Latest Post

অনলাইন ডেস্ক: সারাবিশ্বে প্রতিদিনই বাড়ছে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা। এখন পর্যন্ত করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছে ৮৪ লাখ তিন হাজার পাঁচশ ৯৯ জন এবং মারা গেছে চার লাখ ৫১ হাজার তিনশ ৮৩ জন। করোনা থামাতে লকডাউনে রয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে, বারবার হাত ধুয়ে এবং নাক-মুখ ও চোখ স্পর্শ না করে করোনাভাইরাস থেকে রক্ষা পাওয়ার কথা। এই করোনাকালে ঘরবন্দি থাকার ফলে নারী নির্যাতন যেমন বেড়ে গেছে, মানসিক অবসাদে ভুগতে থাকা রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার মতো খবরও শোনা যাচ্ছে।

এবার জানা গেল, করোনার সময়ে বিভিন্ন দেশের একাধিক জনপ্রিয় মডেল, তারকা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। শুধু ইসলাম গ্রহণ করেই তারা ক্ষান্ত হননি, গর্বের সঙ্গে তা তারা জানিয়েছেন বিশ্ববাসীকে। ইসলাম গ্রহণকারীদের অনেকেই জীবনের প্রথম ইফতার, রমযানের অনুভূতিও গণমাধ্যমে প্রকাশ করেছেন।

তাদের মধ্যে অন্যতম তানাশা দোনা। পুরো নাম তানাশা দোনা বারবিয়ারি অকেচ। মুসলিম হওয়ার পর নিজের নাম রেখেছেন আয়েশা। তিনি কেনিয়ার জনপ্রিয় একজন রেডিও উপস্থাপক, উদ্যোক্তা ও মডেল। ‘ফর হার লাক্সারি হেয়ার’ নামক একটি হেয়ার ব্রান্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং প্রতিষ্ঠাতা।

তার স্বামী মুসলিম, পরে তিনিও মুসলিম হলেন। তানাশা তার ইসলাম গ্রহণের ব্যাপারে প্রথম জানিয়েছিলেন স্বামীর বোন ইসমাকে। গত ২৫ এপ্রিল সর্বপ্রথম তিনি ইসলাম গ্রহণের বিষয়টি বন্ধু মহলে প্রকাশ করেন। সেদিনই জীবনের প্রথম রোযা তিনি পূর্ণ করেন ও ইফতার করেন।

তানাশার স্বামী ডায়মন্ড বলেন, ‌‌‌‌আমি কখনো তাকে ইসলাম গ্রহণ করতে চাপ দিইনি। তবে পরামর্শ দিয়েছিলাম। সে যদি তা গ্রহণ করতে চায় করবে। আমি তার জন্য দোয়া করব। এরপর সে যখন ইসলাম গ্রহণ করল আমরা তখন কিগমা শহরে ছিলাম। এদিকে অস্ট্রিয়ার জনপ্রিয় রেসলিং তারকা উইলহেলম ঘরবন্দী সময়টাকে অযথা বসে না থেকে শুরু করে দেন ইসলাম নিয়ে পড়াশোনা ও গবেষণা।

একপর্যায়ে তিনি নিজের মনের সঙ্গে বিচার করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। গত ১৬ এপ্রিল কালেমা পাঠ করে তার ইন্সটাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন। ইসলাম গ্রহণ সম্পর্কে তার ইনস্টাগ্রাম পোস্টে বলেন, করোনার সঙ্কট আমাকে আমার বিশ্বাস খুঁজে পেতে সাহায্য করেছে। ইসলাম বহু বছর ধরেই আমার মনোজগতের দখলে ছিল। যখনই আমার কঠিন সময় ছিল তখনই ইসলামিক বিশ্বাস আমাকে প্রয়োজনীয় শক্তি দিয়েছে। আমার ধর্মবিশ্বাস এখন যথেষ্ট শক্তিশালী। আমি আমার প্রকৃত সত্ত্বাকে চিনতে পেরেছি। গর্বের সঙ্গে কালেমা পাঠ করতে পেরেছি। হ্যাঁ, এখন থেকে আমি একজন মুসলিম।

আরেকজন হলেন লিসা মার্সেদেজ। তিনি ব্রিটিশ জ্যামাইকার একজন প্রসিদ্ধ নৃত্যশিল্পী। ইসলাম গ্রহণের দুই মাস পর গত মাসের ৩ তারিখে ‘শাহাদা’ নামে একটি সঙ্গীত ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করে তার ইসলাম গ্রহণের বিষয়টি প্রকাশ করেন।

লিসার জন্ম জ্যামাইকার কিংস্টন শহরে। নিজের ইসলাম গ্রহণের ব্যাপারে তিনি বলেন, আমি একজন নৃত্যশিল্পী। আগে খোলামেলা পোশাক পরতাম। এখন যেখানে সম্ভব হয় স্কার্ফ পরার চেষ্টা করি। নিজেকে আগের তুলনায় আরো বেশি ঢেকে রাখি।

অনলাইন ডেস্ক: আফগানিস্তানের উত্তরাঞ্চলে আজ বৃহস্পতিবার একটি মাদরাসায় মর্টার বিস্ফোরণে অন্তত ৯ জন শিক্ষার্থীর নিহত হয়েছে বলে জানা গেছে। এতে আহত হয়েছেন আরও অনেকে।

মর্টার হামলায় নিহত শিক্ষার্থীদের অধিকাংশের বয়স ১৮ এর নিচে বলে আফগানিস্তান পুলিশের মুখপাত্র খলিল আসির। বার্তা সংস্থা এএফপিকে তিনি বলেন, “প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, মর্টার বিস্ফোরণ ঘটেছে। কোনো কারণে কে বা করা মর্টারটি মাদরাসার ভেতরে নিয়ে গিয়েছিল।”

মাদরাসাটি আফগানিস্তানের উত্তরাঞ্চলের তাখার প্রদেশের ইশকামিশ জেলায় অবস্থিত। প্রাদেশিক সরকারের মুখপাত্র জাওয়াদ হিজরিও এ ঘটনার সত্যতা ও হতাহতের সংখ্যা নিশ্চিত করেছেন।

চলতি মাসে কাবুলে দুটি মসজিদে ভয়াবহ বোমা হামলার রেশ না যেতেই মাদরাসায় মর্টার বিস্ফোরণের খবর আসলো।

গত শুক্রবার রাজধানীতে একটি মসজিদে জুমার নামাজের সময় বিস্ফোরণে চারজন নিহত হয়। এর এক সপ্তাহ আগে ‘গ্রিন জোন’ এলাকায় একটি মসজিদে বোমা বিস্ফোরণে প্রখ্যাত এক ইমামসহ দুজন নিহত হয়।

এসব হতাহতের খবর এমন সময় আসছে যখন দুই দশকের সহিংসতা বন্ধে বহুল প্রতীক্ষিত শান্তি আলোচনার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে তালেবান ও আফগানিস্তান সরকার।

আবদুল কুদ্দুস বেফাকের ভারপ্রাপ্ত ...
স্টাফ রিপোর্টার: করোনায় দেশের বেশিরভাগ কওমী মাদরাসার শিক্ষকগণ আর্থিক সংকটে পড়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে মাদরাসা বন্ধ থাকায় কর্তৃপক্ষ বেতন দিতে অক্ষম হয়ে পড়েছে। ফলে আয়ের উৎস বন্ধ হয়ে বিনাবেতনে মানবেতর জীবনযাপন করছেন অসংখ্য মাদরাসা শিক্ষকগণ।

সেসব শিক্ষকদের পাশে দাঁড়াতেই কওমী মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড বেফাক একটি সাধারণ তহবিল গঠন করেছিল। বিভিন্ন জটিলতা কাটিয়ে এবার সেই তহবিল থেকে ৩ কোটি টাকা শিক্ষকদের মাঝে বণ্টনের কথা জানান আল হাইয়াতুল উলিয়ার কো চেয়ারম্যান ও বেফাকের মহাসচিব আল্লামা আব্দুল কুদ্দুস।

তিনি বলেন, আমরা আমাদের সাধ্য অনুযায়ী শিক্ষকদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি। শিক্ষকদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য আমরা একটি সাধারণ তহবিল গঠন করেছিলাম। আমাদের সেই তহবিলের সর্বমোট ৩ কোটি টাকা। সেই তহবিল থেকে আমরা বাছাইকৃত শিক্ষকদের জন্য টাকা পাঠাবো।

টাকা বন্টন এবং পৌঁছানোর জন্য আমরা একটি কমিটি গঠন করেছি। আশা করি কিছুদিনের মধ্যেই তারা শিক্ষকদের মাঝে সম্মাননা পৌঁছে দিতে পারবেন।

সূত্র-আওয়ার ইসলাম

অনলাইন ডেস্ক: পাকিস্তানে কোভিড-১৯-এ বৃহস্পতিবার মৃতের সংখ্যা মোট ৩ হাজার ৯৩ জনে পৌঁছেছে সেখানে বর্তমানে আক্রান্তের সংখ্যা মোট ১ লাখ ৬০ হাজার ১১৮ জন।

সরকারি তথ্য অনুয়ায়ী, দেশটিতে কোভিট-১৯-এ মোট ৫৯ হাজার ২১৫ জন এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে উঠেছে। দেশটিতে কোভিড-১৯-এর মৃত্যু হার শতকরা ১ দশমিক ৯ শতাংশ ও সুস্থতার হার ৩৭ শতাংশ। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ পাঞ্জাব প্রদেশে মোট ৬০ হাজার ১৩৮ জনের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে এবং পাঞ্জাবের পরেই অবস্থান করছে দক্ষিণাঞ্চলীয় সিন্ধু প্রদেশ। সেখানে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা মোট ৫৯ হাজার ৯৮৩ জন।

অর্থনৈতিক ক্ষতি ও নিম্ন-আয়ের জনসাধারণের সমস্যার কথা ভেবে পাকিস্তানে লকডাউন সহজ করার পর সংক্রমণের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞগণ ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সেখানে পুনরায় লক-ডাউনের পরামর্শ দিয়েছেন।

তবে, ভাইরাসের বিস্তার প্রতিরোধে কেন্দ্রীয় এবং প্রাদেশিক সরকারগুলো সারাদেশে লকডাউন না দিয়ে হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত বাছাইকৃত এলাকাগুলোয় লকডাউনের নতুন কৌশল অবলম্বন করছে। বাসস

অনলাইন ডেস্ক: তালেবান যোদ্ধারা বুধবার খুব ভোরে উত্তরাঞ্চলে একটি চেকপোস্টে হামলা চালিয়ে আফগান নিরাপত্তা বাহিনীর ১২ সদস্যকে হত্যা করেছে।

গভর্নরের মুখপাত্র মারুফ আজর বলেছেন, জওজিয়ান প্রদেশে ওই হামলায় তালেবান জঙ্গীরা ৪ নিরাপত্তা সদস্যকে আটক করে নিয়ে গেছে। তিনি এএফপিকে বলেন, হামলায় সেনা সদস্যসহ ১২ নিরাপত্তা সদস্য নিহত এবং ৫ জন আহত হয়েছে। এ সময় ৪ জনকে তালেবানরা আটক করে নিয়ে গেছে।

আজর বলেন, লড়াইয়ে ৫ জন তালেবান সদস্য নিহত হয়েছে, আফগান নিরাপত্তা ফোর্সের আরো সদস্য ঘটনাস্থলে পৌছার পরে লড়াই বন্ধ হয়।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয় জানায়, হামলায় নিহতদের মধ্যে ৬ সেনা সদস্য রয়েছে। তালেবান ও আফগান সরকার যখন শান্তি আলোচনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে তখনই এই হামলা চালানো হলো। গত মাসে যুদ্ধ বিরতি ঘোষণার পরে সংঘাত অবসানে দুই পক্ষ বন্দী বিনিময় করেছে। বাসস

এমপি পাপুল কাণ্ডে উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করল কুয়েত
অনলাইন ডেস্ক: অর্থপাচার ও মানবপাচারের অভিযোগে কুয়েতে বাংলাদেশের সংসদ সদস্য কাজী শহীদ ইসলাম পাপুল আটকের পর থেকে বিষয়টি নিয়ে বেশ নড়েচড়ে বসেছে কুয়েত সরকার। পাপুলসহ তার সঙ্গে আর কারা সম্পৃক্ত তা তদন্তে নেমেছে কুয়েত কর্তৃপক্ষ।

ইতিমধ্যেই এমপি পাপুলকে টানা আটদিনের রিমান্ড শেষে মঙ্গলবার জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে কুয়েতের প্রসিকিউশন বিভাগ। এছাড়া কুয়েত সরকার তাদের এক উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করেছে।

বুধবার আরব টাইমসের খবরে বলা হয়, কুয়েতের সমাজকল্যাণ ও অর্থনীতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মরিয়ম আল আকিল সরকারের জনশক্তি কর্তৃপক্ষের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্তের আদেশ জারি করেছেন। কুয়েতে মানবপাচারের বিরুদ্ধে চলমান তদন্তের স্বার্থে পাবলিক প্রসিকিউশন ওই কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করার সুপারিশ করে। জনস্বার্থের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে কুয়েত সরকার জনশক্তি দফতরের ওই কর্মকর্তাকে ৩ মাসের জন্য বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেয়। তবে ওই কর্মকর্তার নাম প্রকাশ করেনি গণমাধ্যমটি।

বাংলাদেশে করোনায় মৃত্যু ১, ৩০ ...
ডেস্ক: বাংলাদেশে লকডাউনের কারণে করোনা ভাইরাসে সর্বোচ্চ আক্রান্ত ও মৃত্যুর সময় পিছিয়েছে বলে জানিয়েছে ইমপেরিয়াল কলেজের গবেষকরা। 'ইমপেরিয়াল কলেজ কভিড ১৯ অ্যানালাইসিস টুলস'-এর দেয়া তথ্যানুসারে বাংলাদেশে সর্বোচ্চ আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা থাকবে সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে। এ সময় দিনে ১০ হাজার করে মানুষ মারা যেতে পারে বলে এই গবেষকরা ধারণা পোষণ করেন। অবশ্য এর আগে এই টুলস অনুসারে জুন-জুলাই মাসে হওয়ার কথা ছিল সর্বোচ্চ মৃত্যুর হার। কিন্তু লকডাউন ও সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কারণে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা ৭৫ ভাগ কম হয়েছে, যার ফলে পিছিয়েছে সর্বোচ্চ আক্রান্ত ও মৃত্যুর সময়।

নেত্রানিউজের গত ৯ জুনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইম্পেরিয়াল কলেজের টুলসের বিশ্লেষণ অনুসারে বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসের মহামারি পরিস্থিতি গত সাত দিন আগের চেয়ে এ সপ্তাহে আলাদা দেখাচ্ছে। প্রথমের দিকে বাংলাদেশের করোনা পরিস্থিতি অনেক নিয়ন্ত্রিত মনে হয়েছিল।

১ জুন ইম্পেরিয়াল কলেজের কোভিড১৯ বিশ্লেষণ টুলস নতুন করে বাংলাদেশের জন্য সর্বোচ্চ আক্রান্তের সময় হিসেব করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়, যদি কেউ ধরে নেয় যে বাংলাদেশের চলমান লকডাউনের ফলে করোনার সংক্রমণ ৭৫ ভাগ কমে যাবে এবং এটি দীর্ঘয়িত হবে, তাহলে আমাদের টুলস বলছে আগামী অক্টোবরেই দেশে করোনা মহামারি সর্বোচ্চ শিখরে উঠে যাবে এবং এর ফলে একদিনে ৬ হাজার ৫০০ মানুষের মৃত্যু হবে।

সর্বশেষ ৭ জুন ইমপেরিয়াল কলেজের পূববর্তী ভবিষ্যৎবাণী থেকে করোনায় মৃত্যু এবং সংক্রমণ কম হওয়ায় নতুন করে ধারণা হচ্ছে, পূববর্তী ঘোষণা থেকে সংক্রমণ ও মৃত্যু কম হওয়ায় এবার ধরে নেয়া হয়েছে বাংলাদেশে আগামী কয়েক মাসে ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত কম হবে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা। কিন্তু এরপর জুনের শেষ ভাগে প্রতিদিনে করোনায় ৮২ জনের মৃত্যু হবে। যা পূর্ববর্তী ভবিষ্যৎবাণী থেকে অনেক কম।

তবে দুর্ভাগ্যক্রমে ইম্পেরিয়াল কলেজের মতে, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ কমে যাওয়ার মাত্রা এখন আর ৭৫ শতাংশের কাছাকাছি নেই। পূর্বে ধারণা করা হয়েছিল লকডাউনের কারণে সংক্রমণ ও মৃত্যু যে হারে হ্রাস পাচ্ছে সে হারেই হ্রাস পাবে, কিন্তু বাংলাদেশ সরকার লকডাউন শিথিল করায় এখন এই সংক্রমণ কমার হার একই রকম থাকছে না। যা বিগত এক সপ্তাহের তথ্যানুসারে ৭৫ ভাগের পরিবর্তে ৪১ ভাগ আক্রান্ত কম হয়েছে। আর সেই বিশ্লেষণ থেকে ধারণা করা হচ্ছে সেপ্টেম্বরের শুরুতে দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যায় শীর্ষের দিকে থাকবে বাংলাদেশ এবং একদিনে ১০ হাজার মানুষের মৃত্যু হতে পারে। আর এই মহামারি ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে গিয়ে শেষ হবে।

অবশ্য এই ধরণের কোনও গাণিতিক মডেলে ফেলে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা হিসেব করাকে অনুমান নির্ভর বলে মনে করেন অধিকাংশ বিশেষজ্ঞরা। কেননা শুধু সংখ্যার গড় হার এবং অনুপাত বিশ্লেষণ করে ভবিষ্যৎ আক্রান্তের সংখ্যা বের করা সম্ভব নয়, এখানে আরও অনেকগুলো বিষয় রয়েছে যা হিসেবে আসছে না। সরকার যেভাবে এপ্রিল ও মে মাসে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছে একইভাবে যদি আগামী কয়েক মাসেও দৃঢ় লকডাউনের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারে, তাহলে কখনই মৃত্যুর হার এত বেশি হবে না।

লকডাউনের আওতায় পড়া বেইজিংয়ের একটি মহল্লার লোকজন অনলাইনে অর্ডার দেওয়া খাবার নিতে বাড়ির বাইরে এসেছেন
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: প্রায় দুই মাস পর নতুন করে করোনাভাইরাসের প্রকোপ বাড়তে থাকায় চীনের রাজধানী বেইজিংয়ের লাখ লাখ মানুষ আবারো লকডাউনের কব্জায় আটকা পড়েছেন। রাজধানী ২৭টি মহল্লার মানুষকে বাইরে না যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বেইজিং থেকে ১২০০ ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। ৯ জুলাই পর্যন্ত ট্রেন সার্ভিস অনেক কমিয়ে দেওয়া হয়েছে।

রাজধানীর প্রাথমিক এবং মাধ্যমিক স্কুলগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বন্ধ হয়ে গেছে সুইমিং পুল, জিম এবং অনেক রকম খেলাধুলো।
বুধবার বেইজিংয়ে নতুন করে ৩১ জনের দেহে ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে গত এক সপ্তাহে শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩৭।

নতুন দফা এই সংক্রমণের আগে টানা ৫৭ দিন ধরে বেইজিংয়ের বাসিন্দাদের মধ্যে কোনো করোনা পজিটিভ রোগী পাওয়া নি।

ধারণা করা হচ্ছে বেইজিংয়ের শিনফানদি নামে বিশাল এক পাইকারি খাদ্যের বাজার থেকে নতুন করে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ছে। এই বাজার থেকে বেইজিংয়ের ৮০ শতাংশ মাংস এবং সবজি সরবরাহ হয়।

নতুন দফা বিধিনিষেধের শর্ত

চীনের রাজধানীর কমপক্ষে ২৭টি এলাকাকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তার মধ্যে ২৬টিতে ঝুঁকির মাত্রা মাঝারি, আর একটি এলাকা উঁচু মাত্রার ঝুঁকিপূর্ণ।

এই ২৭টি এলাকার বাসিন্দারা বেইজিংয়ের বাইরে যেতে পারবেনা। এমনকি কম ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মানুষজনকেও রাজধানীর বাইরে যেতে গেলে ভাইরাসের পরীক্ষা করে দেখাতে হবে তারা সংক্রমিত নন।

তবে বেইজিংয়ে এখন ভাইরাস পরীক্ষা করা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনটি টেস্টিং সেন্টার বিবিসিকে জানিয়েছে তাদের কাছে এত মানুষ আসছে যে জুলাইয়ের আগ পর্যন্ত তারা নতুন কারো কাছ থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে পারবে না। অন্যান্য কেন্দ্রের সামনেও পরীক্ষার জন্য লম্বা লাইন চোখে পড়ছে।

নতুন করে নানা বিধিনিষেধ চালু করা হলেও, রাস্তা-ঘাট খোলা রয়েছে। কল-কারাখানা খোলা।

বেইজিংয়ে বিবিসির সংবাদদাতা স্টিভেন ম্যাকডোনেল বলছেন, গত ৫০ দিনেরও বেশি সময় ধরে চীনের রাজধানীতে নতুন কোনো সংক্রমণ না হওয়ায় রেঁস্তরা-পানশালাগুলো গমগম করে চলছিল, ট্রেনগুলো সকাল-বিকাল যাত্রীতে ভর্তি থাকতো।

“কিন্তু সেই প্রায়-স্বাভাবিক অবস্থা হঠাৎ করে যেন উধাও। একটি বাজার থেকে ছড়িয়ে পড়া সংক্রমণে আবার বেইজিংকে বিধিনিষেধের বুদবুদে ঢুকে পড়তে হচ্ছে।“

সংবাদদাতা জানাচ্ছেন, একেকটি মহল্লাকে এমনভাবে নজরদারি করা হচ্ছে, নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে যেন সেগুলো শহরের ভেতর আরেক শহর। তিনি বলছেন, ফেব্রুয়ারির লকডাউনের সাথে নতুন করে চাপানো এই লকডাউনের মূল পার্থক্য যে সরকারি অফিস এবং কল-কারখানা এখনো খোলা।
নতুন সংক্রমণের শুরু যেভাবে

চীনা মিডিয়াগুলো বলছে, শহরের শিনফানদি পাইকারি বাজারে আমদানি করার স্যামন মাছ কাটার একটি বোর্ডের ওপর প্রথম ভাইরাস শনাক্ত হয়।

ঐ বাজারের জেনারেল ম্যানেজারকে বরখাস্ত করা হয়েছে। ঐ বাজারে কাজ করতেন বা গিয়েছিলেন এমন অনেক মানুষকে শহর ছাড়তে নিষেধ করা হয়েছে।প্রতিদিন বেইজিংয়ের এই পাইকারি বাজারে লাখ লাখ মানুষের সমাগম হয়।

বাকি চীনের পরিস্থিতি কী

চীন গত মাসগুলোতে সাফল্যের সাথে ভাইরাসের সংক্রমণ বাগে আনতে সক্ষম হয়েছে। মার্চের প্রথম দিকে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৮০,০০০ ছাড়িয়ে গিয়েছিল, কিন্তু তারপর গত সাড়ে তিন মাসে নতুন করে মাত্র ৩২০০ জন শনাক্ত হয়েছে। মঙ্গলবার সারাদেশে নতুন করে ৩২জন সংক্রমিত রোগী শনাক্ত হয়েছে, যার মধ্যে ২৭ জনই বেইজিংয়ের চারটি মহল্লার বাসিন্দা। 

সূত্র: বিবিসি বাংলা

পাকিস্তান তো বটেই, যে কারণে চীনও উদ্বিগ্ন ভারতের এই যুদ্ধাস্ত্র নিয়ে
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: শত্রুপক্ষের আক্রমণকে প্রতিহত করতে বারেবারেই নানা ধরনের অস্ত্র আবিষ্কার করেছেন ভারতীয় বিজ্ঞানীরা। শত্রুপক্ষের ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করতে এখন তাদের ভরসা ‘কালি’।

ক্ষেপণাস্ত্র হামলা রুখতে ভারতের তৈরি ‘কালি’ যে ধরনের অস্ত্র, তা প্রায় কোনও দেশের হাতে নেই। আমেরিকাসহ বেশ কয়েকটি দেশের হাতে লেসার অস্ত্রশস্ত্র রয়েছে। কিন্তু ভারত লেসার অস্ত্র তৈরির পথে না হেঁটে যে অস্ত্র তৈরি করেছে, তা আরও ভয়ঙ্কর।

এক উন্নতমানের ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসকারী অস্ত্র তৈরি করেছেন ভারতীয় বিজ্ঞানীরা৷ যাতে প্রাথমিকভাবে এসেছে সাফল্যও৷ ক্ষেপণাস্ত্র বিধ্বংসী এই অস্ত্রের নাম ‘কিলো অ্যাম্পিয়ার লিনিয়র ইনজেক্টর’। যাকে সংক্ষেপে বলা হচ্ছে ‘কালি’৷
ক্ষেপণাস্ত্র হামলা বা আকাশপথে হওয়া যেকোনও আক্রমণ প্রতিরোধ করতে ‘কালি’ তৈরি করেছে ভারত। কিন্তু শক্তি বাড়তে বাড়তে ‘কালি’ এখন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে, মহাকাশে ভাসমান কৃত্রিম উপগ্রহকেও ধ্বংস করতে পারে এটি।

লেসার অস্ত্র যেভাবে প্রয়োগ করা হয়, ‘কালি’র ব্যবহারও অনেকটা সে রকমই। কিন্তু লেসার অস্ত্রের চেয়েও ভয়ঙ্কর ভারতের তৈরি করা এই মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম।

১৯৮৫ সালে ‘কালি’ তৈরি শুরু করে ভারত। প্রথমে এর কর্মক্ষমতা সম্পর্কে খুব বেশি কিছু জানানো হয়নি। শিল্পের প্রয়োজনে ভারত নতুন প্রযুক্তির লিনিয়ার ইনজেক্টর তৈরি করছে বলে জানানো হয়েছিল। ভারতের সশস্ত্র বাহিনীতে কালির অন্তর্ভুক্তি হওয়ার পর গোটা বিশ্বের টনক নড়ে। আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের দাবি, প্রতিপক্ষের ক্ষেপণাস্ত্রকে আকাশেই ঝলসে দেওয়ার অস্ত্র তৈরি করে ফেলেছে ভারত।

কালি যখন প্রথম তৈরি হয়েছিল, তখন তা ০.৪ গিগাওয়াট শক্তির ইলেকট্রন স্রোত নিয়ে আঘাত করার ক্ষমতা রাখত। পরে এই ব্যবস্থার উন্নতি ঘটাতে ঘটাতে কালি-৫০০০ বলে যে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ ব্যবস্থা তৈরি হয়েছে, তা বহুগুণ বেশি শক্তিশালী।

৪০ গিগাওয়াট শক্তির ইলেকট্রন স্রোত ছাড়তে পারে কালি-৫০০০। এই ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ ব্যবস্থা ইতোমধ্যেই ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

কোনও ক্ষেপণাস্ত্র বা যুদ্ধবিমান ধেয়ে আসছে দেখলেই, তাকে লক্ষ্য করে অসংখ্য ইলেকট্রন কণার তীব্র গতিবেগসম্পন্ন স্রোত ছাড়বে কালি-৫০০০।

এই ইলেকট্রন কণার স্রোত প্রচণ্ড তপ্ত এবং বিদ্যুৎবাহী। সেই তপ্ত কণার স্রোত বা রশ্মি তড়িৎ-চৌম্বকীয় বিকিরণে পরিণত হবে। সেই বিকিরণ মহাকাশে ছড়িয়ে থাকা মাইক্রোওয়েভের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করতে সক্ষম।

কালি-৫০০০ থেকে নির্গত ইলেকট্রন স্রোত শেষ পর্যন্ত পরিণত হবে মাইক্রোওয়েভ বিকিরণে। এই মাইক্রোওয়েভ বিকিরণ প্রচণ্ড শক্তি নিয়ে গ্রাস করবে ছুটে আসা যেকোনও ক্ষেপণাস্ত্র বা যুদ্ধবিমানকে।

লেজার অস্ত্র দিয়েও ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করা যায়। কিন্তু লেজার রশ্মি ক্ষেপণাস্ত্রে আঘাত করে তাতে ছিদ্র তৈরি করে সেটিকে ধ্বংস করে। এই পদ্ধতি সময় সাপেক্ষ। কালি-৫০০০ যে মাইক্রোওয়েভ বিকিরণ ছাড়ে, তা ছুটন্ত ক্ষেপণাস্ত্রের সংস্পর্শে আসার সঙ্গে সঙ্গে ক্ষেপণাস্ত্রটি ঝলসে যাবে। চোখের নিমেষে আকাশেই ধ্বংস হয়ে যাবে।

পাকিস্তান তো বটেই, চীনও কালি মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেমকে বিপজ্জনক হিসেবে দেখতে শুরু করেছে। শুধু ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকাতে নয়, প্রতিপক্ষের আকাশসীমায় হামলা চালাতেও কালি-৫০০০ কার্যকরী। মাইক্রোওয়েভ বিকিরণকে কাজে লাগিয়ে যেভাবে ধ্বংসলীলা চালাতে সক্ষম ভারতের এই অত্যাধুনিক অস্ত্র, তাতে মহাকাশে ভাসমান কৃত্রিম উপগ্রহ ধ্বংস করাও সম্ভব বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। 

সূত্র: আনন্দবাজার

করোনায় আক্রান্ত বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি
ডেস্ক: করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। আজ বুধবার মন্ত্রীর জনসংযোগ কর্মকর্তা লতিফ বকশী গণমাধ্যমে আক্রান্ত্রের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জনসংযোগ কর্মকর্তা লতিফ বকশী জানান, তিনি রাজধানী বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় এভার কেয়ার ( সাবেক এপেলো) হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

এদিকে গতকাল মঙ্গলবার করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন দুই সংসদ সদস্য। তারা হলেন সাবেক প্রধান হুইপ উপাধ্যক্ষ আবদুস শহীদ এবং গণফোরামের নেতা মোকাব্বির খান। বাণিজ্যমন্ত্রীকে নিয়ে মোট ১২ সংসদ সদস্য করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

এর আগে ১৪ জুন করোনায় আক্রান্ত্র হয়ে মারা গেছেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শেখ মো. আব্দুল্লাহ। 

বিশেষ প্রতিবেদক: গতকাল ১৭ জুন দারুল উলুম হাটহাজারীতে শূরা কমিটির একটি বৈঠকে আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী কর্তৃক সহযোগী পরিচালকের পদ থেকে ইস্তফা প্রদানের বিষয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশ পায়।

এ বিষয়ে মেখল মাদরাসার পরিচালক আল্লামা নোমান ফয়জীর বরাতে দেশের বেশকিছু সংবাদমাধ্যম জানায় যে, তিনি বলেছেন, এত দিন মাদ্রাসার মহাপরিচালক শাহ আহমদ শফী এবং সহকারী পরিচালক জুনায়েদ বাবুনগরী ছিলেন। বুধবার বৈঠকে জুনায়েদ বাবুনগরীকে অব্যাহতি দিয়ে তাঁর স্থলে মাদ্রাসার জ্যেষ্ঠ শিক্ষক শেখ আহমদকে সহকারী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। বাবুনগরী নিজেও দায়িত্ব থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। আহমদ শফীর অনুপস্থিতিতে শেখ আহমদই ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করবেন। তিনি ভারপ্রাপ্ত থেকে পুরোপুরি মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করবেন কি না, তা নির্ধারণ করবে পরবর্তী শুরা কমিটি।

তবে এ বিষয়ে আল্লামা বাবুনগরীর পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে আল্লামা বাবুনগরী বলেন, শায়খুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফী সাহেব হুজুরের সভাপতিত্বে আজ হাটহাজারী মাদরাসার মজলিসে শূরার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত বৈঠকের শেষ পর্যায়ে কিছু বিষয় সম্পর্কে জানতে  আমাকে বৈঠকে ডাকা হয়েছে। সেসব বিষয়ে আমি আমার সুস্পষ্ট বক্তব্য শায়খুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফী সাহেব ও শূরার সদস্যদের সামনে উপস্থাপন করেছি। কিন্তু বৈঠকে শূরার সদস্যদের নিকট মুঈনে মোহতামীমের পদ থেকে পদত্যাগ  চাওয়া বা পদত্যাগের  বিষয়ে কোনধরনের সম্মতি আমি প্রকাশ করিনি। এবং উক্ত বৈঠকে আমাকে মুঈনে মোহতামীম এর পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়ার বিষয়ে শূরার সদস্যগণ আমাকে কিছুই বলেননি। বৈঠক শেষ হওয়ার অনেক পরে একজন শূরার সদস্য মুঈনে মোহতামীমের পদ থেকে আমাকে অব্যাহতির বিষয়টি জানিয়েছেন।

আমি জানতে পেরেছি, মাদরাসার অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে মাওলানা নোমান ফয়জীর বরাতে এবং একটি ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় মাওলানা নুরুল আমীন সাহেবের বরাতে প্রচারিত হচ্ছে যে,আমি মজলিসে শূরার সদস্যদের নিকট মুঈনে মোহতামীম বা সহযোগী পরিচালকের পদ থেকে পদত্যাগের সম্মতি প্রকাশ করায় তারা আমাকে উক্ত পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন। অথচ এ কথা ভিত্তিহিন। আমি শূরার সদস্যদের নিকট কোন পদত্যাগ চাইনি।

এ সম্পর্কে শূরা সদস্য আল্লামা নোমান ফয়জীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রবচনকে বলেন, শূরার বৈঠকে বাবুনগরী ইস্তফা দেননি। তাঁর পক্ষ থেকে এমন কোন বিষয় আলোচনায় আসেনি। যারা আমার বরাতে এমন কথা বলছে তারা মিথ্যা কথা বলছে। আমি এমন কোন কথা বলিনি।

তিনি আরোও বলেন, অনেকে বলছে আমি আনুষ্ঠানিকভাবে বৈঠকের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছি। এটাও মিথ্যা কথা। উক্ত বৈঠকের আনুষ্ঠানিক কোন ঘোষণা এখন পর্যন্ত দেয়া হয়নি।

বাংলাদেশে অনতিবিলম্বে ইসকন নিষিদ্ধ ...
নিজস্ব প্রতিবেদক: মজলিসে শূরার সদস্যদের নিকট হাটহাজারী মাদরাসার মুঈনে মোহতামীম বা সহযোগী পরিচালকের পদ থেকে সরাসরি পদত্যাগ  বা পদত্যাগের বিষয়ে কোন প্রকারের সম্মতি প্রকাশ করেননি আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী। 

আজ ১৭ ই জুন বুধবার রাতে সংবাদমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে এ কথা বলেন তিনি ।

আল্লামা বাবুনগরী বলেন,শায়খুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফী সাহেব হুজুরের সভাপতিত্বে আজ হাটহাজারী মাদরাসার মজলিসে শূরার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত বৈঠকের শেষ পর্যায়ে কিছু বিষয় সম্পর্কে জানতে  আমাকে বৈঠকে ডাকা হয়েছে। সেসব বিষয়ে আমি আমার সুস্পষ্ট বক্তব্য শায়খুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফী সাহেব ও শূরার সদস্যদের সামনে উপস্থাপন করেছি। কিন্তু বৈঠকে শূরার সদস্যদের নিকট মুঈনে মোহতামীমের পদ থেকে পদত্যাগ  চাওয়া বা পদত্যাগের  বিষয়ে কোনধরনের সম্মতি আমি প্রকাশ করিনি। এবং উক্ত বৈঠকে আমাকে মুঈনে মোহতামীম এর পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়ার বিষয়ে শূরার সদস্যগণ আমাকে কিছুই বলেননি। বৈঠক শেষ হওয়ার অনেক পরে একজন শূরার সদস্য মুঈনে মোহতামীমের পদ থেকে আমাকে অব্যাহতির বিষয়টি জানিয়েছেন।

আমি জানতে পেরেছি, মাদরাসার অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে মাওলানা নোমান ফয়জীর বরাতে এবং একটি ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় মাওলানা নুরুল আমীন সাহেবের বরাতে প্রচারিত হচ্ছে যে,আমি মজলিসে শূরার সদস্যদের নিকট মুঈনে মোহতামীম বা সহযোগী পরিচালকের পদ থেকে পদত্যাগের সম্মতি প্রকাশ করায় তারা আমাকে উক্ত পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন। অথচ এ কথা ভিত্তিহিন। আমি শূরার সদস্যদের নিকট কোন পদত্যাগ চাইনি।

স্বপদেই আল্লামা শফী, বাবুনগরীর স্থলে শেখ আহমদ
নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রামের আল জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলূম মঈনুল ইসলাম হাটহাজারী (বড় মাদরাসা) শূরা কমিটির বৈঠকে মাদরাসার মহাপরিচালক পদে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী বহাল রয়েছেন। সহযোগী মহাপরিচালকের (নায়েবে মুহতামিম) দায়িত্ব পালনকারী মাওলানা জুনাইদ বাবুনগরীর স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে মাদরাসার সিনিয়র মুহাদ্দিস ও প্রবীণ আলেম মাওলানা শেখ আহমদকে।

আজ বুধবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত মাদরাসা কার্যালয়ে আয়োজিত শূরা কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এতে ১১ জন শূরা সদস্যের উপস্থিতিতে এ সিন্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। 

মাদরাসা কার্যালয়ে আয়োজিত শূরা কমিটি বৈঠকে উপস্থিত কর্মকর্তারা হলেন হাটহাজারী মাদরাসার মহাপরিচালক আল্লামা শাহ আহমদ শফী, আল্লামা আব্দুল কুদ্দুস, মুফতি নুরুল আমিন, মাওলানা নুরুল ইসলাম জিহাদী, মাওলানা নোমান ফয়জী, মাওলানা সালাহউদ্দিন নানুপুরী, মাওলানা মাহমুদুল হাসান ফতেপুরী, মাওলানা আবুল হাসান, মাওলানা আবুল কাসেম, মাওলানা ওমর ফারুক ও মাওলানা সোহাইব নোমানী।

বুধবার হাটহাজারী মাদ্রাসার মজলিশে ...
প্রবচন: দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদরাসার পরবর্তী মহাপরিচালক পদে বাছাই করা হচ্ছে আজ। দেশের শীর্ষ এ কওমি মাদরাসার সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারণী ফোরাম ‘মজলিসে শূরা কমিটি’ নির্ধারণ করবে কে হচ্ছেন বর্তমান মহাপরিচালক আল্লামা আহমদ শফীর উত্তরসূরি।

আজ বুধবার সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে মজলিসে শূরা কমিটির বৈঠক শুরু হয়েছে। সিদ্ধান্ত আসতে পারে আজ বিকেল ৪টার পর। 

যিনিই উত্তরসূরি নির্বাচিত হবেন তিনিই এক সময় হবেন হেফাজতে ইসলাম, বেফাক, আল হাইয়াতুল উলইয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়া বাংলাদেশের চেয়ারম্যান। একই সঙ্গে শীর্ষ কওমি আলেমের দায়িত্বও পালন করবেন। আল্লামা আহমদ শফী বয়সের ভারে ন্যুব্জ। তিনি তাঁর জীবদ্দশায় উত্তরসূরি নির্বাচন করে যেতে চাইছেন।

তাই আজ বুধবার বৈঠকে বসছে ‘মজলিসে শূরা কমিটি’। এ কমিটি নির্ধারণ করবে মাদরাসার পরবর্তী মোহতামিম বা মহাপরিচালক। যিনি আহমদ শফীর জীবিত থাকা অবস্থার হাটহাজারী মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত পরিচালক এবং পরবর্তীতে মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করবেন। মজলিসে শূরার ১৭ সদস্যের মধ্যে ছয়জন মারা গেছেন। তাই ১১ জন শূরা সদস্য ভারপ্রাপ্ত পরিচালক নির্বাচন করবেন। তারা সবাই বৈঠকে উপস্থিত হয়েছেন এবং দুপুরে উক্ত বৈঠকে অংশ নেন মাদরাসার সহকারী পরিচালক ও হেফাজত মহাসচিব আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী। 

লাদাখে সীমান্ত বিরোধ নিয়ে ভারত ও ...
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: লাদাখে ভারত-চীনের সেনা সংঘর্ষে কমপক্ষে ২০ জন ভারতীয় সেনা নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার রাতে এমনটাই দাবি করেছে ভারতের সংবাদ সংস্থা এএনআই। ভারতীয় সেনাকে উদ্ধৃত করে এএনআই জানিয়েছে, সোমবার রাতের সংঘর্ষে তিন জন ভারতীয় সেনা নয়, কমপক্ষে ২০ জন নিহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার সকালে পূর্ব লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় পয়েন্ট ১৪ ভারত-চীন সেনার সংঘর্ষের খবর প্রকাশ্যে আসে। আনন্দবাজারের এক খবরে বলা হয়, সোমবার রাতের সংঘর্ষে, ভারতীয় সেনার ১ কর্নেলসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। সেনা এবং সরকারি সূত্রকে উদ্ধৃত করে, একাধিক ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দাবি করে, চীনের অন্তত পাঁচ জন সেনা নিহত হয়েছেন সোমবার রাতের সংঘর্ষে। কিন্তু সন্ধ্যার পর থেকেই পরিস্থিতি বদলাতে থাকে। 

সংবাদ সংস্থা এএনআই জানিয়েছে, সোমবার রাতে সংঘর্ষে আরো ১৭ জন গুরুতরভাবে জখম হয়েছিলেন। হিমাঙ্কের নিচে তাপমাত্রায়, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উঁচুতে অবস্থান এবং খোলা আকাশের নিচে আহত অবস্থায় দীর্ঘক্ষণ থাকার ফলে তাদের মৃত্যু হয়।

এদিকে, সরকারি সূত্রকে উদ্ধৃত করে সংবাদ সংস্থা এএনআই জানিয়েছে, চীনা বাহিনীরও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এএনআই-এর দাবি, চীনা বাহিনীর অন্তত ৪৩ জন নিহত নয়তো গুরুতর আহত হয়েছেন।

সাঈদীকে প্রধানমন্ত্রী দেখিয়ে কাল্পনিক 'মন্ত্রিসভা' গঠন, যুবক গ্রেপ্তার
প্রবচন ডেস্ক: পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে জামায়াত নেতা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীকে প্রধানমন্ত্রী করে কল্পিত মন্ত্রিসভার এক ছক তৈরি করে তা পোস্ট করায় আব্দুর রহিম (২৬) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তার কল্পিত মন্ত্রিসভায় জামায়াত নেতা, ধর্মীয় আলোচক ও বিএনপি জোটের নেতারাও রয়েছেন। 

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে তাকে গ্রেপ্তার করে মঙ্গলবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তার আব্দুর রহিমের বাড়ি দেবীগঞ্জ উপজেলার শালডাঙ্গা ইউনিয়নের সর্দারপাড়া এলাকায়। সে ওই এলাকার নায়েব আলীর ছেলে।

ওই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও দেবীগঞ্জ থানার এসআই আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ওই যুবক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জায়গায় জামায়াত নেতা দেলোয়ার হোসেই সাঈদী, ধর্মমন্ত্রীর জায়গায় মিজানুর রহমান আজহারী, অর্থমন্ত্রীর জায়গায় আন্দালিব রহমান পার্থসহ মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পদে জামায়াত নেতাসহ তার মনগড়া নেতাদের নাম বসিয়ে কল্পিত মন্ত্রিসভার ছক এঁকে তা তার ফেসবুকের টাইমলাইনে শেয়ার করে। সেখানে ওই যুবক লেখে যে, এই ব্যক্তিরা যদি সরকার পরিচালনা করত তাহলে কতই না ভালো হতো।

সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে পোস্ট দেয়ার পর পরই বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়। পরে স্থানীয়রা বিষয়টি পুলিশ অবহিত করেন। সোমবার গভীর রাতে দেবীগঞ্জ থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটিও জব্দ করা হয়। তার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়েছে। মামলার বাদী দেবীগঞ্জ থানা পুলিশের এসআই গোলজার হোসেন।

উল্লেখ্য, গত দু’দিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বিভিন্ন ব্যক্তি তাদের পছন্দের মানুষের ছবি দিয়ে ‘কল্পিত মন্ত্রিসভা’ এর ছক একে তা পোস্ট করছেন। বিষয়টি ফেসবুকে ভাইরাল হতে দেখা গিয়েছে। অনেকে জানিয়েছেন, ‘আমরা কেবল মজা করার জন্য এমনটি করেছি। এমন নয় যে, এর মাধ্যমে আমরা দেশের মন্ত্রিসভা নির্বাচন করছি।’

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় সর্বোচ্চ মৃত্যু ও আক্রান্তের রেকর্ড
ডেস্ক: করোনা ভাইরাসে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৩ জনের মৃত্যু হয়েছেন। এ নিয়ে করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল এক হাজার ২৬২ জনে। একই সময়ে নতুন করে আরও তিন হাজার ৮৬২ জনের মধ্যে করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। ফলে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ৯৪ হাজার ৪৮১ জনে।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস বিষয়ক নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা অনলাইনে বুলেটিন পড়েন।

তিনি মোট ৬১টি ল্যাবে নমুনা পরীক্ষার তথ্য তুলে ধরে জানান, করোনা ভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৮ হাজার ৪০৩টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ১৭ হাজার ২১৪টি নমুনা। এ নিয়ে দেশে মোট নমুনা পরীক্ষা করা হলো পাঁচ লাখ ৩৩ হাজার ৭১৭টি। নতুন নমুনা পরীক্ষায় করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে আরও তিন হাজার ৮৬২ জনের দেহে। ফলে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ৯৪ হাজার ৪৮১ জনে। আক্রান্তদের মধ্যে মারা গেছেন আরও ৫৩ জন। এ নিয়ে মোট মৃত্যু হলো এক হাজার ২৬২ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরও দুই হাজার ২৩৭ জন। সব মিলিয়ে মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা এখন ৩৬ হাজার ২৬৪ জন।

বরাবরের মতো করোনা ভাইরাস থেকে সুরক্ষিত থাকতে সবাইকে সাবান দিয়ে হাত ধোয়া, মুখে মাস্ক পরা এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানান ডা. নাসিমা।

রেডজোন রাজাবাজার রাত ১২ টার পরে লকডাউন
কোভিড-১৯ সংক্রমণের হার বিবেচনায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলকে যে তিনটি জোনে ভাগ করা হচ্ছে, তার মধ্যে লাল জোনে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার।

এছাড়া গত ৩১ মে থেকে সীমিত পরিসরে যেভাবে অফিস চলছে, হলুদ ও সবুজ জোনে অবস্থিত অফিসগুলো ১৬ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত সেভাবেই চলবে জানিয়ে সোমবার আদেশ জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

প্রথমে লাল ও হলুদ জোনে সাধারণ ছুটি থাকবে বলে জানালেও রাতে আদেশ সংশোধন করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ বলছে, “লাল অঞ্চলে অবস্থিত সামরিক বা অ-সামরিক সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বয়ত্তশাসিত বা বেসরকারি দপ্তরগুলো এবং বসবাসকারী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সাধারণ ছুটির আওতায় থাকবেন। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

“হলুদ ও সবুজ অঞ্চলে সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এব বেসরকারি অফিস নিজ ব্যবস্থাপনায় সীমিত পরিসরে খোলা থাকবে।”

সীমিত পরিসরে অফিস খোলা থাকার সময় অর্থাৎ, আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত সব ধরনের গণপরিবহনও চলাচল করতে পারবে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের আদেশে বলা হয়, “অনুমোদিত অঞ্চলে সীমিত পরিসরে নির্দিষ্ট সংখ্যক যাত্রী নিয়ে গণপরিবহণ, যাত্রীবাহী নৌযান, রেল ও বিমান চলাচল করতে পারবে; তবে সর্বাবস্থায় মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্য বিভাগ কর্তৃক জারি করা নির্দেশনা কঠোরভাবে মেনে চলা নিশ্চিত করতে হবে।”

গত ২৬ মার্চ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত টানা ৬৬ দিনের সাধারণ ছুটির সময় সব ধরনের গণপরিবহন বন্ধ রাখা হয়। ৩১ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত সীমিত পরিসরে অফিস খুলে দিয়ে এই সময় স্বাস্থ্যবিধি মেনে গণপরিবহণ চলাচলের অনুমতি দেয় সরকার।

সীমিত পরিসরে অফিস চালু রাখার ওই সিদ্ধান্তের মেয়াদ নতুন করে ১৬ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত বাড়ানোর পাশাপাশি ওই সময় পর্যন্ত গণপরিবহন চালানোরও অনুমতি দেওয়া হল।

বিধি-নিষেধ

 সীমিত আকারে অফিস, যানবাহন খোলা থাকলেও যেসব ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ রয়েছে, তা ৩০ জুন পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। সাপ্তাহিক ছুটি এ নিষেধাজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

 রাত ৮টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া (প্রয়োজনীয় ক্রয়-বিক্রয়, কর্মস্থলে যাতায়াত, ওষুধ কেনা, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার) কোনোভাবেই বাড়ির বাইরে যাওয়া যাবে না; বাইরে চলাচলের সময় অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। এ নির্দেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 বিধিনিষেধের সময়ে জনসাধারণ এবং সব কর্তৃপক্ষকে অবশ্যই স্থাস্থ্য সেবা বিভাগের জারি করা নির্দেশাবলি কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে।

 হাটবাজার, দোকান-পাটে কেনাবেচার পারস্পরিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে প্রতিপালন করতে হবে। শপিংমলের প্রবেশমুখে হাত ধোয়ার ব্যবস্থাসহ ও স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা রাখতে হবে। শপিংমলে আসা যানবাহনগুলোকে অবশ্যই জীবাণুমুক্ত করার ব্যবস্থা রাখতে হবে। বাজার, দোকানপাট এবং শপিংমলগুলো বিকাল ৪টার মধ্যে অবশ্যই বন্ধ করতে হবে।

 আইনশৃঙ্খলা, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা কাজে নিয়োজিত সংস্থা এবং জরুরি পরিষেবা যেমন- ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্য সেবা, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দর (স্থলবন্দর, নদীবন্দর ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট, ডাক সেবা এবং অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসগুলো, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতা-বহির্ভুত থাকবে।

 সড়ক ও নৌপথে সকল প্রকার পণ্য পরিবহনের কাজে নিয়োজিত ট্রাক, লরি, কার্গো ভেসেল চলাচল অব্যাহত থাকবে।

 কৃষিপণ্য, সার, কীটনাশক, খাদ্য, শিল্প পণ্য, রাষ্ট্রীয় প্রকল্পের মালামাল, কাঁচা বাজার, খাবার, ঔষধের দোকান, হাসপাতাল ও জরুরি সেবা এবং এসবের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মীদের ক্ষেত্রে এ ছুটি প্রযোজ্য হবে না।

 চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত চিকিৎসক ও কর্মী এবং ঔষধসহ চিকিৎসা সরঞ্জাম বহনকারী যানবাহন ও কর্মী, গণমাধ্যম (ইলেকট্রনিক ও প্রিন্টি মিডিয়া) এবং কেবল টিভি নেটওয়ার্কে নিয়োজিত কর্মীরা এ নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে থাকবেন।

 ঔষধশিল্প, উৎপাদন ও রপ্তানিমুখী শিল্পসহ সকল কলকারখানা কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের নিরাপত্তা এবং স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করে চালু রাখতে পারবে। স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ প্রণীত ‘বিভিন্ন শিল্প কারখানায় স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করার নির্দেশনা প্রতিপালন নিশ্চিত করতে হবে।

 নিষেধাজ্ঞাকালে কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখা যাবে না। তবে অনলাইন কোর্স/ডিস্টেন্স লার্নিং অব্যাহত থাকবে এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো প্রশাসনকি কার্যাবলি চালাতে পারবে।

➠ অঞ্চলভিত্তিক ব্যাংকিং ব্যবস্থা চালু রাখার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে।

 অনুমোদিত অঞ্চলে সীমিত পরিসরে নির্দিষ্ট সংখ্যক যাত্রী নিয়ে গণপরিবহন, যাত্রীবাহী নৌযান, রেল ও বিমান চলাচল করতে পারবে; তবে মাস্ক পরা এবং স্বাস্থ্য বিভাগের জারি করা নির্দেশনা কঠোরভাবে মেনে চলা নিশ্চিত করতে হবে।

➠ সকল প্রকার সভা-সমাবেশ, গণজমায়েত ও অনুষ্ঠান আয়োজন বন্ধ থাকবে। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অনুশাসন ও স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে মসজিদগুলোতে জামাতে নামাজ আদায় এবং অন্যান্য ধর্মীয় উপাসানালয়ে প্রার্থনা করা যাবে।

➠ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর প্রণীত ‘বাংলাদেশ রিস্ক জোন-বেইজড কোভিড-১৯ কনটেইনমেন্ট ইপ্লিমেন্টেশন স্ট্র্যাটিজি/গাইড অনুসরণ করে কর্তৃপক্ষ লাল অঞ্চল (রেড জোন), হলুদ অঞ্চল (ইয়োলো জেন) ও সবুজ অঞ্চল (গ্রিন জোন) হিসেবে ভাগ করে জেলা/উপজেলা/এলাকা/বাড়ি/মহল্লাভিত্তিক জন চলাচল/জীবনযাত্রা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে। তবে এক্ষেত্রে প্রত্যেকটি জোনের জন্য কোভিড নমুনা পরীক্ষা, কোভিড-ননকোভিড স্বাস্থ্যসেবা প্রোটোকল, কোয়ারেন্টিনন/আইসোলেশন, অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস, জন চলাচল, যান চলাচল, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, খাবার ও ওষুধ সরবরাহ, দরিদ্র লোকদের জন্য মানবিক সহায়তা, মসজিদ-মন্দির অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে ধর্মচর্চা, জনসচেতনতা তৈরি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, ব্যাংকিং সুবিধাসহ আর্থিক প্রতিষ্ঠান/শিল্প প্রতিষ্ঠান/ বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান পরিচালনার বিষয়ে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) তৈরি করতে হবে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।

➠ সিটি করপোরেশন এলাকায় অঞ্চলভিত্তিক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করার সার্বিক দায়িত্ব থাকবে সিটি করপোরেশনের। সিটি করপোরেশন এলাকার বাইরে জেলা প্রশাসন সার্বিক সমন্বয় করবে। স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান, জেলা/উপজেলা প্রশাসন, স্বাস্থ্য বিভাগ, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো সমন্বিতভাবে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবে। এ কার্যক্রমে সংসদ সদস্যরাসহ অন্যান্য জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ স্বেচ্ছাসেবীসহ অন্যান্যদেরকে সম্পৃক্ত করতে হবে।

➠ লাল অঞ্চলে অবস্থিত সামরিক বা অ-সামরিক সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত বা বেসরকারি দপ্তরগুলো এবং বসবাসকারী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সাধারণ ছুটির আওতায় থাকবেন। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

➠ হলুদ ও সবুজ অঞ্চলে সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিসগুলো নিজ ব্যবস্থাপনায় সীমিত পরিসরে খোলা থাকবে। এ নিষেধাজ্ঞাকালে কেউ কর্মস্থল ত্যাগ করতে পারবেন না। ঝুঁকিপূর্ণ, অসুস্থ কর্মচারী এবং অন্ত্বঃসত্তা নারীরা কর্মস্থলে উপস্থিত হওয়া থেকে বিরত থাকবেন। এক্ষেত্রে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ থেকে জারি করা ১২ দফা নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে। জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় ক্ষেত্র ছাড়া সব সভা ভার্চুয়াল উপস্থিতিতে আয়োজন করতে হবে।

অবশেষে ভারতীয় দূতাবাসের দুই কর্মীকে ছেড়ে দিল পাকিস্তান
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: অবশেষে দিনভর নানা নাটকীয়তা শেষে ভারতীয় দূতাবাসের আটক ২ কর্মীকে ছেড়ে দিয়েছে পাকিস্তান। সোমবার সকালে পাকিস্তানে নিযুক্ত ভারতীয় দূতাবাসের দুই কর্মীর নিখোঁজ হওয়ার খবর চাউর হয়।

ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, সোমবার সকালে ইসলামাবাদ বিমানবন্দর যাওয়ার পথে ভারতীয় দূতাবাসের ওই দুই কর্মীর গাড়ি আটক করে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই।

তাদের বিরুদ্ধে 'হিট অ্যান রান কেস' দেওয়া হয়। দুপুরে তাদের আটকের কথা স্বীকার করে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

দুই কর্মীকে আটকের খবর পাওয়ার পরই দিল্লিতে পাক হাই কমিশনের চার্জ ডি'অ্যাফেয়ার্স সৈয়দ হায়দার শাহকে ডেকে পাঠায় ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। আটকের ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ করা হয়।

জানিয়ে দেওয়া হয়, আটক ২ কর্মীকে জিজ্ঞাসাবাদ বা হেনস্থা করা যাবে না। তাদের নিরাপত্তার দায়িত্ব পাকিস্তানকেই নিতে হবে।

এরপর জানা যায়, গতকাল বিকালে ইসলামাবাদ হাই কমিশনে ফিরে এসেছেন ওই ২ কর্মী।

এর আগে গত ১ জুন দিল্লিতে পাক হাই কমিশনের ২ কর্মীকে আটক করে ভারত পুলিশ। গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে তাদের আটক করে। সেইসঙ্গে তাদের দেশে ফেরত পাঠানো হয়। এরপর থেকেই থেকেই দুদেশের মধ্যে উত্তেজনা চলছে। 

-জি নিউজ

করোনার নমুনা সংগ্রহে অস্থায়ী ক্যাম্প পরিচালনা করছে রংপুর সিটি কর্পোরেশন
প্রবচন: রংপুরে করোনা ভাইরাসের নমুনা পরীক্ষায় সাধারণ মানুষের উৎসাহ বেড়েছে। তাই চাপ বেড়েছে সাধারণ মানুষের। রংপুর মহানগরীর সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে নভেল করোনা ভাইরাসের নমুনা সংগ্রহে অস্থায়ী ক্যাম্প পরিচালনা শুরু করেছে রংপুর সিটি কর্পোরেশনের স্বাস্থ্য বিভাগ।

সোমবার (১৫ জুন) নগরীর ইঞ্জিনিয়ারপাড়াস্থ বিদ্যালয় স্বাস্থ্য কেন্দ্রে রংপুর সিটি কর্পোরেশনের নভেল করোনা ভাইরাসের নমুনা সংগ্রহে অস্থায়ী ক্যাম্পে নমুনা দিতে আসা মানুষের দীর্ঘ লাইন লক্ষ্য করা যায়। নমুনা সংগ্রহের প্রথম দিনে মহানগরীর বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা সাধারণ মানুষ, ফায়ার সার্ভিসের সদস্যবৃন্দ নমুনা প্রদান করেন। আর এই নমুনা রংপুর সিটি কর্পোরেশনের স্বাস্থ্য বিভাগের চুক্তিভিত্তিক ল্যাব টেকনিশিয়ান দিয়ে নমুনা গ্রহণ হচ্ছে।

রংপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো. মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা সাংবাদিকদের জানান, দেশের ১২টি সিটি কর্পোরেশনের মধ্যে একমাত্র রংপুর সিটি কর্পোরেশন বাড়ি বাড়ি গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করছে। কিন্তু পরীক্ষায় বিলম্বের কারণে এ ভাইরাস দ্রুত নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ছড়াচ্ছে। রংপুর সিটি কর্পোরেশন এলাকায় প্রায় ১০লাখ মানুষের বসবাস। নগরবাসীর সুবিধার্থে একটি অস্থায়ী ক্যাম্প পরিচালনা করা হচ্ছে। নমুনা প্রদানে মানুষের আগ্রহ যেভাবে বেড়েছে, এতে কমপক্ষে আরো দু’তিনটি ক্যাম্প স্থাপন করা প্রয়োজন। সেই তুলনায় জনবল দক্ষ টেকনিশিয়ান রংপুর সিটি কর্পোরেশনে নেই। রেড জোন রংপুরের সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে আরো দু’টি নমুনা পরীক্ষার জন্য ল্যাব স্থাপন করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও স্বাস্থ্য মন্ত্রীর প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি।

রংপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. কামরুজ্জামান তাজ জানান, রংপুর নগরীতে ভয়াবহ অবস্থা, কিন্তু আমরা অসহায়। আমাকে মাত্র ৪০ জনের নমুনা সংগ্রহ করার আদেশ দেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে ২০টি পুরাতন রোগী এবং নতুন ২০টি রোগী।

করোনা প্রতিরোধ কমিটির আহ্বায়ক শিক্ষাবিদ ফখরুল আনাম বেঞ্জুসহ সাধারণ মানুষ রংপুর সিটি মেয়রের এ উদ্যোগকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘ক্যাম্প স্থাপন করে নমুনা সংগ্রহ করার এই উদ্যোগ অত্যন্ত মহৎ কাজ। রংপুর মেডিকেল কলেজের পাশাপাশি সিটি কর্পোরেশনে নমুনা পরীক্ষার জন্য দুটি ল্যাব স্থাপন করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।’

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget