Latest Post


রাশিদুল ইসলাম: বাংলাদেশের প্রাচীনতম দীনি শিক্ষা নিকেতন আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলূম মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারী প্রতিষ্ঠার সূচনালগ্ন থেকেই দেশে ধর্মীয় শিক্ষা-দীক্ষার পরিবেশ তৈরির পাশাপাশি দীনের বহু অঙ্গনে ইসলাম ও মুসলিম উম্মাহর খেদমত করে আসছে। বিশেষত উম্মাহর বিভিন্ন জীবন জিজ্ঞাসার সঠিক সমাধানের মত গুরুত্বপূর্ণ কাজও জামিয়ার ইসলামী আইন-গবেষণা বিভাগের পাশাপাশি জামিয়ার মুখপত্র ( র্ম ও তাহযীব বিষয়ক সাময়িকী ) মাসিক 'মুঈনুল ইসলাম' এর মাধ্যমে প্রায় ত্রিশ বছর থেকে সমাধান দিয়ে আসছে।

পত্রিকা প্রকাশের শুরুলগ্ন থেকেই জিজ্ঞাসা-সমাধান বিভাগটির দায়িত্ব পালন করে আসছে জামিয়ার উচ্চতর বিভাগ 'তাখাসসুস ফিল ফিকহিল ইসলমী ( ইসলামি আইন-গবেষণা ) বিভাগ।

উম্মাহর বৃহৎ ফায়দার জন্য জামিয়ার মহাপরিচালক শায়খুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফী হাফিযাহুল্লাহুর নির্দেশনায় মাসিক মুঈনুল ইসলাম পত্রিকায় প্রেরিত প্রশ্নের সমাধানগুলো একত্রিত করে, ফেকহী কিতাবের নিয়ম অনুযায়ী অধ্যায় ভাগ করে ভলিয়ম আকারে সংকলন করা হয়েছে 'ফাতওয়া মুঈনুল ইসলাম'-১।

সংকলনের এ গুরুদায়িত্ব পালন করেছেন জামিয়ার উচ্চতর বিভাগ 'দারুত তাসনীফ'। বিভাগটির প্রথম বছরের সংকলন হিসেবে উক্ত ফাতওয়ার খণ্ডটি তাঁরা সাফল্যের সাথে আঞ্জাম দিতে সক্ষম হয়েছে।

'ফাতওয়া মুঈনুল ইসলাম' এর প্রথম খণ্ডে রয়েছে কিতাবুত তহারত এবং সালাত। ধারাবাহিক বেশকিছু খণ্ডে ফাতওয়ার কিতাবটি প্রকাশিত হবে ইনশাআল্লাহ।

সত্যায়ন
ফাতাওয়ার কিতাবটি সংকলন প্রস্তুত করে, সত্যায়নের জন্য ফাতওয়া বিভাগের সকল উস্তাযের কাছে পাঠানো হলে সকলেই গুরুত্বের সাথে সংকলনটি দেখেছেন এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়েছেন। 
বিশেষত মুফতী নূর আহমাদ হাফি. মুফতী আবদুস সালাম হাফি. মুফতী জসীমুদ্দীন হাফি. মুফতী কিফায়াতুল্লাহ হাফি. এবং মুফতী ফরীদুল হক হাফি.।

উল্লেখ্য, কিতাবটির শুরুতে দীর্ঘ ৬০ পৃষ্ঠাব্যাপী মুফতিয়ানে কেরাম ও আসাতিযায়ে কেরামের দুআ ও অভিমত রয়েছে।
কিতাবটির সৌন্দর্য আরো বহুগুণে বৃদ্ধি করে দিয়েছে, জামিয়ার বিশিষ্ট ফকীহ ও মুহাদ্দিস মুফতী কিফায়াতুল্লাহ হাফিযাহুল্লাহুর জ্ঞানগর্ভ ভূমিকা।  'ফাতাওয়া মুঈনুল ইসলাম: কিছু মৌলিক আলোচনা” শীর্ষক ভূমিকায় অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় স্থান পেয়েছে। কিতাবটি বিশেষত ফিকহ-ফাতাওয়ার সাথে সম্পর্ক রাখেন- এমন প্রত্যেকের জন্য উপকারে আসবে। 

কিতাবটি সংকলনের ক্ষেত্রে 'দারুত তাসনীফ' বিভাগটিকে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেছেন, মাসিস মুঈনুল ইসলামের সম্পাদক, দারুত তাসনীফ বিভাগের নেগরান মুফতী আবদুল্লাহ নাজীব হাফিযাহুল্লাহ।

হাদিয়া
তিনশত পঞ্চাশ টাকা।

আপতত প্রাপ্তিস্থান
মাসিক মুঈনুল ইসলাম কার্যালয়।
যোগাযোগ : ০১৬৩৮-২৩৪৫৩৫

অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের অনুদান দিচ্ছে ...
স্টাফ রিপোর্টার :ভুয়া নিয়োগপত্র দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) থেকে ৩ প্রতারককে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে ভুয়া নিয়োগপত্র, ফাকা চেকসহ ক্যাম্পাস সংলগ্ন পার্কের মোড় থেকে তাদের আটক করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মুহিব্বুল ইসলাম  বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

আটককৃতরা হল মিঠাপুকুরের চেংমারী এলাকার মৃত মোঃ আলীর পুত্র ওসমান গনি, দিনাজপুরের ফুলবাড়ি উপজেলার পশ্চিম গৌরী পাড়া এলাকার মোজাম্মেল হকে পুত্র তানভির ওরফে রেজভি এবং একই এলাকার মৃত ওসমান মিয়ার পুত্র জাহিদুল ইসলাম। 

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, ৪ মাস আগে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়  আউটসোর্সিং নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। ওই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির সূত্র ধরে একটি প্রতারক চক্র গড়ে উঠে। তারা বিভিন্নজনকে ভুয়া নিয়োগপত্র প্রদান করে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়ে। 
সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের মালি পদে এক যুবক প্রতারক চক্রের কাছে ৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা ঠিক করে। চাকরি প্রত্যাশির ওই যুবকের এ বিষয়ে সন্দেহ হলে গোপনে পুলিশ কে জানান তিনি। প্রতারক চক্রকে ধরতে ফাঁদ পাতে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মুহিব্বুল ইসলাম মুন। 
বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রতারক চক্র ওই যুবকের নিকট টাকা নিতে পার্কের মোড়ে এলে পুলিশ তাদের হাতেনাতে আটক করে। এসময় তাদের কাছ থেকে ৩টি জাল নিয়োগপত্র, ৪টি ফাকা চেকের পাতা, ৪টি ফোন, ৪টি ভোটার আইডি কার্ড উদ্ধার করা হয়।


স্টাফ রিপোর্টার :করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধ ও গ্রাহকদের সুরক্ষায় ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড রংপুর শাখা লকডাউন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে রংপুর সিটি করপোরেশনের স্বাস্থ্য বিভাগ ওই ব্যাংকের শাখাটিতে লাল পতাকা উত্তোলন করে লকডাউন ঘোষণা করেন।

রংপুরের ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক শাখায় কর্মরত চারজন করোনা আক্রান্ত রোগী হিসাবে শনাক্ত হয়েছে। একারণে ওই শাখার গ্রাহকসহ কর্মরত সকলের সুরক্ষা ও করোনা সংক্রমণ ঝুঁকি রোধে লকডাউন করা হয়েছে বলে জানান সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. কামরুজ্জামান তাজ। :করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধ ও গ্রাহকদের সুরক্ষায় ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড রংপুর শাখা লকডাউন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে রংপুর সিটি করপোরেশনের স্বাস্থ্য বিভাগ ওই ব্যাংকের শাখাটিতে লাল পতাকা উত্তোলন করে লকডাউন ঘোষণা করেন।

রংপুরের ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক শাখায় কর্মরত চারজন করোনা আক্রান্ত রোগী হিসাবে শনাক্ত হয়েছে। একারণে ওই শাখার গ্রাহকসহ কর্মরত সকলের সুরক্ষা ও করোনা সংক্রমণ ঝুঁকি রোধে লকডাউন করা হয়েছে বলে জানান সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. কামরুজ্জামান তাজ।


জুনাইদ আহমদ  
মেখল মাদরাসার সিনিয়র মুফতী হযরত আল্লামা মুফতী মুহাম্মদ আলী কাসেমী হাফিযাহুল্লাহু। আমার প্রাণপ্রিয় উস্তাদ ও মুরুব্বি। আজ থেকে প্রায় একযুগ আগে আমি ছোট্ট জুনাইদ  মেখল মাদরাসায় ভর্তি হওয়ার পর মুফতী সাহেব হুজুরের পিতৃ স্নেহ ও সার্বিক তত্বাবধানে দীর্ঘ সাত বছর লেখাপড়া করেছি,আলহামদুলিল্লাহ। জামাতে মিজান থেকে হেদায়া ১ ম বর্ষ পর্যন্ত, ছয় বছর মুফতী সাহেব হুজুরের খেদমত ও সাহচর্যে ছিলাম।

মেখলের পড়াশোনা শেষ করে হাটহাজারী মাদরাসায় আসার পরও মুফতী সাহেব হুজুরের সাথে আমার সম্পর্কের ভাটা পড়েনি। সপ্তাহে দু'চার বার সাক্ষাৎ হয়।হুজুর মেখল থেকে হাটহাজারীর উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলেই ফোন দিয়ে বলেন- জুনাইদ! আমি হাটহাজারী আসতেছি।দেখা হতে পারে। দু'একদিন অন্তর অন্তর  মোবাইল ফোনেও কথা হয়। আমি ফোন দিতে না পারলেও মুফতী সাহেব নিজ থেকেই ফোন করে খবর নেন। ছাত্র-উস্তাদ নয় এ যেন পিতা-পুত্রের অকৃত্তিম সম্পর্ক। 

মোবাইলে নিয়মিত কথা হলেও করোনা ভাইরাস,লক ডাউন ইত্যাদির কারণে প্রায় দেড় দুইমাস যাবত মুফতী সাহেব হুজুরের সাথে সাক্ষাতের কোন সুযোগ হচ্ছিল না । মনটা ছটফট করছিলো কখন যে মুফতী সাহেব হুজুরের সাথে সাক্ষাৎ করবো! ক'দিন ধরে সাক্ষাত করতে যাবো যাবো করেও যাওয়া হচ্ছিল না। গত জুমাবার গিয়েছিলাম হুজুরের সাক্ষাৎলাভে 
ধন্য হতে।

জুমার পর হুজুর নিজ প্রতিষ্ঠিত মেখল এশায়াতুস সুন্নাহ মাদরাসায় বিশ্রাম করছিলেন। সালাম দিয়ে হুজুরের কামরায় প্রবেশ করা মাত্রই আমার কণ্ঠস্বর শুনে হুজুর বিশ্রাম ছেড়ে উঠে গেলেন। আগ বাড়িয়ে এসে মুসাফাহার জন্য হাত বাড়িয়ে দিলেন। কতটা উদার মনের মানুষ হলে- একজন উস্তাদ নিজ ছাত্রের স্নেহে বিশ্রাম ছেড়ে এগিয়ে এসে মুসাফাহার জন্য হাত বাড়িয়ে দিতে পারেন! আল্লাহু আকবার। এতে শেখার আছে বহুকিছু। সত্যিই মাটির  মানুষ আমার উস্তাদ মুফতী মুহাম্মদ আলী কাসেমী দা.বা.। 

আমার হাল পুরসি করলেন। খাদেমকে ডেকে নাস্তার ব্যবস্থা করতে বললেন। নাস্তা ছিলো আম,আনারস ইত্যাদি  ফলফলাদি। হুজুরও আমার সাথে একই দস্তরখানায় বসলেন। একাধিক গাছের আম ছিলো প্লেটে। কোনটা মিষ্টি আবার কোনটা হালকা টক। প্লেট থেকে হুজুর নিজ হাতে আমাকে আম তুলে দিচ্ছিলেন।আর বলছিলেন- এটা খাও, এটা বেশি মিষ্টি হবে । আমগুলো ছিলো অনেক সুস্বাদু। জিজ্ঞাসা করলাম আমগুলো মাদরাসার গাছের কিনা ? মুফতী সাহেব হুজুর উত্তর দিলেন- হ্যাঁ এগুলো মাদরাসার গাছের আম তবে আমি মাদরাসা থেকে টাকা দিয়ে কিনে নিয়েছি।আমের মূল্য যত টাকা আসে তা আমি মাদরাসায় দিয়ে দিয়েছি।

আশ্চর্য হলাম! নিজের জায়গা জমিনে প্রতিষ্ঠিত মাদরাসা। তিনি মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা-মোহতামীম। এরপরও মাদরাসার গাছের কয়েকটা আম সেগুলোও কিনে নিতে হয়! কয়েকটা আম কি তিনি মোহতামীম হিসেবে টাকা ছাড়াই খেয়ে নিতে পারতেন না ? মাদরাসার হকের ব্যাপারে এতটাই গুরুত্ববান তিনি! আল্লাহু আকবার....।

তিক্ত হলেও সত্য যে, বহু মোহতামীম হযরত মাদরাসাকে নিজ পৈত্রিক সম্পত্তি মনে করে লুটেপুটে খান। এমন খবরও ভুরি ভুরি শুনা যায়। কিসের মাদরাসার হক আর কিসের কি,সবই যেন নিজের। মাআজাল্লাহু...

দীর্ঘ ছয় বছর আমি মুফতী সাহেব হুজুরের খেদমতে ছিলাম। মাদরাসার হকের ব্যাপারে হুজুরকে সর্বোচ্চ সতর্ক ও গুরুত্ববান দেখেছি। বহু সময় দেখতাম- পকেট থেকে টাকা বের করে বলতেন এ টাকাগুলো তো  আমার নয় মনে হচ্ছে। এগুলো মাদরাসার জন্য কেহ দিলো কিনা। টাকাগুলো তো সন্দেহপূর্ণ হয়ে গেলো। এই বলে সেই টাকাগুলো মাদরাসায় দিয়ে দিতেন।

স্বচক্ষে দেখেছি- অফিসের ড্রয়ারে বা নিজ পকেটের কোন টাকার ব্যাপারে সন্দেহ হলে সেগুলো কিসের টাকা তা পরিপূর্ণ নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত সেগুলো আলাদা করে রেখে দিতেন।

মুফতী মুহাম্মদ আলী কাসেমী সাহেব হুজুর আমার কলিজার টুকরা উস্তাদ। ছোট্ট শিশুকে যেভাবে হাত ধরে হাঁটতে শেখানো হয় ঠিক সেভাবেই মুফতী সাহেব হুজুর আমাকে লেখালেখির ময়দানে হাঁটতে শিখিয়েছেন। আমার জীবনে মুফতী সাহেব হুজুরকে না পেলে হয়ত কলম হাতে নেওয়া শিখতাম না। মুফতী সাহেব হুজুর থেকে আমি যেই পরিমাণ শিখেছি এর ঋণ পরিশোধ করা কভু সম্ভব নয়। মুফতী সাহেব হুজুরের শানে আমার লিখিত এক কবিতায় লিখেছিলাম- ✍ আমার উপর রয়েছে তোমার বর্ননাতীত অবদান ✍ গায়ে চর্মে পাদুকা বানালেও হবেনা তার সমমান। 

আমার দেখামতে তিনি একজন নিভৃতচারী বুজুর্গ। সব সময় নিজেকে লুকিয়ে রাখতে পছন্দ করেন। হুজুর কতটা সাদাসিধে তা যারা হুজুরকে দেখেছেন তারাই বলতে পারবেন। তিনি ফার্সী ভাষার একজন পণ্ডিত। বিখ্যাত ইসলামি দার্শনিক আল্লামা শেখ সাদী রহ. গুলিস্তাঁ ও বুস্তা কিতাবের পাঠদানে তার দৃষ্টান্ত বিরল।মেখল মাদরাসায় আরবী সাহিত্যের মাকামাতে হারীরীর মতো কঠিন কিতাবের পাঠদান করেন তিনি। মাকামাতে হারীরী পড়ানোর সময় শব্দের,তাহক্বিক,সীগা,বাহাছ,
বাব,মাদ্দা,জিনস ইত্যাদি এমনভাবে তুলে ধরেন মনে হয় যেন তিনি মিজানের ছাত্রদেরকে সরফ পড়াচ্ছেন। মালাবুদ্দা মিনহু,নাহবেমীর সহ দরসে নেজামীর পাঠ্যসূচির বহু কিতাবের ব্যখ্যাকার তিনি। সদা হাস্যোজ্বল চেহারা। মুফতী মুহাম্মদ আলী কাসেমী সাহেব হুজুর দা.বা. আদর্শ মোহতামীমের একজন উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। আল্লাহ তায়া’লা হুজুরকে সুস্থতার সহিত দীর্ঘ নেক হায়াত দান করুন, আমিন। 

প্রাক্তণ ছাত্র মেখল মাদরাসা। 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: চীনের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের শুল্ক মুক্ত সুবিধা ঘোষণার পর বাংলাদেশ নিয়ে ‘খয়রাতি’ শব্দ ব্যবহার করায় দুঃখ প্রকাশের পাশাপাশি নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছে ভারতের জাতীয় দৈনিক ‘আনন্দবাজার পত্রিকা’।

ভ্রম সংশোধন শিরোনামে আনন্দবাজার লিখেছে, ‘লাদাখের পরে ঢাকাকে পাশে টানছে বেজিং’- শীর্ষক খবরে খয়রাতি শব্দের ব্যবহারে অনেক পাঠক আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন। অনিচ্ছাকৃত এই ভুলের জন্য আমরা দুঃখিত ও নিঃশর্ত ক্ষমাপ্রার্থী।’

গত ২০ জুন আনন্দবাজার পত্রিকায় ওই প্রতিবেদনের শুরুতেই ‘বাণিজ্যিক লগ্নি আর খয়রাতির সাহায্য ছড়িয়ে বাংলাদেশকে পাশে পাওয়ার চেষ্টা চীনের নতুন নয়’ বলে লেখা হয়।

সম্প্রতি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বেইজিংয়ের কাছে ৯৭ শতাংশ বা ৮ হাজার ২৫৬টি পণ্য রফতানিতে শুল্কমুক্ত ও কোটামুক্ত বাণিজ্য সুবিধা পেয়েছে বাংলাদেশ। আগামী ১ জুলাই থেকে এ বাণিজ্য সুবিধা কার্যকর হবে। 

সূত্র: ইউএনবি

সৌদি আরবের রাজধানীতে বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীগোষ্ঠী সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। হুথি পরিচালিত আল-মাসিরাহ টেলিভিশনে দেয়া এক ভাষণে সংগঠনটির মুখপাত্র বলেছেন, সৌদির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং একটি সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে।

মঙ্গলবারের এই হামলার ব্যাপারে বিস্তারিত কোনও তথ্য না দিয়ে আল-মাসিরাহ বলেছে, ইরান সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের গভীরে বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে। তবে এই হামলায় কোনো ক্ষয়ক্ষতি কিংবা প্রাণহানি ঘটেছে কিনা তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি।

সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট দাবি করেছে, তারা হুথি যোদ্ধাদের ছোঁড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সফলতার সাথে ধ্বংস করেছে। সৌদি জোটের মুখপাত্র কর্নেল তুর্কি আল-মালকি এ হামলাকে বেসামরিক জনগণ ও স্থাপনার বিরুদ্ধে ইচ্ছাকৃত এবং ধারাবাহিক অভিযান বলে উল্লেখ করেন।

একজন প্রত্যক্ষদর্শী ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে বলেছেন, মঙ্গলবার ভোরের দিকে তিনি রাজধানী রিয়াদে দু'টি বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পেয়েছেন এবং শহরের আকাশে বিশাল ধোঁয়ার কুণ্ডলি দেখেছেন।

করোনাভাইরাস মহামারির কারণে হুথি বিদ্রোহীদের সঙ্গে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের ছয় সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়েছিল; যার মেয়াদ শেষ হয় গত মাসে। এর পর থেকেই দুই পক্ষের সহিংসতার পরিমাণ আবারো বৃদ্ধি পেয়েছে। যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার পর সৌদি আরবের বিভিন্ন শহর লক্ষ্য করে বেশ কয়েকবার ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হামলা চালিয়েছে হুথি। জবাবে ইয়েমেনে এই বিদ্রোহী গোষ্ঠীর ঘাঁটি লক্ষ্য করে বিমান হামলা পরিচালনা করেছে সৌদি জোট।

সূত্র- রয়টার্স।

গুপ্তহত্যার মাধ্যমে দেশ অস্থির করার ...
নিজস্ব প্রতিনিধি: করোনা মহামারিতে অসহায় মানুষদের সহযোগিতায় এগিয়ে আসার আহবান জানিয়েছেন হেফাজত ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী৷

গতকাল ২১ জুন রবিবার সংবাদ মাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে আল্লামা বাবুনগরী এ আহবান জানান ৷

তিনি বলেন,করোনা আতংকে কার্যত মানুষ আজ গৃহবন্দী হয়ে পড়েছে। নেই কাজের কোন উৎস। এই পরিস্থিতিতে বহু মানুষ অসহায় অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছে। তাই এই উদ্ভুত পরিস্থিতিতে দূর্দশাগ্রস্থ পরিবারের পাশে খাদ্যদ্রব্য, নগদ অর্থসহ জরুরী ত্রাণসামগ্রী নিয়ে এগিয়ে আসা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব ও কর্তব্য। 

স্থানীয় প্রশাসন,সমাজের বিত্তবান, জনপ্রতিনিধি,সামাজিক ও সেবামূলক সংগঠন এবং বিশেষভাবে হেফাজত ইসলামের নেতৃবৃন্দকে যার যার অবস্থানে থেকে সাধ্যমত ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে অসহায়দের সহযোগিতায় এগিয়ে আসার আহবান জানান হেফাজত মহাসচিব।

হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে আল্লামা বাবুনগরী বলেন,আপনারা করোনায় আক্রান্ত রোগীদের সেবায় এগিয়ে আসুন। তাদের সেবা করুন। তাদের চিকিৎসায় সহযোগিতা করুন। এখলাছ ও নিষ্ঠার সাথে সেবার মহৎ কাজ করলে আল্লাহ তায়া’লার নিকট এর উত্তম বিনিময় পাওয়া যাবে। 

রোগীর দেখাশোনা ও সেবা-শুশ্রূষাও একটি ইবাদত উল্লেখ করে করোনায় আক্রান্ত রোগীদের যথাযথ চিকিৎসা সেবা দিতে ডাক্তারদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে আল্লামা বাবুনগরী বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) রোগীর সেবা-শুশ্রূষা করা, তাকে সান্ত্বনা দেওয়াকে সর্বোচ্চ সৎকাজ এবং গ্রহণযোগ্য ইবাদত হিসেবে ঘোষণা করেছেন।তাই আপনারা করোনায় আক্রান্ত রোগীদের যথাযথ চিকিৎসা সেবা প্রদান করুন।

তিনি আরো বলেন,এই মহামারিতে কোন মুসলমান মারা গেলে রাসুল সা. এর হাদীস অনুযায়ী সে অবশ্যই শহীদ হবে। তাকে ইসলামি বিধানানুযায়ী জানাযা ও দাফন কাফন করতে হবে। দুঃখজনকভাবে বলতে হয় করোনায় আক্রান্ত হয়ে যারা মারা যাচ্ছে আজ তাদের দাফন কাফনে অনেক অবহেলা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এটা কভু কাম্য নয়। করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বরণকারীদেরকে ইসলামের বিধান অনুযায়ী জানাযা ও দাফন-কাফনে সেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করতে হেফাজত নেতাকর্মীদের প্রতি আহবান জানান তিনি ।

আল্লামা বাবুনগরী বলেন, করোনা ভাইরাসে আতংকিত না হয়ে শরঈ বিধানকে প্রাধান্য দিয়ে সরকার, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও অভিজ্ঞ ডাক্তাররা যেসব পরামর্শ দেন তা যথাযথ ভাবে মেনে চলতে হবে।


জুনাইদ আহমদ :   আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া হামিয়ুচ্ছুনাহ মেখল মাদরাসা মহাপরিচালক আল্লামা নোমান ফয়জী সাহেব দা.বা.। তিনি  মুফতীয়ে আজম রহ. এর সুযোগ্য দৌহিত্র (মেয়ের ঘরের নাতি)। উচ্চ মর্যাদা সম্পন্ন ঐতিহ্যবাহী বংশের সন্তান তিনি । আল্লামা নোমান ফয়জী দা.বা. হাটহাজারী মাদরাসার সাবেক মোহতামীম আল্লামা হামেদ সাহেব রহ. এর জামাতা।

আল্লামা নোমান ফয়জী সাহেব দা.বা. হাটহাজারী মাদরাসার মজলিসে শূরার অন্যতম একজন সদস্য। গত ১৭ ই জুন বুধবার হাটহাজারী মাদরাসার মজলিসে শূরার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত বৈঠক শেষে এক বিশেষ বিবৃতিতে আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী হাফিযাহুল্লাহুর মুঈনে মোহতামীমের পদ ছেড়ে দেওয়ার সম্মতির বিষয়ে আল্লামা নোমান ফয়জী এর বরাতে একটি মিথ্যা বক্তব্য প্রচার করা হয়।

আল্লামা নোমান ফয়জীর দা.বা.এর বরাতে এমন একটি ডাহামিথ্যে বক্তব্য প্রচার হওয়ায় নোমান ফয়জী সাহেব দা.বা. তাৎক্ষণিক এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। অনলাইন পত্রিকা প্রবচনের সম্পাদক কাজী হামদুল্লাহ ভাই আল্লামা নোমান ফয়জী সাহেব হুজুর থেকে মুঠোফোনে এ বিষয়ে একটি অডিও সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেন। সাক্ষাৎকারে আল্লামা নোমান ফয়জী সাহেব হুজুর জানান, তাঁর বরাতে প্রচারিত বক্তব্যটি মিথ্যা ও ভূয়া।

আল্লামা বাবুনগরী বাবুনগরী সাহেব মুঈনে মোহতামীমের পদ থেকে পদত্যাগের কোন সম্মতি শূরার সদস্যদের নিকট পেশ করেননি এবং আল্লামা নোমান ফয়জী সাহেব হুজুরও বাবুনগরী সাহেবের পদত্যাগের বিষয়ে কোন কথা বলেননি।

প্রবচন মিডিয়ার সৌজন্যে সেই অডিও সাক্ষাৎকারটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফসবুকে ভাইরাল হয়। মিথ্যাচারের বিষয়টি ফাঁস হয়ে যাওয়ায় Kamrul hasan নামের একটি ফ্যাক আইডি থেকে আল্লামা নোমান ফয়জী সাহেব হুজুরের নামে কটুক্তিমূলক একটি পোস্ট করা হয়। এই ফ্যাক আইডি থেকে বিগত সময়েও হাটহাজারীর শীর্ষ ওলামায়ে কেরাম ও তৌহিদি জনতার নামে কটুক্তি করা হয়েছে। 

আল্লামা নোমান ফয়জী সাহেব হুজুরের নামে কটুক্তি করে বলা হয়েছে- তিনি হাটহাজারী মাদরাসার বহিস্কৃত উস্তাদ। মিথ্যাবাদীদের স্পর্ধা কত বড়!তিনি হাটহাজারী মাদরাসার বহিস্কৃত উস্তাদ এমন কথা আমরা আজো শুনিনি। এটা নির্জলা মিথ্যাচার। এমন ডাহা মিথ্যা আল্লামা নোমান ফয়জী সাহেব দা.বা. এর মানহানীর শামিল। আল্লামা  নোমান ফয়জী সাহেব হুজুর ছিলেন হাটহাজারী মাদরাসার স্বনামধন্য একজন শিক্ষক উস্তাদ । 

নোমান ফয়জী সাহেব হুজুরের পিতা আল্লামা মুজাফফর আহমদ (রহ.) মুফতীয়ে আজম রহ. এর পর ১৯৭৬ সন থেকে মেখল মাদরাসার মোহতামীম ছিলেন। ২০০৫ সাল তিনি ইন্তেকাল করলে আল্লামা নোমান ফয়জী সাহেব নিজ নানা মুফতীয়ে আজম রহ. ও পিতা আল্লামা মুজাফফর রহ. এর রেখে যাওয়া আমানত " মেখল মাদরাসার"  হাল ধরতে হাটহাজারী মাদরাসা থেকে সেচ্চায় বিদায় নিয়ে মেখল চলে যান। ২০০৫ ইং থেকে অদ্যাবধি  অত্যন্ত দক্ষতা ও বিচক্ষণতার সাথে  মেখল মাদরাসার মহাপরিচালকের গুরু দায়িত্ব পালন করে আসছেন আল্লামা নোমান ফয়জী দা বা.।

আমি মেখল মাদরাসার একজন প্রাক্তন ছাত্র। দীর্ঘ সাত বছর মেখলে পড়েছি। নোমান ফয়জী সাহেব হুজুরের নিকট মিজান কিতাব থেকে শুরু করে হেদায়া ১ ম খন্ড সহ বহু কিতাব আমি পড়েছি। তিনি আমার প্রাণপ্রিয় উস্তাদ। আজ ১০ বছর যাবত আমি হাটহাজারীতে আছি। আমার জানা ও দেখামতে আল্লামা নোমান ফয়জী সাহেব হুজুর বিতর্কের উর্ধ্বে একজন খাটি আল্লাহ ওয়ালা বুজুর্গ ব্যক্তি। নোমান ফয়জী সাহেব হুজুরের নামে  কোন সমালোচনা আজো শুনিনি।

আল্লামা নোমান ফয়জী সাহেব হাজার হাজার আলেমের কলিজার টুকরা উস্তাদ। সাড়া বাংলাদেশে তাঁর হাতে গড়া হাজার হাজার আলেম,মুফতী,মুহাদ্দিস,ইমাম-খতীব, লেখক ও গবেষক রয়েছে। তিনি অত্যন্ত নরম তবিয়তের একজন মানুষ। একজন বিদগ্ধ আলেম।সুমিষ্টভাষী ও জনপ্রিয় ওয়ায়েজ।

বাংলা ও উর্দূ ভাষায় অর্ধ শতাধিক কিতাবপত্র লিখেছেন তিনি। কওমী মাদরাসার পাঠ্যসূচির বহু কিতাবের ব্যখ্যাকার আল্লামা নোমান ফয়জী । সাবলীল উপস্থাপনা, মধুময় বাক্যশৈলী ও সর্ববোধগম্য দরস প্রদানে সকল ছাত্রদের প্রিয় উস্তাদ তিনি। তার মতো ক্লিন ইমেজের একজন বয়োবৃদ্ধ বুজুর্গ আলেম ব্যক্তিকে নিয়ে কটুক্তি করা চরম ধৃষ্টতার শামিল। মিথ্যাচারকারীদের কটুক্তিতে  আমরা যারপরনাই মর্মাহত। 

প্রশাসনের নিকট দাবী জানাই,
অনতিবিলম্বে Kamrul hasan নামে আইডি ব্যবহারকারীকে খোঁজে বের করে  তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। এবং কাদের ইন্দনে এ সব ফ্যাক আইডি থেকে এভাবে শীর্ষ ওলামায়ে কেরামের নামে কটুক্তি করা হচ্ছে তা অনুসন্ধান করে বের করার দাবী জানাচ্ছি 

আমি মেখলের একজন প্রাক্তন ছাত্র হিসেবে আমার উস্তাদ আল্লামা নোমান ফয়জী সাহেব হুজুরের শানে কামরুল হাসানের কটুক্তির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এবং কটুক্তিকারীদেরকে হুশিয়ারী উচ্চারণ করে বলছি,
অনতিবিলম্বে যদি কটুক্তি বন্ধ করা না হয় মেখলের সন্তানরা তোমাদের কটুক্তির দাঁতভাঙা জবাব দেবে,ইনশাআল্লাহ।

লেখক: 
প্রাক্তন ছাত্র মেখল মাদরাসা
ক্ষাবর্ষ-২০০৯ -২০১৫ ইংরেজি ]


কাজী হামদুল্লাহ :গতরাতে মাগরিবের নামায পড়ে কথা বলতে বলতে শ্রদ্ধেয় ডক্টর কিউ এম আতাউল হক আঙ্কেল একটি বহু পুরাতন মসজিদের কথা জানালেন। আমাদের এলাকা জুম্মাপাড়া থেকে দেড় কিলোমিটারের কিছু কম বা বেশি হবে; রংপুর দখিগঞ্জে। তিনি জানালেন মসজিদটি সম্ভবত মোঘল আমলের। এখন একেবারেই জঙ্গল হয়ে আছে। এলাকার মানুষ সেখানে ভয়ে যায় না। কেউ এটাকে মন্দির বলে আর কেউ বলে মসজিদ। ওই মসজিদটি একবার দেখে আসা যায়?
আমি আর আমার ফ্রেন্ড সাদিক তাৎক্ষণিক রাজি হয়ে তার সাথে পরামর্শ করে সিদ্ধান্ত নিলাম পরদিন সকাল (আজ সকালে) আমরা সেখানে যাবো। সেই অনুযায়ী আজ ফজরের নামায পড়ে তিনজন হেঁটে হেঁটে দখিগঞ্জে পৌঁছি। মসজিদটি প্রথম দেখাতেই মনটা একেবারে খারাপ হয়ে যায়। আল্লাহর ঘর মসজিদ, কিন্তু একেবারেই জঙ্গলের ভেতরে, মানুষের বাড়ির পেছন সাইডে। এর চেয়েও ভয়ের কথা হলো, মানুষ আল্লাহর ঘরে আসার চেয়ে বরং ভয় পায়। আমরা মসজিদটি ঘুরে ঘুরে দেখছিলাম, এমন সময়ই কয়েকজনকে দেখলাম দূর থেকে আমাদেরকে দেখছে কিন্তু কাছে আসছে না।

ঘরটি দেখে স্পষ্টই বোঝা যাচ্ছে যে, এটি একটি মসজিদ। স্থানীয় কেউ কেউ এটিকে মন্দির বললেও তা যে ভুল সেটা এর কাঠামো দেখলে যে কেউ বুঝতে পারবে।
স্বাভাবিকত মসজিদের দরজা হয় পূর্ব পাশে। পশ্চিমদিকের দেয়ালে থাকে মিম্বার/মিহরাব। পুরাতন মসজিদগুলোর পশ্চিম দেয়ালে বাতি রাখার জন্য মিহরাবের উভয় পাশে খোপ বানানো হয়। মসজিদের কাঠামোতে আরেকটি জিনিস বলতে গেলে তখনকার সময়ে বাধ্যতামূলক ছিলো, সেটা হলো গম্বুজ বা মিনার। এই মসজিদের উপরেও দেখলাম দুটি বড় বড় গম্বুজ রয়েছে। স্থানীয়রা জানালো এখানে মূলত গম্বুজ ছিল তিনটি। বেশ কয়েকবছর আগে একটি গম্বজ ভেঙে পড়ে গেছে।
ইট-সুরকির গাঁথুনীতে চমৎকার মোঘল কাঠামোতে তৈরি মসজিদটি সুন্দর সুন্দর কারুকাজ করে সাজানো।। কিন্তু উপরে-নিচে সবখানে প্রচুর ঝোঁপঝারের কারণে পূর্ব দিক ছাড়া অন্য কোনদিকেই সেটা এখন ততটা বোঝা যায় না।
আমি এখন পর্যন্ত এর সঠিক ইতিহাসটি জানতে পারিনি। কারণ সংবাদ পেয়েছি গতরাতেই। তবে দেখে বোঝা যাচ্ছে যে এটা কয়েকশো বছর আগে নির্মিত।
আমরা আমাদের মত করে দেখে-শুনে বিদায় হচ্ছিলাম একটা চাপা কষ্ট নিয়ে। তবে ডক্টর আঙ্কেল বললেন একবার এই জায়গার মালিকের সঙ্গে দেখা করে যেতে পারলে ভাল হতো। আমিও চিন্তা করলাম অবশ্যই, তার সাথে দেখা করলে হয়তো আরো কিছু তথ্য জানা যাবে।
খোঁজ নিয়ে জানলাম মসজিদ থেকে দেড়/দুইশো কদম দূরের বাড়িটির মালিকই এই জায়গার বর্তমান মালিক। তার সাথে আমরা দেখা করলাম। তিনি আমাদের জানালেন, তারা মোট পাঁচ ভাই। তাদের দাদা দরসিংদী থেকে রংপুরে এসে বসতি স্থাপন করেন। তখন স্থানীয় একজন জমিদার এই জায়গাটি তার দাদাকে রেজিস্ট্রেশন করে দেয়। দাদার পরে তাদের বাবা এই জায়গার মালিক হন।
তাদের বাবা সবসময় এই মসজিদটির পরিচর্যা করতেন। (যদিও এখানে নামায পড়তেন না, কিন্তু) দু-তিনমাস পর পর এখানে গজিয়ে ওঠা ঝোঁপঝাড় ও ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার করতেন। তবে তিনি ছাড়া অন্য কেউই মসজিদের আশপাশেই ঘেঁষতো না ভয়ে। তার পরিচর্যায় দীর্ঘদিন মসজিদটি নাকি কিছূটা হলেও পরিচ্ছন্ন ছিলো। গতবছর তাদের বাবা মারা যাবার পর থেকেই আর কেউ এদিকে ঘেঁষেনি।
তারা আমাদেরকে আরো জানান, অনেক আগে একবার রংপুর কেরামতিয়া মসজিদের কয়েকজন হুজুর মসজিদটি দেখার জন্য এসেছিলেন এবং একবার এক সাংবাদিক এসেছিলেন। সেবার পত্রিকায় কিছু হয়তো লিখেছিলেনও। কিন্তু এরপর থেকে আর কিছূ হয়নি। পড়ে আছে আগের মতই। এ যেন হারিয়ে যাবার সূচনালগ্ন।
আমরা এই মসজিদকে হারিয়ে যেতে দিতে চাই না। তাই আমরা কিছূ বিষয় ভাবছি। যদি আল্লাহ তাআলা কবুল করেন, তাহলে আশা করি আমরা সেটা পারবো। আল্লাহর ঘর মসজিদকে তার স্ব-রূপে ফিরিয়ে আনতে আমরা ইনশাআল্লাহ আমাদের সবটুকু সাধ্য ব্যয় করবো।
আপনারা আমাদের জন্য দোয়া করবেন, আল্লাহ তাআলা যেন আমাদের ইচ্ছাকে সফলতা দান করেন এবং স্বীয় ঘর হেফাজতে আমাদেরকে শরীক হবার তাওফিক দান করেন, আমিন।

লেখক

Mufti Naeem, Jamia Binoria: Profile, Wiki, Family and Death
অনলাইন ডেস্ক: পাকিস্তানের প্রসিদ্ধ আলেম, জামিয়া বিন্নুরিয়াহ করাচির মোহতামিম মুফতি মোহাম্মদ নাঈম হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

শনিবার রাত ৯টা ৩২ মিনিটে তিনি ইন্তেকাল করেন। তার ইন্তেকালের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার ছেলে মুফতি নোমান। তিনি জানান, হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ায় বাবাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। পথিমধ্যে তিনি ইন্তেকাল করেন।

ইমরান খানের বিশেষ সহকারী ডা. শাহবাজ গুল জানিয়েছেন, বিশিষ্ট আলেম মুফতি নাঈমের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী গভীর প্রকাশ করেছেন।

তিনি টুইটারে লিখেছেন, তিনি মরহুমের জান্নাতের উচ্চ মাকামের জন্য দোয়া করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

শোক প্রকাশ করে সিন্ধু গভর্নর ইমরান ইসমাইল বলেছেন, তিনি তার পুরো জীবন ইসলামের শিক্ষায় ব্যয় করেছেন।মুফতি নাঈম জামিয়া বিনুরকে একটি বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান বানিয়েছেন।

তার ইন্তেকালে সংসদীয় ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক আফতাব জাহাঙ্গীর ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম (জেবিআই)-এর নেতা আল্লামা রশিদ সমরভী, আসলাম ঘুরি শোক প্রকাশ করেছেন এবং তার জান্নাতের উচ্চ মাকামের জন্য দোয়া করেছেন। 

সূত্র: পাকিস্তান টুডে


বিনোদন ডেস্ক: মডেল ও অভিনেত্রী সুজানা জাফরের পর আরেক মডেল ও অভিনেত্রী এ্যানি খানও অভিনয় ছাড়ার ঘোষণা দিলেন।

ধর্মকর্মে মনোনিবেশ করতে সপ্তাহ খানেক আগে অভিনয় ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন সুজানা। এরপর এ্যানি খানও ফেইসবুক লাইভে এসে অভিনয় ছাড়ার ঘোষণা দেন।

প্রায় দুই যুগের ক্যারিয়ারের ইতি টানার ঘোষণা দিয়ে শুক্রবার বিকালে ফেইসবুক লাইভে এ্যানি জানান, তিনি কারো দ্বারা প্রভাবিত হয়ে নয়, স্বেচ্ছায় অভিনয় ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। অভিনয় ছাড়লেও এ জগতের মানুষদের প্রতি তার সম্মান থাকবে।

শিশুশিল্পী হিসেবে ক্যারিয়ার শুরুর পর টিভি নাটক ও উপস্থাপনায় নিজের ক্যারিয়ার বিস্তৃত করেছিলেন তিনি।

গত শনিবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই থেকে টেলিফোনে গ্লিটজকে সুজানা তার অভিনয় ছাড়ার সিদ্ধান্তের কথা জানান।

২০১৮ সালের নভেম্বরে ওমরাহ হজ পালনের পর থেকেই অভিনয়ে অনিয়মিত হয়ে পড়েন তিনি। তিনিও ধর্মকর্মেই মনোযোগ দিতে চান; পাশাপাশি বুটিক ব্যবসায় যুক্ত আছেন।

China's Modernizing Military | Council on Foreign Relations
অনলাইন ডেস্ক: গালওয়ান উপত্যকায় উত্তেজনার মধ্যেই সিকিম সেক্টরে চোখ রাঙাচ্ছে লালফৌজ। ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে খবর, গত দুদিন আগে ডোকলাম মালভূমিতে রেইকি করে গিয়েছে চীনা সেনা। ভুটান সেনার আউটপোস্টে বেশ কিছুক্ষণ তারা সময় কাটিয়ে ডোকলাম পর্যন্ত এগিয়ে আসে। তারপর সেখানকার ভূ-কৌশলগত ছবি তোলে চীনারা। মিনিট তিরিশেক সময় ছিল তারা। ডোকলাম সীমান্তে ৫-৬ জন পিএলএ সেনাকে ঘোরাঘুরি করতে দেখা গিয়েছিল বলে নয়াদিল্লি সূত্রে খবর।

প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালে এই জুন মাসেই প্রথম ভারত-চীন সংঘাত শুরু হয় ডোকলাম নিয়ে। সেইসময় টানা ৭২ দিন ভারত-চীনের সেনা মুখোমুখি ছিল। তারপর থেকে প্রতি মাসে এক-দুবার লালফৌজ ভুটান-চীন-ভারত সীমান্ত সংযোগকারী এই মালভূমিতে টহল দিয়ে যায়। দু-একদিন থেকে চলে যায়। ভুটান সেনার আউটপোস্টেই থাকে তারা। এ নিয়ে ভারতের তরফে কোনো বাধা দেওয়া হয় না।

ভারতীয় সেনা কর্মকর্তাদের কথায়, ডোকলামে ভারতীয় সেনাও টহল দেয়। চীনা সেনাকে বাধা দেওয়ার কোনো প্রশ্ন নেই। কিন্তু ডোকলামে কোনো নির্মাণের মতলব রয়েছে চীনের। পরিস্থিতি বুঝে পদক্ষেপ নিতে হবে।

নেপালের সঙ্গে চীনের সখ্যতা নিয়ে আগেই অসন্তুষ্ট ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। কিন্তু ইদানীং আরেক প্রতিবেশি রাষ্ট্র ভুটানের সঙ্গে চীনের সখ্যতা নিয়ে কিছুটা চিন্তায় ভারত। ভুটানের আউটপোস্ট গুলোতে আগে বছরভর সেনা থাকত না। ২০১৭ সালের ডোকলাম বিবাদ মাথাচাড়া দেয়ার পর থেকে ভুটানের সেনাবাহিনী সেখানে কড়া প্রহরায় রয়েছে। ভুটান এখন চীনের ‘বাফার’ হিসেবে কাজ করছে কি না তা নিয়ে ভারতীয় সেনার অন্দরে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। যে ৫-৬ জন চীনা সেনা ডোকলামের কৌশলগত ছবি তুলছিল, তাদের দেখে মালভুমিক নিচে লালফৌজের অবস্থান রয়েছে কিনা তা খোঁজ রাখছে ভারতীয় সেনা। শিলিগুড়ি থেকে আকাশপথে ডোকলামের দূরত্ব মাত্র ২৭ কিমি।

সুতরাং প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, ডোকলামে চীনের কার্যকলাপে কড়া নজর রাখতে হবে।

মাশরাফি কি যুবলীগের চেয়ারম্যান ...
ডেস্ক: করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বাংলাদেশের সফলতম ওয়ানডে অধিনায়ক ও নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মুর্তজা। দু’দিন ধরেই জ্বর মাশরাফির। সঙ্গে গা ব্যথা ও মাথা ব্যথাও আছে বেশ। শুক্রবার তার পরীক্ষা করান। ফলাফল পজিটিভ এসেছে আজ শনিবার।

জানা গেছে, মাশরাফির শ্বাশুড়ি ও স্ত্রীর বোন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন আগেই। ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন তারা। তবে তাদের সংস্পর্শে আসেননি মাশরাফি। আক্রান্ত হয়েছে অন্য কোনোভাবে। করোনাভাইরাসের প্রকোপ শুরুর পর এলাকার মানুষের সহায়তার জন্য দুই দফায় নড়াইল গিয়েছিলেন মাশরাফি। তবে সেটিও বেশ আগে।

তখন নড়াইল থেকে ঢাকায় ফিরে আলাদা একটি বাসায় কোয়ারেন্টাইনে ছিলেন দুই সপ্তাহ মাশরাফি। তারপর বাসায় ফিরে সাবধানেই ছিলেন। বাইরে খুব-একটা যাননি। তারপরও রক্ষা পেলেন না আক্রান্ত হওয়া থেকে। জ্বর ও গা ব্যথা ছাড়া আপাতত কোনো সমস্যা আপাতত তার নেই। আপাতত নিজের বাসাতেই আইসোলেশনে আছেন তিনি।

হাঁড়িভাঙ্গা' নিয়ে দুশ্চিন্তায় ...
ডেস্ক: আজ থেকে বাজারে আসছে সুস্বাদু হাঁড়িভাঙা আম। করোনার কারণে এ আম পরিবহন হবে কীভাবে, এ নিয়ে বাগান মালিক ও মৌসুমি আম ব্যবসায়ীরা চিন্তিত রয়েছেন। কৃষি বিভাগ সরকারিভাবে এ আম বাজারজাতের  পরিকল্পনা করেছে। এ বছর ঝড়-বাদলে কিছুটা ক্ষতি হলেও ফলন ভালো হয়েছে। প্রতি বছর হাঁড়িভাঙা আম বিক্রি করে চাষিরা ২০০ কোটি টাকার ওপর ঘরে তোলেন। কিন্তু এবার করোনা পরিস্থিতি পরোক্ষভাবে হাঁড়িভাঙা আম চাষিদের স্বপ্নে আঘাত হেনেছে।

রংপুর কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এবার রংপুর জেলায় ৩ হাজার ৫ হেক্টর জমিতে আমের ফলন হয়েছে। এর মধ্যে হাঁড়িভাঙার ফলন হয়েছে ১ হাজার ৪৫০ হেক্টরে। গত বছর প্রতি হেক্টরে ফলন হয়েছিল ৯ দশমিক ৪ মেট্রিক টন। এবার আশা করা হচ্ছে গত বছরের চেয়ে ফলন বেশি হবে। সে হিসেবে শুধু হাঁড়িভাঙা উৎপাদন হতে পারে ১৫ হাজার মেট্রিক টনের ওপর।

মৌসুমের শুরুতে দাম কিছুটা কম থাকলেও প্রতি কেজি হাঁড়িভাঙা আম ৮০ থেকে ১৫০ টাকা কেজি বিক্রি হয়। প্রতি হেক্টরে কমপক্ষে ২৫০টি গাছ ফলন দিতে পারে। এবার প্রতি গাছে গড়ে ৫ থেকে ৭ মণ করে আম ধরেছে বলে জানান আম চাষি শাহিনুল ইসলাম বকু। মিঠাপুকুরের সংসদ সদস্য এইচ এন আশিকুর রহমান হাঁড়িভাঙা আমের বাগান সম্প্রসারণ ঘটাতে তার নিবাঁচনী এলাকার ১৭ ইউনিয়নে ২ লাখের বেশি চারা বিনামূল্যে বিতরণ করেছেন।

রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ আলী জানান, হাঁড়িভাঙা আম যাতে চাষিরা ঠিকমতো বাজারজাত করতে পারেন এ নিয়ে একটি সভা হয়েছে। অনলাইন বুকিং, ডাকযোগে সেবাসহ আরও বেশকিছু সেবা দেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

এক নজরে বাবরি মসজিদের ৫০০ বছরের ইতিহাস
অনলাইন ডেস্ক: করোনার মাঝে ভারত-চীন সীমান্ত উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করেছে। এ কারণে অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণের পরিকল্পনা আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। শুক্রবার এক বিবৃতিতে গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছে রাম মন্দির ট্রাস্ট।

লাদাখ সীমান্তের পরিস্থিতিকে ‘গুরুতর’ বলে আখ্যায়িত করে ট্রাস্ট জানিয়েছে, ‘এই অবস্থায় দেশকে রক্ষা করাই সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ।’ 

গত সোমবার প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর গালওয়ান উপত্যকায় দু’দেশের সেনাদের সংঘর্ষ হয়। এতে ২০ জন ভারতীয় সেনাকর্মী প্রাণ হারায়। সেনা হত্যার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে রাম মন্দির ট্রাস্ট।

মৃত সেনাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছে ট্রাস্ট। গত বছর অযোধ্যার বিতর্কিত জমি মামলার নিষ্পত্তি ঘটে। অযোধ্যায় রাম মন্দির গঠনের নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট।

এর মধ্যেই সীমান্তে বর্বরোচিত হত্যার প্রতিবাদে চীনের বিরুদ্ধে অযোধ্যায় একাধিক হিন্দু সংগঠন বিক্ষোভ দেখিয়েছে।

চীনা পতাকা পুড়িয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে হিন্দু মহাসভার কর্মীরা। এ ঘটনায় বিশ্ব হিন্দু পরিষদের তরফে চীনা প্রেসিডেন্ট শিং জিনপিংয়ের কুশপুত্তলিকা পোড়ানোর পর চীনা পণ্য ভাঙচুর করা হয়।

ডেস্ক: ঢাকার তিন জায়গা থেকে এক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর খণ্ডিত লাশ উদ্ধারের ঘটনায় তার এক বন্ধুর স্ত্রী ও শাশুড়িকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার শাহীনা আক্তার ওরফে মনি সরকার (২৪) নিহত ব্যবসায়ী হেলাল উদ্দিনের (২৬) বন্ধু চার্লস রুপম সরকারের স্ত্রী। বৃহস্পতিবার রাতে মনি ও তার মা রাশিদা আক্তারকে (৪৮) উত্তরা ও আব্দুল্লাহপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে গোয়েন্দা পুলিশের উপ-কমিশনার মশিউর রহমান জানিয়েছেন।

মনি ও তার মা এই হত্যাকাণ্ডে দোষ স্বীকার করে শুক্রবার আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।

মনি ও তার স্বামী রূপম মিলে হেলালকে হত্যার পর তার লাশ তিন টুকরো করে বস্তায় ভরে ঢাকার তিন জায়গায় ফেলে দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানান উপ-কমিশনার মশিউর।

তিনি বলেন, আজমপুর মধ্যপাড়া মুক্তিযোদ্ধা মার্কেটে বিকাশ ও ফ্লেক্সিলোডের দোকান করতেন হেলাল। দক্ষিণখান এলাকায় থাকতেন তিনি। দুই বছর আগে বাংলা লিংকের সিম বিক্রি করার সময় তার পরিচয় হয়েছিল রূপমের সঙ্গে, রূপমও একই কাজ করতেন।

সেই যোগাযোগ থেকে এক লাখ টাকার বেশি দামের একটি ফটোস্ট্যাট মেশিন কেনার পরিকল্পনা নিয়ে ১৪ জুন (রোববার) দুপুরে দক্ষিণখানের মোল্লারটেকে রূপমের বাসায় যান হেলাল। একটি ছোট দোতলায় স্ত্রী মনিকে নিয়ে ভাড়া থাকেন রূপম।

“জিজ্ঞাসাবাদে মনি বলেছে, হেলাল বাসায় যাওয়ার পর তাকে চা খেতে দেওয়া হয়। কিন্তু চায়ের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে দেয় রূপম। চা খাওয়ার পর হেলাল অচেতন হয়ে পড়ে। তখন রূপম ও মনি হেলালকে শ্বাসরোধে হত্যা করে মৃতদেহ বাথরুমে নিয়ে যায়। চাকু ও বটি দিয়ে তিন টুকরা করে বস্তায় ভরে পরদিন সকালে বিভিন্ন স্থানে ফেলে রূপম।”

হেলালের কাছে বিকাশ ও ফ্লেক্সিলোডের অনেক টাকা রয়েছে এমন ধারণা থেকেই তাকে হত্যার কথা মনি স্বীকার করেছেন বলে জানান উপ-কমিশনার মশিউর।

“কিন্তু হেলালকে হত্যার পর তার কাছে মাত্র ২৫৩ টাকা ছিল। পরে তার বিকাশের মোবাইল ফোন থেকে কৌশলে ৪৩ হাজার টাকা তারা উঠিয়ে নেয়,” বলেন তিনি।

গোয়েন্দা কর্মকর্তা মশিউর বলেন, হেলাল উদ্দিনের দেহ কেটে তিন খণ্ড করেন রূপম-মনি দম্পতি। ১৫ জুন তার দুই অংশ দক্ষিণখান ও বিমানবন্দর এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়। পরদিন দক্ষিণখানের একটি খালি প্লট থেকে উদ্ধার করা হয় হেলালের মাথা।

এ ঘটনায় ১৬ জুন হেলালের বড় ভাই মো. হোজায়াফা বাদী হয়ে দক্ষিণখান থানায় অজ্ঞাত পরিচয় কয়েকজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

এই মামলার তদন্তে গিয়ে ১৫ জুন হেলালের খণ্ডিত দেহ বস্তায় ভরে নিয়ে রূপমের একটি অটোরিকশায় উঠার ফুটেজ আসে গোয়েন্দাদের হাতে। সেই ফুটেজ বিশ্লেষণ করেই রূপমের স্ত্রী ও শাশুড়িকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানান মশিউর রহমান।
তিনি বলেন, রূপম সরকার গত ডিসেম্বরে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হয়ে কিছু দিন কারাগারে ছিলেন বলে তার স্ত্রী মনি জানিয়েছেন।

রূমপের শাশুড়ির অপরাধ কী- সেই প্রশ্নের জবাবে গোয়েন্দা কর্মকর্তা মশিউর বলেন, “আসামির হাতিয়ে নেওয়া অর্থ তার কাছে পাওয়া যায় এবং আসামিদের পালাতে সহযোগিতা করেছেন তিনি।”

হেলালের ভাই হোজায়াফা জানান, মুক্তিযোদ্ধা মার্কেটে দুই বছর ধরে ব্যবসা করে আসছিলেন হেলাল। তার আগে বাংলা লিংকের  সিম বিক্রি করতেন তিনি।

দুই ভাই ও দুই বোনের মধ্যে হেলাল ছিলেন তৃতীয়। তার মৃতদেহ গ্রামের বাড়ি পিরোজপুরের নেছারাবাদের দইহাড়ি গ্রামে দাফন করা হয়েছে।

রূপমকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে জানিয়েনে পুলিশ কর্মকর্তা মশিউর।

সূত্র: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

অনলাইন ডেস্ক: সারাবিশ্বে প্রতিদিনই বাড়ছে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা। এখন পর্যন্ত করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছে ৮৪ লাখ তিন হাজার পাঁচশ ৯৯ জন এবং মারা গেছে চার লাখ ৫১ হাজার তিনশ ৮৩ জন। করোনা থামাতে লকডাউনে রয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে, বারবার হাত ধুয়ে এবং নাক-মুখ ও চোখ স্পর্শ না করে করোনাভাইরাস থেকে রক্ষা পাওয়ার কথা। এই করোনাকালে ঘরবন্দি থাকার ফলে নারী নির্যাতন যেমন বেড়ে গেছে, মানসিক অবসাদে ভুগতে থাকা রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার মতো খবরও শোনা যাচ্ছে।

এবার জানা গেল, করোনার সময়ে বিভিন্ন দেশের একাধিক জনপ্রিয় মডেল, তারকা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। শুধু ইসলাম গ্রহণ করেই তারা ক্ষান্ত হননি, গর্বের সঙ্গে তা তারা জানিয়েছেন বিশ্ববাসীকে। ইসলাম গ্রহণকারীদের অনেকেই জীবনের প্রথম ইফতার, রমযানের অনুভূতিও গণমাধ্যমে প্রকাশ করেছেন।

তাদের মধ্যে অন্যতম তানাশা দোনা। পুরো নাম তানাশা দোনা বারবিয়ারি অকেচ। মুসলিম হওয়ার পর নিজের নাম রেখেছেন আয়েশা। তিনি কেনিয়ার জনপ্রিয় একজন রেডিও উপস্থাপক, উদ্যোক্তা ও মডেল। ‘ফর হার লাক্সারি হেয়ার’ নামক একটি হেয়ার ব্রান্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং প্রতিষ্ঠাতা।

তার স্বামী মুসলিম, পরে তিনিও মুসলিম হলেন। তানাশা তার ইসলাম গ্রহণের ব্যাপারে প্রথম জানিয়েছিলেন স্বামীর বোন ইসমাকে। গত ২৫ এপ্রিল সর্বপ্রথম তিনি ইসলাম গ্রহণের বিষয়টি বন্ধু মহলে প্রকাশ করেন। সেদিনই জীবনের প্রথম রোযা তিনি পূর্ণ করেন ও ইফতার করেন।

তানাশার স্বামী ডায়মন্ড বলেন, ‌‌‌‌আমি কখনো তাকে ইসলাম গ্রহণ করতে চাপ দিইনি। তবে পরামর্শ দিয়েছিলাম। সে যদি তা গ্রহণ করতে চায় করবে। আমি তার জন্য দোয়া করব। এরপর সে যখন ইসলাম গ্রহণ করল আমরা তখন কিগমা শহরে ছিলাম। এদিকে অস্ট্রিয়ার জনপ্রিয় রেসলিং তারকা উইলহেলম ঘরবন্দী সময়টাকে অযথা বসে না থেকে শুরু করে দেন ইসলাম নিয়ে পড়াশোনা ও গবেষণা।

একপর্যায়ে তিনি নিজের মনের সঙ্গে বিচার করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। গত ১৬ এপ্রিল কালেমা পাঠ করে তার ইন্সটাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন। ইসলাম গ্রহণ সম্পর্কে তার ইনস্টাগ্রাম পোস্টে বলেন, করোনার সঙ্কট আমাকে আমার বিশ্বাস খুঁজে পেতে সাহায্য করেছে। ইসলাম বহু বছর ধরেই আমার মনোজগতের দখলে ছিল। যখনই আমার কঠিন সময় ছিল তখনই ইসলামিক বিশ্বাস আমাকে প্রয়োজনীয় শক্তি দিয়েছে। আমার ধর্মবিশ্বাস এখন যথেষ্ট শক্তিশালী। আমি আমার প্রকৃত সত্ত্বাকে চিনতে পেরেছি। গর্বের সঙ্গে কালেমা পাঠ করতে পেরেছি। হ্যাঁ, এখন থেকে আমি একজন মুসলিম।

আরেকজন হলেন লিসা মার্সেদেজ। তিনি ব্রিটিশ জ্যামাইকার একজন প্রসিদ্ধ নৃত্যশিল্পী। ইসলাম গ্রহণের দুই মাস পর গত মাসের ৩ তারিখে ‘শাহাদা’ নামে একটি সঙ্গীত ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করে তার ইসলাম গ্রহণের বিষয়টি প্রকাশ করেন।

লিসার জন্ম জ্যামাইকার কিংস্টন শহরে। নিজের ইসলাম গ্রহণের ব্যাপারে তিনি বলেন, আমি একজন নৃত্যশিল্পী। আগে খোলামেলা পোশাক পরতাম। এখন যেখানে সম্ভব হয় স্কার্ফ পরার চেষ্টা করি। নিজেকে আগের তুলনায় আরো বেশি ঢেকে রাখি।

অনলাইন ডেস্ক: আফগানিস্তানের উত্তরাঞ্চলে আজ বৃহস্পতিবার একটি মাদরাসায় মর্টার বিস্ফোরণে অন্তত ৯ জন শিক্ষার্থীর নিহত হয়েছে বলে জানা গেছে। এতে আহত হয়েছেন আরও অনেকে।

মর্টার হামলায় নিহত শিক্ষার্থীদের অধিকাংশের বয়স ১৮ এর নিচে বলে আফগানিস্তান পুলিশের মুখপাত্র খলিল আসির। বার্তা সংস্থা এএফপিকে তিনি বলেন, “প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, মর্টার বিস্ফোরণ ঘটেছে। কোনো কারণে কে বা করা মর্টারটি মাদরাসার ভেতরে নিয়ে গিয়েছিল।”

মাদরাসাটি আফগানিস্তানের উত্তরাঞ্চলের তাখার প্রদেশের ইশকামিশ জেলায় অবস্থিত। প্রাদেশিক সরকারের মুখপাত্র জাওয়াদ হিজরিও এ ঘটনার সত্যতা ও হতাহতের সংখ্যা নিশ্চিত করেছেন।

চলতি মাসে কাবুলে দুটি মসজিদে ভয়াবহ বোমা হামলার রেশ না যেতেই মাদরাসায় মর্টার বিস্ফোরণের খবর আসলো।

গত শুক্রবার রাজধানীতে একটি মসজিদে জুমার নামাজের সময় বিস্ফোরণে চারজন নিহত হয়। এর এক সপ্তাহ আগে ‘গ্রিন জোন’ এলাকায় একটি মসজিদে বোমা বিস্ফোরণে প্রখ্যাত এক ইমামসহ দুজন নিহত হয়।

এসব হতাহতের খবর এমন সময় আসছে যখন দুই দশকের সহিংসতা বন্ধে বহুল প্রতীক্ষিত শান্তি আলোচনার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে তালেবান ও আফগানিস্তান সরকার।

আবদুল কুদ্দুস বেফাকের ভারপ্রাপ্ত ...
স্টাফ রিপোর্টার: করোনায় দেশের বেশিরভাগ কওমী মাদরাসার শিক্ষকগণ আর্থিক সংকটে পড়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে মাদরাসা বন্ধ থাকায় কর্তৃপক্ষ বেতন দিতে অক্ষম হয়ে পড়েছে। ফলে আয়ের উৎস বন্ধ হয়ে বিনাবেতনে মানবেতর জীবনযাপন করছেন অসংখ্য মাদরাসা শিক্ষকগণ।

সেসব শিক্ষকদের পাশে দাঁড়াতেই কওমী মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড বেফাক একটি সাধারণ তহবিল গঠন করেছিল। বিভিন্ন জটিলতা কাটিয়ে এবার সেই তহবিল থেকে ৩ কোটি টাকা শিক্ষকদের মাঝে বণ্টনের কথা জানান আল হাইয়াতুল উলিয়ার কো চেয়ারম্যান ও বেফাকের মহাসচিব আল্লামা আব্দুল কুদ্দুস।

তিনি বলেন, আমরা আমাদের সাধ্য অনুযায়ী শিক্ষকদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি। শিক্ষকদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য আমরা একটি সাধারণ তহবিল গঠন করেছিলাম। আমাদের সেই তহবিলের সর্বমোট ৩ কোটি টাকা। সেই তহবিল থেকে আমরা বাছাইকৃত শিক্ষকদের জন্য টাকা পাঠাবো।

টাকা বন্টন এবং পৌঁছানোর জন্য আমরা একটি কমিটি গঠন করেছি। আশা করি কিছুদিনের মধ্যেই তারা শিক্ষকদের মাঝে সম্মাননা পৌঁছে দিতে পারবেন।

সূত্র-আওয়ার ইসলাম

অনলাইন ডেস্ক: পাকিস্তানে কোভিড-১৯-এ বৃহস্পতিবার মৃতের সংখ্যা মোট ৩ হাজার ৯৩ জনে পৌঁছেছে সেখানে বর্তমানে আক্রান্তের সংখ্যা মোট ১ লাখ ৬০ হাজার ১১৮ জন।

সরকারি তথ্য অনুয়ায়ী, দেশটিতে কোভিট-১৯-এ মোট ৫৯ হাজার ২১৫ জন এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে উঠেছে। দেশটিতে কোভিড-১৯-এর মৃত্যু হার শতকরা ১ দশমিক ৯ শতাংশ ও সুস্থতার হার ৩৭ শতাংশ। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ পাঞ্জাব প্রদেশে মোট ৬০ হাজার ১৩৮ জনের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে এবং পাঞ্জাবের পরেই অবস্থান করছে দক্ষিণাঞ্চলীয় সিন্ধু প্রদেশ। সেখানে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা মোট ৫৯ হাজার ৯৮৩ জন।

অর্থনৈতিক ক্ষতি ও নিম্ন-আয়ের জনসাধারণের সমস্যার কথা ভেবে পাকিস্তানে লকডাউন সহজ করার পর সংক্রমণের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞগণ ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সেখানে পুনরায় লক-ডাউনের পরামর্শ দিয়েছেন।

তবে, ভাইরাসের বিস্তার প্রতিরোধে কেন্দ্রীয় এবং প্রাদেশিক সরকারগুলো সারাদেশে লকডাউন না দিয়ে হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত বাছাইকৃত এলাকাগুলোয় লকডাউনের নতুন কৌশল অবলম্বন করছে। বাসস

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget