Latest Post

একাকী ইবাদতের মাধ্যমে শবে বরাত পালন ...
বিশেষ প্রতিবেদক: শায়খুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফী বলেছেন, বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে দূরদূরান্ত থেকে হাটহাজারীতে ইতেকাফ করার উদ্দেশ্যে না আসার জন্য আমার খলিফা ও ভক্ত-মুরিদদের প্রতি বিশেষভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি।

আল্লামা শাহ আহমদ শফী আরো বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে আপনারা ইতেকাফের উদ্দেশ্যে হাটহাজারীতে না এসে নিজ নিজ এলাকার মসজিদে ইতেকাফ ও ইসলাহী মেহনত করুন। আল্লাহর দিকে রুজু হোন। আল্লাহর দিকে রুজু হওয়া ছাড়া এই চলমান মহামারী থেকে বাঁচার আর কোন উপায় নেই। বেশী বেশী তাওবা ইস্তেগফার করুন। আমার বাতানো তরীকতের ছয়টি অজিফা গুরুত্বসহ নিয়মিত পালন করুন। আমি নিজেও এবছর ইতেকাফ দিবো না।

আপনারা আমার জন্য এবং সারা বিশ্বের মুসলমানদের জন্য দোয়া করুন। বিশেষ করে চলমান মহামারী থেকে মুক্তির জন্য বিশেষ ভাবে আল্লাহর দরবারে দোয়া করুন।

জয়পুরহাটের পাঁচবিবি থেকে জব্দ করা আহাদ পরিবহনের বাস। ছবি: প্রথম আলো
ডেস্ক: করোনায় আক্রান্ত সন্দেহে এক ব্যক্তির লাশ নিয়ে তাঁর মাকে জোর করে সড়কের পাশে ফেলে যাওয়ার ঘটনায় দূরপাল্লার আহাদ পরিবহনের সেই বাসটি জব্দ করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে জয়পুরহাটের পাঁচবিবি থানার পুলিশ বাগজানা এলাকা থেকে বাসটি জব্দ করেছে। তবে বাসের চালক ও সহকারীকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।

পাঁচবিবি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনছুর রহমান আহাদ পরিবহনের বাসটি জব্দ করার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। ওসি বলেন, আহাদ পরিবহনের বাসটি থানায় আনা হয়েছে। বাসের চালক ও সহকারী পলাতক থাকায় তাঁদের আটক করা যায়নি।

প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তি ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দিবাগত রাতে নওগাঁগামী আহাদ পরিবহনের বাসটি যাত্রী নিয়ে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসে। বাসটিতে অসুস্থ ছেলে মিজানুর রহমানকে সঙ্গে নিয়ে তাঁর মা সোহাগী বেগম বাড়িতে আসছিলেন। বাসের ভেতর ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় মারা যান মিজানুর রহমান। বাসের চালক ও সহকারীকে মিজানুর রহমানের মা তাঁর ছেলের মৃত্যুর ঘটনাটি জানান। বিষয়টি জানতে পেরে তাঁরা মিজানুর করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন বলে সন্দেহ করেন। এ কারণে তাঁরা মিজানুরের লাশসহ তাঁর মাকে জয়পুরহাট-বগুড়া আঞ্চলিক মহাসড়কের জয়পুরহাট সদর উপজেলার হিচমি বাজারের সড়কের পাশে রাতেই জোর করে নামিয়ে দিয়ে যান। এই সময় সোহাগী বেগম ছেলের লাশসহ তাঁকে তাঁদের গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার জন্য বাসের চালক ও সহকারীর কাছে অনেক অনুরোধ করলেও তাঁরা তা রাখেননি।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, জয়পুরহাট সদর উপজেলার হিচমি বাজারের সড়কের পাশে নামিয়ে দেওয়ার পর সোহাগী বেগম একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সামনে ছেলের লাশ নিয়ে বসে ছিলেন। করোনায় মারা গেছেন সন্দেহে কেউ মিজানুরের লাশের কাছে যায়নি। মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত মা তাঁর ছেলের লাশের পাশে বসে বিলাপ করছিলেন। পরে স্থানীয় লোকজন ঘটনাটি প্রশাসনকে জানান।

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকাল সাতটার পর জয়পুরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিল্টন চন্দ্র রায় স্বাস্থ্য বিভাগের লোকজনকে নিয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। তাঁরা মারা যাওয়া ব্যক্তি ও তাঁর মায়ের নমুনা সংগ্রহ করেন। এরপর প্রশাসনের সহযোগিতায় ছেলের লাশসহ বৃদ্ধ মাকে নওগাঁর ধামইরহাটের জাহানপুরে গ্রামের বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। জয়পুরহাট পুলিশ সুপারের নির্দেশে আহাদ পরিবহনের বাসটি খুঁজে বের করার জন্য অভিযান শুরু করে পুলিশ। পরে পাঁচবিবি থানা-পুলিশ মঙ্গলবার রাতে বাগজানা এলাকা থেকে আহাদ পরিবহনের বাসটি জব্দ করে। বাসের চালক ও সহকারী আগেই পালিয়ে যাওয়ায় তাঁদের আটক করতে পারেনি পুলিশ।

ইউএনও মিল্টন চন্দ্র রায় বলেন, ‘মিজানুর রহমানের মা আমাকে জানিয়েছেন, তাঁর ছেলে হৃদ্‌রোগে ভুগছিলেন। মিজানুর তাঁকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকায় তাঁর মেয়েকে দেখতে গিয়েছিলেন। সোমবার রাতে আহাদ পরিবহনের বাসে বাড়ি ফিরছিলেন তাঁরা। বাসের ভেতর ঘুমের মধ্যে তাঁর ছেলে মারা যান। বাসচালক ও সহকারী ছেলের মরদেহসহ তাঁকে হিচমি বাজারের সড়কের পাশে নামিয়ে দিয়ে দ্রুত চলে যায়। আমি সকালে ঘটনাটি জানার পরপরই ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। স্বাস্থ্য বিভাগের লোকজন মৃত ব্যক্তি ও তাঁর মায়ের নমুনা সংগ্রহ করেছেন। মা তাঁর ছেলের লাশটি বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন। আমি ধামইরহাট উপজেলা প্রশাসনকে বিষয়টি জানিয়েছি। এরপর ছেলের লাশসহ মাকে তাঁদের বাড়িতে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।’


বিশেষ প্রতিবেদক: গতকাল ১২ মে দুপুরে বাংলাদেশের দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকার অনলাইন সংস্করণে রকি বড়ুয়া নামে এক ব্যক্তি গ্রেপ্তার হওয়ার খবর প্রকাশ করা হয়। ‘সাঈদী পুত্রের সাথে বৈঠক করা বিতর্কিত সেই রকি বড়ুয়া গ্রেফতার’ শিরোনামের ওই খবরের একটি অংশে বলা হয়-


ডেস্ক নিউজ: হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব ও হাটহাজারী মাদ্রাসার সহযোগী পরিচালক আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীর নামে মিথ্যা রিপোর্ট করায় দৈনিক পত্রিকা বাংলাদেশ প্রতিদিনের বিরুদ্ধে বাবুনগরীর পক্ষ থেকে ১০ লক্ষ টাকার চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে।


সংবাদ মাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে
বাবুনগরী পক্ষে দশ লক্ষ টাকার চ্যালেঞ্জ করেছেন হেফাজতে ইসলামেল বাংলাদেশ হাটহাজারী থানার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা জাকারিয়া নোমান ফয়জী।


তিনি বলেন,সাঈদির মুক্তি বা অন্য কোন বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর সাথে আল্লামা বাবুনগরীর রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেছেন মর্মে বাংলাদেশ প্রতিদিনে যেই রিপোর্ট করা হয়েছে তা নির্জলা মিথ্যাচার। আমরা এ নির্জলা মিথ্যাচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। 


জাকারিয়া নোমান ফয়জী আরও বলেন জামায়াতে ইসলামীর সাথে আল্লামা বাবুনগরীর নূন্যতম সম্পর্ক নেই। বরং সর্ব সময় আল্লামা বাবুনগরী তার বয়ান বক্তৃতা ও লেখনীর মাধ্যমে সর্ব সময় জামায়াতে ইসলামীর ভ্রান্ত আকিদা জাতির সামনে তুলে ধরে জাতিকে সতর্ক করে আসছেন।


সাঈদীর মুক্তির বিষয়ে জামায়াতের কোনো নেতা কর্মীর সাথে আল্লামা বাবুনগরী কোনো বৈঠক করেছে তা যদি কেহ প্রমাণ করতে পারে তাহলে তাকে দশ লক্ষ টাকা দেওয়া হবে।


তিনি আরো বলেন, দেশের সর্বজন শ্রদ্ধেয় আলেম আল্লামা বাবুনগরীর নামে নির্জলা মিথ্যাচার করে বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকা তার মানহানি করেছে। অনতিবিলম্বে যদি এই মিথ্যা রিপোর্টের জন্য যদি কর্তৃপক্ষ ক্ষমা না চায় তাহলে এই পত্রিকার বিরুদ্ধে কোটি টাকার মানহানী মামলা করব। এই নির্জলা মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে এ দেশের লক্ষ কোটি তৌহিদি জনতা দূর্বার আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবে।

হাবীব আনওয়ার: প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে একটি সুপ্ত আশা থাকে। থাকে কল্পনা ও সুদূরপ্রসারী চিন্তা চেতনা। নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে মানুষ কত কষ্ট করে! রাতদিন এক করে নিজেকে নিঃশেষ করে দেয়। অনেকে লক্ষ্য পৌঁছানোর আগেই এই পৃথিবী ছেড়ে চলে যায়। আবার অনেকে কষ্ট ছাড়াই সফলতার শীর্ষ চূড়ায় আহরণ করে।

আসলে আমি মাঝে মাঝে চিন্তা করি নানা ঘটনার জন্মদাতা এই পৃথিবীটা স্বার্থপর না পৃথিবীর মানুষগুলো। কিন্তু কখনো এর উত্তর খুঁজে পাই না।   গত ক'দিন আগে আমার পরিচিত একজন বললো, ভাই জীবনে অনেক কষ্ট আর সংগ্রাম করেছি। দিনের পর দিন, মাসের পর মাস ছুটেছি। কিন্তু তেমন কোন সফলতা পাইনি।

আমি তার কথা শুনে কৌতুহলী দৃষ্টিতে তার দিকে তাকিয়ে রইলাম। মনে মনে ভাবলাম, এত কষ্ট-সংগ্রাম করেও কেন সফল হতে পারলো না? তাকে জিজ্ঞেস করলাম, আপনার লক্ষ্য কী ছিল? গন্তব্য কোথায় ছিল? 

তিনি বললেন, আসলে সুনিশ্চিত কোন লক্ষ্য বা স্থির কোন গন্তব্য ছিল না। আমি তাকে বললাম, আপনি সফল না হওয়ার অন্তরায়ের একমাত্র করাণ এটাই যে, গন্তব্যহীন পথে ছুটে চলেছেন দিকহারা নাবিকের ন্যায়।

আমাদের প্রায় মানুষের বড় সমস্যা, আমরা গন্তব্যহীন চলতে থাকি। যার ফলে পথের কোন শেষ আমাদের চোখে পড়ে না। পরিণাম হতাশার আগুনে প্রতিনিয়ত দগ্ধ হই। তখন সম্ভবনার আকাশে হতাশারা ভেসে বেড়ায়। জীবন অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। অনেকে তো আত্মহত্যার পথও বেছে নেয়।

আমি অনেক বন্ধুকে দেখেছি, ঘুম ঘুম চোখ নিয়ে সারারাত জেগে পড়তে আর দিনের বেলায় ক্লাসে বসে ঝিমুতে! সারারাত জেগে অধ্যায়নের লাভটা কী হলো, যদি ক্লাসের পড়া না ধরতে পারি! তবে এই ক্ষেত্রে অনেকের সমস্যা হলো আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারা। আবেগ থাকাটা স্বাভাবিক। তবে তারও একটা সীমা  আছে। তবে সবচেয়ে বড় কথা হলো আমরা বড়ই সঙ্কীর্ণমনা! সফলতার জন্য সঙ্কীর্ণমনতা দূর করতে হবে। চিন্তার সঙ্কীর্ণতা দূর করে হৃদয়ের উদারতা আর চেতনার প্রশস্ততা থাকা খুবই জরুরী।


 ইসলামী ঐক্যজোট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নায়েবে আমীর মাওলানা আব্দুল লতিফ নেজামীর ইন্তেকালে গভীর শোক ও সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন দারুল উলূম হাটহাজারীর মহাপরিচালক, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ এর আমীর আল্লামা আহমদ শফী।

আজ ১২ মে মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক শোকবার্তায় তিনি বলেন, মাওলানা আব্দুল লতিফ নেজামী ছিলেন দেশের ইসলামী রাজনীতির অন্যতম শীর্ষ ব্যক্তিত্ব। আশির্ধ্ব এ ইসলামী রাজনীতিবিদ জীবনের উল্লেখযোগ্য সময় দেশের রাজনীতির পটপরিবর্তন ও ধর্মীয় অনুশাসন কায়েমের চেষ্টা করে গেছেন।আমৃত্যু তিনি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

আমীরে হেফাজত আরো বলেন, হেফাজতে ইসলামের অধিকাংশ বৈঠক ও আন্দোলনে উনি শামিল থাকতেন। সাদামাঠা জীবন-যাপন করতেন। এ রাজনীতিবিদ ছিলেন অন্যান্য রাজনীতিবিদ থেকে আলাদা গুণের অধিকারী। এই আলেম রাজনীতিবিদের মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার, আত্মীয়,স্বজন, তাঁর কর্মি ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমাবেদনা জানাচ্ছি।

প্রসঙ্গত,  গতকাল সোমবার রাত সাড়ে আটটার দিকে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি ইন্তেকাল করেন।

যুদ্ধাহত-শহীদদের স্ত্রীর সড়কে ...
ডেস্ক: আসন্ন ঈদুল ফিতরে সব অফিস-আদালতে টানা ১০ দিন ছুটি দেওয়ার চিন্তা করছে সরকার। পূর্ব নির্ধারিত সরকারি দিনপঞ্জিতে ঈদের সম্ভাব্য তারিখ ধরা আছে ২৫ মে। এবার করোনার কারণে ঈদের ছুটি হতে পারে ২১ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত। ঈদের আগে-পরের দুটি সাপ্তাহিক ছুটির চার দিন ও শবেকদরের এক দিনের ছুটি এর সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে।

ফলে সাধারণ ছুটির মেয়াদ ঈদের ছুটির সঙ্গে মিলে ৩০ মে পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে জনপ্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

করোনা মহামারির কারণে গত ২৬ মার্চ থেকে ১৬ মে পর্যন্ত টানা সাধারণ ছুটি চলছে। আজ মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে সাধারণ ছুটি এবং ঈদ ছুটিসংক্রান্ত প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর কাছে যাওয়ার কথা।

প্রতি ডিসেম্বরে নতুন বছরের সরকারি ছুটি মন্ত্রিসভায় অনুমোদন করা হয়। অন্যান্য বছরের রীতি অনুযায়ী সরকারি ক্যালেন্ডারে চলতি বছরের পূর্বনির্ধারিত সম্ভাব্য ঈদ ছুটি হিসেবে বরাদ্দ আছে ২৪, ২৫ ও ২৬ মে। এর আগে ২১ মে শবেকদর এবং ২২ ও ২৩ মে সাপ্তাহিক ছুটি মিলে সাধারণভাবেই ঈদের মোট ছুটি দাঁড়ায় ছয় দিন। করোনার কারণে স্বাভাবিক সব ক্যালেন্ডার এলোমেলো হয়ে গেছে। এ কারণে সরকার ভাবছে ২৬ মের পরের দুই কার্যদিবস অর্থাৎ ২৭ ও ২৮ মে-ও ছুটি ঘোষণা করবে। এতে করে ২৯ ও ৩০ মের সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে ঈদের ছুটি দাঁড়াবে ১০ দিনে। এতে বিশেষজ্ঞদের প্রক্ষেপণ অনুযায়ী, মের শেষ দুই সপ্তাহের চূড়ান্ত সংক্রমণের সময়ে মানুষে মানুষে মেলামেশা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল সূত্রগুলো জানিয়েছে, ১৬ মে’র পর ঈদের ছুটির আগে সরকারি কার্যদিবস পড়ে মাত্র চার দিন অর্থাৎ ১৭, ১৮, ১৯ ও ২০ মে। এরপর থেকেই ঈদ ছুটি শুরু হয়ে যাবে। করোনা বিষয়ে সরকারি বিশেষজ্ঞ দলের প্রক্ষেপণ অনুযায়ী, চলতি মাসের শেষ দুই সপ্তাহ বাংলাদেশে করোনা পরিস্থিতি সবচেয়ে বেশি খারাপ থাকতে পারে। গত কয়েক দিনের করোনা শনাক্তের হারে সে পূর্বাভাসেরই প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। সব কিছু মিলিয়েই ঈদ উপলক্ষে টানা ছুটির বিষয়টিকে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকেও জনপ্রশাসনকে উল্লিখিত ছকে ছুটির প্রস্তাব পাঠাতে বলা হয়েছে বলে জানা গেছে।

শেষ দফা ছুটির মেয়াদ বাড়ানোর সময় সবাইকে নিজ নিজ অবস্থানে ঈদ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়। প্রকারান্তরে ঈদ পর্যন্ত গণপরিবহন না খোলারও ইঙ্গিত দেওয়া হয়। তখনই ঈদ পর্যন্ত ছুটি চালিয়ে নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হয়েছিল বলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়।

সূত্র মতে, সরকার একবারে মাসব্যাপী ছুটি ঘোষণা করতে পারে না। তাই সাত দিন, ১০ দিন করে ছুটি ঘোষণা করা হচ্ছে।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘চলতি ছুটি শেষ হতে আরো কয়েক দিন লাগবে। আশা করি বৃহস্পতিবারের মধ্যেই সাধারণ ছুটি ও ঈদের ছুটির বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে।’ তবে ঠিক কত দিন ঈদের ছুটি হবে তা নির্দিষ্টভাবে বলতে তিনি রাজি হননি।

ঈদ সামনে রেখে ছুটির নতুন পরিকল্পনা চলছে কি না জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার বিভিন্নভাবে চিন্তা করে দেখছে। সিদ্ধান্ত হলে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।’

-কেকে

বোরকা হিজাব নিয়ে ...
ডেস্ক: চট্টগ্রামের হালদা নদীতে যাতে আর ডলফিন শিকার বা হত্যা না হয়, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। ডলফিন শিকার বা হত্যা রোধে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তা ই-মেইলের মাধ্যমে আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বিবাদীদের জানাতে বলা হয়েছে।

তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে ভার্চ্যুয়াল উপস্থিতিতে এক রিটের শুনানি নিয়ে আজ মঙ্গলবার বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। দেশের বিচার বিভাগের ইতিহাসে উচ্চ আদালতে ভার্চ্যুয়াল উপস্থিতিতে শুনানি নিয়ে দেওয়া প্রথম আদেশ এটি।

পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, পরিবেশ অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক, চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ও রাউজান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার প্রতি ওই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি ১৯ মে পরবর্তী আদেশের জন্য আসবে।

পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় চট্টগ্রামের হালদা নদীতে ডলফিন হত্যা রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশনা চেয়ে ভার্চ্যুয়াল মাধ্যমে শুনানির জন্য গতকাল সোমবার হাইকোর্টের ওই বেঞ্চে ই-মেইলের মাধ্যমে রিটটি দাখিল করেন আইনজীবী এম আব্দুল কাইয়ূম। ভার্চ্যুয়াল মাধ্যম ব্যবহার করে করা প্রথম রিট এটি।

এই রিটের ওপর আজ শুনানি হয়। শুরুতে বিচারপতি ওবায়দুল হাসান তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে মামলা শুনানি ও নিষ্পত্তির জন্য ভার্চ্যুয়াল কোর্টব্যবস্থা প্রবর্তন করায় রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ও আইনমন্ত্রী আনিসুল হককে ধন্যবাদ জানান। বিচারপতি বলেন, দেশে ই-জুডিশিয়ারি প্রতিষ্ঠার প্রথম পদক্ষেপ হচ্ছে এই ভার্চ্যুয়াল আদালত।

রিটের পক্ষে আবেদনকারী এম আব্দুল কাইয়ূম নিজে ভার্চ্যুয়াল উপস্থিতিতে শুনানিতে অংশ নেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন অ্যার্টনি জেনারেল মাহবুবে আলম, ডেপুটি অ্যার্টনি জেনারেল সমরেন্দ্র নাথ বিশ্বাস ও অমিত তালুকদার।

পরে আইনজীবী এম আব্দুল কাইয়ূম বলেন, হালদা নদীতে ইতিমধ্যে ২৪টি ডলফিন মারা গেছে। এর মধ্যে অনেক ডলফিন হত্যার শিকার বলে হালদা গবেষকদের বরাতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে এসেছে। যে কারণে বিপন্নপ্রায় ওই সব ডলফিন রক্ষায় নির্দেশনা চেয়ে রিটটি করা হয়। আদালত ভার্চ্যুয়াল মাধ্যমে শুনানি নিয়ে ওই নির্দেশ দেন। ভার্চ্যুয়াল শুনানির পর দেওয়া প্রথম আদেশ এটি।


 হাবীব আনওয়ার: ঐতিহ্যবাহী সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ক্রীড়া ও আদর্শ ছাত্র সংগঠন  রাউজান থানার অন্তর্গত পশ্চিম গহিরা ঐকতানের উদ্যোগে গরীব, অসহায়, মধ্যবিত্ত ও কর্মহীনদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়।

গতকাল ১১ মে সোমবার  প্রায় ১৯০ পরিবারের মাঝে  উপহার বিতরণ করা হয়।
উপহার সমগ্রীর তালিকায় ছিল, চাউল৫কেজি, আলু ৫ কেজি, সয়াবিন১ লিটার, পিয়াজ ১কেজি, চিনি ২কেজি, লাচ্চা সেমাই ৫ প্যাকেট, নুডলুস১ প্যাকেট, সাবান ৩টি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ঐকতান  সভাপতি রোকন উদ্দীন আহমেদ, সেক্রেটারি জমির উদ্দীনসহ কার্যনির্বাহী পরিষদের  দায়িত্বশীলগণ।

হাবীব আনওয়ার: বর্ষীয়ান রাজনীতিক, বুদ্ধিজীবী, স্কলার, দৈনিক সরকার সম্পাদক, নেজামে ইসলাম পার্টির সভাপতি,
ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যানআল্লামা আব্দুল লতিফ নেজামীর ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন জাতীয় লেখক পরিষদ।

গণমাধ্যমে পাঠানো এক শোকবার্তায় তারা বলেন, আল্লামা আব্দুল লতিফ নেজামী একজন সজ্জন রাজনীতিবিদ ছিলেন। সাদামাটা জীবনের অধিকারী তবে সববিষয়ে প্রাজ্ঞ ছিলেন। যে কোন বিষয়ে দূরদর্শী চিন্তার পরিচয় দিতেন। অনেকের থেকে ব্যতিক্রম আল্লামা

নেজামী জীবনভর রাজনীতি করেছেন। আজম্ম আগাগোড়া ছিলেন একজন সফল রাজনীতিক। জাতীয় লেখক পরিষদ প্রতিষ্ঠালগ্নে তিনি আমাদের ছায়া ছিলেন। পরিষদ গঠন ও গঠন পরবর্তী সময়ে সার্বিক সহযোগিতা করেছেন।  স্বাধীনতা পরবর্তী এবং পূর্ববর্তী বহু রাজনীতির স্বাক্ষী ছিলেন। আন্দোলন-সংগ্রামে ছিলেন অকুতোভয়। ঠান্ডা মাথায় কথা বলতেন তবে প্রত্যেকটি কথা ছিলো তীরের মতো। তার ইন্তেকালে রাজনীতির ময়দানে যে শূন্যতা সৃষ্টি হলো তা কখনো পূরণ হবার নয়।
আল্লাহ তাকে জান্নাতুল ফিরদাউস নসিব করুন। আমরা তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।

মারা গেলেন ইসলামী ঐক্যজোটের ...
ডেস্ক: ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মাওলানা আবদুল লতিফ নেজামী ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। সোমবার (১১ মে) রাত সাড়ে আটটায় কাকইরাইলে অবস্থিত ইসলামি ব্যাংক হাসপাতালে তিনি ইন্তেকাল করেন।

ইফতারের আগে হঠাৎ অসুস্থতাবোধ করলে তাকে কাকরাইলে অবস্থিত ইসলামি ব্যাংক হাসপাতালে নেয়া হয় এবং সেখানেই রাত সাড়ে আটটায় তিনি ইন্তেকাল করেন।

সাদামাটা জীবনের অধিকারী ও সহজ সরল মানুষ হিসেবে মাওলানা আবদুল লতিফ নেজামীর খ্যাতি রয়েছে। রাজনীতির পাশাপাশি তিনি দৈনিক সরকার পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।

মাওলানা নেজামীকে ইসলামি রাজনীতির জীবন্ত কোষ বলা হয়। নেজামে ইসলামে যোগদানের মধ্য দিয়ে তার রাজনীতি শুরু। ইসলামি আন্দোলনের বিভিন্ন বাঁক ও প্রতিকূল মুহূর্তেও তিনি আক্রমণাত্মক বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর হাসিমুখে দিতেন। এটা তার বিশেষ বৈশিষ্ট্য ছিলো।

তার মৃত্যুতে ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব মুফতি ফয়জুল্লাহ বলেন, ‘দেশের অন্যতম শীর্ষ আলেমে দীন, দীন-মিল্লাতের অতন্দ্রপ্রহরী, মাখদুমুল উলামা, আমার অত্যন্ত শ্রদ্ধাভাজন আবদুল লতিফ নেজামী সাহেব (রহ.) -এর ইন্তেকালের খবরটি খুবই দুঃখ ও বেদনার। তাঁর মরহুম হয়ে যাওয়ার সংবাদে মনটা ভেঙ্গে যাচ্ছে। স্মৃতির আয়নায় ভেসে উঠছে টুকরো টুকরো অনেক ঘটনা। আহ এত দ্রুত তাঁকে হারিয়ে ফেললাম!

মাওলানা নেজামী (রহ.) একজন হক্কানী আলেম এবং প্রচার বিমুখ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তাঁর ইন্তেকালে দেশ একজন প্রতিথযশা মুরুব্বী হারাল। হযরতের ইন্তিকাল নিশ্চয় আলেম সমাজ ও দেশের জন্য অনেক বড় ক্ষতি। আমি মাওলানা নেজামী (রহ.)-এর বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবন ও অনুকরণীয় দৃষ্টান্তসমূহ গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি। স্বরণ করছি, বহু ঈমানী আন্দোলনে তাঁর অবিস্মরণীয় ভূমিকার কথা।’

মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ২ ছেলে ও ২ মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন রেখে গেছেন। তার মৃত্যুতে ইসলামি রাজনীতির অঙ্গণে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার জানাজার স্থান ও সময়ের বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি।

বিএসটিআই সম্প্রসারণ : ৩ বছরের ...
ডেস্ক: ড্যানিশ, সুরেশ, প্রমি, পূবালী সল্টসহ ৪৩ ব্র্যান্ডের পণ্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে পণ্যের মান প্রণয়ন এবং নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন (বিএসটিআই)। 

খোলাবাজার থেকে পণ্য কিনে বিএসটিআই ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করে বাংলাদেশ মান (বিডিএস)  থেকে নিম্নমানের পাওয়ায় এসব পণ্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে  প্রতিষ্ঠানগুলোকে কারণ দর্শানোর নোটিশের পাশাপাশি পরবর্তীতে এসব পণ্যের মানোন্নয়ন করে পুণঃঅনুমোদন ছাড়া  সংশ্লিষ্ট উৎপাদনকারী, সরবরাহকারী, পাইকারী ও খুচরা বিক্রেতাদের বিক্রি-বিতরণ ও বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন প্রচার হতে বিরত থাকা এবং উৎপাদনকারীদের বাজার থেকে বিক্রিত মালামাল প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

সোমবার বিএসটিআই এর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে বিএসটিআই সার্ভিল্যান্স টিমের মাধ্যমে বিভিন্ন পণ্যের ৫২১টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। তার মধ্যে প্রথম ধাপে প্রাপ্ত ২৫১টি নমুনার পরীক্ষণ প্রতিবেদনের মধ্যে ১৭টি পণ্য নিম্নমানের পাওয়ায় ইতোমধ্যে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। বাকি ২৭০টি নমুনার পরীক্ষণ প্রতিবেদনের মধ্যে ৪৩টি নমুনা নিম্নমানের পাওয়া গেছে। 

বিএসটিআই ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় যেসব পণ্য নিম্নমানের পাওয়া যায় সেগুলো হলো: নরসিংদীর অন্নপূর্ণা অয়েল মিলসের সুরেশ ব্র্যান্ডের সরিষার তেল, ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার বেঙ্গল অয়েল মিলসের চাওলি ফ্লাওয়ার ব্র্যান্ডের সরিষার তেল, ময়মনসিংহের বিএল অয়েল মিলসের রুবি ব্র্যান্ডের সরিষার তেল, ময়মনসিংহের পদ্মা অয়েল মিলসের হিলসা ব্র্যান্ডের সরিষার তেল, ময়মনসিংহের রূপন অয়েল মিলসের রিং ব্র্যান্ডের সরিষার তেল, নরসিংদীর লোকনাথ অয়েল মিলসের টাইগার ব্র্যান্ডের সরিষার তেল, জামালপুরের আলী ন্যাচারাল অয়েল মিলসের কল্যাণী ব্র্যান্ডের ফর্টিফাইড এডিবল রাইস ব্রান অয়েল, গাজীপুরের ময়মনসিংহ এগ্রোর সান ড্রপ ব্র্যান্ডের ফ্রূট এন্ড ভেজিটেবল জুস (এলোভেরা), নারায়ণগঞ্জের ড্যানিশ ফুডসের ড্যানিশ ব্র্যান্ডের ধনিয়ার গুড়া, কারি পাউডার, নারায়ণগঞ্জের বোম্বে সুইটস এন্ড কোম্পানির বোম্বে আলুজ ব্র্যান্ডের চিপস , নারায়নগঞ্জের আইডিয়াল এগ্রোর আইডিয়াল ব্র্যান্ডের কারি পাউডার, নেত্রকোনার প্রিয়া ফুড প্রোডাক্টসের প্রিয়া স্পেশাল ব্র্যান্ডের প্রিয়া লাচ্ছা সেমাই, ধামরাইয়ের সাউদিয়া ফুড প্রোডাক্টস (প্রাঃ) লিঃ এর সাউদিয়া ব্র্যান্ডের লাচ্ছা সেমাই, ঢাকার ফোর স্টার ফুড প্রোডাক্টসের ফোর স্টার ব্র্যান্ডের কারি পাউডার, ঢাকার এ জেড আইডিয়াল ব্র্যান্ডের কারি পাউডার, নারায়ণগঞ্জের সুরভী সল্ট আয়োডেশনের ডলফিন ব্র্যান্ডের আয়োডিনযুক্ত লবণ, নারায়ণগঞ্জের সপ্তডিঙ্গা সল্ট ইন্ডাস্ট্রিজের মেয়র ব্র্যান্ডের আয়োডিনযুক্ত লবণ, পূবালী সল্ট ইন্ডাস্ট্রিজের পূবালী ব্র্যান্ডের আয়োডিনযুক্ত লবণ,  আলী সল্ট ইন্ডাস্ট্রিজের টমেটো ব্র্যান্ডের আয়োডিনযুক্ত লবণ, নিউ কোয়ালিটি সল্ট ইন্ডাস্ট্রিজের তৃপ্তি ব্র্যান্ডের আয়োডিনযুক্ত লবণ, প্রগতি সল্ট ইন্ডাস্ট্রিজের দিগন্ত ব্র্যান্ডের আয়োডিনযুক্ত লবণ, আলী সল্ট ইন্ডাস্ট্রিজের আলী ব্র্যান্ডের আয়োডিনযুক্ত লবণ, শক্তি এডিবল প্রোডাক্টসের শক্তি ব্র্যান্ডের সরিষার তেল, গাজীপুরের তুরাগ অয়েল মিলসের তুরাগ ব্র্যান্ডের সরিষার তেল, নারায়ণগঞ্জের এস কে এগ্রো ফুড প্রসেসরের সরিষার তেল, ঢাকার প্রমি এগ্রো ফুডসের প্রমি ব্র্যান্ডের সরিষার তেল, রংপুরের বদরগঞ্জের আনিস স্টোরের নামবিহীন খোলা ড্রামের ফর্টিফাইড পাম অলিন, লালমনিরহাটের পাটগ্রামের ঈসমাইল স্টোরের নামবিহীন খোলা ড্রামের ফর্টিফাইড পাম অলিন, লালমনিরহাটের পাটগ্রামের গরিবুল্লাহ শাহ স্টোরের নামবিহীন খোলা ড্রামের ফর্টিফাইড সয়াবিন অয়েল, ঢাকার আরামবাগের ফিহাত ইন্টারন্যাশনাল ট্রেডার্সের আমদানি করা রিফাইন্ড সুগার,  অটোগি কারি হটব্র্যান্ডের কারি পাউডার , রাজশাহীর নওদাপাড়ার ছন্দা ফিলিং স্টেশনের হাই স্পিড ডিজেল, রাজশাহীর নওদাপাড়ার জিএম ফিলিং স্টেশনের হাই স্পিড ডিজেল,  পবার মতিউর ফিলিং স্টেশনের হাই স্পিড ডিজেল, নওদাপাড়ার ছন্দা ফিলিং স্টেশনের আনলেডেড মোটর গ্যাসোলিন-প্রিমিয়াম (অকটেন), ছন্দা ফিলিং স্টেশনের আনলেডেড মোটর গ্যাসোলিন- রেগুলার (পেট্রোল),  নওদাপাড়ার জিএম ফিলিং স্টেশনের আনলেডেড মোটর গ্যাসোলিন-প্রিমিয়াম (অকটেন), নওদাপাড়ার জিএম ফিলিং স্টেশনের আনলেডেড মোটর গ্যাসোলিন-রেগুলার (পেট্রোল), পবার আসাদুল্লাহ এন্ড ব্রাদার্স ফিলিং স্টেশনের আনলেডেড মোটর গ্যাসোলিন-প্রিমিয়াম (অকটেন),  পবার আসাদুল্লাহ এন্ড ব্রাদার্স ফিলিং স্টেশনের আনলেডেড মোটর গ্যাসোলিন- রেগুলার (পেট্রোল) এবং  পবার মতিউর ফিলিং স্টেশনের আনলেডেড মোটর গ্যাসোলিন- রেগুলার (পেট্রোল)।

হাটহাজারীতে রাস্তার কাজ না করেই ...
নিজস্ব প্রতিবেদক: হাটহাজারী মাদরাসা সংলগ্ন ডাকবাংলো রোডে ৩য় করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ কওমী মাদরাসা দারুল উলুম হাটহাজারী সংলগ্ন ডাকবাংলো রোডে হাটহাজারীর তৃতীয় করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় প্রশাসন সংশ্লিষ্ট সূত্র।
প্রাপ্ত সংবাদে জানা যায় আজ সোমবার সকালে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাবে হাটহাজারী প্রশাসন। 
উল্লেখ্য, এ নিয়ে হাটহাজারীতে মোট ৩ জন পুরুষ ও ১ জন মহিলা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলেন। এর আগে ধলই ইউনিয়নের ২জন ও হাটহাজারী থানাধীন ১নং দক্ষিণ পাহাড়তলি ওয়ার্ডের ১ জনসহ এ যাবত সব মিলিয়ে ৪ জন করোনা রোগী শনাক্ত হল হাটহাজারী উপজেলায়।

ওবামার ফোন কল ফাঁস, করোনা ইস্যুতে ধুয়ে দিলেন ট্রাম্পকে!
ডেস্ক: ডোনাল্ড ট্রাম্প যেভাবে করোনা মহামারি মোকাবেলা করছেন তা এককথায় ‘নৈরাজ্যকর’। ফলে মহামারির বিরুদ্ধে লড়তে আমরা ব্যর্থ হচ্ছি। যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্টকে নিয়ে এমন মন্তব্য করলেন সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। গত শনিবার একটি সূত্র জানায়, প্রশাসনের সাবেক সদস্যদের সঙ্গে এক কনফারেন্স কলে এ মন্তব্য করেন ওবামা। 

অথচ ট্রাম্পের সমালোচনা থেকে সবসময় দূরে ছিলেন তিনি। এমনকি যখন করোনা নিয়ে ওবামার সমালোচনা ট্রাম্প করেছিলেন তার জবাবেও কিছু বলেন নি। কিন্তু আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় ওবামা সক্রিয় হয়ে উঠেছেন। করোনায় আমেরিকায় এ পর্যণ্ত ৭৫ হাজারেরও বেশি মানুষ মারা গেছে। ওবামা অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ৩ হাজার সদস্যের সঙ্গে ওই ফোন কলে সবাইকে ডেমোক্রেট প্রেসিডেন্ট প্রার্থী জো বাইডেন এর পাশে দাঁড়ানোর আহবান জানিয়েছেন ওবামা। আগামী ৩ নভেম্বর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

 ওই কলে কি কথা হয়েছে তা প্রথম প্রকাশ করে ইয়াহু নিউজ। পরবর্তীতে রয়টার্স বিষয়টি নিশ্চিত হয় একটি সূত্র থেকে। ওবামা বলেন, ‘আমরা যে যুদ্ধে লড়তে যাচ্ছি তা কোন ব্যক্তি বা দলের বিরুদ্ধে নয় বরং স্বার্থপরতা, বর্ণবাদ, বিভক্তি এবং যারা অন্যদের শত্রু মনেকরে তাদের বিরুদ্ধে। আর এসব প্রবণতা ঢুকিয়ে দেয়া হয়েছে আমেরিকানদের জীবনযাত্রায়। এ মহামারির বিরুদ্ধে দাাঁড়ানোর ক্ষেত্রে আমাদের যে দূর্বলতা এটিও তার একটি কারণ।’

ওবামা বলেন, ‘আমার কি সুবিধা তা দেখব, বাকীরা গোল্লায় যাক- এ ধরণের মানষিকতা একটি উত্তম সরকারের জন্যও মন্দ। এমনকি এটি অত্যন্ত বিশৃংখল ও বিপর্যয়কর, যখন এ ধরণের মানষিকতা কাজ করে। আর তা আমাদের সরকারে এখন ক্রিয়াশীল।’ তিনি বলেন, ‘এ জন্য আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি বাকী যে সময় আছে নির্বাচন পর্যণ্ত ততদিন আমি জো বাইডেনের সঙ্গে কাজ করব এবং তার পাশে থাকব।’ 

এ ফোন কলের ব্যাপারে কোন মন্তব্য করেনি ওবামা অফিস। তবে হোয়াইট হাউজের তরফ থেকে বলা হয়েছে অসাধারণভাবে করোনা মোকাবেলা করছে ট্রাম্প প্রশাসন।

সূত্র: রয়টার্স

চীনে করোনা-ভাইরাস পরিস্থিতি ভয়াবহ ...
ডেস্ক: চীনের হুবেই প্রদেশের রাজধানী উহানকে করোনাভাইরাসের আঁতুরঘর হিসেবে বিবেচনা করা হয়।এদিকে, নতুন এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, চীনে করোনার কবল থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন যারা তাদের ৫ থেকে ১৫ শতাংশ মানুষ ফের এই ভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছেন। 

সংবাদমাধ্যম  ‘ব্লুমবার্গ’ এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। আর এই  তথ্যই চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশনের চিকি‍ৎসকদের রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছে।

‘ব্লুমবার্গ’ এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, করোনা নিয়ে চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশনের নিয়মিত সাংবাদিক সম্মেলনে বৃহস্পতিবার এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য জানিয়েছেন পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়ের সংক্রামক রোগ বিভাগের পরিচালক ওয়াং গুইকিয়াং। 

তিনি জানান, বিভিন্ন অঞ্চলে করোনা মুক্ত রুগীর ফের মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার হার ভিন্ন। কোথাও ৫ শতাংশ, আবার কোথাও ১৫ শতাংশ।  তাছাড়া যারা দ্বিতীয়বার করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন, তাদের অনেকের মধ্যেই রোগের কোনও উপসর্গ ছিল না। যা বেশ উদ্বেগজনক।

এদিকে, কেন ফের সুস্থ রুগীরা আক্রান্ত হচ্ছেন তা বুঝতে পারছেন না স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। 

তবে অনেকেই মনে করছেন যে, করোনা পরীক্ষার ফলাফলের ক্ষেত্রে সঠিক তথ্য মিলছে না।

দয়া করে ইদ উপলক্ষে লকডাউন শিথিল ...
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: করোনা লকডাউনের মধ্যেই বিশ্বজুড়ে চলছে মুসলমানদের পবিত্র রোজা পালন। ব্যতিক্রম নয় ভারতের পশ্চিমবঙ্গ। সেখানেও লকডাউনের মধ্যেই রোজা করছেন মুসলিমরা। কিন্তু ঈদে কী হবে তা নিয়ে প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে অনেকের মধ্যেই। ঈদে কি লকডাউন শিথিল হবে? না কি ঘরবন্দি হয়েই কাটবে এবারের খুশির ঈদ? এসব জল্পনার মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি দিল ইমামদের সংগঠন। চিঠিতে মুখ্যমন্ত্রীকে তাদের অনুরোধ, দয়া করে ঈদে লকডাউন শিথিল করবেন না।

আনুমানিক আগামী ২৫ মে ঈদ। মুসলিম সম্প্রদায়ের সব থেকে বড় এই উৎসবে এবার ঝুলছে লকডাউনের কাঁটা। এরই মধ্যে ঈদের কেনাকাটা লাটে উঠেছে। তাতে সাধারণ মানুষের সঙ্গে মন খারাপ ব্যবসায়ীদেরও। তবে করোনা সংক্রমণ যে হারে ছড়াচ্ছে তার মধ্যে লকডাউনের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করছেন না কেউ। মুসলমানরাও না।

বিশেষ করে রাজ্যের একাধিক মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় সংক্রমণের বয়াল চেহারা। এই পরিস্থিতিতে লকডাউন শিথিল হলে কী যে ভয়াবহ পরিণতি হতে পারে তা বিলক্ষণ জানা আছে ইমামদের। তাই মুখ্যমন্ত্রীকে ঈদ উপলক্ষে লকডাউন না তোলার বিনীত অনুরোধ করেছেন তারা।

সঙ্গে ইমামদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকার ৩০ মে-র আগে লকডাউন তুলে নিলেও রাজ্য সরকার যেন তা না করে।

চিঠির একটি অংশে লেখা হয়েছে, ‘পশ্চিমবঙ্গের স্বার্থে অন্তত ৩০ মে পর্যন্ত লকডাউন বাড়িয়ে দিন। আগে মানুষ বাঁচুক, তার পর উৎসব। আমরা এত ত্যাগ করেছি, আরো করব।’

সূত্র- হিন্দুস্তান টাইমস।

করোনা শনাক্তে মোবাইল অ্যাপ – www ...
প্রযুক্তি ডেস্ক: করোনাভাইরাস সংক্রমণের উপসর্গ যাচাইয়ে একটি মুঠোফোন অ্যাপ আনার পরিকল্পনা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। চলতি মাসেই অ্যাপটি চালুর কথা রয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান তথ্য কর্মকর্তা বার্নার্দো মারিয়ানো টেলিফোনে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে গত শুক্রবার বিষয়টি জানান। তিনি বলেন, মুঠোফোনে ইনস্টল করার পর অ্যাপটি ব্যবহারকারীর উপসর্গ সম্পর্কে জানতে চাইবে। এরপর তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে অ্যাপটি বলে দেবে, ব্যবহারকারীর করোনা সংক্রমণের আশঙ্কা আছে কি না।

বার্নার্দো মারিয়ানো বলেন, সংক্রমণের আশঙ্কা থাকলে কীভাবে পরীক্ষা করাতে হবে, তা–ও জানিয়ে দেবে অ্যাপটি। এ ক্ষেত্রে অবশ্য দেশভেদে তথ্যের ভিন্নতা থাকবে। অ্যাপের বৈশ্বিক একটি সংস্করণ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অ্যাপ স্টোরে ছাড়বে। এরপর যেকোনো দেশের সরকার চাইলে অ্যাপের প্রযুক্তি ব্যবহার করে এতে নতুন সুবিধা যোগ করে নিজেদের মতো সংস্করণ ছাড়তে পারবে।

করোনা মোকাবিলায় ভারত, অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাজ্য এরই মধ্যে সরকারিভাবে নিজস্ব প্রযুক্তি ব্যবহার করে মুঠোফোন অ্যাপ ছেড়েছে। এসব অ্যাপের মাধ্যমে ব্যবহারকারী উপসর্গের ভিত্তিতে কোথায় গিয়ে করোনা পরীক্ষা করানো যাবে, তা জানতে পারছেন। একই সঙ্গে রোগী ও সন্দেহভাজন রোগীর সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের শনাক্ত করার কাজেও সহায়ক হচ্ছে এসব অ্যাপ।


আব্দুর রহমান ইমন, সন্দ্বীপ প্রতিনিধি: কোভিড-১৯ এর প্রভাবে থমকে আছে পুরো বিশ্ব। চারদিকে হাহাকার আর বাতাসে লাশের গন্ধ। চীন থেকে উৎপত্তি হয়ে ইউরোপ, আমেরিকাসহ বিশ্বের প্রায় উন্নত দেশগুলো করোনায় নাকাল। বিশ্বে মৃত্যুর সংখ্যা ছড়িয়েছে লক্ষাধিক। কোন উপায় ভেবে পাচ্ছে না উন্নত দেশের চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা।

বাংলাদেশেও এর প্রভাব পড়েছে। বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত ১৪ হাজারেরও বেশি আক্রান্ত, মৃত্যুর সংখ্যা ২ শত  ছাড়িয়েছে। 

দেশের বিচ্ছিন্ন উপজেলা সন্দ্বীপ। নদী মাতৃক এই দ্বীপে ৪ লক্ষেরও অধিক মানুষের বসবাস। কোভিড-১৯ এই দ্বীপেও হানা দিয়েছে। গাছুয়া ইউনিয়নে নাহিদ নামে একজনকে প্রথম সনাক্ত করা হয়। ৩ মে নাহিদের বন্ধু সার্কেল অনেকের নমুনা সংগ্রহ করে আজ ঘোষাণা আসে তাদের মধ্যে ৬ জন আক্রান্ত।

আক্রান্ত বাড়ছে কিন্তু সচেতনতা নেই দ্বীপে। দ্বীপের বাসিন্দারা এখনো অনিরাপদভাবে রাস্তাঘাটে চলাচল করছে। এখনো হাট-বাজারে সামাজিক দূরত্ব না মেনে চলা হচ্ছে না। সরকার কর্তৃক নির্দেশনা মেনে সীমিত পরিসরে ঈদ উপলক্ষে দোকানপাট খোলার নির্দেশ আসলেও কোন দোকানদার মানছে না সেই নির্দেশনা। নিয়ম ভঙ্গ করে চলছে বেচাকেনা। করোনা প্রতিরোধে নেই কোন সচেতনতাও। 

সরেজমিন ঘুরে এমনও দেখা গেছে, অনেক ছোট ছোট দোকানে এক সাথে ১০/১৫জন ক্রেতার ভীড়। শুধু বাজারে নয় সচেতনতা নেই ব্যাংকেও। অনিরাপদভাবে চলছে ব্যাংকিং। সামাজিক দূরত্ব মানা হচ্ছে না সেখানেও। রাস্তাঘাটে লোকজন দেখে মনে হবার উপায় নেই যে, দেশে একটা ভয়াবহ অবস্থা চলছে। প্রশাসন টহল দিলে একটু সচেতনতার ভাব দেখালেও এর পর যার যার মতো চলছে সবাই। 

বিশিষ্টজনরা মনে করছেন, নিয়ম-নির্দেশনা না মেনে এরকম অনিরাপদ চলাচল সন্দ্বীপের জন্য ভয়াবহ পরিস্থিতি ডেকে আনতে পারে। এভাবে চলতে থাকলে আগামী ৭ দিনে আক্রান্তের সংখ্যা ৭ জন থেকে ৭ শতজন হয়ে যাওয়াটা আশ্চর্যের কিছু হবে না।

কর্মহীন জনগোষ্ঠীকে আর্থিক সহায়তা ...
ডেস্ক: করোনাভাইরাসের কারণে সারা দেশের ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ লাখ দরিদ্র পরিবারকে শেষ পর্যন্ত আড়াই হাজার টাকা করে নগদ সহায়তা দিচ্ছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ১৪ মে বৃহস্পতিবার এ টাকা দেওয়ার কার্যক্রম উদ্বোধন করার কথা। শুরু হওয়ার পর চলবে ঈদের আগ পর্যন্ত। এতে সরকারের এক হাজার ২৫০ কোটি টাকা খরচ হবে। 

অর্থ মন্ত্রণালয় এবং দুর্যোগ ও ত্রাণ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

দুর্যোগ ও ত্রাণ ব্যবস্থাপনা প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান গতকাল শনিবার বলেন, 'করোনাভাইরাসের কারণে যেসব পরিবার বিপদে পড়েছে, তাদের মধ্য থেকে ৫০ লাখ পরিবারের একটি তালিকা করা হয়েছে। সেসব পরিবারকে আড়াই হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। ঈদের আগে টাকাটা তাদের কাজে লাগবে।' গ্রাম-শহর নির্বিশেষে এ টাকা দেওয়া হবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।

জানা গেছে, উদ্যোগটির সঙ্গে জড়িত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, দুর্যোগ ও ত্রাণ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ। আর পরিবার চিহ্নিত করা হয়েছে স্থানীয় সরকার অর্থাৎ জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন এবং ইউনিয়ন পরিষদকে নিয়ে। গত মাসে প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দেওয়ার পর পরিবার প্রতি এক হাজার টাকা করে দেওয়ার কথা ভাবা হয়েছিল। পরে ভাবা হয় দুই হাজার টাকা করে দেওয়ার। কিন্তু শেষের দিকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় আড়াই হাজার টাকা করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। কাল সোমবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ এ টাকা ছাড় করবে।

তালিকায় রিকশাচালক, ভ্যানচালক, দিনমজুর, নির্মাণশ্রমিক, কৃষিশ্রমিক, দোকানের কর্মচারী, ব্যক্তি উদ্যোগে পরিচালিত বিভিন্ন ব্যবসায় কর্মরত শ্রমিক, পোলট্রি খামারের শ্রমিক, বাস-ট্রাকের পরিবহন শ্রমিক ও হকারসহ নানা পেশার মানুষকে তালিকার মধ্যে রাখা হয়েছে বলে জানান দুর্যোগসচিব মো. শাহ্‌ কামাল। সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির সহায়তায় দরিদ্র জনগোষ্ঠী বর্তমানে যেসব সহায়তা পাচ্ছে, এ তালিকায় তাদের অন্তর্ভূক্ত করা হয়নি বলে জানা গেছে। তালিকার কাজ শেষ করা হয়েছে গত ৭ মে। অবশ্য এখনও যাচাইয়ের কাজ চলছে।

যোগাযোগ করলে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব আহমদ কায়কাউস গতকাল শনিবার মোবাইল ফোনে বলেন, চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে এ কার্যক্রম উদ্বোধন হতে পারে। এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সবাইকে জানানো হবে।

জানা গেছে, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সহায়তায় ইতিমধ্যে টাঙ্গাইল জেলায় একটা মডেল দাঁড় করানো হয়েছে। সেই মডেল অনুসরণ করেই করা হয়েছে তালিকা। কত পরিবারকে নগদ টাকা দেওয়া হবে-এ জন্য জেলাওয়ারি কোটাও বেধে দেওয়া হয়। তবে সিটি করপোরেশনের তালিকা করা হয়েছে বিভাগীয় কমিশনারদের তত্ত্বাবধানে। 
তালিকা করার প্রক্রিয়া নিয়ে জানতে চাইলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক হায়াত খান শনিবার বলেন, তাঁর জেলায় নগদ টাকা পাবে ৭৫ হাজার পরিবার। আর তালিকা করার কাজটি করেছে একটি কমিটি। ইউনিয়ন চেয়ারম্যান, সদস্য, সমাজের গণমান্য ব্যক্তি ও প্রশাসনের ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত কমিটিগুলো প্রায় এক মাস ধরে এ তালিকা তৈরির কাজে যুক্ত ছিলেন। একইভাবে পেৌরসভা পর্যায়ে ওয়ার্ডভিত্তিক কমিটি কাজ করেছে। 
বিশ্বব্যাংকের হিসাবে দৈনিক ২ ডলারের নিচে আয় করেন-দেশে এমন লোক আছেন ১৫ শতাংশের মতো, সংখ্যায় যা আড়াই কোটির কাছাকাছি। সরকার প্রতি পরিবারের সদস্য ৪ জন ধরে দিয়ে এখানে দুই কোটি মানুষকে বিবেচনায় রেখেছে। 

সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে সাবেক তত্ত্বাবায়ক সরকারের উপদেষ্টা এবি র্মিজ্জা মো. আজিজুল ইসলাম বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর সংখ্যা আরও বাড়বে। তারপরও আমি বলব এটা অবশ্যই সরকারের একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ।

মির্জ্জা আজিজ তালিকা তৈরির স্বচ্ছতা বিষয়ে জোর দেন। বলেন, 'আগে দেখা গেছে, যারা সাহায্য পাওয়ার দরকার তাদের পরিবর্তে শুধুই রাজনৈতিক বিবেচনায় তালিকা করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে দলমত নির্বিশেষে তালিকা করা হয়েছে বলেই আমি আস্থা রাখতে চাই।'
মির্জ্জা আজিজের কথার সূত্র ধরে তালিকাটি রাজনৈতিক পক্ষপাতদুষ্ট কিনা জানতে চাইলে সচিব শাহ্‌ কামাল বলেন, প্রতিটি এলাকার তালিকা থেকে ১০ শতাংশ করে নমুনাভিত্তিতে ইতিমধ্যে তা যাচাইয়ের কাজ চলছে। অনিয়ম পাওয়া গেলে ওই এলাকার ১০০ শতাংশ তালিকা নতুন করে করা হবে।

পৌঁছানোর খরচ ৭৫ কোটি টাকা:
সূত্রগুলো জানায়, পরিবারগুলোকে টাকা দেওয়া হবে মূলত মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (এমএফএস) মাধ্যমে। এর মধ্যে রয়েছে বিকাশ, রকেট, নগদ এবং শিউরক্যাশ। অর্থাৎ নগদ সহায়তা হলেও কাউকে নগদে টাকা দেওয়া হবে না। এ ক্ষেত্রে এমএফএসগুলো বড় আকারের ভর্তুকি দিচ্ছে সরকার। টাকা পৌঁছানোর জন্য এমএফএসগুলো পাবে প্রতি হাজারে মাত্র ৬ টাকা। হাজারে ৬ টাকা হিসাবেই পৌঁছানোর মোট খরচ দাঁড়ায় ৭৫ কোটি টাকা। এ টাকা সরকার বহন করবে। পরিবারগুলোর কোনো টাকা দিতে হবে না। তারা পুরো আড়াই হাজার টাকাই পাবে।

মোট ৫০ লাখ পরিবারের কাছে টাকা পাঠানোর কাজের মধ্যে বিকাশের ভাগে রয়েছে ১৫ লাখের দায়িত্ব। সবচেয়ে বেশি ১৭ লাখ পরিবারের কাছে টাকা পাঠাবে নগদ। বাকি ১৮ লাখ পরিবারের কাছে পৌঁছাবে রকেট ও শিউরক্যাশ। 
বিকাশের করপোরেট কমিউনিকেশনস বিভাগের প্রধান শামসুদ্দিন হায়দার ডালিম আজ রোববার বলেন, ‌'বিকাশে লেনদেনের খরচ হাজারে ১৮ টাকা ৫০ পয়সা। আমরা পাব ৬ টাকা। বাকি ১২ টাকা ৫০ পয়সা ভর্তুকি দিতে হবে আমাদের। তবু আমরা এই শুভ উদে্যাগের সঙ্গে থাকতে পেরে খুশি।'

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget