Latest Post

অনলাইন ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিগত বিএনপি সরকার ‘দুর্নীতির বিষবৃক্ষ রোপণ’ করে গেছে এবং বাংলাদেশ এখন তার ফল ভোগ করছে।


তিনি বলেন, ‘বিএনপির কাছে ক্ষমতা হলো দুর্নীতির মাধ্যমে টাকা কামানোর উপায় এবং দেশ এখন তাদের পাঁচ বছরের দু:শাসন কালে রোপন করা বিষবৃক্ষের মূল্য দিচ্ছে।’


ভার্চুয়াল আলোচনায় সভাপতিত্বকালে প্রধানমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, তার সরকার একের পর এক দুর্নীতি এবং এর সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতার করছে।


২০০৪ সালে আওয়ামী লীগের সমাবেশে বর্বর গ্রেনেড হামলার ঘটনায় জড়িত থাকার জন্য বিএনপি জামায়াত জোটকে অভিযুক্ত করে তিনি বলেন, হত্যাকান্ড বিএনপির অভ্যাস।

তিনি বলেন, ‘(সত্যিকারেই) হত্যাকান্ড বিএনপি’র অভ্যাস, তারা দেশের স্বাধীনতা এবং স্বাধীনতা যুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস করে না।’


২০০৪ সালের ২১ আগস্ট রাজধানীতে একটি সন্ত্রাস বিরোধী শান্তি সমাবেশে ভয়াবহ বোমা হামলার ১৬ তম বার্ষিকী পালন উপলক্ষে আজ সকালে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ভার্চুয়াল আলোচনা সভার আয়োজন করে।


প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আলোচনায় অংশ নেন।


আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক যোগাযোগ ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের আলোচনা সভায় সূচনা বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন দলের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ।


দলের অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতারা দলীয় কার্যালয়ে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন।


অনুষ্ঠানের শুরুতে ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা এবং ১৫ আগস্টের হত্যাযজ্ঞে শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।


২১ আগস্টের হামলায় আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক এবং মরহুম রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের সহধর্মিনীসহ ২৪ জন প্রাণ হারিয়েছেন এবং ৫০০ বেশি লোক আহত হয়েছেন। আহতদের অনেকেই সারাজীবনের জন্য পঙ্গু হয়ে গেছেন।


সর্বশক্তিমান আল্লাহতায়ালার অশেষ রহমতে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের প্রথম সারির অন্যান্য নেতারা কোনরকমে প্রাণে রক্ষা পান।


সূত্র : বাসস

অনলাইন ডেস্ক: করোনা সংকটে গণপরিবহনে ৬০ শতাংশ বর্ধিত বাসভাড়া প্রত্যাহার করে আগের ভাড়া বহাল রাখার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রীকল্যাণ সমিতি।


মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনের মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী এ দাবি জানান।


বিবৃতিতে বলা হয়, করোনা সংকট রয়ে গেলেও দেশে এখন কোনো গণপরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না। যেসব শর্ত অনুসরণ করে বর্ধিত ভাড়া আদায়ের কথা বলা হয়েছিল, তার কোনোটাই মানা হচ্ছে না বাসগুলোতে। সেই পুরনো কায়দায় গাদাগাদি করে যাত্রী বহন করা হচ্ছে। আবার এই করোনাকালে ক্ষতি পুষিয়ে নেয়ার জন্য সরকারের বর্ধিত ৬০ শতাংশ ভাড়ার চেয়েও অধিকাংশ রুটে বেশি ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। এতে করোনা সংকটে কর্মহীন ও আয় কমে যাওয়া দেশের সাধারণ মানুষের যাতায়াত দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে।


বিবৃতিতে বলা হয়, সরকার যাত্রী প্রতিনিধি বাদ দিয়ে মালিকদের নিয়ে বৈঠক করে এই সংকটে জনগণের ওপর একচেটিয়াভাবে বাসের ভাড়া ৬০ শতাংশ বাড়িয়ে দেয়। এ ঘোষণার পর পরই দেশব্যাপী চলাচলরত বাস-মিনিবাসের সঙ্গে লেগুনা, হিউম্যান হলার, টেম্পো, অটোরিকশা, প্যাডেলচালিত রিকশা, ইজিবাইক, নসিমন-করিমন, টেক্সিক্যাবসহ সব যানবাহনের ভাড়া প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যায়। এতে যাত্রীস্বার্থ চরমভাবে উপেক্ষিত হয়।


বিবৃতিতে অনতিবিলম্বে স্বাস্থ্যবিধির নামে গণপরিবহনের বর্ধিত ভাড়া প্রত্যাহার করে দেশের প্রতিটি রুটে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানানো হয়। 

হাটহাজারী মাদরাসা (ফাইল ছবি)

নিজস্ব প্রতিবেদক: ১৩ আগস্ট বৃহস্পতিবার থেকে ভর্তি শুরু করছে চট্টগ্রাম দারুল উলুম হাটহাজারী মাদরাসা।


আজ মঙ্গলবার দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদরাসার মুহতামিম, পীরে কামেল আল্লামা শাহ আহমদ শফী হাফি. স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।


বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এতদ্বারা সকল ছাত্রদের অবগতির জন্য জানানাে যাচ্ছে, আগামী ২২ জিলহজ ১৪৪১ হি. মােতাবেক ১৩ আগস্ট ২০২০ রােজ বৃহস্পতিবার হইতে অত্র জামিয়ার সকল বিভাগের ভর্তি কার্যক্রম আরম্ভ হয়ে ২৩ আগস্ট ২০২০ পর্যন্ত চলবে ইনশাআল্লাহ।


উল্লেখ্য, ১৩ আগস্ট হতে সকল ছাত্রদেরকে জামিয়ার ছাত্রাবাসে সিট প্রদান করা হবে। বিঃদ্রঃ অনলাইনে আবেদনকারী ছাত্ররাও উক্ত তারিখের মধ্যেই স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে ভর্তি সংক্রান্ত অবশিষ্ট কার্যাদি সম্পন্ন করার জন্য অনুরােধ রইল।

জয়নাল আবেদীন: নীলফামারীর ডোমারে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের উদ্যোগে নদী ভাঙ্গন ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

বুধবার (৫আগষ্ট) বিকালে উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের ধনীপাড়া গ্রামে এ বিতরণ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর জমিয়তের সভাপতি মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী। এ সময় হরিণচড়া ইউনিয়নের নদী ভাঙ্গন ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ ১০টি পরিবারের মাঝে ৩ হাজার ৫শ টাকা করে মোট ৩৫ হাজার টাকা এবং ১৮ টি পরিবারের মাঝে ২ হাজার টাকা করে মোট ৩৬ হাজার টাকাসহ ১টি মসজিদে ১৪ হাজার টাকা বিতরণ করেন তিনি।

এ সময় রংপুর জেলা জমিয়তের সাধারণ সম্পাদক বিশিষ্ট ওয়ায়েজ মাও. মাহামুদুর রহমান, সংগঠক মুফতি আলহাজ্ব মাহমুদ বিন আলম, গোলাম আরশাদ, মাষ্টার তাজুল ইসলাম, যুব জমিয়ত ডোমার উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন। সার্বিক ব্যবস্থাপনায় জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্ন মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর জমিয়তের সভাপতি মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী ও তার ছোট ভাই আমেরিকা প্রবাসী ইঞ্জিনিয়ার জাহিদুল ইসলাম মুন।

এ ছাড়াও গত ঈদুল আযহার দিনে স্থানীয় ৩ শতাধীক গরীব ও দুস্থদের মাঝে কোরবানীর গোস্ত বিতরণের ব্যবস্থা করেন এবং ১৩টি ইউনিয়নে ১৩টি খাসি দলীয় কর্মীদের মাধ্যমে কোরবানী করিয়ে অসহায় মানুষের মাঝে বিতরণ করা হয়।

উল্লেখ্য, মহামারী করোনার কারনে দোকান পাট বন্ধ হয়ে মানুষ যখন কর্মহীন হয়ে পড়েছে সে সময় ডোমার-ডিমলা এলাকায় ৫ দফায় প্রায় ৩ হাজার পরিবারের মাঝে চাল, ডাল, তেল, চিনি , আটা ও লবনসহ অন্যান্য খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন বলে দলের মহাসচিব জানান।

আব্দুল্লাহ আল মাসনুন:বাংলাদেশের ক্ষণজন্মা একজন মহামনীষী হচ্ছেন আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী। ইসলাম ও মুসলিম উম্মাহর অকুতোভয়-সৎসাহসী ও বীর কাণ্ডারী এই আলেমে দ্বীন একটি ঐতিহ্যময় ও ইলমী-দ্বীনী পরিবারের একজন সুসন্তান। উনার পরিবারের সুখ্যাতি ও  বংশ মর্যাদা পুরো দেশ জুড়ে সমাদৃত এবং মানুষের কাছে গৌরবান্বিত।  পারিবারিক  সিলসিলায় আল্লামা বাবুনগরী অত্যন্ত প্রখর মেধা এবং বিরল প্রতিভার অধিকারী একজন স্বনামধন্য মুহাদ্দিস। 

ইলম, আমল, তাযকিয়া, আত্মশুদ্ধি, তাকওয়া এবং ন্যায়নীতির অনন্য উচ্চশিখরে অধিষ্ঠিত আছেন আল্লামা বাবুনগরী।

দেশ ও জাতির সত্যিকারের একজন শুভাকাঙ্ক্ষী এবং মিল্লাতে ইসলামিয়ার একজন পরম হিতাকাঙ্ক্ষী আলেম আল্লামা বাবুনগরী। উনি আজীবন সত্য ও ন্যায়ের পথে সংগ্রাম করে যাচ্ছেন। দেশ-জাতি ও মুসলিম উম্মাহর বৃহৎ স্বার্থে উনি প্রতিনিয়ত নিজের ক্ষুদ্র স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে আসছেন। উনি সবসময় উম্মাহর কল্যাণ কামনা করেন। যে দিকে ইসলামের বৃহৎ স্বার্থ রয়েছে, উনি সেদিকেই ধাবিত থাকেন। কখনোই তিনি নিজের স্বার্থ দেখেন না, সর্বদা পদ-পদবি ও জাগতিক মোহ থেকে নিজেকে বিরত রাখেন৷ দুনিয়াবি চাকচিক্য ও লোভ-লালসা উনার অন্তরে কখনোই প্রভাব ফেলতে পারে না। 

আল্লামা বাবুনগরীর অতীত ইতিহাস ইসলাম ও মুসলিম উম্মাহর জন্য নিজেকে বিলিয়ে দিয়ে অনেক ত্যাগ স্বীকার করার অসংখ্য ঘটনায় ভরপুর। উনার জীবনের প্রতিটি প্রহর কেটেছে দ্বীন ও মিল্লাতের খেদমতে। উনি নিজেকে সদা নিয়োজিত রেখেছেন ইসলামের সুমহান খাদেম হিসেবে। কর্মজীবনে ব্যস্ত রয়েছেন ইলমে হাদীসসহ অন্যান্য শরয়ী জ্ঞানের পাঠদানে। বিশেষভাবে তিনি ইলমে হাদীস ও উলুমে হাদীসের উপর গভীর পাণ্ডিত্য অর্জন করেছেন বিশ্ববিখ্যাত মুহাদ্দিস আল্লামা ইউসুফ বান্নুরী রাহ. এর সান্নিধ্যে।  বয়ান-বক্তৃতা ও কাব্য-প্রবন্ধসহ বিভিন্ন লেখালেখির মাধ্যমে প্রতিনিয়ত ইসলামের বার্তা মানুষের সমাজে তুলে ধরছেন এবং তাগুত-বাতিলের যাবতীয় অপতৎপরতার জবাব দিয়ে আসছেন। 

আল্লামা বাবুনগরী কখনোই কোনো বাতিলের সাথে আপোষ করেন না। হক কথা বলতে এবং সত্য উচ্চারণ কর‍তে উনি আপোষহীন। শিরক-বিদআত, কাদিয়ানি ও দুশমনে সাহাবাসহ নাস্তিক্যবাদী অপশক্তির সমুহ কুযুক্তি ও অপব্যাখ্যার দাঁতভাঙা জবাব দিয়ে আসছেন তিনি৷ দেশের স্বাধীনতা এবং দেশের শান্তি টিকিয়ে রাখার জন্য, দেশের মানুষের ন্যায্য অধিকার পূর্ণরূপে আদায়ের জন্য আল্লামা বাবুনগরী সদাসর্বদা সক্রিয়ভাবে ভূমিকা পালন করে আসছেন৷ উনি একজন দেশপ্রিয় বাঙালি নাগরিক। উনি প্রিয় মাতৃভূমির একজন পরম শুভাকাঙ্ক্ষী। দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য উনি খুবই তৎপর থাকেন। 

আল্লামা বাবুনগরীর হৃদয় অত্যন্ত প্রশস্ত।  উনি সাময়িক পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য কৌশলগত কারণে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন। উনার চিন্তার প্রখরতা অনেক গভীর৷ উনি স্বপ্ন দেখেন ইসলামি খেলাফতের৷ উনি আজীবন সংগ্রাম করে আসছেন আল্লাহর যমীনে আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠা করার জন্য। ইসলাম বিরোধী সকল অপতৎপরতা এবং তাগুতশক্তির যাবতীয় চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্রকে রুখে দিয়ে আল্লাহর দ্বীন কায়েম করে শান্তি-সম্প্রীতির অনন্য নজির স্থাপন করতে চান তিনি। বৃহৎ এ স্বার্থের জন্য তিনি অনেক ক্ষুদ্র স্বার্থ কুরবানি দিয়ে আসছেন। জেল-জুলুম, শারিরীক  নির্যাতন এবং মানসিক নিপীড়ন সহ্য করে আসছেন গত এক দশক ধরে৷ 

এই দেশের ইসলামপ্রিয় তাওহিদী জনতার আশা এবং আস্থার প্রতীক হচ্ছেন আল্লামা বাবুনগরী। ঈমানদীপ্ত তারুণ্যের আশাজাগানিয়া কাণ্ডারী এই আলেমে দ্বীন সত্য ও ন্যায়ের পথে সংগ্রাম চালিয়ে যাবেন ইনশাআল্লাহ। কখনো কোনো কারণে নিরাশ কিংবা হতাশ হওয়ার কিছু নেই। তিনি ইসলাম ও মুসলিম উম্মাহর বৃহৎ স্বার্থে এবং মাদ্রাসায় শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ভিডিওবার্তায় অংশগ্রহণ করেছেন। কারো ভুল বুঝাবুঝি যেন না হয়।  উনার ইসলামী চেতনা ও তাগুতের মোকাবেলায় দৃঢ় মনোভাব ছিল, আছে এবং থাকবে ইনশাআল্লাহ।

ভিডিওবার্তায় অংশগ্রহণ ছিল একটি সাময়িক সিদ্ধান্ত। আল্লামা বাবুনগরী উনার আদর্শ ও চেতনা থেকে সরে আসেন নি৷ 
আকাবির-আসলাফের জীবন্ত প্রতিচ্ছবি আল্লামা বাবুনগরী নিজের কার্যক্রম চালিয়ে যাবেন। জুলুম ও নির্যাতন উনার উপর অতীতেও চালানো হয়েছে, উনি দমে যান নি। বরং উনার প্রতিবাদী কণ্ঠ আরো বেগবান হয়েছে। ইনশাআল্লাহ আজীবন উনার তেজস্বী চেতনা এবং উচ্চকণ্ঠ আরও প্রসারিত হবে। বাতিলের হৃদপিণ্ড কাঁপিয়ে দেবে উনার সাহসী পদক্ষেপ। বিজাতীয় দুশমন ও স্বজাতীয় গাদ্দার মুনাফেকদের কোনো ষড়যন্ত্র আল্লামা বাবুনগরীর অভিযাত্রা রুখতে পারবে না। 


ফাজেল: দারুল উলুম হাটহাজারী মাদ্রাসা।

ডেস্ক: হেফাজতের ত্যাগী নেতৃবৃন্দ,  আল্লামা শফী ও তাঁর ছেলের বিরুদ্ধে একটি সিন্ডিকেট অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে বলে অভিযোগ করেন আল্লামা শফী। গত সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।

আল্লামা শফী বলেন, ‘হযরত রাসুলে কারিম স. শান-মান, সাহাবায়ে কিরামের আজমতসহ ইসলামের ইজ্জত-সম্মান ও প্রাধান্য সুরক্ষায় হেফাজতে ইসলামের আত্মপ্রকাশ। জাতির এক ক্রান্তিলগ্নে দেশের নাস্তিক্যবাদী অপশক্তি যখন প্রকাশ্যভাবে আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (স) এবং ইসলামের বিভিন্ন মৌলিক বিষয়াবলীর সুস্পষ্ট বিদ্রোহ ঘোষণা করে, অপমানকর বক্তব্য প্রদান করে, তখনই হেফাজতে ইসলাম এসবের বিরুদ্ধে গর্জে উঠে।’

তিনি বলেন, ‘দেশের কোটি কোটি মানুষের ঈমান-আকিদা ও ইসলামী মূল্যবোধ সুরক্ষায় রাজপথে বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দেয় এই সংগঠনের কর্মীরা। আবারও যদি কেউ আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (স), সাহাবায়ে কিরাম তথা ইসলামের বিরুদ্ধে কোন কথা বলে হেফাজতে ইসলাম পুনরায় গর্জে উঠবে।’

আল্লামা শাহ আহমদ শফী বলেন, ‘নাস্তিক্যবাদী অপশক্তি প্রকাশ্যভাবে হেফাজতে ইসলামের মোকাবিলা করতে পারবেনা। ইসলাম বিরোধী ওই অপশক্তি প্রকাশ্য মোকাবিলায় ব্যর্থ হয়ে ইদানিং পেছনের দরজায় হামলা করছে বলে মনে হয়। হেফাজতের ভেতরে ঘাপটি মেরে বসে থাকা একটি সিন্ডিকেট জ্ঞাতে-অজ্ঞাতে আজ নাস্তিক্যবাদীর খেলনায় পরিণত হয়েছে। তারা ভেতরে থেকে হেফাজতে ইসলাম, হেফাজতের ত্যাগী নেতাদের, আমার ও আমার ছেলের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘ভেতর থেকে এসব অপপ্রচার করে তারা হেফাজতে ইসলামকে দুর্বল করতে চায়, সংগঠনটির ইমেজ নষ্ট করতে চায় এবং জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা চালাতে চায়।’

বিবৃতিতে আল্লামা শফী বলেন, ‘কোন সিন্ডিকেট, অপশক্তির ষড়যন্ত্র এ দেশের ঈমান রক্ষার আন্দোলন হেফাজতে ইসলামকে ধ্বংস করতে পারবে না ইনশাআল্লাহ। বরং তারাই ধ্বংস হয়ে যাবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘হেফাজতের বিরুদ্ধে কোন দুষ্টচক্রের ষড়যন্ত্র বরদাশত করা হবে না।’

তিনি ষড়যন্ত্রকারী দুষ্টচক্র কর্তৃক হেফাজতে ইসলামের ভেতরকার কল্পিত বিরোধের অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য সকলকে আহবান জানান। পাশাপাশি ইসলামের শত্রুদের ব্যাপারে সতর্ক ও সজাগ দৃষ্টি রাখারও আহবান জানিয়েছেন বিবৃতি।


হাটহাজারী মাদরাসার স্বনামধন্য মুহাদ্দিস ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব শায়খুল হাদীস আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী সম্পর্কে মাওলানা  আনাস মাদানীর ফোনালাপ ডাহামিথ্যে ও ভূয়া। ধারাবাহিক ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই আল্লামা বাবুনগরী সম্পর্কে এমন ডাহামিথ্যে ও ভূয়া অপপ্রচার করছেন আনাস মাদানী।

আজ ২ রা জুলাই বৃহস্পতিবার সংবাদমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ হাটহাজারী শাখার সাধারণ সম্পাদক ও মেখল মাদরাসার সিনিয়র শিক্ষক মাওলানা জাকারিয়া নোমান ফয়জী।

তিনি আরো বলেন,আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী একজন বয়োবৃদ্ধ হাদীস বিশারদ হওয়া সত্বেও হেফাজতের জন্য তিনি কারানির্যাতন ভোগ করে রিমান্ডে অমানুষিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। শাপলা চত্বরে সেই ভয়াল রাতে নিজের প্রাণের ঝুঁকি নিয়েও তিনি মঞ্চে থেকে লক্ষ লক্ষ  তৌহিদি জনতাকে বুকে আগলে রেখেছেন। নিজের প্রাণ বাচানোর চিন্তা তিনি সেদিন করেননি। আর আজ এতোদিন পর আল্লামা বাবুনগরী শাপলা চত্বরে মানুষকে মার খাইয়িছেন বলে নির্জলা মিথ্যাচার করছেন আনাস মাদানী।

মাওলানা জাকারিয়া নোমান ফয়জী বলেন,মাওলানা আনাস মাদানীর এমন মিথ্যাচারে পুরো জাতি আজ মর্মাহত। তার এই মিথ্যাচার জাতি ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে। আমি এই মিথ্যাচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। আশা করি,মাওলানা আনাস মাদানী তার এই মিথ্যাচারের জন্য ভুল স্বীকার করে জাতির কাছে মুক্তি চাইবে।

আনাস মাদানীর ফোনালাপে জামাতের সাথে আল্লামা বাবুনগরীর সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে জাকারিয়া নোমান ফয়জী বলেন, জামাতের সাথে হেফাজত মহাসচিব আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীর নুন্যতম সম্পর্ক বা সংশ্লিষ্টতা নেই। বাবুনগরী সাহেব সব সময় তার লেখনী ও বয়ান বক্তৃতার মধ্যে জামাতের ভ্রান্ত আকিদা সম্পর্কে জাতীকে সচেতন করে আসছেন।এমনকি হাটহাজারী মাদরাসার বার্ষিক মাহফিলে আল্লামা বাবুনগরীর আলোচ্য বিষয়ও ছিলো জামাতের ভ্রান্ত আকিদার অপনোদন। যেই আল্লামা বাবুনগরী পুরোটা জীবন জামাতের ভ্রান্ত মতাদর্শের বিরুদ্ধে জাতিকে সচেতন করে আসছেন তার ব্যাপারে জামাত সংশ্লিষ্টতার মিথ্যা অভিযোগ শুধু ভিত্তিহীনই নয় বরং রীতিমতো হাস্যকর। অর্বাচীন বালকের মতো এসব মিথ্যাচার করে মাওলানা আনাস মাদানী নিজের পায়েই কুড়াল মারছেন।
তিনি আরো বলেন, জামাতে সাথে আল্লামা বাবুনগরীর কোন সংশ্লিষ্টতা নেই মর্মে গত রমজানে হেফাজতের একজন দায়িত্বশীল হিসেবে আমি বাবুনগরীর পক্ষ থেকে ৫০ লক্ষ টাকার চ্যালেঞ্জ করেছিলাম।কিন্তু আজকের দিন পর্যন্ত কেহই জামাতের সাথে বাবুনগরীর সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ দিয়ে আমার চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে পারেনি।

মাওলানা জাকারিয়া নোমান ফয়জী বলেন,আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী সম্পর্কে মাওলানা আনাস মাদানীর এই মিথ্যাচার গভীর ষড়যন্ত্র বলে আমি মনে করি। ২০১৩ সালের হেফাজতের অবরোধের সময় কারা সরকারী ও বিরোধী দলের সাথে আঁতাত করে নবীপ্রেমিকদের এই ঈমানি আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত তা সকলের জানা। তারাই আজ কওমী মাদরাসার ইতিহাস ঐতিহ্য,  অবদানকে ধূলিসাৎ করে দিচ্ছে। তারাই আজ সরকারের পদলেহনে ব্যস্ত। 

গুটি কয়েক চিহ্নিত ষড়যন্ত্রকারী আল্লামা বাবুনগরীর ক্লিন ইমেজকে নষ্ট করতে উঠেপড়ে লেগেছে। তাই দেশবিদেশের হেফাজতের নেতৃবৃন্দ ও শুভাকাঙ্খীরা ষড়যন্ত্রকারীদের মিথ্যাচার, অপপ্রচার থেকে বিরত থাকার আহবান রইলো।

বার্তা প্রেরক

মাওলানা ইমরান শিকদার, প্রচার সম্পাদক হেফাজতে ইসলাম হাটহাজারী উপজেলা

পাঠ্যপুস্তক থেকে অবিলম্বে ...
বিশেষ প্রতিবেদক: রাজধানীর বুড়িগঙ্গা নদীতে লঞ্চডুবির ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন হাটহাজারী মাদরাসার স্বনামধন্য মুহাদ্দিস ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব, শায়খুল হাদীস আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী।

১ লা জুলাই বুধবার সংবাদ মাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে এ ঘটনায় নিহতদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে স্থানীয় জেলা প্রশাসনও জনপ্রতিনিধিদের 
দুর্ঘটনার শিকার ব্যক্তিদের সহায়তায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান আল্লামা বাবুনগরী । নিহতদের পরিবারের খোঁজখবর নেওয়া সহ সাধ্যমতো ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে এগিয়ে আসতে হেফাজত নেতাকর্মীদের প্রতি বিশেষ আহবান জানান তিনি।

বিবৃতিতে আল্লামা বাবুনগরী বলেন, বুড়িগঙ্গা নদীতে লঞ্চডুবির মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় ৩৩ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। শরীয়তের পরিভাষায় নিহত মুসলমানরা শাহাদাতের মর্যাদা পাবে। আমি নিহতদের মাগফিরাত কামনা করছি ও তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি।

সরকারের পক্ষ থেকে নিহতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ এবং আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার দাবী জানান হেফাজত মহাসচিব। 

একটি দেশের উন্নতি নির্ভর করে ওই দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতির ওপর এমনটা দাবি করে হেফাজত মহাসচিব বলেন,নৌ পরিবহনের চালক ও দায়িত্বশীলদের অবহেলায় কিছুদিন পর পর লঞ্চডুবি ও নৌকাডুবির দুর্ঘটনা ঘটে। এর  ফলে দেশের নৌপথ যাতায়াত ব্যবস্থা জনগণের আস্থা হারাচ্ছে। 

সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে লঞ্চডুবির ঘটনায়
প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে নৌ মন্ত্রণালয় সহ সংশ্লিষ্ট সকলকে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করার দাবী জানান হেফাজত মহাসচিব আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী ।

ডেস্ক: রাজধানীর বুড়িগঙ্গায় যাত্রীবাহী লঞ্চডুবির ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৩০ জনের লাশ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও কোস্ট গার্ড। এর আগে সোমবার সকালে অর্ধশতাধিক যাত্রী নিয়ে বুড়িগঙ্গায় লঞ্চডুবির ঘটনা ঘটে। নিখোঁজ অন্যদের উদ্ধারে এখনও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

জানা যায়, সোমবার সকালে সদরঘাটের শ্যামবাজার প‌য়ে‌ন্টে ময়ূর-২ নামের লঞ্চের সঙ্গে ধাক্কা লেগে ডুবে যায় মর্নিং বার্ড নামের একটি লঞ্চ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও কোস্ট গার্ড। তাদের সঙ্গে উদ্ধারকাজে যোগ দিয়েছেন স্থানীয়রাও। এখন পর্যন্ত ৩০ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৩ জন পুরুষ, ৫ জন নারী ও ২ জন শিশুর লাশ রয়েছে।

এদিকে লঞ্চডুবির খবর পেয়ে শ্যামবাজার এলাকায় ছুটে আসছেন স্বজনরা। তাদের কান্নায় আকাশ বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সাবেক ডিজি সামীম আফজাল আর নেই
ডেস্ক নিউজ: ইসলা‌মিক ফাউন্ডেশনের সাবেক ডিজি সামীম আফজাল আর নেই। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর গ্রিন রো‌ডের সেন্ট্রাল হাসপাতা‌লে তিনি মারা যান (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নাইলাইহি রাজিউন)।

তি‌নি দীর্ঘ‌দিন ক্যান্সা‌রে ভুগ‌ছি‌লেন। বৃহস্পতিবারই তা‌কে হাসপাতা‌লে নেয়া হ‌য়ে‌ছিল। ইসলা‌মিক ফাউ‌ন্ডেশ‌নের প্রকাশনা প‌রিচালক নূর মোহাম্মদ আলম বিষয়‌টি নি‌শ্চিত ক‌রে‌ছেন।

শুক্রবার বাদ ফজর জহুরী মহল্লা মসজিদে, সকাল ৯:০০টায় নারিন্দা শাহসাহেব বাড়ি মসজিদ প্রাঙ্গনে এবং বাদ জুম্মা গ্রামের বাড়িতে তার জানাযা হবে।


রাশিদুল ইসলাম: বাংলাদেশের প্রাচীনতম দীনি শিক্ষা নিকেতন আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলূম মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারী প্রতিষ্ঠার সূচনালগ্ন থেকেই দেশে ধর্মীয় শিক্ষা-দীক্ষার পরিবেশ তৈরির পাশাপাশি দীনের বহু অঙ্গনে ইসলাম ও মুসলিম উম্মাহর খেদমত করে আসছে। বিশেষত উম্মাহর বিভিন্ন জীবন জিজ্ঞাসার সঠিক সমাধানের মত গুরুত্বপূর্ণ কাজও জামিয়ার ইসলামী আইন-গবেষণা বিভাগের পাশাপাশি জামিয়ার মুখপত্র ( র্ম ও তাহযীব বিষয়ক সাময়িকী ) মাসিক 'মুঈনুল ইসলাম' এর মাধ্যমে প্রায় ত্রিশ বছর থেকে সমাধান দিয়ে আসছে।

পত্রিকা প্রকাশের শুরুলগ্ন থেকেই জিজ্ঞাসা-সমাধান বিভাগটির দায়িত্ব পালন করে আসছে জামিয়ার উচ্চতর বিভাগ 'তাখাসসুস ফিল ফিকহিল ইসলমী ( ইসলামি আইন-গবেষণা ) বিভাগ।

উম্মাহর বৃহৎ ফায়দার জন্য জামিয়ার মহাপরিচালক শায়খুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফী হাফিযাহুল্লাহুর নির্দেশনায় মাসিক মুঈনুল ইসলাম পত্রিকায় প্রেরিত প্রশ্নের সমাধানগুলো একত্রিত করে, ফেকহী কিতাবের নিয়ম অনুযায়ী অধ্যায় ভাগ করে ভলিয়ম আকারে সংকলন করা হয়েছে 'ফাতওয়া মুঈনুল ইসলাম'-১।

সংকলনের এ গুরুদায়িত্ব পালন করেছেন জামিয়ার উচ্চতর বিভাগ 'দারুত তাসনীফ'। বিভাগটির প্রথম বছরের সংকলন হিসেবে উক্ত ফাতওয়ার খণ্ডটি তাঁরা সাফল্যের সাথে আঞ্জাম দিতে সক্ষম হয়েছে।

'ফাতওয়া মুঈনুল ইসলাম' এর প্রথম খণ্ডে রয়েছে কিতাবুত তহারত এবং সালাত। ধারাবাহিক বেশকিছু খণ্ডে ফাতওয়ার কিতাবটি প্রকাশিত হবে ইনশাআল্লাহ।

সত্যায়ন
ফাতাওয়ার কিতাবটি সংকলন প্রস্তুত করে, সত্যায়নের জন্য ফাতওয়া বিভাগের সকল উস্তাযের কাছে পাঠানো হলে সকলেই গুরুত্বের সাথে সংকলনটি দেখেছেন এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়েছেন। 
বিশেষত মুফতী নূর আহমাদ হাফি. মুফতী আবদুস সালাম হাফি. মুফতী জসীমুদ্দীন হাফি. মুফতী কিফায়াতুল্লাহ হাফি. এবং মুফতী ফরীদুল হক হাফি.।

উল্লেখ্য, কিতাবটির শুরুতে দীর্ঘ ৬০ পৃষ্ঠাব্যাপী মুফতিয়ানে কেরাম ও আসাতিযায়ে কেরামের দুআ ও অভিমত রয়েছে।
কিতাবটির সৌন্দর্য আরো বহুগুণে বৃদ্ধি করে দিয়েছে, জামিয়ার বিশিষ্ট ফকীহ ও মুহাদ্দিস মুফতী কিফায়াতুল্লাহ হাফিযাহুল্লাহুর জ্ঞানগর্ভ ভূমিকা।  'ফাতাওয়া মুঈনুল ইসলাম: কিছু মৌলিক আলোচনা” শীর্ষক ভূমিকায় অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় স্থান পেয়েছে। কিতাবটি বিশেষত ফিকহ-ফাতাওয়ার সাথে সম্পর্ক রাখেন- এমন প্রত্যেকের জন্য উপকারে আসবে। 

কিতাবটি সংকলনের ক্ষেত্রে 'দারুত তাসনীফ' বিভাগটিকে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেছেন, মাসিস মুঈনুল ইসলামের সম্পাদক, দারুত তাসনীফ বিভাগের নেগরান মুফতী আবদুল্লাহ নাজীব হাফিযাহুল্লাহ।

হাদিয়া
তিনশত পঞ্চাশ টাকা।

আপতত প্রাপ্তিস্থান
মাসিক মুঈনুল ইসলাম কার্যালয়।
যোগাযোগ : ০১৬৩৮-২৩৪৫৩৫

অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের অনুদান দিচ্ছে ...
স্টাফ রিপোর্টার :ভুয়া নিয়োগপত্র দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) থেকে ৩ প্রতারককে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে ভুয়া নিয়োগপত্র, ফাকা চেকসহ ক্যাম্পাস সংলগ্ন পার্কের মোড় থেকে তাদের আটক করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মুহিব্বুল ইসলাম  বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

আটককৃতরা হল মিঠাপুকুরের চেংমারী এলাকার মৃত মোঃ আলীর পুত্র ওসমান গনি, দিনাজপুরের ফুলবাড়ি উপজেলার পশ্চিম গৌরী পাড়া এলাকার মোজাম্মেল হকে পুত্র তানভির ওরফে রেজভি এবং একই এলাকার মৃত ওসমান মিয়ার পুত্র জাহিদুল ইসলাম। 

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, ৪ মাস আগে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়  আউটসোর্সিং নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। ওই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির সূত্র ধরে একটি প্রতারক চক্র গড়ে উঠে। তারা বিভিন্নজনকে ভুয়া নিয়োগপত্র প্রদান করে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়ে। 
সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের মালি পদে এক যুবক প্রতারক চক্রের কাছে ৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা ঠিক করে। চাকরি প্রত্যাশির ওই যুবকের এ বিষয়ে সন্দেহ হলে গোপনে পুলিশ কে জানান তিনি। প্রতারক চক্রকে ধরতে ফাঁদ পাতে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মুহিব্বুল ইসলাম মুন। 
বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রতারক চক্র ওই যুবকের নিকট টাকা নিতে পার্কের মোড়ে এলে পুলিশ তাদের হাতেনাতে আটক করে। এসময় তাদের কাছ থেকে ৩টি জাল নিয়োগপত্র, ৪টি ফাকা চেকের পাতা, ৪টি ফোন, ৪টি ভোটার আইডি কার্ড উদ্ধার করা হয়।


স্টাফ রিপোর্টার :করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধ ও গ্রাহকদের সুরক্ষায় ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড রংপুর শাখা লকডাউন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে রংপুর সিটি করপোরেশনের স্বাস্থ্য বিভাগ ওই ব্যাংকের শাখাটিতে লাল পতাকা উত্তোলন করে লকডাউন ঘোষণা করেন।

রংপুরের ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক শাখায় কর্মরত চারজন করোনা আক্রান্ত রোগী হিসাবে শনাক্ত হয়েছে। একারণে ওই শাখার গ্রাহকসহ কর্মরত সকলের সুরক্ষা ও করোনা সংক্রমণ ঝুঁকি রোধে লকডাউন করা হয়েছে বলে জানান সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. কামরুজ্জামান তাজ। :করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধ ও গ্রাহকদের সুরক্ষায় ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড রংপুর শাখা লকডাউন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে রংপুর সিটি করপোরেশনের স্বাস্থ্য বিভাগ ওই ব্যাংকের শাখাটিতে লাল পতাকা উত্তোলন করে লকডাউন ঘোষণা করেন।

রংপুরের ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক শাখায় কর্মরত চারজন করোনা আক্রান্ত রোগী হিসাবে শনাক্ত হয়েছে। একারণে ওই শাখার গ্রাহকসহ কর্মরত সকলের সুরক্ষা ও করোনা সংক্রমণ ঝুঁকি রোধে লকডাউন করা হয়েছে বলে জানান সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. কামরুজ্জামান তাজ।


জুনাইদ আহমদ  
মেখল মাদরাসার সিনিয়র মুফতী হযরত আল্লামা মুফতী মুহাম্মদ আলী কাসেমী হাফিযাহুল্লাহু। আমার প্রাণপ্রিয় উস্তাদ ও মুরুব্বি। আজ থেকে প্রায় একযুগ আগে আমি ছোট্ট জুনাইদ  মেখল মাদরাসায় ভর্তি হওয়ার পর মুফতী সাহেব হুজুরের পিতৃ স্নেহ ও সার্বিক তত্বাবধানে দীর্ঘ সাত বছর লেখাপড়া করেছি,আলহামদুলিল্লাহ। জামাতে মিজান থেকে হেদায়া ১ ম বর্ষ পর্যন্ত, ছয় বছর মুফতী সাহেব হুজুরের খেদমত ও সাহচর্যে ছিলাম।

মেখলের পড়াশোনা শেষ করে হাটহাজারী মাদরাসায় আসার পরও মুফতী সাহেব হুজুরের সাথে আমার সম্পর্কের ভাটা পড়েনি। সপ্তাহে দু'চার বার সাক্ষাৎ হয়।হুজুর মেখল থেকে হাটহাজারীর উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলেই ফোন দিয়ে বলেন- জুনাইদ! আমি হাটহাজারী আসতেছি।দেখা হতে পারে। দু'একদিন অন্তর অন্তর  মোবাইল ফোনেও কথা হয়। আমি ফোন দিতে না পারলেও মুফতী সাহেব নিজ থেকেই ফোন করে খবর নেন। ছাত্র-উস্তাদ নয় এ যেন পিতা-পুত্রের অকৃত্তিম সম্পর্ক। 

মোবাইলে নিয়মিত কথা হলেও করোনা ভাইরাস,লক ডাউন ইত্যাদির কারণে প্রায় দেড় দুইমাস যাবত মুফতী সাহেব হুজুরের সাথে সাক্ষাতের কোন সুযোগ হচ্ছিল না । মনটা ছটফট করছিলো কখন যে মুফতী সাহেব হুজুরের সাথে সাক্ষাৎ করবো! ক'দিন ধরে সাক্ষাত করতে যাবো যাবো করেও যাওয়া হচ্ছিল না। গত জুমাবার গিয়েছিলাম হুজুরের সাক্ষাৎলাভে 
ধন্য হতে।

জুমার পর হুজুর নিজ প্রতিষ্ঠিত মেখল এশায়াতুস সুন্নাহ মাদরাসায় বিশ্রাম করছিলেন। সালাম দিয়ে হুজুরের কামরায় প্রবেশ করা মাত্রই আমার কণ্ঠস্বর শুনে হুজুর বিশ্রাম ছেড়ে উঠে গেলেন। আগ বাড়িয়ে এসে মুসাফাহার জন্য হাত বাড়িয়ে দিলেন। কতটা উদার মনের মানুষ হলে- একজন উস্তাদ নিজ ছাত্রের স্নেহে বিশ্রাম ছেড়ে এগিয়ে এসে মুসাফাহার জন্য হাত বাড়িয়ে দিতে পারেন! আল্লাহু আকবার। এতে শেখার আছে বহুকিছু। সত্যিই মাটির  মানুষ আমার উস্তাদ মুফতী মুহাম্মদ আলী কাসেমী দা.বা.। 

আমার হাল পুরসি করলেন। খাদেমকে ডেকে নাস্তার ব্যবস্থা করতে বললেন। নাস্তা ছিলো আম,আনারস ইত্যাদি  ফলফলাদি। হুজুরও আমার সাথে একই দস্তরখানায় বসলেন। একাধিক গাছের আম ছিলো প্লেটে। কোনটা মিষ্টি আবার কোনটা হালকা টক। প্লেট থেকে হুজুর নিজ হাতে আমাকে আম তুলে দিচ্ছিলেন।আর বলছিলেন- এটা খাও, এটা বেশি মিষ্টি হবে । আমগুলো ছিলো অনেক সুস্বাদু। জিজ্ঞাসা করলাম আমগুলো মাদরাসার গাছের কিনা ? মুফতী সাহেব হুজুর উত্তর দিলেন- হ্যাঁ এগুলো মাদরাসার গাছের আম তবে আমি মাদরাসা থেকে টাকা দিয়ে কিনে নিয়েছি।আমের মূল্য যত টাকা আসে তা আমি মাদরাসায় দিয়ে দিয়েছি।

আশ্চর্য হলাম! নিজের জায়গা জমিনে প্রতিষ্ঠিত মাদরাসা। তিনি মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা-মোহতামীম। এরপরও মাদরাসার গাছের কয়েকটা আম সেগুলোও কিনে নিতে হয়! কয়েকটা আম কি তিনি মোহতামীম হিসেবে টাকা ছাড়াই খেয়ে নিতে পারতেন না ? মাদরাসার হকের ব্যাপারে এতটাই গুরুত্ববান তিনি! আল্লাহু আকবার....।

তিক্ত হলেও সত্য যে, বহু মোহতামীম হযরত মাদরাসাকে নিজ পৈত্রিক সম্পত্তি মনে করে লুটেপুটে খান। এমন খবরও ভুরি ভুরি শুনা যায়। কিসের মাদরাসার হক আর কিসের কি,সবই যেন নিজের। মাআজাল্লাহু...

দীর্ঘ ছয় বছর আমি মুফতী সাহেব হুজুরের খেদমতে ছিলাম। মাদরাসার হকের ব্যাপারে হুজুরকে সর্বোচ্চ সতর্ক ও গুরুত্ববান দেখেছি। বহু সময় দেখতাম- পকেট থেকে টাকা বের করে বলতেন এ টাকাগুলো তো  আমার নয় মনে হচ্ছে। এগুলো মাদরাসার জন্য কেহ দিলো কিনা। টাকাগুলো তো সন্দেহপূর্ণ হয়ে গেলো। এই বলে সেই টাকাগুলো মাদরাসায় দিয়ে দিতেন।

স্বচক্ষে দেখেছি- অফিসের ড্রয়ারে বা নিজ পকেটের কোন টাকার ব্যাপারে সন্দেহ হলে সেগুলো কিসের টাকা তা পরিপূর্ণ নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত সেগুলো আলাদা করে রেখে দিতেন।

মুফতী মুহাম্মদ আলী কাসেমী সাহেব হুজুর আমার কলিজার টুকরা উস্তাদ। ছোট্ট শিশুকে যেভাবে হাত ধরে হাঁটতে শেখানো হয় ঠিক সেভাবেই মুফতী সাহেব হুজুর আমাকে লেখালেখির ময়দানে হাঁটতে শিখিয়েছেন। আমার জীবনে মুফতী সাহেব হুজুরকে না পেলে হয়ত কলম হাতে নেওয়া শিখতাম না। মুফতী সাহেব হুজুর থেকে আমি যেই পরিমাণ শিখেছি এর ঋণ পরিশোধ করা কভু সম্ভব নয়। মুফতী সাহেব হুজুরের শানে আমার লিখিত এক কবিতায় লিখেছিলাম- ✍ আমার উপর রয়েছে তোমার বর্ননাতীত অবদান ✍ গায়ে চর্মে পাদুকা বানালেও হবেনা তার সমমান। 

আমার দেখামতে তিনি একজন নিভৃতচারী বুজুর্গ। সব সময় নিজেকে লুকিয়ে রাখতে পছন্দ করেন। হুজুর কতটা সাদাসিধে তা যারা হুজুরকে দেখেছেন তারাই বলতে পারবেন। তিনি ফার্সী ভাষার একজন পণ্ডিত। বিখ্যাত ইসলামি দার্শনিক আল্লামা শেখ সাদী রহ. গুলিস্তাঁ ও বুস্তা কিতাবের পাঠদানে তার দৃষ্টান্ত বিরল।মেখল মাদরাসায় আরবী সাহিত্যের মাকামাতে হারীরীর মতো কঠিন কিতাবের পাঠদান করেন তিনি। মাকামাতে হারীরী পড়ানোর সময় শব্দের,তাহক্বিক,সীগা,বাহাছ,
বাব,মাদ্দা,জিনস ইত্যাদি এমনভাবে তুলে ধরেন মনে হয় যেন তিনি মিজানের ছাত্রদেরকে সরফ পড়াচ্ছেন। মালাবুদ্দা মিনহু,নাহবেমীর সহ দরসে নেজামীর পাঠ্যসূচির বহু কিতাবের ব্যখ্যাকার তিনি। সদা হাস্যোজ্বল চেহারা। মুফতী মুহাম্মদ আলী কাসেমী সাহেব হুজুর দা.বা. আদর্শ মোহতামীমের একজন উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। আল্লাহ তায়া’লা হুজুরকে সুস্থতার সহিত দীর্ঘ নেক হায়াত দান করুন, আমিন। 

প্রাক্তণ ছাত্র মেখল মাদরাসা। 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: চীনের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের শুল্ক মুক্ত সুবিধা ঘোষণার পর বাংলাদেশ নিয়ে ‘খয়রাতি’ শব্দ ব্যবহার করায় দুঃখ প্রকাশের পাশাপাশি নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছে ভারতের জাতীয় দৈনিক ‘আনন্দবাজার পত্রিকা’।

ভ্রম সংশোধন শিরোনামে আনন্দবাজার লিখেছে, ‘লাদাখের পরে ঢাকাকে পাশে টানছে বেজিং’- শীর্ষক খবরে খয়রাতি শব্দের ব্যবহারে অনেক পাঠক আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন। অনিচ্ছাকৃত এই ভুলের জন্য আমরা দুঃখিত ও নিঃশর্ত ক্ষমাপ্রার্থী।’

গত ২০ জুন আনন্দবাজার পত্রিকায় ওই প্রতিবেদনের শুরুতেই ‘বাণিজ্যিক লগ্নি আর খয়রাতির সাহায্য ছড়িয়ে বাংলাদেশকে পাশে পাওয়ার চেষ্টা চীনের নতুন নয়’ বলে লেখা হয়।

সম্প্রতি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বেইজিংয়ের কাছে ৯৭ শতাংশ বা ৮ হাজার ২৫৬টি পণ্য রফতানিতে শুল্কমুক্ত ও কোটামুক্ত বাণিজ্য সুবিধা পেয়েছে বাংলাদেশ। আগামী ১ জুলাই থেকে এ বাণিজ্য সুবিধা কার্যকর হবে। 

সূত্র: ইউএনবি

সৌদি আরবের রাজধানীতে বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীগোষ্ঠী সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। হুথি পরিচালিত আল-মাসিরাহ টেলিভিশনে দেয়া এক ভাষণে সংগঠনটির মুখপাত্র বলেছেন, সৌদির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং একটি সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে।

মঙ্গলবারের এই হামলার ব্যাপারে বিস্তারিত কোনও তথ্য না দিয়ে আল-মাসিরাহ বলেছে, ইরান সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের গভীরে বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে। তবে এই হামলায় কোনো ক্ষয়ক্ষতি কিংবা প্রাণহানি ঘটেছে কিনা তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি।

সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট দাবি করেছে, তারা হুথি যোদ্ধাদের ছোঁড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সফলতার সাথে ধ্বংস করেছে। সৌদি জোটের মুখপাত্র কর্নেল তুর্কি আল-মালকি এ হামলাকে বেসামরিক জনগণ ও স্থাপনার বিরুদ্ধে ইচ্ছাকৃত এবং ধারাবাহিক অভিযান বলে উল্লেখ করেন।

একজন প্রত্যক্ষদর্শী ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে বলেছেন, মঙ্গলবার ভোরের দিকে তিনি রাজধানী রিয়াদে দু'টি বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পেয়েছেন এবং শহরের আকাশে বিশাল ধোঁয়ার কুণ্ডলি দেখেছেন।

করোনাভাইরাস মহামারির কারণে হুথি বিদ্রোহীদের সঙ্গে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের ছয় সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়েছিল; যার মেয়াদ শেষ হয় গত মাসে। এর পর থেকেই দুই পক্ষের সহিংসতার পরিমাণ আবারো বৃদ্ধি পেয়েছে। যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার পর সৌদি আরবের বিভিন্ন শহর লক্ষ্য করে বেশ কয়েকবার ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হামলা চালিয়েছে হুথি। জবাবে ইয়েমেনে এই বিদ্রোহী গোষ্ঠীর ঘাঁটি লক্ষ্য করে বিমান হামলা পরিচালনা করেছে সৌদি জোট।

সূত্র- রয়টার্স।

গুপ্তহত্যার মাধ্যমে দেশ অস্থির করার ...
নিজস্ব প্রতিনিধি: করোনা মহামারিতে অসহায় মানুষদের সহযোগিতায় এগিয়ে আসার আহবান জানিয়েছেন হেফাজত ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী৷

গতকাল ২১ জুন রবিবার সংবাদ মাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে আল্লামা বাবুনগরী এ আহবান জানান ৷

তিনি বলেন,করোনা আতংকে কার্যত মানুষ আজ গৃহবন্দী হয়ে পড়েছে। নেই কাজের কোন উৎস। এই পরিস্থিতিতে বহু মানুষ অসহায় অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছে। তাই এই উদ্ভুত পরিস্থিতিতে দূর্দশাগ্রস্থ পরিবারের পাশে খাদ্যদ্রব্য, নগদ অর্থসহ জরুরী ত্রাণসামগ্রী নিয়ে এগিয়ে আসা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব ও কর্তব্য। 

স্থানীয় প্রশাসন,সমাজের বিত্তবান, জনপ্রতিনিধি,সামাজিক ও সেবামূলক সংগঠন এবং বিশেষভাবে হেফাজত ইসলামের নেতৃবৃন্দকে যার যার অবস্থানে থেকে সাধ্যমত ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে অসহায়দের সহযোগিতায় এগিয়ে আসার আহবান জানান হেফাজত মহাসচিব।

হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে আল্লামা বাবুনগরী বলেন,আপনারা করোনায় আক্রান্ত রোগীদের সেবায় এগিয়ে আসুন। তাদের সেবা করুন। তাদের চিকিৎসায় সহযোগিতা করুন। এখলাছ ও নিষ্ঠার সাথে সেবার মহৎ কাজ করলে আল্লাহ তায়া’লার নিকট এর উত্তম বিনিময় পাওয়া যাবে। 

রোগীর দেখাশোনা ও সেবা-শুশ্রূষাও একটি ইবাদত উল্লেখ করে করোনায় আক্রান্ত রোগীদের যথাযথ চিকিৎসা সেবা দিতে ডাক্তারদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে আল্লামা বাবুনগরী বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) রোগীর সেবা-শুশ্রূষা করা, তাকে সান্ত্বনা দেওয়াকে সর্বোচ্চ সৎকাজ এবং গ্রহণযোগ্য ইবাদত হিসেবে ঘোষণা করেছেন।তাই আপনারা করোনায় আক্রান্ত রোগীদের যথাযথ চিকিৎসা সেবা প্রদান করুন।

তিনি আরো বলেন,এই মহামারিতে কোন মুসলমান মারা গেলে রাসুল সা. এর হাদীস অনুযায়ী সে অবশ্যই শহীদ হবে। তাকে ইসলামি বিধানানুযায়ী জানাযা ও দাফন কাফন করতে হবে। দুঃখজনকভাবে বলতে হয় করোনায় আক্রান্ত হয়ে যারা মারা যাচ্ছে আজ তাদের দাফন কাফনে অনেক অবহেলা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এটা কভু কাম্য নয়। করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বরণকারীদেরকে ইসলামের বিধান অনুযায়ী জানাযা ও দাফন-কাফনে সেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করতে হেফাজত নেতাকর্মীদের প্রতি আহবান জানান তিনি ।

আল্লামা বাবুনগরী বলেন, করোনা ভাইরাসে আতংকিত না হয়ে শরঈ বিধানকে প্রাধান্য দিয়ে সরকার, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও অভিজ্ঞ ডাক্তাররা যেসব পরামর্শ দেন তা যথাযথ ভাবে মেনে চলতে হবে।


জুনাইদ আহমদ :   আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া হামিয়ুচ্ছুনাহ মেখল মাদরাসা মহাপরিচালক আল্লামা নোমান ফয়জী সাহেব দা.বা.। তিনি  মুফতীয়ে আজম রহ. এর সুযোগ্য দৌহিত্র (মেয়ের ঘরের নাতি)। উচ্চ মর্যাদা সম্পন্ন ঐতিহ্যবাহী বংশের সন্তান তিনি । আল্লামা নোমান ফয়জী দা.বা. হাটহাজারী মাদরাসার সাবেক মোহতামীম আল্লামা হামেদ সাহেব রহ. এর জামাতা।

আল্লামা নোমান ফয়জী সাহেব দা.বা. হাটহাজারী মাদরাসার মজলিসে শূরার অন্যতম একজন সদস্য। গত ১৭ ই জুন বুধবার হাটহাজারী মাদরাসার মজলিসে শূরার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত বৈঠক শেষে এক বিশেষ বিবৃতিতে আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী হাফিযাহুল্লাহুর মুঈনে মোহতামীমের পদ ছেড়ে দেওয়ার সম্মতির বিষয়ে আল্লামা নোমান ফয়জী এর বরাতে একটি মিথ্যা বক্তব্য প্রচার করা হয়।

আল্লামা নোমান ফয়জীর দা.বা.এর বরাতে এমন একটি ডাহামিথ্যে বক্তব্য প্রচার হওয়ায় নোমান ফয়জী সাহেব দা.বা. তাৎক্ষণিক এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। অনলাইন পত্রিকা প্রবচনের সম্পাদক কাজী হামদুল্লাহ ভাই আল্লামা নোমান ফয়জী সাহেব হুজুর থেকে মুঠোফোনে এ বিষয়ে একটি অডিও সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেন। সাক্ষাৎকারে আল্লামা নোমান ফয়জী সাহেব হুজুর জানান, তাঁর বরাতে প্রচারিত বক্তব্যটি মিথ্যা ও ভূয়া।

আল্লামা বাবুনগরী বাবুনগরী সাহেব মুঈনে মোহতামীমের পদ থেকে পদত্যাগের কোন সম্মতি শূরার সদস্যদের নিকট পেশ করেননি এবং আল্লামা নোমান ফয়জী সাহেব হুজুরও বাবুনগরী সাহেবের পদত্যাগের বিষয়ে কোন কথা বলেননি।

প্রবচন মিডিয়ার সৌজন্যে সেই অডিও সাক্ষাৎকারটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফসবুকে ভাইরাল হয়। মিথ্যাচারের বিষয়টি ফাঁস হয়ে যাওয়ায় Kamrul hasan নামের একটি ফ্যাক আইডি থেকে আল্লামা নোমান ফয়জী সাহেব হুজুরের নামে কটুক্তিমূলক একটি পোস্ট করা হয়। এই ফ্যাক আইডি থেকে বিগত সময়েও হাটহাজারীর শীর্ষ ওলামায়ে কেরাম ও তৌহিদি জনতার নামে কটুক্তি করা হয়েছে। 

আল্লামা নোমান ফয়জী সাহেব হুজুরের নামে কটুক্তি করে বলা হয়েছে- তিনি হাটহাজারী মাদরাসার বহিস্কৃত উস্তাদ। মিথ্যাবাদীদের স্পর্ধা কত বড়!তিনি হাটহাজারী মাদরাসার বহিস্কৃত উস্তাদ এমন কথা আমরা আজো শুনিনি। এটা নির্জলা মিথ্যাচার। এমন ডাহা মিথ্যা আল্লামা নোমান ফয়জী সাহেব দা.বা. এর মানহানীর শামিল। আল্লামা  নোমান ফয়জী সাহেব হুজুর ছিলেন হাটহাজারী মাদরাসার স্বনামধন্য একজন শিক্ষক উস্তাদ । 

নোমান ফয়জী সাহেব হুজুরের পিতা আল্লামা মুজাফফর আহমদ (রহ.) মুফতীয়ে আজম রহ. এর পর ১৯৭৬ সন থেকে মেখল মাদরাসার মোহতামীম ছিলেন। ২০০৫ সাল তিনি ইন্তেকাল করলে আল্লামা নোমান ফয়জী সাহেব নিজ নানা মুফতীয়ে আজম রহ. ও পিতা আল্লামা মুজাফফর রহ. এর রেখে যাওয়া আমানত " মেখল মাদরাসার"  হাল ধরতে হাটহাজারী মাদরাসা থেকে সেচ্চায় বিদায় নিয়ে মেখল চলে যান। ২০০৫ ইং থেকে অদ্যাবধি  অত্যন্ত দক্ষতা ও বিচক্ষণতার সাথে  মেখল মাদরাসার মহাপরিচালকের গুরু দায়িত্ব পালন করে আসছেন আল্লামা নোমান ফয়জী দা বা.।

আমি মেখল মাদরাসার একজন প্রাক্তন ছাত্র। দীর্ঘ সাত বছর মেখলে পড়েছি। নোমান ফয়জী সাহেব হুজুরের নিকট মিজান কিতাব থেকে শুরু করে হেদায়া ১ ম খন্ড সহ বহু কিতাব আমি পড়েছি। তিনি আমার প্রাণপ্রিয় উস্তাদ। আজ ১০ বছর যাবত আমি হাটহাজারীতে আছি। আমার জানা ও দেখামতে আল্লামা নোমান ফয়জী সাহেব হুজুর বিতর্কের উর্ধ্বে একজন খাটি আল্লাহ ওয়ালা বুজুর্গ ব্যক্তি। নোমান ফয়জী সাহেব হুজুরের নামে  কোন সমালোচনা আজো শুনিনি।

আল্লামা নোমান ফয়জী সাহেব হাজার হাজার আলেমের কলিজার টুকরা উস্তাদ। সাড়া বাংলাদেশে তাঁর হাতে গড়া হাজার হাজার আলেম,মুফতী,মুহাদ্দিস,ইমাম-খতীব, লেখক ও গবেষক রয়েছে। তিনি অত্যন্ত নরম তবিয়তের একজন মানুষ। একজন বিদগ্ধ আলেম।সুমিষ্টভাষী ও জনপ্রিয় ওয়ায়েজ।

বাংলা ও উর্দূ ভাষায় অর্ধ শতাধিক কিতাবপত্র লিখেছেন তিনি। কওমী মাদরাসার পাঠ্যসূচির বহু কিতাবের ব্যখ্যাকার আল্লামা নোমান ফয়জী । সাবলীল উপস্থাপনা, মধুময় বাক্যশৈলী ও সর্ববোধগম্য দরস প্রদানে সকল ছাত্রদের প্রিয় উস্তাদ তিনি। তার মতো ক্লিন ইমেজের একজন বয়োবৃদ্ধ বুজুর্গ আলেম ব্যক্তিকে নিয়ে কটুক্তি করা চরম ধৃষ্টতার শামিল। মিথ্যাচারকারীদের কটুক্তিতে  আমরা যারপরনাই মর্মাহত। 

প্রশাসনের নিকট দাবী জানাই,
অনতিবিলম্বে Kamrul hasan নামে আইডি ব্যবহারকারীকে খোঁজে বের করে  তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। এবং কাদের ইন্দনে এ সব ফ্যাক আইডি থেকে এভাবে শীর্ষ ওলামায়ে কেরামের নামে কটুক্তি করা হচ্ছে তা অনুসন্ধান করে বের করার দাবী জানাচ্ছি 

আমি মেখলের একজন প্রাক্তন ছাত্র হিসেবে আমার উস্তাদ আল্লামা নোমান ফয়জী সাহেব হুজুরের শানে কামরুল হাসানের কটুক্তির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এবং কটুক্তিকারীদেরকে হুশিয়ারী উচ্চারণ করে বলছি,
অনতিবিলম্বে যদি কটুক্তি বন্ধ করা না হয় মেখলের সন্তানরা তোমাদের কটুক্তির দাঁতভাঙা জবাব দেবে,ইনশাআল্লাহ।

লেখক: 
প্রাক্তন ছাত্র মেখল মাদরাসা
ক্ষাবর্ষ-২০০৯ -২০১৫ ইংরেজি ]


কাজী হামদুল্লাহ :গতরাতে মাগরিবের নামায পড়ে কথা বলতে বলতে শ্রদ্ধেয় ডক্টর কিউ এম আতাউল হক আঙ্কেল একটি বহু পুরাতন মসজিদের কথা জানালেন। আমাদের এলাকা জুম্মাপাড়া থেকে দেড় কিলোমিটারের কিছু কম বা বেশি হবে; রংপুর দখিগঞ্জে। তিনি জানালেন মসজিদটি সম্ভবত মোঘল আমলের। এখন একেবারেই জঙ্গল হয়ে আছে। এলাকার মানুষ সেখানে ভয়ে যায় না। কেউ এটাকে মন্দির বলে আর কেউ বলে মসজিদ। ওই মসজিদটি একবার দেখে আসা যায়?
আমি আর আমার ফ্রেন্ড সাদিক তাৎক্ষণিক রাজি হয়ে তার সাথে পরামর্শ করে সিদ্ধান্ত নিলাম পরদিন সকাল (আজ সকালে) আমরা সেখানে যাবো। সেই অনুযায়ী আজ ফজরের নামায পড়ে তিনজন হেঁটে হেঁটে দখিগঞ্জে পৌঁছি। মসজিদটি প্রথম দেখাতেই মনটা একেবারে খারাপ হয়ে যায়। আল্লাহর ঘর মসজিদ, কিন্তু একেবারেই জঙ্গলের ভেতরে, মানুষের বাড়ির পেছন সাইডে। এর চেয়েও ভয়ের কথা হলো, মানুষ আল্লাহর ঘরে আসার চেয়ে বরং ভয় পায়। আমরা মসজিদটি ঘুরে ঘুরে দেখছিলাম, এমন সময়ই কয়েকজনকে দেখলাম দূর থেকে আমাদেরকে দেখছে কিন্তু কাছে আসছে না।

ঘরটি দেখে স্পষ্টই বোঝা যাচ্ছে যে, এটি একটি মসজিদ। স্থানীয় কেউ কেউ এটিকে মন্দির বললেও তা যে ভুল সেটা এর কাঠামো দেখলে যে কেউ বুঝতে পারবে।
স্বাভাবিকত মসজিদের দরজা হয় পূর্ব পাশে। পশ্চিমদিকের দেয়ালে থাকে মিম্বার/মিহরাব। পুরাতন মসজিদগুলোর পশ্চিম দেয়ালে বাতি রাখার জন্য মিহরাবের উভয় পাশে খোপ বানানো হয়। মসজিদের কাঠামোতে আরেকটি জিনিস বলতে গেলে তখনকার সময়ে বাধ্যতামূলক ছিলো, সেটা হলো গম্বুজ বা মিনার। এই মসজিদের উপরেও দেখলাম দুটি বড় বড় গম্বুজ রয়েছে। স্থানীয়রা জানালো এখানে মূলত গম্বুজ ছিল তিনটি। বেশ কয়েকবছর আগে একটি গম্বজ ভেঙে পড়ে গেছে।
ইট-সুরকির গাঁথুনীতে চমৎকার মোঘল কাঠামোতে তৈরি মসজিদটি সুন্দর সুন্দর কারুকাজ করে সাজানো।। কিন্তু উপরে-নিচে সবখানে প্রচুর ঝোঁপঝারের কারণে পূর্ব দিক ছাড়া অন্য কোনদিকেই সেটা এখন ততটা বোঝা যায় না।
আমি এখন পর্যন্ত এর সঠিক ইতিহাসটি জানতে পারিনি। কারণ সংবাদ পেয়েছি গতরাতেই। তবে দেখে বোঝা যাচ্ছে যে এটা কয়েকশো বছর আগে নির্মিত।
আমরা আমাদের মত করে দেখে-শুনে বিদায় হচ্ছিলাম একটা চাপা কষ্ট নিয়ে। তবে ডক্টর আঙ্কেল বললেন একবার এই জায়গার মালিকের সঙ্গে দেখা করে যেতে পারলে ভাল হতো। আমিও চিন্তা করলাম অবশ্যই, তার সাথে দেখা করলে হয়তো আরো কিছু তথ্য জানা যাবে।
খোঁজ নিয়ে জানলাম মসজিদ থেকে দেড়/দুইশো কদম দূরের বাড়িটির মালিকই এই জায়গার বর্তমান মালিক। তার সাথে আমরা দেখা করলাম। তিনি আমাদের জানালেন, তারা মোট পাঁচ ভাই। তাদের দাদা দরসিংদী থেকে রংপুরে এসে বসতি স্থাপন করেন। তখন স্থানীয় একজন জমিদার এই জায়গাটি তার দাদাকে রেজিস্ট্রেশন করে দেয়। দাদার পরে তাদের বাবা এই জায়গার মালিক হন।
তাদের বাবা সবসময় এই মসজিদটির পরিচর্যা করতেন। (যদিও এখানে নামায পড়তেন না, কিন্তু) দু-তিনমাস পর পর এখানে গজিয়ে ওঠা ঝোঁপঝাড় ও ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার করতেন। তবে তিনি ছাড়া অন্য কেউই মসজিদের আশপাশেই ঘেঁষতো না ভয়ে। তার পরিচর্যায় দীর্ঘদিন মসজিদটি নাকি কিছূটা হলেও পরিচ্ছন্ন ছিলো। গতবছর তাদের বাবা মারা যাবার পর থেকেই আর কেউ এদিকে ঘেঁষেনি।
তারা আমাদেরকে আরো জানান, অনেক আগে একবার রংপুর কেরামতিয়া মসজিদের কয়েকজন হুজুর মসজিদটি দেখার জন্য এসেছিলেন এবং একবার এক সাংবাদিক এসেছিলেন। সেবার পত্রিকায় কিছু হয়তো লিখেছিলেনও। কিন্তু এরপর থেকে আর কিছূ হয়নি। পড়ে আছে আগের মতই। এ যেন হারিয়ে যাবার সূচনালগ্ন।
আমরা এই মসজিদকে হারিয়ে যেতে দিতে চাই না। তাই আমরা কিছূ বিষয় ভাবছি। যদি আল্লাহ তাআলা কবুল করেন, তাহলে আশা করি আমরা সেটা পারবো। আল্লাহর ঘর মসজিদকে তার স্ব-রূপে ফিরিয়ে আনতে আমরা ইনশাআল্লাহ আমাদের সবটুকু সাধ্য ব্যয় করবো।
আপনারা আমাদের জন্য দোয়া করবেন, আল্লাহ তাআলা যেন আমাদের ইচ্ছাকে সফলতা দান করেন এবং স্বীয় ঘর হেফাজতে আমাদেরকে শরীক হবার তাওফিক দান করেন, আমিন।

লেখক

Mufti Naeem, Jamia Binoria: Profile, Wiki, Family and Death
অনলাইন ডেস্ক: পাকিস্তানের প্রসিদ্ধ আলেম, জামিয়া বিন্নুরিয়াহ করাচির মোহতামিম মুফতি মোহাম্মদ নাঈম হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

শনিবার রাত ৯টা ৩২ মিনিটে তিনি ইন্তেকাল করেন। তার ইন্তেকালের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার ছেলে মুফতি নোমান। তিনি জানান, হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ায় বাবাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। পথিমধ্যে তিনি ইন্তেকাল করেন।

ইমরান খানের বিশেষ সহকারী ডা. শাহবাজ গুল জানিয়েছেন, বিশিষ্ট আলেম মুফতি নাঈমের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী গভীর প্রকাশ করেছেন।

তিনি টুইটারে লিখেছেন, তিনি মরহুমের জান্নাতের উচ্চ মাকামের জন্য দোয়া করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

শোক প্রকাশ করে সিন্ধু গভর্নর ইমরান ইসমাইল বলেছেন, তিনি তার পুরো জীবন ইসলামের শিক্ষায় ব্যয় করেছেন।মুফতি নাঈম জামিয়া বিনুরকে একটি বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান বানিয়েছেন।

তার ইন্তেকালে সংসদীয় ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক আফতাব জাহাঙ্গীর ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম (জেবিআই)-এর নেতা আল্লামা রশিদ সমরভী, আসলাম ঘুরি শোক প্রকাশ করেছেন এবং তার জান্নাতের উচ্চ মাকামের জন্য দোয়া করেছেন। 

সূত্র: পাকিস্তান টুডে

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget