখে যেন কোনও হারাম লোকমা না যায়, হারাম খাদ্য না যায়। এটা কেমন কথা, আমি সারাদিন আল্লাহর জন্য রোজা রাখলাম আর ইফতার করলাম হারাম খাবার দিয়ে। ধোকার টাকা দিয়ে, সুদের টাকা দিয়ে। তাহলে কিভাবে আমার রোজা আল্লাহর দরবারে কবুল হবে।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে এ ইবাদতের মাসে বেশি বেশি ইবাদত করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের তাওফিক দান করুন। আমিন। 

সূত্র: ইন্টারনেট

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget